অবশেষে কুমিল্লা বিভাগ হওয়ার সুসংবাদ, যা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ মে, ২০২৬ | সন্ধ্যা ৬:৩১

অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে কুমিল্লাবাসীর। জনগণের প্রাণের দাবি ‘কুমিল্লা বিভাগ’ বাস্তবায়নের জোরালো আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই জেলায় দ্রুত একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর এলাকায় এক বিশাল পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা ক্ষমতায় আসার পর একটা একটা করে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কুমিল্লা বিভাগ যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, তবে ইনশাআল্লাহ তা বাস্তবায়ন হবে।" বিএনপিকে ‘জনগণের দল’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্বাচনে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতিই পূরণ করা হবে, শুধু দেশের মানুষকে একটু ধৈর্য ধরে পাশে থাকতে হবে।

একই সাথে পথসভায় প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বড় একটি পদক্ষেপের কথা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার গঠনের মাত্র দশ দিনের মধ্যেই ১২ লাখ কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে।

পাশাপাশি কুমিল্লা অঞ্চলে কৃষির অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "কুমিল্লা থেকে প্রচুর কৃষিপণ্য সারা দেশে যায়। আপনাদের দাবি অনুযায়ী এখানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।"

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ শুধু কুমিল্লার জন্যই নয়, বরং সারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখবে। তবে এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দেশের বর্তমান অর্থনীতির একটি কঠিন বাস্তবতার কথাও তুলে ধরেছেন। বিগত ১৭ বছরের 'ফ্যাসিস্ট' সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "তারা দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার ও গুম-খুন করেছে। দেশের অর্থ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে, যার কারণে আমাদের অর্থনীতি এখন বেশ চাপে আছে।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অর্থনীতির এই চাপের কথা লুকিয়ে না রেখে সরাসরি জনগণের সামনে তুলে ধরাটা সরকারের একটি পরিণত পদক্ষেপ। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কিছুটা সময় লাগবে, আর সে কারণেই প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের কাছে ধৈর্য প্রত্যাশা করেছেন। "করব কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"—এই স্লোগান সামনে রেখে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে এই পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা সিটির প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

জাতীয় থেকে আরো

আরো দেখুন
অবশেষে কুমিল্লা বিভাগ হওয়ার সুসংবাদ, যা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে কুমিল্লাবাসীর। জনগণের প্রাণের দাবি ‘কুমিল্লা বিভাগ’ বাস্তবায়নের জোরালো আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই জেলায় দ্রুত একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর এলাকায় এক বিশাল পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান। বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা ক্ষমতায় আসার পর একটা একটা করে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কুমিল্লা বিভাগ যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, তবে ইনশাআল্লাহ তা বাস্তবায়ন হবে।" বিএনপিকে ‘জনগণের দল’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্বাচনে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতিই পূরণ করা হবে, শুধু দেশের মানুষকে একটু ধৈর্য ধরে পাশে থাকতে হবে। একই সাথে পথসভায় প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বড় একটি পদক্ষেপের কথা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার গঠনের মাত্র দশ দিনের মধ্যেই ১২ লাখ কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি কুমিল্লা অঞ্চলে কৃষির অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "কুমিল্লা থেকে প্রচুর কৃষিপণ্য সারা দেশে যায়। আপনাদের দাবি অনুযায়ী এখানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।" বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ শুধু কুমিল্লার জন্যই নয়, বরং সারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখবে। তবে এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দেশের বর্তমান অর্থনীতির একটি কঠিন বাস্তবতার কথাও তুলে ধরেছেন। বিগত ১৭ বছরের 'ফ্যাসিস্ট' সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "তারা দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার ও গুম-খুন করেছে। দেশের অর্থ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে, যার কারণে আমাদের অর্থনীতি এখন বেশ চাপে আছে।" রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অর্থনীতির এই চাপের কথা লুকিয়ে না রেখে সরাসরি জনগণের সামনে তুলে ধরাটা সরকারের একটি পরিণত পদক্ষেপ। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কিছুটা সময় লাগবে, আর সে কারণেই প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের কাছে ধৈর্য প্রত্যাশা করেছেন। "করব কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"—এই স্লোগান সামনে রেখে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে এই পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা সিটির প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ মে, ২০২৬ 0

অবশেষে খুলছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জট, শুরু হয়েছে পুলিশ ভেরিফিকেশন

আইডি কার্ড

হারিয়ে গেছে লাখো এনআইডির ফরম, খোঁজে নেমেছে ইসি

কম ভাড়ায় ঈদযাত্রা, বিশেষ বাস চালু করছে বিআরটিসি

নবম পে-স্কেলের দাবিতে ১৬ মে ঢাকায় বড় কর্মসূচির ডাক

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে সরকারি কর্মচারীদের। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ঝুলে থাকা নতুন পে-স্কেলের দাবি এবং বেতন বৈষম্য দূর করতে এবার রাজপথে নামার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন তারা। "পে-স্কেল আমাদের প্রাপ্যতা" এই দাবি নিয়ে আগামী ১৬ মে রাজধানী ঢাকায় এক বিশাল প্রতিনিধি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। খবর নিয়ে দেখা গেছে, ২০১৫ সালে সর্বশেষ অষ্টম পে-স্কেল দেওয়ার পর এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গেলেও নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণা করেনি সরকার। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর অন্তর নতুন পে-স্কেল দেওয়ার কথা থাকলেও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন কয়েক লাখ সাধারণ কর্মচারী। আন্দোলনকারীরা বলছেন, গত ১০ বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েক গুণ বাড়লেও তাদের বেতন বাড়েনি এক পা-ও। আগামী ১৬ মে’র এই সমাবেশ থেকে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে তিনটি প্রধান দাবি পেশ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান বাজারদরের সাথে মিল রেখে দ্রুত নতুন পে-কমিশন গঠন, গ্রেডগুলোর মধ্যে থাকা বিশাল বেতন বৈষম্য দূর করা এবং নতুন স্কেল কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত সম্মানজনক মহার্ঘ ভাতা প্রদান। আন্দোলনের আয়োজকরা সাফ জানিয়েছেন, “আমরা অনেক ধৈর্য ধরেছি, কিন্তু বর্তমান বেতনে এখন আর সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ঘরে বসে থাকার সময় শেষ, এবার দাবি আদায় করেই ছাড়ব।” এই সমাবেশকে সফল করতে ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রস্তুতি সভা শেষ হয়েছে। ১৬ মে’র এই জমায়েত থেকে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। ১১ বছর একটি দীর্ঘ সময়। বিশেষ করে যখন চাল, ডাল আর তেলের দাম আকাশছোঁয়া, তখন নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের স্থির বেতনে টিকে থাকা সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছে। এই আন্দোলন কেবল বেতনের লড়াই নয়, বরং এটি জীবনযাত্রার মান রক্ষার লড়াই। তবে সরকারের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে ৬ লাখ কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা, অন্যদিকে কয়েক লাখ কর্মচারীর বেতন বাড়ানোর চাপ। যদি ১৬ মে’র সমাবেশ থেকে বড় কোনো অচলবস্থার ডাক দেওয়া হয়, তবে প্রশাসন ও জনসেবায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সরকার কি বাজেটের আগেই অন্তর্বর্তীকালীন কোনো সুখবর দেবে, নাকি কর্মচারীরা আরও কঠোর আন্দোলনের দিকে যাবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ মে, ২০২৬ 0
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে

পে স্কেল বাস্তবায়নে সুখবর এলো

সাগরপথে আর বিদেশ নয়, বন্ধ হবে অবৈধ পদ্ধতি: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, আলোচনায় স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম

নির্বাচন কমিশন
ভোটার তালিকায় বড় হালনাগাদ, বেড়েছে ভোটারের সংখ্যা

দেশের ভোটার তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন নাগরিক। নতুন এই সংযোজনের ফলে বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জনে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা এ তথ্য জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে সর্বশেষ হালনাগাদ কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ার পর ভোটার বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। ইসির সর্বশেষ তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশের মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন। অন্যদিকে নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়মিত ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমের ফলে নতুন প্রজন্মের নাগরিকরা দ্রুত ভোটাধিকার পাচ্ছেন। এতে নির্বাচন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সঠিক ও হালনাগাদ ভোটার তালিকা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণও বাড়বে। এছাড়া নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ হলে ভুয়া ভোটার বা তথ্যগত জটিলতা কমানো সহজ হয়। নির্বাচন কমিশনের জন্যও এটি ভবিষ্যৎ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনায় সহায়ক হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৪ মে, ২০২৬ 0
কালবৈশাখী

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ ঝড়ের আভাস

বাড়লো কোরবানির পশুর চামড়ার দাম, যা জানা গেলো নতুন দর নিয়ে

বাড়লো কোরবানির পশুর চামড়ার দাম, যা জানা গেলো নতুন দর নিয়ে

৯ম জাতীয় পে স্কেল: কোন গ্রেডে কত বেতন হতে পারে প্রকাশিত হলো

৯ম জাতীয় পে স্কেল: কোন গ্রেডে কত বেতন হতে পারে প্রকাশিত হলো