রাতের বেলা পাশের মানুষটার নাক ডাকার শব্দে ঘুম ভেঙে যাওয়া অনেকের কাছেই পরিচিত বিরক্তি। অনেকে হাসিঠাট্টা করেন, কেউ কেউ বালিশ দিয়ে কান চাপেন। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, নাক ডাকাকে শুধু বিরক্তির বিষয় ভাবলে ভুল হবে। কিছু ক্ষেত্রে এটা গুরুতর রোগের সংকেত।
চট্টগ্রামের একটি ভুক্তভোগী পরিবার থেকে জানা গেছে, তাদের পরিবারের একজন মধ্যবয়স্ক সদস্য বছরের পর বছর ধরে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকতেন। পরিবার এটাকে স্বাভাবিক ধরেই নিয়েছিল। একদিন রাতে তিনি ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্লিপ অ্যাপনিয়াতে ভুগছিলেন, যেটা ধরা পড়েনি।
নাক ডাকার পেছনে সাধারণ কারণ হতে পারে অতিরিক্ত ওজন, ঘুমানোর ভুল ভঙ্গি, নাকের হাড় বাঁকা বা অ্যালার্জি। এগুলো তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু যখন নাক ডাকার সাথে হঠাৎ করে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং কিছুক্ষণ পরে আবার শুরু হয়, তখন সেটাকে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই অবস্থায় ঘুমের মধ্যে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বারবার কমে যায়।
দীর্ঘমেয়াদে এটা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। ঘুমের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সাথে স্লিপ অ্যাপনিয়ার সরাসরি সংযোগ প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়। দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব, মাথাব্যথা, মনোযোগের অভাব এবং মেজাজ খিটখিটে থাকা এই রোগের সাধারণ লক্ষণ।
বিপদের সংকেত হলো ঘুমের মধ্যে হাঁসফাঁস করা বা শ্বাস আটকে গিয়ে হঠাৎ জেগে ওঠা, পাশের মানুষ যদি লক্ষ্য করেন যে ঘুমের মধ্যে শ্বাস থেমে যাচ্ছে এবং সারারাত ঘুমানোর পরেও সকালে ক্লান্ত লাগা। এই লক্ষণগুলো থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
চিকিৎসা আছে এবং সেটা কার্যকর। ওজন কমানো, ঘুমানোর সময় পাশ ফিরে শোয়া, CPAP মেশিন ব্যবহার এবং কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্লিপ অ্যাপনিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু সেজন্য আগে রোগটাকে রোগ বলে চিনতে হবে।
অনেক মানুষের দিনের শুরুটাই হয় মোবাইল হাতে নিয়ে। চোখ খোলার সঙ্গে সঙ্গেই কেউ ফেসবুক দেখেন, কেউ মেসেজ চেক করেন, আবার কেউ নিউজ ফিড স্ক্রল করতে থাকেন। বিষয়টি এখন এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে বেশিরভাগ মানুষ বুঝতেই পারেন না, সকালে ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখা মস্তিষ্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম বিশেষজ্ঞ ও নিউরোসায়েন্স গবেষকদের মতে, সকালে ঘুম ভাঙার পরের প্রথম কয়েক মিনিট মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়। এই সময় অতিরিক্ত তথ্য, নোটিফিকেশন বা উত্তেজনাপূর্ণ কনটেন্ট মস্তিষ্কে চাপ তৈরি করতে পারে। সকালে উঠেই মোবাইল দেখলে মস্তিষ্কে কী ঘটে ঘুম থেকে ওঠার পর আমাদের মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে “স্লিপ মোড” থেকে সচল অবস্থায় আসে। কিন্তু হঠাৎ মোবাইলের আলো, শব্দ ও দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্য মস্তিষ্ককে এক ধরনের তাত্ক্ষণিক স্ট্রেসে ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা কাজের মেসেজ দেখলে শরীরে কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোন দ্রুত বাড়তে পারে। ফলে সকাল থেকেই অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে যেসব মানুষ ঘুম থেকে উঠেই খারাপ খবর, অফিসের চাপ বা অন্যের জীবনযাপন দেখতে শুরু করেন, তাদের মধ্যে তুলনামূলক বেশি মানসিক ক্লান্তি দেখা যায়। চোখ ও মন দুটোর ওপরই পড়ে প্রভাব চোখ খোলার পরপরই মোবাইলের উজ্জ্বল আলো চোখের ওপরও চাপ তৈরি করে। দীর্ঘদিন এমন অভ্যাস থাকলে চোখ শুকিয়ে যাওয়া, ঝাপসা দেখা বা মাথাব্যথার সমস্যাও বাড়তে পারে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল স্ক্রল করা অনেক মানুষের মধ্যে “ডোপামিন নির্ভরতা” তৈরি করছে। অর্থাৎ মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বাস্তব জীবনের চেয়ে মোবাইলের দ্রুত উত্তেজনামূলক তথ্যের প্রতি বেশি অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। গবেষণায় কী পাওয়া গেছে কিছু আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সকালে ঘুম থেকে উঠেই দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করেন, তাদের মধ্যে মনোযোগ কমে যাওয়া, উদ্বেগ বৃদ্ধি এবং কাজের প্রতি অনীহা বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণদের ক্ষেত্রে সকালে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম সারাদিনের প্রোডাক্টিভিটি কমিয়ে দিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন গবেষকরা। সকালে কী করলে ভালো লাগতে পারে ঘুম থেকে উঠে অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট মোবাইল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময়টায় যা করতে পারেন: এক গ্লাস পানি পান করুন জানালার পাশে কিছুক্ষণ প্রাকৃতিক আলো নিন হালকা স্ট্রেচিং বা হাঁটাহাঁটি করুন ফজরের নামাজ বা মেডিটেশন করতে পারেন দিনের পরিকল্পনা মাথায় গুছিয়ে নিন পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলুন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের শুরু শান্তভাবে হলে মস্তিষ্কও তুলনামূলক স্থির থাকে। ভবিষ্যতে কেন এটি বড় সমস্যা হতে পারে বর্তমানে শিশু থেকে বড় সবাই স্মার্টফোন নির্ভর হয়ে পড়ছে। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফোন দেখার অভ্যাস ভবিষ্যতে মানসিক স্বাস্থ্যের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মনোবিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে কম বয়সীদের মধ্যে মনোযোগ কমে যাওয়া ও দ্রুত বিরক্ত হয়ে যাওয়ার পেছনে এই অভ্যাসও একটি কারণ হতে পারে। অনেকেই মনে করেন সকালে ফোন দেখা তেমন একটা ক্ষতিকর নয়। কিন্তু দিনের শুরুতেই যদি মস্তিষ্ককে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া হয়, তাহলে ধীরে ধীরে সেটি মানসিক ক্লান্তি ও অস্থিরতার কারণ হতে পারে। তাই সকালে অন্তত কিছু সময় নিজের জন্য রাখা এখন শুধু ভালো অভ্যাস না, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
ভারি বৃষ্টি নামলেই অনেকের মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘোরে “আজ ছাতা নেব, নাকি রেইনকোট?” বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এই ছোট্ট সিদ্ধান্তটাই কখনো বড় ঝামেলা বাঁচায়, আবার কখনো পুরো দিনটাই ভিজিয়ে দেয়। শহরের রাস্তায় দেখা যায় মজার এক দৃশ্য। কেউ মাথার ওপর বিশাল ছাতা ধরে যুদ্ধ করছেন বাতাসের সঙ্গে, আবার কেউ রেইনকোট পরে আরামে হাঁটছেন। তবে দুটোরই আছে আলাদা সুবিধা আর ঝামেলা। তবে মজার বিষয় হলো অনেকের কাছে ছাতা কিংবা রেইনকোট কোনোটিই নেই। ভারি বৃষ্টিতে বেশিরভাগ মানুষ এখন রেইনকোটকেই বেশি ভরসা করেন। কারণ, বাতাস এলেও শরীর কম ভেজে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক বা যারা নিয়মিত বাইরে থাকেন, তাদের কাছে রেইনকোট যেন “বর্ষার বর্ম”। দুই হাত ফাঁকা থাকে, হাঁটাচলাও সহজ হয়। তবে রেইনকোট পরলেই যে সব সমস্যার শেষ, তা নয়। অনেকেই বলেন, “ভাই, রেইনকোট পরলে মনে হয় ভেতরে আলাদা একটা গরমের সিজন শুরু হয়!” বিশেষ করে গরম আর আর্দ্র আবহাওয়ায় দীর্ঘ সময় রেইনকোট পরে থাকাটা বেশ অস্বস্তিকর। অন্যদিকে ছাতার আলাদা একটা “ক্লাসিক” আবেদন আছে। অফিসগামী মানুষ থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী অনেকেই এখনও ছাতাকেই প্রথম পছন্দ বলেন। কারণ, এটা ব্যবহার করা সহজ, গরমও কম লাগে। আবার বৃষ্টি থেমে গেলে গুটিয়ে হাতে নিয়েই হাঁটা যায়। কিন্তু সমস্যা হলো, একটু বাতাস হলেই ছাতা উল্টে যায়। তখন রাস্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে ছাতার সঙ্গে যে যুদ্ধ শুরু হয়, সেটা আশপাশের মানুষও মজা নিয়ে দেখে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিতে ছাতা যথেষ্ট। তবে ঝড়ো হাওয়া আর টানা ভারি বৃষ্টিতে রেইনকোট বেশি কার্যকর। মজার বিষয় হলো, এখন অনেকেই “সেফ সাইডে” থাকতে দুটোই ব্যবহার করেন। ব্যাগে ছোট ছাতা, গায়ে রেইনকোট মানে বৃষ্টি যতই চালাকি করুক, ভেজানোর সুযোগ কম! শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা অনেকটাই অভ্যাস আর প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। কেউ বলেন, “ছাতা ছাড়া বৃষ্টি জমে না”, আবার কেউ মনে করেন, “রেইনকোটই আসল লাইফ সেভার!”
গরমের শুরুতেই দেশজুড়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তি এখন চরমে। এই সংকট মোকাবিলায় গৃহস্থালি ও ছোট অফিসের জন্য অনেকেই বিকল্প খুঁজছেন। তবে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতে আইপিএস (IPS) ভালো হবে নাকি সোলার (Solar) সিস্টেম? কোনটি দীর্ঘমেয়াদে বেশি লাভজনক? খরচ ও সুবিধার নিরিখে এক তুলনামূলক বিশ্লেষণ। সারা বিশ্বের এমন উদ্বিগ্ন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের কোথাও দেখা যাচ্ছে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এই সময়টিতে নিজের ডিভাইস গুলোকে অবশ্যই চারজিং করার জন্য প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এমনকি অতিরিক্ত গরমে মানুষ চায় অন্ততপক্ষে একটু ফ্যানের বাতাস খেয়ে ঠান্ডা থাকতে। আর এই তীব্র লোডশেডিং এ বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে এই দুটি সমাধানে বেশি ব্যবহৃত। তবে কোনটি আপনার জন্য সুবিধা জনক? আইপিএস: তাৎক্ষণিক সমাধান, কিন্তু নির্ভরশীলতা বিদ্যুতেই আমাদের দেশে আইপিএস সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধান। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো প্রাথমিক খরচ অনেক কম। একটি সাধারণ মানের আইপিএস ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যেই সেটআপ করা সম্ভব। তবে এর বড় সীমাবদ্ধতা হলো এটিও মূল বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। আইপিএস মূলত ব্যাটারিতে বিদ্যুৎ জমিয়ে রাখে। যখন দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং হয়, তখন আইপিএস চার্জ হওয়ার পর্যাপ্ত সময় পায় না। ফলে ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে এবং বিদ্যুৎ বিলও কিছুটা বেড়ে যায়। এছাড়া প্রতি দুই-তিন বছর অন্তর ব্যাটারি পরিবর্তন করতে গিয়ে বড় অঙ্কের একটি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ পকেটে চাপে। সোলার: শুরুতে খরচ বেশি, ভবিষ্যতে নিশ্চিন্ত সোলার সিস্টেম বা সৌরবিদ্যুৎ এখন আধুনিক ও দীর্ঘমেয়াদী সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে অনেকে ব্যাবহার করছেন।ঙ্সোকারন লার প্যানেল দিনের বেলায় সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে এবং ব্যাটারি চার্জ করে। অর্থাৎ, দীর্ঘ সময় কারেন্ট না থাকলেও আপনার ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ে না। সোলারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো একবার সেটআপ করলে আগামী ২০ থেকে ২৫ বছর প্যানেল নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা থাকে না। আইপিএসের তুলনায় সোলারে আপনার মাসিক বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে। বর্তমানে উন্নত মানের লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করায় এর স্থায়িত্বও অনেক বেড়েছে। তবে এর প্রাথমিক খরচ আইপিএসের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি হতে পারে। কোনটি বেশি লাভজনক? আপনি যদি শুধুমাত্র ফ্যান ও লাইট চালানোর জন্য সাময়িক সমাধান চান, তবে আইপিএস সাশ্রয়ী মনে হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের কথা ভাবেন, তবে সোলার অনেক বেশি লাভজনক। একটি তুলনামূলক হিসাব: আইপিএস: প্রাথমিক খরচ কম হলেও প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় এবং ২ বছর পর পর ব্যাটারি বদলাতে হয়। ৫-৭ বছরের হিসাবে এটি সোলারের চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়ায়। সোলার: শুরুতে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন হলেও মাসে মাসে কোনো বিল নেই। ৫ বছরের মধ্যে আপনার প্রাথমিক বিনিয়োগের টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের মাধ্যমে উঠে আসে। পরবর্তী ১৫-২০ বছর আপনি কার্যত ফ্রিতে বিদ্যুৎ সেবা পান। আপনার জন্য পরামর্শ জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে সোলার সিস্টেমে শিফট হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। যারা ঢাকার মতো শহরগুলোতে অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, তারা চাইলে পোর্টেবল সোলার প্যানেল বা হাইব্রিড ইনভার্টার ব্যবহার করতে পারেন। আর যাদের নিজস্ব ছাদ ব্যবহারের সুযোগ আছে, তাদের জন্য সোলারই সেরা পছন্দ। পরিশেষে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার বাজেট এবং দৈনিক কত সময় বিদ্যুতের ব্যাকআপ প্রয়োজন তা যাচাই করে নিন। বাজেট একটু বেশি হলে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সোলার প্যানেল লাগানোই হবে সবচেয়ে টেকসই এবং স্মার্ট সিদ্ধান্ত।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .