ব্যাংকে টাকা জমানো আছে, কিন্তু সেটি তুলে নেওয়ার কোনো মানুষ নেই! শুনতে অবাক লাগলেও দেশের ৩৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে গ্রাহকদের এমন প্রায় ৫৩ কোটি টাকা পড়ে আছে, যার কোনো দাবিদার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও আসল মালিকেরা এসব টাকার কোনো খোঁজ নিচ্ছেন না।
দেশের বাকি ২৮টি ব্যাংকের তথ্য এখনো হাতে আসেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, সব ব্যাংকের হিসাব এক করলে এই অর্থের পরিমাণ অনায়াসেই শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত গ্রাহকের মৃত্যু, বিদেশে স্থায়ী হওয়া, ঠিকানা বা মোবাইল নম্বর বদলে যাওয়া কিংবা উত্তরাধিকারীদের কাছে সঠিক তথ্য না থাকার কারণেই বছরের পর বছর ধরে এসব অ্যাকাউন্ট এমন পড়ে থাকে (নিষ্ক্রিয়)। অনেক সময় এমনও হয় যে, পরিবারের সদস্যরাই জানেন না তাদের কোনো স্বজনের নামে ব্যাংকে লাখ লাখ টাকার আমানত বা এফডিআর পড়ে আছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, দাবিহীন এই ৫৩ কোটির মধ্যে শুধু দেশীয় মুদ্রাই নয়, রয়েছে ডলার, পাউন্ড ও ইউরোও। দাবিহীন আমানত পড়ে থাকার এই তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে বিদেশি খাতের সিটি ব্যাংক এনএ। ব্যাংকটিতে সর্বোচ্চ প্রায় ১৫ কোটি টাকার মালিক নেই। এরপরই ব্র্যাক ব্যাংকে ৮ কোটি, এইচএসবিসিতে ৬ কোটি, ইস্টার্ন ব্যাংকে ৫ কোটি এবং সিটি ব্যাংকে প্রায় ৩ কোটি টাকার দাবিহীন আমানত পড়ে আছে।
ব্যাংকে জমে থাকা টাকাগুলো কে নিবেন এনিয়ে অনেক প্রশ্ন করেছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি হিসাব ছাড়া কোনো অ্যাকাউন্টে টানা ১০ বছর লেনদেন না হলে বা কেউ টাকার দাবি না করলে, সেটিকে ‘দাবিহীন আমানত’ ধরা হয়। তবে টাকাটা হুট করেই সরকারি কোষাগারে চলে যায় না। গ্রাহক বা তার উত্তরাধিকারীকে খুঁজে বের করতে ব্যাংকগুলো চিঠি, মেসেজ বা ই-মেইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে।
তাতেও কাজ না হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেদের ওয়েবসাইটে নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে। সব মিলিয়ে অন্তত ১২ বছর তিন মাস সময় দেওয়া হয় টাকা ফেরত নেওয়ার জন্য। এরপরও কেউ না এলে টাকাটা সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা হয়ে যায়। তবে মজার ব্যাপার হলো, এরপরও যদি কোনো উত্তরাধিকারী সঠিক প্রমাণ নিয়ে আসেন, ব্যাংক তাকে টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকে।
ব্যাংকে টাকা জমানো আছে, কিন্তু সেটি তুলে নেওয়ার কোনো মানুষ নেই! শুনতে অবাক লাগলেও দেশের ৩৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে গ্রাহকদের এমন প্রায় ৫৩ কোটি টাকা পড়ে আছে, যার কোনো দাবিদার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও আসল মালিকেরা এসব টাকার কোনো খোঁজ নিচ্ছেন না। দেশের বাকি ২৮টি ব্যাংকের তথ্য এখনো হাতে আসেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, সব ব্যাংকের হিসাব এক করলে এই অর্থের পরিমাণ অনায়াসেই শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত গ্রাহকের মৃত্যু, বিদেশে স্থায়ী হওয়া, ঠিকানা বা মোবাইল নম্বর বদলে যাওয়া কিংবা উত্তরাধিকারীদের কাছে সঠিক তথ্য না থাকার কারণেই বছরের পর বছর ধরে এসব অ্যাকাউন্ট এমন পড়ে থাকে (নিষ্ক্রিয়)। অনেক সময় এমনও হয় যে, পরিবারের সদস্যরাই জানেন না তাদের কোনো স্বজনের নামে ব্যাংকে লাখ লাখ টাকার আমানত বা এফডিআর পড়ে আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, দাবিহীন এই ৫৩ কোটির মধ্যে শুধু দেশীয় মুদ্রাই নয়, রয়েছে ডলার, পাউন্ড ও ইউরোও। দাবিহীন আমানত পড়ে থাকার এই তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে বিদেশি খাতের সিটি ব্যাংক এনএ। ব্যাংকটিতে সর্বোচ্চ প্রায় ১৫ কোটি টাকার মালিক নেই। এরপরই ব্র্যাক ব্যাংকে ৮ কোটি, এইচএসবিসিতে ৬ কোটি, ইস্টার্ন ব্যাংকে ৫ কোটি এবং সিটি ব্যাংকে প্রায় ৩ কোটি টাকার দাবিহীন আমানত পড়ে আছে। ব্যাংকে জমে থাকা টাকাগুলো কে নিবেন এনিয়ে অনেক প্রশ্ন করেছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি হিসাব ছাড়া কোনো অ্যাকাউন্টে টানা ১০ বছর লেনদেন না হলে বা কেউ টাকার দাবি না করলে, সেটিকে ‘দাবিহীন আমানত’ ধরা হয়। তবে টাকাটা হুট করেই সরকারি কোষাগারে চলে যায় না। গ্রাহক বা তার উত্তরাধিকারীকে খুঁজে বের করতে ব্যাংকগুলো চিঠি, মেসেজ বা ই-মেইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে। তাতেও কাজ না হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেদের ওয়েবসাইটে নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে। সব মিলিয়ে অন্তত ১২ বছর তিন মাস সময় দেওয়া হয় টাকা ফেরত নেওয়ার জন্য। এরপরও কেউ না এলে টাকাটা সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা হয়ে যায়। তবে মজার ব্যাপার হলো, এরপরও যদি কোনো উত্তরাধিকারী সঠিক প্রমাণ নিয়ে আসেন, ব্যাংক তাকে টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকে।
