ফুটবল বিশ্ব সব সময়ই তর্কে মেতে থাকে এটা নিয়ে যে, বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ? পেলে নাকি ম্যারাডোনা? তবে বর্তমান যুগে সেই তর্কের ব্যাটন হাতে নিয়েছেন মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং হালান্ডরা। ফিফা র্যাংকিং, ব্যালন ডি'অর এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনা করলে দেখা যায়, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফুটবল বিশ্বে প্রতিনিয়তই নানান রকমের নাটকীয়তা দেখতে হয়, নতুন নতুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত, নতুন স্টাইল এবং খেলার ধরন পরিবর্তন হয়, আর তাই প্রতিনিয়ত বিশ্বের সেরা ফুটবলার পরিবর্তন হয়। আজ আমরা আলোচনা করব বর্তমান সময়ের সেই সেরা ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে, যারা তাদের পরিসংখ্যান এবং জাদুকরী খেলা দিয়ে নিজেদের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১. লিওনেল মেসি লিওনেল মেসি একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল জাদুকর, যাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে আমেরিকার মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই মহাতারকা তার ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময় বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন। কেন তিনি সেরা? কারণ, তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজের ক্যারিয়ার পূর্ণ করেছেন। মেসির ড্রিবলিং, ভিশন এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৮০০ এর বেশি গোল করেছেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রদানকারী। জন্য মেসিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার বলা হয় ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজ পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। ১৯৮৫ সালে জন্মানো এই মহাতারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের হয়ে ইউরোপ শাসন করেছেন। বয়সকে হার মানিয়ে এখনো তিনি শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি ৫ বার ব্যালন ডি'অর এবং ৫ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তাঁর অদম্য মানসিকতা এবং ফিটনেস তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে তিনি সবার উপরে , অফিসিয়াল ম্যাচে ৯০০ এর বেশি গোল করার অবিশ্বাস্য মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন। ৩. কাইলিয়ান এমবাপ্পে কাইলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক ফুটবলের গতি এবং কৌশলের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। তিনি ফরাসি লিগের ক্লাব পিএসজি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) এবং ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এমবাপ্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষিপ্র গতি এবং ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং তাঁকে ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। তিনি সর্বকালের সেরাদের পথে হাঁটছেন কারণ, মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান বলে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৩০০-এর বেশি গোল করেছেন এবং পিএসজির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪. আর্লিং হালান্ড নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর 'গোলমেশিন' হিসেবে পরিচিত। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা হালান্ড তাঁর শারীরিক শক্তি, গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনি কেন সেরাদের তালিকায়? কারণ, তিনি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ট্রেবল (একই মৌসুমে তিনটি প্রধান শিরোপা) জেতাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, তাঁর গোল প্রতি ম্যাচের অনুপাত অবিশ্বাস্য; খুব অল্প বয়সেই তিনি ক্লাব ও দেশের হয়ে ২৫০-এর বেশি গোল করে ফেলেছেন। ৫. কেভিন ডি ব্রুইন বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে বর্তমান বিশ্বের সেরা 'প্লে-মেকার' বা মাঝমাঠের জাদুকর বলা হয়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ডি ব্রুইন তাঁর মাপা পাস এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিখ্যাত। স্ট্রাইকাররা গোল করেন ঠিকই, কিন্তু সেই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ডি ব্রুইন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সবকিছু জিতেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান গোলের চেয়ে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে বেশি সমৃদ্ধ; তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট প্রদানকারী এবং দ্রুততম ১০০ অ্যাসিস্টের রেকর্ডধারী। ৬. ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের বর্তমান ধারক ও বাহক হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণ তারকা তাঁর বিদ্যুৎগতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে ওস্তাদ। তিনি বর্তমানে ব্যালন ডি'অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করে তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই বড় ম্যাচগুলোতে 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্ট করছেন। ৭. রড্রি রড্রিগো হার্নান্দেজ বা রড্রি হলেন স্পেনের একজন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড়কে বর্তমান ফুটবলের 'ইঞ্জিন' বলা হয়। তিনি মাঠে থাকলে তাঁর দল খুব কমই হারে। তিনি দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং খেলা তৈরি করেন। ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জয় এবং স্পেনের ইউরো জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। পরিসংখ্যান হয়তো তাঁর প্রভাব পুরোপুরি বোঝাতে পারবে না, কিন্তু তাঁর পাসের নির্ভুলতা এবং ট্যাকল করার ক্ষমতা বিশ্বসেরা। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। ৮. হ্যারি কেন হ্যারি কেন একজন ইংলিশ পেশাদার ফুটবলার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা কমপ্লিট স্ট্রাইকার। তিনি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া হ্যারি কেন কেবল গোল করেন না, তিনি নিচে নেমে খেলা তৈরি করতেও দক্ষ। টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে তিনি রেকর্ড গোলদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখেও গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি প্রিমিয়ার লিগের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৯. মোহামেদ সালাহ মিশরের এই ফরোয়ার্ডকে বলা হয় 'ইজিপশিয়ান কিং'। তিনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করা সালাহ বর্তমানে বিশ্বের সেরা রাইট-উইংগারদের একজন। তাঁর বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং গতি লিভারপুলকে বহু শিরোপা জিতিয়েছে। তিনি আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) জিতেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০. জুড বেলিংহাম জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের একজন তরুণ মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ এর হয়ে খেলছেন। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই বিস্ময়কর খেলোয়ার খুব অল্প সময়েই বিশ্ব ফুটবলে ঝড় তুলেছেন। মিডফিল্ডার হয়েও তিনি স্ট্রাইকারের মতো গোল করার ক্ষমতা রাখেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রথম মৌসুমেই তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পরিপক্বতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁকে ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি'অর বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করছে। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এখনো ছোট হলেও, ইমপ্যাক্ট বা প্রভাবের দিক দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে। বর্তমান বিশ্বে যত প্রকারের খেলাধুলা রয়েছে তার মধ্যে ফুটবল একটি জনপ্রিয় এবং র্যাংকিং এর দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর এই খেলাটি সারা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয়। ফুটবল খেলায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকেন এর মধ্যে কিছু কিছু খেলোয়াড় তাদের দূরদর্শিতা ও দক্ষতা ও খেলার ধরনের কারণে বেশ সুনাম কুরিয়েছেন। আর তাই কিছু কিছু খেলোয়াড় এখনো বিশ্বসেরা। তবে সেরাদের ও সেরা থাকে থাকে। বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে এটা আসলে বলা বাহুল্য, তবে আজ আমাদের পরিচিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী আপনার কাছে কোন খেলোয়াড়টি সবচাইতে বিশ্বের সেরা মনে হয়? অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার দিয়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন। সোর্সঃ FIFA + ESPN + Ballon d'Or + Opta / Sofascore and Transfermarkt বিশ্লেষণ
আজকাল আইডি কার্ড ছাড়া কোনো কাজই চলে না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি কাজ—সবখানেই এনআইডি লাগে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন হঠাৎ এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় অথচ কার্ডটি সাথে থাকে না। এই বিপদে পড়লে আপনি কিন্তু চাইলে নিজের ফোন দিয়েই মাত্র ২-৩ মিনিটে মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারেন। মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম শুরুতেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি পোর্টালে (services.nidw.gov.bd) যেতে হবে। সেখানে 'রেজিস্ট্রেশন' অপশনে ক্লিক করে আপনার ভোটার স্লিপের নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি দিতে হবে। এরপর আপনার জন্ম তারিখটা সঠিকভাবে বসিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া তথ্যগুলো যেন আপনার ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্যের সাথে একদম মিলে যায়। পরের ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বাছাই করার পর আপনার মোবাইলে একটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি এখানে ব্যবহার করাই ভালো। মোবাইলে আসা কোডটি পোর্টালে বসিয়ে দিলেই আপনি অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পরের ধাপে যেতে পারবেন। এই পর্যায়ে এসে আপনাকে 'ফেস ভেরিফিকেশন' বা মুখ যাচাই করতে হবে। এর জন্য আপনার ফোনে আগে থেকে 'NID Wallet' নামের অ্যাপটি নামিয়ে রাখতে হবে। ব্রাউজারের কিউআর কোডটি ওই অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলেই আপনার ক্যামেরা চালু হবে। এরপর ক্যামেরার সামনে আপনার মুখটা একবার সোজা, একবার ডানে এবং একবার বামে ঘুরালে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাবে। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলেই আপনি আপনার প্রোফাইলে ঢুকে পড়বেন। সেখানে আপনার ছবি ও নাম দেখা যাবে। প্রোফাইলের নিচের দিকে একটা 'ডাউনলোড' লেখা অপশন পাবেন। এই ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের আসল কপিটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এরপরে এটি আপনি যেকোনো দোকান থেকে প্রিন্ট করে সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। এখন আর এনআইডির কপি পাওয়ার জন্য মেম্বার বা নির্বাচন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করার কোনো ঝামেলাই নেই। ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আপনি যখন-তখন আপনার পরিচয়পত্র বের করে নিতে পারছেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বশেষ আজকের পেঁয়াজের দাম কত জানুন। শহর কিংবা গ্রামে পেঁয়াজের দামের কেমন পার্থক্য সেটা জানুন। বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের অবাধ যোগান রয়েছে তাই পেঁয়াজের দাম অনেকটা স্বস্তিতে বা হাতের নাগালে। আজকের পেঁয়াজের দাম সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০২৬ এ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ৩০ থেকে ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে ঢাকার স্থানীয় মোহাম্মাদপুর বাজারে, এছাড়াও অঞ্চল ভেদে এই দাম কম বা বেশি হতে পারে। দিগন্ত পোষ্টের স্থানীয় প্রতিনিধিরা ঢাকার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ঘুরে পেঁয়াজের এই সর্বশেষ দামের তথ্য খুঁজে পেয়েছেন। আর অন্যদিকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা দরে। বিশেষ করে ভারতীয় পেঁয়াজ, দেশি পেঁয়াজের চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে এ বিষয়টি নির্ভর করে পেঁয়াজের সরবরাহের উপর, অর্থাৎ কি পরিমান পেয়াজ বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের গুদামে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করছে পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করার জন্য পেঁয়াজ মজুদ করছেন এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। আর তাছাড়াও বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের দাম নির্ভর করে আমদানিকৃত পেঁয়াজের পরিমাণের উপর। পেঁয়াজের আমদানি বেশি হলে দেশি পেয়াজের দাম কমবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে। সর্বশেষ হালনাগাদঃ ৮ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা চার লাখের সমান। বর্তমানে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা "জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫" অনুযায়ী বেতন পান। জানার বিষয় হলো একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি কি পরিমান টাকা বেতন হিসেবে পান। তবে বাস্তবতা হলো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত নানান বৈষম্য নিয়ে প্রতিনিয়ত বর্তমানে সরকারের নিকট আন্দোলন চলমান। জানা যাক এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত। অর্থাৎ একজন এমপিওভুক্ত স্কুল বা কলেজের শিক্ষকের বেতন কত টাকা এবং বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য কি সুযোগ-সুবিধা পান। এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কারা? এমপিও (MPO) হলো Monthly Pay Order। এটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (যেমন: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক ভিত্তিতে বেতন-ভাতা প্রদানের একটি প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে মূল বেতনের শতভাগ এবং কিছু নির্দিষ্ট ভাতা পেয়ে থাকেন। যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত অর্থাৎ সরকারি তালিকাভুক্ত সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হয়, এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি শিক্ষক নিয়োজিত থাকেন । তবে মনে রাখা ভালো সব শিক্ষকই এমপিও ভুক্ত নন। অর্থাৎ একজন শিক্ষককে এমপিও ভুক্ত হতে হলে NTRCA নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। কিন্তু একটা জিনিস অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে , এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং একজন একজন সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষক এক নন। সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষকরা সরকারি কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা পান এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে সরকারি। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হলেও সরকারের কাছ থেকে আংশিক আর্থিক সহায়তা পান। আর এই বৈষম্যের কারণেই সর্বশেষ এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা বেতন ভাতা নিয়ে বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন- শিক্ষাস্তর অনুযায়ী পদের নাম ও বেতন গ্রেড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো তাদের পদের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় বেতন স্কেলের বিভিন্ন গ্রেডে নির্ধারিত হয়। ১. এমপিওভুক্ত স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) সহকারী শিক্ষক (বি.এড) গ্রেড ১১ ১২,৫০০ - ৩০,২৩০ সহকারী শিক্ষক (বি.এড ছাড়া) গ্রেড ১২ ১১,৩০০ - ২৭,৩০০ সিনিয়র শিক্ষক (১০ বছর পূর্তিতে) গ্রেড ১০ ১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ সহকারী প্রধান শিক্ষক / সহকারী সুপার গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ প্রধান শিক্ষক / সুপার গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ দ্রষ্টব্য: উচ্চতর গ্রেড (সাধারণত ৬ষ্ঠ গ্রেড) পাওয়ার সুযোগও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রয়েছে। ২. এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) প্রভাষক গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ সহকারী অধ্যাপক (পদোন্নতিতে) গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ সহযোগী অধ্যাপক গ্রেড ৬ ৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০ অধ্যক্ষ গ্রেড ৫ / ৪ ৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ / ৫০,০০০ - ৭১,২০০ মূল বেতনের বাইরে যা পান (ভাতা) এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ভাতা পান, যা সরকারি চাকরিজীবীদের থেকে ভিন্ন: বাড়ি ভাড়া ভাতা মাসিক ১,০০০ টাকা (স্থির)। চিকিৎসা ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা (স্থির)। উৎসব ভাতা: শিক্ষক: মূল বেতনের ২৫% (বছরে দুবার)। কর্মচারী: মূল বেতনের ৫০% (বছরে দুবার)। বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের ২০% (বছরে একবার)। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: মূল বেতনের ৫% (বছরে একবার)। বেতন থেকে যা কর্তন করা হয় প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে মোট ১০% অর্থ কর্তন করা হয়, যা তাদের অবসরকালীন সুবিধার জন্য জমা থাকে। অবসর সুবিধা বোর্ড মূল বেতনের ৬%। কল্যাণ ট্রাস্ট: মূল বেতনের ৪%। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের সাথে মূল পার্থক্য যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত, তবে তাদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের বেতন এবং ভাতার ক্ষেত্রে বেশ পার্থক্য রয়েছে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকদের মাঝে আলোচনার বিষয়। সরকারি শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া হিসেবে পান মূল বেতনের ওপর নির্দিষ্ট হারে (শহর বা গ্রাম ভেদে ৪০-৬০%), যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ১,০০০ টাকা। চিকিৎসা ভাতা হিসেবে পান ফিক্সড ১,৫০০ টাকা, যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ৫০০ টাকা। অন্যদিকে উৎসব ভাতা পান মূল বেতনের ১০০%, যেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পান মাত্র ২৫%। এই পার্থক্যগুলো নিরসনের দাবিতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকরা বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছেন। সর্বশেষে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংগঠন- এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের প্রতিনিধিদল। তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা করাসহ ১০ দাবি প্রস্তাব দিয়েছেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ২৩৭ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩০০ আসনের মধ্যে বাকিগুলো জোটের শরিকদের জন্য এবং কিছু আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করার জন্য রাখা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন (ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩) থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই ঘোষণার আগে, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক জরুরি বৈঠকে বসে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে পারে এবং নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো–
যদি আপনি সর্বোপরি দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্ন করেন পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে? তাহলে তার একটা উত্তর হবে তা হলো দুজাহানের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব , সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব , খাতামুন নাবিইয়ীন - প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) শুধুমাত্র মুসলমানদের কাছেই নয় তদারকি পৃথিবীর অন্যান্য ব্যক্তিদের কাছেই ইহকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বকালীন ভালো ব্যক্তিত্ব বলতে একটা মানুষকেই নির্দেশনা করে তাহলে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম। তিনি শুধুমাত্র একজন নবী এবং রাসুল নন, তিনি মানবজাতির জন্য প্রেরিত সর্বোত্তম আদর্শ। তাকে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ বলার কারণ কেবল তার ধর্মীয় অবস্থান নয় বরং তার অনন্য চারিত্রিক গুণাবলী, মানব কল্যাণ ও নৈতিকতার ক্ষেত্রে ২৩ বছরের জীবনে সমগ্র আরবে যে আমুল পরিবর্তন তিনি এনেছিলেন এজন্য। মাইকেল এইচ হার্ট যিনি একজন ঐতিহাসিক নিরপেক্ষ গবেষক এবং খ্রিস্টান ধর্মালম্বী তাদের মতো অনেক গবেষকরাও হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ উভয় ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত সাফল্যের জন্য তাদের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের রেংকিংয়ে প্রথম স্থানে রেখেছেন। কেন হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ বলা হয় কেন হযরত মুহাম্মদ সাঃ পৃথিবীর সবথেকে ভালো মানুষ ছিলেন তার ব্যাখ্যা এবং উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবেনা। পৃথিবীর সবথেকে ভালো মানুষ ছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এবং আজীবন থাকবেন। তিনি ছিলেন আল্লাহর প্রেরিত দুত , সর্বশেষ নবী বা শেষ নবী। মুসলিম উম্মাহ তাকে পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে গণ্য করে। তিনি ছিলেন উত্তম আদর্শের ধারক। তার জীবনকে সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুসরণীয় আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আরবরা তাকে আল আমিন হিসেবে উপাধি দিয়েছিল, নবুওয়াত লাভের আগে মক্কার লোকেরা তার সততা ও বিশ্বস্ততার জন্য তাকে এই নামে ডাকতো। এক নজরে হযরত মুহাম্মদ সাঃ হযরত মুহাম্মদ সঃ ছিলেন ইসলামের সর্বশেষ নবী এবং মানবজাতির জন্য আল্লাহর প্রেরিত মহান পথপ্রদর্শক। তাকে সর্বশেষ্ঠ মানুষ বলা হয় কারণ তিনি চরম অরাজকতার যুগে সততা ন্যায় বিচার ও মানবতার এক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যেমন একজন স্নেহপরায়ণ স্বামী ও পিতা ছিলেন, তেমনি রাষ্ট্র পরিচালনায় ছিলেন বিচক্ষণ ও ন্যায় পরায়ন শাসক। চরম শত্রুকেও তিনি হাসিমুখে ক্ষমা করেছেন এবং সমাজের নিপীড়িত নারী ও দাসদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তা রেখে যাওয়া আদর্শ ও পবিত্র কুরআন কিয়ামত পর্যন্ত সমগ্র মানবজাতির জন্য শান্তির অনন্য উৎস। একটা সময় আরবজাহান ছিল ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত। তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়ে। সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। মূর্তি পূজা, মারামারি, হানাহানিতে লিপ্ত ছিল মানুষ । এ থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে, তাদের আলোর পথ দেখাতে আল্লাহ তায়ালা হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এ পৃথিবীতে প্রেরণ করেন। যাকে সৃষ্টি করা না হলে এই পৃথিবী সৃষ্টি হতো না স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা কোরআনের মধ্যে এটি ঘোষণা দিয়েছেন। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আরবের মক্কায় কুরাইশ গোত্রের বনি হাসিম বংশের মা আমিনার কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের আগেই তিনি পিতাকে হারান এবং ছয় বছর বয়সে মাকে হারান। এতিম হিসেবে তার শৈশব শুরু হয়। এরপরের প্রথমে তার দাদা আব্দুল মুত্তালিব এবং দাদার মৃত্যুর পরে চাচা আবু তালিব তাকে লালন পালন করেন। এই কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি ধৈর্য, কষ্ট সহিষ্ণুতা, এবং স্বাবলম্বিতার শিক্ষা লাভ করেন। তিনি চাচাদের সাহায্য করেন এবং মক্কায় পাহাড়ের ছাগল চরাতেন, পরে ব্যবসায়ী কাজে বিভিন্ন কাফেলায় অংশগ্রহণ করতেন। এরই মাঝে তিনি নবুয়ত প্রাপ্ত হন এবং হেদায়েতের বার্তা নিয়ে মানুষকে দাওয়াতের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি ছিলেন ক্ষমা ও দয়ার মূর্ত প্রতীক মক্কা বিজয়ের পর যখন তিনি বিজয়ী বেশে সর্ববস করলেন তখন তার হাতে ছিল সকল পুরনো শত্রুর বিচার করার ক্ষমতা। কিন্তু তিনি সাধারন ক্ষমা ঘোষণা করলেন। যারা তাকে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে অকথ্য নির্যাতন করেছে, যাদের কারণে তিনি তার এলাকা ত্যাগ করে অন্য এলাকায় হিজরত করেছেন, তিনি সকলকে নিঃশর্ত ক্ষমা করে দেন। আবার আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো, তিনি যখন দাওয়াতের উদ্দেশ্যে তায়েফবাসীর কাছে গেলেন তখন তাকে তায়েব বাসীরা পাথর মেরে রক্তাক্ত করেছিলেন, তখন তার পক্ষ থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরেস্তা প্রেরিত হয়, তবে তিনি ফেরেশতাকে থামিয়ে তায়েফবাসীর হেদায়েতের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। আর এখান থেকেই ক্ষমা একটি মহৎ গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি ছিলেন অতুলনীয় নম্র এবং বিনয়ী তার জীবনযাপন ছিল অত্যন্ত সাধারণ এবং বিনয়ী। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি নিজের যত নিজে সেলাই করতেন, ঘরের কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করতেন এবং সাধারণ মানুষের সাথে মাটিতে বসে আহার করতেন, তিনি নিজে খালি পেটে থেকেও তার উম্মতদের নিয়ে চিন্তা করতেন, এবং সাহাবাগণদের খাবারের ব্যবস্থা করে দিতেন। তিনি কখনোই নিজেকে নিয়ে অহংকার করতেন না এমনকি কাউকে নিয়ে হিংসাও করতেন না, এমনকি তিনি সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন " তোমরা আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, আমি কেবল আল্লাহর একজন বান্দা" । তিনি ছিলেন নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার অনন্য উদাহরণ আইয়ামে জাহিলিয়াতের অন্ধকার যুগে যখন কন্যা সন্তানকে জীবন্ত দাফন করা দেয়া হতো তখন হযরত মুহাম্মদ সাঃ ছিলেন এক আলোর বার্তা, প্রাচীন আরবের সমাজে আরো গোত্রে কন্যা সন্তান জন্মদেয়া কে চরম অপমানজনক ও দারিদ্র্যের কারণ মনে করা হতো। পাষাণ হৃদয়ের বাবারা সামাজিক লজ্জার ভয় নিজেদের নিষ্পাপ কনা শিশুদের মরুভূমির বাড়িতে জীবন্ত দাফন করে ফেলত। একবার এক ব্যক্তি যখন মহানবীর কাছে নিজের কন্যাকে অতীতে জীবন্ত কবর দেওয়ার মর্মান্তিক ঘটনা বর্ণনা করেন তখন নবীজি সঃ তা শুনে অঝোরে কেঁদেছিলেন। এরপরে তিনি এই নিষ্ঠুর ও অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। তিনি ইসলামের মাধ্যমে কঠোরভাবে এই হত্যাযজ্ঞ নিষিদ্ধকরণ করেন। এবং ঘোষণা করেন যে কন্যা সন্তান বোঝা নয়, বরং জান্নাত লাভের মাধ্যম। তার এই পদক্ষেপেই সমাজের নারীরা বেঁচে থাকার সম্মানজনক অধিকার প্রতিষ্ঠা পায়। তিনি ছিলেন মানবিক ও সামাজিক ন্যায় বিচারক তিনি শুধুমাত্র ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করেননি বরং ইসলামের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি তৎকালীন আরবে সুদের মতো শাসন মূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিষিদ্ধ করেন, তিনি শ্রমিকের কল্যাণে কাজ করেন। এবং তখন তিনি একটি বাণী প্রদান করেন " শ্রমিকের মজুরি তার ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার আগে দিয়ে দাও"। তিনি ন্যায়বিচারকে গুরুত্ব দিতেন, এক্ষেত্রে তিনি বলেছিলেন যে তার মেয়ে ফাতেমা ও যদি চুরি করত তবে তিনি তার হাত কেটে দিতেন। এক্ষেত্রে তিনি ন্যায় বিচারের দৃষ্টান্ত উদাহরণ হয়ে সারা পৃথিবীতে থাকবে। তিনি ছিলেন বিশ্বস্ত এবং সৎ ব্যক্তিত্ব তিনি নবুওয়ত লাভের আগেই তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মক্কা নগরীর বিভিন্ন মানুষের মন জয় করে নিয়েছিলেন। মক্কার মানুষ তাকে " আল আমিন" বা বিশ্বস্ত উপাধি দিয়েছিলেন। নবুওয়ত লাভের পরে যখন মক্কার লোকেরা তাকে মারতে চেয়েছিল, তখনও তারা তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র তার কাছে গচ্ছিত রাখতো, যা তিনি মদিনায় হিজরতের সময়ও ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) তার জীবনে এতিম হিসেবে শুরু হলেও ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভের পর তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজকে জ্ঞান, ন্যায় বিচার এবং একত্ববাদের আলোয় উদ্ভাসিত করেন। কষ্ট সহ্য করেও তিনি একটি আদর্শ সমাজ ও মানব ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও সামাজিক কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করে গিয়েছেন। তার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত যে নৈতিকতা, দয়া, ক্ষমা , বিনয় ও ন্যায় বিচারের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন, তা ১৪০০ বছর পরেও কোটি কোটি মানুষের জীবনের প্রভাব ফেলেছে। একজন ধর্মীয় রাজনৈতিক এবং সামাজিক নেতা হিসেবে তার সাফল্য এবং ঔদার্য তাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর আদর্শকে ধারণ করে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন। ভুল ত্রুটি মার্জনীয় - লেখার মধ্যে কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন - শফিক/ডিপি
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। ২০১৫ সালের পর দশ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো নতুন বেতন কাঠামো ঘোষিত হয়নি। বিভিন্ন সংগঠনের দাবি ও প্রস্তাবনার আলোকে নবম বা নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? কী কী প্রস্তাব এসেছে, সুযোগ-সুবিধা এবং গ্রেড সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবম পে স্কেলে বেতন বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রস্তাবগুলো হলো: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের প্রস্তাব সর্বনিম্ন বেতন: ৩৫,০০০ টাকা (বর্তমান ৮,২৫০ টাকা) সর্বোচ্চ বেতন: ১,৪০,০০০ টাকা (বর্তমান ৭৮,০০০ টাকা) গ্রেড সংখ্যা: ২০টি থেকে কমিয়ে ১২টি করার সুপারিশ এই প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ৪ গুণ এবং সর্বোচ্চ বেতন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের প্রস্তাব সর্বনিম্ন মূল বেতন: ৩২,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,২৮,০০০ টাকা নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি পে কমিশনের সুপারিশে প্রত্যাশিত বেতন একাধিক সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, পে কমিশন সুপারিশে: সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২৫,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,৫০,০০০ টাকা গ্রেড সংখ্যা কমানো এবং বেতন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ৩০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রস্তাবে: প্রথম গ্রেডের সর্বনিম্ন বেতন: ২,৩৪,০০০ টাকা দ্বিতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮৮,০০০ থেকে ২,৪০,৬৭০ টাকা তৃতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮০,০০০ থেকে ২,২৫,৩৫০ টাকা তবে সচিবরা ৩-৪ গুণ বেতন বৃদ্ধির এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেননি। তারা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রস্তাবিত সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধি নবম পে স্কেলে শুধু মূল বেতন নয়, বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে: বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রস্তাবিত হার: মূল বেতনের ৫% থেকে ৮০% পর্যন্ত (পদভেদে) কর্মচারী সংগঠনগুলো ২০% এর নিচে বাড়ি ভাড়া মানতে রাজি নয় বর্তমানে অনেক গ্রেডে মাত্র ৫-১০% বাড়ি ভাড়া রয়েছে চিকিৎসা ভাতা প্রস্তাবিত: ৩,০০০ টাকা (বর্তমান ১,৫০০ টাকা) বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের দাবি শিক্ষা ভাতা প্রস্তাবিত: ২,০০০ টাকা সন্তানদের শিক্ষা খরচের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সুপারিশ ধোলাই ভাতা প্রস্তাবিত: ১,০০০ টাকা বর্তমান খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ অস্থায়ী মহার্ঘ ভাতা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ৫০% মহার্ঘ ভাতা চালুর দাবি উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই দাবি জোরদার হচ্ছে। গবেষণা অনুদান (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে: অধ্যাপক: ১০ লাখ টাকা বার্ষিক সহযোগী অধ্যাপক: ৫ লাখ টাকা সহকারী অধ্যাপক: ৩ লাখ টাকা প্রভাষক: ২ লাখ টাকা পেনশন সুবিধা নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য ১০০% পেনশন চালুর দাবি পেনশন গ্রাচুইটি হার ১ টাকা = ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব গ্রেড সংস্কার: সুবিধা ও অসুবিধা নবম পে স্কেলে গ্রেড সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব এসেছে। এর সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ: বর্তমান পরিস্থিতি বর্তমান গ্রেড সংখ্যা: ২০টি প্রথম থেকে দশম গ্রেড: কর্মকর্তা পর্যায় একাদশ থেকে বিংশ গ্রেড: কর্মচারী পর্যায় গ্রেড কমানোর সুবিধা ১. বেতন বৈষম্য হ্রাস: গ্রেড কম হলে বেতনের পার্থক্য যৌক্তিক হবে ২. পদোন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি: কম গ্রেডে পদোন্নতি দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা ৩. প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস: কম গ্রেড মানে সহজ বেতন কাঠামো ৪. সমতা প্রতিষ্ঠা: উচ্চ ও নিম্ন গ্রেডের মধ্যে ব্যবধান কমবে গ্রেড কমানোর সম্ভাব্য অসুবিধা ১. পদের স্বল্পতা: কম গ্রেডে একই পদে বেশি কর্মচারী থাকলে পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে ২. পুনর্বিন্যাস জটিলতা: বর্তমান কর্মচারীদের নতুন গ্রেডে স্থাপন জটিল হবে ৩. বিশেষায়িত পদের সমস্যা: কিছু বিশেষায়িত পদের গ্রেড নির্ধারণে জটিলতা প্রস্তাবিত গ্রেড কাঠামো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাব: ১২ গ্রেড: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন ১৬ গ্রেড: কিছু সূত্রে ১৬ গ্রেডের কথা উল্লেখ রয়েছে ১০ গ্রেড: কিছু কর্মচারী সংগঠন মাত্র ১০টি গ্রেডের পক্ষে গ্রেড ভিত্তিক বেতন পার্থক্যের প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ১২ গ্রেড প্রস্তাবে: ১ম থেকে ২য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ২য় থেকে ৩য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৩য় থেকে ৪র্থ গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৪র্থ থেকে ৫ম গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৫ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড: ৫,০০০ টাকা করে কমছে ৯ম থেকে ১০ম গ্রেড পার্থক্য: ১০,০০০ টাকা ১০ম থেকে ১১তম গ্রেড পার্থক্য: ৮,০০০ টাকা ১১তম থেকে ১২তম গ্রেড পার্থক্য: ৭,০০০ টাকা এই কাঠামোতে উচ্চ গ্রেডে বেশি পার্থক্য এবং নিম্ন গ্রেডে কম পার্থক্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান বেতন ব্যবস্থার সমস্যা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করা হয়। পূর্বে: ৪ বছর পূর্তিতে সিলেকশন গ্রেড ৮, ১২, ১৫ বছর পূর্তিতে টাইম স্কেল বর্তমানে উচ্চতর গ্রেড প্রদানের নামে ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি করে মাত্র ১০ টাকা বেতন বৃদ্ধি হয়, যা কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। পদোন্নতি বৈষম্য ১-১০ গ্রেডের কর্মকর্তারা নিয়মিত পদোন্নতি পান ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা ১৫-২০ বছরেও পদোন্নতি পান না ব্লক পোস্টের কারণে অনেকে সারাজীবন একই গ্রেডে থাকেন বেতন বৈষম্যের চিত্র অষ্টম পে স্কেলে: ২০তম থেকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৮টি গ্রেডে বেতন বাড়ে মাত্র ৩,০৫০ টাকা ১-১০ গ্রেডে গ্রেড ভিত্তিক ব্যবধানের হার সর্বনিম্ন ২.২২% ও সর্বোচ্চ ৯.৬০% একই শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে বেতন গ্রেড ও পদ মর্যাদায় বৈষম্য দাবি সংস্কার: সংগঠনগুলোর দাবিনামা সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো নবম পে স্কেলে যেসব সংস্কার চায়: মূল দাবিসমূহ ১. বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো - গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ২. এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন ৩. ৫ বছর পর পর পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড প্রদান ৪. টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল সহ জ্যেষ্ঠতা বজায় ৫. সচিবালয়ে ন্যায় পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন ৬. সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয় ৭. নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশন ও ১০০% পেনশন ৮. কাজের ধরণ অনুযায়ী পদ, নাম ও গ্রেড একীভূতকরণ বেতন বৃদ্ধির হার নিয়ে দাবি কর্মচারী সংগঠনগুলো যুক্তি দিয়েছে: ২০১৫ সালের পর অন্তত দুটি কমিশন হওয়া উচিত ছিল দুইবারের সময়ে একবার পে স্কেল হওয়ায় অন্তত ১৫০% বৃদ্ধি হওয়া উচিত ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালে মূল বেতন প্রায় ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছিল সর্বশেষ আপডেট ও সরকারের অবস্থান পে কমিশনের অগ্রগতি কমিশন গঠন: জুলাই ২০২৫, চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সভা সংখ্যা: ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫টি পূর্ণ কমিশন সভা অনুষ্ঠিত মতামত সংগ্রহ: প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের সাথে আলোচনা সম্পন্ন সময়সীমা: জানুয়ারি ২০২৫-এ সুপারিশ জমা দেওয়ার লক্ষ্য তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ১. প্রথম ধাপ: জানুয়ারিতে কমিশনের সুপারিশ জমা ২. দ্বিতীয় ধাপ: সচিব কমিটিতে পর্যালোচনা ও অনুমোদন ৩. তৃতীয় ধাপ: উপদেষ্টা পরিষদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও গেজেট জারি সরকারের বক্তব্য অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার এলে এটি বাস্তবায়ন করবেন। তবে পে কমিশনের সুপারিশ দ্রুত জমা হওয়ার আশা করা হচ্ছে। কর্মচারীদের আলটিমেটাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের সুপারিশসহ গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে। তবে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০ ডিসেম্বর কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মূল্যস্ফীতি ও বাস্তবতা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০১৫ থেকে ৭ বছরে ৪০% বেতন বৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১০০-১৫০% বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে একজন মানুষ দিনে তিন বেলা ডাল-ভাত-ভর্তা খেলে খরচ প্রায় ১৫০ টাকা ছয় সদস্যের পরিবারের জন্য মাসে অন্তত ২৭ হাজার টাকা খাবার খরচ বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সব খরচে ৫০ হাজার টাকাতেও চলে না জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ১৭-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের বর্তমান বেতনে: বাসা ভাড়া দিতে পারেন না যথাযথ পরিবারের ৬ জন সদস্যের মাসের বাজার সদাই সামাল দিতে হিমশিম ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে কষ্ট মাস শেষ হওয়ার আগেই ঋণ করে সংসার চালাতে হয় প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা কর্মচারীদের প্রত্যাশা ১. যৌক্তিক বেতন বৃদ্ধি - মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ২. বৈষম্য নিরসন - সব গ্রেডে সমান বৃদ্ধির হার ৩. দ্রুত বাস্তবায়ন - আর বিলম্ব না করা ৪. সার্ভিস বেনিফিট - পুরাতন কর্মচারীরাও যেন সুবিধা পান বিশেষজ্ঞদের মতামত মূল বেতন দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা কম তবে মোট বেতন (Gross Salary) এবং ভাতার ওপর জোর দেওয়া হবে নিম্ন গ্রেডের বেতন আনুপাতিক হারে বেশি বাড়ানোর সম্ভাবনা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবসম্মত বৃদ্ধি হবে সম্ভাব্য বাস্তবায়নের সময় সুপারিশ জমা: জানুয়ারি ২০২৫ চূড়ান্ত অনুমোদন: ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৫ কার্যকর হওয়া: ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে সম্ভাবনা সতর্কতা: ভুয়া তথ্য থেকে সাবধান সোশ্যাল মিডিয়াতে পে স্কেল নিয়ে প্রায়ই ভিত্তিহীন খবর বা ভুয়া গেজেট ছড়িয়ে পড়ে। যেমন: "আগামী মাসেই বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে" "১০টি গ্রেড বাতিল হচ্ছে" "পে স্কেল ঘোষণা হয়ে গেছে" মনে রাখবেন: পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একমাত্র অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে। এর আগে যা শোনা যায়, তা মূলত প্রস্তাবনা বা আলোচনা। উপসংহার নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি সবকিছু মিলিয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,২৮,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১২টি করা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো এবং ভাতা বৃদ্ধির দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত একটি সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। জাতীয় বেতন কমিশন জানুয়ারিতে তাদের সুপারিশ জমা দিলে এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশিত হলে দেশের প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হবে। নবম পে স্কেল শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সরকারি সেবার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। সর্বশেষ আপডেট: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিঃদ্রঃ এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবনা এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত। চূড়ান্ত বেতন কাঠামো পে কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলো প্রস্তাবনা হিসেবেই বিবেচিত হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু ভিপির বেতন কত? ডাকসু জিএস এর বেতন কত? এই দুই পদ নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল রয়েছে। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০২৫ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে মানুষের ভিতরে এই প্রশ্নের কৌতূহল অনেকটাই আকাশ পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন বিস্তারিত জেনে নিই ডাকসুর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) এবং জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) আসলে কী ধরনের আর্থিক সুবিধা পান এবং এর বাইরেও তারা কি কি সুবিধা ভোগ করে থাকেন। ডাকসু শুধু একটি ছাত্র সংসদ নয়, এটি বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই ভিপি ও জিএস পদ শুধু প্রশাসনিক নয়, বরং ঐতিহাসিক দায়িত্বও বহন করে। ২০১৯ সালে ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আবারও নির্বাচন হয়, যেখানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে সাদিক কায়েম ভিপি এবং এস এম ফরহাদ জিএস নির্বাচিত হন। ডাকসু ভিপি জিএস এর বেতন ব্যবস্থা অনেকেরই ধারণা, ডাকসু ভিপি প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের বেতন পান। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। ডাকসু ভিপির আলাদা করে কোনো মাসিক বেতন নেই। তবে তাদের জন্য এক বছরের কার্যকালের জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকে। এই বরাদ্দের পরিমাণ হলো ৫ লাখ টাকা। এই টাকাটা মূলত দেওয়া হয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য। চা-নাস্তার খরচ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিটিং-আলোচনা এবং প্রয়োজনে কোনো শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা করা। এসব কাজেই এই টাকা ব্যবহার হয়। ভিপি চাইলে পুরো টাকা একবারে তুলতে পারেন, আবার প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপেও তুলতে পারেন। ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলেছেন, তার সময়ে বরাদ্দকৃত ৫ লাখ টাকার মধ্যে তিনি মাত্র ২ লাখ টাকা তুলেছিলেন। বাকি ৩ লাখ টাকা পরবর্তী কমিটির জন্য রেখে দিয়েছিলেন। এটা থেকে বোঝা যায়, এই টাকা ব্যক্তিগত খরচের জন্য নয়, বরং সাংগঠনিক কাজের জন্য। আবার অন্যদিকে ডাকসু জিএস এর বেতন ব্যবস্থাও ভিপির মতোই। জিএসও কোনো নিয়মিত মাসিক বেতন পান না। তার জন্যও বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। মানে দুজন মিলে মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে ডাকসুর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য। বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছাড়াও ভিপি আর জিএস আরও কিছু আর্থিক সুবিধা পান, তবে সেগুলো খুবই সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে তারা বৈঠক ভাতা পান। এছাড়া বিশেষ কোনো দায়িত্ব দেওয়া হলে সেজন্য সম্মানীও মিলতে পারে। কিন্তু এগুলো নিয়মিত বা নিশ্চিত কিছু নয়। বেতনের বাইরে যেসব সুবিধা পান টাকার হিসাব তো হলো। কিন্তু ডাকসুর ভিপি আর জিএস আরও যেসব সুবিধা পান, সেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। প্রথমত, তারা ডাকসুতে নিজস্ব অফিস কক্ষ পান। হলে আবাসনের ব্যবস্থাও তো আছেই শিক্ষার্থী হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের বিশেষ আসন থাকে। কিন্তু আসল কথা হলো প্রশাসনিক ক্ষমতা। ভিপি আর জিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দুটো বডি, সিনেট আর সিন্ডিকেটের স্থায়ী সদস্য হন। এই দুই বডিতে দেশের নামকরা শিক্ষাবিদ, আমলা আর রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে একজন ছাত্রনেতা তাদের সমান ক্ষমতা নিয়ে বসতে পারেন, এটা কম কথা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন হোক, নতুন শিক্ষক নিয়োগ হোক, কিংবা উন্নয়ন পরিকল্পনা হোক, সব জায়গায় তাদের মতামত থাকে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তারা প্রতিবাদ করতে পারেন, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভেটোও দিতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে বৈঠক ডাকার ক্ষমতা আছে তাদের। উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ তো আছেই। এই পদ দুটোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সামাজিক মর্যাদা আর নেটওয়ার্কিং। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করার সুযোগ পান ডাকসুর নেতারা। জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি হয়। ভবিষ্যতে ক্যারিয়ারে এই পরিচিতি অনেক কাজে আসে। বাংলাদেশের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদই ডাকসুর প্রাক্তন নেতা ছিলেন। আসলে ডাকসু মানে শুধু একটা ছাত্র সংগঠন নয়। এটা বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই এই পদে থাকা মানে একটা ঐতিহাসিক দায়িত্ব বহন করা।
গেল কদিন ধরে বিপিএলকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বড় গুঞ্জন উঠেছিল সর্বশেষ আসরের চ্যাম্পিয়ন এবং বরাবর হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়নের আশানুরূপ দল ফরচুন বরিশাল থাকছে না এবারের বিপিএল আসরে। তবে দলটির কর্ণধার মোঃ মিজানুর রহমানের সাথে কথা বলে জানা গেছে সবকিছু মিলে গেলেই বিপিএলে থাকবেন তারা। দেশের এক জাতীয় অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকের প্রশ্নে মিজানুর রহমান বলেছেন "দেখুন বিপিএলে অংশ নেব না কোথাও বলিনি এটা। তবে কিছু বিষয় রয়েছে, আমরা একটা অনুরোধ করেছি যে সময়টা একটু পেছানোর জন্য। কারণ কিছু সরঞ্জাম আনতে সময় লাগে, আমরা যে কারণে অনুরোধ করেছি একটু পেছানোর জন্য। বুলবুল ভাই দেশে আসলে আলোচনা করব বিস্তারিত।" সর্বশেষ বিসিবির নতুন কমিটির পরিচালকরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন নিয়ে বেশ নড়সড়ে বসেছেন নবনির্বাচিত এই কমিটি। প্রথম সভার পর বিপিএল কমিটির সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানান যে পরবর্তী বিপিএল ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিসিবি এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটি সময়মতো আয়োজন করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান আইএমজিকে দেওয়া হলেও, তাদের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি এখনও দেখা যায়নি। ইতিমধ্যে, বিসিবি দেশের ১০টি অঞ্চলের নামে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানা দেওয়ার জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে 'এক্সপ্রেশন্স অব ইন্টারেস্ট' আহ্বান করেছিল। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ক্রাইটেরিয়া পূরণকারী পাঁচটি (সম্ভাব্য) প্রতিষ্ঠানকে ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা দেবে বিসিবি। বিপিএল কমিটির সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু নিশ্চিত করেছেন যে একাধিক প্রতিষ্ঠান ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, টুর্নামেন্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ফিক্সিংয়ের সন্দেহে থাকা কোনো ক্রিকেটারকে আসন্ন খেলোয়াড় ড্রাফটে রাখা হবে না। এই সমস্ত বিষয়ে চূড়ান্ত ও বিস্তারিত রিপোর্ট চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
বর্তমানে সারাদেশে শিক্ষকতা পেশায় আলোচনার তুঙ্গে হল জাতীয় পে স্কেল ২০২৫ বাস্তবায়ন। আর এই আদেশ অনুযায়ী এবং বর্তমান প্রচলিত স্কেল অনুযায়ী বেতন ভাতা কেমন অনেকেই জানে না। অনেকেই চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে এই প্রশ্নটা ঠিকমতো জেনে নেন না, পরে হতাশ হন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বেতনকাঠামো আসলে নির্দিষ্ট, শুধু পদ বুঝে হিসাবটা মেলাতে হবে। চলুন দেখে আসি এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত। এমপিও মানে হলো Monthly Payment Order। বেসরকারি কলেজের শিক্ষকরা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ মোতাবেক বেতন পান। প্রতি মাসে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি অংশ পরিশোধ করা হয়। এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত? বর্তমানে একজন নতুন প্রভাষকের মূল বেতন শুরু হয় ২২ হাজার টাকা থেকে, যা নবম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। সহকারী অধ্যাপকেরা ষষ্ঠ গ্রেডে পান ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা। আর অধ্যক্ষদের বেতন প্রায় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। মূল বেতনের সাথে যোগ হয় বাড়িভাড়া ভাতা ১,০০০ টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা। উৎসব ভাতা হিসেবে এখন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে দুই ঈদে দুটি ভাতা পেয়ে থাকেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা, এছাড়া বৈশাখী ভাতাও আছে। ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি কলেজের এক প্রভাষক জানিয়েছেন, চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ভেবেছিলেন বেতন আরও বেশি হবে। পরে বুঝেছেন, মূল বেতনের বাইরে বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে মাস শেষে হাতে যা আসে সেটা দিয়ে ঢাকায় সংসার চালানো বেশ কষ্টকর। এবার আসা যাক সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ে। নবম পে স্কেল ২০২৫ নিয়ে শিক্ষক মহলে এখন তুমুল আলোচনা চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনায় জানা গেছে, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন শতভাগ বাড়বে। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোট গত অক্টোবরে পে কমিশনের সাথে মতবিনিময়ে তাদের প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৩০ হাজার এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করতে হবে। প্রস্তাবিত গ্রেড অনুযায়ী একজন প্রভাষকের জন্য গ্রেড-৯-এ ৫৫ হাজার, সহকারী অধ্যাপকের গ্রেড-৬-এ ৮০ হাজার এবং অধ্যক্ষের জন্য গ্রেড-৩-এ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল বেতনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের প্রস্তাবিত ১০ দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাড়িভাড়া মূল বেতনের ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ হারে দেওয়া, উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের সমপরিমাণ করা এবং অবসর ফান্ডের টাকা অবসরের ৬ মাসের মধ্যে পরিশোধ করা। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নতুন পে স্কেলেও বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় বৈষম্যের শিকার হবেন বলে আশঙ্কা আছে। সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ভাতা নতুন পে স্কেলে ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে, যেখানে এমপিও শিক্ষকরা এখনো মাত্র ৫০০ টাকা পাচ্ছেন। পে কমিশনের গেজেট প্রকাশের পরই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নির্ভর করবে বলে জানা গেছে। শিক্ষকরা অপেক্ষায় আছেন, এবার অন্তত একটা সম্মানজনক বেতন কাঠামো মিলবে কিনা।
আজ ২ সেপ্টেম্বর বিকেলে আরও ৭টি দলের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে বসবেন। বিকেল ৫টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বৈঠকের সময় নিশ্চিত করেছেন তবে আমন্ত্রিত দলগুলোর নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। এর আগে গত রবিবার ড. ইউনূস বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছিলেন। সেই আলোচনায় জাতীয় নির্বাচন ও সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলগুলোর সঙ্গে মতপার্থক্যের কোনো সমাধান হয়নি। দলগুলো নিজ নিজ পূর্ববর্তী অবস্থানেই অটল থাকে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছেন। এছাড়া তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই এবং এর বাইরে অন্য কোন চিন্তা দেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) মাগুরার শ্রীপুরে একটি রেললাইন প্রকল্প পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঠিক একইভাবে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনও একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে এবং নির্বাচন বানচাল করার কোনো সুযোগ থাকবে না।
রোজা অবস্থায় বীর্যপাত হলে রোজা ভাঙবে কিনা, এই প্রশ্নটা অনেকের মনে থাকলেও লজ্জায় কাউকে জিজ্ঞেস করা হয় না। অথচ ইসলামিক শরিয়তে এই বিষয়ে একদম স্পষ্ট ব্যাখ্যা আছে। রমজান মাস এলে অনেক প্রশ্নই মাথায় ঘোরে। কোনটায় রোজা ভাঙে, কোনটায় ভাঙে না। কিছু প্রশ্ন সহজে করা যায়, কিছু প্রশ্ন গলায় আটকে থাকে। বীর্যপাতে রোজা ভাঙার বিষয়টা ঠিক এই দ্বিতীয় ধরনের একটা প্রশ্ন। কিন্তু ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্রে এই প্রশ্নের উত্তর লুকানো নেই, বরং সরাসরি আলোচনা করা হয়েছে। মূল বিষয় হলো, সব ধরনের বীর্যপাত এক রকম নয়। কীভাবে বীর্যপাত হলো, সেটার উপর নির্ভর করে রোজা ভাঙবে কিনা। স্বামী-স্ত্রীর সহবাসে রোজা ভাঙে এটা সবচেয়ে স্পষ্ট বিষয়। রোজা অবস্থায় দিনের বেলা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সহবাস হলে রোজা ভেঙে যাবে, এই ব্যাপারে সব মাজহাবের আলেমরা একমত। শুধু রোজা ভাঙাই না, এক্ষেত্রে কাফফারাও দিতে হবে। কাফফারা মানে একটানা ৬০টি রোজা রাখা, অথবা ৬০ জন মিসকিনকে খাওয়ানো। হস্তমৈথুনে রোজা ভাঙে ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটালে রোজা ভেঙে যাবে। হানাফি, শাফেয়ি, মালেকি এবং হাম্বলি সব মাজহাবেই এই মতামত প্রায় একই। তবে এক্ষেত্রে কাফফারা দিতে হবে না, শুধু ওই রোজাটির কাজা অর্থাৎ পরবর্তীতে একটি রোজা রেখে দিতে হবে। স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙে না ঘুমের মধ্যে স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙবে না। এটা ইচ্ছাকৃত কোনো কাজ নয়, তাই শরিয়তে এর জন্য কোনো দায় নেই। তবে গোসল ফরজ হয়ে যাবে। যত দ্রুত সম্ভব ফরজ গোসল করে নামাজ আদায় করতে হবে। গোসল না করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না, কিন্তু নামাজ পড়া যাবে না। মনে মনে চিন্তা করলে বা দেখলে কী হয়? শুধু মনে মনে যৌন চিন্তা করলে বা কিছু দেখে উত্তেজিত হলে রোজা ভাঙে না, যদি বীর্যপাত না হয়। তবে রোজার পবিত্রতা রক্ষার স্বার্থে এ ধরনের চিন্তা ও পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকা উচিত। তরল বের হলে কী হয়? মযি হলো উত্তেজনার সময় বের হওয়া পাতলা তরল, যেটা বীর্য নয়। অধিকাংশ আলেমের মতে শুধু মযি বের হলে রোজা ভাঙে না। তবে ওজু ভেঙে যাবে, তাই নামাজের আগে ওজু করতে হবে। একটা সহজ নিয়ম মনে রাখুন ইসলামি ফিকাহের মূলনীতি অনুযায়ী রোজা ভাঙার ক্ষেত্রে দুটো শর্ত থাকতে হবে। প্রথমত, কাজটি ইচ্ছাকৃত হতে হবে। দ্বিতীয়ত, শরীরের ভেতরে কিছু প্রবেশ করানো বা শরীর থেকে এমন কিছু বের করা যা নিষিদ্ধ। স্বপ্নদোষ ইচ্ছাকৃত নয় বলেই রোজা ভাঙে না। হস্তমৈথুন ইচ্ছাকৃত বলেই রোজা ভেঙে যায়। যেকোনো সন্দেহ থাকলে স্থানীয় বিশ্বস্ত আলেম বা মুফতির কাছ থেকে সরাসরি মাসআলা জেনে নেওয়াটাই সবচেয়ে নিরাপদ। ধর্মীয় বিষয়ে লজ্জা না পেয়ে জেনে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
গাজীপুরে প্রত্যাহার হলো বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত জিএমপি কমিশনার নাজমুল করিম খান। ব্যাপক সমালোচনার মুখে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মো. নাজমুল করিম খানকে তাঁর পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। আদেশে, পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)-এর কমিশনার নাজমুল করিম খানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি কিছু অভিযোগ উঠেছে। প্রথমত, অভিযোগ করা হয় যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তার যাতায়াতের সময় যান চলাচলের জন্য রাস্তার একপাশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা হয়। এছাড়াও, তিনি একটি স্কুলের মাঠে মাসব্যাপী মেলার আয়োজন করার অনুমতি দিয়েছিলেন, যার কারণে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা এবং অন্যান্য কার্যক্রম ব্যাহত হয়। মেলা বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে অনুরোধ করা হলেও জিএমপি কর্তৃপক্ষ জানায় যে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেলা আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা শুধু পুলিশ কমিশনারের। এই ঘটনাটিও ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। ড. নাজমুল করিম খান পুলিশ ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। গত বছরের ১১ নভেম্বর তিনি জিএমপি কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন। এর আগে, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সরকারের পতনের পর তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হন এবং ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়ে জিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান।
এসিআই পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যেখানে ফিল্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। এক নজরে এসিআই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিষয় বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম এসিআই পিএলসি পদের নাম ফিল্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদসংখ্যা নির্ধারিত নয় চাকরির ধরন ফুলটাইম (বেসরকারি) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদন শুরু ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিষয় বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পর্যন্ত বিজ্ঞানসহ যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অন্যান্য যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা কর্ম অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই (নতুন গ্র্যাজুয়েটরাও আবেদন করতে পারবেন) বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর প্রার্থীর ধরন নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন কর্মস্থল ও চাকরির ধরন বিষয় তথ্য কর্মস্থল দেশের যেকোনো স্থানে (মাঠ পর্যায়ে কাজ) চাকরির প্রকৃতি ফুলটাইম কর্মক্ষেত্র ফিল্ড/মাঠ পর্যায়ে বাজার ব্যবস্থাপনা বেতন ও সুযোগ-সুবিধা প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজসহ নিম্নলিখিত সুবিধাদি প্রদান করবে: আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধা গ্র্যাচুইটি সুবিধা উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার) বিক্রয় প্রণোদনা (সেলস ইনসেনটিভ) বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ চিকিৎসা সুবিধা লাভের অংশীদারিত্ব (প্রফিট শেয়ারিং) আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে এবং আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আবেদনের শেষ তারিখ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদন পদ্ধতি: শুধুমাত্র অনলাইন সরকারি ছুটির দিনেও আবেদন করা যাবে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য এসিআই পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান। ফার্মাসিউটিক্যালস, কনজিউমার ব্র্যান্ডস, এগ্রো-বিজনেস এবং অন্যান্য খাতে এই প্রতিষ্ঠান সুনাম অর্জন করেছে। এসিআই কর্মীবান্ধব কর্মপরিবেশ এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ প্রদানের জন্য পরিচিত। অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: www.aci-bd.com দ্রষ্টব্য: শুধুমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে। আবেদনের সময় সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করুন।
আজকাল অনেকেরই রাতে ঘুম আসে না। অনেকে অনেক চেষ্টা করেও ঘুমোতে পারেন না। সমস্যাটি একটি কমন সমস্যা যা এই জেনারেশনকে জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই রাতে ঘুম না আসলে করণীয় কি এবং রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর উপায় সম্পর্কে আজকের এই পরামর্শ - যা মেনে চললে ১ মিনিটেও আপনার ঘুম আসতে বাধ্য। আমাদের শরীরে মেলাটোনিন এবং এডিনোসিন এক হরমোন বিদ্যমান থাকে যেটিকে বলা হয় ঘুমের হরমোন। এডিনোসিন দৈনন্দিন বিভিন্ন কার্যক্রমের কারণে হ্রাস বা বৃদ্ধি পায়। যখন এটি অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পায় তখন শরীরে অধিক পরিমাণে ঘুমের চাপ সৃষ্টি করে। আর ঘুম না আসার প্রধান কারণ হলো শরীর থেকে মেলোটোনিন এবং এডিনোসিন হরমোনের যথেষ্ট অনুপস্থিতি। এক গবেষণায় দেখা গেছে পৃথিবীতে প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কোন কাজ ছাড়াই রাতে জেগে থাকেন। এর কারণটা ঠিক অনেকেই বুঝতে পারেন না। অনেকে নিজেও জানেন না তিনি কেন জেগে থাকেন। তবে অনেককেই বলতে দেখা যায় রাতে ঘুম আসে না তাদের, এই দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যার মধ্যে অন্যটি হলো রাতে ঘুম না আসার সমস্যা। এই সমস্যাটি বেশিদিন থাকলে যেমন আপনার মস্তিষ্কে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমে বিঘ্নতা ঘটাবে এমনকি আপনার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটাতেও বাধ্য করবে। রাতে ঘুম না আসলে করণীয় কি আপনার যদি রাতে ঘুম না আসে , তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর জন্য যে নিয়মগুলো আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে - ১. বিকেলে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন আজকালকার বেশিরভাগ মানুষদের দেখা যায় তারা রাত জাগে এবং দিনের বেলায় অধিক পরিমাণে ঘুমায়। আর বিকেল বেলা ঘুমানোর কারণে অনেকেরই রাতের বেলা ঘুম না আসাটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে ঘুমের অভ্যাসটা পরিবর্তন করতে হবে। যেমন আপনার যদি বিকেল বেলা অধিক পরিমাণে ঘুম আসে তাহলে ঘুমানো যাবেনা। এক্ষেত্রে আপনি চা বা কফি খেয়ে নিজের ঘুমটাকে কন্ট্রোল করতে হবে। এভাবে বিকেলে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করলে রাতের বেলা তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসতে বাধ্য হবে। আপনি পেয়ে গেলেন বিকেলে না ঘুমিয়ে কিভাবে ঘুমাবো প্রশ্নের উত্তর। ২. শারীরিক পরিশ্রম করুন একটি ভালো ঘুমের জন্য শারীরিকভাবে পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে আপনি ঘুমানোর আগে ব্যায়াম করতে পারেন, কেননা শারীরিকভাবে পরিশ্রম করলে শরীর এবং মস্তিষ্ক দুটি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে অনায়াসে অধিক পরিমাণে ঘুম চলে আসে। পরিশ্রম করলে শরীরে এডিনসিন নামক একটি হরমোন এর মাত্রা বৃদ্ধি পায় ।বলা যায় শারীরিক পরিশ্রম আমাদের ১ মিনিটে ঘুম তৈরি করতে সহায়তা করে। ৩. স্ক্রিনের আলো এড়িয়ে চলুন ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট টাইম সেট করুন যে আপনি কখন ঘুমাবেন। এরপরে ওই নির্দিষ্ট টাইমের ঠিক দুই ঘন্টা আগে আপনি যেকোনো ধরনের ডিভাইস এর ডিসপ্লের আলো থেকে দূরে থাকুন। কারন মোবাইলের কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতিকর ব্লু রশ্নি আমাদের শরীরের মেলাটোনিন উৎপাদন মাত্রা কমিয়ে দেয় যার কারণে আমাদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। ৪. ASMR কনটেন্ট শ্রবণ করা ইউটিউবে অনেক ধরনের ASMR ভিডিও কন্টেন্ট পাওয়া যায়। ঘুমানোর আগে এগুলো শুনতে এবং দেখতে পারেন। ASMR-এর শব্দগুলো (যেমন ফিসফিস, ট্যাপিং, ব্রাশিং) মস্তিষ্কের রিল্যাক্সেশন সেন্টার সক্রিয় করে। ফলে স্ট্রেস কমে, মন শান্ত হয়। ফলে শরীর আরাম পায়, টেনশন কমে যায় এবং স্বাভাবিকভাবেই ঘুম চলে আসে। আপনি যদি এগুলো না শুনতে চান তাহলে কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পারেন। এক্ষেত্রেও আপনার তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ৫. ঘুমানোর আগে ঘরের লাইট বন্ধ করুন আমাদের ঘুমানোর আগ পর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। আর আমাদের মস্তিষ্ককে শক্তিও রাখতে আমাদের চোখ অধিক পরিমাণে ভূমিকা পালন করে। আর যখন চোখের উপরে আলোর প্রতিফলন হয় তখন মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে তাই ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। এক্ষেত্রে ঘুমানোর জন্য অবশ্যই একটি নিরিবিলি রুম বেছে নিন এবং অবশ্যই ঘরের সমস্ত জানালা দরজা এবং সমস্ত লাইট বন্ধ করুন। ৬. রাতের বেলা চা-কফি পানাহার থেকে বিরত থাকুন আমাদের অনেকের রাতের বেলা চা কিংবা কফি না হলে হয় না, এই অভ্যাসটি ঘুমের জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। চা বা কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্কে ঘুম আনার জন্য দায়ী এডিনোসিন নামের হরমোন কে বাঁধাগ্রস্থ করে, ফলে মস্তিষ্ক “ঘুমানোর সময় হয়নি” এমন সিগনাল পায়। ক্যাফেইন আবার হৃদস্পন্দন একটু বাড়ায়, স্নায়ুকে সতর্ক করে এবং শরীরকে জাগ্রত অবস্থায় রাখে। এই কারণেই চা বা কফি খেলে ঘুম আসতে দেরি হয় বা ঘুম নষ্ট হয়ে যায়। মানুষের জীবনের এক অতীব প্রয়োজনীয় চাহিদার নাম হলো ঘুম। এই পৃথিবীতে যত লোভনীয় জিনিস আছে তার মধ্যে অন্যতম বলা যায় ভালো ঘুম অর্থাৎ যাদের অনায়াসে দুচোখের পাতায় ঘুম চলে আসে তারাই হয়তো পৃথিবীর সবথেকে সুখী মানুষ। ভালো ঘুম যেমন মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে তেমনি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর সুস্থ স্বাভাবিক ঘুম হলে মানুষ তার দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজকর্ম করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। উপরোক্ত নিয়মগুলো অনুসরণ করলে আশা করি আপনার খুব সহজে সুস্থ স্বাভাবিকভাবে ঘুম চলে আসবে এবং আপনি স্বাচ্ছন্দ্যময় একটি জীবন উপভোগ করতে পারবেন।
রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় চলন্ত মেট্রোরেল লাইনের পিলার থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের (কেআইবি) সামনের ফুটপাতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই যুবকের নাম আবুল কালাম, যিনি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন নিশ্চিত করেছেন, ভারী ধাতব বস্তুটি (বিয়ারিং প্যাড) ওই পথচারীর মাথায় আঘাত করায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে আবুল কালাম ব্যাগ হাতে ফুটপাত ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় মেট্রোরেল পিলারের ওপর থেকে বিকট শব্দে বস্তুটি নিচে এসে পড়ে। বস্তুর আঘাতে পথচারী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনার ফলে পথচারীদের মাঝে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং দুর্ঘটনার পরপরই মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে অবশ্য উত্তরা-আগারগাঁও-উত্তরা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও মতিঝিল পর্যন্ত চলাচল বন্ধ রয়েছে। এটি প্রথম দুর্ঘটনা নয়; এর আগেও গত বছর সেপ্টেম্বরে ফার্মগেট এলাকাতেই মেট্রোরেলের একটি বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়েছিল, যদিও সেবার কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। তবে সেই ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। প্রকৌশল সূত্র বলছে, এই বিয়ারিং প্যাডগুলো মূলত ট্রেন চলাচলের সময় লাইনের কম্পন শোষণ করে কাঠামোর স্থিতি রক্ষা করে এবং এর প্রতিটির ওজন ১৪০ থেকে ১৫০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। বারবার এই ধরনের যন্ত্রাংশ খুলে পড়ার ঘটনা মেট্রোরেল প্রকল্পের নকশা ও রক্ষণাবেক্ষণের ওপর প্রশ্ন তুলছে। মেট্রোরেলের নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ফার্মগেটের খেজুরবাগান মোড়ে নির্মাণ নকশায় ত্রুটি ছিল এবং জাপানিজ ঠিকাদারদের এই বিষয়ে ঠিক করতে বলা হলেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে আহ্বায়ক করে একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কমিটি দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। এদিকে, নিহত আবুল কালামের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং পরিবারের কোনো কর্মক্ষম সদস্যকে মেট্রোরেলে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে বলে সড়ক ও রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন। তবে সাধারণ মানুষ এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দুর্ঘটনা নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, এটি নিরাপত্তা জনিত গুরুতর গাফিলতির ফল। দুর্ঘটনার পর এলাকার দোকানদার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে ট্রেন চলাচলের সময় অস্বাভাবিক শব্দ ও কম্পন লক্ষ্য করা যাচ্ছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাতে গুরুত্ব দেয়নি। ঢাকাবাসী এখন মেট্রোরেলের নিচে দিয়ে চলাচল করতেও আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
নতুন ফোন কিনেছেন, বা বাসায় মেহমান এসেছেন, আর ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড মনে নেই? রাউটার রিসেট করার দরকার নেই। এই কয়টা উপায় জানলে এক মিনিটেই কাজ হবে। জানুন ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড দেখার উপায়। ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বেশিরভাগ মানুষ প্রথমেই রাউটার রিসেট দেওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু এই একটা ভুল সিদ্ধান্তে পুরো নেটওয়ার্ক সেটআপ নতুন করে করতে হয়, সময় নষ্ট হয়, মাথা গরম হয়। অথচ ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে সেটা বের করার উপায় একটা না, একাধিক। আর প্রতিটা উপায়ই এত সহজ যে যেকেউ পাঁচ মিনিটেই করতে পারবেন। মাসের পর মাস একই ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন, পাসওয়ার্ড একবার দিয়েছিলেন, ফোন মুখস্থ করে নিয়েছে। তারপর হঠাৎ একদিন নতুন কেউ এলো বাসায়, জিজ্ঞেস করলো "ভাই, ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড কী?" আর আপনি পুরো থ। যে ডিভাইসে আগে থেকে কানেক্টেড আছেন সেটা দিয়েই বের করুন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আপনার নিজের ডিভাইস থেকেই পাসওয়ার্ড দেখে নেওয়া। যে ফোন বা কম্পিউটারে ওয়াই-ফাই আগে থেকে সেভ করা আছে, সেটাতেই লুকিয়ে আছে পাসওয়ার্ড। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে সেটিংসে যান, তারপর Wi-Fi অপশনে ঢুকুন। যে নেটওয়ার্কে কানেক্টেড আছেন সেটার উপর ট্যাপ করুন। নিচে একটা QR কোড দেখাবে। সেই QR কোড স্ক্যান করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি বেরিয়ে আসবে। কিছু অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে Share বাটনে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি টেক্সট আকারেও দেখা যায়। আইফোনের ক্ষেত্রে iOS 16 বা তার পরের ভার্সনে কাজটা আরও সহজ। Settings থেকে Wi-Fi তে যান, কানেক্টেড নেটওয়ার্কের পাশের "i" আইকনে ট্যাপ করুন। Password অপশনে ট্যাপ করলে Face ID বা পাসকোড দিতে বলবে, সেটা দিলেই পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। উইন্ডোজ কম্পিউটার থেকে বের করুন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ওয়াই-ফাই কানেক্টেড থাকলে পাসওয়ার্ড বের করা আরও সরল। Windows 10 বা 11 হলে Control Panel খুলুন। Network and Internet এ যান, তারপর Network and Sharing Center। বাঁদিকে "Change adapter settings" এ ক্লিক করুন। Wi-Fi আইকনে ডাবল ক্লিক করুন, Wireless Properties তে যান, তারপর Security ট্যাব থেকে "Show characters" বক্সে টিক দিন। পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। এছাড়া Command Prompt দিয়েও হয়। Start মেনু থেকে CMD খুলে এই কমান্ড লিখুন: netsh wlan show profile name="আপনার ওয়াই-ফাই নাম" key=clear Key Content এর পাশেই লেখা থাকবে আপনার পাসওয়ার্ড। ম্যাক কম্পিউটার থেকে বের করুন Mac ব্যবহারকারীরা Spotlight দিয়ে "Keychain Access" খুলুন। সেখানে সার্চ বারে আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নাম লিখুন। নেটওয়ার্কটা সিলেক্ট করে "Show Password" এ ক্লিক করুন। Mac পাসওয়ার্ড চাইবে, দিলেই ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। রাউটারের পেছনেও লেখা থাকে অনেকেই এই সহজ কথাটা ভুলে যান। বাসার রাউটারের পেছনে বা নিচে একটা স্টিকার লাগানো থাকে। সেখানে SSID মানে নেটওয়ার্কের নাম এবং Default Password লেখা থাকে। যদি কখনো পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে থাকেন, তাহলে এটাই আসল পাসওয়ার্ড। রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেল থেকেও দেখা যায় যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে 192.168.0.1 অথবা 192.168.1.1 লিখে Enter দিন। রাউটারের লগইন পেজ আসবে। সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দুটোই "admin" হয়। ভেতরে ঢুকলে Wireless Settings বা Wi-Fi Setup অপশনে পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। কিছু জরুরি কথা এই পদ্ধতিগুলো শুধু নিজের নেটওয়ার্কের জন্য। অন্যের ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করা বেআইনি এবং অনৈতিক। বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর ভবিষ্যতে এই ঝামেলায় না পড়তে চাইলে পাসওয়ার্ড একটা নোটবুকে লিখে রাখুন বা ফোনের নোট অ্যাপে সেভ করুন। সাধারণ কিন্তু কার্যকর বুদ্ধি। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়াটা অপরাধ না, এটা মানবিক স্বভাব। কিন্তু এখন থেকে ভুললেও আর চিন্তা নেই।
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেড অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। গত ১১ ডিসেম্বর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী ১০ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। প্রার্থীদের ভিডিও সিভি জমা দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা স্থায়ী চাকরির সুযোগ পাবেন। এক নজরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিষয় বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেড পদের নাম অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার/অফিসার পদসংখ্যা উল্লেখ নেই চাকরির ধরন ফুলটাইম (স্থায়ী) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (ভিডিও সিভি সহ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিষয় বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রাসঙ্গিক বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৪০ বছর (আবেদনের শেষ তারিখ পর্যন্ত) কর্ম অভিজ্ঞতা প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা আবেদনকারীদের নিম্নলিখিত যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকতে হবে: কম্পিউটার দক্ষতা: AutoCAD, MS Office এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সফটওয়্যার পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে প্রযুক্তিগত জ্ঞান: অবকাঠামো নির্মাণ কোড, নিরাপত্তা বিধিমালা এবং শিল্প মান সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ভ্রমণে ইচ্ছুক: প্রকল্প তত্ত্বাবধানের জন্য ঢাকার বাইরে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক থাকতে হবে যোগাযোগ দক্ষতা: শক্তিশালী যোগাযোগ ও বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা থাকতে হবে চাপ সহ্য করার ক্ষমতা: চাপের মধ্যে কাজ করার দক্ষতা থাকতে হবে কর্মস্থল ও চাকরির ধরন বিষয় তথ্য কর্মস্থল ঢাকা (নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন সহ) চাকরির প্রকৃতি ফুলটাইম (স্থায়ী) কর্মক্ষেত্র ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, শাখা ও প্রকল্প এলাকা দায়িত্ব ও কর্মপরিধি নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রধান দায়িত্বসমূহ হবে: প্রকল্প পরিকল্পনা ও ডিজাইন: কম্পিউটার-এডেড ডিজাইন (CAD) এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ব্যবহার করে অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য বিস্তারিত পরিকল্পনা ও স্পেসিফিকেশন তৈরি করা সাইট ইনভেস্টিগেশন এবং ফিজিবিলিটি স্টাডি পরিচালনা করা নির্মাণ ও তত্ত্বাবধান: নির্মাণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা এবং সামগ্রী ও যন্ত্রপাতির সরবরাহ নিশ্চিত করা ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সকল প্রকল্প সম্পন্ন হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা শাখা, সাব-শাখা, প্রধান কার্যালয় এবং এটিএম/সিআরএম বুথের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের তত্ত্বাবধান বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা: প্রকল্প বাজেট পরিচালনা, খরচ পর্যবেক্ষণ এবং সময়সূচী অনুযায়ী প্রকল্প সম্পন্ন রাখতে বিভিন্ন টিম ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয় করা সম্পূর্ণ প্রকল্পের বিল পরিমাপ করা এবং পেমেন্ট ছাড়ের ব্যবস্থা করা সমন্বয় ও প্রশাসনিক কাজ: বিভাগ/বিভাগের মধ্যে এবং বিভাগসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন বিভিন্ন অফিস মেমো প্রস্তুত করা টাকা বীমার উদ্দেশ্যে শাখাগুলির সাথে সমন্বয় করা শাখা এবং অফিস অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে পত্র যোগাযোগ প্রযুক্তিগত সহায়তা: ডিজাইন বা নির্মাণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সমাধান খুঁজে বের করতে প্রযুক্তিগত নির্দেশনা প্রদান অবকাঠামোগত সমস্যার মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা লাইন ম্যানেজার বা বিভাগীয় প্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ সম্পাদন আরো পড়ুন নিয়োগ দিচ্ছে এসিআই পিএলসি। থাকছে প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ গ্র্যাচুইটি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বিষয় বিবরণ বেতন আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী) চাকরির ধরন স্থায়ী পদ অন্যান্য সুবিধা ব্যাংকিং খাতের প্রচলিত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের ভিডিও সিভি জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: শুধুমাত্র অনলাইন ভিডিও সিভি জমা দিলে অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে
By using this site, you agree to our Cookie Policy .