১ জুলাই থেকে লেনদেনে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করলো সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ মে, ২০২৬ | সন্ধ্যা ৬:৯
আপডেট: ১৬ মে, ২০২৬ | সন্ধ্যা ৬:১০
Bangla QR

আগামী ১ জুলাই থেকে দেশে টাকা লেনদেনের নিয়মে আসছে বড় পরিবর্তন। এখন থেকে টাকা ট্রান্সফার বা কেনাকাটার বিল মেটানোর ক্ষেত্রে ‘বাংলা কিউআর’ কোডের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার। মূলত দেশজুড়ে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ‘ক্যাশলেস’ সমাজ গড়তে এবং কাগুজে নোট ছাপানোর বিপুল খরচ বাঁচাতেই এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের মুদ্রানীতি কেমন হবে, তা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত জানতেই এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ক্যাশলেস বা ডিজিটাল লেনদেনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "আগামী জুনের মধ্যে সবার অন্তত একটি লেনদেন হলেও বাংলা কিউআরের মাধ্যমে করা উচিত।"

নগদ টাকার বদলে ডিজিটাল লেনদেনে জোর দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে গভর্নর জানান, প্রতি বছর দেশে শুধু কাগজের নোট ছাপাতেই সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। মানুষ যদি ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, তবে এই খরচের অর্ধেক অর্থাৎ অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা অনায়াসেই বাঁচানো সম্ভব।

এই সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক। বাংলা কিউআর হলো এমন একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে একটি মাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করে যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (যেমন: বিকাশ, নগদ, রকেট) মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়। এটি চালু হলে মুদি দোকান বা ছোট ব্যবসায়ীদের আলাদা আলাদা কোম্পানির কিউআর কোড ঝোলাতে হবে না। এতে সাধারণ মানুষের নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি কমবে। আর নোট ছাপানোর ১০ হাজার কোটি টাকা বেঁচে গেলে তা জনকল্যাণে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।

সভায় খুলনার ব্যবসায়ীরা কৃষকদের ঋণ পাওয়া এবং ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার পথে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এর জবাবে গভর্নর কৃষক ঋণ এবং সম্প্রতি আলোচিত পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার বিষয়েও কথা বলেন।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চমৎকার উদ্যোগটি শতভাগ সফল করতে বড় চ্যালেঞ্জ হবে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্মার্টফোন এবং নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনা। প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের অভ্যস্ত করতে না পারলে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’-এর সুফল প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছাবে না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার নির্বাহী পরিচালক মো. রুকনুজ্জামান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং মুদ্রানীতি নিয়ে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ সালাহ্উদ্দিন নাসের।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

অর্থনীতি ও বাণিজ্য থেকে আরো

আরো দেখুন
Bangla QR
১ জুলাই থেকে লেনদেনে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করলো সরকার

আগামী ১ জুলাই থেকে দেশে টাকা লেনদেনের নিয়মে আসছে বড় পরিবর্তন। এখন থেকে টাকা ট্রান্সফার বা কেনাকাটার বিল মেটানোর ক্ষেত্রে ‘বাংলা কিউআর’ কোডের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার। মূলত দেশজুড়ে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ‘ক্যাশলেস’ সমাজ গড়তে এবং কাগুজে নোট ছাপানোর বিপুল খরচ বাঁচাতেই এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের মুদ্রানীতি কেমন হবে, তা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত জানতেই এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ক্যাশলেস বা ডিজিটাল লেনদেনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "আগামী জুনের মধ্যে সবার অন্তত একটি লেনদেন হলেও বাংলা কিউআরের মাধ্যমে করা উচিত।" নগদ টাকার বদলে ডিজিটাল লেনদেনে জোর দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে গভর্নর জানান, প্রতি বছর দেশে শুধু কাগজের নোট ছাপাতেই সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। মানুষ যদি ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, তবে এই খরচের অর্ধেক অর্থাৎ অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা অনায়াসেই বাঁচানো সম্ভব। এই সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক। বাংলা কিউআর হলো এমন একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে একটি মাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করে যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (যেমন: বিকাশ, নগদ, রকেট) মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়। এটি চালু হলে মুদি দোকান বা ছোট ব্যবসায়ীদের আলাদা আলাদা কোম্পানির কিউআর কোড ঝোলাতে হবে না। এতে সাধারণ মানুষের নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি কমবে। আর নোট ছাপানোর ১০ হাজার কোটি টাকা বেঁচে গেলে তা জনকল্যাণে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে। সভায় খুলনার ব্যবসায়ীরা কৃষকদের ঋণ পাওয়া এবং ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার পথে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এর জবাবে গভর্নর কৃষক ঋণ এবং সম্প্রতি আলোচিত পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার বিষয়েও কথা বলেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চমৎকার উদ্যোগটি শতভাগ সফল করতে বড় চ্যালেঞ্জ হবে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্মার্টফোন এবং নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনা। প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের অভ্যস্ত করতে না পারলে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’-এর সুফল প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার নির্বাহী পরিচালক মো. রুকনুজ্জামান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং মুদ্রানীতি নিয়ে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ সালাহ্উদ্দিন নাসের।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ মে, ২০২৬ 0

দেশের বাজারে আজ সোনার পাশাপাশি বড় পতন রুপার দামেও

ডিম

ডিমের দাম বাড়ল ডজনে ৩০ টাকা

মুরগী

সোনালীর কেজি ৩৫০, ব্রয়লার ২০০: বাজারে চরম অস্বস্তিতে ক্রেতারা

দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, জানুন আজকের রেট কত

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় পতন হওয়ায় দেশের বাজারেও এর সুফল পাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের খরচ হবে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল পর্যন্ত এই মানের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে 'তেজাবি' বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ার কারণেই দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাজুসের নতুন বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, আজ থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেট সোনা কেনা যাচ্ছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি নেমে এসেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকায়। তবে সোনার দাম ক্রেতাদের স্বস্তি দিলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের দামেই ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ত্রিমুখী উত্তেজনার জেরে বেশ কিছুদিন ধরেই বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছিল লাগামছাড়া। তবে আন্তর্জাতিক নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম 'গোল্ডপ্রাইস'-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে এখন প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬০০ ডলারে নেমে এসেছে। বিশ্ববাজারের এই শীতল হওয়ার প্রভাবই সরাসরি পড়েছে দেশের বাজারে। অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, বিয়ের এই ভরা মৌসুমে সোনার দাম কমার খবরটি সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য দারুণ স্বস্তির। দীর্ঘদিন ধরে সোনা আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি থাকায় অনেকেই গয়না কেনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন বা বাজেট কাটছাঁট করছিলেন। ভরিপ্রতি দুই হাজার টাকার বেশি এই দরপতন খুচরা বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়াবে। বিশ্ববাজারের এই পড়তি ধারা যদি অব্যাহত থাকে, তবে সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের গয়না কেনার স্বপ্ন আরও কিছুটা সহজ হতে পারে।

অর্থনীতি ডেস্ক ১৫ মে, ২০২৬ 0

চাল-ডাল ও চিনিতে কর নিয়ে যা জানালো এনবিআর

বাংলাদেশ ব্যাংক

ব্যবসায়ীদের চাপ কমাতে ঋণের জরিমানা সুদ কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক

এবার ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

এবার ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

বাইকের মালিকদের জন্য দুঃসংবাদ, দিতে হবে নতুন কর
বাইকের মালিকদের জন্য দুঃসংবাদ, দিতে হবে নতুন কর

দেশজুড়ে চলা লাখ লাখ মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) বসানোর পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে উচ্চ সিসি বা অধিক ইঞ্জিন ক্ষমতাসম্পন্ন গাড়ির বিদ্যমান অগ্রিম আয়করও বাড়ানোর চিন্তা করছে সংস্থাটি। নতুন এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে দেশের কোটি মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ব্যয়ে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১১ মে) অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বাজেটবিষয়ক এক সভায় এ প্রস্তাব তুলে ধরেছে এনবিআর। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যানবাহন নিবন্ধনের সময় আদায়কৃত রোড ট্যাক্সের পাশাপাশি মোটরসাইকেলের ওপর নতুন অগ্রিম আয়কর আরোপের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এনবিআরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মূলত উচ্চ সিসি বা দামি মোটরসাইকেল এবং বিলাসবহুল যানবাহনের মালিকদের করের আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, “লাক্সারি সেগমেন্ট থেকে রাজস্ব বাড়ানোই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।” সূত্র জানায়, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল নতুন এই করের বাইরে থাকতে পারে। তবে ১১১ থেকে ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতার বাইকের জন্য বছরে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের চিন্তা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৮ লাখের বেশি। এছাড়া দেশে ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি এসইউভি গাড়ি রয়েছে। এনবিআরের তদন্তে ৩ হাজার সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতার অন্তত ৫ হাজার ২৮৮টি বিলাসবহুল গাড়ির তথ্যও উঠে এসেছে। শুধু মোটরসাইকেল নয়, ‘বাংলা টেসলা’ নামে পরিচিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকেও করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে এনবিআর। প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত রিকশাকে বছরে ৫ হাজার টাকা, পৌরসভা এলাকায় ২ হাজার টাকা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মোটরসাইকেল এখন আর শুধু বিলাসপণ্য নয়। রাইড-শেয়ারিং কর্মী, ডেলিভারি রাইডার, বিক্রয় প্রতিনিধি, ওষুধ সরবরাহকারীসহ অসংখ্য নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করেন। ফলে সব ধরনের বাইকের ওপর কর চাপালে সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব পড়বে। ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা বাইকার আলী আহমেদ বলেন, “আয় কমে গেছে, খরচ বেড়েছে। এখন যদি আবার প্রতি বছর ট্যাক্স দিতে হয়, তাহলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে।” অন্যদিকে এনবিআরের আয়কর নীতি বিভাগের সাবেক সদস্য সৈয়দ মো. আমিনুল করিম মনে করেন, উচ্চমূল্যের মোটরসাইকেলের ওপর কর আরোপ যৌক্তিক হতে পারে। তবে কম আয়ের মানুষের ব্যবহৃত বাইককে করের আওতায় আনা উচিত হবে না বলেও মত দেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের কর-জিডিপি অনুপাত কমে যাওয়ায় নতুন নতুন খাত থেকে রাজস্ব বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তবে কর আরোপের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তবতাও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১২ মে, ২০২৬ 0
দুই সপ্তাহে ডিমের দাম ডজনপ্রতি বেড়েছে ২৫ টাকা

দুই সপ্তাহে ডিমের দাম ডজনপ্রতি বেড়েছে ২৫ টাকা

ছবিঃ ইন্টারনেট

এক সপ্তাহেই কয়েক দফা পরিবর্তন, আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

স্বর্ণের দাম

টানা দ্বিতীয়বার কমল স্বর্ণের দাম