অর্থনীতি ও বাণিজ্য

বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যবসায়ীদের চাপ কমাতে ঋণের জরিমানা সুদ কমালো বাংলাদেশ ব্যাংক

ঋণের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ করতে না পারা গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ০ দশমিক ৫ শতাংশ হারে দণ্ড সুদ নিতে পারবে। আগে এই হার ছিল সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ শতাংশ। বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। পরে সেটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ বাড়ানো, উৎপাদনশীলতা ধরে রাখা এবং ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তি আংশিক বা পুরোপুরি বকেয়া হয়ে গেলে ওই সময়ের জন্য দণ্ড সুদ আরোপ করা যাবে। চলমান ঋণ ও তলবি ঋণের ক্ষেত্রে পুরো ঋণস্থিতির ওপর এবং মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে বকেয়া কিস্তির ওপর এই সুদ হিসাব করা হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই তা ০ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। এর আগে একই ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত দণ্ড সুদ নিতে পারত। ফলে নতুন সিদ্ধান্তে গ্রাহকদের অতিরিক্ত চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৮ মে জারি করা আগের সার্কুলারের কিছু অংশ সংশোধন করে এই নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে আগের বাকি নির্দেশনাগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এদিকে উচ্চ সুদের চাপের কারণে অনেক ব্যবসায়ী ও সাধারণ ঋণগ্রহীতা সাম্প্রতিক সময়ে কিস্তি পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছিলেন। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য অতিরিক্ত দণ্ড সুদ অনেক সময় বড় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দণ্ড সুদ কমানো হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ অতিরিক্ত জরিমানার ভয় কমলে অনেক গ্রাহক পুনরায় নিয়মিত কিস্তি পরিশোধে আগ্রহী হতে পারেন। তবে ব্যাংক খাতের কেউ কেউ বলছেন, শুধু দণ্ড সুদ কমালেই হবে না, ঋণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সঠিক তদারকিও নিশ্চিত করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৩ মে, ২০২৬ 0
এবার ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত
এবার ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

দেশে নগদবিহীন লেনদেন বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এবার ব্যাংকে সরাসরি না গিয়েই মোবাইল অ্যাপ, ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা ই-ওয়ালেট ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন গ্রাহকেরা। নতুন এই ‘ই-লোন’ সুবিধা চালুর অনুমতি পেয়েছে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। সোমবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যমে দেওয়া এই ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রাহক নির্বাচন থেকে ঋণ বিতরণ ও আদায় পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ ঋণ নিতে গ্রাহককে ব্যাংকে গিয়ে কাগজে সই করতে হবে না। বায়োমেট্রিক তথ্যের মাধ্যমেই পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই ঋণের সুদের হার বাজারভিত্তিক হবে। তবে কোনো ব্যাংক যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ অর্থায়ন সুবিধার আওতায় ঋণ দেয়, তাহলে সুদের হার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। গ্রাহকের তথ্য নিরাপদ রাখতে ওটিপি, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বা মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের ব্যক্তিগত ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য দেশের অভ্যন্তরে থাকা ডেটা ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণ করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এ সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে ব্যাংকগুলোকে অন্তত ৬ মাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাতে হবে। পরে সেই কার্যক্রমের সফলতার মূল্যায়ন প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আপাতত রিয়েল-টাইম সিআইবি সুবিধা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত ঋণ অনুমোদনে কিছুটা শিথিলতা থাকবে। তবে ঋণ বিতরণের পর অবশ্যই গ্রাহকের সিআইবি রিপোর্ট সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। এ জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের ফি নেওয়া যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, খেলাপি ঋণগ্রহীতারা কোনোভাবেই এই সুবিধা পাবেন না। কেউ তথ্য গোপন করে ঋণ নিলে পরে সিআইবি রিপোর্টে ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে দেশে দ্রুত অনলাইন আর্থিক সেবার চাহিদা বাড়ছে। নতুন এই ই-লোন ব্যবস্থা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও সহজে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অর্থনীতি ডেস্ক ১২ মে, ২০২৬ 0
বাইকের মালিকদের জন্য দুঃসংবাদ, দিতে হবে নতুন কর
বাইকের মালিকদের জন্য দুঃসংবাদ, দিতে হবে নতুন কর

দেশজুড়ে চলা লাখ লাখ মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) বসানোর পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে উচ্চ সিসি বা অধিক ইঞ্জিন ক্ষমতাসম্পন্ন গাড়ির বিদ্যমান অগ্রিম আয়করও বাড়ানোর চিন্তা করছে সংস্থাটি। নতুন এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে দেশের কোটি মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ব্যয়ে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১১ মে) অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বাজেটবিষয়ক এক সভায় এ প্রস্তাব তুলে ধরেছে এনবিআর। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যানবাহন নিবন্ধনের সময় আদায়কৃত রোড ট্যাক্সের পাশাপাশি মোটরসাইকেলের ওপর নতুন অগ্রিম আয়কর আরোপের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এনবিআরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মূলত উচ্চ সিসি বা দামি মোটরসাইকেল এবং বিলাসবহুল যানবাহনের মালিকদের করের আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, “লাক্সারি সেগমেন্ট থেকে রাজস্ব বাড়ানোই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।” সূত্র জানায়, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল নতুন এই করের বাইরে থাকতে পারে। তবে ১১১ থেকে ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতার বাইকের জন্য বছরে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের চিন্তা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৮ লাখের বেশি। এছাড়া দেশে ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি এসইউভি গাড়ি রয়েছে। এনবিআরের তদন্তে ৩ হাজার সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতার অন্তত ৫ হাজার ২৮৮টি বিলাসবহুল গাড়ির তথ্যও উঠে এসেছে। শুধু মোটরসাইকেল নয়, ‘বাংলা টেসলা’ নামে পরিচিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকেও করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে এনবিআর। প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত রিকশাকে বছরে ৫ হাজার টাকা, পৌরসভা এলাকায় ২ হাজার টাকা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মোটরসাইকেল এখন আর শুধু বিলাসপণ্য নয়। রাইড-শেয়ারিং কর্মী, ডেলিভারি রাইডার, বিক্রয় প্রতিনিধি, ওষুধ সরবরাহকারীসহ অসংখ্য নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করেন। ফলে সব ধরনের বাইকের ওপর কর চাপালে সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব পড়বে। ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা বাইকার আলী আহমেদ বলেন, “আয় কমে গেছে, খরচ বেড়েছে। এখন যদি আবার প্রতি বছর ট্যাক্স দিতে হয়, তাহলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে।” অন্যদিকে এনবিআরের আয়কর নীতি বিভাগের সাবেক সদস্য সৈয়দ মো. আমিনুল করিম মনে করেন, উচ্চমূল্যের মোটরসাইকেলের ওপর কর আরোপ যৌক্তিক হতে পারে। তবে কম আয়ের মানুষের ব্যবহৃত বাইককে করের আওতায় আনা উচিত হবে না বলেও মত দেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের কর-জিডিপি অনুপাত কমে যাওয়ায় নতুন নতুন খাত থেকে রাজস্ব বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তবে কর আরোপের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তবতাও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১২ মে, ২০২৬ 0
দুই সপ্তাহে ডিমের দাম ডজনপ্রতি বেড়েছে ২৫ টাকা
দুই সপ্তাহে ডিমের দাম ডজনপ্রতি বেড়েছে ২৫ টাকা

টানা বৃষ্টি আর ডিজেল সংকটের প্রভাবে দেশের ডিমের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে এখন প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খামারের লাল ডিম প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১২ টাকায়। সাদা ডিমের দাম প্রতি ডজন ১৪০ টাকা। অথচ দুই সপ্তাহ আগেও লাল ডিম বিক্রি হয়েছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা এবং সাদা ডিম ১২০ থেকে ১২৫ টাকার মধ্যে। মঙ্গলবার তেজগাঁও ডিমের পাইকারি বাজারে লাল ডিম প্রতি পিস বিক্রি হয়েছে ১০ টাকা ৮০ পয়সা এবং সাদা ডিম ১০ টাকায়। খামার পর্যায়ে লাল ডিমের দাম ছিল প্রতি পিস ১০ টাকা ৪০ পয়সা। শাহজাদপুরের ডিম বিক্রেতা আল আমিন বলেন, পাইকারি পর্যায়েই দাম বেড়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। খামারিদের অভিযোগ, টানা ভারী বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে ডিম উৎপাদন কমে গেছে। তারা বলছেন, গত ৮ থেকে ১০ দিনের বৃষ্টির কারণে খামারে পর্যাপ্ত আলো পাওয়া যাচ্ছে না, যা ডিম উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি ডিজেল সংকটের কারণে অনেক খামারেই জেনারেটর চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিআইএ) মহাসচিব এবং ইউনাইটেড অ্যাগ্রো কমপ্লেক্সের মালিক খন্দকার মোহাম্মদ মহসিন বলেন, তার খামারের ধারণক্ষমতা ১ লাখ ২০ হাজার লেয়ার মুরগির হলেও বর্তমানে তিনটি খামারে রয়েছে মাত্র ১৫ থেকে ১৭ হাজার মুরগি। তিনি বলেন, “ডিজেল সংকটের কারণে জেনারেটর চালানো যাচ্ছে না। তিন দিনের জন্য মাত্র ১০ লিটার ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, গত ৭ থেকে ৮ মাস ধরে খামারিরা উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করেছেন। যেখানে উৎপাদন খরচ প্রতি ডিমে ১০ থেকে ১০ টাকা ৫০ পয়সা, সেখানে দীর্ঘ সময় পাইকারিতে ডিম বিক্রি হয়েছে ৭ থেকে ৮ টাকায়। এতে লোকসানে পড়ে অনেক খামারি খামার বন্ধ করে দিয়েছেন বা উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছেন। মহসিন বলেন, “মেঘলা আবহাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ডিম উৎপাদন ১২ থেকে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। পর্যাপ্ত আলো না থাকলে মুরগির উৎপাদন কমে যায়।” বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বাপন দে বলেন, লেয়ার মুরগির জন্য প্রতিদিন অন্তত ১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। দিনের আলোর পাশাপাশি অতিরিক্ত কৃত্রিম আলোরও দরকার হয়। কিন্তু টানা মেঘলা আবহাওয়ায় পর্যাপ্ত আলো না পাওয়ায় মুরগির হরমোনে প্রভাব পড়ে এবং ডিম উৎপাদন কমে যায়। তিনি আরও বলেন, এ বছর স্বাভাবিক সময়ের আগেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। অনেক খামারি প্রস্তুত না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন। ডিমের হঠাৎ দাম বৃদ্ধিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। গুলশানের একটি বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহিদুল ইসলাম বলেন, “চাল, তেল, চিনি, মাছ-মাংস সবকিছুর দামই বেশি। ডিমটাই কিছুটা নাগালের মধ্যে ছিল, এখন সেটার দামও ডজনপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে গেছে।” বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং দীর্ঘদিনের লোকসানের কারণে খামার কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে সামনে ডিমের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১১ মে, ২০২৬ 0
ছবিঃ ইন্টারনেট
এক সপ্তাহেই কয়েক দফা পরিবর্তন, আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা।  আজ শনিবার (৯ মে) থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। নতুন দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা। এর আগে গত ৬ মে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় স্বর্ণের বাজারে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৬৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে, আর কমেছে ২৮ বার। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা সোনার মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবেই দেশের বাজারে বারবার দাম পরিবর্তন হচ্ছে।

অর্থনীতি ডেস্ক ৯ মে, ২০২৬ 0
স্বর্ণের দাম
টানা দ্বিতীয়বার কমল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গতকাল ২৮ এপ্রিল এক দফা দাম কমানোর পর আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) আবারও নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম আরও কমেছে, যা স্বর্ণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আজ থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকায়। এর আগে গতকাল ২৮ এপ্রিলও বাজুস এক দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। একদিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমায় বাজারে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। আরো দেখুনঃ স্বর্ণের দাম সর্বশেষ আপডেট স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও আংশিক পরিবর্তন এসেছে। বাজুস জানিয়েছে, শুধু ২২ ক্যারেট রুপার দাম কমানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। তবে ২১ ক্যারেট রুপা আগের মতোই ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বিক্রি হবে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের কারণে নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। টানা দুই দফা দাম কমায় সামনে বিয়ে ও উৎসব মৌসুমে স্বর্ণ কেনায় আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনীতি ডেস্ক ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ আন্সপ্লাশ
আবার কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমল ২,২১৬ টাকা

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে গত ২৩ এপ্রিলও স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও দর কমল। আজকের স্বর্ণের নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট - ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, ২১ ক্যারেট  - ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ২ লাখ ২০০ টাকা ১৩ টাকা ,, সনাতন পদ্ধতি -  ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। রুপার নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট -  ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট - ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট  - ৪ হাজার ৪৯১ টাকা , সনাতন পদ্ধতি - ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা বছরে কতবার বদলাল দাম চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩২ বার বেড়েছে, আর ২৫ বার কমেছে। গত বছর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ে এবং ২৯ বার কমে। দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর আগামী দিনের দর নির্ভর করবে।

অর্থনীতি ডেস্ক ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ 0
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম: ২৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিশ্ববাজার ও স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম কমায় প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা হ্রাস করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর আজ সোমবার ২৭ এপ্রিলও অপরিবর্তিত রয়েছে। আজকের স্বর্ণের দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট — ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা ২১ ক্যারেট — ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা ১৮ ক্যারেট — ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা সনাতন — ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা আজকের রুপার দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট — ৫ হাজার ৭১৫ টাকা ২১ ক্যারেট — ৫ হাজার ৪২৪ টাকা ১৮ ক্যারেট — ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা সনাতন — ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা বাজুস জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ বার বেড়েছে এবং ২৪ বার কমেছে। একই সময়ে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ৩৫ বার। গত ১৫ এপ্রিল দাম বাড়ানোর পর আবার কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

অর্থনীতি ডেস্ক ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ 0
হঠাৎ বাড়ল অফডকের ফুয়েল সারচার্জ, ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
হঠাৎ বাড়ল অফডকের ফুয়েল সারচার্জ, ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই বেসরকারি কনটেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডা ‘ফুয়েল সারচার্জ’ নামে নতুন মাশুল বাড়িয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে কারণ দেখিয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা হয়েছে। গত সোমবার স্টেকহোল্ডারদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে জানানো হয়, রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে নতুন এই চার্জ কার্যকর হবে। বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরের সহায়ক অংশ হিসেবে ২১টি বেসরকারি কনটেইনার ডিপো বা অফডক কাজ করছে। দেশের শতভাগ রপ্তানি পণ্য এবং ৬৪ ধরনের আমদানি পণ্যের হ্যান্ডলিং হয় এসব ডিপোতে। বছরে গড়ে ৩ লাখ আমদানি ও সাড়ে ৭ লাখ রপ্তানি কনটেইনার পরিচালনা করা হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যস্থতায় গঠিত ট্যারিফ কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোনো মাশুল বাড়ানো বা কমানোর সুযোগ নেই। কিন্তু বিকডা কোনো কমিটি বা ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা না করেই একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ঘটনায় তৈরি পোশাক খাতসহ আমদানি-রপ্তানিনির্ভর ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিজিএমইএসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিজিএমইএর পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব বলেন, বিকডা আলাদা কোনো সত্তা নয়, এটি বন্দরের অংশ। বন্দর, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি। এতে পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা উদ্বিগ্ন। বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, বিশ্ববাজারে আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও দেশের অন্য কোনো খাত এত দ্রুত বাড়তি চার্জ নেয়নি। অফডক কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মাশুল বাড়ানোর চিঠি দিয়েছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে বিকডার দাবি, এটি মাশুল বৃদ্ধি নয়, বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে ফুয়েল সারচার্জ আরোপ করা হয়েছে। বিকডার সেক্রেটারি রুহুল আমিন শিকদার বলেন, অফডকের যন্ত্রপাতি, লরি ও কনটেইনার পরিবহন সবই ডিজেলনির্ভর। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিচালন ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ হিসাব করে সাড়ে ৮ শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ট্যারিফ কমিটি থাকলেও তা দীর্ঘদিন কার্যকর হয়নি। হঠাৎ তেলের দাম বাড়ায় কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ২১ এপ্রিল, ২০২৬ 0
আজকের স্বর্ণের দাম: ২০ এপ্রিল ২০২৬
আজকের স্বর্ণের দাম: ২০ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নতুন করে কোনো পরিবর্তন আসেনি। গত ১৫ এপ্রিল নির্ধারিত দামেই আজও (২০ এপ্রিল ২০২৬) দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। এর ফলে টানা পাঁচ দিন ধরে একই দামে স্থিতিশীল রয়েছে মূল্যবান এই ধাতু। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ গত বুধবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, সবথেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম গত সপ্তাহের নির্ধারিত হারেই কার্যকর রয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম স্থিতিশীল থাকায় নতুন করে মূল্যবৃদ্ধি বা কমানোর প্রয়োজন মনে করছে না বাজুস।  আরো দেখুনঃ সোনার দাম সর্বশেষ আপডেট দেশের বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা।  এছাড়া প্রচলিত গহনা তৈরির জন্য জনপ্রিয় ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকায়। অন্যদিকে,  ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হচ্ছে ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা। এবং পুরনো ঐতিহ্যবাহী বা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায়। 

ডিপি প্রতিবেদন ২০ এপ্রিল, ২০২৬ 0
এপ্রিলের ১৮ দিনেই এল ১৯৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স; বেড়েছে ১৬ শতাংশ
এপ্রিলের ১৮ দিনেই এল ১৯৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স; বেড়েছে ১৬ শতাংশ

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৮ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ১ হাজার ৯৬৮ মিলিয়ন (১.৯৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধি ১৬.২ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৫ সালের এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৬৯৪ মিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় এ বছর প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার গতি বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুধু এপ্রিল মাসেই নয়, চলতি পুরো অর্থবছরেই (২০২৫-২৬) রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের শুরু (জুলাই) থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২৮ হাজার ১৭৭ মিলিয়ন (২৮.১৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ২৩ হাজার ৪৭৯ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয়ের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিও বেশ আশাব্যঞ্জক।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ধাক্কা, কমেছে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ধাক্কা, কমেছে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি

বিশ্বের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম দুই মাসেই (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) রপ্তানি কমেছে প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ। একদিকে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সংকট, অন্যদিকে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর উত্থান। এই দ্বিমুখী চাপে এখন দিশেহারা দেশের পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। মার্কিন শুল্ক বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ১৩৭ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ৮.৫ শতাংশ কম। উদ্বেগের বিষয় হলো, একই সময়ে চীন ও ভারতের রপ্তানি কমলেও ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ার ৪ শতাংশ। অর্থাৎ বাংলাদেশ যে বাজার হারাচ্ছে, তা দখল করে নিচ্ছে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো। কেন কমছে রপ্তানি? দেশীয় উদ্যোক্তাদের মতে, মার্কিন বাজারে রপ্তানি কমার পেছনে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের চেয়ে অভ্যন্তরীণ জটিলতাই বেশি দায়ী। নেক্সাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, "প্রতিযোগী দেশগুলো দ্রুত নীতিগত পরিবর্তন আনলেও আমাদের দেশে সেই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীর। আমরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে অনুকরণনির্ভর রয়ে গেছি।" এছাড়া গত কয়েক মাসে নিম্নোক্ত সমস্যাগুলো রপ্তানিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে: জ্বালানি ও উৎপাদন সংকট: গ্যাস-বিদ্যুতের তীব্র সংকট এবং ঈদের টানা ছুটির কারণে কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। লজিস্টিক সমস্যা: বন্দর জট এবং শিপমেন্টে বিলম্বের কারণে সঠিক সময়ে ক্রেতাদের কাছে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি: লোহিত সাগরে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির প্রভাবে শিপিং খরচ ও সময় দুই-ই বেড়েছে। বিকল্প পথ খুঁজছে বিজিএমইএ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু সোর্সিংয়ে বৈচিত্র্য আনার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, "সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন অনিশ্চয়তা। আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে হবে, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সোলার এনার্জিতে গুরুত্ব দিতে হবে যাতে উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।" বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, "রপ্তানিকারকদের টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ প্যাকেজ প্রয়োজন। স্বল্প সুদে ঋণ এবং প্রয়োজনে ঋণের কিস্তি পুনর্নির্ধারণ (রিশিডিউলিং) সুবিধা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।" উল্লেখ্য, বছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পোশাক আমদানিও প্রায় সাড়ে ১৩ শতাংশ কমেছে। বাজার যখন সংকুচিত হচ্ছে, তখন নিজের হিস্যা ধরে রাখা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ 0
আজকের স্বর্ণের দাম: ১৭ এপ্রিল ২০২৬
আজকের স্বর্ণের দাম: ১৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা থামছেই না। আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল), সারাদেশে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এর ১৫ এপ্রিলের নির্ধারিত নতুন দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। আপনি যদি বিয়ের গয়না কেনা বা এই খাতে বিনিয়োগের কথা ভাবেন, তবে আজকের সর্বশেষ রেটটি আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি। সর্বশেষ বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করেছিল। আজকের স্বর্ণের দাম: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ নিচে আজকের বাজারের সর্বশেষ দরের তালিকা দেওয়া হলো: ২২ ক্যারেট: ২,৫০,১৯৩ টাকা (প্রতি ভরি) ২১ ক্যারেট: ২,৩৮,৮২০ টাকা (প্রতি ভরি) ১৮ ক্যারেট :  ২,০৪,৭০৩ টাকা (প্রতি ভরি) সনাতন পদ্ধতি : ১,৬৬,৭৩৭ টাকা (প্রতি ভরি) দেখুনঃ সোনার দামের সর্বশেষ আপডেট স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কিছুটা বাড়তি। আজ ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬০৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫,৭৭৪টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪,৯৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (বিশুদ্ধ সোনা) সংকট দেখা দেওয়ায় বাজুস গত ১৫ এপ্রিল এই নতুন দাম ঘোষণা করে, যা আজ ১৭ এপ্রিলও কার্যকর রয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতার প্রভাব সরাসরি পড়ছে আমাদের দেশের বাজারে। আপনারা যারা আজ স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন, তারা দোকানে গিয়ে দামের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেবেন। কারণ গয়না কেনার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং নূন্যতম ৬% মজুরি যুক্ত করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারিত হয়। নির্ভরযোগ্য এবং হলমার্ক করা দোকান থেকে স্বর্ণ কেনাই আপনার জন্য নিরাপদ হবে।

ডিপি প্রতিবেদন ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ 0
দেশের রিজার্ভ দাড়ালো ৩৫.০৪ বিলিয়ন ডলারে
দেশের রিজার্ভ দাড়ালো ৩৫.০৪ বিলিয়ন ডলারে

আবারো বেড়েছে দেশের রিজার্ভ।  বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরেছে। ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।  তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব করলে এই চিত্র কিছুটা ভিন্ন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ-এর নির্ধারিত ‘বিপিএম-৬’ পদ্ধতি অনুসরণ করে বর্তমানে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০.৩৭ বিলিয়ন ডলারে। সাধারণত আমদানিসহ বিভিন্ন দায় মেটানোর সক্ষমতা যাচাইয়ে আইএমএফ-এর এই নিট রিজার্ভের হিসাবটিকেই বিশ্বব্যাপী বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ 0
অর্থ মন্ত্রনালয়
ভ্যাট থেকেই ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা আয়ের বিশাল লক্ষ্য সরকারের

দেশের অর্থনীতিতে রাজস্ব আদায়ের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে আবারও পরোক্ষ কর বা ভ্যাটের ওপরই ভরসা রাখতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শুধু ভ্যাট খাত থেকেই ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা আদায়ের একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্যমাত্রা মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক। মূলত আইএমএফ-এর ঋণের শর্ত পূরণ এবং রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতেই সরকার এই বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত এই বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান তৈরি এবং বর্তমানের প্রধান সমস্যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী বাজেটের আকার প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে আগামী অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে আয়কর থেকে ২ লাখ ২২ হাজার কোটি এবং শুল্ক খাত থেকে ৬৭ হাজার কোটি টাকা আসার কথা। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও কর আদায় না হওয়ায়, আগামী বছরের এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য অর্জন করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ আন্সপ্লাশ
১৬ এপ্রিল: আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

গতকাল ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশ জুয়েলারি এসোসিয়েশন - বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করেছেন। স্থানীয় বাজারে ১৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই দাম সারা দেশে কার্যকর হয়েছে। যা আজ ১৬ এপ্রিল চলমান রয়েছে।  বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন মানের স্বর্ণের দাম নিচে দেওয়া হলো:  সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২,৫০,১৯৩ টাকা, যা মূলত সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতার গহনা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রচলিত গহনা তৈরির জন্য ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৩৮,৮২০ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেট বা মিশ্র সোনার গহনার দাম এখন ২,০৪,৭০৩ টাকা। আর যারা পুরনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি বা সনাতন পদ্ধতির সোনা কিনতে চান, তাদের প্রতি ভরিতে গুনতে হবে ১,৬৬,৭৩৭ টাকা। দেখুনঃ সোনার দাম সর্বশেষ আপডেট এর আগে গত ০৯ এপ্রিল সকালে বাজুস স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। তখন ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। 

ডিপি প্রতিবেদন ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ 0
বাড়লো অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-ভ্যাট সিস্টেমে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আরও নয় দিন বাড়িয়ে দিয়েছে। এবার ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর বলেছে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সরকারি ছুটি এবং ই-ভ্যাট সিস্টেম আপগ্রেডেশনের কারণে সৃষ্ট প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা মাথায় রেখে জনস্বার্থে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২-এর ধারা ৬৪-এর উপধারা ১ক অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। ব্যবসায়ী মহলে এই সিদ্ধান্তকে স্বস্তির নিঃশ্বাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ নববর্ষের ছুটিতে অনেক ব্যবসায়ী ও হিসাবরক্ষক অফিসে ছিলেন না। তার ওপর ই-ভ্যাট সিস্টেমে প্রযুক্তিগত জটিলতা তো ছিলই। এখন অতিরিক্ত নয় দিন সময় পাওয়ায় রিটার্ন প্রস্তুত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া সহজ হবে। এনবিআর নতুন সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন দাখিল সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ 0
সোনার আংটি - ছবি পিক্সাবেই
রকেটের গতিতে বাড়লো স্বর্ণের দাম

ঢাকা ১৫ এপ্রিলঃ  দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম যেন রকেটের গতিতে বাড়ছে আবার হুটহাট কমে যাচ্ছে । সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া এই মূল্যবান ধাতুর দাম আবারও এক দফা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ ১৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই আকাশচুম্বী দাম কার্যকর করা হয়েছে। আপনি যদি এখন গয়না কেনার কথা ভাবেন, তবে পকেটের দিকে তাকিয়ে আরেকবার হিসেব কষে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন আড়াই লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আগে যেখানে ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ২,৪৭,৯৭৭ টাকা, এখন সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৫০,১৯৩ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি ভরিতেই দাম বেড়েছে ২ হাজার টাকার বেশি। এই মানের স্বর্ণ মূলত সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতার গহনা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়।  পিছিয়ে নেই অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও। প্রচলিত গহনা তৈরির জন্য জনপ্রিয় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২,৩৬,৭২১ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২,৩৮,৮২০ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট বা মিশ্র সোনার গহনার দাম ভরিপ্রতি ২,০২,৮৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০৪,৭০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এমনকি পুরনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির বা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও ১,৬৫,২৭৯ টাকা থেকে বেড়ে ১,৬৬,৭৩৭ টাকায় ঠেকেছে। স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতার জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতিকে দায়ী করছে বাজুস। বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকট এবং ডলারের দামের ওঠানামার কারণে স্থানীয় জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা এই নতুন দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছেন। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এখন স্বর্ণ কেনা একটি দুঃসাধ্য কাজে পরিণত হয়েছে। আপনারা যারা এই সময়ে স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন, তারা দোকানে যাওয়ার আগে বর্তমান রেটটি অবশ্যই ভালোভাবে জেনে নেবেন। বাজারের অবস্থা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই গয়না কেনার আগে অবশ্যই হলমার্ক করা স্বর্ণ কিনছেন কি না, সেটি যাচাই করে নিতে ভুলবেন না।

ডিপি প্রতিবেদন ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ ইন্টারনেট
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমলো কত?

ঢাকা, সোমবার: দেশের স্বর্ণবাজারে আজ স্বস্তির খবর এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নির্ধারিত নতুন দামে সব ধরনের সোনার দাম কমানো হয়েছে, ফলে ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ ১১ এপ্রিলের ঘোষণায়, ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২,৪৭,৯৭৭ টাকায়। এর আগে এই মানের সোনার দাম ছিল ২,৫২,৪০৯ টাকা। নতুন দামে প্রতি ভরিতে ৪,৪৩২ টাকা কমানো হয়েছে। একইভাবে ২১ ক্যারেট সোনার দাম আগের ২,৪০,৯২০ টাকা থেকে কমে ২,৩৬,৭২১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রতি ভরিতে ৪,১৯৯ টাকা কমেছে। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ২,০৬,৫১১ টাকা থেকে কমে এখন ২,০২,৮৯৫ টাকায় নেমেছে, যেখানে কমেছে ৩,৬১৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার ক্ষেত্রেও দাম কমেছে। আগের ১,৬৮,১৯৫ টাকা থেকে কমে এখন প্রতি ভরি ১,৬৫,২৮৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ২,৯০৬ টাকা কম। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে সামান্য পতন এবং ডলারের বিনিময় হার কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় দেশের বাজারে এই প্রভাব পড়েছে। এর ফলে দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ দামের কারণে অপেক্ষায় ছিলেন, তারা এখন কেনার দিকে ঝুঁকছেন। তবে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে আবারও দামের সমন্বয় হতে পারে।

ডিপি প্রতিবেদন ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ ইন্টারনেট
আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের বাজারে পুনরায় স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই নির্ধারিত দামে আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হবে। বাজুস জানিয়েছে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি বেড়ে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৯শ টাকা অতিক্রম করেছে। নতুন দাম অনুযায়ী সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা। সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি অর্থাৎ পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম বাড়াতে হয়েছে। তবে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির বিপরীতে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা রয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা রয়েছে। স্বর্ণের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ডিপি প্রতিবেদন ৪ এপ্রিল, ২০২৬ 0
তেলের সংকট এখনো নেই, তবে মূল্যে সিদ্ধান্ত আসছে শিগগিরই

দেশে এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের কোনো সরবরাহ সংকট তৈরি হয়নি বলে আশ্বস্ত করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সাথে তিনি জানিয়েছেন, উচ্চমূল্যে তেল কিনে সরবরাহ সচল রাখার এই ধারা দীর্ঘদিন টেকানো কঠিন, তাই সরকারি তহবিল ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানির দাম নিয়ে শিগগিরই একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে। শুক্রবার চট্টগ্রামে একটি স্কলারশিপ বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর গভীর আঘাত করেছে। বাংলাদেশ তার জ্বালানির একটি বড় অংশ ওই অঞ্চল থেকে আমদানি করে, তাই এই প্রভাব এখানেও অনিবার্যভাবে এসে পড়েছে। সরকার বাড়তি দামে বিভিন্ন বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে দেশের সরবরাহ চেইন সচল রেখেছে। সরকারি তহবিলে চাপ কমাতে মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের জ্বালানি ব্যবহারে ৩০ শতাংশ রেশনিং কার্যকর করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। আমির খসরু বলেন, 'জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ বিষয়ে কোনো আপস করার সুযোগ নেই।' তিনি আরও জানান, এই সংকট বাংলাদেশের একার নয়, আমেরিকাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশ একই চাপে রয়েছে। পুঁজিবাজার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগকে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

ডিপি প্রতিবেদন ৪ এপ্রিল, ২০২৬ 0
জনপ্রিয়
মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন মাত্র ২ মিনিটে!

আজকাল আইডি কার্ড ছাড়া কোনো কাজই চলে না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি কাজ—সবখানেই এনআইডি লাগে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন হঠাৎ এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় অথচ কার্ডটি সাথে থাকে না। এই বিপদে পড়লে আপনি কিন্তু চাইলে নিজের ফোন দিয়েই মাত্র ২-৩ মিনিটে মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারেন। মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম শুরুতেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি পোর্টালে (services.nidw.gov.bd) যেতে হবে। সেখানে 'রেজিস্ট্রেশন' অপশনে ক্লিক করে আপনার ভোটার স্লিপের নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি দিতে হবে। এরপর আপনার জন্ম তারিখটা সঠিকভাবে বসিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া তথ্যগুলো যেন আপনার ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্যের সাথে একদম মিলে যায়। পরের ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বাছাই করার পর আপনার মোবাইলে একটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি এখানে ব্যবহার করাই ভালো। মোবাইলে আসা কোডটি পোর্টালে বসিয়ে দিলেই আপনি অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পরের ধাপে যেতে পারবেন। এই পর্যায়ে এসে আপনাকে 'ফেস ভেরিফিকেশন' বা মুখ যাচাই করতে হবে। এর জন্য আপনার ফোনে আগে থেকে 'NID Wallet' নামের অ্যাপটি নামিয়ে রাখতে হবে। ব্রাউজারের কিউআর কোডটি ওই অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলেই আপনার ক্যামেরা চালু হবে। এরপর ক্যামেরার সামনে আপনার মুখটা একবার সোজা, একবার ডানে এবং একবার বামে ঘুরালে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাবে। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলেই আপনি আপনার প্রোফাইলে ঢুকে পড়বেন। সেখানে আপনার ছবি ও নাম দেখা যাবে। প্রোফাইলের নিচের দিকে একটা 'ডাউনলোড' লেখা অপশন পাবেন। এই ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের আসল কপিটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এরপরে এটি আপনি যেকোনো দোকান থেকে প্রিন্ট করে সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। এখন আর এনআইডির কপি পাওয়ার জন্য মেম্বার বা নির্বাচন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করার কোনো ঝামেলাই নেই। ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আপনি যখন-তখন আপনার পরিচয়পত্র বের করে নিতে পারছেন। 

বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে জেনে নিন

ফুটবল বিশ্ব সব সময়ই তর্কে মেতে থাকে এটা নিয়ে যে, বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ? পেলে নাকি ম্যারাডোনা? তবে বর্তমান যুগে সেই তর্কের ব্যাটন হাতে নিয়েছেন মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং হালান্ডরা। ফিফা র‍্যাংকিং, ব্যালন ডি'অর এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনা করলে দেখা যায়, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফুটবল বিশ্বে প্রতিনিয়তই নানান রকমের নাটকীয়তা দেখতে হয়, নতুন নতুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত,  নতুন স্টাইল এবং খেলার ধরন পরিবর্তন হয়, আর তাই প্রতিনিয়ত বিশ্বের সেরা ফুটবলার পরিবর্তন হয়। আজ আমরা আলোচনা করব বর্তমান সময়ের সেই সেরা ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে, যারা তাদের পরিসংখ্যান এবং জাদুকরী খেলা দিয়ে নিজেদের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১. লিওনেল মেসি লিওনেল মেসি একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল জাদুকর, যাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে আমেরিকার মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই মহাতারকা তার ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময় বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন।  কেন তিনি সেরা? কারণ, তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজের ক্যারিয়ার পূর্ণ করেছেন। মেসির ড্রিবলিং, ভিশন এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৮০০ এর বেশি গোল করেছেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রদানকারী। জন্য মেসিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার বলা হয়  ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো  ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজ পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। ১৯৮৫ সালে জন্মানো এই মহাতারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের হয়ে ইউরোপ শাসন করেছেন। বয়সকে হার মানিয়ে এখনো তিনি শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি ৫ বার ব্যালন ডি'অর এবং ৫ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তাঁর অদম্য মানসিকতা এবং ফিটনেস তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে তিনি সবার উপরে , অফিসিয়াল ম্যাচে ৯০০ এর বেশি গোল করার অবিশ্বাস্য মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন। ৩. কাইলিয়ান এমবাপ্পে  কাইলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক ফুটবলের গতি এবং কৌশলের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। তিনি ফরাসি লিগের ক্লাব পিএসজি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) এবং ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এমবাপ্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষিপ্র গতি এবং ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং তাঁকে ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। তিনি সর্বকালের সেরাদের পথে হাঁটছেন কারণ, মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান বলে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৩০০-এর বেশি গোল করেছেন এবং পিএসজির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪. আর্লিং হালান্ড  নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর 'গোলমেশিন' হিসেবে পরিচিত। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা হালান্ড তাঁর শারীরিক শক্তি, গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনি কেন সেরাদের তালিকায়? কারণ, তিনি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ট্রেবল (একই মৌসুমে তিনটি প্রধান শিরোপা) জেতাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, তাঁর গোল প্রতি ম্যাচের অনুপাত অবিশ্বাস্য; খুব অল্প বয়সেই তিনি ক্লাব ও দেশের হয়ে ২৫০-এর বেশি গোল করে ফেলেছেন। ৫. কেভিন ডি ব্রুইন  বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে বর্তমান বিশ্বের সেরা 'প্লে-মেকার' বা মাঝমাঠের জাদুকর বলা হয়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ডি ব্রুইন তাঁর মাপা পাস এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিখ্যাত। স্ট্রাইকাররা গোল করেন ঠিকই, কিন্তু সেই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ডি ব্রুইন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সবকিছু জিতেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান গোলের চেয়ে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে বেশি সমৃদ্ধ; তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট প্রদানকারী এবং দ্রুততম ১০০ অ্যাসিস্টের রেকর্ডধারী। ৬. ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের বর্তমান ধারক ও বাহক হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণ তারকা তাঁর বিদ্যুৎগতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে ওস্তাদ। তিনি বর্তমানে ব্যালন ডি'অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করে তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই বড় ম্যাচগুলোতে 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্ট করছেন। ৭. রড্রি  রড্রিগো হার্নান্দেজ বা রড্রি হলেন স্পেনের একজন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড়কে বর্তমান ফুটবলের 'ইঞ্জিন' বলা হয়। তিনি মাঠে থাকলে তাঁর দল খুব কমই হারে। তিনি দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং খেলা তৈরি করেন। ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জয় এবং স্পেনের ইউরো জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। পরিসংখ্যান হয়তো তাঁর প্রভাব পুরোপুরি বোঝাতে পারবে না, কিন্তু তাঁর পাসের নির্ভুলতা এবং ট্যাকল করার ক্ষমতা বিশ্বসেরা। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। ৮. হ্যারি কেন হ্যারি কেন একজন ইংলিশ পেশাদার ফুটবলার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা কমপ্লিট স্ট্রাইকার। তিনি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া হ্যারি কেন কেবল গোল করেন না, তিনি নিচে নেমে খেলা তৈরি করতেও দক্ষ। টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে তিনি রেকর্ড গোলদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখেও গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি প্রিমিয়ার লিগের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৯. মোহামেদ সালাহ  মিশরের এই ফরোয়ার্ডকে বলা হয় 'ইজিপশিয়ান কিং'। তিনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করা সালাহ বর্তমানে বিশ্বের সেরা রাইট-উইংগারদের একজন। তাঁর বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং গতি লিভারপুলকে বহু শিরোপা জিতিয়েছে। তিনি আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) জিতেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০. জুড বেলিংহাম জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের একজন তরুণ মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ এর হয়ে খেলছেন। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই বিস্ময়কর খেলোয়ার খুব অল্প সময়েই বিশ্ব ফুটবলে ঝড় তুলেছেন। মিডফিল্ডার হয়েও তিনি স্ট্রাইকারের মতো গোল করার ক্ষমতা রাখেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রথম মৌসুমেই তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পরিপক্বতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁকে ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি'অর বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করছে। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এখনো ছোট হলেও, ইমপ্যাক্ট বা প্রভাবের দিক দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে। বর্তমান বিশ্বে যত প্রকারের খেলাধুলা রয়েছে তার মধ্যে ফুটবল একটি জনপ্রিয় এবং র‍্যাংকিং এর দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর  এই খেলাটি সারা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয়।  ফুটবল খেলায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকেন এর মধ্যে কিছু কিছু খেলোয়াড় তাদের দূরদর্শিতা ও দক্ষতা ও খেলার ধরনের কারণে বেশ সুনাম কুরিয়েছেন। আর তাই কিছু কিছু খেলোয়াড় এখনো বিশ্বসেরা।  তবে সেরাদের ও সেরা থাকে থাকে।  বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে এটা আসলে বলা বাহুল্য, তবে আজ আমাদের পরিচিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী আপনার কাছে কোন খেলোয়াড়টি সবচাইতে বিশ্বের সেরা মনে হয়?  অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার দিয়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন। সোর্সঃ FIFA + ESPN + Ballon d'Or + Opta / Sofascore and Transfermarkt বিশ্লেষণ

আজকের পেঁয়াজের দাম - Onion Price in Bangladesh

জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বশেষ আজকের পেঁয়াজের দাম কত জানুন। শহর কিংবা গ্রামে পেঁয়াজের দামের কেমন পার্থক্য সেটা জানুন। বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের অবাধ যোগান রয়েছে তাই পেঁয়াজের দাম অনেকটা স্বস্তিতে বা হাতের নাগালে।  আজকের পেঁয়াজের দাম সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০২৬ এ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ৩০ থেকে ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে ঢাকার স্থানীয় মোহাম্মাদপুর বাজারে, এছাড়াও অঞ্চল ভেদে এই দাম কম বা বেশি হতে পারে। দিগন্ত পোষ্টের স্থানীয় প্রতিনিধিরা ঢাকার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ঘুরে পেঁয়াজের এই সর্বশেষ দামের তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।  আর অন্যদিকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা দরে। বিশেষ করে ভারতীয় পেঁয়াজ, দেশি পেঁয়াজের চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে এ বিষয়টি নির্ভর করে পেঁয়াজের সরবরাহের উপর, অর্থাৎ কি পরিমান পেয়াজ বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের গুদামে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করছে পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করার জন্য পেঁয়াজ মজুদ করছেন এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন।  আর তাছাড়াও বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের দাম নির্ভর করে আমদানিকৃত পেঁয়াজের পরিমাণের উপর। পেঁয়াজের আমদানি বেশি হলে দেশি পেয়াজের দাম কমবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।  সর্বশেষ হালনাগাদঃ ৮ এপ্রিল ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত জানুন

সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা চার লাখের সমান। বর্তমানে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা "জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫" অনুযায়ী বেতন পান।  জানার বিষয় হলো একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি কি পরিমান টাকা বেতন হিসেবে পান। তবে  বাস্তবতা হলো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত নানান বৈষম্য নিয়ে প্রতিনিয়ত বর্তমানে সরকারের নিকট আন্দোলন চলমান। জানা যাক এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত। অর্থাৎ একজন এমপিওভুক্ত স্কুল বা কলেজের শিক্ষকের বেতন কত টাকা এবং বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য কি সুযোগ-সুবিধা পান।   এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কারা?  এমপিও (MPO) হলো Monthly Pay Order। এটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (যেমন: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক ভিত্তিতে বেতন-ভাতা প্রদানের একটি প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে মূল বেতনের শতভাগ এবং কিছু নির্দিষ্ট ভাতা পেয়ে থাকেন।  যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত অর্থাৎ সরকারি তালিকাভুক্ত সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হয়,  এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি শিক্ষক নিয়োজিত থাকেন । তবে মনে রাখা ভালো সব শিক্ষকই এমপিও ভুক্ত নন। অর্থাৎ একজন শিক্ষককে এমপিও ভুক্ত হতে হলে NTRCA নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।  কিন্তু একটা জিনিস অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে , এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং একজন একজন সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষক এক নন। সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষকরা সরকারি কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা পান এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে সরকারি। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হলেও সরকারের কাছ থেকে আংশিক আর্থিক সহায়তা পান। আর এই বৈষম্যের কারণেই সর্বশেষ এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা বেতন ভাতা নিয়ে বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছেন।  এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন- শিক্ষাস্তর অনুযায়ী পদের নাম ও বেতন গ্রেড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো তাদের পদের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় বেতন স্কেলের বিভিন্ন গ্রেডে নির্ধারিত হয়। ১. এমপিওভুক্ত স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) সহকারী শিক্ষক (বি.এড) গ্রেড ১১ ১২,৫০০ - ৩০,২৩০ সহকারী শিক্ষক (বি.এড ছাড়া) গ্রেড ১২ ১১,৩০০ - ২৭,৩০০ সিনিয়র শিক্ষক (১০ বছর পূর্তিতে) গ্রেড ১০ ১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ সহকারী প্রধান শিক্ষক / সহকারী সুপার গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ প্রধান শিক্ষক / সুপার গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ দ্রষ্টব্য: উচ্চতর গ্রেড (সাধারণত ৬ষ্ঠ গ্রেড) পাওয়ার সুযোগও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রয়েছে। ২. এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত?  পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) প্রভাষক গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ সহকারী অধ্যাপক (পদোন্নতিতে) গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ সহযোগী অধ্যাপক গ্রেড ৬ ৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০ অধ্যক্ষ গ্রেড ৫ / ৪ ৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ / ৫০,০০০ - ৭১,২০০ মূল বেতনের বাইরে যা পান (ভাতা) এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ভাতা পান, যা সরকারি চাকরিজীবীদের থেকে ভিন্ন: বাড়ি ভাড়া ভাতা মাসিক ১,০০০ টাকা (স্থির)। চিকিৎসা ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা (স্থির)। উৎসব ভাতা: শিক্ষক: মূল বেতনের ২৫% (বছরে দুবার)। কর্মচারী: মূল বেতনের ৫০% (বছরে দুবার)। বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের ২০% (বছরে একবার)। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: মূল বেতনের ৫% (বছরে একবার)। বেতন থেকে যা কর্তন করা হয় প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে মোট ১০% অর্থ কর্তন করা হয়, যা তাদের অবসরকালীন সুবিধার জন্য জমা থাকে। অবসর সুবিধা বোর্ড মূল বেতনের ৬%। কল্যাণ ট্রাস্ট: মূল বেতনের ৪%। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের সাথে মূল পার্থক্য যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত, তবে তাদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের বেতন এবং ভাতার ক্ষেত্রে বেশ পার্থক্য রয়েছে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকদের মাঝে আলোচনার বিষয়। সরকারি শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া হিসেবে পান মূল বেতনের ওপর নির্দিষ্ট হারে (শহর বা গ্রাম ভেদে ৪০-৬০%), যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ১,০০০ টাকা। চিকিৎসা ভাতা হিসেবে পান ফিক্সড ১,৫০০ টাকা, যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ৫০০ টাকা। অন্যদিকে উৎসব ভাতা  পান মূল বেতনের ১০০%, যেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পান মাত্র ২৫%। এই পার্থক্যগুলো নিরসনের দাবিতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকরা বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছেন। সর্বশেষে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংগঠন- এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের প্রতিনিধিদল। তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা করাসহ ১০ দাবি প্রস্তাব দিয়েছেন।  

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসনে বিএনপির প্রার্থী কে, দেখে নিন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ২৩৭ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩০০ আসনের মধ্যে বাকিগুলো জোটের শরিকদের জন্য এবং কিছু আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করার জন্য রাখা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন (ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩) থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।  এই ঘোষণার আগে, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক জরুরি বৈঠকে বসে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে পারে এবং নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো–

সপ্তাহের সেরা

নতুন শিক্ষাবর্ষে বদলে যাচ্ছে বই, শিক্ষার্থীরা যা পাবে ২০২৭ সালের পাঠ্যক্রমে
জাতীয়

নতুন শিক্ষাবর্ষে বদলে যাচ্ছে বই, শিক্ষার্থীরা যা পাবে ২০২৭ সালের পাঠ্যক্রমে

নিজস্ব প্রতিবেদক ১১ মে, ২০২৬ 0

অনলাইন জরিপ

শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার কি বিএনপি সরকার করতে পারবে?