পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটের আগে রাজ্যে প্রচারে গিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, আম জনতা পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর প্রস্তাব দিলেও পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
আজ মঙ্গলবার প্রচারের শেষ দিনে দার্জিলিংয়ের কার্শিয়াং, বর্ধমানের কুলটি এবং মেদিনীপুরের শালবনীতে জনসভা করেন অমিত শাহ। আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হবে।
জনসভায় অমিত শাহ বলেন, বাংলার দুর্নীতিবাজ তৃণমূল সরকারের সময় ফুরিয়ে এসেছে। এবার তাদের বিদায় নিতে হবে। দুর্নীতিবাজ তৃণমূল সরকারকে গদিতে আর না রাখার সিদ্ধান্ত রাজ্যবাসী ইতিমধ্যে নিয়ে ফেলেছে।
আম জনতা পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাবরি মসজিদ গড়তে দেব না।
অমিত শাহ আরও বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিংয়ে গোর্খাদের সমস্যার সমাধান করা হবে। যেসব গোর্খার নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি, নির্বাচনের পর তাঁদের সবার নাম তোলা হবে। তৃণমূল সরকার গোর্খাদের সঙ্গে যে অন্যায় ও অবিচার করেছে, তা সংশোধন করে তাঁদের দাবি মেটানো হবে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২৩ তারিখে তৃণমূলের কোনো গুন্ডা যেন ঘর থেকে বের না হয় এবং কোনো হাঙ্গামা না করে। করলেই তাদের কারাগারে ঢোকানো হবে। ৪ তারিখের পর অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে প্রচারের শেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলদিয়া, ব্যারাকপুর, জগদ্দল ও জোড়াসাঁকোয় জনসভা করেন।
উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপি বলছে ঝুট, করছে লুট।’ বাংলার জন্য তারা এক পয়সাও দেয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিজেপি নারীদের ওপর অন্যায়-অত্যাচার করে। বিজেপির দুই কোটি চাকরি আর ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কোথায় গেল?
মমতা বলেন, আজ বিজেপিশাসিত রাজ্যে মাছ, মাংস, ডিম খাওয়া বন্ধ। তারা বাংলায় এসব খাওয়া বন্ধ করে দিলে মানুষ খাবে কী?
তিনি আরও বলেন, ভোটের সময় ওরা এসে চমকায়, ভোট শেষ হলে পালিয়ে যায়। তাঁর কাছে কোনো ভেদাভেদ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই এক। একসঙ্গে আছি, একসঙ্গে থাকি এবং একসঙ্গে থাকব। বিজেপিমুক্ত বাংলা গড়ব।’
খবর - নিউজ ১৮
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটের আগে রাজ্যে প্রচারে গিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, আম জনতা পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর প্রস্তাব দিলেও পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে না। আজ মঙ্গলবার প্রচারের শেষ দিনে দার্জিলিংয়ের কার্শিয়াং, বর্ধমানের কুলটি এবং মেদিনীপুরের শালবনীতে জনসভা করেন অমিত শাহ। আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হবে। জনসভায় অমিত শাহ বলেন, বাংলার দুর্নীতিবাজ তৃণমূল সরকারের সময় ফুরিয়ে এসেছে। এবার তাদের বিদায় নিতে হবে। দুর্নীতিবাজ তৃণমূল সরকারকে গদিতে আর না রাখার সিদ্ধান্ত রাজ্যবাসী ইতিমধ্যে নিয়ে ফেলেছে। আম জনতা পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাবরি মসজিদ গড়তে দেব না। অমিত শাহ আরও বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দার্জিলিংয়ে গোর্খাদের সমস্যার সমাধান করা হবে। যেসব গোর্খার নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি, নির্বাচনের পর তাঁদের সবার নাম তোলা হবে। তৃণমূল সরকার গোর্খাদের সঙ্গে যে অন্যায় ও অবিচার করেছে, তা সংশোধন করে তাঁদের দাবি মেটানো হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২৩ তারিখে তৃণমূলের কোনো গুন্ডা যেন ঘর থেকে বের না হয় এবং কোনো হাঙ্গামা না করে। করলেই তাদের কারাগারে ঢোকানো হবে। ৪ তারিখের পর অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে প্রচারের শেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলদিয়া, ব্যারাকপুর, জগদ্দল ও জোড়াসাঁকোয় জনসভা করেন। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপি বলছে ঝুট, করছে লুট।’ বাংলার জন্য তারা এক পয়সাও দেয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিজেপি নারীদের ওপর অন্যায়-অত্যাচার করে। বিজেপির দুই কোটি চাকরি আর ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কোথায় গেল? মমতা বলেন, আজ বিজেপিশাসিত রাজ্যে মাছ, মাংস, ডিম খাওয়া বন্ধ। তারা বাংলায় এসব খাওয়া বন্ধ করে দিলে মানুষ খাবে কী? তিনি আরও বলেন, ভোটের সময় ওরা এসে চমকায়, ভোট শেষ হলে পালিয়ে যায়। তাঁর কাছে কোনো ভেদাভেদ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই এক। একসঙ্গে আছি, একসঙ্গে থাকি এবং একসঙ্গে থাকব। বিজেপিমুক্ত বাংলা গড়ব।’ খবর - নিউজ ১৮
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বাড়ার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে কমেছে স্বর্ণের দাম। হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ হওয়ার খবরের পর সোমবার বিশ্ববাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি টিকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে ঝুঁকি হিসাব করছেন। এর প্রভাব পড়েছে জ্বালানি ও মূল্যবান ধাতুর বাজারে। সোমবার স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৯৪ দশমিক ২১ ডলারে নেমে আসে। দিনের শুরুতে দাম ১৩ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের জুন ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচারও ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮১৩ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়ায়। এদিকে দেশের বাজারে সোনার দাম এখনো স্থির দেখা গেছে। সবশেষ ১৫ এপ্রিল বাজুস এই দাম হালনাগাদ করেন। তবে যেহেতু বিশ্ববাজারে দামের পতন হয়েছে তাই আশা করা যায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়বে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু নতুন করে উত্তেজনা বাড়ায় সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান টেস্টিলাইভের কর্মকর্তা ইলিয়া স্পিভাক বলেন, বাজারে আবারও যুদ্ধকেন্দ্রিক লেনদেনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে। এতে মার্কিন ডলার ও সরকারি বন্ডের সুদহারও বেড়েছে। ডলারের মান বাড়লে অন্য দেশের ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। এতে সাধারণত স্বর্ণের চাহিদা কমে যায়। এক কথায় ডলার এর মান শক্তিশালি হওয়ায় স্বর্ণের দামের এমন পতন হয়েছে। এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার কারণে জাহাজ চলাচলও কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি ইরানি কার্গো জাহাজ তারা জব্দ করেছে। জবাবে পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। এ অবস্থায় দুই দেশের যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন আলোচনায় তারা অংশ নেবে না। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে স্বর্ণের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। কারণ, তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ে। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদহার বেশি সময় উঁচু রাখতে পারে। এতে স্বর্ণে বিনিয়োগের আগ্রহ কমে। অন্যদিকে ভারতের একটি বড় উৎসবকে সামনে রেখে স্বর্ণের বাজারে চাহিদা বাড়ার কথা থাকলেও রেকর্ড দামের কারণে গয়না কেনা কম হয়েছে। অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। প্লাটিনাম কমেছে দশমিক ৮ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম কমেছে দশমিক ৪ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে বাস্তবে এখনো খুব সীমিত সংখ্যক জাহাজ এ পথ ব্যবহার করছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নতুন শর্তের কারণে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শুক্রবার বলেন, লেবাননে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির বাকি সময় হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য পুরোপুরি খোলা থাকবে। তবে একই সময়ে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস নৌবাহিনী জানায়, প্রণালি ব্যবহার করতে হলে তাদের নির্ধারিত কিছু শর্ত মানতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে, জাহাজ চলাচলের আগে ইরানের অনুমতি নেওয়া। এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ তুলে না নিলে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, জাহাজ চলাচল হবে নির্ধারিত রুটে এবং ইরানের অনুমোদন নিয়ে। ঘোষণার পরও জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। শুক্রবারের জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে, মাত্র পাঁচটি কার্গো জাহাজ ও একটি তেলবাহী জাহাজ ওমান উপসাগরে পৌঁছেছে। পারস্য উপসাগর থেকে কোনো তেল ট্যাংকার বের হয়নি। যাত্রীবিহীন একটি ক্রুজ জাহাজও সতর্কভাবে এই পথ অতিক্রম করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ১৩ এপ্রিল ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ শুরুর পর থেকে অন্তত ২১টি জাহাজ মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতে কোনো টোল নেওয়া হবে না। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ধরনের টোল বা বাধা থাকবে না। এর আগে খবর আসে, যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে ইরান প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে ফি নেওয়ার দাবি তুলতে পারে। সবশেষ পরিস্থিতিতে বড় শিপিং কোম্পানিগুলো এখনো অপেক্ষা করছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আশ্বাস সত্ত্বেও তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। বিশ্বের বড় অংশের তেল সরবরাহ এই পথ দিয়ে হওয়ায় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে। সূত্রঃ CNN
By using this site, you agree to our Cookie Policy .