বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মিসরের নতুন ভিসা ফি ঘোষণা, কোন ভিসায় কত খরচ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৭ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:৩০

পর্যটন, ব্যবসা কিংবা উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশিদের কাছে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পিরামিড আর প্রাচীন সভ্যতার দেশ মিসর। এবার বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফির কাঠামো ঘোষণা করেছে দেশটি। নতুন এই নিয়মে সিংগেল এন্ট্রি, মাল্টিপল এন্ট্রি এবং দীর্ঘমেয়াদি পাঁচ বছরের ভিসার ফি হালনাগাদ করা হয়েছে।

আজ রোববার (১৭ মে) ঢাকার মিসর দূতাবাস এক আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে ভিসা ফির এই নতুন পরিবর্তনের তথ্য জানিয়েছে।

দূতাবাসের দেওয়া হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী এখন থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের মিসরে যাওয়ার জন্য সিংগেল এন্ট্রির ক্ষেত্রে ৯ হাজার ২০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। এছাড়া যাঁরা একাধিকবার ভ্রমণের সুবিধা চান, তাঁদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রির ক্ষেত্রে ভিসা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ১৫০ টাকা।

তবে এই নতুন ঘোষণার সবচেয়ে বড় চমকটি হলো দীর্ঘমেয়াদি ভিসা। যে সব বাংলাদেশি ব্যবসায়ী বা পর্যটক নিয়মিত মিসরে যাতায়াত করেন, তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পাঁচ বছর মেয়াদি ভিসার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৫ হাজার ২০০ টাকা।

পর্যটন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, মিসর দূতাবাসের এই সুনির্দিষ্ট ভিসা ফির ঘোষণা বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য ভ্রমণ পরিকল্পনাকে আরও সহজ করবে। বিশেষ করে পাঁচ বছর মেয়াদি ভিসা চালুর ফলে ব্যবসায়িক কাজে যাঁরা নিয়মিত মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় যাতায়াত করেন, তাঁরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। এতে বারবার ভিসা নবায়ন করার ঝামেলা ও সময় দুটোই বাঁচবে।

এছাড়া দূতাবাসের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট এই ফির তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পাওয়ায়, সাধারণ মানুষদের ভিসা প্রসেসিং নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং এজেন্সিগুলোর অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের আশঙ্কাও অনেকাংশে কমে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয়

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

জাতীয় থেকে আরো

আরো দেখুন
বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নিবে দুবাই, খরচ পড়বে ১ লাখ টাকার নিচে

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী ও আধুনিক শহর দুবাইয়ে কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশিদের জন্য। চলতি বছরেই বাংলাদেশ থেকে নতুন করে মোট ৬ হাজার দক্ষ ড্রাইভার বা চালক নিয়োগ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি। এর অংশ হিসেবে আগামীকাল সোমবার থেকেই রাজধানীর বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই চালক নিয়োগের প্রাথমিক ইন্টারভিউ বা বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আজ রোববার (১৭ মে) রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই এই বিশাল নিয়োগের সুখবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির প্রতিনিধিরা দেশের শ্রমবাজারের জন্য একটি অত্যন্ত ইতিবাচক তথ্য তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, বর্তমানে বিশ্বের ২৭টি দেশের প্রায় ১৫ হাজার কর্মী তাঁদের প্রতিষ্ঠানে ট্যাক্সি ও লিমুজিন চালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সবচেয়ে গর্বের বিষয় হলো, এই ১৫ হাজার কর্মীর মধ্যে প্রায় ৮ হাজারই বাংলাদেশি নাগরিক! মূলত বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা, সততা ও পরিশ্রমের কারণেই চালক নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রতিনিধিদল জানায়, আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নতুন করে দেড় হাজার চালককে প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং চলতি বছরের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে মোট ৬ হাজার চালক নিয়োগের পরিকল্পনা তাদের রয়েছে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুবাইয়ের মতো বিলাসবহুল শহরে এত বিপুলসংখ্যক চালক নিয়োগ দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। তবে এই বিশাল সুযোগের পেছনে অভিবাসন ব্যয়ের একটি বড় চিন্তাও জড়িয়ে আছে। অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সেই বাস্তবতার কথা তুলে ধরে বলেন, দুবাই যেতে একজন বাংলাদেশি চালকের অনেক অর্থ ব্যয় হয় এবং অধিকাংশ কর্মী দরিদ্র হওয়ায় তাঁদের ঋণ করে বিদেশে যেতে হয়। তাই সাধারণ কর্মীদের সুবিধার্থে এই অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকার মধ্যে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান তিনি। এদিকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি কর্মীদের কল্যাণে একটি চমৎকার প্রস্তাব রাখেন। তিনি দুবাই যাওয়ার পর কর্মীদের প্রশিক্ষণকালীন সময়েও বেতন-ভাতা চালুর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চালকের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ডাক্তার ও নার্সসহ অন্যান্য পেশাজীবী কর্মী নিয়োগেরও বিশেষ অনুরোধ করেন তিনি। সরকার যে কোনোভাবেই শুধু শ্রমিক নয়, বরং পেশাজীবীদের বিদেশে পাঠাতে চাইছে, এটি তারই একটি পরিষ্কার বার্তা। এই প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মী পাঠানোর অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি ‘আল আনাস ওভারসিজ’-এর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জানান, শুধু ড্রাইভার নয়, বরং বাংলাদেশ থেকে ক্লিনার, টেকনিশিয়ান ও মেকানিক নিয়োগের বিষয়েও তাঁরা বেশ আগ্রহী। সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ এবং দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৭ মে, ২০২৬ 0

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মিসরের নতুন ভিসা ফি ঘোষণা, কোন ভিসায় কত খরচ

ঈদ

দেশে কোরবানির ঈদ কবে? চূড়ান্ত তারিখ জানা যাবে আগামীকাল সন্ধ্যায়

১৪ জেলায় ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

ঈদুল আযহায় ছুটি পাচ্ছেন না যারা

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের বিশাল ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদের এই ছুটি কার্যকর থাকবে। তবে এখানে একটি মজার বিষয় হলো, ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টানা ছুটির মাঝে ২৪ মে মাত্র একদিন অফিস খোলা থাকায় ওইদিন সরকারি দপ্তরগুলোতে অনেকেই হয়তো নৈমিত্তিক ছুটি (ক্যাজুয়াল লিভ) নিয়ে নেবেন। এর ফলে অনেকেই কার্যত ৯ দিনের বিশাল ছুটির ফাঁদে পা বাড়াবেন, যা ঈদের আগে গ্রামের বাড়ি ফেরা মানুষের জন্য মহাসড়কে যানজট এড়াতে পরোক্ষভাবে বেশ সহায়ক হতে পারে। সরকারি চাকরিজীবীরা এই দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পেলেও, বেশ কিছু পেশার মানুষকে ঈদের এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। অর্থাৎ, ঈদের ছুটির সময়ও বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। একইভাবে ফায়ার সার্ভিস, বন্দর পরিচালনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, ডাক বিভাগ, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও ছুটি পাচ্ছেন না। সবচেয়ে বড় ত্যাগ স্বীকার করতে হচ্ছে চিকিৎসাক্ষেত্রের মানুষদের; হাসপাতাল খোলা থাকায় চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ পরিবহনে নিয়োজিত কর্মীদের ঈদের দিনগুলোতেও মানুষের সেবায় ডিউটি করতে হবে। মূলত দেশ যখন ছুটির আমেজে থাকবে, তখন সাধারণ মানুষের নিরবচ্ছিন্ন সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকারের এই কঠোর সিদ্ধান্ত, যা এই পেশার মানুষদের ত্যাগের এক বড় উদাহরণ। অন্যদিকে, সরকারি ও জরুরি সেবার কর্মীদের ছুটির হিসাব পরিষ্কার হলেও ব্যাংক, আদালত এবং বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীরা কারা কতদিন ছুটি পাবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সুপ্রিম কোর্ট তাদের নিজ নিজ খাতের ছুটির বিষয়ে আলাদা নির্দেশনা দেবে। আর বেসরকারি শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের ছুটির বিষয়ে শ্রম মন্ত্রণালয় শ্রম আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

অনলাইন ডেস্ক ১৬ মে, ২০২৬ 0
প্রবাসী কার্ড

২ মাসের মধ্যেই দেয়া হবে প্রবাসী কার্ড: সুখবর দিয়ে যা বললেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

অবশেষে কুমিল্লা বিভাগ হওয়ার সুসংবাদ, যা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অবশেষে খুলছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জট, শুরু হয়েছে পুলিশ ভেরিফিকেশন

আইডি কার্ড
হারিয়ে গেছে লাখো এনআইডির ফরম, খোঁজে নেমেছে ইসি

দেশে বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৮ কোটি নাগরিকের এনআইডির মূল তথ্য ফরম নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে নেই বলে জানা গেছে। এসব ফরম কোথায় আছে, আদৌ সংরক্ষিত আছে কি না তা নিয়েই এখন খোঁজে নেমেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সূত্র বলছে, বর্তমানে মাত্র সাড়ে ৪ কোটি নাগরিকের ফরম-২ বা জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল তথ্য ফরম সার্ভারে সংরক্ষিত রয়েছে। ২০০৭-০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরির সময় যেসব নাগরিক ভোটার হয়েছিলেন, তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এনআইডি তৈরি করা হয়েছিল। তবে সেই সময়ের বহু এনআইডিতে ভুল তথ্য চলে আসে। পরে সংশোধনের জন্য আবেদন করলে অনেককেই জানানো হয় তাদের ফরম-২ সার্ভারে নেই। ইসি কর্মকর্তাদের দাবি, ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এসব ফরম স্থানীয় নির্বাচন অফিসে সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনেক ফরম নষ্ট হয়ে গেছে। কোথাও বৃষ্টির পানিতে, কোথাও উইপোকা ও ইঁদুরে, আবার কোথাও অগ্নিকাণ্ডে এসব গুরুত্বপূর্ণ নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাঠ পর্যায়ে ফরম-২ স্ক্যান ও সার্ভারে আপলোডের কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক সময় নাগরিকের দেওয়া মূল তথ্য সঠিক থাকলেও এনআইডিতে ভুল তথ্য চলে আসে। এমন ক্ষেত্রে ফরম-২ থাকলে বিনা ফিতে সংশোধনের সুযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু ফরম না থাকায় সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, জেলার অধিকাংশ উপজেলায় স্ক্যানিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। তবে কত ফরম হারিয়েছে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, জেলায় প্রায় ৮০ শতাংশ ফরম অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুরো কাজ শেষ হলে সঠিক তথ্য জানা যাবে। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তার উপজেলায় প্রায় দুই লাখ নাগরিকের ফরম-২ আপলোড করা ছিল না। এর মধ্যে প্রায় এক লাখ ৫৫ হাজার ফরম পাওয়া গেছে এবং এখন আপলোডের কাজ চলছে। ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, “ফরম-২ সার্ভারে আপলোডের কাজ দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। এখন সার্ভারের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।” জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, “আট কোটি নাগরিকের তথ্য স্ক্যান ও আপলোড করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। কত তথ্য হারিয়েছে, তা আপলোড শেষ হলে বোঝা যাবে। উল্লেখ্য এই যে বাংলাদেশে এনআইডি এখন শুধু ভোটার পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যাংক হিসাব, পাসপোর্ট, সিম নিবন্ধন, চাকরি, জমি কেনাবেচাসহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সেবার সঙ্গে এটি জড়িত। এমন পরিস্থিতিতে কোটি কোটি নাগরিকের মূল তথ্য ফরম অনুপস্থিত থাকা বড় ধরনের প্রশাসনিক ও নাগরিক সেবার সংকট তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত ডিজিটাল সংরক্ষণ ও তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় জটিলতা তৈরি হতে পারে। খবরঃ দৈনিক কালের কন্ঠ 

অনলাইন ডেস্ক ১৫ মে, ২০২৬ 0

কম ভাড়ায় ঈদযাত্রা, বিশেষ বাস চালু করছে বিআরটিসি

নবম পে-স্কেলের দাবিতে ১৬ মে ঢাকায় বড় কর্মসূচির ডাক

নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে

পে স্কেল বাস্তবায়নে সুখবর এলো