এখন অনেক মানুষই রাতে দেরি করে খাবার খান। কেউ অফিস থেকে দেরিতে ফেরেন, কেউ আবার রাত জেগে মোবাইল দেখেন বা কাজ করেন। ফলে রাত ১১টা কিংবা তারও পরে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু ডাক্তারদের মতে, প্রতিদিন দেরি করে রাতের খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ভালো না।
আমাদের শরীরেরও একটা নির্দিষ্ট রুটিন আছে। রাতে শরীর ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। তখন বেশি দেরি করে ভারী খাবার খেলে শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন স্বাস্থ্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অনিয়মিত খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার এবং রাত জাগার অভ্যাস স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণায়ও দেখা গেছে, গভীর রাতে ভারী খাবার খেলে শরীরের স্বাভাবিক বিশ্রাম প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। কারণ রাতে শরীর ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। তখন অতিরিক্ত খাবার খেলে হজম প্রক্রিয়ার ওপর চাপ পড়ে। মূলত রাতে দেরি করে খাবার খেলে শরীরে যে সমস্ত পরিবর্তন হতে পারে তা হলো-
রাতে দেরি করে খাওয়ার পর অনেকেই দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন। এতে খাবার ঠিকভাবে হজম হতে চায় না। পাকস্থলীর গ্যাস বা টক পানি উপরের দিকে উঠে এসে বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে।
যাদের আগে থেকেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে, তাদের কষ্ট আরও বাড়তে পারে।
ঢাকার অনেক চিকিৎসক বলেন, রাতের খাবার খাওয়ার পর অন্তত ২ ঘণ্টা জেগে থাকা ভালো।
রাতে শরীরের নড়াচড়া কম থাকে। তখন বেশি খেলে সেই খাবার সহজে চর্বি হয়ে জমে যেতে পারে।
বিশেষ করে বিরিয়ানি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া বা বেশি মিষ্টি জাতীয় খাবার রাতে দেরি করে খেলে ওজন দ্রুত বাড়তে পারে।
অনেকে ভাবেন পেট ভরে খেলেই ভালো ঘুম হবে। কিন্তু অনেক সময় উল্টোটা হয়।
রাতে বেশি বা ভারী খাবার খেলে শরীর খাবার হজম করতেই ব্যস্ত থাকে। ফলে গভীর ঘুম আসে না। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া বা সকালে ক্লান্ত লাগার সমস্যাও হতে পারে।
ডাক্তাররা বলছেন, প্রতিদিন গভীর রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরের চিনির ভারসাম্যে সমস্যা করতে পারে।
বিশেষ করে যারা রাত জাগেন এবং অনিয়ম করে খান, তাদের ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
দেরি করে খেলে শরীরে চর্বি বাড়ে, ওজন বাড়ে এবং অনেক সময় রক্তচাপও বেড়ে যেতে পারে। এসব কারণে ধীরে ধীরে হার্টের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।
তাই শুধু কম খাওয়াই না, সঠিক সময়েও খাওয়া জরুরি।
ডাক্তারদের মতে, ঘুমানোর অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া ভালো। যদি রাত ১১টায় ঘুমান, তাহলে চেষ্টা করুন রাত ৮টার মধ্যে খাওয়া শেষ করতে।
১ - রাতে খুব বেশি ভাজাপোড়া খাবার খাবেন না, ২- খেয়েই সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না, ৩- রাতে কম মোবাইল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, ৪- খাবারের পর অল্প হাঁটাহাঁটি করতে পারেন, ৫ - রাতে বেশি কোমল পানীয় বা কফি না খাওয়াই ভালো
অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না, ছোট ছোট অভ্যাস ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি করছে। রাতে দেরি করে খাওয়ার অভ্যাসও তেমন একটি বিষয়। তাই সুস্থ থাকতে শুধু কী খাচ্ছেন না, কখন খাচ্ছেন সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এখন অনেক মানুষই রাতে দেরি করে খাবার খান। কেউ অফিস থেকে দেরিতে ফেরেন, কেউ আবার রাত জেগে মোবাইল দেখেন বা কাজ করেন। ফলে রাত ১১টা কিংবা তারও পরে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু ডাক্তারদের মতে, প্রতিদিন দেরি করে রাতের খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ভালো না। আমাদের শরীরেরও একটা নির্দিষ্ট রুটিন আছে। রাতে শরীর ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। তখন বেশি দেরি করে ভারী খাবার খেলে শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে। রাতে দেরি করে খাবার খেলে শরীরে কি হয়? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন স্বাস্থ্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অনিয়মিত খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার এবং রাত জাগার অভ্যাস স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণায়ও দেখা গেছে, গভীর রাতে ভারী খাবার খেলে শরীরের স্বাভাবিক বিশ্রাম প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। কারণ রাতে শরীর ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। তখন অতিরিক্ত খাবার খেলে হজম প্রক্রিয়ার ওপর চাপ পড়ে। মূলত রাতে দেরি করে খাবার খেলে শরীরে যে সমস্ত পরিবর্তন হতে পারে তা হলো- ১. গ্যাস্ট্রিক ও বুক জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে রাতে দেরি করে খাওয়ার পর অনেকেই দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন। এতে খাবার ঠিকভাবে হজম হতে চায় না। পাকস্থলীর গ্যাস বা টক পানি উপরের দিকে উঠে এসে বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে। যাদের আগে থেকেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে, তাদের কষ্ট আরও বাড়তে পারে। ঢাকার অনেক চিকিৎসক বলেন, রাতের খাবার খাওয়ার পর অন্তত ২ ঘণ্টা জেগে থাকা ভালো। ২. শরীর মোটা হতে পারে রাতে শরীরের নড়াচড়া কম থাকে। তখন বেশি খেলে সেই খাবার সহজে চর্বি হয়ে জমে যেতে পারে। বিশেষ করে বিরিয়ানি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া বা বেশি মিষ্টি জাতীয় খাবার রাতে দেরি করে খেলে ওজন দ্রুত বাড়তে পারে। ৩. ঘুম ভালো নাও হতে পারে অনেকে ভাবেন পেট ভরে খেলেই ভালো ঘুম হবে। কিন্তু অনেক সময় উল্টোটা হয়। রাতে বেশি বা ভারী খাবার খেলে শরীর খাবার হজম করতেই ব্যস্ত থাকে। ফলে গভীর ঘুম আসে না। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া বা সকালে ক্লান্ত লাগার সমস্যাও হতে পারে। ৪. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে ডাক্তাররা বলছেন, প্রতিদিন গভীর রাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরের চিনির ভারসাম্যে সমস্যা করতে পারে। বিশেষ করে যারা রাত জাগেন এবং অনিয়ম করে খান, তাদের ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ৫. হার্টের ওপর চাপ পড়তে পারে দেরি করে খেলে শরীরে চর্বি বাড়ে, ওজন বাড়ে এবং অনেক সময় রক্তচাপও বেড়ে যেতে পারে। এসব কারণে ধীরে ধীরে হার্টের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। তাই শুধু কম খাওয়াই না, সঠিক সময়েও খাওয়া জরুরি। রাতে খাবার খাওয়ার ভালো সময় কখন ডাক্তারদের মতে, ঘুমানোর অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া ভালো। যদি রাত ১১টায় ঘুমান, তাহলে চেষ্টা করুন রাত ৮টার মধ্যে খাওয়া শেষ করতে। রাতে সুস্থ থাকতে যা করতে পারেন ১ - রাতে খুব বেশি ভাজাপোড়া খাবার খাবেন না, ২- খেয়েই সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না, ৩- রাতে কম মোবাইল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, ৪- খাবারের পর অল্প হাঁটাহাঁটি করতে পারেন, ৫ - রাতে বেশি কোমল পানীয় বা কফি না খাওয়াই ভালো অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না, ছোট ছোট অভ্যাস ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি করছে। রাতে দেরি করে খাওয়ার অভ্যাসও তেমন একটি বিষয়। তাই সুস্থ থাকতে শুধু কী খাচ্ছেন না, কখন খাচ্ছেন সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
গরমের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে, কখনো হঠাৎ বৃষ্টি আবার কখনো তীব্র রোদ। আর রোদে বাইরে বের হলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা এখন অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এটি অনেক সময় হিট স্ট্রোকের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে, যা সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে জীবনঝুঁকি পর্যন্ত তৈরি করতে পারে। হিট স্ট্রোক হলো এমন একটি অবস্থা যখন শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে নিজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সাধারণত দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করা, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং শরীর অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার পর এটি ঘটে। হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে যা করবেন গরমে শরীরকে ঠান্ডা ও হাইড্রেটেড রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু সহজ অভ্যাস মানলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। প্রথমত, রোদে বের হওয়ার আগে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। শরীরে পানির ঘাটতি থাকলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ে। দ্বিতীয়ত, সম্ভব হলে দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা উচিত। এই সময় সূর্যের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। তৃতীয়ত, বাইরে গেলে হালকা, ঢিলেঢালা ও সুতির কাপড় পরা ভালো। এতে শরীর সহজে বাতাস পায় এবং ঘাম শুকাতে সাহায্য করে। চতুর্থত, মাথায় টুপি, ছাতা বা ভেজা কাপড় ব্যবহার করলে সরাসরি রোদের তাপ কম লাগে। পঞ্চমত, দীর্ঘ সময় কাজ করলে মাঝেমধ্যে ছায়ায় বসে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। ষষ্ঠত, শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হলে বা মাথা ঘুরলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জায়গায় চলে যাওয়া উচিত। সপ্তমত, সম্ভব হলে লবণ ও পানি মিশ্রিত পানীয় বা ওআরএস খাওয়া শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে। হিট স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারেন না যে তারা হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বল লাগা, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব এবং দ্রুত হৃদস্পন্দন। চিকিৎসকদের মতে, এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত শীতল স্থানে যেতে হবে এবং শরীর ঠান্ডা করার ব্যবস্থা নিতে হবে। কেন হিট স্ট্রোক বাড়ছে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরমের তীব্রতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। শহরে কংক্রিটের ঘনত্ব, গাছপালা কমে যাওয়া এবং যানবাহনের চাপও তাপমাত্রা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। গ্রাম ও শহর উভয় জায়গাতেই শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন, কারণ তারা দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করেন। হিট স্ট্রোক কোনো সাধারণ ক্লান্তি নয়, এটি একটি জরুরি স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাই গরমে শরীরকে অবহেলা করা ঠিক নয়। পানি পান, বিশ্রাম এবং রোদের সময় সচেতনতা এই তিনটি অভ্যাসই পারে আপনাকে বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে। গরম যতই বাড়ুক, একটু সচেতন থাকলেই হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি, "দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত।" কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, এই ধারণাটি সবার জন্য সঠিক নয়। আর এই তীব্র গরমে আমাদের মনে হতে পারে অতিরিক্ত পানি খেলে হয়তো শরীরে পানি শূন্যতা পূরণ হবে এমনকি বারবার পিপাসা পেলে আমরা অধিক পরিমাণ পানি খাই। কিন্তু অতিরিক্ত পানি পান আপনার শরীরের জন্য উল্টো বিপদের কারণ হতে পারে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা জানবো, আপনার শরীরের ওজন এবং কাজের ধরন অনুযায়ী ঠিক কতটুকু পানি আপনার জন্য প্রয়োজন। ৮ গ্লাস পানির ধারণা কি ভুল? ১৯৪৫ সালে প্রথম '৮ গ্লাস পানি'র একটি গাইডলাইন সামনে আসে। কিন্তু মানুষ একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে যায়—আমরা প্রতিদিন যে খাবার (ফলমূল, সবজি, ডাল) খাই, তার থেকেও প্রচুর পানি শরীরে প্রবেশ করে। তাই ঢকঢক করে আলাদাভাবে ৮ গ্লাস পানি সবার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। দিনে কতটুকু পানি পান করা উচিত? পুষ্টিবিদদের মতে, পানির চাহিদা নির্ভর করে আপনার ওজনের ওপর। একটি সহজ হিসাব মনে রাখতে পারেন: আপনার শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩৫ মিলি পানি প্রয়োজন। হিসাবটি এমন: যদি আপনার ওজন ৬০ কেজি হয়, তবে ৬০ × ৩৫ = ২১০০ মিলি (অর্থাৎ ২.১ লিটার)। যদি আপনার ওজন ৮০ কেজি হয়, তবে ৮০ × ৩৫ = ২৮০০ মিলি (অর্থাৎ ২.৮ লিটার)। পিপাসা লাগলেই কি পানি খাবেন? অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, শরীর যখন পানির অভাব বোধ করে, তখন সে 'পিপাসা'র মাধ্যমে সংকেত দেয়। তাই জোর করে পানি পান করার চেয়ে পিপাসা মেটানোই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে বয়স্ক এবং শিশুদের ক্ষেত্রে পিপাসার সংকেত অনেক সময় কাজ করে না, তাদের নিয়মিত বিরতিতে পানি পান করানো উচিত। কীভাবে বুঝবেন আপনি কম পানি খাচ্ছেন? আপনার শরীর নিজেই জানান দেবে যে সে তৃষ্ণার্ত। যদি প্রস্রাব গাঢ় হলুদ হয়, বুঝবেন আপনি ডিহাইড্রেটেড। আদর্শ রং হবে একদম হালকা হলুদ বা পানির মতো হয়। যদি বারবার ঠোঁট বা মুখ শুকিয়ে আসে। তারপরে পর্যাপ্ত পানির অভাবে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হতে পারে, যা মাথাব্যথার কারণ।এবং সবশেষে কোনো কারণ ছাড়াই দুর্বল লাগা। এই লক্ষণ গুলো দেখলেই বুঝবেন আপনার পানি খাওয়া কম হচ্ছে তাই নির্ধারিত পরিমাণ পানি অবশ্যই খাবেন অতিরিক্ত পানি পানে যে সমস্যা হতে পারে বেশি পানি পান করলে রক্তের সোডিয়ামের মাত্রা অতিরিক্ত কমে যেতে পারে। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় 'হাইপোনাট্রেমিয়া' বলে। এর ফলে মস্তিষ্ক ফুলে যাওয়া বা কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই 'বেশি ভালো' মনে করে লিটার লিটার পানি পান করা বন্ধ করুন। কখন পানি পান করা জরুরি? ১. ঘুম থেকে উঠে: শরীরকে সচল করতে এক গ্লাস পানি চমৎকার কাজ করে। ২. ব্যায়ামের আগে ও পরে: ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে যে পানি বেরিয়ে যায়, তা পূরণ করতে। ৩. তীব্র গরমে: আমাদের দেশের মতো আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘাম বেশি হয়, তাই পানির পরিমাণ কিছুটা বাড়ানো উচিত।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .