ভারি বৃষ্টি নামলেই অনেকের মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘোরে “আজ ছাতা নেব, নাকি রেইনকোট?” বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এই ছোট্ট সিদ্ধান্তটাই কখনো বড় ঝামেলা বাঁচায়, আবার কখনো পুরো দিনটাই ভিজিয়ে দেয়।
শহরের রাস্তায় দেখা যায় মজার এক দৃশ্য। কেউ মাথার ওপর বিশাল ছাতা ধরে যুদ্ধ করছেন বাতাসের সঙ্গে, আবার কেউ রেইনকোট পরে আরামে হাঁটছেন। তবে দুটোরই আছে আলাদা সুবিধা আর ঝামেলা। তবে মজার বিষয় হলো অনেকের কাছে ছাতা কিংবা রেইনকোট কোনোটিই নেই।
ভারি বৃষ্টিতে বেশিরভাগ মানুষ এখন রেইনকোটকেই বেশি ভরসা করেন। কারণ, বাতাস এলেও শরীর কম ভেজে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক বা যারা নিয়মিত বাইরে থাকেন, তাদের কাছে রেইনকোট যেন “বর্ষার বর্ম”। দুই হাত ফাঁকা থাকে, হাঁটাচলাও সহজ হয়।
তবে রেইনকোট পরলেই যে সব সমস্যার শেষ, তা নয়। অনেকেই বলেন, “ভাই, রেইনকোট পরলে মনে হয় ভেতরে আলাদা একটা গরমের সিজন শুরু হয়!” বিশেষ করে গরম আর আর্দ্র আবহাওয়ায় দীর্ঘ সময় রেইনকোট পরে থাকাটা বেশ অস্বস্তিকর।
অন্যদিকে ছাতার আলাদা একটা “ক্লাসিক” আবেদন আছে। অফিসগামী মানুষ থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী অনেকেই এখনও ছাতাকেই প্রথম পছন্দ বলেন। কারণ, এটা ব্যবহার করা সহজ, গরমও কম লাগে। আবার বৃষ্টি থেমে গেলে গুটিয়ে হাতে নিয়েই হাঁটা যায়।
কিন্তু সমস্যা হলো, একটু বাতাস হলেই ছাতা উল্টে যায়। তখন রাস্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে ছাতার সঙ্গে যে যুদ্ধ শুরু হয়, সেটা আশপাশের মানুষও মজা নিয়ে দেখে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিতে ছাতা যথেষ্ট। তবে ঝড়ো হাওয়া আর টানা ভারি বৃষ্টিতে রেইনকোট বেশি কার্যকর।
মজার বিষয় হলো, এখন অনেকেই “সেফ সাইডে” থাকতে দুটোই ব্যবহার করেন। ব্যাগে ছোট ছাতা, গায়ে রেইনকোট মানে বৃষ্টি যতই চালাকি করুক, ভেজানোর সুযোগ কম!
শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা অনেকটাই অভ্যাস আর প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। কেউ বলেন, “ছাতা ছাড়া বৃষ্টি জমে না”, আবার কেউ মনে করেন, “রেইনকোটই আসল লাইফ সেভার!”
ভারি বৃষ্টি নামলেই অনেকের মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘোরে “আজ ছাতা নেব, নাকি রেইনকোট?” বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এই ছোট্ট সিদ্ধান্তটাই কখনো বড় ঝামেলা বাঁচায়, আবার কখনো পুরো দিনটাই ভিজিয়ে দেয়। শহরের রাস্তায় দেখা যায় মজার এক দৃশ্য। কেউ মাথার ওপর বিশাল ছাতা ধরে যুদ্ধ করছেন বাতাসের সঙ্গে, আবার কেউ রেইনকোট পরে আরামে হাঁটছেন। তবে দুটোরই আছে আলাদা সুবিধা আর ঝামেলা। তবে মজার বিষয় হলো অনেকের কাছে ছাতা কিংবা রেইনকোট কোনোটিই নেই। ভারি বৃষ্টিতে বেশিরভাগ মানুষ এখন রেইনকোটকেই বেশি ভরসা করেন। কারণ, বাতাস এলেও শরীর কম ভেজে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক বা যারা নিয়মিত বাইরে থাকেন, তাদের কাছে রেইনকোট যেন “বর্ষার বর্ম”। দুই হাত ফাঁকা থাকে, হাঁটাচলাও সহজ হয়। তবে রেইনকোট পরলেই যে সব সমস্যার শেষ, তা নয়। অনেকেই বলেন, “ভাই, রেইনকোট পরলে মনে হয় ভেতরে আলাদা একটা গরমের সিজন শুরু হয়!” বিশেষ করে গরম আর আর্দ্র আবহাওয়ায় দীর্ঘ সময় রেইনকোট পরে থাকাটা বেশ অস্বস্তিকর। অন্যদিকে ছাতার আলাদা একটা “ক্লাসিক” আবেদন আছে। অফিসগামী মানুষ থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী অনেকেই এখনও ছাতাকেই প্রথম পছন্দ বলেন। কারণ, এটা ব্যবহার করা সহজ, গরমও কম লাগে। আবার বৃষ্টি থেমে গেলে গুটিয়ে হাতে নিয়েই হাঁটা যায়। কিন্তু সমস্যা হলো, একটু বাতাস হলেই ছাতা উল্টে যায়। তখন রাস্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে ছাতার সঙ্গে যে যুদ্ধ শুরু হয়, সেটা আশপাশের মানুষও মজা নিয়ে দেখে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিতে ছাতা যথেষ্ট। তবে ঝড়ো হাওয়া আর টানা ভারি বৃষ্টিতে রেইনকোট বেশি কার্যকর। মজার বিষয় হলো, এখন অনেকেই “সেফ সাইডে” থাকতে দুটোই ব্যবহার করেন। ব্যাগে ছোট ছাতা, গায়ে রেইনকোট মানে বৃষ্টি যতই চালাকি করুক, ভেজানোর সুযোগ কম! শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা অনেকটাই অভ্যাস আর প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। কেউ বলেন, “ছাতা ছাড়া বৃষ্টি জমে না”, আবার কেউ মনে করেন, “রেইনকোটই আসল লাইফ সেভার!”
গরমের শুরুতেই দেশজুড়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তি এখন চরমে। এই সংকট মোকাবিলায় গৃহস্থালি ও ছোট অফিসের জন্য অনেকেই বিকল্প খুঁজছেন। তবে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতে আইপিএস (IPS) ভালো হবে নাকি সোলার (Solar) সিস্টেম? কোনটি দীর্ঘমেয়াদে বেশি লাভজনক? খরচ ও সুবিধার নিরিখে এক তুলনামূলক বিশ্লেষণ। সারা বিশ্বের এমন উদ্বিগ্ন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের কোথাও দেখা যাচ্ছে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এই সময়টিতে নিজের ডিভাইস গুলোকে অবশ্যই চারজিং করার জন্য প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এমনকি অতিরিক্ত গরমে মানুষ চায় অন্ততপক্ষে একটু ফ্যানের বাতাস খেয়ে ঠান্ডা থাকতে। আর এই তীব্র লোডশেডিং এ বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে এই দুটি সমাধানে বেশি ব্যবহৃত। তবে কোনটি আপনার জন্য সুবিধা জনক? আইপিএস: তাৎক্ষণিক সমাধান, কিন্তু নির্ভরশীলতা বিদ্যুতেই আমাদের দেশে আইপিএস সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধান। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো প্রাথমিক খরচ অনেক কম। একটি সাধারণ মানের আইপিএস ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যেই সেটআপ করা সম্ভব। তবে এর বড় সীমাবদ্ধতা হলো এটিও মূল বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। আইপিএস মূলত ব্যাটারিতে বিদ্যুৎ জমিয়ে রাখে। যখন দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং হয়, তখন আইপিএস চার্জ হওয়ার পর্যাপ্ত সময় পায় না। ফলে ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে এবং বিদ্যুৎ বিলও কিছুটা বেড়ে যায়। এছাড়া প্রতি দুই-তিন বছর অন্তর ব্যাটারি পরিবর্তন করতে গিয়ে বড় অঙ্কের একটি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ পকেটে চাপে। সোলার: শুরুতে খরচ বেশি, ভবিষ্যতে নিশ্চিন্ত সোলার সিস্টেম বা সৌরবিদ্যুৎ এখন আধুনিক ও দীর্ঘমেয়াদী সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে অনেকে ব্যাবহার করছেন।ঙ্সোকারন লার প্যানেল দিনের বেলায় সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে এবং ব্যাটারি চার্জ করে। অর্থাৎ, দীর্ঘ সময় কারেন্ট না থাকলেও আপনার ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ে না। সোলারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো একবার সেটআপ করলে আগামী ২০ থেকে ২৫ বছর প্যানেল নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা থাকে না। আইপিএসের তুলনায় সোলারে আপনার মাসিক বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে। বর্তমানে উন্নত মানের লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করায় এর স্থায়িত্বও অনেক বেড়েছে। তবে এর প্রাথমিক খরচ আইপিএসের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি হতে পারে। কোনটি বেশি লাভজনক? আপনি যদি শুধুমাত্র ফ্যান ও লাইট চালানোর জন্য সাময়িক সমাধান চান, তবে আইপিএস সাশ্রয়ী মনে হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের কথা ভাবেন, তবে সোলার অনেক বেশি লাভজনক। একটি তুলনামূলক হিসাব: আইপিএস: প্রাথমিক খরচ কম হলেও প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় এবং ২ বছর পর পর ব্যাটারি বদলাতে হয়। ৫-৭ বছরের হিসাবে এটি সোলারের চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়ায়। সোলার: শুরুতে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন হলেও মাসে মাসে কোনো বিল নেই। ৫ বছরের মধ্যে আপনার প্রাথমিক বিনিয়োগের টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের মাধ্যমে উঠে আসে। পরবর্তী ১৫-২০ বছর আপনি কার্যত ফ্রিতে বিদ্যুৎ সেবা পান। আপনার জন্য পরামর্শ জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে সোলার সিস্টেমে শিফট হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। যারা ঢাকার মতো শহরগুলোতে অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, তারা চাইলে পোর্টেবল সোলার প্যানেল বা হাইব্রিড ইনভার্টার ব্যবহার করতে পারেন। আর যাদের নিজস্ব ছাদ ব্যবহারের সুযোগ আছে, তাদের জন্য সোলারই সেরা পছন্দ। পরিশেষে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার বাজেট এবং দৈনিক কত সময় বিদ্যুতের ব্যাকআপ প্রয়োজন তা যাচাই করে নিন। বাজেট একটু বেশি হলে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সোলার প্যানেল লাগানোই হবে সবচেয়ে টেকসই এবং স্মার্ট সিদ্ধান্ত।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .