গরম শুরু হলেই বাংলাদেশের অনেক পরিবারে একটা সাধারণ সমস্যা দেখা যায়। ছোট বাচ্চার শরীরে ঘামাচি ওঠে, ঘাড় লাল হয়ে যায়, পিঠে ছোট ছোট দানা দেখা দেয়। তখন অনেকে ভাবেন, “তেল দিলে হয়তো শরীর ঠান্ডা থাকবে।” কিন্তু সব তেল বাচ্চার জন্য নিরাপদ না। বিশেষ করে গরমের সময় ভুল তেল ব্যবহার করলে শিশুর ত্বকে জ্বালা, র্যাশ, এমনকি ফাঙ্গাল সংক্রমণও বাড়তে পারে। আর শিশুর যত্নে অবশ্যই জেনে নিবেন গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন তেল ভালো।
শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে বাচ্চাদের ত্বক খুব দ্রুত ঘেমে যায়। তাই ভারী, অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত বা বেশি স্টিকি তেল ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এসব তেল ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ করে দেয়।
বাংলাদেশের আবহাওয়া বিবেচনায় শিশুদের জন্য হালকা, কম কেমিক্যালযুক্ত এবং দ্রুত শোষিত হয় এমন তেল বেশি নিরাপদ বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।
অনেক শিশু বিশেষজ্ঞ ও স্কিন কেয়ার বিশেষজ্ঞের মতে, গরমে হালকা ধরনের তেল ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। বাংলাদেশের আবহাওয়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত তেল এই গরমে শিশুর স্কিনে দারুন প্রভাব ফেলবে তা হল
বাংলাদেশে গরমের সময় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও নিরাপদ তেলের মধ্যে নারিকেল তেল অন্যতম। বিশেষ করে ভার্জিন বা কোল্ড প্রেসড নারিকেল তেল শিশুর ত্বকে তুলনামূলক আরাম দেয়।
ঢাকা মেডিকেলের শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ক চিকিৎসকদের মতে, হালকা নারিকেল তেল অনেক শিশুর ত্বকে শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত চিটচিটে অনুভূতি তৈরি করে না।
গরমে ঘামাচি প্রবণ বাচ্চাদের জন্যও এটি তুলনামূলক ভালো অপশন হিসেবে ধরা হয়।
অনেক মা অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য কিছু ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে অতিরিক্ত গরমে ভারী অলিভ অয়েল কিছু শিশুর ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।
যেসব শিশুর একজিমা বা সেনসিটিভ স্কিন আছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত অলিভ অয়েল ব্যবহার না করাই ভালো।
বাদাম তেলে ভিটামিন ই থাকায় অনেক পরিবার এটি ব্যবহার করে। তবে গরমে বেশি পরিমাণে ব্যবহার করলে ত্বকে ঘাম জমতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করাই নিরাপদ।
বাজারে অনেক ধরনের বেবি অয়েল পাওয়া যায়। কিন্তু সব বেবি অয়েল ভালো না।
শিশু বিশেষজ্ঞরা বলেন, “Paraben Free”, “Mineral Oil Free” এবং “Fragrance Free” লেখা পণ্য বেছে নেওয়া নিরাপদ।
অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত বেবি অয়েল অনেক সময় শিশুর ত্বকে অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে।
বাংলাদেশে আগে বাচ্চাদের গায়ে সরিষার তেল বেশি ব্যবহার করা হতো। কিন্তু আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেল কিছু শিশুর ত্বকে জ্বালা ও র্যাশ বাড়াতে পারে।
বিশেষ করে নবজাতক ও সেনসিটিভ স্কিনের শিশুর ক্ষেত্রে এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে।
অনেক তেলে কৃত্রিম পারফিউম থাকে। এগুলো শিশুর ত্বকে অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে বাচ্চার ত্বকে অতিরিক্ত তেল লাগানোর প্রয়োজন নেই। হালকা করে ম্যাসাজ করলেই যথেষ্ট।তারা বলেন, তেল ব্যবহারের পর দীর্ঘ সময় শিশুকে গরম পরিবেশে রাখা ঠিক না। এতে ঘাম জমে ত্বকের সমস্যা বাড়তে পারে।
গরম শুরু হলেই বাংলাদেশের অনেক পরিবারে একটা সাধারণ সমস্যা দেখা যায়। ছোট বাচ্চার শরীরে ঘামাচি ওঠে, ঘাড় লাল হয়ে যায়, পিঠে ছোট ছোট দানা দেখা দেয়। তখন অনেকে ভাবেন, “তেল দিলে হয়তো শরীর ঠান্ডা থাকবে।” কিন্তু সব তেল বাচ্চার জন্য নিরাপদ না। বিশেষ করে গরমের সময় ভুল তেল ব্যবহার করলে শিশুর ত্বকে জ্বালা, র্যাশ, এমনকি ফাঙ্গাল সংক্রমণও বাড়তে পারে। আর শিশুর যত্নে অবশ্যই জেনে নিবেন গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন তেল ভালো। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে বাচ্চাদের ত্বক খুব দ্রুত ঘেমে যায়। তাই ভারী, অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত বা বেশি স্টিকি তেল ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এসব তেল ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া বিবেচনায় শিশুদের জন্য হালকা, কম কেমিক্যালযুক্ত এবং দ্রুত শোষিত হয় এমন তেল বেশি নিরাপদ বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন তেল সবচেয়ে ভালো অনেক শিশু বিশেষজ্ঞ ও স্কিন কেয়ার বিশেষজ্ঞের মতে, গরমে হালকা ধরনের তেল ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। বাংলাদেশের আবহাওয়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত তেল এই গরমে শিশুর স্কিনে দারুন প্রভাব ফেলবে তা হল নারিকেল তেল বাংলাদেশে গরমের সময় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও নিরাপদ তেলের মধ্যে নারিকেল তেল অন্যতম। বিশেষ করে ভার্জিন বা কোল্ড প্রেসড নারিকেল তেল শিশুর ত্বকে তুলনামূলক আরাম দেয়। ঢাকা মেডিকেলের শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ক চিকিৎসকদের মতে, হালকা নারিকেল তেল অনেক শিশুর ত্বকে শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত চিটচিটে অনুভূতি তৈরি করে না। গরমে ঘামাচি প্রবণ বাচ্চাদের জন্যও এটি তুলনামূলক ভালো অপশন হিসেবে ধরা হয়। অলিভ অয়েল অনেক মা অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য কিছু ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে অতিরিক্ত গরমে ভারী অলিভ অয়েল কিছু শিশুর ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। যেসব শিশুর একজিমা বা সেনসিটিভ স্কিন আছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত অলিভ অয়েল ব্যবহার না করাই ভালো। বাদাম তেল বাদাম তেলে ভিটামিন ই থাকায় অনেক পরিবার এটি ব্যবহার করে। তবে গরমে বেশি পরিমাণে ব্যবহার করলে ত্বকে ঘাম জমতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করাই নিরাপদ। বেবি অয়েল বাজারে অনেক ধরনের বেবি অয়েল পাওয়া যায়। কিন্তু সব বেবি অয়েল ভালো না। শিশু বিশেষজ্ঞরা বলেন, “Paraben Free”, “Mineral Oil Free” এবং “Fragrance Free” লেখা পণ্য বেছে নেওয়া নিরাপদ। অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত বেবি অয়েল অনেক সময় শিশুর ত্বকে অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে। গরমে কোন তেল এড়িয়ে চলা উচিত সরিষার তেল বাংলাদেশে আগে বাচ্চাদের গায়ে সরিষার তেল বেশি ব্যবহার করা হতো। কিন্তু আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেল কিছু শিশুর ত্বকে জ্বালা ও র্যাশ বাড়াতে পারে। বিশেষ করে নবজাতক ও সেনসিটিভ স্কিনের শিশুর ক্ষেত্রে এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে। অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত তেল অনেক তেলে কৃত্রিম পারফিউম থাকে। এগুলো শিশুর ত্বকে অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে বাচ্চার ত্বকে অতিরিক্ত তেল লাগানোর প্রয়োজন নেই। হালকা করে ম্যাসাজ করলেই যথেষ্ট।তারা বলেন, তেল ব্যবহারের পর দীর্ঘ সময় শিশুকে গরম পরিবেশে রাখা ঠিক না। এতে ঘাম জমে ত্বকের সমস্যা বাড়তে পারে।
তীব্র গরমে একটু স্বস্তির খোঁজে অনেকেই এখন সারারাত এসি (AC) চালিয়ে রাখছেন। কিন্তু মাসের শেষে বিদ্যুৎ বিলের ভুতুড়ে কাগজ দেখে সেই স্বস্তি নিমেষেই দুশ্চিন্তায় রূপ নেয়। বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু ট্রিকস বা কৌশলের কথা জানিয়েছেন, যা মেনে চললে এসি চললেও বিদ্যুৎ বিল আসবে অর্ধেক। সঠিক তাপমাত্রা নির্ধারণই আসল ম্যাজিক অনেকেই মনে করেন এসি ১৬ বা ১৮ ডিগ্রিতে চালালে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং বিল কম আসে। এটি একটি ভুল ধারণা। ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি (BEE) অনুযায়ী, এসি ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চালানো সবচেয়ে সাশ্রয়ী। তাপমাত্রা প্রতি ১ ডিগ্রি বাড়ালে প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। তাই ২৪ ডিগ্রিতে এসি চালিয়ে একটি সিলিং ফ্যান হালকা গতিতে ছেড়ে দিন, এতে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে এবং কম্প্রেসরের ওপর চাপ কমবে। টাইমার এবং স্লিপ মোডের ব্যবহার সারারাত এসি চালানোর ক্ষেত্রে ‘স্লিপ মোড’ (Sleep Mode) ব্যবহার করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এই মোড চালু থাকলে প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা অন্তর এসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘরের তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি করে বাড়িয়ে দেয়। এতে রাতের শেষভাগে যখন বাইরের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসে, তখন এসি বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ করে না। এছাড়া ভোররাতের দিকে এসি বন্ধ হওয়ার জন্য ‘টাইমার’ সেট করে রাখতে পারেন, যা আপনার অজান্তেই বিল কমিয়ে আনবে। ঘর যাতে বাইরের বাতাসমুক্ত থাকে এসি চালানোর আগে নিশ্চিত করুন ঘরের জানালা ও দরজা পুরোপুরি বায়ুরোধী বা এয়ারটাইট কি না। ঘরের কোনো ছিদ্র বা জানালার ফাঁক দিয়ে ঠান্ডা বাতাস বাইরে বেরিয়ে গেলে ঘর ঠান্ডা হতে সময় বেশি লাগে, ফলে কম্প্রেসর দীর্ঘক্ষণ চলতে থাকে। জানালার পর্দা টেনে দিলে বাইরের সূর্যের তাপ ঘরে ঢুকতে পারে না, যা এসিকে দ্রুত ঘর ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। নিয়মিত সার্ভিসিং এবং ফিল্টার পরিষ্কার নোংরা ফিল্টার এসির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফিল্টারে ধুলো জমে থাকলে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, ফলে এসিকে ঘর ঠান্ডা করতে দ্বিগুণ শক্তি ব্যয় করতে হয়। প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর এসির ফিল্টার নিজে পরিষ্কার করুন এবং মৌসুমে অন্তত একবার পেশাদার টেকনিশিয়ান দিয়ে সার্ভিসিং করান। পরিষ্কার এসি ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কম বিদ্যুৎ খরচ করে। ইনভার্টার এসি এবং সঠিক স্টার রেটিং আপনার এসি যদি পুরনো মডেলের হয়, তবে সেটি পরিবর্তনের কথা ভাবতে পারেন। আধুনিক ইনভার্টার এসিগুলো ঘর ঠান্ডা হওয়ার পর কম্প্রেসর পুরোপুরি বন্ধ না করে খুব ধীর গতিতে চালায়, যা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সহায়ক। এছাড়া এসি কেনার সময় সবসময় ৫-স্টার রেটিং দেখে কেনা উচিত, কারণ এগুলো কম বিদ্যুৎ খরচে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম। এই সহজ কিন্তু কার্যকর ট্রিকসগুলো মেনে চললে আপনি যেমন প্রাণভরে এসি ব্যবহার করতে পারবেন, তেমনি মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের বড় বোঝা থেকেও রেহাই পাবেন।
তীব্র গরমে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে এয়ার কন্ডিশনার ও ফ্যানের ব্যবহার বেড়ে যায়, যার ফলে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যায় আশঙ্কাজনক হারে। তবে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কিছু সহজ অভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে বিল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নিই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কিছু কার্যকর উপায়। এসি ব্যবহারে বুদ্ধিমত্তা এসি ব্যবহারের সময় তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে না রেখে ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করুন। প্রতি ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়ালে প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। এছাড়া এসি চালানোর সময় হালকা গতিতে ফ্যান চালালে ঘর দ্রুত ঠাণ্ডা হয় এবং এসির ওপর চাপ কম পড়ে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখলে বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই কমে আসে। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ঘর ঠাণ্ডা রাখুন দিনের বেলা, বিশেষ করে দুপুর ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জানালার পর্দা টেনে রাখুন। গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করলে রোদের তাপ ঘরে কম প্রবেশ করে। সন্ধ্যার পর জানালা খুলে দিলে বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে আসবে, ফলে রাতে এসির প্রয়োজন কমবে। এছাড়া ঘরের বাতি বন্ধ রেখে জানালার পর্দা সরিয়ে দিনের প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। ফ্রিজ ব্যবহারে সচেতনতা ফ্রিজ দেয়াল থেকে অন্তত ছয় ইঞ্চি দূরে রাখুন যাতে গরম বাতাস সহজে বের হতে পারে। বারবার ফ্রিজ খোলা থেকে বিরত থাকুন এবং গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে না রেখে ঠাণ্ডা হওয়ার পর রাখুন। গরমকালে ফ্রিজের সেটিংস সামার মোড-এ রাখলে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্লাগ খুলে রাখার অভ্যাস করুন টিভি, ল্যাপটপ চার্জার বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহারের পর শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ করলেও এগুলো সামান্য বিদ্যুৎ খরচ করতে থাকে। তাই কাজ শেষ হওয়া মাত্রই সকেট থেকে প্লাগ খুলে রাখার অভ্যাস করুন। এলইডি বাতি ব্যবহার করুন সাধারণ ফিলামেন্ট বাল্ব বা টিউবলাইটের তুলনায় এলইডি বাতি অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং বেশি আলো দেয়। পুরনো বাতি বদলে এলইডি ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমে আসবে। এই সহজ পদ্ধতিগুলো মেনে চললে গরমকালে বিদ্যুৎ বিলের চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব। ঘরের রং নির্বাচন হালকা রঙের দেয়াল ও ছাদ সূর্যের তাপ কম শোষণ করে। সাদা বা হালকা রঙের পেইন্ট ব্যবহার করলে ঘর তুলনামূলকভাবে ঠাণ্ডা থাকে এবং এসির প্রয়োজন কমে। ছাদে বাগান বা সবুজায়ন ছাদে টবে গাছ লাগালে বা ছাদ বাগান করলে ঘরের তাপমাত্রা কমে আসে। গাছপালা সূর্যের তাপ শোষণ করে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। পুরনো যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন পুরাতন এসি, ফ্রিজ বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। আধুনিক এনার্জি সেভিং মডেল কিনলে দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমে। গিজার ও ওয়াটার হিটার ব্যবহার কমান গরমকালে গরম পানির প্রয়োজন কম থাকে। গিজার বন্ধ রাখুন এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন। রান্নাঘরে সাবধানতা চুলা বা ওভেন ব্যবহারের পর রান্নাঘরের দরজা-জানালা খুলে রাখুন যাতে তাপ বের হয়ে যায়। মাইক্রোওয়েভ বা প্রেশার কুকার ব্যবহার করলে কম সময় ও কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। কাপড় শুকানোর পদ্ধতি ড্রায়ার মেশিন ব্যবহার না করে প্রাকৃতিকভাবে রোদে কাপড় শুকান। গরমে কাপড় দ্রুত শুকায়। স্মার্ট মিটার ও টাইমার ব্যবহার স্মার্ট মিটার ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়। এসিতে টাইমার সেট করে নির্দিষ্ট সময় পর অটো বন্ধ হওয়ার ব্যবস্থা রাখুন। ঘরের ভেন্টিলেশন উন্নত করুন ক্রস ভেন্টিলেশনের জন্য জানালা এমনভাবে খুলুন যাতে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে। এক্সহস্ট ফ্যান ব্যবহার করে গরম বাতাস বের করে দিন। অফ-পিক আওয়ারে কাজ করুন ইস্ত্রি, ওয়াশিং মেশিন বা ডিশ ওয়াশারের মতো ভারী যন্ত্র রাতে বা সকালে ব্যবহার করুন যখন লোডশেডিং কম থাকে। এই উপায়গুলো অনুসরণ করলে গরমকালে বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .