দেশের ভোটার তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন নাগরিক। নতুন এই সংযোজনের ফলে বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জনে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা এ তথ্য জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে সর্বশেষ হালনাগাদ কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ার পর ভোটার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।
ইসির সর্বশেষ তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশের মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন। অন্যদিকে নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়মিত ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমের ফলে নতুন প্রজন্মের নাগরিকরা দ্রুত ভোটাধিকার পাচ্ছেন। এতে নির্বাচন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সঠিক ও হালনাগাদ ভোটার তালিকা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণও বাড়বে।
এছাড়া নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ হলে ভুয়া ভোটার বা তথ্যগত জটিলতা কমানো সহজ হয়। নির্বাচন কমিশনের জন্যও এটি ভবিষ্যৎ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনায় সহায়ক হবে।
দেশের ভোটার তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন নাগরিক। নতুন এই সংযোজনের ফলে বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জনে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা এ তথ্য জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে সর্বশেষ হালনাগাদ কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ার পর ভোটার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। ইসির সর্বশেষ তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশের মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন। অন্যদিকে নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়মিত ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমের ফলে নতুন প্রজন্মের নাগরিকরা দ্রুত ভোটাধিকার পাচ্ছেন। এতে নির্বাচন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সঠিক ও হালনাগাদ ভোটার তালিকা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণও বাড়বে। এছাড়া নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ হলে ভুয়া ভোটার বা তথ্যগত জটিলতা কমানো সহজ হয়। নির্বাচন কমিশনের জন্যও এটি ভবিষ্যৎ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনায় সহায়ক হবে।
মাগুরার মহম্মদপুরে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ৪৩৪ কেজি চাল পাচারের সময় একটি ইজিবাইকসহ চাল আটক করেছে স্থানীয় জনতা। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার নাগড়া এলাকার হাটবাড়িয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগড়া বাজারের টিসিবির ডিলার বাবু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বাবু উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া চাল গোপনে বিক্রি করেন। পরে ওই চাল ইজিবাইকে করে অন্যত্র নেওয়ার সময় হাটবাড়িয়া বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ইজিবাইকটি আটক করেন। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাল জব্দ করে। একজন ক্রেতা, মাগুরার বাহারবাগ এলাকার মো. ফারুক বিশ্বাস জানান, তিনি বস্তা কিনতে বাজারে গেলে তাকে চাল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি ৩০ টাকা কেজি দরে চাল কিনলেও পরে জানতে পারেন এটি টিসিবির বরাদ্দকৃত সরকারি চাল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ডিলার দীর্ঘদিন ধরেই টিসিবির পণ্য গোপনে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করে আসছিলেন। তারা গরিবদের জন্য বরাদ্দকৃত পণ্য আত্মসাতের অভিযোগে তার ডিলারশিপ বাতিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত ডিলার রফিকুল ইসলাম বাবু অবশ্য চাল বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তিনি নিজের জমাকৃত চাল বিক্রি করেছেন। সরকারি চাল বাইরে বিক্রি করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, অনেক উপকারভোগী চাল নিতে চান না বলেই তিনি তা বিক্রি করেছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, ডিলারের ঘরে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের উপস্থিতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় সেখানে টিসিবির চালের খালি বস্তা, চিনি ও তেল মজুত পাওয়া যায়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহ. শাহনুর জামান বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ও তহবিলের পরিমাণ নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা এই চারটি স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছেন। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত পেনশন তহবিলে জমা পড়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আর অর্জিত মুনাফাসহ এই তহবিলের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকায়। মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা’ বিষয়ক সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় জানানো হয়, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে পেনশন স্কিমের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম চালু, নমিনিদের আজীবন পেনশন সুবিধা এবং আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। বর্তমানে ৪৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে পেনশনের চাঁদা জমা দেওয়া যাচ্ছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোও নিবন্ধন কার্যক্রমে সহায়তা করছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি খাতের কর্মীদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বজনীন পেনশন স্কিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য জনগণের আস্থা বৃদ্ধি, প্রচারণা জোরদার এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .