আইফোনে আর থাকছে না চ্যাটজিপিটি, অ্যাপলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পথে ওপেনএআই

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ মে, ২০২৬ | বিকেল ৩:৫৬
open ai
ছবিঃ রয়টার্স

আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের মধ্যকার দুই বছরের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। চুক্তি অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত আর্থিক লাভ ও সুবিধা না পাওয়ায় অ্যাপলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এই বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন একটি বিশ্বস্ত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, ওপেনএআই সরাসরি মামলা না করে আলোচনার মাধ্যমেই অ্যাপলের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় এখন বাইরের একটি আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে বিকল্প পথ খুঁজছেন তাদের আইনজীবীরা। আপাতত সরাসরি মামলা না করে অ্যাপলকে 'চুক্তি ভঙ্গের' একটি নোটিশ দেওয়ার কথা ভাবছে তারা।

২০২৪ সালে অ্যাপল যখন তাদের ডিভাইসে 'অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স' এবং চ্যাটজিপিটি যুক্ত করার ঘোষণা দেয়, তখন ওপেনএআই আশা করেছিল এতে তাদের চ্যাটজিপিটির সাবস্ক্রিপশন হু হু করে বাড়বে।

আইফোনের সেটিংস থেকে সরাসরি চ্যাটজিপিটির মেম্বারশিপ নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওপেনএআইয়ের অভিযোগ, তারা অ্যাপলের কাছ থেকে যেমন গভীর ইন্টিগ্রেশন বা সুবিধা আশা করেছিল, বাস্তবে তা পায়নি। এ নিয়ে চুক্তি সংশোধনের আলোচনাও এখন থমকে আছে।

এরই মধ্যে অ্যাপল তাদের সফটওয়্যারে অন্য এআই মডেলগুলো যুক্ত করার কাজ শুরু করেছে। খুব শিগগিরই আইফোন ব্যবহারকারীরা গুগলের 'জেমিনাই' বা অ্যানথ্রোপিকের 'ক্লড'-এর মতো এআই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে এ বছরই গুগলের জেমিনাইয়ের হাত ধরে আইফোনের 'সিরি' নতুন রূপে আসতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

তবে সূত্রটি পরিষ্কার করেছে যে, অ্যাপল অন্য এআই ব্যবহার করছে বলে ওপেনএআই আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না; কারণ শুরু থেকেই তাদের চুক্তিটি একক (এক্সক্লুসিভ) ছিল না। মূল ঝামেলা বেধেছে চুক্তির শর্ত ঠিকমতো পূরণ না হওয়া নিয়ে। আগামী জুনে অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে তাদের এআই পরিকল্পনা নিয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

খবরঃ রয়টার্স 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

প্রযুক্তি থেকে আরো

আরো দেখুন
open ai
আইফোনে আর থাকছে না চ্যাটজিপিটি, অ্যাপলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পথে ওপেনএআই

আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের মধ্যকার দুই বছরের সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। চুক্তি অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত আর্থিক লাভ ও সুবিধা না পাওয়ায় অ্যাপলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এই বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন একটি বিশ্বস্ত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, ওপেনএআই সরাসরি মামলা না করে আলোচনার মাধ্যমেই অ্যাপলের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় এখন বাইরের একটি আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে বিকল্প পথ খুঁজছেন তাদের আইনজীবীরা। আপাতত সরাসরি মামলা না করে অ্যাপলকে 'চুক্তি ভঙ্গের' একটি নোটিশ দেওয়ার কথা ভাবছে তারা। ২০২৪ সালে অ্যাপল যখন তাদের ডিভাইসে 'অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স' এবং চ্যাটজিপিটি যুক্ত করার ঘোষণা দেয়, তখন ওপেনএআই আশা করেছিল এতে তাদের চ্যাটজিপিটির সাবস্ক্রিপশন হু হু করে বাড়বে। আইফোনের সেটিংস থেকে সরাসরি চ্যাটজিপিটির মেম্বারশিপ নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওপেনএআইয়ের অভিযোগ, তারা অ্যাপলের কাছ থেকে যেমন গভীর ইন্টিগ্রেশন বা সুবিধা আশা করেছিল, বাস্তবে তা পায়নি। এ নিয়ে চুক্তি সংশোধনের আলোচনাও এখন থমকে আছে। এরই মধ্যে অ্যাপল তাদের সফটওয়্যারে অন্য এআই মডেলগুলো যুক্ত করার কাজ শুরু করেছে। খুব শিগগিরই আইফোন ব্যবহারকারীরা গুগলের 'জেমিনাই' বা অ্যানথ্রোপিকের 'ক্লড'-এর মতো এআই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে এ বছরই গুগলের জেমিনাইয়ের হাত ধরে আইফোনের 'সিরি' নতুন রূপে আসতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে সূত্রটি পরিষ্কার করেছে যে, অ্যাপল অন্য এআই ব্যবহার করছে বলে ওপেনএআই আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না; কারণ শুরু থেকেই তাদের চুক্তিটি একক (এক্সক্লুসিভ) ছিল না। মূল ঝামেলা বেধেছে চুক্তির শর্ত ঠিকমতো পূরণ না হওয়া নিয়ে। আগামী জুনে অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে তাদের এআই পরিকল্পনা নিয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। খবরঃ রয়টার্স 

অনলাইন ডেস্ক ১৫ মে, ২০২৬ 0
ইনস্টাগ্রামে আর সিক্রেট চ্যাট নয়! আপনার মেসেজ দেখতে পারবে মেটা

ইনস্টাগ্রামে আর সিক্রেট চ্যাট নয়! আপনার মেসেজ দেখতে পারবে মেটা

চ্যাট জিপিটি ও জিমিনিকে টক্কর দিতে মাঠে নামল চীনের ডিপসিক

চ্যাট জিপিটি ও জিমিনিকে টক্কর দিতে মাঠে নামল চীনের ডিপসিক

এনথ্রপিকের ক্লাউডি মাইথস: মানুষের জন্য আসলেই বড় হুমকি?

এনথ্রপিকের ক্লাউডি মাইথস: মানুষের জন্য আসলেই বড় হুমকি?

ছবিঃ দিগন্ট পোস্ট
ভোটার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করবেন কীভাবে? ধাপে ধাপে জানুন!

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডের ছবি অনেক আগের হওয়ায় অনেকেরই বর্তমান চেহারার সাথে তা মেলে না। আবার অনেক সময় ছবি অস্পষ্ট আসার কারণে বিভিন্ন জায়গায় ভেরিফিকেশনে সমস্যায় পড়তে হয়। তবে চিন্তার কিছু নেই, আপনি চাইলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে আপনার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করে নিতে পারেন। এই কাজটি কীভাবে করবেন তা নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো। ভোটার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করার নিয়ম ছবি পরিবর্তনের জন্য প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। যদি আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট করা থাকে, তবে আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। লগইন করার পর আপনার প্রোফাইলে গিয়ে 'সংশোধন' বাটনে ক্লিক করতে হবে। এখানে মনে রাখা ভালো যে, ছবি পরিবর্তনের আবেদনটি অনলাইনে শুরু করা গেলেও এটি পুরোপুরি শেষ করতে আপনাকে সশরীরে অফিসে যেতে হতে হবে।  অনলাইনে সংশোধনের ফরমে আপনি ছবি পরিবর্তনের অপশনটি সিলেক্ট করবেন। এই পর্যায়ে আপনাকে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র আপলোড করতে হতে পারে। সাধারণত বর্তমান ছবি পরিবর্তনের জন্য আপনার বর্তমান চেহারার সাথে মিল আছে এমন কোনো প্রমাণপত্র, যেমন পাসপোর্ট বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের কপি স্ক্যান করে জমা দিতে হয়। এরপর সরকারি নির্ধারিত ফি বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে জমা দিয়ে আবেদনের অনলাইন ধাপটি শেষ করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি দিনক্ষণ দেখে আপনার নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। কারণ ছবি যেহেতু একটি বায়োমেট্রিক তথ্য, তাই এটি অনলাইনের মাধ্যমে নিজে নিজে পরিবর্তন করা যায় না। অফিসে যাওয়ার সময় আপনার সাথে আবেদনের অনলাইন কপির প্রিন্ট কপি এবং অরিজিনাল এনআইডি কার্ডটি নিয়ে যাবেন। নির্বাচন অফিসে যাওয়ার পর দায়িত্বরত কর্মকর্তা আপনার তথ্যগুলো যাচাই করবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তারা ডিজিটাল ক্যামেরার মাধ্যমে আপনার নতুন ছবি তুলে নেবেন এবং আপনার আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট পুনরায় গ্রহণ করবেন। এই নতুন ছবিই আপনার পরবর্তী এনআইডি কার্ডে যুক্ত করা হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কিছুদিন পর আপনার মোবাইলে একটি মেসেজ আসবে যে আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে। তখন আপনি অনলাইন থেকে নতুন ছবির এনআইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে একটু সময় লাগলেও আপনার পরিচয়পত্রের ছবি একদম আপ-টু-ডেট হয়ে যাবে, যা পরবর্তী সব ধরণের ভেরিফিকেশনে আপনাকে সাহায্য করবে।

অনলাইন ডেস্ক ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ দিগন্ত পোস্ট

মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করুন মাত্র ২ মিনিটে!

ছবিঃ ক্যানভা

ফেসবুকে আপনাকে কে সবচেয়ে বেশি দেখে জানার উপায় আছে?

ছবিঃ পিক্সাবেই

ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড দেখার ৫ উপায়

ছবিঃ ইন্টারনেট
ভবিষ্যতে মহামারীর পূর্বাভাস দেবে এআই

কোভিড-১৯ মহামারীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর বিশ্বজুড়ে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে বিজ্ঞানীদের মাথায়। পরের মহামারী আসার আগেই কি আমরা সতর্ক হতে পারব? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার মাঠে নামছে ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর। এর ফলে ভবিষ্যতে মহামারীর পূর্বাভাস দেবে এআই।  ন্যাশনাল ওয়ান হেলথ মিশনের আওতায় সংস্থাটি চালু করছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোগজীবাণু নজরদারি সরঞ্জাম, যা নিপাহ, জিকা, করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতি থেকে শুরু করে অ্যানথ্রাক্স ও কালাজ্বরের মতো রোগের হুমকিও আগেভাগে শনাক্ত করতে পারবে। বিশেষ বিষয় হলো, এটি কেবল হাসপাতালের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে না — একসঙ্গে বিশ্লেষণ করবে পশুপালনের স্বাস্থ্য তথ্য, বৃষ্টিপাত, বন্যা ও মশার ঘনত্বের মতো পরিবেশগত সূচকও। কারণ বিশ্বে যত নতুন সংক্রামক রোগ আসে, তার প্রায় ৬০ শতাংশই পশু থেকে মানুষে ছড়ায়  কোভিড, নিপাহ, বার্ড ফ্লু সবই তার প্রমাণ। তবে আইসিএমআর একা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্যান্ডেমিক ইন্টেলিজেন্স হাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসিও একই লক্ষ্যে কাজ করছে। ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ইতিমধ্যে এমন একটি অ্যালগরিদম তৈরি করেছেন যা সিডিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দশ সপ্তাহ আগেই ভেরিয়েন্টের আধিপত্য পূর্বাভাস দিতে সক্ষম হয়েছে। আইসিএমআরের এই এআই সরঞ্জামটি মূলত কাজ করে বিচ্ছিন্ন তথ্যগুলোকে একই ছাদের নিচে এনে। হাসপাতালের রোগী ভর্তির তথ্য, ল্যাবরেটরির পরীক্ষার ফলাফল, পশুপালন বিভাগের রিপোর্ট, আবহাওয়ার তথ্য এবং এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া উপসর্গ-সংক্রান্ত পোস্ট এই সব ধরনের তথ্য একসঙ্গে প্রতিনিয়ত বিশ্লেষণ করে সরঞ্জামটি। একটি নির্দিষ্ট এলাকায় হঠাৎ জ্বর-কাশির রোগী বাড়লে, একই সময়ে সেখানকার পোলট্রি ফার্মে অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে এবং আবহাওয়ায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে এই তিনটি সংকেত আলাদাভাবে হয়তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে না, কিন্তু একসঙ্গে বিশ্লেষণ করলে এটি একটি বড় বিপদের আভাস হতে পারে। এআই ঠিক এই কাজটাই করে প্যাটার্ন খোঁজে, অস্বাভাবিকতা ধরে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে। মানব বিশেষজ্ঞের পক্ষে এত বিপুল ও বিচ্ছিন্ন তথ্য একই সময়ে প্রক্রিয়া করা সম্ভব নয়, কিন্তু এআই সেটি করতে পারে রিয়েল-টাইমে । এটাই এই প্রযুক্তির মূল শক্তি। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তথ্যের ঘাটতি। বিভিন্ন দেশ স্বাস্থ্য তথ্য ভাগ করতে অনিচ্ছুক, বিভিন্ন বিভাগের ডেটার ফরম্যাট আলাদা  এই প্রতিবন্ধকতা না কাটলে সেরা মডেলও অকেজো। বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক, কারণ প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের ভারতের সঙ্গে যাতায়াত এবং নিপাহ ও ডেঙ্গুর মতো রোগের নিয়মিত প্রকোপ মিলিয়ে দেশটি সবসময়ই ঝুঁকির কাছাকাছি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই-চালিত আঞ্চলিক নজরদারি নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের যোগ দেওয়াটা এখন আর শুধু সুযোগ নয় , এটি এখন অপরিহার্য।

ডিপি প্রতিবেদন ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ 0
ফ্রিল্যান্সিং শিখে আয় করা যায়ঃ ছবি- Canva

ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন যেভাবে