কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় আবারও আলোচনায় এসেছে চীনের প্রতিষ্ঠান ডিপসিক। নতুন করে তারা উন্মোচন করেছে দুই এআই চ্যাটবট ডিপসিক ভি৪ প্রো ও ডিপসিক ভি৪ ফ্ল্যাশ। প্রযুক্তি বিশ্বে এখন প্রশ্ন উঠেছে, চ্যাটজিপিটি আর গুগল জেমিনির সামনে কি নতুন বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চলে এলো? শুক্রবার নতুন এই দুই মডেলের প্রিভিউ প্রকাশ করে ডিপসিক। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, শুধু সাধারণ কথোপকথন নয়, জটিল হিসাব, কোড লেখা, বিশ্লেষণ আর যুক্তি প্রয়োগেও নতুন মডেলগুলো বেশ শক্তিশালী। ডিপসিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ভি৪ প্রো গণিত ও কোডিংয়ে অন্য অনেক ওপেন মডেলকে ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বজ্ঞান ও তথ্য বিশ্লেষণেও এটি বেশ ভালো ফল দেখাচ্ছে। এমনকি ওপেনএআইয়ের জিপিটি-৫.৪ ও গুগলের জেমিনি ৩.১ প্রো মডেলের কাছাকাছি পারফরম্যান্স দিচ্ছে বলেও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে ভি৪ ফ্ল্যাশ তৈরি করা হয়েছে দ্রুত কাজের জন্য। এটি দ্রুত উত্তর দিতে পারে, ব্যবহার খরচও তুলনামূলক কম। যারা কম সময়ে বেশি কাজ চান, তাদের জন্য এই সংস্করণকে কার্যকর বলা হচ্ছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, নতুন দুটি মডেলই ওপেন সোর্স। অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো ডেভেলপার চাইলে এই প্রযুক্তির কোড ব্যবহার করতে পারবেন, নিজের মতো পরিবর্তন করতে পারবেন, এমনকি নতুন কিছু তৈরি করতেও পারবেন। গত বছর জানুয়ারিতে ডিপসিক আর১ উন্মোচনের পরও বড় আলোচনা তৈরি হয়েছিল। তখন অনেকে বলেছিলেন, চ্যাটজিপিটি ও জেমিনির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো মডেল তৈরি করেছে ডিপসিক। আরও চমক ছিল খরচের অঙ্কে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছিল, মাত্র ৬ মিলিয়ন ডলারের কম খরচে তারা সেই মডেল তৈরি করেছে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান একই ধরনের এআই মডেলে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে। তবে ডিপসিকের উত্থান সবাই স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। তথ্য নিরাপত্তা ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, ডেনমার্ক ও ইতালিতে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা বা সীমাবদ্ধতা দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন এআই প্রযুক্তি শুধু সফটওয়্যার নয়, এটি বড় শক্তির প্রতিযোগিতাও। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কে এগিয়ে থাকবে, তা নিয়েই চলছে লড়াই। এই অবস্থায় ডিপসিকের নতুন মডেল বাজারে আসায় স্পষ্ট বার্তা মিলেছে, এআই দুনিয়ায় চীন এখন শুধু অংশগ্রহণকারী নয়, বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও উঠে এসেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় প্রতিদিনই নতুন কিছু ঘটছে। একদিকে প্রযুক্তির অগ্রগতি মানুষকে বিস্মিত করছে, অন্যদিকে বাড়ছে শঙ্কাও। সেই শঙ্কার কেন্দ্রে এবার এসেছে এআই কোম্পানি এনথ্রপিক ক্লাউডি এর নতুন মডেল Mythos। এবং ক্লেইম করা হচ্ছে বিশ্বের আজ অব্দি যত এআই মডেল রিলিজ হয়েছে তার মধ্যে সবচাইতে বেশি শক্তিশালী টুলস হচ্ছে ক্লাউডি মাইথস। প্রশ্ন উঠেছে, যদি প্রযুক্তিটি এত উন্নত হয়, তাহলে সেটি সবার জন্য প্রকাশ করা হলো না কেন? আর যদি প্রকাশ না করা হয়, তাহলে কি এটি সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ? মাইথস কী এবং কেন আলোচনায়? গত কয়েকদিন আগে কোম্পানিটি তাদের নতুন এই মডেল Cloudy opus এর সর্বশেষ সংস্করণ প্রকাশ করার সাথে একটি বেঞ্চমার্ক প্রকাশ করেছিল এবং সেখানে তাদের বিভিন্ন এআই মডেল এর পারফর্মেন্স হার দেখানো হয়েছিল। যদিও সব কয়টা মডেলের মধ্যে মাইথস এর কার্যকারিতার হার প্রায় ৭০ ভাগ সফল । তবেপ্রযুক্তি বিশ্বে এটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, কারণ কোম্পানিটি নিজেই এই টুল সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করেনি। এনথ্রপিকের এআই মাইথস নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো সীমিত। তবে প্রযুক্তি মহলের আলোচনা অনুযায়ী, এটি এমন একটি উন্নত এআই সিস্টেম যা জটিল ডিজিটাল কাজ, সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্তকরণ এবং স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে শক্তিশালী সক্ষমতা দেখিয়েছে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, এটি শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এআই নয়। বরং এটি এমন ধরনের টুল, যা মানুষের হয়ে প্রযুক্তিগত কাজও করতে পারে। এখানেই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। কেন সাধারণ মানুষের জন্য রিলিজ করা হয়নি এনথ্রপিক সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা এই টুলস কে এমন ভাবে তৈরি করেছে যা তাদের নিজেদের ভাবনার বাইরে। এবং বিশ্বের যত প্রকার এআই মডেল এই অব্দি তৈরি হয়েছে তার মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী এআই টুল এটা। তাই সবার হাতে দিলে অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে মাইথস এর মতো সিস্টেম ভুল হাতে গেলে সাইবার হামলা, নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করা, ভুয়া কনটেন্ট তৈরি, প্রতারণা কিংবা ডিজিটাল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো কাজে ব্যবহার হতে পারে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কোম্পানিটি মূলত তিনটি কারণে এটি উন্মুক্ত করেনি। প্রথম কারণ নিরাপত্তা। উন্নত AI যদি সফটওয়্যারের দুর্বলতা খুঁজে দিতে পারে, তাহলে হ্যাকাররাও সেটিকে ব্যবহার করতে পারে। কারণ টেস্টিং পারপাসে এনথ্রপিক মজিলা ফায়ারফক্সের একটি প্যাচেড ভার্সনের প্রায় দেড়শরও বেশি দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছিল যেটি ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য বিরাট হুমকি। দ্বিতীয় কারণ ভুল ব্যবহার। সাধারণ ব্যবহারকারী যদি সীমাবদ্ধতা না বুঝে এআই কে সংবেদনশীল কাজে ব্যবহার করেন, তাহলে বড় ক্ষতি হতে পারে। তৃতীয় কারণ নিয়ন্ত্রণ। এআই যত শক্তিশালী হয়, তত বেশি নজরদারি ও নীতিমালার প্রয়োজন হয়। নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এমন টুল বাজারে ছাড়লে ঝুঁকি বাড়ে। মানুষের জন্য সত্যিই হুমকি কি না এখানে বাস্তবতা একটু ভিন্ন। মাইথস নিজে “খারাপ” নয়। প্রযুক্তি নিজে কখনো ভালো বা মন্দ নয়। এটি ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। যেমন একটি কম্পিউটার দিয়ে চিকিৎসা গবেষণা করা যায়, আবার সাইবার অপরাধও করা যায়। তেমনি উন্নত AI দিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়, আবার অপব্যবহারও সম্ভব। তবে মাইথস এর মতো টুল যদি মানব পর্যবেক্ষণ ছাড়া কাজ করে, তাহলে ভুল সিদ্ধান্ত, ভুয়া তথ্য, স্বয়ংক্রিয় প্রতারণা এবং সাইবার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বাংলাদেশি বাস্তবতায় কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশে এআই ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, ব্যবসায়ী, কনটেন্ট নির্মাতা, অফিস কর্মী অনেকেই এআই ব্যবহার করছেন। কিন্তু সচেতনতার ঘাটতি এখনো বড় সমস্যা। অনেকে এয়াই কে শতভাগ নির্ভুল মনে করেন। যাচাই ছাড়া ব্যবহার করেন। যদি মাইথস এর মতো আরও শক্তিশালী টুল ভবিষ্যতে উন্মুক্ত হয়, তাহলে ভুল তথ্য, প্রতারণা ও ডেটা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ব্যাংকিং, অনলাইন লেনদেন, সরকারি তথ্য, ব্যক্তিগত ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে এটি বড় উদ্বেগের বিষয়। সুত্রঃ রয়টার্স
জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ডের ছবি অনেক আগের হওয়ায় অনেকেরই বর্তমান চেহারার সাথে তা মেলে না। আবার অনেক সময় ছবি অস্পষ্ট আসার কারণে বিভিন্ন জায়গায় ভেরিফিকেশনে সমস্যায় পড়তে হয়। তবে চিন্তার কিছু নেই, আপনি চাইলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে আপনার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করে নিতে পারেন। এই কাজটি কীভাবে করবেন তা নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো। ভোটার আইডি কার্ডে ছবি পরিবর্তন করার নিয়ম ছবি পরিবর্তনের জন্য প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। যদি আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট করা থাকে, তবে আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। লগইন করার পর আপনার প্রোফাইলে গিয়ে 'সংশোধন' বাটনে ক্লিক করতে হবে। এখানে মনে রাখা ভালো যে, ছবি পরিবর্তনের আবেদনটি অনলাইনে শুরু করা গেলেও এটি পুরোপুরি শেষ করতে আপনাকে সশরীরে অফিসে যেতে হতে হবে। অনলাইনে সংশোধনের ফরমে আপনি ছবি পরিবর্তনের অপশনটি সিলেক্ট করবেন। এই পর্যায়ে আপনাকে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র আপলোড করতে হতে পারে। সাধারণত বর্তমান ছবি পরিবর্তনের জন্য আপনার বর্তমান চেহারার সাথে মিল আছে এমন কোনো প্রমাণপত্র, যেমন পাসপোর্ট বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের কপি স্ক্যান করে জমা দিতে হয়। এরপর সরকারি নির্ধারিত ফি বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে জমা দিয়ে আবেদনের অনলাইন ধাপটি শেষ করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি দিনক্ষণ দেখে আপনার নিকটস্থ উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। কারণ ছবি যেহেতু একটি বায়োমেট্রিক তথ্য, তাই এটি অনলাইনের মাধ্যমে নিজে নিজে পরিবর্তন করা যায় না। অফিসে যাওয়ার সময় আপনার সাথে আবেদনের অনলাইন কপির প্রিন্ট কপি এবং অরিজিনাল এনআইডি কার্ডটি নিয়ে যাবেন। নির্বাচন অফিসে যাওয়ার পর দায়িত্বরত কর্মকর্তা আপনার তথ্যগুলো যাচাই করবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তারা ডিজিটাল ক্যামেরার মাধ্যমে আপনার নতুন ছবি তুলে নেবেন এবং আপনার আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট পুনরায় গ্রহণ করবেন। এই নতুন ছবিই আপনার পরবর্তী এনআইডি কার্ডে যুক্ত করা হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কিছুদিন পর আপনার মোবাইলে একটি মেসেজ আসবে যে আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে। তখন আপনি অনলাইন থেকে নতুন ছবির এনআইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে একটু সময় লাগলেও আপনার পরিচয়পত্রের ছবি একদম আপ-টু-ডেট হয়ে যাবে, যা পরবর্তী সব ধরণের ভেরিফিকেশনে আপনাকে সাহায্য করবে।
আজকাল আইডি কার্ড ছাড়া কোনো কাজই চলে না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি কাজ—সবখানেই এনআইডি লাগে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন হঠাৎ এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় অথচ কার্ডটি সাথে থাকে না। এই বিপদে পড়লে আপনি কিন্তু চাইলে নিজের ফোন দিয়েই মাত্র ২-৩ মিনিটে মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারেন। মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম শুরুতেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি পোর্টালে (services.nidw.gov.bd) যেতে হবে। সেখানে 'রেজিস্ট্রেশন' অপশনে ক্লিক করে আপনার ভোটার স্লিপের নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি দিতে হবে। এরপর আপনার জন্ম তারিখটা সঠিকভাবে বসিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া তথ্যগুলো যেন আপনার ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্যের সাথে একদম মিলে যায়। পরের ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বাছাই করার পর আপনার মোবাইলে একটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি এখানে ব্যবহার করাই ভালো। মোবাইলে আসা কোডটি পোর্টালে বসিয়ে দিলেই আপনি অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পরের ধাপে যেতে পারবেন। এই পর্যায়ে এসে আপনাকে 'ফেস ভেরিফিকেশন' বা মুখ যাচাই করতে হবে। এর জন্য আপনার ফোনে আগে থেকে 'NID Wallet' নামের অ্যাপটি নামিয়ে রাখতে হবে। ব্রাউজারের কিউআর কোডটি ওই অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলেই আপনার ক্যামেরা চালু হবে। এরপর ক্যামেরার সামনে আপনার মুখটা একবার সোজা, একবার ডানে এবং একবার বামে ঘুরালে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাবে। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলেই আপনি আপনার প্রোফাইলে ঢুকে পড়বেন। সেখানে আপনার ছবি ও নাম দেখা যাবে। প্রোফাইলের নিচের দিকে একটা 'ডাউনলোড' লেখা অপশন পাবেন। এই ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের আসল কপিটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এরপরে এটি আপনি যেকোনো দোকান থেকে প্রিন্ট করে সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। এখন আর এনআইডির কপি পাওয়ার জন্য মেম্বার বা নির্বাচন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করার কোনো ঝামেলাই নেই। ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আপনি যখন-তখন আপনার পরিচয়পত্র বের করে নিতে পারছেন।
ফেসবুক প্রোফাইল কে কে ভিজিট করছে সেটা জানার ইচ্ছা প্রায় সবারই থাকে। বিশেষ করে কোনো পুরনো বন্ধু বা পরিচিত কেউ হয়তো প্রোফাইল দেখছে, এই কৌতূহল মাথায় ঘুরতেই থাকে। কিন্তু সত্যিটা একটু ভিন্ন। ফেসবুকে আপনাকে কে সবচেয়ে বেশি দেখে জানার উপায় আছে? সরাসরি উত্তর হলো, না। ফেসবুক কখনোই এই তথ্য প্রকাশ করে না। এটা ফেসবুকের নিজস্ব প্রাইভেসি পলিসির অংশ। কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ, ব্রাউজার এক্সটেনশন বা ওয়েবসাইট যদি দাবি করে যে তারা দেখাতে পারবে আপনার প্রোফাইল কে কে ভিজিট করেছে, সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এই ধরনের অ্যাপ বা লিংকে ক্লিক করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে, পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং ব্যক্তিগত ডেটা তৃতীয় পক্ষের কাছে চলে যেতে পারে। তবে কিছু পরোক্ষ ইঙ্গিত থেকে ধারণা করা যায়। ফেসবুক স্টোরি দেখলে কারা দেখেছেন তার তালিকা পাওয়া যায়, তবে পোস্ট বা প্রোফাইল ভিজিটের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য নয়। যদি কেউ হঠাৎ আপনার পুরনো পোস্টে লাইক বা কমেন্ট করে, বুঝতে পারবেন তিনি প্রোফাইল ঘাটছেন। ফ্রেন্ড সাজেশনেও মাঝে মাঝে প্রোফাইল ভিজিটের প্যাটার্ন কাজ করে বলে ধারণা করা হয়, তবে ফেসবুক এটা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে না। সহজ কথায়, যে অ্যাপ বা সাইট বলছে "দেখুন কে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে", সেটা থেকে দূরে থাকুন। এগুলো কৌতূহলকে পুঁজি করে ডেটা চুরি করার ফাঁদ।
নতুন ফোন কিনেছেন, বা বাসায় মেহমান এসেছেন, আর ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড মনে নেই? রাউটার রিসেট করার দরকার নেই। এই কয়টা উপায় জানলে এক মিনিটেই কাজ হবে। জানুন ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড দেখার উপায়। ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বেশিরভাগ মানুষ প্রথমেই রাউটার রিসেট দেওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু এই একটা ভুল সিদ্ধান্তে পুরো নেটওয়ার্ক সেটআপ নতুন করে করতে হয়, সময় নষ্ট হয়, মাথা গরম হয়। অথচ ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে সেটা বের করার উপায় একটা না, একাধিক। আর প্রতিটা উপায়ই এত সহজ যে যেকেউ পাঁচ মিনিটেই করতে পারবেন। মাসের পর মাস একই ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন, পাসওয়ার্ড একবার দিয়েছিলেন, ফোন মুখস্থ করে নিয়েছে। তারপর হঠাৎ একদিন নতুন কেউ এলো বাসায়, জিজ্ঞেস করলো "ভাই, ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড কী?" আর আপনি পুরো থ। যে ডিভাইসে আগে থেকে কানেক্টেড আছেন সেটা দিয়েই বের করুন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আপনার নিজের ডিভাইস থেকেই পাসওয়ার্ড দেখে নেওয়া। যে ফোন বা কম্পিউটারে ওয়াই-ফাই আগে থেকে সেভ করা আছে, সেটাতেই লুকিয়ে আছে পাসওয়ার্ড। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে সেটিংসে যান, তারপর Wi-Fi অপশনে ঢুকুন। যে নেটওয়ার্কে কানেক্টেড আছেন সেটার উপর ট্যাপ করুন। নিচে একটা QR কোড দেখাবে। সেই QR কোড স্ক্যান করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি বেরিয়ে আসবে। কিছু অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে Share বাটনে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি টেক্সট আকারেও দেখা যায়। আইফোনের ক্ষেত্রে iOS 16 বা তার পরের ভার্সনে কাজটা আরও সহজ। Settings থেকে Wi-Fi তে যান, কানেক্টেড নেটওয়ার্কের পাশের "i" আইকনে ট্যাপ করুন। Password অপশনে ট্যাপ করলে Face ID বা পাসকোড দিতে বলবে, সেটা দিলেই পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। উইন্ডোজ কম্পিউটার থেকে বের করুন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ওয়াই-ফাই কানেক্টেড থাকলে পাসওয়ার্ড বের করা আরও সরল। Windows 10 বা 11 হলে Control Panel খুলুন। Network and Internet এ যান, তারপর Network and Sharing Center। বাঁদিকে "Change adapter settings" এ ক্লিক করুন। Wi-Fi আইকনে ডাবল ক্লিক করুন, Wireless Properties তে যান, তারপর Security ট্যাব থেকে "Show characters" বক্সে টিক দিন। পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। এছাড়া Command Prompt দিয়েও হয়। Start মেনু থেকে CMD খুলে এই কমান্ড লিখুন: netsh wlan show profile name="আপনার ওয়াই-ফাই নাম" key=clear Key Content এর পাশেই লেখা থাকবে আপনার পাসওয়ার্ড। ম্যাক কম্পিউটার থেকে বের করুন Mac ব্যবহারকারীরা Spotlight দিয়ে "Keychain Access" খুলুন। সেখানে সার্চ বারে আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নাম লিখুন। নেটওয়ার্কটা সিলেক্ট করে "Show Password" এ ক্লিক করুন। Mac পাসওয়ার্ড চাইবে, দিলেই ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। রাউটারের পেছনেও লেখা থাকে অনেকেই এই সহজ কথাটা ভুলে যান। বাসার রাউটারের পেছনে বা নিচে একটা স্টিকার লাগানো থাকে। সেখানে SSID মানে নেটওয়ার্কের নাম এবং Default Password লেখা থাকে। যদি কখনো পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে থাকেন, তাহলে এটাই আসল পাসওয়ার্ড। রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেল থেকেও দেখা যায় যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে 192.168.0.1 অথবা 192.168.1.1 লিখে Enter দিন। রাউটারের লগইন পেজ আসবে। সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দুটোই "admin" হয়। ভেতরে ঢুকলে Wireless Settings বা Wi-Fi Setup অপশনে পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। কিছু জরুরি কথা এই পদ্ধতিগুলো শুধু নিজের নেটওয়ার্কের জন্য। অন্যের ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করা বেআইনি এবং অনৈতিক। বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর ভবিষ্যতে এই ঝামেলায় না পড়তে চাইলে পাসওয়ার্ড একটা নোটবুকে লিখে রাখুন বা ফোনের নোট অ্যাপে সেভ করুন। সাধারণ কিন্তু কার্যকর বুদ্ধি। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়াটা অপরাধ না, এটা মানবিক স্বভাব। কিন্তু এখন থেকে ভুললেও আর চিন্তা নেই।
কোভিড-১৯ মহামারীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর বিশ্বজুড়ে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে বিজ্ঞানীদের মাথায়। পরের মহামারী আসার আগেই কি আমরা সতর্ক হতে পারব? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার মাঠে নামছে ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর। এর ফলে ভবিষ্যতে মহামারীর পূর্বাভাস দেবে এআই। ন্যাশনাল ওয়ান হেলথ মিশনের আওতায় সংস্থাটি চালু করছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোগজীবাণু নজরদারি সরঞ্জাম, যা নিপাহ, জিকা, করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতি থেকে শুরু করে অ্যানথ্রাক্স ও কালাজ্বরের মতো রোগের হুমকিও আগেভাগে শনাক্ত করতে পারবে। বিশেষ বিষয় হলো, এটি কেবল হাসপাতালের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে না — একসঙ্গে বিশ্লেষণ করবে পশুপালনের স্বাস্থ্য তথ্য, বৃষ্টিপাত, বন্যা ও মশার ঘনত্বের মতো পরিবেশগত সূচকও। কারণ বিশ্বে যত নতুন সংক্রামক রোগ আসে, তার প্রায় ৬০ শতাংশই পশু থেকে মানুষে ছড়ায় কোভিড, নিপাহ, বার্ড ফ্লু সবই তার প্রমাণ। তবে আইসিএমআর একা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্যান্ডেমিক ইন্টেলিজেন্স হাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসিও একই লক্ষ্যে কাজ করছে। ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ইতিমধ্যে এমন একটি অ্যালগরিদম তৈরি করেছেন যা সিডিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দশ সপ্তাহ আগেই ভেরিয়েন্টের আধিপত্য পূর্বাভাস দিতে সক্ষম হয়েছে। আইসিএমআরের এই এআই সরঞ্জামটি মূলত কাজ করে বিচ্ছিন্ন তথ্যগুলোকে একই ছাদের নিচে এনে। হাসপাতালের রোগী ভর্তির তথ্য, ল্যাবরেটরির পরীক্ষার ফলাফল, পশুপালন বিভাগের রিপোর্ট, আবহাওয়ার তথ্য এবং এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া উপসর্গ-সংক্রান্ত পোস্ট এই সব ধরনের তথ্য একসঙ্গে প্রতিনিয়ত বিশ্লেষণ করে সরঞ্জামটি। একটি নির্দিষ্ট এলাকায় হঠাৎ জ্বর-কাশির রোগী বাড়লে, একই সময়ে সেখানকার পোলট্রি ফার্মে অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে এবং আবহাওয়ায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে এই তিনটি সংকেত আলাদাভাবে হয়তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে না, কিন্তু একসঙ্গে বিশ্লেষণ করলে এটি একটি বড় বিপদের আভাস হতে পারে। এআই ঠিক এই কাজটাই করে প্যাটার্ন খোঁজে, অস্বাভাবিকতা ধরে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে। মানব বিশেষজ্ঞের পক্ষে এত বিপুল ও বিচ্ছিন্ন তথ্য একই সময়ে প্রক্রিয়া করা সম্ভব নয়, কিন্তু এআই সেটি করতে পারে রিয়েল-টাইমে । এটাই এই প্রযুক্তির মূল শক্তি। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তথ্যের ঘাটতি। বিভিন্ন দেশ স্বাস্থ্য তথ্য ভাগ করতে অনিচ্ছুক, বিভিন্ন বিভাগের ডেটার ফরম্যাট আলাদা এই প্রতিবন্ধকতা না কাটলে সেরা মডেলও অকেজো। বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক, কারণ প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের ভারতের সঙ্গে যাতায়াত এবং নিপাহ ও ডেঙ্গুর মতো রোগের নিয়মিত প্রকোপ মিলিয়ে দেশটি সবসময়ই ঝুঁকির কাছাকাছি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই-চালিত আঞ্চলিক নজরদারি নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের যোগ দেওয়াটা এখন আর শুধু সুযোগ নয় , এটি এখন অপরিহার্য।
বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে এখন সবচাইতে আলোচিত বিষয় হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং - অনেকের কাছে এটি ঘরে বসে হাজার হাজার ডলার আয় করার একটি সহজ প্রক্রিয়া মনে হয় তবে ব্যাপারটি যত সহজ ভাবা হয় ততটা সহজ নয়। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে মূলত আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং এর যে কোন একাধিক বিষয়ে কাজ শিখতে হবে। প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় আপনি এখন খুব সহজেই ফ্রিল্যান্সিং শিখে কাজ করতে পারবেন।চাকরির অনিশ্চয়তার যুগে ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে আপনার আশার আলো বর্তমান প্রজন্মে ফ্রিল্যান্সিং এর উপরে ক্যারিয়ার গঠনের বিষয়ে অধিক মানুষকে আগ্রহী দেখা যায়। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা বিভিন্নভাবে কৌতূহলী পোস্ট করে থাকেন। অনেকের কাছে ফ্রিল্যান্সিং শেখার মত সঠিক গাইডলাইন নেই । যেহেতু বর্তমান যুগে ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় পেশা আর তাই এখানে যে কেউই ক্যারিয়ার করতে পারে যদি সে সঠিকভাবে এবং সঠিক গাইডলাইন মেনে কাজ করতে পারে। যারা জানে না কিভাবে শুরু করতে হয়; তাদের জন্য আমাদের এই বিস্তারিত প্রতিবেদন - ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব। দেশের বেকারত্বের হার অনুযায়ী একটা কথা অবশ্যই বলা যায় সেটা হল ফ্রিল্যান্সিং শেখা উচিত, কারণ এটি যেমন আপনার কাজের স্বাধীনতা দিবে তেমনি আপনার নিশ্চিত আয় দিবে । এটি সময় স্থান এবং আয়ের সীমাবদ্ধতা ছাড়াই কাজ করার সুযোগ তৈরি করে দিবে আপনাকে , যেটা অনেকটা পড়ালেখা করেও সম্ভব নয়। তবে আবার অনেকেই পড়ালেখার পাশাপাশি পার্ট টাইম ফ্রিল্যান্সিং করে বাড়তি আয়ের পথ খুলে নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ এটি পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন, আর এটির প্রধান কারণ হলো বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং চাহিদা। ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কি কাজ করবেন? মূল বিষয় হলো ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের ক্ষেত্রেও অনেক বিস্তৃত। এখানে ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্্ গ্রাফিক ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ভয়েস ওভার, ডাটা এন্ট্রি, ফটোগ্রাফি, ট্রানসলেশন সহ অসংখ্য ক্যাটাগরিতে কাজ পাওয়া যায় বা কাজ করা যায়। এর মধ্যে আপনি যে কোন একটি বা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হলেই আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। এখন মূল প্রশ্ন হল " ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব " , এই প্রশ্নের আসল উত্তর হল ফ্রিল্যান্সিং দুইভাবে শেখা যায়, অর্থাৎ আপনি যে কোন একটি স্কিল বেছে নিয়ে ফ্রিতে বিভিন্ন উপায়ে এবং পেইড কোর্স ক্রয় করে কাজ শিখতে পারেন । এরপরে মার্কেটপ্লেসে কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনি যদি ফ্রিতে শিখতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে একটু বেশি কষ্ট করতে হবে আর যদি আপনার সামর্থ্য থাকে তাহলে যে কোন আইটি সেন্টার থেকে বিশেষভাবে ট্রেনিং নিয়ে কাজ শিখতে পারেন। যেহেতু সবাই সবকিছু জানে না তাই শুধু একটিমাত্র বা দক্ষতা অর্জন করায় উত্তম। উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি যে কোন বিষয়ে নিজেকে অধিক দক্ষ মনে করেন তাহলে আপনাকে সেই বিষয়টি নিয়ে কাজ করে যাওয়া উচিত। আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি কোন জিনিসটা ভালো পারেন, যদি আপনি প্রোগ্রামিং ভাল পারেন তাহলে আপনার সেটা করা উচিত, যদি আপনার ভিডিও এডিটিং ভালো লাগে তাহলে আপনার ভিডিও এডিটিং প্রপারলি শেখা উচিত। এভাবে যার যার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অধিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে। অনেকেই প্রশ্ন করেন যে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব কিনা। আসলে আপনি যদি কোন কিছু পেতে হয় তাহলে কিছু তো দিতে হবে। অর্থাৎ এই কথাটি দ্বারা এটাই বুঝিয়েছি যে ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকা বাধ্যতামূলক। তবে আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিং করে থাকেন সেই ক্ষেত্রে মোবাইল দিয়েও করতে পারবেন। এখন আসি মূল টপিকে, ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য অনেক উৎস আছে। আজকাল ইউটিউবে পাওয়া যায় না এমন কোন বিষয় নেই, আর যে কোন বিষয়ে দরকার আপনি সেটা ইউটিউবে পেয়ে যাবেন শুধু দরকার আপনাকে সঠিকভাবে সার্চ করতে জানা। এর পাশাপাশি বর্তমানে বিভিন্ন এ আই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্টঃ চ্যাট জিপিটি , জিমিনি) এর সহায়তা নিতে পারেন। পাশাপাশি গুগল এবং বিভিন্ন ব্লগ থেকে আপনার সিলেক্ট করা বিষয়ের উপরে রিসোর্স পেয়ে যাবেন। এরপরে আসা যাক বিভিন্ন কমিউনিটি, অর্থাৎ দেখা যায় আজকাল বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সাররা ফেসবুকে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। সেই সব গ্রুপ কিংবা পেইজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আপনি শিক্ষা নিতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনার দক্ষতা অর্জন হবে এবং বুঝতে পারবেন কোনটি আপনার করা উচিত এবং কোনটি অনুচিত। তারপর সব থেকে ভালো হয় আপনার যদি কোন পরিচিত কাছের লোক থাকে যে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে তাহলে তার থেকে প্রপার গাইড নিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন, মনে রাখবেন যতটুকু শিখবেন ততটুকু দৈনিক প্র্যাকটিস করবেন। অনেক সময় বিভিন্ন জনপ্রিয় কোর্স প্রোভাইডার - ইউডেমি, কোরসেরা, স্কিলশেয়ার ফ্রিতে কোর্স প্রদান করে থাকে সেখান থেকেও কোর্সং সগ্রহ করে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। সবশেষে বলা যায় ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে বা শিখতে হলে প্রচুর অধ্যবসায় এবং ধৈর্য প্রয়োজন। আপনাকে যে কোন একটি বিষয় দক্ষ হলেই চলবে না, যে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিবেন ওই বিষয়ের পাশাপাশি সম্পৃক্ত একটা একাধিক বিষয় আপনাকে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং কোন জাদু নয় , এটি একটি শেখার প্রক্রিয়া। আপনি যে বিষয়ে শিখবেন সেই বিষয়ে সাথে সাথে বিশদভাবে নোট করে রাখবেন যাতে পরবর্তীতে ভুলে যাওয়ার কোনো চান্স না থাকে। নিয়মিত চর্চায় সফলতার মূল চাবিকাঠি। সঠিক দিকনির্দেশনা আর নিরলস পরিশ্রম থাকলে অনলাইনে নিজের যোগ্যতায় গ্লোবাল মার্কেটে জায়গা করে নেওয়া একদম খুবই সহজ।
ফুটবল বিশ্ব সব সময়ই তর্কে মেতে থাকে এটা নিয়ে যে, বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ? পেলে নাকি ম্যারাডোনা? তবে বর্তমান যুগে সেই তর্কের ব্যাটন হাতে নিয়েছেন মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং হালান্ডরা। ফিফা র্যাংকিং, ব্যালন ডি'অর এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনা করলে দেখা যায়, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফুটবল বিশ্বে প্রতিনিয়তই নানান রকমের নাটকীয়তা দেখতে হয়, নতুন নতুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত, নতুন স্টাইল এবং খেলার ধরন পরিবর্তন হয়, আর তাই প্রতিনিয়ত বিশ্বের সেরা ফুটবলার পরিবর্তন হয়। আজ আমরা আলোচনা করব বর্তমান সময়ের সেই সেরা ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে, যারা তাদের পরিসংখ্যান এবং জাদুকরী খেলা দিয়ে নিজেদের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১. লিওনেল মেসি লিওনেল মেসি একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল জাদুকর, যাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে আমেরিকার মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই মহাতারকা তার ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময় বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন। কেন তিনি সেরা? কারণ, তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজের ক্যারিয়ার পূর্ণ করেছেন। মেসির ড্রিবলিং, ভিশন এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৮০০ এর বেশি গোল করেছেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রদানকারী। জন্য মেসিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার বলা হয় ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজ পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। ১৯৮৫ সালে জন্মানো এই মহাতারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের হয়ে ইউরোপ শাসন করেছেন। বয়সকে হার মানিয়ে এখনো তিনি শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি ৫ বার ব্যালন ডি'অর এবং ৫ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তাঁর অদম্য মানসিকতা এবং ফিটনেস তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে তিনি সবার উপরে , অফিসিয়াল ম্যাচে ৯০০ এর বেশি গোল করার অবিশ্বাস্য মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন। ৩. কাইলিয়ান এমবাপ্পে কাইলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক ফুটবলের গতি এবং কৌশলের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। তিনি ফরাসি লিগের ক্লাব পিএসজি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) এবং ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এমবাপ্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষিপ্র গতি এবং ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং তাঁকে ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। তিনি সর্বকালের সেরাদের পথে হাঁটছেন কারণ, মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান বলে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৩০০-এর বেশি গোল করেছেন এবং পিএসজির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪. আর্লিং হালান্ড নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর 'গোলমেশিন' হিসেবে পরিচিত। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা হালান্ড তাঁর শারীরিক শক্তি, গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনি কেন সেরাদের তালিকায়? কারণ, তিনি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ট্রেবল (একই মৌসুমে তিনটি প্রধান শিরোপা) জেতাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, তাঁর গোল প্রতি ম্যাচের অনুপাত অবিশ্বাস্য; খুব অল্প বয়সেই তিনি ক্লাব ও দেশের হয়ে ২৫০-এর বেশি গোল করে ফেলেছেন। ৫. কেভিন ডি ব্রুইন বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে বর্তমান বিশ্বের সেরা 'প্লে-মেকার' বা মাঝমাঠের জাদুকর বলা হয়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ডি ব্রুইন তাঁর মাপা পাস এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিখ্যাত। স্ট্রাইকাররা গোল করেন ঠিকই, কিন্তু সেই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ডি ব্রুইন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সবকিছু জিতেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান গোলের চেয়ে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে বেশি সমৃদ্ধ; তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট প্রদানকারী এবং দ্রুততম ১০০ অ্যাসিস্টের রেকর্ডধারী। ৬. ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের বর্তমান ধারক ও বাহক হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণ তারকা তাঁর বিদ্যুৎগতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে ওস্তাদ। তিনি বর্তমানে ব্যালন ডি'অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করে তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই বড় ম্যাচগুলোতে 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্ট করছেন। ৭. রড্রি রড্রিগো হার্নান্দেজ বা রড্রি হলেন স্পেনের একজন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড়কে বর্তমান ফুটবলের 'ইঞ্জিন' বলা হয়। তিনি মাঠে থাকলে তাঁর দল খুব কমই হারে। তিনি দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং খেলা তৈরি করেন। ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জয় এবং স্পেনের ইউরো জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। পরিসংখ্যান হয়তো তাঁর প্রভাব পুরোপুরি বোঝাতে পারবে না, কিন্তু তাঁর পাসের নির্ভুলতা এবং ট্যাকল করার ক্ষমতা বিশ্বসেরা। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। ৮. হ্যারি কেন হ্যারি কেন একজন ইংলিশ পেশাদার ফুটবলার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা কমপ্লিট স্ট্রাইকার। তিনি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া হ্যারি কেন কেবল গোল করেন না, তিনি নিচে নেমে খেলা তৈরি করতেও দক্ষ। টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে তিনি রেকর্ড গোলদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখেও গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি প্রিমিয়ার লিগের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৯. মোহামেদ সালাহ মিশরের এই ফরোয়ার্ডকে বলা হয় 'ইজিপশিয়ান কিং'। তিনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করা সালাহ বর্তমানে বিশ্বের সেরা রাইট-উইংগারদের একজন। তাঁর বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং গতি লিভারপুলকে বহু শিরোপা জিতিয়েছে। তিনি আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) জিতেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০. জুড বেলিংহাম জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের একজন তরুণ মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ এর হয়ে খেলছেন। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই বিস্ময়কর খেলোয়ার খুব অল্প সময়েই বিশ্ব ফুটবলে ঝড় তুলেছেন। মিডফিল্ডার হয়েও তিনি স্ট্রাইকারের মতো গোল করার ক্ষমতা রাখেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রথম মৌসুমেই তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পরিপক্বতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁকে ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি'অর বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করছে। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এখনো ছোট হলেও, ইমপ্যাক্ট বা প্রভাবের দিক দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে। বর্তমান বিশ্বে যত প্রকারের খেলাধুলা রয়েছে তার মধ্যে ফুটবল একটি জনপ্রিয় এবং র্যাংকিং এর দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর এই খেলাটি সারা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয়। ফুটবল খেলায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকেন এর মধ্যে কিছু কিছু খেলোয়াড় তাদের দূরদর্শিতা ও দক্ষতা ও খেলার ধরনের কারণে বেশ সুনাম কুরিয়েছেন। আর তাই কিছু কিছু খেলোয়াড় এখনো বিশ্বসেরা। তবে সেরাদের ও সেরা থাকে থাকে। বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে এটা আসলে বলা বাহুল্য, তবে আজ আমাদের পরিচিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী আপনার কাছে কোন খেলোয়াড়টি সবচাইতে বিশ্বের সেরা মনে হয়? অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার দিয়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন। সোর্সঃ FIFA + ESPN + Ballon d'Or + Opta / Sofascore and Transfermarkt বিশ্লেষণ
আজকাল আইডি কার্ড ছাড়া কোনো কাজই চলে না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি কাজ—সবখানেই এনআইডি লাগে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন হঠাৎ এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় অথচ কার্ডটি সাথে থাকে না। এই বিপদে পড়লে আপনি কিন্তু চাইলে নিজের ফোন দিয়েই মাত্র ২-৩ মিনিটে মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারেন। মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম শুরুতেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি পোর্টালে (services.nidw.gov.bd) যেতে হবে। সেখানে 'রেজিস্ট্রেশন' অপশনে ক্লিক করে আপনার ভোটার স্লিপের নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি দিতে হবে। এরপর আপনার জন্ম তারিখটা সঠিকভাবে বসিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া তথ্যগুলো যেন আপনার ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্যের সাথে একদম মিলে যায়। পরের ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বাছাই করার পর আপনার মোবাইলে একটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি এখানে ব্যবহার করাই ভালো। মোবাইলে আসা কোডটি পোর্টালে বসিয়ে দিলেই আপনি অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পরের ধাপে যেতে পারবেন। এই পর্যায়ে এসে আপনাকে 'ফেস ভেরিফিকেশন' বা মুখ যাচাই করতে হবে। এর জন্য আপনার ফোনে আগে থেকে 'NID Wallet' নামের অ্যাপটি নামিয়ে রাখতে হবে। ব্রাউজারের কিউআর কোডটি ওই অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলেই আপনার ক্যামেরা চালু হবে। এরপর ক্যামেরার সামনে আপনার মুখটা একবার সোজা, একবার ডানে এবং একবার বামে ঘুরালে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাবে। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলেই আপনি আপনার প্রোফাইলে ঢুকে পড়বেন। সেখানে আপনার ছবি ও নাম দেখা যাবে। প্রোফাইলের নিচের দিকে একটা 'ডাউনলোড' লেখা অপশন পাবেন। এই ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের আসল কপিটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এরপরে এটি আপনি যেকোনো দোকান থেকে প্রিন্ট করে সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। এখন আর এনআইডির কপি পাওয়ার জন্য মেম্বার বা নির্বাচন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করার কোনো ঝামেলাই নেই। ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আপনি যখন-তখন আপনার পরিচয়পত্র বের করে নিতে পারছেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বশেষ আজকের পেঁয়াজের দাম কত জানুন। শহর কিংবা গ্রামে পেঁয়াজের দামের কেমন পার্থক্য সেটা জানুন। বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের অবাধ যোগান রয়েছে তাই পেঁয়াজের দাম অনেকটা স্বস্তিতে বা হাতের নাগালে। আজকের পেঁয়াজের দাম সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০২৬ এ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ৩০ থেকে ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে ঢাকার স্থানীয় মোহাম্মাদপুর বাজারে, এছাড়াও অঞ্চল ভেদে এই দাম কম বা বেশি হতে পারে। দিগন্ত পোষ্টের স্থানীয় প্রতিনিধিরা ঢাকার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ঘুরে পেঁয়াজের এই সর্বশেষ দামের তথ্য খুঁজে পেয়েছেন। আর অন্যদিকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা দরে। বিশেষ করে ভারতীয় পেঁয়াজ, দেশি পেঁয়াজের চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে এ বিষয়টি নির্ভর করে পেঁয়াজের সরবরাহের উপর, অর্থাৎ কি পরিমান পেয়াজ বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের গুদামে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করছে পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করার জন্য পেঁয়াজ মজুদ করছেন এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। আর তাছাড়াও বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের দাম নির্ভর করে আমদানিকৃত পেঁয়াজের পরিমাণের উপর। পেঁয়াজের আমদানি বেশি হলে দেশি পেয়াজের দাম কমবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে। সর্বশেষ হালনাগাদঃ ৮ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা চার লাখের সমান। বর্তমানে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা "জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫" অনুযায়ী বেতন পান। জানার বিষয় হলো একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি কি পরিমান টাকা বেতন হিসেবে পান। তবে বাস্তবতা হলো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত নানান বৈষম্য নিয়ে প্রতিনিয়ত বর্তমানে সরকারের নিকট আন্দোলন চলমান। জানা যাক এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত। অর্থাৎ একজন এমপিওভুক্ত স্কুল বা কলেজের শিক্ষকের বেতন কত টাকা এবং বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য কি সুযোগ-সুবিধা পান। এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কারা? এমপিও (MPO) হলো Monthly Pay Order। এটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (যেমন: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক ভিত্তিতে বেতন-ভাতা প্রদানের একটি প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে মূল বেতনের শতভাগ এবং কিছু নির্দিষ্ট ভাতা পেয়ে থাকেন। যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত অর্থাৎ সরকারি তালিকাভুক্ত সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হয়, এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি শিক্ষক নিয়োজিত থাকেন । তবে মনে রাখা ভালো সব শিক্ষকই এমপিও ভুক্ত নন। অর্থাৎ একজন শিক্ষককে এমপিও ভুক্ত হতে হলে NTRCA নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। কিন্তু একটা জিনিস অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে , এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং একজন একজন সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষক এক নন। সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষকরা সরকারি কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা পান এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে সরকারি। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হলেও সরকারের কাছ থেকে আংশিক আর্থিক সহায়তা পান। আর এই বৈষম্যের কারণেই সর্বশেষ এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা বেতন ভাতা নিয়ে বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন- শিক্ষাস্তর অনুযায়ী পদের নাম ও বেতন গ্রেড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো তাদের পদের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় বেতন স্কেলের বিভিন্ন গ্রেডে নির্ধারিত হয়। ১. এমপিওভুক্ত স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) সহকারী শিক্ষক (বি.এড) গ্রেড ১১ ১২,৫০০ - ৩০,২৩০ সহকারী শিক্ষক (বি.এড ছাড়া) গ্রেড ১২ ১১,৩০০ - ২৭,৩০০ সিনিয়র শিক্ষক (১০ বছর পূর্তিতে) গ্রেড ১০ ১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ সহকারী প্রধান শিক্ষক / সহকারী সুপার গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ প্রধান শিক্ষক / সুপার গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ দ্রষ্টব্য: উচ্চতর গ্রেড (সাধারণত ৬ষ্ঠ গ্রেড) পাওয়ার সুযোগও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রয়েছে। ২. এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) প্রভাষক গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ সহকারী অধ্যাপক (পদোন্নতিতে) গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ সহযোগী অধ্যাপক গ্রেড ৬ ৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০ অধ্যক্ষ গ্রেড ৫ / ৪ ৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ / ৫০,০০০ - ৭১,২০০ মূল বেতনের বাইরে যা পান (ভাতা) এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ভাতা পান, যা সরকারি চাকরিজীবীদের থেকে ভিন্ন: বাড়ি ভাড়া ভাতা মাসিক ১,০০০ টাকা (স্থির)। চিকিৎসা ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা (স্থির)। উৎসব ভাতা: শিক্ষক: মূল বেতনের ২৫% (বছরে দুবার)। কর্মচারী: মূল বেতনের ৫০% (বছরে দুবার)। বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের ২০% (বছরে একবার)। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: মূল বেতনের ৫% (বছরে একবার)। বেতন থেকে যা কর্তন করা হয় প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে মোট ১০% অর্থ কর্তন করা হয়, যা তাদের অবসরকালীন সুবিধার জন্য জমা থাকে। অবসর সুবিধা বোর্ড মূল বেতনের ৬%। কল্যাণ ট্রাস্ট: মূল বেতনের ৪%। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের সাথে মূল পার্থক্য যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত, তবে তাদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের বেতন এবং ভাতার ক্ষেত্রে বেশ পার্থক্য রয়েছে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকদের মাঝে আলোচনার বিষয়। সরকারি শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া হিসেবে পান মূল বেতনের ওপর নির্দিষ্ট হারে (শহর বা গ্রাম ভেদে ৪০-৬০%), যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ১,০০০ টাকা। চিকিৎসা ভাতা হিসেবে পান ফিক্সড ১,৫০০ টাকা, যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ৫০০ টাকা। অন্যদিকে উৎসব ভাতা পান মূল বেতনের ১০০%, যেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পান মাত্র ২৫%। এই পার্থক্যগুলো নিরসনের দাবিতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকরা বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছেন। সর্বশেষে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংগঠন- এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের প্রতিনিধিদল। তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা করাসহ ১০ দাবি প্রস্তাব দিয়েছেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ২৩৭ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩০০ আসনের মধ্যে বাকিগুলো জোটের শরিকদের জন্য এবং কিছু আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করার জন্য রাখা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন (ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩) থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই ঘোষণার আগে, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক জরুরি বৈঠকে বসে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে পারে এবং নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো–
By using this site, you agree to our Cookie Policy .