জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসনে বিএনপির প্রার্থী কে, দেখে নিন

ডিপি প্রতিবেদন
ডিপি প্রতিবেদন
প্রকাশ: ৩ নভেম্বর, ২০২৫ | রাত ৯:১৮
আপডেট: ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ | ভোর ৫:২০
বিএনপির প্রার্থী - ১৩ তম সংসদ নির্বাচন
বিএনপির প্রার্থী - ১৩ তম সংসদ নির্বাচন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ২৩৭ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩০০ আসনের মধ্যে বাকিগুলো জোটের শরিকদের জন্য এবং কিছু আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করার জন্য রাখা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন।

তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন (ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩) থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 

এই ঘোষণার আগে, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক জরুরি বৈঠকে বসে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে পারে এবং নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির প্রার্থীর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো–





















সর্বশেষ
জনপ্রিয়

রাজনীতি থেকে আরো

আরো দেখুন
সজিব ওয়াজেদ
সজীব ওয়াজেদ জয়ের অজানা তথ্য ফাঁস করলো জুলকারনাইন সায়ের

পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের গোপন বিবাহ বিচ্ছেদের খবর এবং বিপুল অঙ্কের খোরপোষের তথ্য ফাঁস করে রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন প্রবাসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। আজ বুধবার (২০ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক চাঞ্চল্যকর পোস্টে তিনি এই গোপন নথির কিছু অংশ সামনে আনেন। জুলকারনাইন তার পোস্টে লিখেছেন, তিনি সাধারণত এসব ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কাজ করেন না। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে পলাতক স্বৈরাচার ও তার দোসরদের আস্ফালন দেখেই সাধারণ মানুষকে আসল সত্যটা জানানোর তাগিদ অনুভব করেছেন। এই পোস্টে তিনি জয়ের সাবেক স্ত্রী ক্রিস্টিনা ওয়াজেদের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের সেটেলমেন্ট চুক্তির দুটি পাতা প্রকাশ করেন। সম্পূর্ণ ৩৪৬ পাতার বিশাল এক নথির মধ্যে ২২ পাতার মূল চুক্তির অংশবিশেষ এটি। এই নথির তথ্য অনুযায়ী, জয় তার সাবেক স্ত্রীকে এককালীন ১০ লাখ (১ মিলিয়ন) ডলার দেবেন, যা ২০২৫ সালের ১ জুনের মধ্যে করমুক্ত অবস্থায় শোধ করার কথা বলা হয়েছে। চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, শুধু এককালীন অর্থই নয়, ২০২৪ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত আগামী ১০ বছর ধরে প্রতি মাসে ক্রিস্টিনাকে ২০ হাজার ডলার করে খোরপোষ দেবেন তিনি। হিসাব অনুযায়ী, এই ১০ বছরে মোট ২৪ লাখ ডলার দিতে হবে তাকে। আমাদের পোর্টালের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এই নথির সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি কেবল বিচ্ছেদের খবর নয়, বরং এর পেছনের বিশাল অর্থের উৎস এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক। জুলকারনাইন তার পোস্টে একটি বড় প্রশ্ন তুলেছেন এত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জয় কীভাবে আয় করলেন? নথিতে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সামিট কমিউনিকেশনের সঙ্গে তার মালিকানার অংশীদারিত্বের বিষয়টিও উঠে এসেছে। আমরা জানি, গত সরকারের আমলে সামিট গ্রুপ সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। সেই গ্রুপের সঙ্গে খোদ প্রধানমন্ত্রীর ছেলের ব্যবসায়িক সম্পর্ক সরাসরি স্বার্থের সংঘাত এবং ক্ষমতার অপব্যবহারকেই সামনে নিয়ে আসে। এত এত ট্রাস্টের নেপথ্যে জমানো এই বিশাল অর্থের উৎস নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখন বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পোস্টের শেষ অংশে এই সাংবাদিক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই পুরো নথিতে এমন আরও অনেক ভয়ংকর তথ্য লুকিয়ে আছে। সেগুলো যখন একে একে সামনে আসবে, তখন বুক ফুলিয়ে দেশে ফেরার খোয়াবের বদলে তাদের একটাই কথা মনে হবে 'ধরণী দ্বিধা হও'।

অনলাইন ডেস্ক ২০ মে, ২০২৬ 0
ncp

এনসিপিতে বড় রদবদল: বাদ পড়ছে মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ

৯ম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির

বিএনপির প্রার্থী - ১৩ তম সংসদ নির্বাচন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসনে বিএনপির প্রার্থী কে, দেখে নিন

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৭ রাজনৈতিক দলের বৈঠক

আজ ২ সেপ্টেম্বর  বিকেলে আরও ৭টি দলের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে বসবেন।   বিকেল ৫টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বৈঠকের সময় নিশ্চিত করেছেন তবে আমন্ত্রিত দলগুলোর নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।    এর আগে গত রবিবার ড. ইউনূস বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছিলেন। সেই আলোচনায় জাতীয় নির্বাচন ও সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলগুলোর সঙ্গে মতপার্থক্যের কোনো সমাধান হয়নি। দলগুলো নিজ নিজ পূর্ববর্তী অবস্থানেই অটল থাকে।   আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছেন। এছাড়া তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই এবং এর বাইরে অন্য কোন চিন্তা দেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

ডিপি প্রতিবেদন ৬ অক্টোবর, ২০২৫ 0