১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: প্রেস সচিব

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | সন্ধ্যা ৭:৪৮
আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | সকাল ৭:৪৯
প্রেস সচিব শফিকুল
প্রেস সচিব শফিকুল

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) মাগুরার শ্রীপুরে একটি রেললাইন প্রকল্প পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

 

তিনি আরও বলেন, অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঠিক একইভাবে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনও একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে এবং নির্বাচন বানচাল করার কোনো সুযোগ থাকবে না।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

জাতীয় থেকে আরো

আরো দেখুন
দলিল যার জমি তার
দলিল যার জমি তার আইন ও বাস্তবতা

জমি দখল, ভুয়া দলিল ও মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতা ঠেকাতে ২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জাতীয় সংসদে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪ এর মুল কথা "দলিল যার জমি তার" আইন পাস হয়েছিল। সেই আইনের মূল নীতি এখনো বহাল রয়েছে এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলেও একই প্রক্রিয়া ও নীতির ধারাবাহিকতা চলছে। ওই আইনের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়, শুধু জমি দখলে থাকলেই কেউ মালিক দাবি করতে পারবেন না। জমির মালিকানা প্রমাণে থাকতে হবে বৈধ দলিল, খতিয়ানসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। অর্থাৎ দলিল যার, জমি তার নীতিকেই আইনি ভিত্তি দেওয়া হয়। আইনে বলা হয়, বৈধ দলিল বা আদালতের নির্দেশ ছাড়া কোনো ব্যক্তি জমি দখলে রাখতে পারবেন না। জমি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে কাগজপত্র ও আইনগত মালিকানাকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ ছাড়া ভুয়া দলিল তৈরি, দলিল পরিবর্তন, প্রতারণার মাধ্যমে জমি হস্তান্তর, মিথ্যা তথ্য দিয়ে রেকর্ড সংশোধন কিংবা অন্যের জমি নিজের নামে দেখানোর মতো অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়। তৎকালীন সংসদে পাস হওয়া ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন অনুযায়ী, দলিল সম্পাদনের পর অবৈধভাবে কোনো অংশ কেটে ফেলা, পরিবর্তন করা বা কাউকে জোর করে স্বাক্ষর করানোও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। বর্তমান বিএনপি সরকারের সময় এ এখন পর্যন্ত সংসদে এ সংক্রান্ত কোন বিল মহান সংসদে বাতিল হয়নি তাই বলা যায় ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রেকর্ড, মালিকানা যাচাই, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং জাল দলিল প্রতিরোধে একই নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে ।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার বদলালেও জমি নিয়ে বিশৃঙ্খলা কমানো, প্রকৃত মালিকের অধিকার নিশ্চিত করা এবং ভূমি সেবা সহজ করার প্রশ্নে আগের নীতিগুলোই এখন কার্যকর রয়েছে। ভূমি খাতে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে সাধারণ মানুষ জমি নিয়ে হয়রানি ও প্রতারণা থেকে আরও বেশি সুরক্ষা পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দিগন্ত প্রতিবেদন ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ভারতীয় ভিসা

ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর, বাংলাদেশিদের জন্য জটিলতা কমবে শিগগিরই

১৬ বছর পর সম্প্রচারে ফিরলো চ্যানেল ওয়ান

১৬ বছর পর সম্প্রচারে ফিরলো চ্যানেল ওয়ান

অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ আনলিমিটেড করবে সরকার

অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ আনলিমিটেড করবে সরকার

বকেয়া বিল না পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিল আদানি
বকেয়া বিল না পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিল আদানি

বিদ্যুৎ সংকটের এই দুঃসময়ে বকেয়া বিল পরিশোধের তাগাদা দিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছে ভারতীয় কোম্পানি আদানি। বকেয়া দ্রুত শোধ না হলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকির কথা জানিয়েছে তারা। চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বরাবর পাঠানো চিঠিতে তারিখ দেওয়া আছে ১৭ এপ্রিল। তবে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, চিঠিটি ১৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। গতকাল সোমবার রাতে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, তিনি এখনো চিঠি হাতে পাননি। চিঠি পাওয়ার পর করণীয় ঠিক করা হবে। চিঠিতে আদানি জানিয়েছে, বকেয়া বিল পরিশোধে দেরির কারণে প্রকল্পের অর্থপ্রবাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। জ্বালানি কিনে উৎপাদন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে অবস্থিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এখানে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০১৭ সালে আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। চুক্তি অনুসারে আদানির কেন্দ্র থেকে ২৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ কিনবে বাংলাদেশ। পিডিবি সূত্র জানায়, বর্তমানে দেড় হাজার মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে আদানির কেন্দ্রটি। এটির সরবরাহ বন্ধ হলে চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে বড় ঘাটতি তৈরি হবে। এ কারণেই এই সময়ে বকেয়া আদায়ে চিঠি দিয়েছে তারা। এর আগেও বকেয়া শোধের তাগাদা দিয়ে গত ২৯ জানুয়ারি পিডিবির কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল আদানি। সেই চিঠিতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের ঝুঁকির কথা বলা হয়েছিল। আদানির সর্বশেষ চিঠিতে বলা হয়েছে, কোম্পানির মোট পাওনা ৬৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৩৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রতি ডলারে ১২২ টাকা দরে ৪ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকা) নিয়ে কোনো বিরোধ নেই, যা ৪ থেকে ৫ মাসের বিলের সমান। তারপরও বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার ওপর ভিত্তি করে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র। তাই দ্রুত পুরো বকেয়া শোধ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে নিয়মিত বিল দিতে অনুরোধ করা হয়েছে চিঠিতে। বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বকে আদানি গুরুত্ব দেয় বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে মন্ত্রীর সুবিধামতো সময়ে সাক্ষাৎ করার জন্যও সময় চাওয়া হয়েছে। পিডিবি ও আদানি সূত্র জানায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বকেয়া প্রায় ৭০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আদানির দিক থেকে কয়েক দফা তাগাদা দিলে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত বছরের জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে নিয়মিতভাবে বিল পরিশোধ করেছে পিডিবি। একই সঙ্গে কিছু কিছু করে পুরোনো বকেয়াও শোধ করা হয়। এতে মোট বকেয়া কমতে থাকে। তবে গত ডিসেম্বর থেকে আবার বিল পরিশোধ কমিয়ে দেয় পিডিবি। এতে বকেয়া আবার বাড়তে শুরু করে। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত কয়লার দাম নিয়ে পিডিবির সঙ্গে আদানির বিরোধ এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। আদানি কয়লার বাড়তি দাম ধরে বিল করছে, আর পিডিবি বাজারদরে বিল পরিশোধ করছে। আদানির চুক্তির বিরুদ্ধে দেশের উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলা চলমান। আদালতের চূড়ান্ত আদেশের পর করণীয় নির্ধারণ করবে পিডিবি। রিট আবেদনের পর আদালতের আদেশে আদানির চুক্তি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন জমা দেয় বিগত অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত চুক্তি পর্যালোচনা কমিটি। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানির সঙ্গে পিডিবির বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি ও চুক্তির প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি-অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়োগ করা আন্তর্জাতিক আইনজীবীরা বর্তমানে কাজ করছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ২১ এপ্রিল, ২০২৬ 0
বিদেশে কর্মী পাঠাতে ১৮ দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার

বিদেশে কর্মী পাঠাতে ১৮ দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার

সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’: উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন, বন্ধ হলো বিল পরিশোধ

সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট: তদন্ত কমিটি গঠন, বন্ধ হলো বিল পরিশোধ

গ্যাস সংকটে বন্ধ হলো দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা

গ্যাস সংকটে বন্ধ হলো দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় খবরটি ভূয়াঃ মন্ত্রণালয়
রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় খবরটি ভূয়াঃ মন্ত্রণালয়

রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬০ দিনের বিশেষ ‘ছাড়’ দেওয়ার খবরটি নাকচ করে দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই সংক্রান্ত সংবাদকে ‘সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছে সরকার। আজ শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে স্পষ্টীকরণ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়া থেকে ১০ লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা কিংবা এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ছাড় সংক্রান্ত তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। এমনকি বিভাগের কোনো অনুমোদিত কর্মকর্তা গণমাধ্যমে এ ধরণের কোনো মন্তব্য বা তথ্য প্রদান করেননি। সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ১১ এপ্রিল থেকে ৯ জুন ২০২৬ পর্যন্ত রাশিয়ার তেলের ওপর বিশেষ ছাড় কার্যকর থাকবে। বিষয়টি নজরে আসার পর মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরণের কোনো প্রস্তাব, সিদ্ধান্ত বা উদ্যোগ সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো দাপ্তরিক বা হালনাগাদ তথ্য নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি তথ্য। বিজ্ঞপ্তিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে যে তথ্যগুলো ছড়ানো হচ্ছে, তা অনুমোদিত নয়। এ ধরণের অপপ্রচার জাতীয় জ্বালানি নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। জাতীয় স্পর্শকাতর এই বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার এবং সরকারি তথ্যের সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ 0
চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ১.৪১ লাখ টন ডিজেল

চারটি জাহাজে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ১.৪১ লাখ টন ডিজেল

দেড় যুগ পর ৭ নভেম্বর ফিরছে জাতীয় দিবস হিসেবে, সরকারি ছুটিও বহাল

দেড় যুগ পর ৭ নভেম্বর ফিরছে জাতীয় দিবস হিসেবে, সরকারি ছুটিও বহাল

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী