সর্বশেষ

শনিবার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ মে, ২০২৬ | রাত ১১:৫৩ 0

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন কাজের জন্য রাজশাহীর বেশ কিছু এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি। সম্প্রতি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন কাজের জন্য শনিবার রাজশাহীর বনগ্রাম ফিডারের আওতাধীন বেশ কিছু এলাকায় সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে তার মধ্যে রয়েছে বনগ্রাম ফিডারের আওতাধীন হাজরাপুকুর, কালিয়াপাড়া, মোহনপুর হাজামপাড়া এবং মধ্য বুধপাড়া এলাকা। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর।

একজন কলেজের প্রভাষকের বেতন কত, কি কি সুবিধা পান?
ডেস্ক রিপোর্ট ১৫ মে, ২০২৬ | রাত ১১:৪৩ 0

বর্তমানে বাংলাদেশে ২০১৫ সালের পে স্কেল কাঠামোতে বেতন চলমান রয়েছে, এদিকে নবম পে স্কেল নিয়ে আলোচনা চলছে তবে এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। আবার এই সময়ে অনেকেই কলেজে প্রভাষক পদের বেতন নিয়ে বিভ্রান্ত থাকেন। বিশেষ করে যারা নতুন চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন বা পরিবারে কেউ শিক্ষকতায় আছেন, তাদের জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশে কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক পদটি সাধারণত নবম গ্রেডভুক্ত। তবে সরকারি কলেজ ও এমপিওভুক্ত (বেসরকারি কিন্তু সরকারিভাবে বেতনপ্রাপ্ত) কলেজে বেতন কাঠামো কিছুটা ভিন্ন হয়। এমপিওভুক্ত কলেজ প্রভাষকের বেতন বর্তমান পে স্কেল অনুযায়ী একজন এমপিওভুক্ত কলেজে প্রভাষক পদে (৯ম গ্রেড) শুরুতে মূল বেতন থাকে প্রায় ২২,০০০ টাকা। এর সাথে যোগ হয়: বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রায় ১,০০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা প্রায় ৫০০ টাকা সব মিলিয়ে মোট বেতন দাঁড়ায় প্রায় ২৩,৫০০ টাকার মতো। তবে কল্যাণ তহবিল ও অবসর সুবিধার জন্য ১০ শতাংশ কেটে নেওয়ার পর হাতে পাওয়া টাকা কিছুটা কমে যায়। বর্তমানে বাস্তব হিসেবে টেক হোম স্যালারি প্রায় ২১,০০০ থেকে ২১,৫০০ টাকার মধ্যে থাকে বলে বিভিন্ন সরকারি বেতন কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা যায়  সরকারি কলেজ প্রভাষকের বেতন সরকারি কলেজে প্রভাষকের পদও নবম গ্রেডে থাকে, তবে এখানে সুবিধা তুলনামূলক বেশি। মূল বেতন একই হলেও ভাতা অনেক বেশি হয়। সাধারণভাবে সরকারি কলেজ শিক্ষকরা পান: মূল বেতন (নবম গ্রেড) বাড়ি ভাড়া ভাতা চিকিৎসা ভাতা উৎসব ভাতা বছরে দুইবার বৈশাখী ভাতা শুধু উৎসব ভাতা হিসেবে সরকারি কলেজ শিক্ষকরা মূল বেতনের প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পান, এ কারণে সরকারি কলেজ প্রভাষকের মোট আয় এমপিওর তুলনায় অনেক বেশি হয়। কেন বেতনে এত পার্থক্য একই “প্রভাষক” পদ হলেও সরকারি ও এমপিও কলেজের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ভাতা ও সুবিধা কাঠামো। সরকারি কলেজে পেনশন, নিয়মিত পদোন্নতি এবং বেশি ভাতা থাকে। অন্যদিকে এমপিও কলেজে মূল বেতন একই হলেও ভাতা সীমিত থাকে। এটাই দুই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় পার্থক্য। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, একজন নতুন প্রভাষকের বেতন দিয়ে শহরে জীবনযাপন অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ঢাকা বা বড় শহরে ভাড়া, খাবার ও যাতায়াত খরচ বাড়ার কারণে অনেক শিক্ষক অতিরিক্ত প্রাইভেট টিউশন বা অন্য কাজের ওপর নির্ভর করেন। শিক্ষা বিশ্লেষকরা বলেন, শিক্ষকদের মান উন্নত করতে হলে শুধু বেতন নয়, ভাতা ও কর্মপরিবেশেও ভারসাম্য আনা জরুরি। গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা বেতন কাঠামো সময়ের সাথে পরিবর্তন হতে পারে। নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে বেতন পরিবর্তিত হতে পারে। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সর্বশেষ সরকারি গেজেট বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আপডেট দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

জুলাই আন্দোলন
পাঠ্যবইয়ে আসছে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: মুছে যাচ্ছে একপেশে ইতিহাস
দিগন্ত প্রতিবেদন ১৫ মে, ২০২৬ | রাত ১১:১ 0

যুগের পর যুগ ধরে পাঠ্যবইয়ে চলে আসা একপেশে ও বিকৃত ইতিহাসের দিন শেষ হতে চলেছে। আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা হাতে পাবে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজানো ও প্রকৃত ইতিহাস সমৃদ্ধ বই। যেখানে শুধু মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসই নয়, বরং স্থান পাবে ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানিয়েছেন, নতুন সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী পাঠ্যবইয়ের এই বিশাল পরিবর্তনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তিনি জানান, অতীতে বইগুলোতে যে ঐতিহাসিক বিচ্যুতি ছিল, এবার বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে তা নিরপেক্ষভাবে সংশোধন করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের কোন বীরের কী অবদান ছিল, তা এখন সঠিকভাবে তুলে ধরা হবে। এই সংস্কার কাজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও গবেষকদের নিয়ে গঠিত প্রায় ৩২০ জনের একটি দল কাজ করছে। সম্প্রতি বগুড়ায় চার দিনের একটি আবাসিক কর্মশালাও শেষ হয়েছে। আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬০১টি বই পরিমার্জনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে এনসিটিবি। শুধু ইতিহাস নয়, আইসিটি বইয়েও আসছে বড় চমক। পুরোনো ধ্যানধারণা বাদ দিয়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির আইসিটি বইয়ে যুক্ত করা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও ডিজিটাল আসক্তি কমাতে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে তিনটি নতুন বই আসছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘খেলাধুলা ও সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও কারিগরি শিক্ষার একটি বই রাখা হচ্ছে। এনসিটিবির এই উদ্যোগটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি 'গেম চেঞ্জার' হতে পারে। বিশেষ করে পাঠ্যবইয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান যুক্ত করার সিদ্ধান্তটি তরুণ প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে আরও সাহসী করবে। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের মোবাইল বা ইন্টারনেট আসক্তি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় সংকট। এই আসক্তি কাটাতে চতুর্থ শ্রেণিতে খেলাধুলাভিত্তিক বই এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে আনন্দের সঙ্গে শেখার (লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস) যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা মনস্তাত্ত্বিকভাবে শিশুদের জন্য দারুণ উপকারী হবে। সবচেয়ে আশার কথা হলো, সরকার ২০২৮ সাল থেকে ‘অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা’ চালু করতে চাইছে, যেখানে বইয়ের সংখ্যা কমে ব্যবহারিক শিক্ষা বাড়বে। মুখস্থনির্ভর জিপিএ-৫ এর পেছনে না ছুটে শিক্ষার্থীরা যদি প্রযুক্তি (যেমন- এআই) ও কারিগরি জ্ঞানে দক্ষ হয়ে ওঠে, তবে তা অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের হতাশা দূর করবে। এখন দেখার বিষয়, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি এই প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা নিখুঁতভাবে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে পৌঁছায়। উল্লেখ্য যে বাংলাদেশে গত কয়েক দশক ধরেই পাঠ্যবই একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা নিজেদের মতো করে ইতিহাস সাজিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তিতে পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের সর্বস্তরে 'রাষ্ট্র সংস্কার'-এর যে দাবি ওঠে, শিক্ষাক্রম সংস্কার তারই একটি বড় অংশ।

national university
দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারও কলেজ র‍্যাংকিং প্রকাশের সিদ্ধান্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ মে, ২০২৬ | রাত ৯:৫৩ 0

দীর্ঘ আট বছরের বিরতি ভেঙে আবারও দেশের সেরা কলেজগুলো খুঁজে বের করার দারুণ এক উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক অফিস আদেশের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, পড়াশোনার মান ও সার্বিক পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে এবার জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে মোট ৮৮টি সেরা কলেজ নির্বাচন করা হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তরের পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন আহাম্মদ এই আদেশে সই করেছেন। আদেশ থেকে জানা যায়, জাতীয় পর্যায়ে সেরা ৮টি কলেজ এবং দেশের প্রতিটি বিভাগ থেকে ১০টি করে আরও ৮০টি সব মিলিয়ে ৮৮টি সেরা কলেজকে এই সম্মাননা দেওয়া হবে। এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ র‍্যাংকিং ২০২৫’। কলেজ বাছাইয়ের মূল মাপকাঠি হবে নির্ধারিত কর্মদক্ষতা সূচক বা কেপিআই। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে কলেজগুলো কেমন করেছে, সেই তথ্য দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে। আগামী ১৮ জুনের (২০২৬) মধ্যে অনলাইনে এই তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষরা নিজস্ব কোড ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ওয়েবসাইটে ঢুকে এই ‘তথ্য ছক’ পূরণ করতে পারবেন। বাছাই পর্ব শেষে নির্বাচিত সেরা কলেজগুলোর তালিকা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি, জাতীয় পর্যায়ে একটি বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শত শত সরকারি-বেসরকারি কলেজ রয়েছে, কিন্তু সবগুলোর পড়াশোনার পরিবেশ ও মান এক নয়। এই র‍্যাংকিংয়ের ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই বুঝতে পারবেন কোন কলেজটি পড়াশোনা, ফলাফল ও অন্যান্য কার্যক্রমে সেরা। এসএসসি বা এইচএসসি পাসের পর ভর্তির সময় সঠিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নিতে এই তালিকা দারুণ গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে, সেরা হওয়ার এই প্রতিযোগিতা কলেজ কর্তৃপক্ষের মধ্যেও নিজেদের সেবার মান বাড়ানোর একটি সুস্থ তাগিদ তৈরি করবে। এতে দিন শেষে লাভবান হবে দেশের লাখো সাধারণ শিক্ষার্থী। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০১৮ সালে এমন কলেজ র‍্যাংকিং প্রকাশ করেছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

ফাঁস হলো মৌনী রায়ের গোপন ইচ্ছা, ১৯ বছরেই বিয়ে করতে মরিয়া ছিলেন!
দিগন্ত প্রতিবেদন ১৫ মে, ২০২৬ | রাত ৯:৪২ 0

বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায় আবারও আলোচনায়। সম্প্রতি স্বামী সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে তার বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়তেই সামনে এসেছে অভিনেত্রীর এক পুরনো সাক্ষাৎকার। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, মাত্র ১৯ বছর বয়স থেকেই তিনি বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খুব অল্প বয়স থেকেই জীবনসঙ্গী নিয়ে ভীষণ আবেগপ্রবণ ছিলেন মৌনী। তার বিশ্বাস ছিল, জীবনে একজন সঠিক মানুষ থাকলে কঠিন সময়ও সহজ হয়ে যায়। এক পুরনো সাক্ষাৎকারে মৌনী বলেছিলেন, বিয়ে তার কাছে শুধু সামাজিক সম্পর্ক নয়, বরং এমন একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া, যার সঙ্গে সুখ-দুঃখ সব ভাগ করে নেওয়া যায়। তিনি মনে করতেন, একজন ভালো সঙ্গী মানসিক নিরাপত্তা ও সাহস জোগায়। মৌনীর ভাষায়, জীবনের কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো একজন মানুষ থাকা খুব জরুরি। আর সেই কারণেই কৈশোর পেরোনোর পর থেকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ সঙ্গীকে নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। এর আগে অভিনেতা মোহিত রায়না ও পুলকিত সম্রাটের সঙ্গে মৌনীর সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। পরে ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি ব্যবসায়ী সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। গোয়ায় অনুষ্ঠিত সেই বিয়েতে বাঙালি ও মালয়ালি দুই রীতিতেই আয়োজন করা হয়েছিল অনুষ্ঠান। তবে সম্প্রতি তাদের বিচ্ছেদের খবর ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যম দাবি করেছে, দুজনেই নাকি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেননি মৌনী বা সূরজ। বিনোদন জগতে সম্পর্ক ভাঙা-গড়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে মৌনীর পুরনো বক্তব্য আবারও আলোচনায় এসেছে কারণ, তিনি সবসময় সম্পর্ক ও মানসিক নিরাপত্তাকে খুব গুরুত্ব দিতেন। তাই তার বিচ্ছেদের গুঞ্জন ভক্তদের মাঝেও কৌতূহল তৈরি করেছে। কারো কারো মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অতিরিক্ত আগ্রহ অনেক সময় মানসিক চাপও তৈরি করে। আর সম্পর্কের ভাঙন নিয়ে জনসমক্ষে আলোচনা হলে সেটি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও কাজের দিক থেকে এখনো বেশ সক্রিয় মৌনী রায়। বিভিন্ন ওয়েব সিরিজ, বিজ্ঞাপন ও ফ্যাশন ইভেন্টে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে তাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয় এবং ভক্তদের সঙ্গে নিজের নানা মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন। খবরঃ আনন্দ বাজার 

অবশেষে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেল চীন
অনলাইন ডেস্ক ১৫ মে, ২০২৬ | রাত ৯:৩১ 0

অবশেষে ২০২৬ ও ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি (CCTV)। শুক্রবার যৌথভাবে এই ঘোষণা দিয়েছে সিসিটিভি ও বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বকাপ শুরু হতে এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকলেও এতদিন চীনের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী নিশ্চিত ছিলেন না তারা কোথায় ম্যাচ দেখতে পারবেন। শেষ মুহূর্তে হওয়া এই চুক্তিতে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হলো। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। আগামী ১১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সিসিটিভি জানিয়েছে, নতুন এই চুক্তির আওতায় ২০২৬ ও ২০৩০ পুরুষ বিশ্বকাপের পাশাপাশি ২০২৭ ও ২০৩১ নারী বিশ্বকাপও সম্প্রচার করা হবে। চুক্তিতে টেলিভিশন, ইন্টারনেট এবং মোবাইল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। ৪৮টি দল অংশ নেবে এবং মোট ম্যাচ হবে ১০৪টি। যদিও চীন এবার বিশ্বকাপে খেলছে না, তবুও দেশটিতে ফুটবল বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ চলাকালে ডিজিটাল ও সামাজিক মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মোট ভিউয়ের প্রায় ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশই ছিল চীন থেকে। ফিফার মহাসচিব ম্যাটিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন, “বিশ্ব ফুটবলের জন্য চীনের বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ফিফা আরও জানিয়েছে, এই চুক্তি তরুণ দর্শকদের কাছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বকাপকে আরও জনপ্রিয় করতে সহায়তা করবে। চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য নিয়েও আলোচনা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চুক্তির মূল্য প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি সিসিটিভি। কেউ এই চুক্তিকে বড় সাফল্য বললেও অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এত বিপুল অর্থ ব্যয় কতটা যৌক্তিক। চীনের গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী রোববার সম্প্রচার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করবে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (CMG)। এদিকে সময়ের পার্থক্যের কারণে বেইজিং ও সাংহাইয়ে উদ্বোধনী ম্যাচ এবং ফাইনাল শুরু হবে রাত ৩টায়।  বিশ্বকাপ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসরগুলোর একটি। চীনের মতো বিশাল দর্শকবাজারে সম্প্রচার স্বত্ব নিশ্চিত করা ফিফার জন্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তরুণ দর্শকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই ফিফা চীনা বাজারকে আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

open ai
আইফোনে আর থাকছে না চ্যাটজিপিটি, অ্যাপলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পথে ওপেনএআই
অনলাইন ডেস্ক ১৫ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:৫৬ 0

আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের মধ্যকার দুই বছরের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। চুক্তি অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত আর্থিক লাভ ও সুবিধা না পাওয়ায় অ্যাপলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এই বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন একটি বিশ্বস্ত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, ওপেনএআই সরাসরি মামলা না করে আলোচনার মাধ্যমেই অ্যাপলের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় এখন বাইরের একটি আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে বিকল্প পথ খুঁজছেন তাদের আইনজীবীরা। আপাতত সরাসরি মামলা না করে অ্যাপলকে 'চুক্তি ভঙ্গের' একটি নোটিশ দেওয়ার কথা ভাবছে তারা। ২০২৪ সালে অ্যাপল যখন তাদের ডিভাইসে 'অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স' এবং চ্যাটজিপিটি যুক্ত করার ঘোষণা দেয়, তখন ওপেনএআই আশা করেছিল এতে তাদের চ্যাটজিপিটির সাবস্ক্রিপশন হু হু করে বাড়বে। আইফোনের সেটিংস থেকে সরাসরি চ্যাটজিপিটির মেম্বারশিপ নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওপেনএআইয়ের অভিযোগ, তারা অ্যাপলের কাছ থেকে যেমন গভীর ইন্টিগ্রেশন বা সুবিধা আশা করেছিল, বাস্তবে তা পায়নি। এ নিয়ে চুক্তি সংশোধনের আলোচনাও এখন থমকে আছে। এরই মধ্যে অ্যাপল তাদের সফটওয়্যারে অন্য এআই মডেলগুলো যুক্ত করার কাজ শুরু করেছে। খুব শিগগিরই আইফোন ব্যবহারকারীরা গুগলের 'জেমিনাই' বা অ্যানথ্রোপিকের 'ক্লড'-এর মতো এআই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে এ বছরই গুগলের জেমিনাইয়ের হাত ধরে আইফোনের 'সিরি' নতুন রূপে আসতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে সূত্রটি পরিষ্কার করেছে যে, অ্যাপল অন্য এআই ব্যবহার করছে বলে ওপেনএআই আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না; কারণ শুরু থেকেই তাদের চুক্তিটি একক (এক্সক্লুসিভ) ছিল না। মূল ঝামেলা বেধেছে চুক্তির শর্ত ঠিকমতো পূরণ না হওয়া নিয়ে। আগামী জুনে অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে তাদের এআই পরিকল্পনা নিয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। খবরঃ রয়টার্স 

মৃত্যুর পর আত্মা কোথায় যায়? ইসলামি দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা
দিগন্ত প্রতিবেদন ১৫ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:৪২ 0

মৃত্যু - পৃথিবীর সবচেয়ে অমোঘ এবং সুনিশ্চিত সত্য। প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে, এটি মহান আল্লাহর শাশ্বত ঘোষণা। কিন্তু মানুষের মনে যুগ যুগ ধরে একটি কৌতূহল বিরাজমান, মৃত্যুর পর আমাদের আত্মা বা রুহ কোথায় যায়? কোরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে এই রহস্যের সুস্পষ্ট ও বিস্তারিত সমাধান দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর পর আত্মা কোথায় যায়? ইসলামি দৃষ্টিতে কোরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা ১. মৃত্যুর মুহূর্ত এবং রুহ কবজ করার প্রক্রিয়া মৃত্যুর সময় মানুষের কাছে মালাকুল মউত বা মৃত্যুর ফেরেশতা আসেন। মুমিনের কাছে তাঁরা আসেন জান্নাতের সুঘ্রাণ ও প্রশান্তি নিয়ে, আর পাপীদের কাছে আসেন ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। কোরআনের ঘোষণা:   ۞ قُلْ يَتَوَفَّـٰكُم مَّلَكُ ٱلْمَوْتِ ٱلَّذِى وُكِّلَ بِكُمْ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُمْ تُرْجَعُونَ "বলুন, তোমাদের প্রাণ হরণের দায়িত্বে নিয়োজিত মৃত্যুর ফেরেশতা তোমাদের প্রাণ হরণ করবে। অতঃপর তোমাদের রবের কাছেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে।" (সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত: ১১) ২. আলমে বারযাখ: অন্তর্বর্তীকালীন জগৎ মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত আত্মা যে জগতে অবস্থান করে, ইসলামি পরিভাষায় তাকে 'বারযাখ' বলা হয়। এটি হলো দুনিয়া ও আখেরাতের মধ্যবর্তী একটি অন্তরায় বা পর্দা। কোরআনের ঘোষণা:  لَعَلِّىٓ أَعْمَلُ صَـٰلِحًا فِيمَا تَرَكْتُ‌ۚ كَلَّآ‌ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَآئِلُهَا‌ۖ وَمِن وَرَآئِهِم بَرْزَخٌ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ "আর তাদের সামনে বারযাখ (পর্দা বা অন্তরায়) থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।" (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ১০০) অর্থাৎ, মৃত্যুর পর আত্মা দুনিয়ায় ফিরে আসতে পারে না, বরং কিয়ামত পর্যন্ত এই বারযাখ জগতেই অবস্থান করে। ৩. মুমিনের আত্মা বনাম পাপীর আত্মা: গন্তব্য কোথায়? মৃত্যুর পর আত্মার গন্তব্য নিয়ে সুনানে আবু দাউদ (হাদিস নং: ৪৭৫৩) এবং মুসনাদে আহমাদ-এ হজরত বারা ইবনে আজেব (রা.) থেকে একটি দীর্ঘ ও বিখ্যাত সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই যাত্রার চমৎকার ও ভয়াবহ উভয় রূপই তুলে ধরেছেন: নেককার মুমিনের আত্মার গন্তব্য (ইল্লিয়্যিন): মুমিনের রুহ যখন বের করা হয়, তা সুগন্ধি ছড়াতে থাকে। ফেরেশতারা সম্মানের সাথে তা নিয়ে প্রথম আসমান থেকে সপ্তম আসমান পর্যন্ত যান। আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের নির্দেশ দেন: "আমার বান্দার আমলনামা 'ইল্লিয়্যিন'-এ রেখে দাও এবং তাকে জমিনে তার শরীরে ফিরিয়ে দাও, কারণ আমি তাদের মাটি থেকেই সৃষ্টি করেছি।" কোরআনের ঘোষণা: كَلَّآ إِنَّ كِتَـٰبَ ٱلْأَبْرَارِ لَفِى عِلِّيِّي "কখনো নয়, নিশ্চয়ই পুণ্যবানদের আমলনামা ‘ইল্লিয়্যিন’-এ রয়েছে।" (সূরা আল-মুতাফফিফিন, আয়াত: ১৮) পাপী বা অবিশ্বাসী ব্যক্তির আত্মার গন্তব্য (সিজ্জিন): পাপীর রুহ বের করার সময় দুর্গন্ধ ছড়ায়। ফেরেশতারা তা নিয়ে আসমানের দিকে গেলে আসমানের দরজা তাদের জন্য খোলা হয় না। তখন আল্লাহ নির্দেশ দেন: "তার আমলনামা জমিনের সর্বনিম্নে 'সিজ্জিন'-এ রেখে দাও।" এরপর তার রুহকে সজোরে নিক্ষেপ করা হয়। কোরআনের ঘোষণা:  كَلَّآ إِنَّ كِتَـٰبَ ٱلْفُجَّارِ لَفِى سِجِّي "কখনো নয়, নিশ্চয়ই পাপাচারীদের আমলনামা ‘সিজ্জিন’-এ রয়েছে।" (সূরা আল-মুতাফফিফিন, আয়াত: ৭) ৪. কবরের প্রশ্নোত্তর ও আত্মার অবস্থান আমলনামা ইল্লিয়্যিন বা সিজ্জিনে রাখার পর, রুহকে পুনরায় কবরে দেহের সাথে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় (যা আমাদের দুনিয়াবি কল্পনার বাইরে) যুক্ত করা হয়। এরপর মুনকার ও নাকির নামক দুই ফেরেশতা এসে তিনটি প্রশ্ন করেন: ১. তোমার রব কে? ২. তোমার দ্বীন কী? ৩. এই ব্যক্তি (রাসূল সা.) কে, যাঁকে তোমাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল? মুমিন ব্যক্তি সঠিক উত্তর দিলে তার কবরকে প্রশস্ত করে জান্নাতের সাথে একটি জানালা খুলে দেওয়া হয়। আর পাপী ব্যক্তি উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে তার জন্য জাহান্নামের জানালা খুলে দেওয়া হয় এবং কবর তাকে এমনভাবে চেপে ধরে যে তার একদিকের পাঁজর অন্যদিকের পাঁজরে ঢুকে যায়। (সুনানে আত-তিরমিজি, হাদিস নং: ৩১২০, হাসান সহিহ) ৫. শহিদদের আত্মা কোথায় থাকে? সাধারণ মুমিনদের আত্মার চেয়ে শহিদদের আত্মার মর্যাদা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা বারযাখ জগতেই সরাসরি জান্নাতের নেয়ামত ভোগ করতে থাকেন। সহিহ হাদিসের ঘোষণা: হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, "শহিদদের আত্মাসমূহ জান্নাতে সবুজ রঙের পাখির পেটে অবস্থান করে। জান্নাতে ঝুলন্ত আরশের নিচে তাদের জন্য অনেকগুলো ঝাড়বাতি রয়েছে। তারা পুরো জান্নাতে যেখানে ইচ্ছা বিচরণ করে এবং শেষে ওই ঝাড়বাতিগুলোতে ফিরে আসে।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ১৮৮৭) উপসংহার ও আমাদের শিক্ষণীয় বিষয় মৃত্যুর পর আত্মা কোথায় যায় এই প্রশ্নের উত্তর কেবল একটি দার্শনিক কৌতূহল মেটানোর জন্য নয়, বরং এটি আমাদের আখেরাতের প্রস্তুতির একটি সতর্কবার্তা। রুহ বের হওয়ার পরের অনন্ত যাত্রায় আমাদের সঙ্গী হবে কেবল আমাদের ঈমান ও নেক আমল। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে মৃত্যুর পর 'ইল্লিয়্যিন'-এ স্থান পাওয়ার তৌফিক দান করুন এবং কবরের আজাব থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

stroke
তীব্র গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে যা করবেন
দিগন্ত প্রতিবেদন ১৫ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:২৪ 0

গরমের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে, কখনো হঠাৎ বৃষ্টি আবার কখনো তীব্র রোদ। আর রোদে বাইরে বের হলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা এখন অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এটি অনেক সময় হিট স্ট্রোকের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে, যা সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে জীবনঝুঁকি পর্যন্ত তৈরি করতে পারে।  হিট স্ট্রোক হলো এমন একটি অবস্থা যখন শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে নিজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সাধারণত দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করা, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং শরীর অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার পর এটি ঘটে। হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে যা করবেন গরমে শরীরকে ঠান্ডা ও হাইড্রেটেড রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু সহজ অভ্যাস মানলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। প্রথমত, রোদে বের হওয়ার আগে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ে। দ্বিতীয়ত, সম্ভব হলে দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা উচিত। এই সময় সূর্যের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। তৃতীয়ত, বাইরে গেলে হালকা, ঢিলেঢালা ও সুতির কাপড় পরা ভালো। এতে শরীর সহজে বাতাস পায় এবং ঘাম শুকাতে সাহায্য করে। চতুর্থত, মাথায় টুপি, ছাতা বা ভেজা কাপড় ব্যবহার করলে সরাসরি রোদের তাপ কম লাগে। পঞ্চমত, দীর্ঘ সময় কাজ করলে মাঝেমধ্যে ছায়ায় বসে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। ষষ্ঠত, শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হলে বা মাথা ঘুরলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জায়গায় চলে যাওয়া উচিত। সপ্তমত, সম্ভব হলে লবণ ও পানি মিশ্রিত পানীয় বা ওআরএস খাওয়া শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে। হিট স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারেন না যে তারা হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বল লাগা, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব এবং দ্রুত হৃদস্পন্দন। চিকিৎসকদের মতে, এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত শীতল স্থানে যেতে হবে এবং শরীর ঠান্ডা করার ব্যবস্থা নিতে হবে। কেন হিট স্ট্রোক বাড়ছে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরমের তীব্রতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। শহরে কংক্রিটের ঘনত্ব, গাছপালা কমে যাওয়া এবং যানবাহনের চাপও তাপমাত্রা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। গ্রাম ও শহর উভয় জায়গাতেই শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন, কারণ তারা দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করেন। হিট স্ট্রোক কোনো সাধারণ ক্লান্তি নয়, এটি একটি জরুরি স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাই গরমে শরীরকে অবহেলা করা ঠিক নয়। পানি পান, বিশ্রাম এবং রোদের সময় সচেতনতা এই তিনটি অভ্যাসই পারে আপনাকে বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে। গরম যতই বাড়ুক, একটু সচেতন থাকলেই হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

southest bank
সাউথইস্ট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, বেতন আলোচনা সাপেক্ষে
ক্যারিয়ার ডেস্ক ১৫ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:১৬ 0

ব্যাংকিং খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য দারুণ একটি খবর! সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি তাদের 'এসএমই এবং এগ্রি ক্রেডিট' বিভাগে নতুন জনবল নেওয়ার জন্য একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রার্থীরা আগামী ৩১ মে, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে এই চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। পদের বিবরণ: ১. পদের নাম: জেও-এসইও (এসএমই এবং এগ্রি ক্রেডিট) পদসংখ্যা: নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি (অনির্ধারিত) বেতন স্কেল: আলোচনা সাপেক্ষে (বেতনের পাশাপাশি প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইন্স্যুরেন্স, গ্র্যাচুইটি এবং বছরে ২টি উৎসব ভাতার সুবিধা দেওয়া হবে) শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস হতে হবে। সিজিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৩.০০ থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনে কোনো তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে ফিন্যান্স, মার্কেটিং বা ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স, এমবিএ বা বিবিএ করা থাকলে প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। আবেদনের নিয়ম: এই চাকরির আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। সরাসরি, ইমেইল বা ডাকযোগে পাঠানো কোনো আবেদনপত্র ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে না। কেবল বাছাই করা প্রার্থীদেরই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। শর্তাবলী ও নির্দেশনা: নিয়োগ পেলে বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের এসএমই বা এগ্রি ক্রেডিট প্রস্তাবনা তৈরি, ডিরেক্ট সেলস এবং রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্টে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। চাপের মধ্যে কাজ করার এবং বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা (সেলস টার্গেট) পূরণের সক্ষমতা থাকতে হবে। ইংরেজিতে সাবলীল যোগাযোগের পাশাপাশি কম্পিউটারে (বিশেষ করে এমএস অফিসে) ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। বাছাই প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে কারো সুপারিশ বা তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে ধরা হবে। আবেদন যেভাবে: আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস (bdjobs.com)-এর মাধ্যমে অনলাইনে খুব সহজেই আবেদন করতে পারবেন। মূল বিজ্ঞপ্তিটি পড়তে এবং সরাসরি আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন:

নাচ-গান করতেন এই নারি , আর তাই দাফনে বাধা দিলো এলাকাবাসী
নাচ-গান করতেন এই নারি , আর তাই দাফনে বাধা দিলো এলাকাবাসী
অনলাইন ডেস্ক ১৫ মে, ২০২৬ | দুপুর ১২:৫৪ 0

চুয়াডাঙ্গায় নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলে এক নারীর দাফনে আপত্তি জানিয়েছে স্থানীয়দের একটি অংশ। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক ঘণ্টার জন্য দাফন কার্যক্রম বন্ধ থাকে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে সমঝোতার মাধ্যমে রাতে দাফন সম্পন্ন হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, বিকেলে মরদেহ এলাকায় পৌঁছানোর পর দাফনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয়দের আপত্তির কারণে কিছু সময়ের জন্য দাফন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী। সেখানে তিনি তার বর্তমান স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন। পরদিন সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিজ বাড়ি দৌলতদিয়াড় এলাকায় আনা হয়। তবে মরদেহ পৌঁছানোর পর স্থানীয়দের একটি অংশ দাফনে আপত্তি তোলে। তাদের দাবি, ওই নারী ছোটবেলা থেকেই নাচ-গানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু কর্মকাণ্ড নিয়েও এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া ছিল বলে অভিযোগ করা হয়। পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলেন কেউ কেউ। এসব কারণ দেখিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে দাফনে বাধা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মহল্লাবাসীরা আলোচনায় বসেন। পরে সমঝোতার মাধ্যমে রাত ১০টার দিকে দাফন সম্পন্ন হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই নারীর প্রথম বিয়ে হয়েছিল চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায়। সেই সংসারে তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি আগের সংসার ছেড়ে ঝিনাইদহের শৈলকূপার এক ব্যক্তির সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেন। আর ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মানবিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। একজন মৃত ব্যক্তির দাফন নিয়ে আপত্তি ওঠায় সামাজিক সহনশীলতা, ব্যক্তিগত জীবন ও সামাজিক বিচার নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

এবার রাস্তায় মিলল এসএসসি পরীক্ষার খাতা! তদন্তে প্রশাসন
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ মে, ২০২৬ | দুপুর ১২:৪৩ 0

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড়মাঠ থেকে চলমান এসএসসি পরীক্ষার ৫০টি উত্তরপত্র উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের বড়মাঠের উত্তর-পূর্ব কোণে শহীদ মিনারের পাশ থেকে খাতাগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন যুবক মাঠে ঘোরাঘুরি করার সময় খাতাগুলো দেখতে পান। কাছে গিয়ে তারা বুঝতে পারেন, এগুলো চলমান এসএসসি পরীক্ষার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের উত্তরপত্র। পরে দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাতাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। জানা গেছে, গত ৫ মে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মোতাহার উল আলম বলেন, পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে উত্তরপত্র বোর্ডে পাঠানো হয়। পরে মূল্যায়নের জন্য সেগুলো শিক্ষকদের কাছে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “সম্ভবত বাড়ি ফেরার পথে অসাবধানতাবশত খাতাগুলো পড়ে গেছে। তবে যিনি খাতাগুলো নিয়েছিলেন, তার আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল।” পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অত্যন্ত সংবেদনশীল নথি হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব খাতা হারিয়ে যাওয়া বা বাইরে পড়ে থাকার ঘটনা পরীক্ষার নিরাপত্তা ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরপত্র পরিবহন ও সংরক্ষণে আরও কঠোর নজরদারি না থাকলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, উদ্ধার করা বান্ডিলে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের ৫০টি উত্তরপত্র ছিল। বর্তমানে সেগুলো পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সরদার মোস্তফা শাহীন জানিয়েছেন, কার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় খাতাগুলো মাঠে গেল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।