অবশেষে ২০২৬ ও ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি (CCTV)। শুক্রবার যৌথভাবে এই ঘোষণা দিয়েছে সিসিটিভি ও বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
বিশ্বকাপ শুরু হতে এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকলেও এতদিন চীনের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী নিশ্চিত ছিলেন না তারা কোথায় ম্যাচ দেখতে পারবেন। শেষ মুহূর্তে হওয়া এই চুক্তিতে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হলো।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। আগামী ১১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সিসিটিভি জানিয়েছে, নতুন এই চুক্তির আওতায় ২০২৬ ও ২০৩০ পুরুষ বিশ্বকাপের পাশাপাশি ২০২৭ ও ২০৩১ নারী বিশ্বকাপও সম্প্রচার করা হবে।
চুক্তিতে টেলিভিশন, ইন্টারনেট এবং মোবাইল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। ৪৮টি দল অংশ নেবে এবং মোট ম্যাচ হবে ১০৪টি।
যদিও চীন এবার বিশ্বকাপে খেলছে না, তবুও দেশটিতে ফুটবল বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ চলাকালে ডিজিটাল ও সামাজিক মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মোট ভিউয়ের প্রায় ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশই ছিল চীন থেকে।
ফিফার মহাসচিব ম্যাটিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন, “বিশ্ব ফুটবলের জন্য চীনের বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ফিফা আরও জানিয়েছে, এই চুক্তি তরুণ দর্শকদের কাছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বকাপকে আরও জনপ্রিয় করতে সহায়তা করবে।
চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য নিয়েও আলোচনা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চুক্তির মূল্য প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি সিসিটিভি।
কেউ এই চুক্তিকে বড় সাফল্য বললেও অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এত বিপুল অর্থ ব্যয় কতটা যৌক্তিক। চীনের গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী রোববার সম্প্রচার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করবে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (CMG)।
এদিকে সময়ের পার্থক্যের কারণে বেইজিং ও সাংহাইয়ে উদ্বোধনী ম্যাচ এবং ফাইনাল শুরু হবে রাত ৩টায়। বিশ্বকাপ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসরগুলোর একটি। চীনের মতো বিশাল দর্শকবাজারে সম্প্রচার স্বত্ব নিশ্চিত করা ফিফার জন্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তরুণ দর্শকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই ফিফা চীনা বাজারকে আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
অবশেষে ২০২৬ ও ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি (CCTV)। শুক্রবার যৌথভাবে এই ঘোষণা দিয়েছে সিসিটিভি ও বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বকাপ শুরু হতে এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকলেও এতদিন চীনের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী নিশ্চিত ছিলেন না তারা কোথায় ম্যাচ দেখতে পারবেন। শেষ মুহূর্তে হওয়া এই চুক্তিতে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হলো। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। আগামী ১১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সিসিটিভি জানিয়েছে, নতুন এই চুক্তির আওতায় ২০২৬ ও ২০৩০ পুরুষ বিশ্বকাপের পাশাপাশি ২০২৭ ও ২০৩১ নারী বিশ্বকাপও সম্প্রচার করা হবে। চুক্তিতে টেলিভিশন, ইন্টারনেট এবং মোবাইল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। ৪৮টি দল অংশ নেবে এবং মোট ম্যাচ হবে ১০৪টি। যদিও চীন এবার বিশ্বকাপে খেলছে না, তবুও দেশটিতে ফুটবল বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, কাতার বিশ্বকাপ ২০২২ চলাকালে ডিজিটাল ও সামাজিক মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মোট ভিউয়ের প্রায় ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশই ছিল চীন থেকে। ফিফার মহাসচিব ম্যাটিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন, “বিশ্ব ফুটবলের জন্য চীনের বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ফিফা আরও জানিয়েছে, এই চুক্তি তরুণ দর্শকদের কাছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বকাপকে আরও জনপ্রিয় করতে সহায়তা করবে। চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য নিয়েও আলোচনা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চুক্তির মূল্য প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি সিসিটিভি। কেউ এই চুক্তিকে বড় সাফল্য বললেও অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এত বিপুল অর্থ ব্যয় কতটা যৌক্তিক। চীনের গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী রোববার সম্প্রচার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করবে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (CMG)। এদিকে সময়ের পার্থক্যের কারণে বেইজিং ও সাংহাইয়ে উদ্বোধনী ম্যাচ এবং ফাইনাল শুরু হবে রাত ৩টায়। বিশ্বকাপ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আসরগুলোর একটি। চীনের মতো বিশাল দর্শকবাজারে সম্প্রচার স্বত্ব নিশ্চিত করা ফিফার জন্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তরুণ দর্শকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই ফিফা চীনা বাজারকে আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
আর মাত্র কয়েক মাস বাকি ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে, অথচ বাংলাদেশে এখনো টুর্নামেন্টটির সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। দর্শকদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই, এবার কি সত্যিই টিভিতে বা অনলাইনে খেলা দেখা যাবে? দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে সিঙ্গাপুর ভিত্তিক একটিপ্রতিষ্ঠান। তবে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো স্থানীয় টিভি চ্যানেল বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সেই স্বত্ব কিনে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রচার নিশ্চিত করেনি। ফলে বিগত বিশ্বকাপগুলোর মতো এবারও দর্শকদের জন্য বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। কেন তৈরি হলো এই অনিশ্চয়তা মূল সমস্যার জায়গা হলো সম্প্রচার স্বত্বের উচ্চ মূল্য। বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশে সম্প্রচারের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করছে যা বাংলাদেশী টাকায় আনুমানিক ২২০ কোটি, স্থানীয় টিভি চ্যানেল বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে এ বিশাল পরিমাণ অর্থ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি বাস্তবতা, রাতের সময়সূচি। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বাংলাদেশ সময় ভোররাতে বা গভীর রাতে অনুষ্ঠিত হবে, ফলে বিজ্ঞাপন থেকে আয় কম হওয়ার আশঙ্কাও দেখছেন সম্প্রচারকারীরা। এ কারণে এখন পর্যন্ত কেউ ঝুঁকি নিয়ে পুরো প্যাকেজ কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। দর্শকরা কীভাবে খেলা দেখতে পারেন? যদি শেষ মুহূর্তে কোনো স্থানীয় টিভি চ্যানেল বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সম্প্রচার স্বত্ব কিনে নেয়, তাহলে দর্শকরা সাধারণত যেমন দেখা যায় তেমনি টিভি বা মোবাইল অ্যাপে সরাসরি খেলা দেখতে পারবেন। আর সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় যথাযোগ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে যদি আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার নিশ্চিত না হয়, তাহলে দর্শকদের বিকল্প হিসেবে থাকতে পারে বিদেশি সম্প্রচার মাধ্যম বা অনুমোদিত অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, এরপর দেশীয় কয়েকটি অননুমোদিত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম যেমন স্পোরটজিফাই এর মতো অ্যাপে খেলা দেখা যাবে অনায়াসে । তবে নিয়ম অনুযায়ী ফিফা অনুমোদন ছাড়া বিদেশি চ্যানেলের সরাসরি সম্প্রচার অনেক সময় বাংলাদেশে বৈধভাবে দেখা যায় না। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে বাংলাদেশে টিভি ও ওটিটি দুই মাধ্যমেই ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা ছিল। বিটিভি এবং বেসরকারি চ্যানেল টি স্পোর্টস, এবং ও টি টি প্লাটফর্ম টফি তে তখন সম্প্রচার স্বত্ব কিনে দর্শকদের জন্য সরাসরি খেলা দেখিয়েছিল। এবার সেই একই পরিস্থিতি হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সব মিলিয়ে বলা যায়, দেশে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত নিশ্চয়তা আসেনি। শেষ মুহূর্তে যদি কোনো সম্প্রচার চুক্তি সম্পন্ন হয়, তাহলে দর্শকরা আগের মতোই টিভি ও মোবাইলে খেলা উপভোগ করতে পারবেন। আর যদি না হয়, তাহলে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার একটি আসর। বর্তমান অবস্থায় সবচেয়ে নিরাপদ তথ্য হলো, অফিসিয়াল ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজবের ওপর নির্ভর না করা।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .