এনথ্রপিকের ক্লাউডি মাইথস: মানুষের জন্য আসলেই বড় হুমকি?

ডিপি প্রতিবেদন
ডিপি প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২১ এপ্রিল, ২০২৬ | সকাল ১১:৩৪
আপডেট: ২১ এপ্রিল, ২০২৬ | সকাল ১১:৩৯
এনথ্রপিকের ক্লাউডি মাইথস: মানুষের জন্য আসলেই বড় হুমকি?
ছবিঃ রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় প্রতিদিনই নতুন কিছু ঘটছে। একদিকে প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষকে বিস্মিত করছে, অন্যদিকে বাড়ছে শঙ্কাও। সেই শঙ্কার কেন্দ্রে এবার এসেছে এআই কোম্পানি এনথ্রপিক ক্লাউডি এর নতুন মডেল Mythos। এবং ক্লেইম করা হচ্ছে বিশ্বের আজ অব্দি যত এআই মডেল রিলিজ হয়েছে তার মধ্যে সবচাইতে বেশি শক্তিশালী টুলস হচ্ছে ক্লাউডি মাইথস। 

প্রশ্ন উঠেছে, যদি প্রযুক্তিটি এত উন্নত হয়, তাহলে সেটি সবার জন্য প্রকাশ করা হলো না কেন? আর যদি প্রকাশ না করা হয়, তাহলে কি এটি সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ? 

মাইথস কী এবং কেন আলোচনায়?

গত কয়েকদিন আগে কোম্পানিটি তাদের নতুন এই মডেল Cloudy opus এর সর্বশেষ সংস্করণ প্রকাশ করার সাথে একটি বেঞ্চমার্ক প্রকাশ করেছিল এবং সেখানে তাদের বিভিন্ন এআই মডেল  এর পারফর্মেন্স  হার দেখানো হয়েছিল। যদিও সব কয়টা মডেলের মধ্যে মাইথস এর কার্যকারিতার হার প্রায় ৭০ ভাগ সফল । তবেপ্রযুক্তি বিশ্বে এটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, কারণ কোম্পানিটি নিজেই এই টুল সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করেনি। 

cloude ai benchmark

এনথ্রপিকের এআই মাইথস নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো সীমিত। তবে প্রযুক্তি মহলের আলোচনা অনুযায়ী, এটি এমন একটি উন্নত এআই সিস্টেম যা জটিল ডিজিটাল কাজ, সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্তকরণ এবং স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে শক্তিশালী সক্ষমতা দেখিয়েছে। 

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এআই নয়। বরং এটি এমন ধরনের টুল, যা মানুষের হয়ে প্রযুক্তিগত কাজও করতে পারে। এখানেই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

কেন সাধারণ মানুষের জন্য রিলিজ করা হয়নি

এনথ্রপিক সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা এই টুলস কে এমন ভাবে তৈরি করেছে যা তাদের নিজেদের ভাবনার বাইরে। এবং বিশ্বের যত প্রকার এআই মডেল এই অব্দি তৈরি হয়েছে তার মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী এআই টুল এটা। তাই সবার হাতে দিলে অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে মাইথস এর মতো সিস্টেম ভুল হাতে গেলে সাইবার হামলা, নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করা, ভুয়া কনটেন্ট তৈরি, প্রতারণা কিংবা ডিজিটাল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো কাজে ব্যবহার হতে পারে। 

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কোম্পানিটি মূলত তিনটি কারণে এটি উন্মুক্ত করেনি।

  • প্রথম কারণ নিরাপত্তা। উন্নত AI যদি সফটওয়্যারের দুর্বলতা খুঁজে দিতে পারে, তাহলে হ্যাকাররাও সেটিকে ব্যবহার করতে পারে। কারণ টেস্টিং পারপাসে এনথ্রপিক মজিলা ফায়ারফক্সের একটি প্যাচেড ভার্সনের প্রায় দেড়শরও বেশি দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছিল যেটি ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য বিরাট হুমকি। 
  • দ্বিতীয় কারণ ভুল ব্যবহার। সাধারণ ব্যবহারকারী যদি সীমাবদ্ধতা না বুঝে এআই কে সংবেদনশীল কাজে ব্যবহার করেন, তাহলে বড় ক্ষতি হতে পারে।
  • তৃতীয় কারণ নিয়ন্ত্রণ। এআই যত শক্তিশালী হয়, তত বেশি নজরদারি ও নীতিমালার প্রয়োজন হয়। নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এমন টুল বাজারে ছাড়লে ঝুঁকি বাড়ে।

মানুষের জন্য সত্যিই হুমকি কি না

এখানে বাস্তবতা একটু ভিন্ন। মাইথস নিজে “খারাপ” নয়। প্রযুক্তি নিজে কখনো ভালো বা মন্দ নয়। এটি ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে।

যেমন একটি কম্পিউটার দিয়ে চিকিৎসা গবেষণা করা যায়, আবার সাইবার অপরাধও করা যায়। তেমনি উন্নত AI দিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়, আবার অপব্যবহারও সম্ভব।

তবে মাইথস এর মতো টুল যদি মানব পর্যবেক্ষণ ছাড়া কাজ করে, তাহলে ভুল সিদ্ধান্ত, ভুয়া তথ্য, স্বয়ংক্রিয় প্রতারণা এবং সাইবার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। 

বাংলাদেশি বাস্তবতায় কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশে এআই ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, ব্যবসায়ী, কনটেন্ট নির্মাতা, অফিস কর্মী অনেকেই এআই ব্যবহার করছেন। কিন্তু সচেতনতার ঘাটতি এখনো বড় সমস্যা। 

অনেকে এয়াই কে শতভাগ নির্ভুল মনে করেন। যাচাই ছাড়া ব্যবহার করেন। যদি মাইথস এর মতো আরও শক্তিশালী টুল ভবিষ্যতে উন্মুক্ত হয়, তাহলে ভুল তথ্য, প্রতারণা ও ডেটা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ব্যাংকিং, অনলাইন লেনদেন, সরকারি তথ্য, ব্যক্তিগত ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে এটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

সুত্রঃ রয়টার্স 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

প্রযুক্তি থেকে আরো

আরো দেখুন
এনথ্রপিকের ক্লাউডি মাইথস: মানুষের জন্য আসলেই বড় হুমকি?
এনথ্রপিকের ক্লাউডি মাইথস: মানুষের জন্য আসলেই বড় হুমকি?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় প্রতিদিনই নতুন কিছু ঘটছে। একদিকে প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষকে বিস্মিত করছে, অন্যদিকে বাড়ছে শঙ্কাও। সেই শঙ্কার কেন্দ্রে এবার এসেছে এআই কোম্পানি এনথ্রপিক ক্লাউডি এর নতুন মডেল Mythos। এবং ক্লেইম করা হচ্ছে বিশ্বের আজ অব্দি যত এআই মডেল রিলিজ হয়েছে তার মধ্যে সবচাইতে বেশি শক্তিশালী টুলস হচ্ছে ক্লাউডি মাইথস।  প্রশ্ন উঠেছে, যদি প্রযুক্তিটি এত উন্নত হয়, তাহলে সেটি সবার জন্য প্রকাশ করা হলো না কেন? আর যদি প্রকাশ না করা হয়, তাহলে কি এটি সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ?  মাইথস কী এবং কেন আলোচনায়? গত কয়েকদিন আগে কোম্পানিটি তাদের নতুন এই মডেল Cloudy opus এর সর্বশেষ সংস্করণ প্রকাশ করার সাথে একটি বেঞ্চমার্ক প্রকাশ করেছিল এবং সেখানে তাদের বিভিন্ন এআই মডেল  এর পারফর্মেন্স  হার দেখানো হয়েছিল। যদিও সব কয়টা মডেলের মধ্যে মাইথস এর কার্যকারিতার হার প্রায় ৭০ ভাগ সফল । তবেপ্রযুক্তি বিশ্বে এটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, কারণ কোম্পানিটি নিজেই এই টুল সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করেনি।  এনথ্রপিকের এআই মাইথস নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো সীমিত। তবে প্রযুক্তি মহলের আলোচনা অনুযায়ী, এটি এমন একটি উন্নত এআই সিস্টেম যা জটিল ডিজিটাল কাজ, সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্তকরণ এবং স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে শক্তিশালী সক্ষমতা দেখিয়েছে।  সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এআই নয়। বরং এটি এমন ধরনের টুল, যা মানুষের হয়ে প্রযুক্তিগত কাজও করতে পারে। এখানেই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। কেন সাধারণ মানুষের জন্য রিলিজ করা হয়নি এনথ্রপিক সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা এই টুলস কে এমন ভাবে তৈরি করেছে যা তাদের নিজেদের ভাবনার বাইরে। এবং বিশ্বের যত প্রকার এআই মডেল এই অব্দি তৈরি হয়েছে তার মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী এআই টুল এটা। তাই সবার হাতে দিলে অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে মাইথস এর মতো সিস্টেম ভুল হাতে গেলে সাইবার হামলা, নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করা, ভুয়া কনটেন্ট তৈরি, প্রতারণা কিংবা ডিজিটাল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো কাজে ব্যবহার হতে পারে।  প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কোম্পানিটি মূলত তিনটি কারণে এটি উন্মুক্ত করেনি। প্রথম কারণ নিরাপত্তা। উন্নত AI যদি সফটওয়্যারের দুর্বলতা খুঁজে দিতে পারে, তাহলে হ্যাকাররাও সেটিকে ব্যবহার করতে পারে। কারণ টেস্টিং পারপাসে এনথ্রপিক মজিলা ফায়ারফক্সের একটি প্যাচেড ভার্সনের প্রায় দেড়শরও বেশি দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছিল যেটি ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য বিরাট হুমকি।  দ্বিতীয় কারণ ভুল ব্যবহার। সাধারণ ব্যবহারকারী যদি সীমাবদ্ধতা না বুঝে এআই কে সংবেদনশীল কাজে ব্যবহার করেন, তাহলে বড় ক্ষতি হতে পারে। তৃতীয় কারণ নিয়ন্ত্রণ। এআই যত শক্তিশালী হয়, তত বেশি নজরদারি ও নীতিমালার প্রয়োজন হয়। নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এমন টুল বাজারে ছাড়লে ঝুঁকি বাড়ে। মানুষের জন্য সত্যিই হুমকি কি না এখানে বাস্তবতা একটু ভিন্ন। মাইথস নিজে “খারাপ” নয়। প্রযুক্তি নিজে কখনো ভালো বা মন্দ নয়। এটি ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। যেমন একটি কম্পিউটার দিয়ে চিকিৎসা গবেষণা করা যায়, আবার সাইবার অপরাধও করা যায়। তেমনি উন্নত AI দিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়, আবার অপব্যবহারও সম্ভব। তবে মাইথস এর মতো টুল যদি মানব পর্যবেক্ষণ ছাড়া কাজ করে, তাহলে ভুল সিদ্ধান্ত, ভুয়া তথ্য, স্বয়ংক্রিয় প্রতারণা এবং সাইবার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।  বাংলাদেশি বাস্তবতায় কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশে এআই ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, ব্যবসায়ী, কনটেন্ট নির্মাতা, অফিস কর্মী অনেকেই এআই ব্যবহার করছেন। কিন্তু সচেতনতার ঘাটতি এখনো বড় সমস্যা।  অনেকে এয়াই কে শতভাগ নির্ভুল মনে করেন। যাচাই ছাড়া ব্যবহার করেন। যদি মাইথস এর মতো আরও শক্তিশালী টুল ভবিষ্যতে উন্মুক্ত হয়, তাহলে ভুল তথ্য, প্রতারণা ও ডেটা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ব্যাংকিং, অনলাইন লেনদেন, সরকারি তথ্য, ব্যক্তিগত ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে এটি বড় উদ্বেগের বিষয়। সুত্রঃ রয়টার্স 

ডিপি প্রতিবেদন ২১ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ দিগন্ট পোস্ট

ভোটার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করবেন কীভাবে? ধাপে ধাপে জানুন!

ছবিঃ দিগন্ত পোস্ট

মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন মাত্র ২ মিনিটে!

ছবিঃ ক্যানভা

ফেসবুকে আপনাকে কে সবচেয়ে বেশি দেখে জানার উপায় আছে?

ছবিঃ পিক্সাবেই
ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড দেখার ৫ উপায়

নতুন ফোন কিনেছেন, বা বাসায় মেহমান এসেছেন, আর ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড মনে নেই? রাউটার রিসেট করার দরকার নেই। এই কয়টা উপায় জানলে এক মিনিটেই কাজ হবে। জানুন ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড দেখার উপায়।  ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বেশিরভাগ মানুষ প্রথমেই রাউটার রিসেট দেওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু এই একটা ভুল সিদ্ধান্তে পুরো নেটওয়ার্ক সেটআপ নতুন করে করতে হয়, সময় নষ্ট হয়, মাথা গরম হয়। অথচ ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে সেটা বের করার উপায় একটা না, একাধিক। আর প্রতিটা উপায়ই এত সহজ যে যেকেউ পাঁচ মিনিটেই করতে পারবেন। মাসের পর মাস একই ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন, পাসওয়ার্ড একবার দিয়েছিলেন, ফোন মুখস্থ করে নিয়েছে। তারপর হঠাৎ একদিন নতুন কেউ এলো বাসায়, জিজ্ঞেস করলো "ভাই, ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড কী?" আর আপনি পুরো থ। যে ডিভাইসে আগে থেকে কানেক্টেড আছেন সেটা দিয়েই বের করুন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আপনার নিজের ডিভাইস থেকেই পাসওয়ার্ড দেখে নেওয়া। যে ফোন বা কম্পিউটারে ওয়াই-ফাই আগে থেকে সেভ করা আছে, সেটাতেই লুকিয়ে আছে পাসওয়ার্ড। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে সেটিংসে যান, তারপর Wi-Fi অপশনে ঢুকুন। যে নেটওয়ার্কে কানেক্টেড আছেন সেটার উপর ট্যাপ করুন। নিচে একটা QR কোড দেখাবে। সেই QR কোড স্ক্যান করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি বেরিয়ে আসবে। কিছু অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে Share বাটনে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি টেক্সট আকারেও দেখা যায়। আইফোনের ক্ষেত্রে iOS 16 বা তার পরের ভার্সনে কাজটা আরও সহজ। Settings থেকে Wi-Fi তে যান, কানেক্টেড নেটওয়ার্কের পাশের "i" আইকনে ট্যাপ করুন। Password অপশনে ট্যাপ করলে Face ID বা পাসকোড দিতে বলবে, সেটা দিলেই পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। উইন্ডোজ কম্পিউটার থেকে বের করুন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ওয়াই-ফাই কানেক্টেড থাকলে পাসওয়ার্ড বের করা আরও সরল। Windows 10 বা 11 হলে Control Panel খুলুন। Network and Internet এ যান, তারপর Network and Sharing Center। বাঁদিকে "Change adapter settings" এ ক্লিক করুন। Wi-Fi আইকনে ডাবল ক্লিক করুন, Wireless Properties তে যান, তারপর Security ট্যাব থেকে "Show characters" বক্সে টিক দিন। পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। এছাড়া Command Prompt দিয়েও হয়। Start মেনু থেকে CMD খুলে এই কমান্ড লিখুন: netsh wlan show profile name="আপনার ওয়াই-ফাই নাম" key=clear Key Content এর পাশেই লেখা থাকবে আপনার পাসওয়ার্ড। ম্যাক কম্পিউটার থেকে বের করুন Mac ব্যবহারকারীরা Spotlight দিয়ে "Keychain Access" খুলুন। সেখানে সার্চ বারে আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নাম লিখুন। নেটওয়ার্কটা সিলেক্ট করে "Show Password" এ ক্লিক করুন। Mac পাসওয়ার্ড চাইবে, দিলেই ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। রাউটারের পেছনেও লেখা থাকে অনেকেই এই সহজ কথাটা ভুলে যান। বাসার রাউটারের পেছনে বা নিচে একটা স্টিকার লাগানো থাকে। সেখানে SSID মানে নেটওয়ার্কের নাম এবং Default Password লেখা থাকে। যদি কখনো পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে থাকেন, তাহলে এটাই আসল পাসওয়ার্ড। রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেল থেকেও দেখা যায় যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে 192.168.0.1 অথবা 192.168.1.1 লিখে Enter দিন। রাউটারের লগইন পেজ আসবে। সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দুটোই "admin" হয়। ভেতরে ঢুকলে Wireless Settings বা Wi-Fi Setup অপশনে পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। কিছু জরুরি কথা এই পদ্ধতিগুলো শুধু নিজের নেটওয়ার্কের জন্য। অন্যের ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করা বেআইনি এবং অনৈতিক। বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর ভবিষ্যতে এই ঝামেলায় না পড়তে চাইলে পাসওয়ার্ড একটা নোটবুকে লিখে রাখুন বা ফোনের নোট অ্যাপে সেভ করুন। সাধারণ কিন্তু কার্যকর বুদ্ধি। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়াটা অপরাধ না, এটা মানবিক স্বভাব। কিন্তু এখন থেকে ভুললেও আর চিন্তা নেই।

ডিপি প্রতিবেদন ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ ইন্টারনেট

ভবিষ্যতে মহামারীর পূর্বাভাস দেবে এআই

ফ্রিল্যান্সিং শিখে আয় করা যায়ঃ ছবি- Canva

ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন যেভাবে