দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিলও স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও দর কমল।
২২ ক্যারেট - ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, ২১ ক্যারেট - ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ২ লাখ ২০০ টাকা ১৩ টাকা ,, সনাতন পদ্ধতি - ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
২২ ক্যারেট - ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট - ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ৪ হাজার ৪৯১ টাকা , সনাতন পদ্ধতি - ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩২ বার বেড়েছে, আর ২৫ বার কমেছে। গত বছর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ে এবং ২৯ বার কমে। দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর আগামী দিনের দর নির্ভর করবে।
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে গত ২৩ এপ্রিলও স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও দর কমল। আজকের স্বর্ণের নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট - ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, ২১ ক্যারেট - ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ২ লাখ ২০০ টাকা ১৩ টাকা ,, সনাতন পদ্ধতি - ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। রুপার নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট - ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট - ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ৪ হাজার ৪৯১ টাকা , সনাতন পদ্ধতি - ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা বছরে কতবার বদলাল দাম চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩২ বার বেড়েছে, আর ২৫ বার কমেছে। গত বছর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ে এবং ২৯ বার কমে। দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর আগামী দিনের দর নির্ভর করবে।
চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৮ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ১ হাজার ৯৬৮ মিলিয়ন (১.৯৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধি ১৬.২ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৫ সালের এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৬৯৪ মিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় এ বছর প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার গতি বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুধু এপ্রিল মাসেই নয়, চলতি পুরো অর্থবছরেই (২০২৫-২৬) রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের শুরু (জুলাই) থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২৮ হাজার ১৭৭ মিলিয়ন (২৮.১৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ২৩ হাজার ৪৭৯ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয়ের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিও বেশ আশাব্যঞ্জক।
দেশের অর্থনীতিতে রাজস্ব আদায়ের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে আবারও পরোক্ষ কর বা ভ্যাটের ওপরই ভরসা রাখতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শুধু ভ্যাট খাত থেকেই ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা আদায়ের একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্যমাত্রা মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক। মূলত আইএমএফ-এর ঋণের শর্ত পূরণ এবং রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতেই সরকার এই বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত এই বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান তৈরি এবং বর্তমানের প্রধান সমস্যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী বাজেটের আকার প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে আগামী অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে আয়কর থেকে ২ লাখ ২২ হাজার কোটি এবং শুল্ক খাত থেকে ৬৭ হাজার কোটি টাকা আসার কথা। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও কর আদায় না হওয়ায়, আগামী বছরের এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য অর্জন করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .