ফাঁস হলো মৌনী রায়ের গোপন ইচ্ছা, ১৯ বছরেই বিয়ে করতে মরিয়া ছিলেন!

দিগন্ত প্রতিবেদন
দিগন্ত প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৫ মে, ২০২৬ | রাত ৯:৪২
ছবিঃ কালেক্টেড

বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায় আবারও আলোচনায়। সম্প্রতি স্বামী সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে তার বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়তেই সামনে এসেছে অভিনেত্রীর এক পুরনো সাক্ষাৎকার। সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, মাত্র ১৯ বছর বয়স থেকেই তিনি বিয়ে করতে চেয়েছিলেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খুব অল্প বয়স থেকেই জীবনসঙ্গী নিয়ে ভীষণ আবেগপ্রবণ ছিলেন মৌনী। তার বিশ্বাস ছিল, জীবনে একজন সঠিক মানুষ থাকলে কঠিন সময়ও সহজ হয়ে যায়।

এক পুরনো সাক্ষাৎকারে মৌনী বলেছিলেন, বিয়ে তার কাছে শুধু সামাজিক সম্পর্ক নয়, বরং এমন একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া, যার সঙ্গে সুখ-দুঃখ সব ভাগ করে নেওয়া যায়। তিনি মনে করতেন, একজন ভালো সঙ্গী মানসিক নিরাপত্তা ও সাহস জোগায়।

মৌনীর ভাষায়, জীবনের কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো একজন মানুষ থাকা খুব জরুরি। আর সেই কারণেই কৈশোর পেরোনোর পর থেকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ সঙ্গীকে নিয়ে ভাবতে শুরু করেন।

এর আগে অভিনেতা মোহিত রায়না ও পুলকিত সম্রাটের সঙ্গে মৌনীর সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। পরে ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি ব্যবসায়ী সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। গোয়ায় অনুষ্ঠিত সেই বিয়েতে বাঙালি ও মালয়ালি দুই রীতিতেই আয়োজন করা হয়েছিল অনুষ্ঠান।

তবে সম্প্রতি তাদের বিচ্ছেদের খবর ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যম দাবি করেছে, দুজনেই নাকি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেননি মৌনী বা সূরজ।

বিনোদন জগতে সম্পর্ক ভাঙা-গড়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে মৌনীর পুরনো বক্তব্য আবারও আলোচনায় এসেছে কারণ, তিনি সবসময় সম্পর্ক ও মানসিক নিরাপত্তাকে খুব গুরুত্ব দিতেন। তাই তার বিচ্ছেদের গুঞ্জন ভক্তদের মাঝেও কৌতূহল তৈরি করেছে।

কারো কারো মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অতিরিক্ত আগ্রহ অনেক সময় মানসিক চাপও তৈরি করে। আর সম্পর্কের ভাঙন নিয়ে জনসমক্ষে আলোচনা হলে সেটি আরও কঠিন হয়ে ওঠে।

তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও কাজের দিক থেকে এখনো বেশ সক্রিয় মৌনী রায়। বিভিন্ন ওয়েব সিরিজ, বিজ্ঞাপন ও ফ্যাশন ইভেন্টে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে তাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয় এবং ভক্তদের সঙ্গে নিজের নানা মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন।

খবরঃ আনন্দ বাজার 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

বিনোদন থেকে আরো

আরো দেখুন
কোথায় ১ কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার?

বলিউডের ‘খিলাড়ি’ অক্ষয় কুমার যে শুধু সিনেমার পর্দায় অ্যাকশন হিরো নন, বাস্তব জীবনেও তিনি একজন সত্যিকারের বড় মনের মানুষ, তার প্রমাণ মিলল আরও একবার। কাশ্মীরের এক দুর্গম সীমান্তবর্তী গ্রামের ভাঙাচোরা সরকারি স্কুলকে অত্যাধুনিক রূপ দিতে পুরো ১ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন এই সুপারস্টার। তার দেওয়া সেই মোটা অঙ্কের টাকাতেই দুর্গম পাহাড়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে একটি জমকালো নতুন স্কুল ভবন। গল্পটা শুরু হয়েছিল আজ থেকে ঠিক ৫ বছর আগে, ২০২১ সালে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের জওয়ানদের বিশেষ আমন্ত্রণে অক্ষয় গিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার একেবারে শেষ প্রান্তের গ্রাম নীরু তুলাইলে। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, হাড়কাঁপানো কনকনে ঠান্ডার মধ্যেও একটি জরাজীর্ণ সরকারি স্কুলে শিশুরা কত কষ্ট করে পড়াশোনা করছে। এই দৃশ্য দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বলিউড সুপারস্টার। তখনই তিনি স্কুলটির খোলনলচে বদলে দিতে ১ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন। অবশেষে দীর্ঘ ৫ বছর পর নিজের সেই প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করে দেখালেন অক্ষয়। তারকাদের বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু ক্যামেরার ঝলকানি ছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে নিঃশব্দে কাজ করে সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি পালন করার এই দৃষ্টান্ত সত্যিই বিরল। অক্ষয়ের এই উদ্যোগ শুধু ইট-পাথরের একটি ভবন তৈরি করেনি, বরং দুর্গম সীমান্তের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সামনে আধুনিক শিক্ষার এক বিশাল দরজা খুলে দিয়েছে। যেসব শিশু একদিন ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে মেঝেতে বসে ক্লাস করত, তারা এখন শহরের শিশুদের মতোই আধুনিক প্রযুক্তি ও শিক্ষার আলো পাবে। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি নতুন এই ভবনে এখন শিশুদের জন্য রয়েছে একেবারে আধুনিক ক্লাসরুম, কম্পিউটার ল্যাব ও বইয়ে ভরা দারুণ এক লাইব্রেরি। শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজের জন্যও করা হয়েছে সুপরিসর আলাদা জায়গা। শুধু পড়াশোনাই নয়, দুর্গম এলাকার শিশুদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে স্কুলের 'মিড-ডে মিল' প্রকল্পের রান্নাঘর ও খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থাও আগের চেয়ে অনেক সুন্দর ও উন্নত করা হয়েছে।

বিনোদন ডেস্ক ২৩ মে, ২০২৬ 0

কেডি পাঠকের নাম ভাঙ্গিয়ে নারীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ

রাগ করলা, কথা ঠিক না বেঠিক? ভাইরাল সংলাপের পেছনের আসল রহস্য কী?

ফাঁস হলো মৌনী রায়ের গোপন ইচ্ছা, ১৯ বছরেই বিয়ে করতে মরিয়া ছিলেন!

একজনও আমার দিকে তাকায়নি! আশ্রমে গিয়ে অবাক রজনীকান্ত

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম বড় তারকা রজনীকান্ত। তার স্টাইল, সংলাপ আর পর্দার উপস্থিতিতে এখনও প্রেক্ষাগৃহে ভিড় জমে লাখো দর্শকের। তবে এমন এক জায়গার অভিজ্ঞতা এবার শেয়ার করলেন অভিনেতা, যেখানে নাকি কেউ ফিরেও তাকায়নি তার দিকে। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে আধ্যাত্মিক গুরু রবিশঙ্করের ‘আর্ট অব লিভিং’ ফাউন্ডেশনের ৪৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে অংশ নেন রজনীকান্ত। সেখানেই নিজের জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা বলেন তিনি। রজনীকান্ত জানান, আশ্রমে যাওয়ার আগে তিনি ভেবেছিলেন অন্য জায়গার মতো সেখানেও মানুষ তাকে ঘিরে ধরবে। বিশেষ করে সেখানে তামিলনাড়ু থেকেও অনেক মানুষ ছিলেন বলে জানান তিনি। কিন্তু বাস্তবে গিয়ে পুরো উল্টো অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন এই সুপারস্টার। রজনীকান্ত বলেন, “শত শত মানুষ ছিল সেখানে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, একজন মানুষও আমার দিকে ফিরে তাকাচ্ছিল না।” এই অভিজ্ঞতা তাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে বলেও জানান অভিনেতা। তার ভাষায়, “সেই মুহূর্তেই বুঝেছিলাম আধ্যাত্মিকতার শক্তি কতটা গভীর। সত্যিকারের স্টারডম আসলে কী, সেটা আমি সেখানে গিয়ে অনুভব করেছি।” অনুষ্ঠানে রজনীকান্ত আরও জানান, আশ্রমের পরিবেশ তাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করেছে। প্রকৃতি, সরোবর এবং প্রাণীদের সঙ্গে কাটানো সময়কে তিনি জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন। মজার ছলে অভিনেতা বলেন, “ওখানে অনেক হাতি, ঘোড়া আর গরু ছিল। এমনকি একটি ঘোড়ার নামও ছিল ‘রজনী’।” এক সময় বাসের কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করা রজনীকান্ত আজ ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ধনী অভিনেতাদের একজন। তবে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছেও তার সাধারণ জীবনযাপন ও বিনয়ী আচরণ প্রায়ই আলোচনায় আসে। এর আগেও বিমানের ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করা কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে যাওয়ার কারণে ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই অভিনেতা। রজনীকান্তের এই অভিজ্ঞতা শুধু একজন তারকার গল্প নয়, বরং খ্যাতির বাইরের বাস্তবতাও তুলে ধরে। যেখানে সিনেমার জগতে কোটি মানুষের ভালোবাসা একজন অভিনেতাকে ঘিরে থাকে, সেখানে আধ্যাত্মিক পরিবেশে ব্যক্তি পরিচয়ের চেয়ে মানসিক শান্তি ও আত্মিক চর্চাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আর সেটিই হয়তো নতুনভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছেন রজনীকান্ত।

দিগন্ত প্রতিবেদন ১৪ মে, ২০২৬ 0