গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়

দিগন্ত প্রতিবেদন
দিগন্ত প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১০ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:১২
গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়
গরমে ত্বকের যত্ন - ছবি পিক্সাবেই

গরম পড়লেই অনেকের ত্বকে শুরু হয় নতুন সমস্যা। কারও মুখ অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে যায়, কারও ব্রণ বাড়ে, আবার অনেকে ঘামাচি, র‍্যাশ কিংবা রোদে পোড়া ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। বাংলাদেশের বৈচিত্রময় ঋতুতে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বকের যত্ন না নিলে এসব সমস্যা দ্রুত বাড়তে পারে। নিজেকে পরিপাটি ও সৌন্দর্য বর্ধন করতে অবশ্যই জানুন গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায় সমূহ। 

ত্বক নিয়ে যারা গবেষণা করেন কিংবা পড়াশোনা করেন তাদের অভিজ্ঞতার মতে, গরমে ঘাম, ধুলাবালি ও অতিরিক্ত রোদ ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। তবে সবসময় দামি স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহার করতেই হবে এমন না। ঘরেই থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ত্বককে ভালো রাখা সম্ভব।

গরমে ত্বকের সমস্যা কেন বাড়ে

বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ঋতুতে গরমের সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। ফলে শরীরে ঘাম বেশি হয়। ঘাম ও ধুলাবালি মিলে ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে ব্রণ, ফুসকুড়ি, চুলকানি ও তৈলাক্তভাব বাড়ে। চিকিৎসকদের মতে, রোদে অতিরিক্ত থাকা ত্বকের ক্ষতিও বাড়ায়। বিশেষ করে দুপুরের রোদ ত্বকের জন্য বেশি ক্ষতিকর।

গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়ে নেওয়ার কার্যকর পদ্ধতি

প্রত্যেক ডাক্তারই বলেন ত্বক ভালো রাখার অত্যন্ত সহজ এবং প্রাকৃতিক উপায় হল প্রতিদিন পরিমিত পানি খাওয়া। এক্ষেত্রে অনেকে মনে করেন প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি খাওয়া যথেষ্ট আবার কেউ কেউ উল্টো মনে করেন। তবে বাস্তবতা হলো প্রতিদিন কতটুকু পানি খাবেন সেটি নির্ভর করবে আপনার উপর। এই নিয়ে আমাদের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন দিনে কতটুকু পানি খাওয়া দরকার । শুধুই কি পানি? পানি ছাড়াও যে সমস্ত ঘরোয়া উপায়ে ত্বককে ভালো রাখতে পারবেন তাহলো - 

অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন

গরমে ত্বক ঠান্ডা রাখতে অ্যালোভেরা খুব জনপ্রিয় একটি উপাদান। এটি ত্বকে আরাম দেয় এবং হালকা জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে বিশেষজ্ঞদের মতে, রোদে পোড়া ত্বকে অ্যালোভেরা অনেক সময় উপকারী অনুভূতি দেয়। ব্যবহারের আগে হাতে অল্প লাগিয়ে দেখে নিন অ্যালার্জি হয় কি না।

শসা ত্বক ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে

গরমে চোখের নিচে ফোলা ভাব বা মুখে জ্বালাপোড়া কমাতে শসা ব্যবহার করা হয় বহু বছর ধরে। ঠান্ডা শসা কেটে মুখে কিছুক্ষণ রাখলে অনেকেই আরাম অনুভব করেন।

গোলাপ জল ব্যবহার করা যেতে পারে

পরিষ্কার তুলায় অল্প গোলাপ জল নিয়ে মুখ মুছে নিলে অনেক সময় ফ্রেশ অনুভূতি আসে। তবে অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত বা কেমিক্যাল বেশি থাকা গোলাপ জল ব্যবহার না করাই ভালো।

ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন

গরমে দিনে দুই থেকে তিনবার মুখ ধোয়া ভালো। এতে ঘাম ও ধুলাবালি কমে যায়। খুব বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। যদি পারেন প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিষ্কার জীবাণুমুক্ত পানি ফ্রিজের মধ্যে রেখে সেটা বরফ করতে, এরপর প্রতিদিন সকালে ওই বরফ দিয়ে ত্বকের উপর হালকা হালকা মালিশ করতে। 

টক দই ও মধুর প্যাক

অনেকেই গরমে টক দই ও অল্প মধু মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করেন। এতে ত্বকে কিছুটা শীতল অনুভূতি আসতে পারে। তবে সেনসিটিভ স্কিন হলে আগে অল্প ব্যবহার করে পরীক্ষা করা ভালো।

গরমে ত্বকের যত্নে কী খাবেন

ত্বক শুধু বাইরে থেকে না, ভেতর থেকেও ভালো রাখতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, গরমে বেশি পানি পান করার পাশাপাশি তরমুজ, শসা, ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও ফল খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। তাই এসব খাবার আপনার নিত্য দিনের প্রয়োজনীয়তায় রাখুন। 

গরমে ত্বকের যত্নে যেসব ভুল করবেন না

অনেকেই গরমে বারবার মুখে সাবান ব্যবহার করেন। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আবার অতিরিক্ত ভারী ক্রিম ব্যবহার করলেও ব্রণ বাড়তে পারে। মুখরোচক কথায় বিক্রি হওয়া ফেসবুক বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কোন ফেসওয়াস বা ফেসপ্যাক কিনে মুখে ব্যবহার করবেন না।  রোদে বের হলে ছাতা বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো।

সমস্ত ঘরোয়া উপাদান অনেক ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে ত্বকে যদি অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে ভাব, ইনফেকশন বা দীর্ঘদিনের ব্রণ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

লাইফস্টাইল থেকে আরো

আরো দেখুন
গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়
গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়

গরম পড়লেই অনেকের ত্বকে শুরু হয় নতুন সমস্যা। কারও মুখ অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে যায়, কারও ব্রণ বাড়ে, আবার অনেকে ঘামাচি, র‍্যাশ কিংবা রোদে পোড়া ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। বাংলাদেশের বৈচিত্রময় ঋতুতে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বকের যত্ন না নিলে এসব সমস্যা দ্রুত বাড়তে পারে। নিজেকে পরিপাটি ও সৌন্দর্য বর্ধন করতে অবশ্যই জানুন গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায় সমূহ।  ত্বক নিয়ে যারা গবেষণা করেন কিংবা পড়াশোনা করেন তাদের অভিজ্ঞতার মতে, গরমে ঘাম, ধুলাবালি ও অতিরিক্ত রোদ ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। তবে সবসময় দামি স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহার করতেই হবে এমন না। ঘরেই থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ত্বককে ভালো রাখা সম্ভব। গরমে ত্বকের সমস্যা কেন বাড়ে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ঋতুতে গরমের সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। ফলে শরীরে ঘাম বেশি হয়। ঘাম ও ধুলাবালি মিলে ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে ব্রণ, ফুসকুড়ি, চুলকানি ও তৈলাক্তভাব বাড়ে। চিকিৎসকদের মতে, রোদে অতিরিক্ত থাকা ত্বকের ক্ষতিও বাড়ায়। বিশেষ করে দুপুরের রোদ ত্বকের জন্য বেশি ক্ষতিকর। গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়ে নেওয়ার কার্যকর পদ্ধতি প্রত্যেক ডাক্তারই বলেন ত্বক ভালো রাখার অত্যন্ত সহজ এবং প্রাকৃতিক উপায় হল প্রতিদিন পরিমিত পানি খাওয়া। এক্ষেত্রে অনেকে মনে করেন প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি খাওয়া যথেষ্ট আবার কেউ কেউ উল্টো মনে করেন। তবে বাস্তবতা হলো প্রতিদিন কতটুকু পানি খাবেন সেটি নির্ভর করবে আপনার উপর। এই নিয়ে আমাদের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন দিনে কতটুকু পানি খাওয়া দরকার । শুধুই কি পানি? পানি ছাড়াও যে সমস্ত ঘরোয়া উপায়ে ত্বককে ভালো রাখতে পারবেন তাহলো -  অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন গরমে ত্বক ঠান্ডা রাখতে অ্যালোভেরা খুব জনপ্রিয় একটি উপাদান। এটি ত্বকে আরাম দেয় এবং হালকা জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে বিশেষজ্ঞদের মতে, রোদে পোড়া ত্বকে অ্যালোভেরা অনেক সময় উপকারী অনুভূতি দেয়। ব্যবহারের আগে হাতে অল্প লাগিয়ে দেখে নিন অ্যালার্জি হয় কি না। শসা ত্বক ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে গরমে চোখের নিচে ফোলা ভাব বা মুখে জ্বালাপোড়া কমাতে শসা ব্যবহার করা হয় বহু বছর ধরে। ঠান্ডা শসা কেটে মুখে কিছুক্ষণ রাখলে অনেকেই আরাম অনুভব করেন। গোলাপ জল ব্যবহার করা যেতে পারে পরিষ্কার তুলায় অল্প গোলাপ জল নিয়ে মুখ মুছে নিলে অনেক সময় ফ্রেশ অনুভূতি আসে। তবে অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত বা কেমিক্যাল বেশি থাকা গোলাপ জল ব্যবহার না করাই ভালো। ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন গরমে দিনে দুই থেকে তিনবার মুখ ধোয়া ভালো। এতে ঘাম ও ধুলাবালি কমে যায়। খুব বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। যদি পারেন প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিষ্কার জীবাণুমুক্ত পানি ফ্রিজের মধ্যে রেখে সেটা বরফ করতে, এরপর প্রতিদিন সকালে ওই বরফ দিয়ে ত্বকের উপর হালকা হালকা মালিশ করতে।  টক দই ও মধুর প্যাক অনেকেই গরমে টক দই ও অল্প মধু মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করেন। এতে ত্বকে কিছুটা শীতল অনুভূতি আসতে পারে। তবে সেনসিটিভ স্কিন হলে আগে অল্প ব্যবহার করে পরীক্ষা করা ভালো। গরমে ত্বকের যত্নে কী খাবেন ত্বক শুধু বাইরে থেকে না, ভেতর থেকেও ভালো রাখতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, গরমে বেশি পানি পান করার পাশাপাশি তরমুজ, শসা, ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও ফল খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। তাই এসব খাবার আপনার নিত্য দিনের প্রয়োজনীয়তায় রাখুন।  গরমে ত্বকের যত্নে যেসব ভুল করবেন না অনেকেই গরমে বারবার মুখে সাবান ব্যবহার করেন। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আবার অতিরিক্ত ভারী ক্রিম ব্যবহার করলেও ব্রণ বাড়তে পারে। মুখরোচক কথায় বিক্রি হওয়া ফেসবুক বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কোন ফেসওয়াস বা ফেসপ্যাক কিনে মুখে ব্যবহার করবেন না।  রোদে বের হলে ছাতা বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। সমস্ত ঘরোয়া উপাদান অনেক ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে ত্বকে যদি অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে ভাব, ইনফেকশন বা দীর্ঘদিনের ব্রণ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

দিগন্ত প্রতিবেদন ১০ মে, ২০২৬ 0
গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন তেল ভালো

গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন তেল ভালো

ভারি বৃষ্টিতে রেইনকোট নাকি ছাতা

ফ্যান পরিষ্কার করলে কি আসলেই বাতাস বাড়ে?

ফ্যান পরিষ্কার করলে কি আসলেই বাতাস বাড়ে?

গরমে চার্জার ফ্যান কেনার আগে যে ৩টি বিষয় মনে রাখবেন
গরমে চার্জার ফ্যান কেনার আগে যে ৩টি বিষয় মনে রাখবেন

গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে চার্জার ফ্যানের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে লোডশেডিং, বিদ্যুৎ বিভ্রাট কিংবা বাইরে ব্যবহারের সুবিধার কারণে এখন অনেক পরিবারেই চার্জার ফ্যান প্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। তবে বাজারে অসংখ্য ব্র্যান্ড, বিভিন্ন দামের মডেল এবং আকর্ষণীয় অফারের ভিড়ে না বুঝে কিনলে সহজেই প্রতারণার শিকার হতে পারেন ক্রেতারা। অনেকেই শুধু বাহ্যিক ডিজাইন দেখে বা কম দাম দেখে চার্জার ফ্যান কিনে পরে হতাশ হন। কয়েকদিনের মধ্যেই ব্যাটারি দুর্বল হয়ে যাওয়া, বাতাস কম পাওয়া কিংবা চার্জ ধরে না রাখার মতো অভিযোগও কম নয়। তাই কেনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি। ব্যাটারি ব্যাকআপ প্রথমেই দেখতে হবে ব্যাটারির মান ও ব্যাকআপ সময়। চার্জার ফ্যানের মূল শক্তি তার ব্যাটারি। অনেক বিক্রেতা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ব্যাকআপের দাবি করলেও বাস্তবে তা অনেক সময় মেলে না। ব্যাটারির ধরন, ক্ষমতা এবং চার্জ সাইকেল সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত। লিথিয়াম ব্যাটারির ফ্যান সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং দ্রুত চার্জ হয়। সস্তা ব্যাটারির ফ্যান শুরুতে ভালো চললেও অল্প সময়েই কর্মক্ষমতা হারাতে পারে। বাতাসের গতি দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মোটরের ক্ষমতা ও বাতাসের গতি। অনেক ফ্যান দেখতে বড় হলেও বাতাস কম দেয়। কারণ এর মোটর দুর্বল বা ব্লেডের নকশা কার্যকর নয়। কেনার আগে সম্ভব হলে চালিয়ে দেখে নেওয়া ভালো। কম শব্দে বেশি বাতাস দিতে পারে এমন ফ্যান দীর্ঘমেয়াদে বেশি সুবিধাজনক। শুধু আকার বড় হলেই ভালো ফ্যান হবে, এমন ধারণা ঠিক নয়। ওয়ারেন্টি তৃতীয় বিষয় হলো বিক্রয়োত্তর সেবা ও ওয়ারেন্টি। চার্জার ফ্যান একটি ইলেকট্রনিক পণ্য হওয়ায় ব্যবহারের সময় সমস্যা হতেই পারে। তাই পরিচিত ব্র্যান্ড বা নির্ভরযোগ্য বিক্রেতার কাছ থেকে কেনা নিরাপদ। ওয়ারেন্টি আছে কি না, সার্ভিস সেন্টার কোথায়, ব্যাটারি পরিবর্তনের সুযোগ আছে কি না, এসব আগেই জেনে নেওয়া উচিত। অনেক সস্তা ফ্যানে কোনো গ্যারান্টি থাকে না, ফলে নষ্ট হলে পুরো টাকাই ক্ষতি। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এখন অনলাইনে চার্জার ফ্যান বিক্রি বাড়লেও পণ্যের স্পেসিফিকেশন যাচাই না করে অর্ডার দিলে ঝুঁকি থাকে। রিভিউ, ব্যবহারকারীর মতামত এবং বিক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চার্জার ফ্যান কেনার ক্ষেত্রে শুধু দাম নয়, ব্যবহারকাল, নিরাপত্তা ও সার্ভিস সুবিধাকে গুরুত্ব দিতে হবে। সামান্য সচেতনতা আপনাকে অপ্রয়োজনীয় খরচ ও হতাশা থেকে বাঁচাতে পারে। গরমের এই সময়ে প্রয়োজন মেটাতে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নিয়ে তথ্য জেনে কিনুন। নইলে কম দামের লোভে কিনে পরে ঠকতেই হতে পারে। 

ডিপি প্রতিবেদন ২০ এপ্রিল, ২০২৬ 0
সারারাত এসি চালিয়েও বিদ্যুৎ বিল আসবে অর্ধেক! জেনে নিন এই গোপন ট্রিকস।

সারারাত এসি চালিয়েও বিদ্যুৎ বিল আসবে অর্ধেক! জেনে নিন এই গোপন ট্রিকস।

বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে আইপিএস নাকি সোলার? কোনটি বেশি লাভজনক?

বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে আইপিএস নাকি সোলার? কোনটি বেশি লাভজনক?

গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন ক্রিম ভালো?

গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন ক্রিম ভালো?

ছবিঃ ক্যানভা
নাক ডাকা শুধু বিরক্তির নয়, মৃত্যুর কারণও হতে পারে!

রাতের বেলা পাশের মানুষটার নাক ডাকার শব্দে ঘুম ভেঙে যাওয়া অনেকের কাছেই পরিচিত বিরক্তি। অনেকে হাসিঠাট্টা করেন, কেউ কেউ বালিশ দিয়ে কান চাপেন। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, নাক ডাকাকে শুধু বিরক্তির বিষয় ভাবলে ভুল হবে। কিছু ক্ষেত্রে এটা গুরুতর রোগের সংকেত। চট্টগ্রামের একটি ভুক্তভোগী পরিবার থেকে জানা গেছে, তাদের পরিবারের একজন মধ্যবয়স্ক সদস্য বছরের পর বছর ধরে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকতেন। পরিবার এটাকে স্বাভাবিক ধরেই নিয়েছিল। একদিন রাতে তিনি ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্লিপ অ্যাপনিয়াতে ভুগছিলেন, যেটা ধরা পড়েনি। নাক ডাকার পেছনে সাধারণ কারণ হতে পারে অতিরিক্ত ওজন, ঘুমানোর ভুল ভঙ্গি, নাকের হাড় বাঁকা বা অ্যালার্জি। এগুলো তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু যখন নাক ডাকার সাথে হঠাৎ করে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং কিছুক্ষণ পরে আবার শুরু হয়, তখন সেটাকে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই অবস্থায় ঘুমের মধ্যে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বারবার কমে যায়। দীর্ঘমেয়াদে এটা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। ঘুমের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সাথে স্লিপ অ্যাপনিয়ার সরাসরি সংযোগ প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়। দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব, মাথাব্যথা, মনোযোগের অভাব এবং মেজাজ খিটখিটে থাকা এই রোগের সাধারণ লক্ষণ। বিপদের সংকেত হলো ঘুমের মধ্যে হাঁসফাঁস করা বা শ্বাস আটকে গিয়ে হঠাৎ জেগে ওঠা, পাশের মানুষ যদি লক্ষ্য করেন যে ঘুমের মধ্যে শ্বাস থেমে যাচ্ছে এবং সারারাত ঘুমানোর পরেও সকালে ক্লান্ত লাগা। এই লক্ষণগুলো থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। চিকিৎসা আছে এবং সেটা কার্যকর। ওজন কমানো, ঘুমানোর সময় পাশ ফিরে শোয়া, CPAP মেশিন ব্যবহার এবং কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্লিপ অ্যাপনিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু সেজন্য আগে রোগটাকে রোগ বলে চিনতে হবে।

ডিপি প্রতিবেদন ৭ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ ইন্টারনেট

গরমে বিদ্যুৎ বিল কমাবেন যেভাবে