একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে মেঘের গর্জন , মে মাসের এমন খামখেয়ালি আবহাওয়ার মধ্যেই দেশের ১৪টি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নৌ দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে এসব এলাকার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আজ রোববার (১৭ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ পূর্বাভাসে এই জরুরি তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে সুনির্দিষ্টভাবে যে ১৪টি জেলার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো হলো— রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেট। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে রয়েছে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এই সময়ে এমন কালবৈশাখী ঝড় বা বজ্রবৃষ্টি হওয়াটা দেশের স্বাভাবিক জলবায়ু চক্রেরই অংশ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের অপর এক পূর্বাভাসে এই বৃষ্টির পেছনের কারণও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি শক্তি হারিয়ে বর্তমানে একটি সাধারণ লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা বাড়ছে।
তবে একদিক দিয়ে বৃষ্টি হলেও দেশের অন্য অঞ্চলগুলোতে গরমের তীব্রতা এখনই কমছে না। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে আগে থেকেই যে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছিল, তা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী, পাবনা এবং খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই মৃদু তাপপ্রবাহ আগামী দিনেও চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া তাপমাত্রার বিষয়ে জানান, চলমান এই তাপপ্রবাহের কারণে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা আজ সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, দিনভর রোদের কড়া তাপের পর রাতে গরমের অনুভূতি খুব একটা কমবে না।
একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে মেঘের গর্জন , মে মাসের এমন খামখেয়ালি আবহাওয়ার মধ্যেই দেশের ১৪টি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নৌ দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে এসব এলাকার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আজ রোববার (১৭ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ পূর্বাভাসে এই জরুরি তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে সুনির্দিষ্টভাবে যে ১৪টি জেলার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো হলো— রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেট। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে রয়েছে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই সময়ে এমন কালবৈশাখী ঝড় বা বজ্রবৃষ্টি হওয়াটা দেশের স্বাভাবিক জলবায়ু চক্রেরই অংশ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের অপর এক পূর্বাভাসে এই বৃষ্টির পেছনের কারণও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি শক্তি হারিয়ে বর্তমানে একটি সাধারণ লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা বাড়ছে। তবে একদিক দিয়ে বৃষ্টি হলেও দেশের অন্য অঞ্চলগুলোতে গরমের তীব্রতা এখনই কমছে না। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে আগে থেকেই যে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছিল, তা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী, পাবনা এবং খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই মৃদু তাপপ্রবাহ আগামী দিনেও চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া তাপমাত্রার বিষয়ে জানান, চলমান এই তাপপ্রবাহের কারণে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা আজ সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, দিনভর রোদের কড়া তাপের পর রাতে গরমের অনুভূতি খুব একটা কমবে না।
দীর্ঘ দুই মাসের অনিশ্চয়তার পর অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে জট কাটতে শুরু করেছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর জন্য দেশজুড়ে শুরু হয়েছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ। তবে এবার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় এসেছে নতুন শর্ত। নিয়োগপত্র পেলেও সরাসরি স্থায়ীভাবে পদায়ন করা হবে না। প্রথমে পিটিআই (প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র) প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। সেখানে সফল হলেই মিলবে চূড়ান্ত নিয়োগ। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় পুলিশ যাচাই কার্যক্রম চলছে। এই ধাপ শেষ হলে জেলাভিত্তিক নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হবে। মাঠে শুরু তদন্তকাজ ইতোমধ্যে লালমনিরহাট, ফরিদপুর, ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বেশির ভাগ জেলায় নির্বাচিত প্রার্থীদের তথ্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদত হোসেন সুমা জানিয়েছেন, পাঁচটি উপজেলায় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বলছে, অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী এই যাচাইপ্রক্রিয়া শেষ হতে ১০ থেকে ১৫ দিন লাগতে পারে। নতুন শর্তে বাড়ছে আলোচনা এবারের নিয়োগে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে পিটিআই প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, নিয়োগের পর সবাইকে প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। সেখানে কেউ অকৃতকার্য হলে তিনি শিক্ষক হিসেবে থাকতে পারবেন না। সরকারের দাবি, শিক্ষার মান নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অনেক প্রার্থী মনে করছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন শর্ত যোগ হওয়ায় তাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। আন্দোলনের পরই গতি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও নিয়োগ আটকে থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন সুপারিশপ্রাপ্তরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফলাফল পুনর্বিবেচনার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। এর প্রতিবাদে গত এপ্রিল মাসে সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি কর্মসূচিও পালন করেন প্রার্থীরা। এরপরই মূলত স্থবির থাকা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় গতি আসে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কবে হাতে মিলবে নিয়োগপত্র? প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট হাতে পেলেই জেলাভিত্তিক নিয়োগপত্র ইস্যু শুরু হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে মে মাসের মধ্যেই নতুন শিক্ষকরা চাকরির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন। সিস / ডিপি
দীর্ঘদিন ধরেই নতুন পে স্কেলের অপেক্ষায় ছিলেন দেশের লাখো সরকারি চাকরিজীবী। বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয় বাড়তে থাকায় নতুন বেতন কাঠামোর দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে। অবশেষে সেই অপেক্ষার মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং আগামী বাজেটকে সামনে রেখে বড় ধরনের আর্থিক প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক পর্যায়ে এ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি পর্যায়ের আলোচনায় উঠে এসেছে, নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে আগামী জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, শুধু মূল বেতন না, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতাতেও পরিবর্তন আনার চিন্তা রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় এনে কিছু বাস্তবসম্মত সমন্বয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, গত কয়েক বছরে দেশে মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের প্রকৃত আয় অনেকটাই কমে গেছে। বেতন বাড়লেও বাজারদরের সঙ্গে সেটির সামঞ্জস্য থাকছে না। বিশেষ করে রাজধানী ও বড় শহরগুলোতে বাসাভাড়া এবং দৈনন্দিন খরচ যেভাবে বেড়েছে, তাতে পুরোনো বেতন কাঠামো দিয়ে অনেক পরিবারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ কারণেই নতুন পে স্কেলকে এখন শুধু চাকরিজীবীদের দাবি নয়, বরং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বাস্তবায়ন কবে হতে পারে এখন পর্যন্ত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করলেও সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, বাজেট ঘোষণার পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হতে পারে। তবে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, একসঙ্গে বড় অঙ্কের ব্যয় বাড়ালে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। আর অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা কিছুটা বাড়বে। এর প্রভাব বাজারেও পড়তে পারে। তবে একইসঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব আয় বাড়ানোর চ্যালেঞ্জও সামনে আসবে। আবার দেশের অর্থনীতিবিদদের একাংশ বলছেন, শুধু বেতন বাড়ালেই হবে না, বাজার ব্যবস্থাপনাও শক্তিশালী করতে হবে। না হলে বাড়তি বেতনের সুফল সাধারণ কর্মচারীরা পুরোপুরি পাবেন না।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .