দীর্ঘ ১৬ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও সম্প্রচারে ফিরেছে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ান। আজ সোমবার ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা ৫৭ মিনিট থেকে পুনরায় বাণিজ্যিক সম্প্রচার শুরু করেছে জনপ্রিয় এই টিভি চ্যানেল।
চ্যানেল ওয়ান ফের চালু হওয়ায় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকা চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচারে আর কোনো বাধা নেই বলে রায় দেন আদালত। এ বিষয়ে করা আপিল আবেদনের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল তৎকালীন সরকার চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সে সময় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) চ্যানেলটির ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ স্থগিত করে।
পরে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অনুমতি ছাড়া সম্প্রচার যন্ত্রপাতি বিক্রির অভিযোগে চ্যানেলটি বন্ধ করা হয়েছে।
চ্যানেল ওয়ানের মালিক ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দীর্ঘ কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান।
মুক্তির পর হাইকোর্টের আগের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। পরে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি শেষে চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচারের পথ আবার খুলে যায়।
একসময় দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল চ্যানেল ওয়ান। সংবাদ, বিনোদন ও নানা অনুষ্ঠান দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। ১৬ বছর পর আবার সম্প্রচার শুরু হওয়ায় পুরোনো দর্শকদের মধ্যেও নস্টালজিয়া কাজ করছে।
দীর্ঘ ১৬ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও সম্প্রচারে ফিরেছে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ান। আজ সোমবার ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা ৫৭ মিনিট থেকে পুনরায় বাণিজ্যিক সম্প্রচার শুরু করেছে জনপ্রিয় এই টিভি চ্যানেল। চ্যানেল ওয়ান ফের চালু হওয়ায় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকা চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচারে আর কোনো বাধা নেই বলে রায় দেন আদালত। এ বিষয়ে করা আপিল আবেদনের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল তৎকালীন সরকার চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সে সময় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) চ্যানেলটির ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ স্থগিত করে। পরে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অনুমতি ছাড়া সম্প্রচার যন্ত্রপাতি বিক্রির অভিযোগে চ্যানেলটি বন্ধ করা হয়েছে। চ্যানেল ওয়ানের মালিক ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দীর্ঘ কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান। মুক্তির পর হাইকোর্টের আগের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। পরে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি শেষে চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচারের পথ আবার খুলে যায়। একসময় দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল চ্যানেল ওয়ান। সংবাদ, বিনোদন ও নানা অনুষ্ঠান দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। ১৬ বছর পর আবার সম্প্রচার শুরু হওয়ায় পুরোনো দর্শকদের মধ্যেও নস্টালজিয়া কাজ করছে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় অনিয়ম ও ‘হরিলুট’ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। একই সঙ্গে কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কেনাকাটার সব ধরণের বিল পরিশোধ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে “সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে সংসদ সচিবালয়ের ক্রয়কার্য নিয়ে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সচিবালয় জানিয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটির রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত বিতর্কিত ওই কেনাকাটার বিপরীতে কোনো অর্থ বা বিল পরিশোধ করা হবে না। এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। এই ‘হরিলুটের’ খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এই দিনটিকে 'ক-শ্রেণি' ভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, "মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পূর্বের ন্যায় 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও জানান, "বিগত ১৬ বছর এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং এ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।" ঐতিহাসিক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক অনন্য অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেই চেতনাকে সমুন্নত রাখতেই সরকার এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। দীর্ঘ দেড় যুগ পর বর্তমান সরকার সেই ছুটি ও দিবসের মর্যাদা পুনর্বহাল করলো। মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং প্রতি বছরের ৬ জুলাইকে 'জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .