সর্বশেষ

সোমবার থেকে শুরু হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা, মক্কায় রেকর্ডসংখ্যক মুসল্লির ভিড়
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ২৪ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:২১ 0

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে সোমবার, তবে এরই মধ্যে গত বছরের মোট বিদেশি হজযাত্রীর রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে এবারের হজ। পবিত্র মক্কা ও মদিনায় এখন পর্যন্ত বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসা ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী পৌঁছেছেন এবং এই সংখ্যা প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে সৌদি আরবের পাসপোর্ট অধিদপ্তরের হজ কমান্ডিং অফিসার সালেহ আল-মোরাব্বাহ এই চমৎকার খবরটি জানান। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এখন পর্যন্ত মোট ১৫ লাখ ১৮ হাজার ১৫৩ জন বিদেশি হজযাত্রী নিরাপদে সৌদি আরবে এসে পৌঁছেছেন। আগামী সোমবার (২৫ মে) ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে অবস্থানের মাধ্যমে পালিত হবে হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা প্রধান রোকন। যেহেতু এখনো দুদিন সময় বাকি, তাই এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছর (২০২৫ সালে) সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩২০ জন হজ করেছিলেন, যার মধ্যে বিদেশি ছিলেন ১৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ জন। আর এবার মূল হজ শুরুর আগেই সেই সংখ্যা পার হয়ে যাওয়ায় এবারের হজ আয়োজন গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও বিশাল পরিসরের হতে যাচ্ছে। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের থাকা-খাওয়া, স্বাস্থ্যসেবা ও যাতায়াত সামলানো সৌদি প্রশাসনের জন্য একটি বিশাল লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ হলেও, সাধারণ মুসলিমদের জন্য বিশ্বের নানা প্রান্তের এত মানুষের এক হওয়াটা দারুণ এক আধ্যাত্মিক শান্তির বিষয়। এত বড় আয়োজনে লাখো মানুষের নিরাপত্তা যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য রীতিমতো নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে হজের পবিত্র স্থানগুলোকে। বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল মনসুর বিন নাসের আল-ফায়েজ এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে থাকা বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম ঘুরে দেখেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হাজিদের সেবায় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো এবার শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। বিভিন্ন সেবামূলক সংস্থাগুলোর মধ্যে এবার চমৎকার বোঝাপড়া ও সমন্বয় রয়েছে। এর ফলে আল্লাহর মেহমানরা কোনো রকম কষ্ট বা হয়রানি ছাড়া, সম্পূর্ণ নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ইবাদত পালন করে নিজ নিজ দেশে ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পাসপোর্টে ‘একসেপ্ট ইসরায়েল’ ফেরানোর ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, টাকার নোটেও আসছে চমক
নিজস্ব প্রতিবেদক ২৪ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:১৩ 0

বাংলাদেশের নতুন পাসপোর্টে আবারও ফিরে আসছে ‘একসেপ্ট ইসরায়েল’  লেখাটি। এর পাশাপাশি অতীত সরকারের ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ছবির বদলে পাসপোর্টের পাতায় দেশের জাতীয় ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান এবং টাকার নোটে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি যুক্ত করার বড় ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার (২৪ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। নতুন পাসপোর্টগুলো আগের মতোই ‘একসেপ্ট ইসরায়েল’ শর্ত যুক্ত করেই তৈরি করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত হওয়ার পাশাপাশি এ দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদাও ছিল বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ফিলিস্তিনের প্রতি এ দেশের সাধারণ মানুষের গভীর আবেগ ও সহানুভূতি রয়েছে। অতীতে পাসপোর্ট থেকে ইসরায়েল ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার কথাটি মুছে ফেলার পর জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। এবার সেটি ফিরিয়ে আনার ঘোষণায় সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরবে এবং ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান আবারও বিশ্বদরবারে স্পষ্ট হবে। অন্যদিকে, দেশের পাসপোর্ট বা টাকার নোট কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়, এগুলো পুরো দেশের পরিচয় বহন করে। সেখানে কোনো বিশেষ ব্যক্তির ছবির বদলে আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ কিংবা কক্সবাজারের মতো দর্শনীয় স্থানগুলোর ছবি যুক্ত করার সিদ্ধান্তটি দেশের মানুষের জাতীয়তাবোধকে আরও এক করবে। এটি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের একটি সুন্দর ও দলনিরপেক্ষ প্রতিচ্ছবি তুলে ধরতে বড় ভূমিকা রাখবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, বিগত সরকারের আমলে পাসপোর্টের ভিসা পেজগুলোতে এমন কিছু ব্যক্তিকেন্দ্রিক ছবি রাখা হয়েছিল, যা দেশের বেশিরভাগ মানুষের সংস্কৃতি বা চিন্তার সঙ্গে একেবারেই যায় না। সবকিছু রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাজানো হয়েছিল। নতুন পাসপোর্টে সেই রাজনৈতিক প্রভাব পুরোপুরি মুছে ফেলা হবে। সেখানে জাতীয় স্মৃতিসৌধ, টাঙ্গুয়ার হাওর এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের মতো বিষয়গুলো খুব সুন্দর ও নির্মোহভাবে ফুটিয়ে তোলা হবে। এছাড়া দেশের টাকার নোটে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি যুক্ত করার বিষয়টি মূলত অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজ হলেও, সরকার যে সেদিকেই এগোচ্ছে, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। জাতীয় কোনো বিষয়ে আর কোনো দলীয় চিন্তার ছাপ থাকবে না বলে জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদলের সঞ্চালনায় রোববারের এই সংলাপে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

ঈদের ছুটির আগে ঢাকা পল্লী বিদ্যুতের জরুরি বার্তা, আজ বিল না দিলে গুনতে হবে জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক ২৩ মে, ২০২৬ | দুপুর ১২:২৭ 0

কোরবানির ঈদের টানা ছুটি শুরু হওয়ার আগেই জরিমানা ছাড়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার জন্য গ্রাহকদের আজ শনিবারের (২৩ মে) মধ্যে বিল জমা দেওয়ার জরুরি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪। সাধারণ গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও সব সরকারি অফিস ও ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এই তথ্য জানিয়েছে। আমাদের পোর্টালের নিজস্ব বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোরবানির ঈদের আগে সাধারণ মানুষের হাতে এমনিতেই পশু কেনা বা আনুষঙ্গিক অনেক বাড়তি খরচ থাকে। এর মধ্যে ঈদের টানা ছুটির ফাঁদে পড়ে যদি বিল দেওয়ার সময় পার হয়ে যায়, তবে ঈদের পর বাড়তি জরিমানা বা ‘এলপিসি’ (লেট পেমেন্ট চার্জ) দেওয়াটা সাধারণ ও নিম্ন-আয়ের গ্রাহকদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণ মানুষের এই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতি ও ছুটির পরের ভোগান্তি কমাতেই মূলত কর্তৃপক্ষ এই আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তাদের বার্তায় খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যেসব গ্রাহকের চলতি মাসের বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার শেষ তারিখ ২৩ মে (আজ), তাদের অবশ্যই আজকের মধ্যে বিলের টাকা জমা দিতে হবে। যেহেতু আজ ব্যাংক ও অফিস খোলা থাকছে, তাই সরাসরি গিয়ে বিল জমা দিতে কোনো সমস্যা হবে না। এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমেও ঘরে বসে সহজে বিল দেওয়া যাবে। কিন্তু কেউ যদি আজকের মধ্যে বিল দিতে না পারেন, তবে নিয়মানুযায়ী ঈদের পর বিলের মূল টাকার সঙ্গে বাড়তি জরিমানার টাকাও যোগ হবে। তাই ঈদের ছুটির আনন্দে যেন বাড়তি খরচের চিন্তা যুক্ত না হয়, সেজন্য কোনো রকম ঝামেলা এড়িয়ে আজই বিল মিটিয়ে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সাপে কাটা রোগীদের জন্য বড় সুখবর: এবার হাতের কাছেই মিলবে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ
নিজস্ব প্রতিবেদক ২৩ মে, ২০২৬ | দুপুর ১২:১৫ 0

বর্ষা মৌসুমে সাপে কাটা রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে এবার বড় ও কার্যকরী একটি উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে সাপে কাটলে চিকিৎসার জন্য সাধারণ মানুষকে আর দূরের শহরে ছুটতে হবে না, বরং গ্রাম বা উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালেই খুব সহজে পাওয়া যাবে সাপের বিষের প্রতিষেধক বা ‘অ্যান্টিভেনম’। আগামী বর্ষা মৌসুমের বিপদের কথা মাথায় রেখে জরুরি ভিত্তিতে দেশের প্রতিটি জেলার জন্য ৩০ ভায়াল করে অ্যান্টিভেনম বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা থেকে দেশের সব সিভিল সার্জনকে এই বিষয়ে একটি জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন তৌহিদুল আনোয়ার। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, জেলা সিভিল সার্জনরা তাদের এলাকার উপজেলা হাসপাতালগুলোর দরকার ও পরিস্থিতি বুঝে এই ওষুধগুলো ভাগ করে দেবেন। দেশে সাপে কাটার ঘটনাগুলো মূলত গ্রাম বা চরাঞ্চলেই বেশি ঘটে। কিন্তু এর জীবনরক্ষাকারী প্রতিষেধক 'অ্যান্টিভেনম' এতদিন শুধু শহরের বড় হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজগুলোতেই মজুত থাকত। ফলে সাপে কাটার পর দুর্গম গ্রাম থেকে একজন রোগীকে শহরে নিতে নিতেই পথিমধ্যে তার মৃত্যু হতো। সরকারের নতুন এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ কৃষিজীবী ও গ্রামের মানুষ এখন নিজেদের হাতের কাছেই দ্রুত চিকিৎসা পাবেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, সাপে কাটার পর যত দ্রুত অ্যান্টিভেনম দেওয়া যায়, রোগীর বেঁচে ফেরার সম্ভাবনা তত বেড়ে যায়। তাই মাঠপর্যায়ে এই ওষুধের সহজলভ্যতা সাপে কাটা রোগীদের মৃত্যুর হার জাদুকরীভাবে কমিয়ে আনবে। ওষুধগুলো দ্রুত সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সিভিল সার্জনদের আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিনিধি পাঠিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (সিএমএসডি) থেকে এই অ্যান্টিভেনম সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। তবে এই জীবনরক্ষাকারী ওষুধের গুণগত মান যাতে কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, সেজন্য সম্পূর্ণ শীতলীকরণ প্রক্রিয়া বা ‘কোল্ড চেইন’ মেনে এটি নিয়ে যাওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ঢাকা পোস্টে ‘সাপে কাটে গ্রামে, অ্যান্টিভেনম থাকে শহরে; মৃত্যু হয় পথেই’ শিরোনামে একটি বিশেষ খবর প্রকাশের পরই বিষয়টি সরকারের নজরে আসে। এরপর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষ করে এই সংকট কাটাতে সরাসরি মাঠপর্যায়ে প্রতিষেধক পৌঁছানোর চমৎকার এই নির্দেশ দেয় সরকার।

কোথায় ১ কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার?
বিনোদন ডেস্ক ২৩ মে, ২০২৬ | দুপুর ১২:৭ 0

বলিউডের ‘খিলাড়ি’ অক্ষয় কুমার যে শুধু সিনেমার পর্দায় অ্যাকশন হিরো নন, বাস্তব জীবনেও তিনি একজন সত্যিকারের বড় মনের মানুষ, তার প্রমাণ মিলল আরও একবার। কাশ্মীরের এক দুর্গম সীমান্তবর্তী গ্রামের ভাঙাচোরা সরকারি স্কুলকে অত্যাধুনিক রূপ দিতে পুরো ১ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন এই সুপারস্টার। তার দেওয়া সেই মোটা অঙ্কের টাকাতেই দুর্গম পাহাড়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে একটি জমকালো নতুন স্কুল ভবন। গল্পটা শুরু হয়েছিল আজ থেকে ঠিক ৫ বছর আগে, ২০২১ সালে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের জওয়ানদের বিশেষ আমন্ত্রণে অক্ষয় গিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার একেবারে শেষ প্রান্তের গ্রাম নীরু তুলাইলে। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, হাড়কাঁপানো কনকনে ঠান্ডার মধ্যেও একটি জরাজীর্ণ সরকারি স্কুলে শিশুরা কত কষ্ট করে পড়াশোনা করছে। এই দৃশ্য দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বলিউড সুপারস্টার। তখনই তিনি স্কুলটির খোলনলচে বদলে দিতে ১ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন। অবশেষে দীর্ঘ ৫ বছর পর নিজের সেই প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করে দেখালেন অক্ষয়। তারকাদের বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু ক্যামেরার ঝলকানি ছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে নিঃশব্দে কাজ করে সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি পালন করার এই দৃষ্টান্ত সত্যিই বিরল। অক্ষয়ের এই উদ্যোগ শুধু ইট-পাথরের একটি ভবন তৈরি করেনি, বরং দুর্গম সীমান্তের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সামনে আধুনিক শিক্ষার এক বিশাল দরজা খুলে দিয়েছে। যেসব শিশু একদিন ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে মেঝেতে বসে ক্লাস করত, তারা এখন শহরের শিশুদের মতোই আধুনিক প্রযুক্তি ও শিক্ষার আলো পাবে। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি নতুন এই ভবনে এখন শিশুদের জন্য রয়েছে একেবারে আধুনিক ক্লাসরুম, কম্পিউটার ল্যাব ও বইয়ে ভরা দারুণ এক লাইব্রেরি। শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজের জন্যও করা হয়েছে সুপরিসর আলাদা জায়গা। শুধু পড়াশোনাই নয়, দুর্গম এলাকার শিশুদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে স্কুলের 'মিড-ডে মিল' প্রকল্পের রান্নাঘর ও খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থাও আগের চেয়ে অনেক সুন্দর ও উন্নত করা হয়েছে।

green card
গ্রিন কার্ড আবেদনের নতুন নিয়ম চালু করল যুক্তরাষ্ট্র, এই নিয়মে যা যা থাকছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ২৩ মে, ২০২৬ | দুপুর ১২:৩ 0

আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখেন অনেকেই। কিন্তু অস্থায়ী ভিসায় সেখানে যাওয়ার পর গ্রিন কার্ডের জন্য দিনের পর দিন দেশটিতে পড়ে থাকার যে বাধ্যবাধকতা ছিল, এবার তার অবসান ঘটল। এখন থেকে গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতির জন্য অস্থায়ী ভিসাধারীদের আর আমেরিকায় অবস্থান করার কোনো দরকার নেই। তারা নিজেদের দেশে ফিরে গিয়েই মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে খুব সহজেই এই আবেদন করতে পারবেন। গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) এক বিবৃতিতে এই নতুন নিয়মের কথা জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, যেসব বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চান, তারা যেন অবশ্যই দেশের বাইরে থেকে কনস্যুলার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করেন। মার্কিন অভিবাসন আইন মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি আবেদনকারীর তথ্য ও যোগ্যতা যেন আলাদাভাবে ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হয়। প্রতি বছর বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থী, পর্যটক বা কর্মীরা অস্থায়ী ভিসায় আমেরিকায় যান এবং তাদের একটি বড় অংশেরই মূল লক্ষ্য থাকে কোনোভাবে একটি গ্রিন কার্ড জোগাড় করা। এতদিন 'অ্যাডজাস্টমেন্ট অফ স্ট্যাটাস' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা আমেরিকায় বসেই খুব সহজে এই আবেদন করতে পারতেন। কিন্তু আমাদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন এই নিয়মের পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সুদূরপ্রসারী কৌশল লুকিয়ে আছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গ্রিন কার্ডের আশায় অবৈধভাবে আমেরিকায় পড়ে থাকার প্রবণতা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। নতুন নিয়মে দেশে ফিরে আবেদন করার সুযোগ দেওয়ায় অনেকেই স্বস্তি পাবেন ঠিকই, কিন্তু আমেরিকায় বসে আবেদন করার যে একটা মানসিক জোর বা আইনি সুবিধা ছিল, সেটি এখন অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গেল। ইউএসসিআইএস নতুন এই প্রক্রিয়ার নাম দিয়েছে ‘অসাধারণ প্রতিকার ব্যবস্থা’ (এক্সট্রা-অর্ডিনারি ফর্ম অব রিলিফ)। অর্থাৎ, ভিসার মেয়াদ শেষ হলে দেশে ফিরে গিয়ে আগের অস্থায়ী ভিসার কাগজপত্র দেখিয়েই নতুন করে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে। গত ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর থেকেই অভিবাসন নিয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত দেড় বছরে তার প্রশাসন দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে লাখ লাখ বৈধ কাগজবিহীন অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে এবং আরও কয়েক লাখ মানুষকে বিশেষ বন্দিশালায় আটকে রেখেছে। এমনকি ৭০টি দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে। মার্কিন অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দিনের পর দিন আমেরিকায় থেকে যেতেন, মূলত তাদের সেই সুযোগ চিরতরে বন্ধ করতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে।

গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাসের খাবার তালিকা ও জরুরি কিছু নিয়ম
দিগন্ত প্রতিবেদন ২২ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:৩০ 0

গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাস বা প্রথম ট্রাইমেস্টার প্রতিটি মায়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এই সময়ে গর্ভের শিশুর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ তৈরি হওয়া শুরু হয়। তাই মায়ের শরীরে সঠিক পুষ্টির জোগান দেওয়া ভীষণ জরুরি। সঠিক খাবার মা ও শিশু দুজনকেই সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩ মাসের খাবার তালিকা গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাস বা প্রথম ট্রাইমেস্টার প্রতিটি হবু মায়ের জন্যই একটি বিশেষ এবং স্পর্শকাতর সময়। এই শুরুর দিনগুলোতে গর্ভের শিশুর শরীরের প্রধান অঙ্গগুলো তৈরি হওয়া শুরু হয়, তাই মায়ের শরীরে সঠিক পুষ্টির জোগান দেওয়া ভীষণ জরুরি। সঠিক খাবার মা ও শিশু দুজনকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি গর্ভাবস্থার প্রাথমিক ধকল কাটাতে সাহায্য করে। এই সময়ে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন কিছু সহজ ও পুষ্টিকর খাবার রাখা উচিত যা হজম করা সহজ এবং যা শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করে। প্রথম ৩ মাসে ফলিক অ্যাসিড ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গর্ভের শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক গঠনের জন্য প্রথম ৩ মাস ফলিক অ্যাসিড খাওয়া অনেক জরুরি। এর জন্য আপনার প্রতিদিনের খাবারে সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাক, লাল শাক এবং ব্রকলি রাখা উচিত। পাশাপাশি ডাল, শিম এবং বিভিন্ন ধরণের লেবুতে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। এই খাবারগুলো মায়ের শরীরে রক্তশূন্যতা দূর করতেও দারুণ কাজ করে। ডিম ও চর্বিহীন মাংস ডিমকে বলা হয় পুষ্টির পাওয়ার হাউজ। গর্ভাবস্থার শুরুতে প্রতিদিন অন্তত একটি করে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস করা ভালো। ডিমে থাকা প্রোটিন এবং কোলিন শিশুর কোষ গঠনে সাহায্য করে। এছাড়া চর্বিহীন মুরগির মাংস এবং ছোট-বড় মাছ থেকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন পাওয়া যায়, যা এই সময়ে শরীরের ক্লান্তি দূর করে। ক্যালসিয়ামের জন্য দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার শিশুর হাড় ও দাঁত মজবুত করার জন্য এই সময়ে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম দরকার। প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস ফোটানো তরল দুধ বা এক বাটি টকদই খাওয়ার চেষ্টা করুন। যারা সরাসরি দুধ খেতে পারেন না বা যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়, তারা ছানা বা পনির খেতে পারেন। এটি মায়ের শরীরের হাড়ের ক্ষয় রোধ করতেও সাহায্য করে। শুকনো ফল ও বাদাম প্রথম ৩ মাসে অনেক মায়েরই সকালের দিকে বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরার সমস্যা হয়। এই সময়ে এক মুঠো কাঠবাদাম, কাজুবাদাম বা চিনা বাদাম খেলে শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি পাওয়া যায়। শুকনো ফল যেমন খেজুর বা কিসমিসও এই সময়ে বিকেলের নাস্তা হিসেবে খুব ভালো ও পুষ্টিকর অপশন। পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার এই সময়ে শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেওয়া যাবে না। বমি বা গ্যাস্ট্রিকের কারণে শরীর যেন ডিহাইড্রেটেড না হয়ে পড়ে, সেজন্য দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পরিষ্কার পানি পান করুন। পানির পাশাপাশি ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ঘরে তৈরি ফ্রেশ ফলের রস খেতে পারেন। এটি শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রথম ৩ মাসে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন কিছু খাবার গর্ভাবস্থার শুরুতে বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যেমন কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ ডিম ও মাংস, অপাস্তুরিত দুধ, এবং কাঁচা পেঁপে বা আনারস। এই খাবারগুলো গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত চা, কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় এবং বাইরের খোলা বা বাসি খাবার খাওয়া থেকে পুরোপুরি বিরত থাকা উচিত। প্রথম ৩ মাসের কিছু জরুরি টিপস একবারে অনেক বেশি খাবার না খেয়ে সারাদিনে অল্প অল্প করে ৪-৫ বার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে বমি ভাব ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেক কমে আসবে। খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য রাখুন যেন সব ধরণের পুষ্টি শরীর সমানভাবে পায়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন সাপ্লিমেন্ট নিতে অবহেলা করবেন না। উপসংহার গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাস একটু সাবধানে এবং নিয়ম মেনে চললে পুরো জার্নিটা অনেক সহজ হয়ে যায়। নিজের পছন্দের এবং পুষ্টিকর খাবারগুলো তালিকায় রাখুন। যেকোনো নতুন খাবার নিয়মিত শুরু করার আগে অবশ্যই আপনার গাইনি ডাক্তারের সাথে একবার কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নিন। মুক্ত বাতাসে হালকা হাঁটাচলা করুন এবং সবসময় দুশ্চিন্তামুক্ত ও হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন।

ট্রেইনি জুনিয়র অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে এসবিএসি ব্যাংক, শুরুতেই বেতন ৩৫ হাজার টাকা
ক্যারিয়ার ডেস্ক ২২ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:৪৯ 0

দেশের স্বনামধন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক 'এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি' (SBAC Bank PLC) সম্প্রতি তাদের সম্প্রসারণশীল ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য নতুন জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। 'ট্রেইনি জুনিয়র অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ)' পদে স্মার্ট ও উদ্যমী তরুণদের খুঁজছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকিং খাতে আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীরা আগামী ২০ জুন, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এক নজরে এসবিএসি ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ প্রতিষ্ঠানের নাম: এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি (SBAC Bank PLC) পদের নাম: ট্রেইনি জুনিয়র অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) চাকরির ধরন: ফুল টাইম (বেসরকারি চাকরি) কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে প্রকাশের তারিখ: ২১ মে ২০২৬ আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ জুন ২০২৬ চাকরির খবর: দিগন্ত পোস্ট জবস আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন পদের বিবরণ: ১. পদের নাম: ট্রেইনি জুনিয়র অফিসার (জেনারেল ও ক্যাশ) পদসংখ্যা: নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি (অনির্ধারিত) বেতন স্কেল: মাসিক ৩৫,০০০ টাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমবিএম (MBM), এমবিএ (MBA), স্নাতকোত্তর বা ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক (Bachelor/Honors) ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনে কোনো পর্যায়েই তৃতীয় শ্রেণি/বিভাগ বা সমমানের সিজিপিএ থাকা যাবে না এবং অন্তত একটিতে প্রথম শ্রেণি/বিভাগ থাকতে হবে। বয়সসীমা: আবেদনের শেষ দিনে (অর্থাৎ ২০ জুন ২০২৬ তারিখে) প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীদের সম্পূর্ণ অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি পাঠানো সিভি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে না। আবেদনের সময় সদ্য তোলা একটি রঙিন ছবি (Photograph) আপলোড করা বাধ্যতামূলক। আবেদন ফি: অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো ফি জমা দেওয়ার কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। শর্তাবলি ও নির্দেশনা: নির্বাচিত প্রার্থীদের বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। নারী ও পুরুষ উভয়েই পদটির জন্য আবেদনের যোগ্য। জেনারেল ব্যাংকিং এবং ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে আগ্রহ ও প্রাথমিক দক্ষতা থাকতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে (Merit-based) সম্পন্ন হবে। বাছাই করা শর্টলিস্টেড প্রার্থীদের প্রথমে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই চূড়ান্ত ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পাবেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে। আবেদন যেভাবে: আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা এসবিএসি ব্যাংকের নিজস্ব ক্যারিয়ার পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে খুব সহজেই আবেদন করতে পারবেন। পদের বিস্তারিত দেখতে এবং সরাসরি আপনার আবেদন সাবমিট করতে এখানে ক্লিক করুন ।

১ কেজির ইলিশ ৩ হাজার, ২০০ গ্রামের দামও ৮০০, ঈদের আগে ইলিশ যেন সোনার হরিণ
নিজস্ব প্রতিবেদক ২২ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:৩১ 0

কোরবানির ঈদের আগে মুরগি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছের বাজারে ক্রেতাদের রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠছে। বিশেষ করে রূপালি ইলিশের দাম শুনেই চমকে উঠছেন সাধারণ মানুষ, কারণ এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ কিনতে এখন পকেট থেকে খসছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা! আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে মাছের এই চড়া দামের চিত্রই চোখে পড়েছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সাইজ অনুযায়ী ইলিশের দাম ওঠানামা করছে। এক কেজি সাইজের ইলিশ আড়াই থেকে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হলেও, ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের জন্য ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা। এমনকি ২০০ গ্রাম সাইজের ছোট জাটকা ইলিশের কেজিও বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়! ইলিশের পাশাপাশি চিংড়ির বাজারেও আগুন। আকার ও জাতভেদে এক কেজি চিংড়ি কিনতে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। কোরবানির ঈদের ঠিক আগে মানুষের আনুষঙ্গিক কেনাকাটার একটি বড় চাপ থাকে। ঠিক এমন সময়ে ইলিশ বা বড় চিংড়ির মতো সুস্বাদু মাছগুলো মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের নাগালের একেবারেই বাইরে চলে গেছে। বাজারে পর্যাপ্ত মাছ থাকলেও দাম এতটা চড়া রাখা হয়েছে যে, সাধারণ ক্রেতারা বাধ্য হয়ে সস্তা মাছের দিকেই ঝুঁকছেন। উৎসবের আগে মাছের এমন আকাশছোঁয়া দাম সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাজারের বাজেটে বড় ধরনের ধাক্কা দিচ্ছে। বড় মাছের দাম বেশি থাকলেও, বাজারে তুলনামূলক সস্তায় মিলছে চাষের পাঙাশ ও তেলাপিয়া। প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া রুই মাছ ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা এবং দেশি টেংরা ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট মাছের স্বাদ নিতে চাইলে পাঁচমিশালি মাছ কেনা যাচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে। মাছের বাজারের এই অস্থিরতা নিয়ে মাছ ব্যবসায়ী ইউসুফ মিয়া বলেন, "মাছের দাম আগে যেমন ছিল, এখনও তেমনই আছে। তবে বাজারে বেশি মাছ এলে দাম কিছুটা কমে যায়। যেমন আজ পাঙাশ বেশি এসেছে বলে আমরা ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করতে পেরেছি। তবে ইলিশসহ অন্য সব মাছের দাম আগের মতোই বাড়তি।

গরুর মাংস ৮০০, ব্রয়লার ১৭০: কোরবানির আগে রাজধানীর বাজারদর কেমন
নিজস্ব প্রতিবেদক ২২ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:২৭ 0

কোরবানির ঈদ আসতে বাকি আর মাত্র সপ্তাহখানেক। ঠিক এমন সময়ে রাজধানীর বাজারগুলোতে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য মিলেছে কিছুটা স্বস্তির খবর; ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম বেশ কিছুটা কমেছে। তবে মাংসের বাজারে স্বস্তি থাকলেও উল্টো চিত্র দেখা গেছে মাছের বাজারে, সেখানে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের মাছ। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে অন্তত ১০ টাকা কমে বর্তমানে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগেও ১৯৫ টাকার ওপরে ছিল। সোনালি জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকা কেজিতে। পাশাপাশি ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে এখন ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আর গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই ৮০০ টাকা কেজিতে। কোরবানির ঈদের ঠিক আগে সাধারণত সাধারণ মানুষের আনুষঙ্গিক কেনাকাটার বাড়তি চাপ থাকে। এ সময় ডিম ও ব্রয়লার মুরগির মতো সবচেয়ে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের দাম কমে আসাটা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের দৈনন্দিন বাজারের খরচে বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, বাজারে খামার থেকে মুরগি ও ডিমের সরবরাহ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়ার কারণেই মূলত দাম কমার এই সুযোগ তৈরি হয়েছে। রায়ের বাজারে আসা ক্রেতা রমিজ উদ্দিনও দাম কমার খবরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জানান, ঈদের পর ২০০ টাকায় কেনা ব্রয়লার আজ তিনি ১৭৫ টাকায় পেয়েছেন। মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছের বাজারে ক্রেতাদের বেশ হিসাব করে চলতে হচ্ছে। প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় এবং তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকায়। রুই, মৃগেল, টেংরা বা চিংড়ির মতো মাছগুলোর দাম বেশ চড়া। আকার ও জাতভেদে চিংড়ির কেজি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছে। সবচেয়ে বেশি দাম হাঁকা হচ্ছে ইলিশের। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা। পাশাপাশি ছোট জাটকা সাইজের ইলিশও ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। মাছ বিক্রেতা ইউসুফ মিয়া জানান, বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমে, তবে আজ পাঙাশ ও তেলাপিয়া ছাড়া বাকি সব মাছ আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে।

খুলনা সহ দেশের কয়েক অঞ্চল দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক ২২ মে, ২০২৬ | সকাল ১১:৪৭ 0

একদিকে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অন্যদিকে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে এখনো বইছে তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলায় বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।  সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে রয়েছে।  আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং খুলনায় ৩৬ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।  আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আগামী কয়েকদিন দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তবে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে গরমের অনুভূতি এখনই পুরোপুরি কমছে না। 

একাধিক পদে নিয়োগ দিচ্ছে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়, এসএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ
ক্যারিয়ার ডেস্ক ২২ মে, ২০২৬ | সকাল ১১:৪২ 0

সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য দারুণ একটি সুখবর! সম্প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' নতুন জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রাজস্বখাতভুক্ত ৪টি ভিন্ন ক্যাটাগরির পদে মোট ২৩ জনকে নিয়োগ দেবে এই মন্ত্রণালয়। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২২ মে থেকে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদনের শেষ সময় ২০ জুন, ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এক নজরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ প্রতিষ্ঠানের নাম: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় চাকরির ধরন: সরকারি চাকরি (রাজস্বখাতভুক্ত) মোট পদসংখ্যা: ২৩ জন কর্মস্থল: ঢাকা প্রকাশের তারিখ: ১৯ মে ২০২৬ আবেদন শুরুর তারিখ: ২২ মে ২০২৬, সকাল ১০টা আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ জুন ২০২৬, বিকেল ৫টা চাকরির খবর: দিগন্ত পোস্ট জবস আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন পদের বিবরণ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা: ১. পদের নাম: সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদসংখ্যা: ৪টি বেতন স্কেল: ১১,০০০ – ২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩) শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে সর্বনিম্ন ৭০ এবং বাংলায় ৪৫ শব্দ এবং টাইপিংয়ে ইংরেজিতে ৩০ ও বাংলায় ২৫ শব্দের গতি থাকা আবশ্যক। ২. পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর পদসংখ্যা: ১টি বেতন স্কেল: ১১,০০০ – ২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩) শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা: বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ এবং ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে এবং স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপ্টিটিউট টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে। ৩. পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদসংখ্যা: ৩টি বেতন স্কেল: ৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬) শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা: উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে। ৪. পদের নাম: অফিস সহায়ক পদসংখ্যা: ১৫টি বেতন স্কেল: ৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০) শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: বয়সসীমা: আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বয়স ১ মে ২০২৬ তারিখে সাধারণ কোটায় ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। এছাড়া ১ ও ৩ নম্বর পদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রার্থীদের বয়সসীমা ৪০ বছর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য। আবেদনের নিয়ম: এই আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। সরাসরি বা অন্য কোনো উপায়ে পাঠানো আবেদনপত্র কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে না। প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ভুলভাবে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন ফি: অনলাইনে ফরম পূরণের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। ১ থেকে ৩ নম্বর পদের জন্য সার্ভিস চার্জসহ মোট ২২৩ টাকা এবং ৪ নম্বর পদের জন্য মোট ১১২ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। শর্তাবলি ও নির্দেশনা: সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত প্রার্থীদের অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে আবেদন করতে হবে এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে। অনলাইনে আবেদনে প্রার্থীর রঙিন ছবি (৩০০x৩০০ পিক্সেল) এবং স্বাক্ষর (৩০০x৮০ পিক্সেল) স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি সাথে রাখা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রার্থী ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে যেকোনো পর্যায়ে তার আবেদন বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট ( http://moca.teletalk.com.bd ) -এ গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের বিস্তারিত নিয়মকানুন ও মূল বিজ্ঞপ্তিটি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.moca.gov.bd) দেওয়া আছে।