মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন মাত্র ২ মিনিটে!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ | দুপুর ১২:২৯
ছবিঃ দিগন্ত পোস্ট
ছবিঃ দিগন্ত পোস্ট

আজকাল আইডি কার্ড ছাড়া কোনো কাজই চলে না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি কাজ—সবখানেই এনআইডি লাগে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন হঠাৎ এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় অথচ কার্ডটি সাথে থাকে না। এই বিপদে পড়লে আপনি কিন্তু চাইলে নিজের ফোন দিয়েই মাত্র ২-৩ মিনিটে মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম

শুরুতেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি পোর্টালে (services.nidw.gov.bd) যেতে হবে। সেখানে 'রেজিস্ট্রেশন' অপশনে ক্লিক করে আপনার ভোটার স্লিপের নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি দিতে হবে। এরপর আপনার জন্ম তারিখটা সঠিকভাবে বসিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া তথ্যগুলো যেন আপনার ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্যের সাথে একদম মিলে যায়।

পরের ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বাছাই করার পর আপনার মোবাইলে একটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি এখানে ব্যবহার করাই ভালো। মোবাইলে আসা কোডটি পোর্টালে বসিয়ে দিলেই আপনি অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পরের ধাপে যেতে পারবেন।

এই পর্যায়ে এসে আপনাকে 'ফেস ভেরিফিকেশন' বা মুখ যাচাই করতে হবে। এর জন্য আপনার ফোনে আগে থেকে 'NID Wallet' নামের অ্যাপটি নামিয়ে রাখতে হবে। ব্রাউজারের কিউআর কোডটি ওই অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলেই আপনার ক্যামেরা চালু হবে। এরপর ক্যামেরার সামনে আপনার মুখটা একবার সোজা, একবার ডানে এবং একবার বামে ঘুরালে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাবে।

ভেরিফিকেশন হয়ে গেলেই আপনি আপনার প্রোফাইলে ঢুকে পড়বেন। সেখানে আপনার ছবি ও নাম দেখা যাবে। প্রোফাইলের নিচের দিকে একটা 'ডাউনলোড' লেখা অপশন পাবেন। এই ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের আসল কপিটি ডাউনলোড হয়ে যাবে।

এরপরে এটি আপনি যেকোনো দোকান থেকে প্রিন্ট করে সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। এখন আর এনআইডির কপি পাওয়ার জন্য মেম্বার বা নির্বাচন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করার কোনো ঝামেলাই নেই। ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আপনি যখন-তখন আপনার পরিচয়পত্র বের করে নিতে পারছেন। 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

প্রযুক্তি থেকে আরো

আরো দেখুন
ছবিঃ দিগন্ট পোস্ট
ভোটার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করবেন কীভাবে? ধাপে ধাপে জানুন!

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডের ছবি অনেক আগের হওয়ায় অনেকেরই বর্তমান চেহারার সাথে তা মেলে না। আবার অনেক সময় ছবি অস্পষ্ট আসার কারণে বিভিন্ন জায়গায় ভেরিফিকেশনে সমস্যায় পড়তে হয়। তবে চিন্তার কিছু নেই, আপনি চাইলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে আপনার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করে নিতে পারেন। এই কাজটি কীভাবে করবেন তা নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো। ভোটার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করার নিয়ম ছবি পরিবর্তনের জন্য প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। যদি আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট করা থাকে, তবে আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। লগইন করার পর আপনার প্রোফাইলে গিয়ে 'সংশোধন' বাটনে ক্লিক করতে হবে। এখানে মনে রাখা ভালো যে, ছবি পরিবর্তনের আবেদনটি অনলাইনে শুরু করা গেলেও এটি পুরোপুরি শেষ করতে আপনাকে সশরীরে অফিসে যেতে হতে হবে।  অনলাইনে সংশোধনের ফরমে আপনি ছবি পরিবর্তনের অপশনটি সিলেক্ট করবেন। এই পর্যায়ে আপনাকে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র আপলোড করতে হতে পারে। সাধারণত বর্তমান ছবি পরিবর্তনের জন্য আপনার বর্তমান চেহারার সাথে মিল আছে এমন কোনো প্রমাণপত্র, যেমন পাসপোর্ট বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের কপি স্ক্যান করে জমা দিতে হয়। এরপর সরকারি নির্ধারিত ফি বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে জমা দিয়ে আবেদনের অনলাইন ধাপটি শেষ করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি দিনক্ষণ দেখে আপনার নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। কারণ ছবি যেহেতু একটি বায়োমেট্রিক তথ্য, তাই এটি অনলাইনের মাধ্যমে নিজে নিজে পরিবর্তন করা যায় না। অফিসে যাওয়ার সময় আপনার সাথে আবেদনের অনলাইন কপির প্রিন্ট কপি এবং অরিজিনাল এনআইডি কার্ডটি নিয়ে যাবেন। নির্বাচন অফিসে যাওয়ার পর দায়িত্বরত কর্মকর্তা আপনার তথ্যগুলো যাচাই করবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তারা ডিজিটাল ক্যামেরার মাধ্যমে আপনার নতুন ছবি তুলে নেবেন এবং আপনার আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট পুনরায় গ্রহণ করবেন। এই নতুন ছবিই আপনার পরবর্তী এনআইডি কার্ডে যুক্ত করা হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কিছুদিন পর আপনার মোবাইলে একটি মেসেজ আসবে যে আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে। তখন আপনি অনলাইন থেকে নতুন ছবির এনআইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে একটু সময় লাগলেও আপনার পরিচয়পত্রের ছবি একদম আপ-টু-ডেট হয়ে যাবে, যা পরবর্তী সব ধরণের ভেরিফিকেশনে আপনাকে সাহায্য করবে।

অনলাইন ডেস্ক ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ দিগন্ত পোস্ট

মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন মাত্র ২ মিনিটে!

ছবিঃ ক্যানভা

ফেসবুকে আপনাকে কে সবচেয়ে বেশি দেখে জানার উপায় আছে?

ছবিঃ পিক্সাবেই

ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড দেখার ৫ উপায়

ছবিঃ ইন্টারনেট
ভবিষ্যতে মহামারীর পূর্বাভাস দেবে এআই

কোভিড-১৯ মহামারীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর বিশ্বজুড়ে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে বিজ্ঞানীদের মাথায়। পরের মহামারী আসার আগেই কি আমরা সতর্ক হতে পারব? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার মাঠে নামছে ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর। এর ফলে ভবিষ্যতে মহামারীর পূর্বাভাস দেবে এআই।  ন্যাশনাল ওয়ান হেলথ মিশনের আওতায় সংস্থাটি চালু করছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোগজীবাণু নজরদারি সরঞ্জাম, যা নিপাহ, জিকা, করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতি থেকে শুরু করে অ্যানথ্রাক্স ও কালাজ্বরের মতো রোগের হুমকিও আগেভাগে শনাক্ত করতে পারবে। বিশেষ বিষয় হলো, এটি কেবল হাসপাতালের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে না — একসঙ্গে বিশ্লেষণ করবে পশুপালনের স্বাস্থ্য তথ্য, বৃষ্টিপাত, বন্যা ও মশার ঘনত্বের মতো পরিবেশগত সূচকও। কারণ বিশ্বে যত নতুন সংক্রামক রোগ আসে, তার প্রায় ৬০ শতাংশই পশু থেকে মানুষে ছড়ায়  কোভিড, নিপাহ, বার্ড ফ্লু সবই তার প্রমাণ। তবে আইসিএমআর একা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্যান্ডেমিক ইন্টেলিজেন্স হাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসিও একই লক্ষ্যে কাজ করছে। ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ইতিমধ্যে এমন একটি অ্যালগরিদম তৈরি করেছেন যা সিডিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দশ সপ্তাহ আগেই ভেরিয়েন্টের আধিপত্য পূর্বাভাস দিতে সক্ষম হয়েছে। আইসিএমআরের এই এআই সরঞ্জামটি মূলত কাজ করে বিচ্ছিন্ন তথ্যগুলোকে একই ছাদের নিচে এনে। হাসপাতালের রোগী ভর্তির তথ্য, ল্যাবরেটরির পরীক্ষার ফলাফল, পশুপালন বিভাগের রিপোর্ট, আবহাওয়ার তথ্য এবং এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া উপসর্গ-সংক্রান্ত পোস্ট এই সব ধরনের তথ্য একসঙ্গে প্রতিনিয়ত বিশ্লেষণ করে সরঞ্জামটি। একটি নির্দিষ্ট এলাকায় হঠাৎ জ্বর-কাশির রোগী বাড়লে, একই সময়ে সেখানকার পোলট্রি ফার্মে অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে এবং আবহাওয়ায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে এই তিনটি সংকেত আলাদাভাবে হয়তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে না, কিন্তু একসঙ্গে বিশ্লেষণ করলে এটি একটি বড় বিপদের আভাস হতে পারে। এআই ঠিক এই কাজটাই করে প্যাটার্ন খোঁজে, অস্বাভাবিকতা ধরে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে। মানব বিশেষজ্ঞের পক্ষে এত বিপুল ও বিচ্ছিন্ন তথ্য একই সময়ে প্রক্রিয়া করা সম্ভব নয়, কিন্তু এআই সেটি করতে পারে রিয়েল-টাইমে । এটাই এই প্রযুক্তির মূল শক্তি। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তথ্যের ঘাটতি। বিভিন্ন দেশ স্বাস্থ্য তথ্য ভাগ করতে অনিচ্ছুক, বিভিন্ন বিভাগের ডেটার ফরম্যাট আলাদা  এই প্রতিবন্ধকতা না কাটলে সেরা মডেলও অকেজো। বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক, কারণ প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের ভারতের সঙ্গে যাতায়াত এবং নিপাহ ও ডেঙ্গুর মতো রোগের নিয়মিত প্রকোপ মিলিয়ে দেশটি সবসময়ই ঝুঁকির কাছাকাছি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই-চালিত আঞ্চলিক নজরদারি নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের যোগ দেওয়াটা এখন আর শুধু সুযোগ নয় , এটি এখন অপরিহার্য।

ডিপি প্রতিবেদন ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ 0
ফ্রিল্যান্সিং শিখে আয় করা যায়ঃ ছবি- Canva

ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন যেভাবে