এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত জানুন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২ নভেম্বর, ২০২৫ | সন্ধ্যা ৬:৫৯
আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ভোর ৪:১৯
এমপিভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত
এমপি ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন জাতীয় পে কমিশন

সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা চার লাখের সমান। বর্তমানে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা "জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫" অনুযায়ী বেতন পান।  জানার বিষয় হলো একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি কি পরিমান টাকা বেতন হিসেবে পান। তবে  বাস্তবতা হলো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত নানান বৈষম্য নিয়ে প্রতিনিয়ত বর্তমানে সরকারের নিকট আন্দোলন চলমান। জানা যাক এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত। অর্থাৎ একজন এমপিওভুক্ত স্কুল বা কলেজের শিক্ষকের বেতন কত টাকা এবং বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য কি সুযোগ-সুবিধা পান।  


এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কারা? 

এমপিও (MPO) হলো Monthly Pay Order। এটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (যেমন: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক ভিত্তিতে বেতন-ভাতা প্রদানের একটি প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে মূল বেতনের শতভাগ এবং কিছু নির্দিষ্ট ভাতা পেয়ে থাকেন। 

যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত অর্থাৎ সরকারি তালিকাভুক্ত সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হয়,  এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি শিক্ষক নিয়োজিত থাকেন । তবে মনে রাখা ভালো সব শিক্ষকই এমপিও ভুক্ত নন। অর্থাৎ একজন শিক্ষককে এমপিও ভুক্ত হতে হলে NTRCA নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। 

কিন্তু একটা জিনিস অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে , এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং একজন একজন সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষক এক নন। সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষকরা সরকারি কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা পান এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে সরকারি। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হলেও সরকারের কাছ থেকে আংশিক আর্থিক সহায়তা পান। আর এই বৈষম্যের কারণেই সর্বশেষ এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা বেতন ভাতা নিয়ে বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছেন। 

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন- শিক্ষাস্তর অনুযায়ী পদের নাম ও বেতন গ্রেড

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো তাদের পদের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় বেতন স্কেলের বিভিন্ন গ্রেডে নির্ধারিত হয়।

১. এমপিওভুক্ত স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন কত?

পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়)
সহকারী শিক্ষক (বি.এড) গ্রেড ১১ ১২,৫০০ - ৩০,২৩০
সহকারী শিক্ষক (বি.এড ছাড়া) গ্রেড ১২ ১১,৩০০ - ২৭,৩০০
সিনিয়র শিক্ষক (১০ বছর পূর্তিতে) গ্রেড ১০ ১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০
সহকারী প্রধান শিক্ষক / সহকারী সুপার গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০
প্রধান শিক্ষক / সুপার গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০

দ্রষ্টব্য: উচ্চতর গ্রেড (সাধারণত ৬ষ্ঠ গ্রেড) পাওয়ার সুযোগও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রয়েছে।

২. এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত? 

পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়)
প্রভাষক গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০
সহকারী অধ্যাপক (পদোন্নতিতে) গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০
সহযোগী অধ্যাপক গ্রেড ৬ ৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০
অধ্যক্ষ গ্রেড ৫ / ৪ ৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ / ৫০,০০০ - ৭১,২০০

মূল বেতনের বাইরে যা পান (ভাতা)

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ভাতা পান, যা সরকারি চাকরিজীবীদের থেকে ভিন্ন:

  1. বাড়ি ভাড়া ভাতা মাসিক ১,০০০ টাকা (স্থির)।
  2. চিকিৎসা ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা (স্থির)।
  3. উৎসব ভাতা: শিক্ষক: মূল বেতনের ২৫% (বছরে দুবার)। কর্মচারী: মূল বেতনের ৫০% (বছরে দুবার)।
  4. বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের ২০% (বছরে একবার)।
  5. বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: মূল বেতনের ৫% (বছরে একবার)।

বেতন থেকে যা কর্তন করা হয়

প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে মোট ১০% অর্থ কর্তন করা হয়, যা তাদের অবসরকালীন সুবিধার জন্য জমা থাকে।

  • অবসর সুবিধা বোর্ড মূল বেতনের ৬%।

  • কল্যাণ ট্রাস্ট: মূল বেতনের ৪%।


জাতীয় পে স্কেল ২০১৫


এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের সাথে মূল পার্থক্য

যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত, তবে তাদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের বেতন এবং ভাতার ক্ষেত্রে বেশ পার্থক্য রয়েছে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকদের মাঝে আলোচনার বিষয়। সরকারি শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া হিসেবে পান মূল বেতনের ওপর নির্দিষ্ট হারে (শহর বা গ্রাম ভেদে ৪০-৬০%), যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ১,০০০ টাকা। চিকিৎসা ভাতা হিসেবে পান ফিক্সড ১,৫০০ টাকা, যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ৫০০ টাকা। অন্যদিকে উৎসব ভাতা  পান মূল বেতনের ১০০%, যেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পান মাত্র ২৫%।

এই পার্থক্যগুলো নিরসনের দাবিতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকরা বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছেন। সর্বশেষে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংগঠন- এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের প্রতিনিধিদল। তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা করাসহ ১০ দাবি প্রস্তাব দিয়েছেন।

 

শিক্ষা থেকে আরো

আরো দেখুন
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও

জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত।  এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন। তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে। আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে: অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি। যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

দিগন্ত প্রতিবেদন ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ 0
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের বেতন ভাতার বিল জমা দেয়ার নির্দেশ মাউশির

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের বেতন ভাতার বিল জমা দেয়ার নির্দেশ মাউশির

এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা

এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা

কাল শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নিবে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী
কাল শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নিবে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী

আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা । সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে। এ বছর মোট ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী এই শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে অংশ নিচ্ছে।  আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, এবারের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২১ হাজার ১১৮ জন। দেশের ৩ হাজার ৯০২টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৪২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় বসছে। প্রথম দিন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবার কেন্দ্রের প্রবেশপথ সকাল সাড়ে ৮টায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। ২০ মে পর্যন্ত তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদক ২০ এপ্রিল, ২০২৬ 0
এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য হালনাগাদ না হলে বেতন জটিলতার আশঙ্কা

এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য হালনাগাদ না হলে বেতন জটিলতার আশঙ্কা

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ইএফটি এ পাঠাতে নতুন নির্দেশনা

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ইএফটি এ পাঠাতে নতুন নির্দেশনা

পাবলিক পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা থাকছে না

পাবলিক পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা চালু হচ্ছে না: শিক্ষামন্ত্রী

নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি তথ্যকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ইন্টারনেটে দাবি করা হচ্ছে যে, ‘নকল বন্ধে এবার পরীক্ষার আগে রুটিন দেওয়া হবে না এবং কোন বিষয়ে পরীক্ষা হবে তা কেবল পরীক্ষার হলে গিয়েই জানা যাবে।’ তবে এই তথ্যটি সম্পূর্ণ অত্য ও ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরীক্ষার রুটিন নিয়ে যে খবরটি ছড়ানো হচ্ছে তা নিছক একটি গুজব। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। মূলত শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরীক্ষার রুটিন যথাসময়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় এবং এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা কোনো ভুঁইফোড় অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত এই ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। বিবরণীতে আরও বলা হয়, সরকারি কোনো ঘোষণা বা রুটিন পরিবর্তনের খবর জানতে সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অথবা শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করাই শ্রেয়। কোনো ভিত্তিহীন সংবাদ শেয়ার করে গুজব ছড়াতে সহায়তা না করার জন্যও জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মনোযোগী হতে এবং কোনো ধরণের গুজবে কান দিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট না করতে। পরীক্ষার রুটিন এবং আনুষঙ্গিক তথ্য বোর্ডগুলোর নিয়মিত নিয়ম অনুযায়ীই সম্পন্ন হবে। বাসস 

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবি গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট

এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত হতে পারে?

ডাকসু ভিপির বেতন

ডাকসু ভিপি-জিএস এর বেতন কত? কি কি সুবিধা পান

এমবিবিএস-বিডিএসের ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ

এমবিবিএস-বিডিএসের ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু , আবেদনের নিয়ম