২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর শুরু করার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে লিখিত পরীক্ষা জানুয়ারিজুড়ে চলবে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করা হবে।
বুধবার (১৪ মে) শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর একটি প্রাথমিক খসড়া সময়সূচি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর থেকে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হবে এবং ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তা শেষ করা হবে। এরপর ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্ভাব্য রোজার ছুটি শুরু হওয়ার আগেই পুরো পরীক্ষা শেষ করতে চায় সরকার। কারণ আগামী বছর ৮ বা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজার ছুটি শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একজন কর্মকর্তা জানান, শিক্ষামন্ত্রী আগেই ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি বড় অংশ হঠাৎ করে পরীক্ষা এগিয়ে আনার বিপক্ষে মত দেয় এবং জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানায়। পরে দুই পক্ষের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ৩১ ডিসেম্বর পরীক্ষা শুরু করার প্রস্তাব আসে।
তিনি আরও বলেন, এতে একদিকে যেমন শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে মিল থাকবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরাও পুরো জানুয়ারি সময় পাবে পরীক্ষার জন্য।
এদিকে ২০২৭ সালের এসএসসিতে প্রথমবারের মতো সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পুরোপুরি ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়ে আসার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর শুরু করার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে লিখিত পরীক্ষা জানুয়ারিজুড়ে চলবে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করা হবে। বুধবার (১৪ মে) শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর একটি প্রাথমিক খসড়া সময়সূচি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর থেকে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হবে এবং ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তা শেষ করা হবে। এরপর ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্ভাব্য রোজার ছুটি শুরু হওয়ার আগেই পুরো পরীক্ষা শেষ করতে চায় সরকার। কারণ আগামী বছর ৮ বা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজার ছুটি শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একজন কর্মকর্তা জানান, শিক্ষামন্ত্রী আগেই ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি বড় অংশ হঠাৎ করে পরীক্ষা এগিয়ে আনার বিপক্ষে মত দেয় এবং জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানায়। পরে দুই পক্ষের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ৩১ ডিসেম্বর পরীক্ষা শুরু করার প্রস্তাব আসে। তিনি আরও বলেন, এতে একদিকে যেমন শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে মিল থাকবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরাও পুরো জানুয়ারি সময় পাবে পরীক্ষার জন্য। এদিকে ২০২৭ সালের এসএসসিতে প্রথমবারের মতো সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পুরোপুরি ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়ে আসার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।
জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত। এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন। তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে। আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে: অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি। যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা । সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে। এ বছর মোট ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী এই শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে অংশ নিচ্ছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, এবারের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২১ হাজার ১১৮ জন। দেশের ৩ হাজার ৯০২টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৪২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় বসছে। প্রথম দিন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবার কেন্দ্রের প্রবেশপথ সকাল সাড়ে ৮টায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। ২০ মে পর্যন্ত তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .