৩য় বা ৪র্থ সন্তান নিলেই ৩০-৪০ হাজার রুপি পুরস্কার দেবে ভারতের এই রাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ মে, ২০২৬ | বিকেল ৫:৩৮

বিশ্বজুড়ে যখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের নানা উদ্যোগ চলছে, ঠিক তখন ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশ হেঁটেছে একেবারেই উল্টো পথে। রাজ্যে জনসংখ্যা কমে যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে এবং জন্মহার বাড়াতে এক অভিনব ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিয়েছেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু।

নতুন এই ঘোষণা অনুযায়ী, অন্ধ্র প্রদেশে কোনো পরিবারে তৃতীয় সন্তানের জন্ম হলে ৩০ হাজার এবং চতুর্থ সন্তানের জন্মের ক্ষেত্রে ৪০ হাজার রুপি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। শনিবার রাজ্যের শ্রীকাকুলাম জেলায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এই চমকপ্রদ ঘোষণা দেন। আগামী এক মাসের মধ্যেই এই প্রণোদনা প্রকল্পের বিস্তারিত রূপরেখা প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, "আমি একটি নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। তৃতীয় সন্তানের জন্মের পরপরই আমরা ৩০ হাজার রুপি এবং চতুর্থ সন্তানের জন্য ৪০ হাজার রুপি দেব। এটি কি সঠিক সিদ্ধান্ত নয়?" শনিবার রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্য কুমার যাদবও মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, সরকার বর্তমানে বেশি সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে এই আর্থিক সুবিধা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উল্লেখ্য, এই ঘোষণার আগে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর দম্পতিদের ২৫ হাজার রুপি প্রণোদনা দেওয়ার আরেকটি প্রস্তাবও রেখেছিলেন নাইডু। চলতি বছরের মার্চে রাজ্য বিধানসভাকে ‘দ্বিতীয় সন্তান প্রণোদনার’ ওই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তটি ভারতের দীর্ঘদিনের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নীতির সাথে সাংঘর্ষিক মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে গভীর আর্থসামাজিক ও জনমিতিক সংকট। মজার বিষয় হলো, মুখ্যমন্ত্রী নাইডু একসময় নিজে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কড়া সমর্থক ছিলেন।

কিন্তু রাজ্যের জন্মহার ক্রমাগত নিম্নমুখী হওয়ায় এখন তিনি মনে করেন, শিশুদের বোঝা হিসেবে না দেখে দেশের 'সম্পদ' হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। জন্মহার বাড়াতে পুরো সমাজকে এখন একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এর পেছনের মূল কারণ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী সমাজে বদলে যাওয়া একটি বিশেষ প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি জানান, মানুষের আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক দম্পতি এখন একটি মাত্র সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। আবার অনেক দম্পতি কেবল তখনই দ্বিতীয় সন্তান নিচ্ছেন, যখন তাদের প্রথম সন্তানটি কন্যা হয়। এসব কারণে রাজ্যের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে।

অর্থনীতি ও জনমিতি বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের বা অঞ্চলের জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে হলে একজন নারীর বিপরীতে প্রজনন হার (রিপ্লেসমেন্ট ফার্টিলিটি রেট) গড়ে ২.১ শতাংশ থাকা বাধ্যতামূলক। মুখ্যমন্ত্রী নাইডুও এই ২.১ শতাংশ হার বজায় রাখার ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।

কারণ, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেই বর্তমানে তরুণদের চেয়ে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে অর্থনীতি ও শ্রমবাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অন্ধ্র প্রদেশকে ভবিষ্যতের সেই অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত ধস থেকে বাঁচাতেই রাজ্য সরকারের এই দূরদর্শী ও ব্যতিক্রমী প্রণোদনার উদ্যোগ।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

আন্তর্জাতিক থেকে আরো

আরো দেখুন
সৌদিতে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আযহার তারিখ ঘোষনা

মুসলিম উম্মাহর জন্য এক আনন্দঘন ও পবিত্র খবর। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আর এর মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত হয়ে গেল এবারের পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা ও কোরবানির ঈদের দিনক্ষণ। চাঁদ দেখার এই ঘোষণার ফলে দেশটিতে আগামী ২৭ মে (বুধবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আজ রোববার (১৭ মে) সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটির এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন অর্থাৎ আরাফাত দিবস পালিত হবে আগামী ৯ জিলহজ বা ২৬ মে (মঙ্গলবার)। সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে দেশটির আকাশে চাঁদ দেখার এই খবর নিশ্চিত করেছে। ওই পোস্টে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের আকাশে আজ রোববার ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে আজ রাত থেকেই বরকতময় জিলহজ মাসের গণনা শুরু হবে এবং আগামী ২৭ মে দেশটিতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ইসলামি শরিয়ত ও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জমায়েত পবিত্র হজের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়। আগামী ২৫ মে থেকে পবিত্র মক্কায় হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে তা চলবে কয়েকদিন ধরে। ধর্মীয় ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবে চাঁদ দেখার এই ঘোষণার সরাসরি একটি প্রভাব রয়েছে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ওপর। ভৌগোলিক কারণে সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে নতুন চাঁদ দেখা যায় এবং ঈদ পালিত হয়। সেই চিরাচরিত হিসাব অনুযায়ী, সৌদিতে ২৭ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। তবে বাংলাদেশে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ জানতে আগামীকাল সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক সভা পর্যন্ত দেশবাসীকে অপেক্ষা করতে হবে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১৭ মে, ২০২৬ 0

৩য় বা ৪র্থ সন্তান নিলেই ৩০-৪০ হাজার রুপি পুরস্কার দেবে ভারতের এই রাজ্য

trump

শান্তিচুক্তি না হলে ইরানের জন্য খুব খারাপ হবে: ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

সবার আগে ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল তিউনিসিয়া ও তুরস্ক

একবার নয়, ১৮ বার লটারি জিতে রেকর্ড, ভাগ্য নিয়ে যা বললেন এই ব্যক্তি

সম্প্রতি রবার্ট ‘১,০০০,০০০ কিং স্ক্র্যাচ গেম’ নামের একটি লটারি থেকে ৫০ হাজার ডলার (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ লাখ টাকার বেশি) জিতেছেন। এটি তার জীবনের ১৮তম লটারি জয়। জীবনে একবার লটারি জেতাই যেখানে রীতিমতো স্বপ্নের মতো, সেখানে একজন মানুষ যদি ১৮ বার লটারি জেতেন, তবে তাকে কী বলবেন? যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা রবার্ট বেভান ঠিক এমনই এক অবিশ্বাস্য ভাগ্যের অধিকারী। তবে চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, এতবার লটারি জিতে লাখ লাখ টাকা পেলেও তিনি মনে করেন, তার জীবনের আসল লটারি এই টাকা নয়, বরং তার স্ত্রী! বর্তমান যুগে যখন চারদিকে টাকার পেছনে মানুষের অন্ধ ছুটে চলা দেখি, তখন রবার্ট বেভানের এই গল্প আমাদের যেন নতুন করে ভাবতে শেখায়। মানুষ সাধারণত অর্থবিত্তকেই জীবনের চূড়ান্ত সফলতা বা ভাগ্য বলে মনে করে। কিন্তু ১৮ বার লটারি জিতেও একজন মানুষ যখন বলেন যে, তার আসল সম্পদ তার স্ত্রী ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন, তখন তা সমাজের জন্য একটি বড় বার্তা হয়ে দাঁড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই খবরটি এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার মূল কারণ হলো এর মানবিক দিক। এই গল্পটি সাধারণ মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে, ব্যাংক ব্যালেন্স যতই ভারী হোক না কেন, দিন শেষে ভালোবাসার বন্ধন এবং বিশ্বস্ত একজন জীবনসঙ্গীই মানুষের প্রকৃত মানসিক শান্তির জায়গা। রবার্টের এই জীবনবোধ হয়তো অনেককেই তাদের সম্পর্কের মূল্য নতুন করে বুঝতে সাহায্য করবে। আইডাহো লটারি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, রবার্টের এই লটারি জেতার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। সেবার একটি বিশেষ প্রচারণায় তিনি শেভ্রোলেট ব্লেজার ব্র্যান্ডের একটি গাড়ি জিতেছিলেন। এরপর গত ২৯ বছরে ছোটখাটো নগদ অর্থ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দুই লাখ ডলার পর্যন্ত লটারি জিতেছেন তিনি। কিন্তু এতবার জেতার রহস্য কী? লটারি কর্তৃপক্ষের এমন প্রশ্নের জবাবে রবার্ট যা বলেছেন, তা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। মৃদু হেসে রবার্ট জানান, লটারি থেকে টাকা জেতা তার কাছে খুব বড় কিছু নয়। তার কথায়, "এই অসাধারণ নারীর (স্ত্রী) সঙ্গে কাটানো ৪০টি বছরই আমার জীবনের আসল ভাগ্য।" লটারি কেনা রবার্টের কাছে কখনোই টাকা আয়ের পথ ছিল না, বরং এটি ছিল তার বিনোদনের অংশ। বছরের পর বছর ধরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে লটারির টিকিট কেনা তাদের একধরনের মজার অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। এ বছর রবার্ট দম্পতি তাদের বিয়ের ৪০তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করছেন। আইডাহো লটারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবার্টের মতো মানুষদের কেনা লটারির টিকিটের টাকার একটি অংশ অঙ্গরাজ্যের সরকারি স্কুল ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনার উন্নয়নে কাজে লাগানো হয়। খবরঃ এনডিটিভি 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১৬ মে, ২০২৬ 0

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানালো আমিরাত

থুতনির ওপর ১ ঘণ্টা স্কেটবোর্ড ব্যালেন্স করে বিশ্ব রেকর্ড, অবাক নেটদুনিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসায় নতুন ‘ফাঁদ’? এই ২ প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বললেই শেষ

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসায় নতুন ‘ফাঁদ’? এই ২ প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বললেই শেষ

জ্বালানি তেলের দাম
জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরণের অস্থিরতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় তেলের বাজার এখন নিয়ন্ত্রণহীন। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) বিশ্ববাজারে তেলের দাম টানা সপ্তম দিনের মতো বেড়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দামে আগুন আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ লন্ডনের আইসিই এক্সচেঞ্জে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১০৮.৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি ১১০ ডলারের ঘরও স্পর্শ করেছে। একইভাবে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতির আশা করা হয়েছিল, তা ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানির এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়; এই রুটটি কার্যত অচল হয়ে যাওয়ায় তেলের দামে এই উল্লম্ফন। দেশের বাজারেও অস্বস্তি আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার প্রভাব ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের বাজারে পড়তে শুরু করেছে। চলতি এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে (১৮ এপ্রিল) সরকার সব ধরণের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং ডিজেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হচ্ছে, এই মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিতে খুব বড় প্রভাব ফেলবে না, কিন্তু সাধারণ মানুষের পকেট থেকে বাড়তি টাকা খসে যাওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষ করে পরিবহন খরচ ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কায় ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা। সরবরাহ সংকটের শঙ্কা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, আমদানিতে অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক দাম বাড়ার কারণে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও সরকার দাবি করছে পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে দেশে আরেক দফা দাম সমন্বয় বা সংকটের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বরাজনীতির এই টানাপোড়েন যদি দ্রুত প্রশমিত না হয়, তবে তেলের দাম আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এতে কেবল যাতায়াত নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষি খাতের খরচও আকাশছোঁয়া হয়ে পড়ার বড় ঝুঁকি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ 0
সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, বেড়ে ৬

সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, বেড়ে ৬

বাবরি মসজিদ হতে দেবো না, বললেন অমিত শাহ

বাবরি মসজিদ হতে দেবো না, বললেন অমিত শাহ

ইরান আমেরিকা যুদ্ধবিরতি নিয়ে যা জানা গেলো

ইরান আমেরিকা যুদ্ধবিরতি নিয়ে যা জানা গেলো