ছুটির দিন এলেই যেন বাজারের হিসাব মেলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় সাধারণ ক্রেতাদের। শুক্রবার রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম হঠাৎ করেই লাফিয়ে বেড়েছে। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না ব্রয়লার মুরগির কেজি, দেশি মুরগির দাম তো রীতিমতো আকাশ ছুঁয়েছে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে বেড়েছে ডিমের দামও। আজ আমাদের প্রতিনিধি রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে বাজারের এই উত্তপ্ত চিত্র খুঁজে পেয়েছে। বিক্রেতারা জানান, রোজার ঈদের পর ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় নেমেছিল। কিন্তু এই সপ্তাহের শেষ দিকে তা আবার ২০০ টাকায় ঠেকেছে। সোনালি মুরগির দামেও ১৫ থেকে ২০ টাকার ফারাক দেখা গেছে; গত মাসে যা ৩০০ টাকা ছিল, বর্তমানে তা ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আকাল দেখা গেছে দেশি মুরগির। বাজারে দেশি মুরগি খুঁজেই পাওয়া দায়, আর পেলেও ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার নিচে বিক্রি করছেন না দোকানিরা। মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের মুরগি ব্যবসায়ী রমজান আলী দাম বাড়ার কারণ হিসেবে জানান, বাজারে এখন মুরগির সরবরাহ কম, কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদা বেশি। তাছাড়া বৃহস্পতি ও শুক্রবারে বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠান বেশি থাকায় মুরগির কাটতি বাড়ে, তাই দামও একটু চড়া থাকে। সপ্তাহের শেষ দিনে পরিবারের জন্য একটু ভালো খাবারের আয়োজন করতে গিয়ে মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে। ব্যবসায়ীরা ‘সরবরাহ কম’ ও ‘বিয়ের মৌসুম’-এর অজুহাত দিলেও, হুট করে এক সপ্তাহে ডিমের দাম ডজনে ৩০ টাকা বেড়ে যাওয়াটা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে মোটেও যৌক্তিক মনে হচ্ছে না। প্রোটিনের সবচেয়ে সহজলভ্য উৎস হলো ডিম ও ব্রয়লার মুরগি। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো গোশতের চাহিদা মেটাতে এগুলোর ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে। ছুটির দিনগুলোতে এভাবে দাম বাড়তে থাকলে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে। বাজার তদারকি জোরদার না হলে এই দরদামের ওঠানামা অসাধু ব্যবসায়ীদের পকেটই ভারী করবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোক্তারা।
দেশে নগদবিহীন লেনদেন বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এবার ব্যাংকে সরাসরি না গিয়েই মোবাইল অ্যাপ, ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা ই-ওয়ালেট ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন গ্রাহকেরা। নতুন এই ‘ই-লোন’ সুবিধা চালুর অনুমতি পেয়েছে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। সোমবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যমে দেওয়া এই ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রাহক নির্বাচন থেকে ঋণ বিতরণ ও আদায় পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ ঋণ নিতে গ্রাহককে ব্যাংকে গিয়ে কাগজে সই করতে হবে না। বায়োমেট্রিক তথ্যের মাধ্যমেই পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই ঋণের সুদের হার বাজারভিত্তিক হবে। তবে কোনো ব্যাংক যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ অর্থায়ন সুবিধার আওতায় ঋণ দেয়, তাহলে সুদের হার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। গ্রাহকের তথ্য নিরাপদ রাখতে ওটিপি, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বা মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের ব্যক্তিগত ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য দেশের অভ্যন্তরে থাকা ডেটা ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণ করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এ সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে ব্যাংকগুলোকে অন্তত ৬ মাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাতে হবে। পরে সেই কার্যক্রমের সফলতার মূল্যায়ন প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আপাতত রিয়েল-টাইম সিআইবি সুবিধা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত ঋণ অনুমোদনে কিছুটা শিথিলতা থাকবে। তবে ঋণ বিতরণের পর অবশ্যই গ্রাহকের সিআইবি রিপোর্ট সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। এ জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের ফি নেওয়া যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, খেলাপি ঋণগ্রহীতারা কোনোভাবেই এই সুবিধা পাবেন না। কেউ তথ্য গোপন করে ঋণ নিলে পরে সিআইবি রিপোর্টে ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে দেশে দ্রুত অনলাইন আর্থিক সেবার চাহিদা বাড়ছে। নতুন এই ই-লোন ব্যবস্থা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও সহজে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .