একদিকে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অন্যদিকে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে এখনো বইছে তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলায় বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে রয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং খুলনায় ৩৬ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আগামী কয়েকদিন দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তবে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে গরমের অনুভূতি এখনই পুরোপুরি কমছে না।
একদিকে বৃষ্টির পূর্বাভাস, অন্যদিকে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে এখনো বইছে তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলায় বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে রয়েছে। আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং খুলনায় ৩৬ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আগামী কয়েকদিন দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তবে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে গরমের অনুভূতি এখনই পুরোপুরি কমছে না।
রোববার (১৭ মে) রাত ১১টা থেকে সোমবার (১৮ মে) বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা ১৮ ঘণ্টা ঢাকা জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। মূলত পুরোনো গ্যাস পাইপলাইন বদলানোর কাজের জন্যই দীর্ঘ এই সময় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। তিতাস জানিয়েছে, পাইপলাইনের সংস্কার কাজের কারণে আমিনবাজার ডিআরএস থেকে নবীনগর পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশের এলাকায় গ্যাস থাকবে না। এর মধ্যে বলিয়ারপুর, হেমায়েতপুর, চামড়া শিল্পনগরী, সিংগাইর রোড, ফুলবাড়িয়া, নবীনগর, সাভার পৌর এলাকা, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, আশুলিয়া বাজার, গৌরীপুর, কুমকুমারী, রাজাশন, কলমা এবং এর আশপাশের সব এলাকার গ্রাহকরা এই ভোগান্তিতে পড়বেন। এই ১৮ ঘণ্টা উল্লিখিত এলাকাগুলোর আবাসিক বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার গ্যাস লাইন পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে। এছাড়া এসব এলাকার আশপাশের সংযোগগুলোতেও গ্যাসের চাপ বেশ কম থাকতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে কাজ শেষ হওয়ামাত্রই দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই সময়ে গ্রাহকদের বিকল্প ব্যবস্থা রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস না থাকা মানেই সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে বড় ধরনের ধাক্কা। বিশেষ করে রোববার রাতের বেলা থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত গ্যাস বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়বেন চাকরিজীবী ও স্কুলগামী বাচ্চাদের মায়েরা। সকালের নাশতা এবং দুপুরের খাবার তৈরি করতে না পারায় অনেকেই বাধ্য হয়ে রেস্তোরাঁ বা বিকল্প চুলার (সিলিন্ডার বা মাটির চুলা) ওপর নির্ভর করবেন, যা মানুষের দৈনন্দিন খরচ ও ভোগান্তি দুটিই বাড়াবে। অন্যদিকে, সাভার, আশুলিয়া ও হেমায়েতপুর দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প ও চামড়া শিল্পাঞ্চল। দীর্ঘ সময় গ্যাস না থাকায় এসব এলাকার শত শত কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে, যা অর্থনীতিতেও ছোটখাটো প্রভাব ফেলবে।
কোরবানির ঈদ সামনে আসতেই জামালপুরের পশুর খামারগুলোতে বেড়েছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড়। তবে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে এখন একটি গরু নাম তার ‘ক্রিস গেইল’। বিশাল আকৃতির এই গরুকে এক নজর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ। ৮০০ কেজি ওজনের গরুটি ঘিরে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। জামালপুর পৌর শহরের পাথালিয়া এলাকার ময়না এগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, গাঢ় লালচে-বাদামী রঙের বিশালদেহী গরুটি খামারের আলাদা আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। নেপালি ‘গির’ জাতের এই গরুর উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্য ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি। খামারে থাকা ২৬টি গরুর মধ্যে এটিকেই সবচেয়ে বেশি দেখতে আসছেন মানুষ। খামারের মালিক মো. দিয়া মিয়া জানান, তিন বছর আগে মাত্র ৬ মাস বয়সে ৬৫ হাজার টাকায় গরুটি কেনেন তিনি। ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের ভক্ত হওয়ায় নিজের প্রিয় খেলোয়াড়ের নামেই গরুটির নাম রাখেন ‘ক্রিস গেইল’। তিনি বলেন, “তিন বছর ধরে অনেক যত্ন করে গরুটাকে বড় করেছি। কখনো একটা বেত দিয়েও মারিনি। ওকে যখন খামার থেকে নিয়ে যাবে, তখন আমার কেমন লাগবে সেটা শুধু আমিই জানি।” সরেজমিনে দেখা গেছে, গরুটি কিছুটা রাগি স্বভাবের। অপরিচিত কেউ কাছে গেলে তেড়ে আসার চেষ্টা করে। তবে খামারের লোকজনের সঙ্গে বেশ শান্ত আচরণ করে। গরুটির গলায় ছোট ছোট কালো ও বাদামী দাগ রয়েছে, আর শিং দুটি ছোট ও পেছনের দিকে বাঁকানো। খামার সূত্রে জানা গেছে, ‘ক্রিস গেইলকে’ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়। প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে তাকে ১০ কেজি সাইলেজ, ৭ কেজি ঘাস এবং দেড় কেজি গমের ভুসি দেওয়া হয়। নিয়মিত গোসল ও বিশেষ যত্নও নেওয়া হয় তার। গরুটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মচারী ইমরান হোসেন বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই গরুর দেখাশোনা করি। এই গরুগুলোকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসি। ঈদের সময় যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন খুব খারাপ লাগে।” বর্তমানে ‘ক্রিস গেইল’-এর দাম চাওয়া হচ্ছে ৬ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে অনেক ক্রেতা গরুটি দেখতে এলেও প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করেননি মালিক দিয়া মিয়া। তিনি জানিয়েছেন, ভালো দাম পেলে তবেই বিক্রি করবেন, না হলে ঈদের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। গরুটি কিনতে আসা আব্বাস বেপারি বলেন, “গরুটি দেখতে খুব ভালো, মাংসও ভালো হবে। তবে মালিক যে দাম চাচ্ছেন, ওই দামে কিনে লাভ করা কঠিন।” জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ডা. এ.টি.এম হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ক্রিস গেইল’ সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং মেডিকেল টিম খামার পরিদর্শন করেছে। তিনি জানান, জেলায় মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে, যেখানে চাহিদা প্রায় ৮২ হাজার ১৫টি। অতিরিক্ত পশু দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যতিক্রমধর্মী নামের কারণে বড় আকৃতির গরুগুলো এখন কোরবানির বাজারে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করছে। এতে খামারিরা যেমন বাড়তি পরিচিতি পাচ্ছেন, তেমনি দেশীয় খামার শিল্পও নতুনভাবে উৎসাহিত হচ্ছে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .