যুক্তরাষ্ট্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন করে কঠোরতা আরোপ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনকারীদের দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তরে অবশ্যই ‘না’ বলতে হবে। কোনো আবেদনকারী যদি এই প্রশ্নের যেকোনো একটির উত্তর ‘হ্যাঁ’ দেন, তাহলে তার ভিসা প্রক্রিয়া আর এগোবে না বলে জানানো হয়েছে।
নতুন নিয়মটি পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মীসহ সব ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। আবেদনকারীদের জিজ্ঞেস করা হবে নিজ দেশে কোনো ধরনের নির্যাতন বা ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন কিনা এবং দেশে ফিরে গেলে এমন ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে কিনা।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, অনেক আবেদনকারী ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে পরে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে থেকে যান। এই প্রবণতা কমাতেই যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেছেন, কনস্যুলার কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করেন। তাই আবেদনকারীরা ভিসার শর্ত পূরণ করছেন কিনা, তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো এবং নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার কারণে কিছু অভিবাসন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। জানুয়ারিতে কয়েকটি দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়াও বন্ধ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা অনেক মানুষ আরও কঠিন অবস্থার মুখে পড়তে পারেন। কেউ কেউ নিরাপত্তার জন্য বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পথে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আশ্রয় চাওয়ার সুযোগ আরও সীমিত হলে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা জাতিগত নিপীড়নের শিকারদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ প্রক্রিয়া আগের তুলনায় আরও জটিল হয়ে উঠবে।
যুক্তরাষ্ট্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন করে কঠোরতা আরোপ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনকারীদের দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তরে অবশ্যই ‘না’ বলতে হবে। কোনো আবেদনকারী যদি এই প্রশ্নের যেকোনো একটির উত্তর ‘হ্যাঁ’ দেন, তাহলে তার ভিসা প্রক্রিয়া আর এগোবে না বলে জানানো হয়েছে। নতুন নিয়মটি পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মীসহ সব ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে। আবেদনকারীদের জিজ্ঞেস করা হবে নিজ দেশে কোনো ধরনের নির্যাতন বা ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন কিনা এবং দেশে ফিরে গেলে এমন ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে কিনা। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, অনেক আবেদনকারী ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে পরে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে থেকে যান। এই প্রবণতা কমাতেই যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেছেন, কনস্যুলার কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করেন। তাই আবেদনকারীরা ভিসার শর্ত পূরণ করছেন কিনা, তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর আগে শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো এবং নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার কারণে কিছু অভিবাসন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। জানুয়ারিতে কয়েকটি দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়াও বন্ধ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা অনেক মানুষ আরও কঠিন অবস্থার মুখে পড়তে পারেন। কেউ কেউ নিরাপত্তার জন্য বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পথে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, আশ্রয় চাওয়ার সুযোগ আরও সীমিত হলে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা জাতিগত নিপীড়নের শিকারদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ প্রক্রিয়া আগের তুলনায় আরও জটিল হয়ে উঠবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যায়, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোরে এই যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াতে চান না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই।” ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারলে তেহরান নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থানে নিতে পারবে। তবে আলোচনায় না এলে ইরানের সামনে অন্য কোনো পথ খোলা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা না হলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বাড়তে পারে। ফলে এখন নজর রয়েছে সম্ভাব্য নতুন আলোচনা ও ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে। খবর - আল জাজিরা
শেষ কয়েক ঘন্টা বৈদেশিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলো চলাচল করার জন্য হরমুজ প্রণালী খোলা থাকলেও আবারো এটি বন্ধ করে দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। মূলত ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকায় একে জলদস্যুতা উল্লেখ করে ক্ষুব্ধ তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আগের অবস্থায়’ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আজ শনিবার ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ এখন থেকে পুনরায় সশস্ত্র বাহিনীর অধীনে থাকবে। ইরানের জয়েন্ট মিলিটারি কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, "হরমোজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে। এখন থেকে এটি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।" বিবৃতিতে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে, যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ বলবৎ থাকবে, ততক্ষণ এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হবে। গত শুক্রবার ইরান হরমোজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আভাস দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্য পরিস্থিতি বদলে দেয়। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তেহরান যতক্ষণ পর্যন্ত পরমাণু কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তিতে না পৌঁছাবে, ততক্ষণ মার্কিন অবরোধ "পুরো শক্তিতে" জারি থাকবে। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানের পাল্টা জবাব হিসেবেই ইরান শনিবার সকালে পুনরায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দেয়। হরমোজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে এমন আশায় তেলের দাম কমতে শুরু করেছিল। কিন্তু হরমোজ প্রণালী ফের বন্ধ হওয়ার খবরে বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহ কমে গিয়ে দাম আকাশচুম্বী হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় ধরনের অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেবে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .