এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল, ২০২৬ | রাত ১০:৪৭
এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি
ফাইল ছবিঃ - ডেইলি সান

আগামীকাল একুশে এপ্রিল মঙ্গলবার সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে দেশের মাধ্যমিক স্তরের বড় আসর এসএসসিতে এবারও মেয়েদের অংশগ্রহণে বড় ধরনের চমক দেখা গেছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এবার এই ৯টি বোর্ডে মোট ১৪ লাখ ১২ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন, যেখানে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন।

পরিসংখ্যান বলছে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৮৪ হাজার বেশি। তবে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা বেশি (১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন)। কারিগরি বোর্ডেও ছাত্ররা এগিয়ে রয়েছে।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং মানবিক বিভাগে ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির মতে, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার সামগ্রিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কিছুটা কমলেও ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ দেশের শিক্ষা খাতের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

শিক্ষা থেকে আরো

আরো দেখুন
এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি
এসএসসিতে এবারও ছাত্রীদের জয়জয়কার: ৯টি বোর্ডে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী বেশি

আগামীকাল একুশে এপ্রিল মঙ্গলবার সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে দেশের মাধ্যমিক স্তরের বড় আসর এসএসসিতে এবারও মেয়েদের অংশগ্রহণে বড় ধরনের চমক দেখা গেছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এবার এই ৯টি বোর্ডে মোট ১৪ লাখ ১২ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন, যেখানে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন। পরিসংখ্যান বলছে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৮৪ হাজার বেশি। তবে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা বেশি (১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন)। কারিগরি বোর্ডেও ছাত্ররা এগিয়ে রয়েছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে দেখা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং মানবিক বিভাগে ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির মতে, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার সামগ্রিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কিছুটা কমলেও ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ দেশের শিক্ষা খাতের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ২০ এপ্রিল, ২০২৬ 0
এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা

এসএসসিতে প্রথমবার প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে সিসি ক্যামেরা

কাল শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নিবে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী

কাল শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নিবে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী

এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য হালনাগাদ না হলে বেতন জটিলতার আশঙ্কা

এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য হালনাগাদ না হলে বেতন জটিলতার আশঙ্কা

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ইএফটি এ পাঠাতে নতুন নির্দেশনা
বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ইএফটি এ পাঠাতে নতুন নির্দেশনা

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠাতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। গত ১৭ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেতন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য হালনাগাদ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। নির্দেশনায় বলা হয়, শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য iBAS++ পদ্ধতিতে যাচাই-বাছাই (ভ্যালিডেশন) সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি মাসিক বেতন বিল দাখিলের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য সঠিকভাবে সংযুক্ত করতে হবে। কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল থাকলে বেতন পাঠাতে বিলম্ব হতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে বেতন পৌঁছে দিতে এই ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। এতে শিক্ষক-কর্মচারীরা দ্রুত ও সহজে বেতন পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। 

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ 0
পাবলিক পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা থাকছে না

পাবলিক পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা চালু হচ্ছে না: শিক্ষামন্ত্রী

নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নকল বন্ধে এসএসসি পরীক্ষার রুটিন না দেওয়ার খবর গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ছবি গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট

এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত হতে পারে?

ডাকসু ভিপির বেতন
ডাকসু ভিপি-জিএস এর বেতন কত? কি কি সুবিধা পান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু ভিপির বেতন কত? ডাকসু জিএস এর বেতন কত? এই দুই পদ নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল রয়েছে। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০২৫ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে মানুষের ভিতরে এই প্রশ্নের কৌতূহল অনেকটাই আকাশ পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন বিস্তারিত জেনে নিই ডাকসুর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) এবং জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) আসলে কী ধরনের আর্থিক সুবিধা পান এবং এর বাইরেও তারা কি কি সুবিধা ভোগ করে থাকেন।  ডাকসু শুধু একটি ছাত্র সংসদ নয়, এটি বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই ভিপি ও জিএস পদ শুধু প্রশাসনিক নয়, বরং ঐতিহাসিক দায়িত্বও বহন করে। ২০১৯ সালে ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আবারও নির্বাচন হয়, যেখানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে সাদিক কায়েম ভিপি এবং এস এম ফরহাদ জিএস নির্বাচিত হন। ডাকসু ভিপি জিএস এর বেতন ব্যবস্থা অনেকেরই ধারণা, ডাকসু ভিপি প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের বেতন পান। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। ডাকসু ভিপির আলাদা করে কোনো মাসিক বেতন নেই। তবে তাদের জন্য এক বছরের কার্যকালের জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকে। এই বরাদ্দের পরিমাণ হলো ৫ লাখ টাকা।  এই টাকাটা মূলত দেওয়া হয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য। চা-নাস্তার খরচ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিটিং-আলোচনা এবং প্রয়োজনে কোনো শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা করা। এসব কাজেই এই টাকা ব্যবহার হয়। ভিপি চাইলে পুরো টাকা একবারে তুলতে পারেন, আবার প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপেও তুলতে পারেন। ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলেছেন, তার সময়ে বরাদ্দকৃত ৫ লাখ টাকার মধ্যে তিনি মাত্র ২ লাখ টাকা তুলেছিলেন। বাকি ৩ লাখ টাকা পরবর্তী কমিটির জন্য রেখে দিয়েছিলেন। এটা থেকে বোঝা যায়, এই টাকা ব্যক্তিগত খরচের জন্য নয়, বরং সাংগঠনিক কাজের জন্য। আবার অন্যদিকে ডাকসু জিএস এর বেতন ব্যবস্থাও ভিপির মতোই। জিএসও কোনো নিয়মিত মাসিক বেতন পান না। তার জন্যও বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। মানে দুজন মিলে মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে ডাকসুর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য।  বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছাড়াও ভিপি আর জিএস আরও কিছু আর্থিক সুবিধা পান, তবে সেগুলো খুবই সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে তারা বৈঠক ভাতা পান। এছাড়া বিশেষ কোনো দায়িত্ব দেওয়া হলে সেজন্য সম্মানীও মিলতে পারে। কিন্তু এগুলো নিয়মিত বা নিশ্চিত কিছু নয়। বেতনের বাইরে যেসব সুবিধা পান টাকার হিসাব তো হলো। কিন্তু ডাকসুর ভিপি আর জিএস আরও যেসব সুবিধা পান, সেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। প্রথমত, তারা ডাকসুতে নিজস্ব অফিস কক্ষ পান। হলে আবাসনের ব্যবস্থাও তো আছেই শিক্ষার্থী হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের বিশেষ আসন থাকে। কিন্তু আসল কথা হলো প্রশাসনিক ক্ষমতা। ভিপি আর জিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দুটো বডি, সিনেট আর সিন্ডিকেটের স্থায়ী সদস্য হন। এই দুই বডিতে দেশের নামকরা শিক্ষাবিদ, আমলা আর রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে একজন ছাত্রনেতা তাদের সমান ক্ষমতা নিয়ে বসতে পারেন, এটা কম কথা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন হোক, নতুন শিক্ষক নিয়োগ হোক, কিংবা উন্নয়ন পরিকল্পনা হোক, সব জায়গায় তাদের মতামত থাকে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তারা প্রতিবাদ করতে পারেন, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভেটোও দিতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে বৈঠক ডাকার ক্ষমতা আছে তাদের। উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ তো আছেই। এই পদ দুটোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সামাজিক মর্যাদা আর নেটওয়ার্কিং। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করার সুযোগ পান ডাকসুর নেতারা। জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি হয়। ভবিষ্যতে ক্যারিয়ারে এই পরিচিতি অনেক কাজে আসে। বাংলাদেশের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদই ডাকসুর প্রাক্তন নেতা ছিলেন। আসলে ডাকসু মানে শুধু একটা ছাত্র সংগঠন নয়। এটা বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই এই পদে থাকা মানে একটা ঐতিহাসিক দায়িত্ব বহন করা।

ডিপি ডেস্ক ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ 0
এমবিবিএস-বিডিএসের ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ

এমবিবিএস-বিডিএসের ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু , আবেদনের নিয়ম

এমপিভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত জানুন