নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্বস্তি যেন কিছুতেই স্থায়ী হচ্ছে না। কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসার আগেই ঢাকার খুচরা বাজারগুলোতে হঠাৎ করেই অস্থির হতে শুরু করেছে রান্নার অন্যতম অপরিহার্য উপাদান পেঁয়াজের দাম। সরাসরি মাঠপর্যায়ের বাজার ঘুরে এবং ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম বেশ খানিকটা ঊর্ধ্বমুখী।
আজ সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা এবং মহাখালী বাজার ঘুরে পেঁয়াজের দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারে বর্তমানে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ থাকলেও দাম গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ চড়া।
বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ (নতুন/পুরাতন) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। অথচ ঠিক এক সপ্তাহ আগেও এই পেঁয়াজের দাম ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। অর্থাৎ, মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা বা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ১২ মে থেকেই মূলত পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে আজকের খুচরা বাজারে।
মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, পাইকারি আড়ত থেকে তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে আনতে হচ্ছে, তাই খুচরা পর্যায়ে দাম না বাড়িয়ে তাদের কোনো উপায় নেই। অন্যদিকে রামপুরা ও নিউমার্কেট কাঁচাবাজারে আসা ক্রেতারা এই হঠাৎ দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বাজারে দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে বাজারে এখন আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ একেবারেই নেই, আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে দাম বাড়াচ্ছেন কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী।
তবে বর্তমান এই ঊর্ধ্বমুখী দামের মধ্যেও ক্রেতাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হিসাবে একটি ছোট স্বস্তির জায়গা রয়েছে। গত বছর ঠিক এই সময়ে (মে মাসে) বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ৪৮ থেকে ৬০ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। সেই হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ১৬ শতাংশ কম রয়েছে। তবে গত এক মাস ধরে যে পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, তা হঠাৎ করে ৫০ টাকায় ঠেকায় স্বল্প আয়ের ক্রেতাদের পকেটে নতুন করে চাপ পড়ছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সামনেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের আগে পেঁয়াজসহ অন্যান্য মসলা জাতীয় পণ্যের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়। এখনই বাজার তদারকি জোরদার না করা হলে, আমদানি করা পেঁয়াজের ঘাটতির অজুহাতে দেশি পেঁয়াজের দাম কোরবানির আগে আরও লাগামহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এখনই ঢাকার প্রধান বাজারগুলোতে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
সামনেই পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। মাংস রান্নার জন্য এই সময়ে মসলা জাতীয় পণ্যের চাহিদা থাকে বছরের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। আর এই বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে প্রতিবারের মতোই কোরবানির আগে অস্থির হতে শুরু করেছে ঢাকার মসলার বাজার। পেঁয়াজের দাম বাড়ার খবরের পরপরই এবার উত্তাপ ছড়িয়েছে আদা, রসুন, শুকনা মরিচ থেকে শুরু করে জিরা ও এলাচের বাজারে। আজ সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা এবং মহাখালী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি মসলা জাতীয় পণ্যই গত সপ্তাহের তুলনায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর রবিবারের (১৭ মে) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করেও বাজার দরের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সত্যতা পাওয়া গেছে। বাজার ঘুরে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি দেখা গেছে রসুন ও আদার দামে। টিসিবি’র তথ্য ও খুচরা বাজারের চিত্র বলছে, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি ও আমদানি করা উভয় ধরনের রসুনের দামই বেশ খানিকটা বেড়েছে। আজ বাজারে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০ থেকে ১৪০ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও সর্বনিম্ন ৬০ টাকায় পাওয়া যেত। একইভাবে আমদানি করা রসুনের দাম কেজিতে ২০ টাকার মতো বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২২০ টাকায়। রসুনের পাশাপাশি আমদানি করা আদার দামও কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে ১৫০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে (গত সপ্তাহে যা ছিল ১২০-২০০ টাকা)। রামপুরা ও মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতারা এই দাম বৃদ্ধিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো মসলার দাম বাড়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজার খিলগাঁও, শ্যামবাজার বা কারওয়ান বাজার থেকেই তাদের বাড়তি দামে মসলা কিনতে হচ্ছে। বিশেষ করে ডলারের দাম বৃদ্ধি ও আমদানি খরচের অজুহাত দেখিয়ে পাইকারি ব্যবসায়ীরা এই দাম বাড়াচ্ছেন বলে দাবি খুচরা বিক্রেতাদের
চলতি মাসের শেষেই পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও রেমিট্যান্স যোদ্ধারা আগেভাগেই দেশে অর্থ পাঠাতে শুরু করেছেন। ফলে মে মাসজুড়ে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে দারুণ এক ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। মূলত কোরবানির পশু কেনাসহ ঈদের বাড়তি খরচের জোগান দিতেই প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মে মাসের প্রথম ১৬ দিনেই বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ১৯৬ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। দেশীয় মুদ্রায় হিসাব করলে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা ধরে)। এই হিসাবে চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে দেশে আসছে দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রবাসী আয়। আজ রোববার (১৭ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই আশাব্যঞ্জক তথ্য জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া তথ্যমতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে অর্থাৎ জুলাই থেকে ১৬ মে পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ১২৯ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য এক বিশাল স্বস্তির খবর। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু ঈদ নয়, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধপথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা সুবিধা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের সেবার মান উন্নয়নও রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এটি প্রমাণ করে যে, বৈধ চ্যানেলগুলো যখন প্রবাসীদের জন্য সহজ ও লাভজনক করা হয়, তখন তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ হুন্ডির পথ এড়িয়ে ব্যাংকের মাধ্যমেই টাকা পাঠাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কোন ব্যাংকের মাধ্যমে কত রেমিট্যান্স এলো, তারও একটি সুনির্দিষ্ট চিত্র তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের মাধ্যমে, যার পরিমাণ ৩৫ কোটি ৬২ লাখ ডলার। এরপরই রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক (২৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার), বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (২৩ কোটি ২৭ লাখ ডলার), ট্রাস্ট ব্যাংক (১৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার) এবং অগ্রণী ব্যাংক (১৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলার)। চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে রেমিট্যান্সের একটি ধারাবাহিক চিত্র পাওয়া যায়। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে আসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। এরপর আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে। এছাড়া ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ এবং এপ্রিল মাসে আসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, বর্তমান এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মে মাস শেষে দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসতে পারে। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মে মাসের বাকি সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ডলার সংকট কাটাতে এবং সার্বিক অর্থনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আগামী ১ জুলাই থেকে দেশে টাকা লেনদেনের নিয়মে আসছে বড় পরিবর্তন। এখন থেকে টাকা ট্রান্সফার বা কেনাকাটার বিল মেটানোর ক্ষেত্রে ‘বাংলা কিউআর’ কোডের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার। মূলত দেশজুড়ে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ‘ক্যাশলেস’ সমাজ গড়তে এবং কাগুজে নোট ছাপানোর বিপুল খরচ বাঁচাতেই এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের মুদ্রানীতি কেমন হবে, তা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত জানতেই এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ক্যাশলেস বা ডিজিটাল লেনদেনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "আগামী জুনের মধ্যে সবার অন্তত একটি লেনদেন হলেও বাংলা কিউআরের মাধ্যমে করা উচিত।" নগদ টাকার বদলে ডিজিটাল লেনদেনে জোর দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে গভর্নর জানান, প্রতি বছর দেশে শুধু কাগজের নোট ছাপাতেই সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। মানুষ যদি ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, তবে এই খরচের অর্ধেক অর্থাৎ অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা অনায়াসেই বাঁচানো সম্ভব। এই সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক। বাংলা কিউআর হলো এমন একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে একটি মাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করে যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (যেমন: বিকাশ, নগদ, রকেট) মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়। এটি চালু হলে মুদি দোকান বা ছোট ব্যবসায়ীদের আলাদা আলাদা কোম্পানির কিউআর কোড ঝোলাতে হবে না। এতে সাধারণ মানুষের নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি কমবে। আর নোট ছাপানোর ১০ হাজার কোটি টাকা বেঁচে গেলে তা জনকল্যাণে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে। সভায় খুলনার ব্যবসায়ীরা কৃষকদের ঋণ পাওয়া এবং ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার পথে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এর জবাবে গভর্নর কৃষক ঋণ এবং সম্প্রতি আলোচিত পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার বিষয়েও কথা বলেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চমৎকার উদ্যোগটি শতভাগ সফল করতে বড় চ্যালেঞ্জ হবে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্মার্টফোন এবং নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনা। প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের অভ্যস্ত করতে না পারলে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’-এর সুফল প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার নির্বাহী পরিচালক মো. রুকনুজ্জামান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং মুদ্রানীতি নিয়ে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ সালাহ্উদ্দিন নাসের।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .