দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে সরকারি কর্মচারীদের। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ঝুলে থাকা নতুন পে-স্কেলের দাবি এবং বেতন বৈষম্য দূর করতে এবার রাজপথে নামার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন তারা। "পে-স্কেল আমাদের প্রাপ্যতা" এই দাবি নিয়ে আগামী ১৬ মে রাজধানী ঢাকায় এক বিশাল প্রতিনিধি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।
খবর নিয়ে দেখা গেছে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ অষ্টম পে-স্কেল দেওয়ার পর এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গেলেও নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণা করেনি সরকার। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর অন্তর নতুন পে-স্কেল দেওয়ার কথা থাকলেও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন কয়েক লাখ সাধারণ কর্মচারী। আন্দোলনকারীরা বলছেন, গত ১০ বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েক গুণ বাড়লেও তাদের বেতন বাড়েনি এক পা-ও।
আগামী ১৬ মে’র এই সমাবেশ থেকে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে তিনটি প্রধান দাবি পেশ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান বাজারদরের সাথে মিল রেখে দ্রুত নতুন পে-কমিশন গঠন, গ্রেডগুলোর মধ্যে থাকা বিশাল বেতন বৈষম্য দূর করা এবং নতুন স্কেল কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত সম্মানজনক মহার্ঘ ভাতা প্রদান।
আন্দোলনের আয়োজকরা সাফ জানিয়েছেন, “আমরা অনেক ধৈর্য ধরেছি, কিন্তু বর্তমান বেতনে এখন আর সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ঘরে বসে থাকার সময় শেষ, এবার দাবি আদায় করেই ছাড়ব।” এই সমাবেশকে সফল করতে ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রস্তুতি সভা শেষ হয়েছে। ১৬ মে’র এই জমায়েত থেকে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।
১১ বছর একটি দীর্ঘ সময়। বিশেষ করে যখন চাল, ডাল আর তেলের দাম আকাশছোঁয়া, তখন নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের স্থির বেতনে টিকে থাকা সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছে। এই আন্দোলন কেবল বেতনের লড়াই নয়, বরং এটি জীবনযাত্রার মান রক্ষার লড়াই।
তবে সরকারের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে ৬ লাখ কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা, অন্যদিকে কয়েক লাখ কর্মচারীর বেতন বাড়ানোর চাপ। যদি ১৬ মে’র সমাবেশ থেকে বড় কোনো অচলবস্থার ডাক দেওয়া হয়, তবে প্রশাসন ও জনসেবায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সরকার কি বাজেটের আগেই অন্তর্বর্তীকালীন কোনো সুখবর দেবে, নাকি কর্মচারীরা আরও কঠোর আন্দোলনের দিকে যাবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে সরকারি কর্মচারীদের। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ঝুলে থাকা নতুন পে-স্কেলের দাবি এবং বেতন বৈষম্য দূর করতে এবার রাজপথে নামার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন তারা। "পে-স্কেল আমাদের প্রাপ্যতা" এই দাবি নিয়ে আগামী ১৬ মে রাজধানী ঢাকায় এক বিশাল প্রতিনিধি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। খবর নিয়ে দেখা গেছে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ অষ্টম পে-স্কেল দেওয়ার পর এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গেলেও নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণা করেনি সরকার। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর অন্তর নতুন পে-স্কেল দেওয়ার কথা থাকলেও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন কয়েক লাখ সাধারণ কর্মচারী। আন্দোলনকারীরা বলছেন, গত ১০ বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েক গুণ বাড়লেও তাদের বেতন বাড়েনি এক পা-ও। আগামী ১৬ মে’র এই সমাবেশ থেকে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে তিনটি প্রধান দাবি পেশ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান বাজারদরের সাথে মিল রেখে দ্রুত নতুন পে-কমিশন গঠন, গ্রেডগুলোর মধ্যে থাকা বিশাল বেতন বৈষম্য দূর করা এবং নতুন স্কেল কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত সম্মানজনক মহার্ঘ ভাতা প্রদান। আন্দোলনের আয়োজকরা সাফ জানিয়েছেন, “আমরা অনেক ধৈর্য ধরেছি, কিন্তু বর্তমান বেতনে এখন আর সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ঘরে বসে থাকার সময় শেষ, এবার দাবি আদায় করেই ছাড়ব।” এই সমাবেশকে সফল করতে ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রস্তুতি সভা শেষ হয়েছে। ১৬ মে’র এই জমায়েত থেকে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। ১১ বছর একটি দীর্ঘ সময়। বিশেষ করে যখন চাল, ডাল আর তেলের দাম আকাশছোঁয়া, তখন নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের স্থির বেতনে টিকে থাকা সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছে। এই আন্দোলন কেবল বেতনের লড়াই নয়, বরং এটি জীবনযাত্রার মান রক্ষার লড়াই। তবে সরকারের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে ৬ লাখ কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা, অন্যদিকে কয়েক লাখ কর্মচারীর বেতন বাড়ানোর চাপ। যদি ১৬ মে’র সমাবেশ থেকে বড় কোনো অচলবস্থার ডাক দেওয়া হয়, তবে প্রশাসন ও জনসেবায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সরকার কি বাজেটের আগেই অন্তর্বর্তীকালীন কোনো সুখবর দেবে, নাকি কর্মচারীরা আরও কঠোর আন্দোলনের দিকে যাবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।
দেশের ভোটার তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন নাগরিক। নতুন এই সংযোজনের ফলে বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জনে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা এ তথ্য জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে সর্বশেষ হালনাগাদ কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ার পর ভোটার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। ইসির সর্বশেষ তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশের মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন। অন্যদিকে নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়মিত ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমের ফলে নতুন প্রজন্মের নাগরিকরা দ্রুত ভোটাধিকার পাচ্ছেন। এতে নির্বাচন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সঠিক ও হালনাগাদ ভোটার তালিকা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণও বাড়বে। এছাড়া নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ হলে ভুয়া ভোটার বা তথ্যগত জটিলতা কমানো সহজ হয়। নির্বাচন কমিশনের জন্যও এটি ভবিষ্যৎ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনায় সহায়ক হবে।
মাগুরার মহম্মদপুরে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ৪৩৪ কেজি চাল পাচারের সময় একটি ইজিবাইকসহ চাল আটক করেছে স্থানীয় জনতা। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার নাগড়া এলাকার হাটবাড়িয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগড়া বাজারের টিসিবির ডিলার বাবু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বাবু উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া চাল গোপনে বিক্রি করেন। পরে ওই চাল ইজিবাইকে করে অন্যত্র নেওয়ার সময় হাটবাড়িয়া বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ইজিবাইকটি আটক করেন। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাল জব্দ করে। একজন ক্রেতা, মাগুরার বাহারবাগ এলাকার মো. ফারুক বিশ্বাস জানান, তিনি বস্তা কিনতে বাজারে গেলে তাকে চাল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি ৩০ টাকা কেজি দরে চাল কিনলেও পরে জানতে পারেন এটি টিসিবির বরাদ্দকৃত সরকারি চাল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ডিলার দীর্ঘদিন ধরেই টিসিবির পণ্য গোপনে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করে আসছিলেন। তারা গরিবদের জন্য বরাদ্দকৃত পণ্য আত্মসাতের অভিযোগে তার ডিলারশিপ বাতিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত ডিলার রফিকুল ইসলাম বাবু অবশ্য চাল বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তিনি নিজের জমাকৃত চাল বিক্রি করেছেন। সরকারি চাল বাইরে বিক্রি করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, অনেক উপকারভোগী চাল নিতে চান না বলেই তিনি তা বিক্রি করেছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, ডিলারের ঘরে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের উপস্থিতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় সেখানে টিসিবির চালের খালি বস্তা, চিনি ও তেল মজুত পাওয়া যায়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহ. শাহনুর জামান বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .