মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের আকস্মিক উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে বেশ স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর একটি স্বস্তির ইঙ্গিত।
আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এখন নতুন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এর সরাসরি প্রভাব হিসেবে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৬০ ডলার ৩৯ সেন্টে নেমে এসেছে। তবে স্পট গোল্ডের দাম কমলেও জুন ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম সামান্য (শূন্য দশমিক ১ শতাংশ) বেড়ে ৪ হাজার ৫৬৩ ডলার ৫০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।
মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় ঘোষণার পরই বিশ্ববাজারে এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ তৈরি করতে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের পরিকল্পিত হামলা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। জানা গেছে, ইরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠানোর পরই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে আসার এই সিদ্ধান্ত নেয়। এই খবরের জেরে বিশ্ববাজারে শুধু স্বর্ণ নয়, জ্বালানি তেলের দামও ২ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
আমাদের পোর্টালের নিজস্ব অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও তেলের এই দরপতন বিশ্ব অর্থনীতি এবং আমাদের দেশের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর। সাধারণত যুদ্ধ বা সংকটের সময় মানুষ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ কিনে জমিয়ে রাখে, ফলে দাম হু হু করে বাড়ে। এখন যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কারণে স্বর্ণের দাম কমে আসছে। পাশাপাশি তেলের দাম কমায় আমদানি ব্যয় কমবে, যা সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতেও সাহায্য করবে।
দেখুনঃ আমাদের দেশের সোনা রুপার সর্বশেষ দাম
তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সোনার বাজারের ভবিষ্যৎ গতিবিধি বুঝতে বিনিয়োগকারীদের এখন মূল নজর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের এপ্রিল মাসের বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে। আগামীকাল বুধবার ওই গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যেখান থেকে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে ভবিষ্যৎ নীতির পরিষ্কার ইঙ্গিত মিলতে পারে।
এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও আজ বিশ্ববাজারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৬ দশমিক ৬৩ ডলারে নেমে এসেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৬৯ ডলার ৮৪ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪০১ ডলার ৭৪ সেন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের আকস্মিক উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে বেশ স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর একটি স্বস্তির ইঙ্গিত। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এখন নতুন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এর সরাসরি প্রভাব হিসেবে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৬০ ডলার ৩৯ সেন্টে নেমে এসেছে। তবে স্পট গোল্ডের দাম কমলেও জুন ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম সামান্য (শূন্য দশমিক ১ শতাংশ) বেড়ে ৪ হাজার ৫৬৩ ডলার ৫০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় ঘোষণার পরই বিশ্ববাজারে এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ তৈরি করতে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের পরিকল্পিত হামলা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। জানা গেছে, ইরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠানোর পরই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে আসার এই সিদ্ধান্ত নেয়। এই খবরের জেরে বিশ্ববাজারে শুধু স্বর্ণ নয়, জ্বালানি তেলের দামও ২ শতাংশের বেশি কমে গেছে। আমাদের পোর্টালের নিজস্ব অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও তেলের এই দরপতন বিশ্ব অর্থনীতি এবং আমাদের দেশের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর। সাধারণত যুদ্ধ বা সংকটের সময় মানুষ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ কিনে জমিয়ে রাখে, ফলে দাম হু হু করে বাড়ে। এখন যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কারণে স্বর্ণের দাম কমে আসছে। পাশাপাশি তেলের দাম কমায় আমদানি ব্যয় কমবে, যা সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতেও সাহায্য করবে। দেখুনঃ আমাদের দেশের সোনা রুপার সর্বশেষ দাম তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সোনার বাজারের ভবিষ্যৎ গতিবিধি বুঝতে বিনিয়োগকারীদের এখন মূল নজর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের এপ্রিল মাসের বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে। আগামীকাল বুধবার ওই গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যেখান থেকে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে ভবিষ্যৎ নীতির পরিষ্কার ইঙ্গিত মিলতে পারে। এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও আজ বিশ্ববাজারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৬ দশমিক ৬৩ ডলারে নেমে এসেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৬৯ ডলার ৮৪ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪০১ ডলার ৭৪ সেন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।
মুসলিম উম্মাহর জন্য এক আনন্দঘন ও পবিত্র খবর। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আর এর মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত হয়ে গেল এবারের পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা ও কোরবানির ঈদের দিনক্ষণ। চাঁদ দেখার এই ঘোষণার ফলে দেশটিতে আগামী ২৭ মে (বুধবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আজ রোববার (১৭ মে) সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটির এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন অর্থাৎ আরাফাত দিবস পালিত হবে আগামী ৯ জিলহজ বা ২৬ মে (মঙ্গলবার)। সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে দেশটির আকাশে চাঁদ দেখার এই খবর নিশ্চিত করেছে। ওই পোস্টে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের আকাশে আজ রোববার ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে আজ রাত থেকেই বরকতময় জিলহজ মাসের গণনা শুরু হবে এবং আগামী ২৭ মে দেশটিতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ইসলামি শরিয়ত ও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জমায়েত পবিত্র হজের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়। আগামী ২৫ মে থেকে পবিত্র মক্কায় হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে তা চলবে কয়েকদিন ধরে। ধর্মীয় ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবে চাঁদ দেখার এই ঘোষণার সরাসরি একটি প্রভাব রয়েছে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ওপর। ভৌগোলিক কারণে সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে নতুন চাঁদ দেখা যায় এবং ঈদ পালিত হয়। সেই চিরাচরিত হিসাব অনুযায়ী, সৌদিতে ২৭ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। তবে বাংলাদেশে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ জানতে আগামীকাল সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক সভা পর্যন্ত দেশবাসীকে অপেক্ষা করতে হবে।
সম্প্রতি রবার্ট ‘১,০০০,০০০ কিং স্ক্র্যাচ গেম’ নামের একটি লটারি থেকে ৫০ হাজার ডলার (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ লাখ টাকার বেশি) জিতেছেন। এটি তার জীবনের ১৮তম লটারি জয়। জীবনে একবার লটারি জেতাই যেখানে রীতিমতো স্বপ্নের মতো, সেখানে একজন মানুষ যদি ১৮ বার লটারি জেতেন, তবে তাকে কী বলবেন? যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা রবার্ট বেভান ঠিক এমনই এক অবিশ্বাস্য ভাগ্যের অধিকারী। তবে চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, এতবার লটারি জিতে লাখ লাখ টাকা পেলেও তিনি মনে করেন, তার জীবনের আসল লটারি এই টাকা নয়, বরং তার স্ত্রী! বর্তমান যুগে যখন চারদিকে টাকার পেছনে মানুষের অন্ধ ছুটে চলা দেখি, তখন রবার্ট বেভানের এই গল্প আমাদের যেন নতুন করে ভাবতে শেখায়। মানুষ সাধারণত অর্থবিত্তকেই জীবনের চূড়ান্ত সফলতা বা ভাগ্য বলে মনে করে। কিন্তু ১৮ বার লটারি জিতেও একজন মানুষ যখন বলেন যে, তার আসল সম্পদ তার স্ত্রী ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন, তখন তা সমাজের জন্য একটি বড় বার্তা হয়ে দাঁড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই খবরটি এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার মূল কারণ হলো এর মানবিক দিক। এই গল্পটি সাধারণ মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে, ব্যাংক ব্যালেন্স যতই ভারী হোক না কেন, দিন শেষে ভালোবাসার বন্ধন এবং বিশ্বস্ত একজন জীবনসঙ্গীই মানুষের প্রকৃত মানসিক শান্তির জায়গা। রবার্টের এই জীবনবোধ হয়তো অনেককেই তাদের সম্পর্কের মূল্য নতুন করে বুঝতে সাহায্য করবে। আইডাহো লটারি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, রবার্টের এই লটারি জেতার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। সেবার একটি বিশেষ প্রচারণায় তিনি শেভ্রোলেট ব্লেজার ব্র্যান্ডের একটি গাড়ি জিতেছিলেন। এরপর গত ২৯ বছরে ছোটখাটো নগদ অর্থ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দুই লাখ ডলার পর্যন্ত লটারি জিতেছেন তিনি। কিন্তু এতবার জেতার রহস্য কী? লটারি কর্তৃপক্ষের এমন প্রশ্নের জবাবে রবার্ট যা বলেছেন, তা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। মৃদু হেসে রবার্ট জানান, লটারি থেকে টাকা জেতা তার কাছে খুব বড় কিছু নয়। তার কথায়, "এই অসাধারণ নারীর (স্ত্রী) সঙ্গে কাটানো ৪০টি বছরই আমার জীবনের আসল ভাগ্য।" লটারি কেনা রবার্টের কাছে কখনোই টাকা আয়ের পথ ছিল না, বরং এটি ছিল তার বিনোদনের অংশ। বছরের পর বছর ধরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে লটারির টিকিট কেনা তাদের একধরনের মজার অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। এ বছর রবার্ট দম্পতি তাদের বিয়ের ৪০তম বার্ষিকী উদ্যাপন করছেন। আইডাহো লটারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবার্টের মতো মানুষদের কেনা লটারির টিকিটের টাকার একটি অংশ অঙ্গরাজ্যের সরকারি স্কুল ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনার উন্নয়নে কাজে লাগানো হয়। খবরঃ এনডিটিভি
By using this site, you agree to our Cookie Policy .