জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও

দিগন্ত প্রতিবেদন
দিগন্ত প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ | দুপুর ১:৩
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও
জাপানে

জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত। 

এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন।

তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে।

আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে:

অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি।

যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

শিক্ষা থেকে আরো

আরো দেখুন
একজন কলেজের প্রভাষকের বেতন কত, কি কি সুবিধা পান?

বর্তমানে বাংলাদেশে ২০১৫ সালের পে স্কেল কাঠামোতে বেতন চলমান রয়েছে, এদিকে নবম পে স্কেল নিয়ে আলোচনা চলছে তবে এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। আবার এই সময়ে অনেকেই কলেজে প্রভাষক পদের বেতন নিয়ে বিভ্রান্ত থাকেন। বিশেষ করে যারা নতুন চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন বা পরিবারে কেউ শিক্ষকতায় আছেন, তাদের জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশে কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক পদটি সাধারণত নবম গ্রেডভুক্ত। তবে সরকারি কলেজ ও এমপিওভুক্ত (বেসরকারি কিন্তু সরকারিভাবে বেতনপ্রাপ্ত) কলেজে বেতন কাঠামো কিছুটা ভিন্ন হয়। এমপিওভুক্ত কলেজ প্রভাষকের বেতন বর্তমান পে স্কেল অনুযায়ী একজন এমপিওভুক্ত কলেজে প্রভাষক পদে (৯ম গ্রেড) শুরুতে মূল বেতন থাকে প্রায় ২২,০০০ টাকা। এর সাথে যোগ হয়: বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রায় ১,০০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা প্রায় ৫০০ টাকা সব মিলিয়ে মোট বেতন দাঁড়ায় প্রায় ২৩,৫০০ টাকার মতো। তবে কল্যাণ তহবিল ও অবসর সুবিধার জন্য ১০ শতাংশ কেটে নেওয়ার পর হাতে পাওয়া টাকা কিছুটা কমে যায়। বর্তমানে বাস্তব হিসেবে টেক হোম স্যালারি প্রায় ২১,০০০ থেকে ২১,৫০০ টাকার মধ্যে থাকে বলে বিভিন্ন সরকারি বেতন কাঠামো বিশ্লেষণে দেখা যায়  সরকারি কলেজ প্রভাষকের বেতন সরকারি কলেজে প্রভাষকের পদও নবম গ্রেডে থাকে, তবে এখানে সুবিধা তুলনামূলক বেশি। মূল বেতন একই হলেও ভাতা অনেক বেশি হয়। সাধারণভাবে সরকারি কলেজ শিক্ষকরা পান: মূল বেতন (নবম গ্রেড) বাড়ি ভাড়া ভাতা চিকিৎসা ভাতা উৎসব ভাতা বছরে দুইবার বৈশাখী ভাতা শুধু উৎসব ভাতা হিসেবে সরকারি কলেজ শিক্ষকরা মূল বেতনের প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পান, এ কারণে সরকারি কলেজ প্রভাষকের মোট আয় এমপিওর তুলনায় অনেক বেশি হয়। কেন বেতনে এত পার্থক্য একই “প্রভাষক” পদ হলেও সরকারি ও এমপিও কলেজের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ভাতা ও সুবিধা কাঠামো। সরকারি কলেজে পেনশন, নিয়মিত পদোন্নতি এবং বেশি ভাতা থাকে। অন্যদিকে এমপিও কলেজে মূল বেতন একই হলেও ভাতা সীমিত থাকে। এটাই দুই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় পার্থক্য। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, একজন নতুন প্রভাষকের বেতন দিয়ে শহরে জীবনযাপন অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ঢাকা বা বড় শহরে ভাড়া, খাবার ও যাতায়াত খরচ বাড়ার কারণে অনেক শিক্ষক অতিরিক্ত প্রাইভেট টিউশন বা অন্য কাজের ওপর নির্ভর করেন। শিক্ষা বিশ্লেষকরা বলেন, শিক্ষকদের মান উন্নত করতে হলে শুধু বেতন নয়, ভাতা ও কর্মপরিবেশেও ভারসাম্য আনা জরুরি। গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা বেতন কাঠামো সময়ের সাথে পরিবর্তন হতে পারে। নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে বেতন পরিবর্তিত হতে পারে। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সর্বশেষ সরকারি গেজেট বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আপডেট দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ডেস্ক রিপোর্ট ১৫ মে, ২০২৬ 0
জুলাই আন্দোলন

পাঠ্যবইয়ে আসছে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান: মুছে যাচ্ছে একপেশে ইতিহাস

national university

দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারও কলেজ র‍্যাংকিং প্রকাশের সিদ্ধান্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের

পরীক্ষা

২০২৭ সালের এসএসসি শুরু হতে পারে ৩১ ডিসেম্বর, জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১৬–২৩ দিনের ছুটি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১৬–২৩ দিনের ছুটি, কবে থেকে শুরু?

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদরাসাগুলোতে একযোগে এই ছুটি কার্যকর হবে। তবে শিক্ষার্থীরা মূলত ২১ মে (বৃহস্পতিবার) শেষ ক্লাস শেষে ছুটিতে যাচ্ছে। কারণ ২২ ও ২৩ মে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ওই দুই দিন থেকেই অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান বন্ধ থাকবে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের মূল ছুটি শুরু হবে ২৪ মে থেকে। এরপর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি চলবে ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। ৫ ও ৬ জুন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ৭ জুন (রোববার) থেকে পুনরায় ক্লাস শুরু হবে। এই হিসাবে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট প্রায় ১৬ দিনের ছুটি উপভোগ করবে। অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী ছুটি আরও দীর্ঘ হবে। আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ছুটি থাকবে ২৪ মে থেকে ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। এরপর ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ জুন (রোববার) থেকে ক্লাস শুরু হবে। ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ প্রায় ২১ থেকে ২৩ দিনের দীর্ঘ ছুটি পাবে।

ডেস্ক রিপোর্ট ১৩ মে, ২০২৬ 0
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন নিয়ে যা জানা গেলো

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন নিয়ে যা জানা গেলো

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

বাড়লো কারিগরি শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির তথ্য হালনাগাদের সময়

জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও

জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের বেতন ভাতার বিল জমা দেয়ার নির্দেশ মাউশির
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের বেতন ভাতার বিল জমা দেয়ার নির্দেশ মাউশির

দেশের বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতার বিল জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে বিল সাবমিট করতে বলা হয়েছে। বুধবার অধিদপ্তরের ইএমআইএস সেল থেকে প্রকাশিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইএফটি পদ্ধতিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি এমপিওর টাকা পাঠানো হয়। তাই এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতার জন্য ইএমআইএস সিস্টেমের ‘MPO-EFT’ মডিউলে লগইন করে বিল জমা দিতে হবে। মাউশি জানিয়েছে, চলতি মাসে অবসরে যাওয়া, পদত্যাগ করা বা মৃত্যুবরণ করা শিক্ষক-কর্মচারীদের নামে বিল জমা দেওয়া যাবে না। একইভাবে সাময়িক বরখাস্ত বা অনুমোদন ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে সেটিও বিলে উল্লেখ করতে হবে।যদি কেউ পুরো মাসের বেতন পাওয়ার যোগ্য না হন, কিন্তু বকেয়া পাওনা থাকে, তাহলে ‘আংশিক পেমেন্ট’ অপশন ব্যবহার করতে হবে। অধিদপ্তর বলেছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এমপিওর টাকা ছাড় করা হয়। তাই তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের। ভুল তথ্য দিয়ে অতিরিক্ত টাকা উত্তোলন হলে তার দায়ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নিতে হবে। এ ছাড়া যাদের তথ্য আইবাস++ সিস্টেমে যাচাই হয়েছে, শুধু তাদের নামই বিল সাবমিট তালিকায় দেখা যাবে। ত্রুটিপূর্ণ তথ্য সংশোধনের পর পরে বিল জমার সুযোগ দেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ২২ এপ্রিল, ২০২৬ 0
এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা

এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা

কাল শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নিবে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী

কাল শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নিবে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী