ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত না মেলায় আবারও বাড়তে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম। টানা দুই দিনের পতনের পর বৃহস্পতিবার (২১ মে) নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে জ্বালানি বাজার।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮১ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১০৫ দশমিক ৮৩ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৯৭ সেন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ২৩ ডলারে পৌঁছায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা থাকায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যেকোনো সময় আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে, এমন শঙ্কা থেকেই বাজারে চাপ বাড়ছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়ার খবর। এতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা আবারও তেলের বাজারে ঝুঁকির হিসাব কষতে শুরু করেছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রশ্নই আসে না। হোয়াইট হাউস থেকেও একই ধরনের কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেছেন, তিনি তড়িঘড়ি করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চান না। প্রয়োজন হলে আরও কয়েক দিন, এমনকি তার চেয়েও বেশি সময় অপেক্ষা করতে প্রস্তুত আছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা দীর্ঘ হলে শুধু জ্বালানি বাজার নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম পর্যন্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়ে।
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত না মেলায় আবারও বাড়তে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম। টানা দুই দিনের পতনের পর বৃহস্পতিবার (২১ মে) নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে জ্বালানি বাজার। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮১ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১০৫ দশমিক ৮৩ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৯৭ সেন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ২৩ ডলারে পৌঁছায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা থাকায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যেকোনো সময় আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে, এমন শঙ্কা থেকেই বাজারে চাপ বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়ার খবর। এতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা আবারও তেলের বাজারে ঝুঁকির হিসাব কষতে শুরু করেছেন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রশ্নই আসে না। হোয়াইট হাউস থেকেও একই ধরনের কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প আরও বলেছেন, তিনি তড়িঘড়ি করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চান না। প্রয়োজন হলে আরও কয়েক দিন, এমনকি তার চেয়েও বেশি সময় অপেক্ষা করতে প্রস্তুত আছেন। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা দীর্ঘ হলে শুধু জ্বালানি বাজার নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম পর্যন্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়ে।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে বিশ্ব জ্বালানি বাজারকে চরম অস্থিরতার মুখে ঠেলে দিয়েছে। যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসায়, সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে লাফিয়ে বেড়েছে, যা টালমাটাল বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক নতুন অশনিসংকেত। বাজারের পরিসংখ্যান বলছে, সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ০৩ ডলার বা ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়ে ১১১ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের একপর্যায়ে এই দাম ১১২ ডলার পর্যন্ত ছুঁয়েছিল, যা গত ৫ মের পর সর্বোচ্চ। একই চিত্র দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের ক্ষেত্রেও। সেখানে দাম ২ দশমিক ৩১ ডলার বেড়ে ১০৭ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত ৩০ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ রেকর্ড। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণেই গত এক সপ্তাহে তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, বাজারের এই অস্থিরতার মূল কেন্দ্রবিন্দু এখন মধ্যপ্রাচ্য। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ধারণা করা হচ্ছিল, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে হয়তো কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা হতে পারে, যার ফলে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ও জব্দের মতো ঘটনাগুলো কমে আসবে। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সেই আশার আলো অনেকটাই নিভিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উত্তপ্ত করে তুলেছে। আমিরাত সরকার জানিয়েছে, তাদের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার উৎস নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এটিকে তারা একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবেই বিবেচনা করছে। দেশটি এর কড়া জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার রাখে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে আসা তিনটি ড্রোন তারা সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এমন যেকোনো উসকানিমূলক পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রিয়াদ। আইজি মার্কেটসের বিশিষ্ট বিশ্লেষক টনি সাইক্যামোর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বলেন, সাম্প্রতিক এই ড্রোন হামলাগুলো একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি ইরানে নতুন করে কোনো সামরিক হামলা চালায়, তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল স্থাপনাগুলো বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে। কারণ, আত্মরক্ষার জবাবে ইরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলো পুরো অঞ্চলে প্রক্সি হামলা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, যা জ্বালানি সরবরাহকে সরাসরি ব্যাহত করবে। এরই মধ্যে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক বিস্ফোরক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করতে মঙ্গলবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই খবর প্রকাশের পরপরই বিশ্ববাজারে অস্থিরতা আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। শুধু মধ্যপ্রাচ্যই নয়, বিশ্ব জ্বালানি বাজারকে ভাবিয়ে তুলেছে রাশিয়ার তেল রপ্তানি নিয়ে তৈরি হওয়া নতুন অনিশ্চয়তাও। ট্রাম্প প্রশাসন সমুদ্রপথে রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞায় যে বিশেষ অব্যাহতি দিয়ে আসছিল, তার মেয়াদ আর বাড়ানো হয়নি। ফলে ভারতসহ যেসব দেশ এতদিন বিশেষ সুবিধায় রুশ তেল আমদানি করছিল, তাদের জ্বালানি নিরাপত্তাও এখন বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সব মিলিয়ে বৈশ্বিক এই সংকট নিয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রেস্টিজ ইকোনমিকসের জেসন শেঙ্কার এক গুরুতর সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ইরানকে ঘিরে এই সংঘাত যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি এক ভয়াবহ চাপ তৈরি হবে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার দীর্ঘ সময় উঁচু পর্যায়ে রাখতে বাধ্য হবে। আর এই পুরো পরিস্থিতির সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাবটি পড়বে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগের ওপর, যার প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী হবে সাধারণ মানুষ।
মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা কবে উদযাপিত হবে, তা নিয়ে সবার আগে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে তিউনিসিয়া ও তুরস্ক। দেশ দুটি নিশ্চিত করেছে যে, আগামী ২৭ মে তাদের দেশে ঈদুল আজহা পালিত হবে। আর এই হিসাব অনুযায়ী, কাল সোমবার (১৮ মে) শুরু হচ্ছে আরবি বর্ষপঞ্জিকার শেষ মাস জিলহজ। যেহেতু জিলহজ মাসের ১০ তারিখে কোরবানির ঈদ পালিত হয়, তাই ২৭ মে দিনটিকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তিউনিসিয়া এই ঘোষণা দিলেও তুরস্কের ঘোষণার পেছনের প্রক্রিয়াটি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। তুরস্ক সাধারণত খালি চোখে চাঁদ দেখার ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব-নিকাশের ওপর ভিত্তি করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করে থাকে। সমাজ ও ধর্মতাত্ত্বিক বিশ্লেষকদের মতে, চাঁদ দেখা নিয়ে মুসলিম বিশ্বে যে প্রচলিত বিতর্ক রয়েছে, তুরস্কের এই বিজ্ঞাননির্ভরতা তার একটি আধুনিক সমাধান। তবে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এখনো খালি চোখে চাঁদ দেখার রেওয়াজকেই ধরে রেখেছে। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতও ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে নিজেদের পূর্বাভাস জানিয়েছে। দেশটির আবুধাবিভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র (আইএসি) বলেছে, গণনা অনুযায়ী আজ রোববার (১৭ মে) জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ থেকে টেলিস্কোপের সাহায্যে নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। আর সেই পূর্বাভাস সত্যি হলে, আগামী ২৭ মে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই পূর্বাভাস সাধারণ মানুষের জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সহায়ক। বিশেষ করে কোরবানির পশু কেনা, কর্মজীবীদের ছুটির পরিকল্পনা এবং ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশ মেলানোর ক্ষেত্রে এই আগাম তথ্য অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলে। তবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ উদযাপনের রেওয়াজ রয়েছে, তাই মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষাতেই থাকতে হবে দেশের মানুষকে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .