জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত।
এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন।
তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে।
আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে:
অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি।
যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত। এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন। তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে। আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে: অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি। যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা । সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে। এ বছর মোট ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী এই শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে অংশ নিচ্ছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, এবারের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২১ হাজার ১১৮ জন। দেশের ৩ হাজার ৯০২টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৪২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় বসছে। প্রথম দিন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবার কেন্দ্রের প্রবেশপথ সকাল সাড়ে ৮টায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। ২০ মে পর্যন্ত তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত।
আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি তথ্যকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ইন্টারনেটে দাবি করা হচ্ছে যে, ‘নকল বন্ধে এবার পরীক্ষার আগে রুটিন দেওয়া হবে না এবং কোন বিষয়ে পরীক্ষা হবে তা কেবল পরীক্ষার হলে গিয়েই জানা যাবে।’ তবে এই তথ্যটি সম্পূর্ণ অত্য ও ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরীক্ষার রুটিন নিয়ে যে খবরটি ছড়ানো হচ্ছে তা নিছক একটি গুজব। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। মূলত শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরীক্ষার রুটিন যথাসময়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় এবং এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা কোনো ভুঁইফোড় অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত এই ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। বিবরণীতে আরও বলা হয়, সরকারি কোনো ঘোষণা বা রুটিন পরিবর্তনের খবর জানতে সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অথবা শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করাই শ্রেয়। কোনো ভিত্তিহীন সংবাদ শেয়ার করে গুজব ছড়াতে সহায়তা না করার জন্যও জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মনোযোগী হতে এবং কোনো ধরণের গুজবে কান দিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট না করতে। পরীক্ষার রুটিন এবং আনুষঙ্গিক তথ্য বোর্ডগুলোর নিয়মিত নিয়ম অনুযায়ীই সম্পন্ন হবে। বাসস
By using this site, you agree to our Cookie Policy .