ষষ্ঠ শ্রেণি ও একাদশের উপবৃত্তি আবেদন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, বাড়লো সময়সীমা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ মে, ২০২৬ | সকাল ১১:৪৬

২০২৬ সালের ষষ্ঠ শ্রেণি এবং ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষের উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২২ মে রাত ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সফটওয়্যারে এন্ট্রি ও উপজেলা পর্যায়ে পাঠাতে পারবে।

রোববার (১৭ মে) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে তথ্য এন্ট্রির শেষ সময় ছিল ১৪ মে। তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুরোধ এবং কারিগরি জটিলতার বিষয় বিবেচনায় সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো HSP-MIS সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্য আপলোড করতে পারবে। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপশন বন্ধ হয়ে যাবে।

শুধু তথ্য এন্ট্রির সময়ই নয়, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময়ও বাড়ানো হয়েছে। উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা উপদেষ্টা কমিটির সভার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে সুপারিশকৃত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী ৪ জুন পর্যন্ত HSP/PMEAT-এ পাঠাতে পারবেন।

এ সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর মধ্যে। কারণ, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সমস্যা, তথ্য সংগ্রহে বিলম্ব এবং সফটওয়্যার জটিলতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য পাঠাতে পারেনি।

বিশেষ করে গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য এই বাড়তি সময় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ উপবৃত্তির এই অর্থ অনেক পরিবারের জন্য শিক্ষাজীবন চালিয়ে নেওয়ার বড় সহায়তা হয়ে দাঁড়ায়।

এদিকে তথ্য এন্ট্রি বা কারিগরি জটিলতা সংক্রান্ত সহায়তার জন্য দুটি হেল্পলাইন নম্বর চালু রাখা হয়েছে। অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ০১৩১৬৬৫৮২৩০ এবং ০১৩১৬৬৫৮৫২৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

শিক্ষা থেকে আরো

আরো দেখুন
ষষ্ঠ শ্রেণি ও একাদশের উপবৃত্তি আবেদন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, বাড়লো সময়সীমা

২০২৬ সালের ষষ্ঠ শ্রেণি এবং ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষের উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২২ মে রাত ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সফটওয়্যারে এন্ট্রি ও উপজেলা পর্যায়ে পাঠাতে পারবে। রোববার (১৭ মে) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে তথ্য এন্ট্রির শেষ সময় ছিল ১৪ মে। তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুরোধ এবং কারিগরি জটিলতার বিষয় বিবেচনায় সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো HSP-MIS সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্য আপলোড করতে পারবে। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপশন বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু তথ্য এন্ট্রির সময়ই নয়, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময়ও বাড়ানো হয়েছে। উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা উপদেষ্টা কমিটির সভার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে সুপারিশকৃত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী ৪ জুন পর্যন্ত HSP/PMEAT-এ পাঠাতে পারবেন। এ সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর মধ্যে। কারণ, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সমস্যা, তথ্য সংগ্রহে বিলম্ব এবং সফটওয়্যার জটিলতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য পাঠাতে পারেনি। বিশেষ করে গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য এই বাড়তি সময় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ উপবৃত্তির এই অর্থ অনেক পরিবারের জন্য শিক্ষাজীবন চালিয়ে নেওয়ার বড় সহায়তা হয়ে দাঁড়ায়। এদিকে তথ্য এন্ট্রি বা কারিগরি জটিলতা সংক্রান্ত সহায়তার জন্য দুটি হেল্পলাইন নম্বর চালু রাখা হয়েছে। অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ০১৩১৬৬৫৮২৩০ এবং ০১৩১৬৬৫৮৫২৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৮ মে, ২০২৬ 0

একজন কলেজের প্রভাষকের বেতন কত, কি কি সুবিধা পান?

জুলাই আন্দোলন

পাঠ্যবইয়ে আসছে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: মুছে যাচ্ছে একপেশে ইতিহাস

national university

দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারও কলেজ র‍্যাংকিং প্রকাশের সিদ্ধান্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের

পরীক্ষা
২০২৭ সালের এসএসসি শুরু হতে পারে ৩১ ডিসেম্বর, জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর শুরু করার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে লিখিত পরীক্ষা জানুয়ারিজুড়ে চলবে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করা হবে। বুধবার (১৪ মে) শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর একটি প্রাথমিক খসড়া সময়সূচি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর থেকে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হবে এবং ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তা শেষ করা হবে। এরপর ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্ভাব্য রোজার ছুটি শুরু হওয়ার আগেই পুরো পরীক্ষা শেষ করতে চায় সরকার। কারণ আগামী বছর ৮ বা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজার ছুটি শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একজন কর্মকর্তা জানান, শিক্ষামন্ত্রী আগেই ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি বড় অংশ হঠাৎ করে পরীক্ষা এগিয়ে আনার বিপক্ষে মত দেয় এবং জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানায়। পরে দুই পক্ষের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ৩১ ডিসেম্বর পরীক্ষা শুরু করার প্রস্তাব আসে। তিনি আরও বলেন, এতে একদিকে যেমন শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে মিল থাকবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরাও পুরো জানুয়ারি সময় পাবে পরীক্ষার জন্য। এদিকে ২০২৭ সালের এসএসসিতে প্রথমবারের মতো সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পুরোপুরি ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়ে আসার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৪ মে, ২০২৬ 0
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১৬–২৩ দিনের ছুটি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১৬–২৩ দিনের ছুটি, কবে থেকে শুরু?

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন নিয়ে যা জানা গেলো

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন নিয়ে যা জানা গেলো

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

বাড়লো কারিগরি শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির তথ্য হালনাগাদের সময়

জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও

জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত।  এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন। তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে। আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে: অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি। যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

দিগন্ত প্রতিবেদন ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ 0
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের বেতন ভাতার বিল জমা দেয়ার নির্দেশ মাউশির

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের বেতন ভাতার বিল জমা দেয়ার নির্দেশ মাউশির

এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা

এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা