বিতর্কিত এক অধ্যায়

বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন কোচ থমাস ঢুলি, কে এই ব্যাক্তি? কি তার পরিচয় ?

দিগন্ত প্রতিবেদন
দিগন্ত প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২ মে, ২০২৬ | সকাল ১১:২০
থমাস ঢুলি - ছবি ইন্টারনেট

বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ হতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন থমাস ঢুলি। আজ (শুক্রবার) সকাল ৯টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের এক ফ্লাইটে তিনি বাংলাদেশে আসেন। ঘণ্টাখানেক সময় বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা হন এই কোচ। বাফুফে স্টাফরাই বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে কোচকে স্বাগত জানিয়েছেন।  ঢাকায় পৌঁছানোর পরপরই বাফুফে ফেসবুক পেজে ঢুলিকে কোচ হিসেবে ঘোষণা করে। ফেসবুকের পাশাপাশি গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে ফেডারেশন।

বাংলাদেশ ফুটবল সমর্থকদের বড় একটি অংশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই অপেক্ষা করছিলেন ইউরোপিয়ান মানের কোনো পরিচিত কোচের জন্য। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সাবেক ওয়েলস কোচ ক্রিস কোলম্যান। ইউরো ২০১৬ এ ওয়েলসকে সেমিফাইনালে তোলার নায়ককে বাংলাদেশে আনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে নতুন আশার জন্ম হয়েছিল।

কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। আর তার জায়গায় সামনে আসে এমন একটি নাম, যাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিতর্ক কম নেই। তিনি থমাস ঢুলি । ফুটবল বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ সমর্থকদের প্রশ্ন এখন একটাই, জেনেশুনেও কেন থমাস ডুলির মতো বিতর্কিত একজন কোচকে বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা করল ?

কলম্যানকে নিয়ে স্বপ্ন, তারপর হঠাৎ মোড়

সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বাফুফে প্রথম পছন্দ হিসেবে ক্রিস কলম্যানকেই চেয়েছিল। আলোচনা অনেক দূরও এগিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্থিক বিষয়, এজেন্ট ফি এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নিয়ে জটিলতায় সেই আলোচনা ভেঙে যায়।

এরপর দ্রুত বিকল্প খুঁজতে গিয়ে বাফুফে থমাস ডুলির দিকে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু এখানেই তৈরি হয়েছে সমালোচনা। কারণ আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে ডুলির পরিচয় শুধু অভিজ্ঞ কোচ হিসেবে নয়, ড্রেসিংরুমে অস্থিরতা তৈরি করা এক কঠোর ও বিতর্কিত চরিত্র হিসেবেও আছে।

খেলোয়াড় হিসেবে সফল, কিন্তু কোচ হিসেবে প্রশ্নবিদ্ধ

থমাস ডুলি খেলোয়াড় হিসেবে নিঃসন্দেহে বড় নাম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলেছেন। জাতীয় দলের হয়ে ৮১ ম্যাচে করেছেন ৭ গোল।

ক্লাব ফুটবলে খেলেছেন:

হ্যামবার্গার এসভি , এফসি কাইজারস্লটার্ন , বায়ার লেভারকুসে ,  শাল্কে ০৪

ক্যারিয়ারে ৬০০ এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। একজন ডিফেন্ডার হয়েও করেছেন প্রায় ৮০ গোল। কিন্তু কোচিং ক্যারিয়ারে তার সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতা এবং বিতর্কও বেশ বড় হয়ে সামনে এসেছে।

ফিলিপাইনে সাফল্য, কিন্তু ভেতরে জমেছিল ক্ষোভ

ডুলি সবচেয়ে বেশি পরিচিত ফিলিপাইন জাতীয় ফুটবল দল এর কোচ হিসেবে। তার অধীনে দলটি প্রথমবার এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয়। বাইরে থেকে এটি বড় সাফল্য মনে হলেও, ভেতরের চিত্র ছিল ভিন্ন। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিবেদনে একাধিকবার উঠে আসে খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি।

কিছু খেলোয়াড় অভিযোগ করেছিলেন, ডুলি ড্রেসিংরুমে ভয়ভীতি ও অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। হঠাৎ করে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার বাদ দেওয়া, খেলোয়াড়দের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি এবং অভ্যন্তরীণ বিভক্তির অভিযোগও ছিল তার বিরুদ্ধে। ফুটবল বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, ফিলিপাইনের ড্রেসিংরুমে বিভাজন তৈরির পেছনে ডুলির ভূমিকাও ছিল।

৯০ দিনের মধ্যেই বরখাস্ত

ডুলির সবচেয়ে বড় সমালোচনা আসে মালয়েশিয়ার ক্লাব স্রি পাহাং এফসি এ দায়িত্ব নেওয়ার পর। বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকে আনা হলেও মাত্র প্রায় ৯০ দিনের মধ্যেই তাকে বরখাস্ত করা হয়। ক্লাবটির খারাপ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির অভিযোগও সামনে আসে।

মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে তখন উল্লেখ করা হয়েছিল, ড্রেসিংরুম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়াই তার দ্রুত বিদায়ের অন্যতম কারণ। এমন অতীত থাকার পরও কেন তাকে বেছে নিচ্ছে বাংলাদেশ, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

সর্বশেষ কোচের দায়িত্বে ছিলেন গায়ানায়

সবশেষে তিনি ছিলেন গায়ানা ন্যাশনাল ফুটবল টিম এর কোচ। তবে গায়ানাতেও তার সময় খুব বেশি আলোচিত হয়নি।

সম্প্রতি সেই দায়িত্ব ছাড়ার পরই বাংলাদেশের সঙ্গে তার আলোচনা সামনে আসে। অনেকেই বলছেন, বড় কোনো ফুটবল শক্তি তাকে নিতে আগ্রহ না দেখানোয় বাংলাদেশের প্রস্তাব তার জন্য সহজ সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তাহলে কেন ডুলিকেই আনছে বাফুফে?

ফুটবল সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের মতে, মূল কারণ অর্থনৈতিক বাস্তবতা। ইউরোপিয়ান বড় কোচদের আনতে যে বাজেট দরকার, সেটি বাফুফের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে ডুলি তুলনামূলক কম খরচে কাজ করতে রাজি হয়েছেন। এছাড়া এশিয়ান ফুটবলে তার কিছু অভিজ্ঞতা থাকায় বাফুফে তাকে “বাস্তবসম্মত সমাধান” হিসেবে দেখছে।

তবে সমর্থকদের বড় অংশ এতে সন্তুষ্ট নন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখছেন, বাংলাদেশ ফুটবল যখন নতুন যুগের স্বপ্ন দেখছিল, তখন শেষ পর্যন্ত আবারও “কম বাজেটের পরীক্ষামূলক সিদ্ধান্তে” ফিরে গেল বাফুফে।

বাংলাদেশের ফুটবলের সামনে এখন কী

বাংলাদেশ ফুটবল এখন কঠিন সময় পার করছে। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা, দুর্বল লিগ কাঠামো, আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভাব এবং পেশাদার পরিবেশের সংকট সব মিলিয়ে নতুন কোচের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এমন একটি সময়ে ড্রেসিংরুম বিতর্কে জড়ানো একজন কোচ কি সত্যিই দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবেন?

নাকি কয়েক মাস পর আবারও নতুন কোচ খোঁজার চক্রে ঘুরবে বাংলাদেশ ফুটবল? এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

খেলাধুলা থেকে আরো

আরো দেখুন
বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন কোচ থমাস ঢুলি, কে এই ব্যাক্তি? কি তার পরিচয় ?

বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ হতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন থমাস ঢুলি। আজ (শুক্রবার) সকাল ৯টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের এক ফ্লাইটে তিনি বাংলাদেশে আসেন। ঘণ্টাখানেক সময় বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা হন এই কোচ। বাফুফে স্টাফরাই বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে কোচকে স্বাগত জানিয়েছেন।  ঢাকায় পৌঁছানোর পরপরই বাফুফে ফেসবুক পেজে ঢুলিকে কোচ হিসেবে ঘোষণা করে। ফেসবুকের পাশাপাশি গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে ফেডারেশন। বাংলাদেশ ফুটবল সমর্থকদের বড় একটি অংশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই অপেক্ষা করছিলেন ইউরোপিয়ান মানের কোনো পরিচিত কোচের জন্য। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সাবেক ওয়েলস কোচ ক্রিস কোলম্যান। ইউরো ২০১৬ এ ওয়েলসকে সেমিফাইনালে তোলার নায়ককে বাংলাদেশে আনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে নতুন আশার জন্ম হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। আর তার জায়গায় সামনে আসে এমন একটি নাম, যাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিতর্ক কম নেই। তিনি থমাস ঢুলি । ফুটবল বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ সমর্থকদের প্রশ্ন এখন একটাই, জেনেশুনেও কেন থমাস ডুলির মতো বিতর্কিত একজন কোচকে বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা করল ? কলম্যানকে নিয়ে স্বপ্ন, তারপর হঠাৎ মোড় সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বাফুফে প্রথম পছন্দ হিসেবে ক্রিস কলম্যানকেই চেয়েছিল। আলোচনা অনেক দূরও এগিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্থিক বিষয়, এজেন্ট ফি এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নিয়ে জটিলতায় সেই আলোচনা ভেঙে যায়। এরপর দ্রুত বিকল্প খুঁজতে গিয়ে বাফুফে থমাস ডুলির দিকে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু এখানেই তৈরি হয়েছে সমালোচনা। কারণ আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে ডুলির পরিচয় শুধু অভিজ্ঞ কোচ হিসেবে নয়, ড্রেসিংরুমে অস্থিরতা তৈরি করা এক কঠোর ও বিতর্কিত চরিত্র হিসেবেও আছে। খেলোয়াড় হিসেবে সফল, কিন্তু কোচ হিসেবে প্রশ্নবিদ্ধ থমাস ডুলি খেলোয়াড় হিসেবে নিঃসন্দেহে বড় নাম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলেছেন। জাতীয় দলের হয়ে ৮১ ম্যাচে করেছেন ৭ গোল। ক্লাব ফুটবলে খেলেছেন: হ্যামবার্গার এসভি , এফসি কাইজারস্লটার্ন , বায়ার লেভারকুসে ,  শাল্কে ০৪ ক্যারিয়ারে ৬০০ এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। একজন ডিফেন্ডার হয়েও করেছেন প্রায় ৮০ গোল। কিন্তু কোচিং ক্যারিয়ারে তার সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতা এবং বিতর্কও বেশ বড় হয়ে সামনে এসেছে। ফিলিপাইনে সাফল্য, কিন্তু ভেতরে জমেছিল ক্ষোভ ডুলি সবচেয়ে বেশি পরিচিত ফিলিপাইন জাতীয় ফুটবল দল এর কোচ হিসেবে। তার অধীনে দলটি প্রথমবার এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয়। বাইরে থেকে এটি বড় সাফল্য মনে হলেও, ভেতরের চিত্র ছিল ভিন্ন। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিবেদনে একাধিকবার উঠে আসে খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি। কিছু খেলোয়াড় অভিযোগ করেছিলেন, ডুলি ড্রেসিংরুমে ভয়ভীতি ও অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। হঠাৎ করে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার বাদ দেওয়া, খেলোয়াড়দের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি এবং অভ্যন্তরীণ বিভক্তির অভিযোগও ছিল তার বিরুদ্ধে। ফুটবল বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, ফিলিপাইনের ড্রেসিংরুমে বিভাজন তৈরির পেছনে ডুলির ভূমিকাও ছিল। ৯০ দিনের মধ্যেই বরখাস্ত ডুলির সবচেয়ে বড় সমালোচনা আসে মালয়েশিয়ার ক্লাব স্রি পাহাং এফসি এ দায়িত্ব নেওয়ার পর। বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকে আনা হলেও মাত্র প্রায় ৯০ দিনের মধ্যেই তাকে বরখাস্ত করা হয়। ক্লাবটির খারাপ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির অভিযোগও সামনে আসে। মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে তখন উল্লেখ করা হয়েছিল, ড্রেসিংরুম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়াই তার দ্রুত বিদায়ের অন্যতম কারণ। এমন অতীত থাকার পরও কেন তাকে বেছে নিচ্ছে বাংলাদেশ, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সর্বশেষ কোচের দায়িত্বে ছিলেন গায়ানায় সবশেষে তিনি ছিলেন গায়ানা ন্যাশনাল ফুটবল টিম এর কোচ। তবে গায়ানাতেও তার সময় খুব বেশি আলোচিত হয়নি। সম্প্রতি সেই দায়িত্ব ছাড়ার পরই বাংলাদেশের সঙ্গে তার আলোচনা সামনে আসে। অনেকেই বলছেন, বড় কোনো ফুটবল শক্তি তাকে নিতে আগ্রহ না দেখানোয় বাংলাদেশের প্রস্তাব তার জন্য সহজ সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাহলে কেন ডুলিকেই আনছে বাফুফে? ফুটবল সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের মতে, মূল কারণ অর্থনৈতিক বাস্তবতা। ইউরোপিয়ান বড় কোচদের আনতে যে বাজেট দরকার, সেটি বাফুফের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে ডুলি তুলনামূলক কম খরচে কাজ করতে রাজি হয়েছেন। এছাড়া এশিয়ান ফুটবলে তার কিছু অভিজ্ঞতা থাকায় বাফুফে তাকে “বাস্তবসম্মত সমাধান” হিসেবে দেখছে। তবে সমর্থকদের বড় অংশ এতে সন্তুষ্ট নন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখছেন, বাংলাদেশ ফুটবল যখন নতুন যুগের স্বপ্ন দেখছিল, তখন শেষ পর্যন্ত আবারও “কম বাজেটের পরীক্ষামূলক সিদ্ধান্তে” ফিরে গেল বাফুফে। বাংলাদেশের ফুটবলের সামনে এখন কী বাংলাদেশ ফুটবল এখন কঠিন সময় পার করছে। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা, দুর্বল লিগ কাঠামো, আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভাব এবং পেশাদার পরিবেশের সংকট সব মিলিয়ে নতুন কোচের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এমন একটি সময়ে ড্রেসিংরুম বিতর্কে জড়ানো একজন কোচ কি সত্যিই দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারবেন? নাকি কয়েক মাস পর আবারও নতুন কোচ খোঁজার চক্রে ঘুরবে বাংলাদেশ ফুটবল? এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

দিগন্ত প্রতিবেদন ২২ মে, ২০২৬ 0
কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেইমার

দলে ডাক পেয়েই কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেইমার, ভাইরাল আবেগঘন ভিডিও

অবশেষে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব পেল চীন

ফুটবল বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক কোচ হতে যাচ্ছেন ডিক অ্যাডভোকাট

অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মেন্টর হচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ , আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের নতুন মেন্টর হিসেবে দেখা যেতে পারে জাতীয় দলের সাবেক তারকা ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। ২০২৮ যুব বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল গোছানোর কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), আর সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বোর্ড। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদউল্লাহকে যুবা দলের মেন্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই বাকি। সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা। আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয়। এরপর দীর্ঘ সময় যুব দলের কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট বা বড় কার্যক্রম ছিল না। তবে এবার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় বেশ সক্রিয় হয়েছে বিসিবি। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে ইয়ুথ ক্রিকেট লিগ। পাশাপাশি ৫০ জন সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারকে নিয়ে চলছে বিশেষ ট্রেনিং ক্যাম্পও। ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাহমুদউল্লাহর মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার যুবাদের সঙ্গে যুক্ত হলে তারা মানসিক ও কৌশলগতভাবে অনেক উপকৃত হবে। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে চাপের ম্যাচ, বড় টুর্নামেন্ট এবং নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা রয়েছে রিয়াদের। বিশেষ করে তরুণ ক্রিকেটারদের ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝে খেলার মানসিকতা গড়ে তুলতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ভবিষ্যৎ জাতীয় দলের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। অতীতে এই দল থেকেই উঠে এসেছেন অনেক তারকা ক্রিকেটার।তাই যুব পর্যায়ে অভিজ্ঞ সাবেক ক্রিকেটারদের যুক্ত করা হলে খেলোয়াড়দের উন্নতি আরও দ্রুত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বরাবরই শান্ত স্বভাব, দায়িত্বশীল ব্যাটিং এবং চাপ সামলানোর দক্ষতার জন্য পরিচিত। ফলে মাঠের বাইরেও তরুণদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে তিনি বড় ভূমিকা রাখতে পারেন বলেই আশা করছে বিসিবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৪ মে, ২০২৬ 0

বিশ্বকাপের আগে বিপাকে ইরান, এখনো মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

দেশে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে অনিশ্চয়তা: কীভাবে দেখবেন খেলা?

দেশে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে অনিশ্চয়তা: কীভাবে দেখবেন খেলা?

ছবিঃ ইন্টারনেট

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা

সেরা ফুটবলার - ছবি ফিফা
বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে জেনে নিন

ফুটবল বিশ্ব সব সময়ই তর্কে মেতে থাকে এটা নিয়ে যে, বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ? পেলে নাকি ম্যারাডোনা? তবে বর্তমান যুগে সেই তর্কের ব্যাটন হাতে নিয়েছেন মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং হালান্ডরা। ফিফা র‍্যাংকিং, ব্যালন ডি'অর এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনা করলে দেখা যায়, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ফুটবল বিশ্বে প্রতিনিয়তই নানান রকমের নাটকীয়তা দেখতে হয়, নতুন নতুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত,  নতুন স্টাইল এবং খেলার ধরন পরিবর্তন হয়, আর তাই প্রতিনিয়ত বিশ্বের সেরা ফুটবলার পরিবর্তন হয়। আজ আমরা আলোচনা করব বর্তমান সময়ের সেই সেরা ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে, যারা তাদের পরিসংখ্যান এবং জাদুকরী খেলা দিয়ে নিজেদের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১. লিওনেল মেসি লিওনেল মেসি একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল জাদুকর, যাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে আমেরিকার মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই মহাতারকা তার ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময় বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন।  কেন তিনি সেরা? কারণ, তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজের ক্যারিয়ার পূর্ণ করেছেন। মেসির ড্রিবলিং, ভিশন এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৮০০ এর বেশি গোল করেছেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রদানকারী। জন্য মেসিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার বলা হয়  ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো  ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজ পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। ১৯৮৫ সালে জন্মানো এই মহাতারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের হয়ে ইউরোপ শাসন করেছেন। বয়সকে হার মানিয়ে এখনো তিনি শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি ৫ বার ব্যালন ডি'অর এবং ৫ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তাঁর অদম্য মানসিকতা এবং ফিটনেস তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে তিনি সবার উপরে , অফিসিয়াল ম্যাচে ৯০০ এর বেশি গোল করার অবিশ্বাস্য মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন। ৩. কাইলিয়ান এমবাপ্পে  কাইলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক ফুটবলের গতি এবং কৌশলের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। তিনি ফরাসি লিগের ক্লাব পিএসজি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) এবং ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এমবাপ্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষিপ্র গতি এবং ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং তাঁকে ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। তিনি সর্বকালের সেরাদের পথে হাঁটছেন কারণ, মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান বলে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৩০০-এর বেশি গোল করেছেন এবং পিএসজির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪. আর্লিং হালান্ড  নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর 'গোলমেশিন' হিসেবে পরিচিত। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা হালান্ড তাঁর শারীরিক শক্তি, গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনি কেন সেরাদের তালিকায়? কারণ, তিনি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ট্রেবল (একই মৌসুমে তিনটি প্রধান শিরোপা) জেতাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, তাঁর গোল প্রতি ম্যাচের অনুপাত অবিশ্বাস্য; খুব অল্প বয়সেই তিনি ক্লাব ও দেশের হয়ে ২৫০-এর বেশি গোল করে ফেলেছেন। ৫. কেভিন ডি ব্রুইন  বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে বর্তমান বিশ্বের সেরা 'প্লে-মেকার' বা মাঝমাঠের জাদুকর বলা হয়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ডি ব্রুইন তাঁর মাপা পাস এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিখ্যাত। স্ট্রাইকাররা গোল করেন ঠিকই, কিন্তু সেই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ডি ব্রুইন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সবকিছু জিতেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান গোলের চেয়ে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে বেশি সমৃদ্ধ; তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট প্রদানকারী এবং দ্রুততম ১০০ অ্যাসিস্টের রেকর্ডধারী। ৬. ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের বর্তমান ধারক ও বাহক হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণ তারকা তাঁর বিদ্যুৎগতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে ওস্তাদ। তিনি বর্তমানে ব্যালন ডি'অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করে তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই বড় ম্যাচগুলোতে 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্ট করছেন। ৭. রড্রি  রড্রিগো হার্নান্দেজ বা রড্রি হলেন স্পেনের একজন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড়কে বর্তমান ফুটবলের 'ইঞ্জিন' বলা হয়। তিনি মাঠে থাকলে তাঁর দল খুব কমই হারে। তিনি দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং খেলা তৈরি করেন। ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জয় এবং স্পেনের ইউরো জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। পরিসংখ্যান হয়তো তাঁর প্রভাব পুরোপুরি বোঝাতে পারবে না, কিন্তু তাঁর পাসের নির্ভুলতা এবং ট্যাকল করার ক্ষমতা বিশ্বসেরা। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। ৮. হ্যারি কেন হ্যারি কেন একজন ইংলিশ পেশাদার ফুটবলার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা কমপ্লিট স্ট্রাইকার। তিনি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া হ্যারি কেন কেবল গোল করেন না, তিনি নিচে নেমে খেলা তৈরি করতেও দক্ষ। টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে তিনি রেকর্ড গোলদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখেও গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি প্রিমিয়ার লিগের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৯. মোহামেদ সালাহ  মিশরের এই ফরোয়ার্ডকে বলা হয় 'ইজিপশিয়ান কিং'। তিনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করা সালাহ বর্তমানে বিশ্বের সেরা রাইট-উইংগারদের একজন। তাঁর বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং গতি লিভারপুলকে বহু শিরোপা জিতিয়েছে। তিনি আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) জিতেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০. জুড বেলিংহাম জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের একজন তরুণ মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ এর হয়ে খেলছেন। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই বিস্ময়কর খেলোয়ার খুব অল্প সময়েই বিশ্ব ফুটবলে ঝড় তুলেছেন। মিডফিল্ডার হয়েও তিনি স্ট্রাইকারের মতো গোল করার ক্ষমতা রাখেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রথম মৌসুমেই তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পরিপক্বতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁকে ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি'অর বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করছে। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এখনো ছোট হলেও, ইমপ্যাক্ট বা প্রভাবের দিক দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে। বর্তমান বিশ্বে যত প্রকারের খেলাধুলা রয়েছে তার মধ্যে ফুটবল একটি জনপ্রিয় এবং র‍্যাংকিং এর দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর  এই খেলাটি সারা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয়।  ফুটবল খেলায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকেন এর মধ্যে কিছু কিছু খেলোয়াড় তাদের দূরদর্শিতা ও দক্ষতা ও খেলার ধরনের কারণে বেশ সুনাম কুরিয়েছেন। আর তাই কিছু কিছু খেলোয়াড় এখনো বিশ্বসেরা।  তবে সেরাদের ও সেরা থাকে থাকে।  বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে এটা আসলে বলা বাহুল্য, তবে আজ আমাদের পরিচিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী আপনার কাছে কোন খেলোয়াড়টি সবচাইতে বিশ্বের সেরা মনে হয়?  অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার দিয়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন। সোর্সঃ FIFA + ESPN + Ballon d'Or + Opta / Sofascore and Transfermarkt বিশ্লেষণ

অনলাইন ডেস্ক ১৯ মে, ২০২৬ 0
ফরচুন বরিশাল, বিপিএল

বিপিএলে থাকছে ফরচুন বরিশাল জানালেন মিজানুর রহমান