জবস

নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, ছবিঃ ক্যানভা
নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, আবেদন করা যাবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।  এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

ক্যারিয়ার ডেস্ক ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ 0
অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক: আর্ট চিত্রঃ ডিপি
অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক, আবেদন শেষ ১০ জানুয়ারি

মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেড অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। গত ১১ ডিসেম্বর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী ১০ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। প্রার্থীদের ভিডিও সিভি জমা দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা স্থায়ী চাকরির সুযোগ পাবেন। এক নজরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিষয় বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেড পদের নাম অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার পদসংখ্যা উল্লেখ নেই চাকরির ধরন ফুলটাইম (স্থায়ী) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (ভিডিও সিভি সহ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিষয় বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রাসঙ্গিক বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৪০ বছর (আবেদনের শেষ তারিখ পর্যন্ত) কর্ম অভিজ্ঞতা প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা আবেদনকারীদের নিম্নলিখিত যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকতে হবে: কম্পিউটার দক্ষতা: AutoCAD, MS Office এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সফটওয়্যার পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে প্রযুক্তিগত জ্ঞান: অবকাঠামো নির্মাণ কোড, নিরাপত্তা বিধিমালা এবং শিল্প মান সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ভ্রমণে ইচ্ছুক: প্রকল্প তত্ত্বাবধানের জন্য ঢাকার বাইরে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক থাকতে হবে যোগাযোগ দক্ষতা: শক্তিশালী যোগাযোগ ও বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা থাকতে হবে চাপ সহ্য করার ক্ষমতা: চাপের মধ্যে কাজ করার দক্ষতা থাকতে হবে কর্মস্থল ও চাকরির ধরন বিষয় তথ্য কর্মস্থল ঢাকা (নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন সহ) চাকরির প্রকৃতি ফুলটাইম (স্থায়ী) কর্মক্ষেত্র ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, শাখা ও প্রকল্প এলাকা দায়িত্ব ও কর্মপরিধি নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রধান দায়িত্বসমূহ হবে: প্রকল্প পরিকল্পনা ও ডিজাইন: কম্পিউটার-এডেড ডিজাইন (CAD) এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ব্যবহার করে অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা ও স্পেসিফিকেশন তৈরি করা সাইট ইনভেস্টিগেশন এবং ফিজিবিলিটি স্টাডি পরিচালনা করা নির্মাণ ও তত্ত্বাবধান: নির্মাণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা এবং সামগ্রী ও যন্ত্রপাতির সরবরাহ নিশ্চিত করা ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সকল প্রকল্প সম্পন্ন হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা শাখা, সাব-শাখা, প্রধান কার্যালয় এবং এটিএম/সিআরএম বুথের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের তত্ত্বাবধান বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা: প্রকল্প বাজেট পরিচালনা, খরচ পর্যবেক্ষণ এবং সময়সূচী অনুযায়ী প্রকল্প সম্পন্ন রাখতে বিভিন্ন টিম ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয় করা সম্পূর্ণ প্রকল্পের বিল পরিমাপ করা এবং পেমেন্ট ছাড়ের ব্যবস্থা করা সমন্বয় ও প্রশাসনিক কাজ: বিভাগ/বিভাগের মধ্যে এবং বিভাগসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন বিভিন্ন অফিস মেমো প্রস্তুত করা টাকা বীমার উদ্দেশ্যে শাখাগুলির সাথে সমন্বয় করা শাখা এবং অফিস অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে পত্র যোগাযোগ প্রযুক্তিগত সহায়তা: ডিজাইন বা নির্মাণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সমাধান খুঁজে বের করতে প্রযুক্তিগত নির্দেশনা প্রদান অবকাঠামোগত সমস্যার মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা লাইন ম্যানেজার বা বিভাগীয় প্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ সম্পাদন আরো পড়ুন নিয়োগ দিচ্ছে এসিআই পিএলসি। থাকছে প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ গ্র্যাচুইটি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বিষয় বিবরণ বেতন আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী) চাকরির ধরন স্থায়ী পদ অন্যান্য সুবিধা ব্যাংকিং খাতের প্রচলিত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের ভিডিও সিভি জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: শুধুমাত্র অনলাইন ভিডিও সিভি জমা দিলে অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে

ক্যারিয়ার ডেস্ক ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ 0
চাকরি দিচ্ছে এসি আই কোম্পানি। ছবি- এই জেনারেটেড
নিয়োগ দিচ্ছে এসিআই পিএলসি। থাকছে প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ গ্র্যাচুইটি

এসিআই পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যেখানে ফিল্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে।    এক নজরে এসিআই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিষয় বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম এসিআই পিএলসি পদের নাম ফিল্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদসংখ্যা নির্ধারিত নয় চাকরির ধরন ফুলটাইম (বেসরকারি) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদন শুরু ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিষয় বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পর্যন্ত বিজ্ঞানসহ যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অন্যান্য যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা কর্ম অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই (নতুন গ্র্যাজুয়েটরাও আবেদন করতে পারবেন) বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর প্রার্থীর ধরন নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন কর্মস্থল ও চাকরির ধরন বিষয় তথ্য কর্মস্থল দেশের যেকোনো স্থানে (মাঠ পর্যায়ে কাজ) চাকরির প্রকৃতি ফুলটাইম কর্মক্ষেত্র ফিল্ড/মাঠ পর্যায়ে বাজার ব্যবস্থাপনা বেতন ও সুযোগ-সুবিধা প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজসহ নিম্নলিখিত সুবিধাদি প্রদান করবে:  আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ  প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধা  গ্র্যাচুইটি সুবিধা  উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার)  বিক্রয় প্রণোদনা (সেলস ইনসেনটিভ)  বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ  চিকিৎসা সুবিধা  লাভের অংশীদারিত্ব (প্রফিট শেয়ারিং) আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে এবং আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আবেদনের শেষ তারিখ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদন পদ্ধতি: শুধুমাত্র অনলাইন সরকারি ছুটির দিনেও আবেদন করা যাবে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য এসিআই পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান। ফার্মাসিউটিক্যালস, কনজিউমার ব্র্যান্ডস, এগ্রো-বিজনেস এবং অন্যান্য খাতে এই প্রতিষ্ঠান সুনাম অর্জন করেছে। এসিআই কর্মীবান্ধব কর্মপরিবেশ এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ প্রদানের জন্য পরিচিত। অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: www.aci-bd.com দ্রষ্টব্য: শুধুমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে। আবেদনের সময় সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করুন।

ক্যারিয়ার ডেস্ক ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ 0
জনপ্রিয়
বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে জেনে নিন

ফুটবল বিশ্ব সব সময়ই তর্কে মেতে থাকে এটা নিয়ে যে, বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ? পেলে নাকি ম্যারাডোনা? তবে বর্তমান যুগে সেই তর্কের ব্যাটন হাতে নিয়েছেন মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং হালান্ডরা। ফিফা র‍্যাংকিং, ব্যালন ডি'অর এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনা করলে দেখা যায়, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফুটবল বিশ্বে প্রতিনিয়তই নানান রকমের নাটকীয়তা দেখতে হয়, নতুন নতুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত,  নতুন স্টাইল এবং খেলার ধরন পরিবর্তন হয়, আর তাই প্রতিনিয়ত বিশ্বের সেরা ফুটবলার পরিবর্তন হয়। আজ আমরা আলোচনা করব বর্তমান সময়ের সেই সেরা ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে, যারা তাদের পরিসংখ্যান এবং জাদুকরী খেলা দিয়ে নিজেদের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১. লিওনেল মেসি লিওনেল মেসি একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল জাদুকর, যাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে আমেরিকার মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই মহাতারকা তার ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময় বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন।  কেন তিনি সেরা? কারণ, তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজের ক্যারিয়ার পূর্ণ করেছেন। মেসির ড্রিবলিং, ভিশন এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৮০০ এর বেশি গোল করেছেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রদানকারী। জন্য মেসিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার বলা হয়  ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো  ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজ পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। ১৯৮৫ সালে জন্মানো এই মহাতারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের হয়ে ইউরোপ শাসন করেছেন। বয়সকে হার মানিয়ে এখনো তিনি শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি ৫ বার ব্যালন ডি'অর এবং ৫ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তাঁর অদম্য মানসিকতা এবং ফিটনেস তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে তিনি সবার উপরে , অফিসিয়াল ম্যাচে ৯০০ এর বেশি গোল করার অবিশ্বাস্য মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন। ৩. কাইলিয়ান এমবাপ্পে  কাইলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক ফুটবলের গতি এবং কৌশলের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। তিনি ফরাসি লিগের ক্লাব পিএসজি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) এবং ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এমবাপ্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষিপ্র গতি এবং ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং তাঁকে ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। তিনি সর্বকালের সেরাদের পথে হাঁটছেন কারণ, মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান বলে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৩০০-এর বেশি গোল করেছেন এবং পিএসজির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪. আর্লিং হালান্ড  নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর 'গোলমেশিন' হিসেবে পরিচিত। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা হালান্ড তাঁর শারীরিক শক্তি, গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনি কেন সেরাদের তালিকায়? কারণ, তিনি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ট্রেবল (একই মৌসুমে তিনটি প্রধান শিরোপা) জেতাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, তাঁর গোল প্রতি ম্যাচের অনুপাত অবিশ্বাস্য; খুব অল্প বয়সেই তিনি ক্লাব ও দেশের হয়ে ২৫০-এর বেশি গোল করে ফেলেছেন। ৫. কেভিন ডি ব্রুইন  বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে বর্তমান বিশ্বের সেরা 'প্লে-মেকার' বা মাঝমাঠের জাদুকর বলা হয়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ডি ব্রুইন তাঁর মাপা পাস এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিখ্যাত। স্ট্রাইকাররা গোল করেন ঠিকই, কিন্তু সেই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ডি ব্রুইন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সবকিছু জিতেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান গোলের চেয়ে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে বেশি সমৃদ্ধ; তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট প্রদানকারী এবং দ্রুততম ১০০ অ্যাসিস্টের রেকর্ডধারী। ৬. ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের বর্তমান ধারক ও বাহক হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণ তারকা তাঁর বিদ্যুৎগতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে ওস্তাদ। তিনি বর্তমানে ব্যালন ডি'অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করে তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই বড় ম্যাচগুলোতে 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্ট করছেন। ৭. রড্রি  রড্রিগো হার্নান্দেজ বা রড্রি হলেন স্পেনের একজন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড়কে বর্তমান ফুটবলের 'ইঞ্জিন' বলা হয়। তিনি মাঠে থাকলে তাঁর দল খুব কমই হারে। তিনি দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং খেলা তৈরি করেন। ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জয় এবং স্পেনের ইউরো জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। পরিসংখ্যান হয়তো তাঁর প্রভাব পুরোপুরি বোঝাতে পারবে না, কিন্তু তাঁর পাসের নির্ভুলতা এবং ট্যাকল করার ক্ষমতা বিশ্বসেরা। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। ৮. হ্যারি কেন হ্যারি কেন একজন ইংলিশ পেশাদার ফুটবলার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা কমপ্লিট স্ট্রাইকার। তিনি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া হ্যারি কেন কেবল গোল করেন না, তিনি নিচে নেমে খেলা তৈরি করতেও দক্ষ। টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে তিনি রেকর্ড গোলদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখেও গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি প্রিমিয়ার লিগের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৯. মোহামেদ সালাহ  মিশরের এই ফরোয়ার্ডকে বলা হয় 'ইজিপশিয়ান কিং'। তিনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করা সালাহ বর্তমানে বিশ্বের সেরা রাইট-উইংগারদের একজন। তাঁর বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং গতি লিভারপুলকে বহু শিরোপা জিতিয়েছে। তিনি আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) জিতেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০. জুড বেলিংহাম জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের একজন তরুণ মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ এর হয়ে খেলছেন। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই বিস্ময়কর খেলোয়ার খুব অল্প সময়েই বিশ্ব ফুটবলে ঝড় তুলেছেন। মিডফিল্ডার হয়েও তিনি স্ট্রাইকারের মতো গোল করার ক্ষমতা রাখেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রথম মৌসুমেই তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পরিপক্বতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁকে ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি'অর বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করছে। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এখনো ছোট হলেও, ইমপ্যাক্ট বা প্রভাবের দিক দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে। বর্তমান বিশ্বে যত প্রকারের খেলাধুলা রয়েছে তার মধ্যে ফুটবল একটি জনপ্রিয় এবং র‍্যাংকিং এর দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর  এই খেলাটি সারা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয়।  ফুটবল খেলায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকেন এর মধ্যে কিছু কিছু খেলোয়াড় তাদের দূরদর্শিতা ও দক্ষতা ও খেলার ধরনের কারণে বেশ সুনাম কুরিয়েছেন। আর তাই কিছু কিছু খেলোয়াড় এখনো বিশ্বসেরা।  তবে সেরাদের ও সেরা থাকে থাকে।  বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে এটা আসলে বলা বাহুল্য, তবে আজ আমাদের পরিচিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী আপনার কাছে কোন খেলোয়াড়টি সবচাইতে বিশ্বের সেরা মনে হয়?  অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার দিয়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন। সোর্সঃ FIFA + ESPN + Ballon d'Or + Opta / Sofascore and Transfermarkt বিশ্লেষণ

মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন মাত্র ২ মিনিটে!

আজকাল আইডি কার্ড ছাড়া কোনো কাজই চলে না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি কাজ—সবখানেই এনআইডি লাগে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন হঠাৎ এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় অথচ কার্ডটি সাথে থাকে না। এই বিপদে পড়লে আপনি কিন্তু চাইলে নিজের ফোন দিয়েই মাত্র ২-৩ মিনিটে মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারেন। মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম শুরুতেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি পোর্টালে (services.nidw.gov.bd) যেতে হবে। সেখানে 'রেজিস্ট্রেশন' অপশনে ক্লিক করে আপনার ভোটার স্লিপের নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি দিতে হবে। এরপর আপনার জন্ম তারিখটা সঠিকভাবে বসিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া তথ্যগুলো যেন আপনার ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্যের সাথে একদম মিলে যায়। পরের ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বাছাই করার পর আপনার মোবাইলে একটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি এখানে ব্যবহার করাই ভালো। মোবাইলে আসা কোডটি পোর্টালে বসিয়ে দিলেই আপনি অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পরের ধাপে যেতে পারবেন। এই পর্যায়ে এসে আপনাকে 'ফেস ভেরিফিকেশন' বা মুখ যাচাই করতে হবে। এর জন্য আপনার ফোনে আগে থেকে 'NID Wallet' নামের অ্যাপটি নামিয়ে রাখতে হবে। ব্রাউজারের কিউআর কোডটি ওই অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলেই আপনার ক্যামেরা চালু হবে। এরপর ক্যামেরার সামনে আপনার মুখটা একবার সোজা, একবার ডানে এবং একবার বামে ঘুরালে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাবে। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলেই আপনি আপনার প্রোফাইলে ঢুকে পড়বেন। সেখানে আপনার ছবি ও নাম দেখা যাবে। প্রোফাইলের নিচের দিকে একটা 'ডাউনলোড' লেখা অপশন পাবেন। এই ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের আসল কপিটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এরপরে এটি আপনি যেকোনো দোকান থেকে প্রিন্ট করে সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। এখন আর এনআইডির কপি পাওয়ার জন্য মেম্বার বা নির্বাচন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করার কোনো ঝামেলাই নেই। ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আপনি যখন-তখন আপনার পরিচয়পত্র বের করে নিতে পারছেন। 

আজকের পেঁয়াজের দাম - Onion Price in Bangladesh

জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বশেষ আজকের পেঁয়াজের দাম কত জানুন। শহর কিংবা গ্রামে পেঁয়াজের দামের কেমন পার্থক্য সেটা জানুন। বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের অবাধ যোগান রয়েছে তাই পেঁয়াজের দাম অনেকটা স্বস্তিতে বা হাতের নাগালে।  আজকের পেঁয়াজের দাম সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০২৬ এ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ৩০ থেকে ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে ঢাকার স্থানীয় মোহাম্মাদপুর বাজারে, এছাড়াও অঞ্চল ভেদে এই দাম কম বা বেশি হতে পারে। দিগন্ত পোষ্টের স্থানীয় প্রতিনিধিরা ঢাকার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ঘুরে পেঁয়াজের এই সর্বশেষ দামের তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।  আর অন্যদিকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা দরে। বিশেষ করে ভারতীয় পেঁয়াজ, দেশি পেঁয়াজের চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে এ বিষয়টি নির্ভর করে পেঁয়াজের সরবরাহের উপর, অর্থাৎ কি পরিমান পেয়াজ বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের গুদামে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করছে পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করার জন্য পেঁয়াজ মজুদ করছেন এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন।  আর তাছাড়াও বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের দাম নির্ভর করে আমদানিকৃত পেঁয়াজের পরিমাণের উপর। পেঁয়াজের আমদানি বেশি হলে দেশি পেয়াজের দাম কমবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।  সর্বশেষ হালনাগাদঃ ৮ এপ্রিল ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত জানুন

সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা চার লাখের সমান। বর্তমানে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা "জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫" অনুযায়ী বেতন পান।  জানার বিষয় হলো একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি কি পরিমান টাকা বেতন হিসেবে পান। তবে  বাস্তবতা হলো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত নানান বৈষম্য নিয়ে প্রতিনিয়ত বর্তমানে সরকারের নিকট আন্দোলন চলমান। জানা যাক এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত। অর্থাৎ একজন এমপিওভুক্ত স্কুল বা কলেজের শিক্ষকের বেতন কত টাকা এবং বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য কি সুযোগ-সুবিধা পান।   এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কারা?  এমপিও (MPO) হলো Monthly Pay Order। এটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (যেমন: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক ভিত্তিতে বেতন-ভাতা প্রদানের একটি প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে মূল বেতনের শতভাগ এবং কিছু নির্দিষ্ট ভাতা পেয়ে থাকেন।  যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত অর্থাৎ সরকারি তালিকাভুক্ত সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হয়,  এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি শিক্ষক নিয়োজিত থাকেন । তবে মনে রাখা ভালো সব শিক্ষকই এমপিও ভুক্ত নন। অর্থাৎ একজন শিক্ষককে এমপিও ভুক্ত হতে হলে NTRCA নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।  কিন্তু একটা জিনিস অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে , এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং একজন একজন সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষক এক নন। সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষকরা সরকারি কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা পান এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে সরকারি। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হলেও সরকারের কাছ থেকে আংশিক আর্থিক সহায়তা পান। আর এই বৈষম্যের কারণেই সর্বশেষ এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা বেতন ভাতা নিয়ে বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছেন।  এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন- শিক্ষাস্তর অনুযায়ী পদের নাম ও বেতন গ্রেড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো তাদের পদের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় বেতন স্কেলের বিভিন্ন গ্রেডে নির্ধারিত হয়। ১. এমপিওভুক্ত স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) সহকারী শিক্ষক (বি.এড) গ্রেড ১১ ১২,৫০০ - ৩০,২৩০ সহকারী শিক্ষক (বি.এড ছাড়া) গ্রেড ১২ ১১,৩০০ - ২৭,৩০০ সিনিয়র শিক্ষক (১০ বছর পূর্তিতে) গ্রেড ১০ ১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ সহকারী প্রধান শিক্ষক / সহকারী সুপার গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ প্রধান শিক্ষক / সুপার গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ দ্রষ্টব্য: উচ্চতর গ্রেড (সাধারণত ৬ষ্ঠ গ্রেড) পাওয়ার সুযোগও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রয়েছে। ২. এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত?  পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) প্রভাষক গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ সহকারী অধ্যাপক (পদোন্নতিতে) গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ সহযোগী অধ্যাপক গ্রেড ৬ ৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০ অধ্যক্ষ গ্রেড ৫ / ৪ ৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ / ৫০,০০০ - ৭১,২০০ মূল বেতনের বাইরে যা পান (ভাতা) এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ভাতা পান, যা সরকারি চাকরিজীবীদের থেকে ভিন্ন: বাড়ি ভাড়া ভাতা মাসিক ১,০০০ টাকা (স্থির)। চিকিৎসা ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা (স্থির)। উৎসব ভাতা: শিক্ষক: মূল বেতনের ২৫% (বছরে দুবার)। কর্মচারী: মূল বেতনের ৫০% (বছরে দুবার)। বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের ২০% (বছরে একবার)। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: মূল বেতনের ৫% (বছরে একবার)। বেতন থেকে যা কর্তন করা হয় প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে মোট ১০% অর্থ কর্তন করা হয়, যা তাদের অবসরকালীন সুবিধার জন্য জমা থাকে। অবসর সুবিধা বোর্ড মূল বেতনের ৬%। কল্যাণ ট্রাস্ট: মূল বেতনের ৪%। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের সাথে মূল পার্থক্য যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত, তবে তাদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের বেতন এবং ভাতার ক্ষেত্রে বেশ পার্থক্য রয়েছে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকদের মাঝে আলোচনার বিষয়। সরকারি শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া হিসেবে পান মূল বেতনের ওপর নির্দিষ্ট হারে (শহর বা গ্রাম ভেদে ৪০-৬০%), যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ১,০০০ টাকা। চিকিৎসা ভাতা হিসেবে পান ফিক্সড ১,৫০০ টাকা, যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ৫০০ টাকা। অন্যদিকে উৎসব ভাতা  পান মূল বেতনের ১০০%, যেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পান মাত্র ২৫%। এই পার্থক্যগুলো নিরসনের দাবিতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকরা বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছেন। সর্বশেষে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংগঠন- এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের প্রতিনিধিদল। তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা করাসহ ১০ দাবি প্রস্তাব দিয়েছেন।  

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসনে বিএনপির প্রার্থী কে, দেখে নিন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ২৩৭ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩০০ আসনের মধ্যে বাকিগুলো জোটের শরিকদের জন্য এবং কিছু আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করার জন্য রাখা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন (ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩) থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।  এই ঘোষণার আগে, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক জরুরি বৈঠকে বসে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে পারে এবং নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো–

সপ্তাহের সেরা

গরমে চার্জার ফ্যান কেনার আগে যে ৩টি বিষয় মনে রাখবেন
লাইফস্টাইল

গরমে চার্জার ফ্যান কেনার আগে যে ৩টি বিষয় মনে রাখবেন

ডিপি প্রতিবেদন ২০ এপ্রিল, ২০২৬ 0

অনলাইন জরিপ

শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার কি বিএনপি সরকার করতে পারবে?