ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, আলোচনায় স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ মে, ২০২৬ | রাত ৯:৪৫

রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা কমাতে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই সভা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি দ্বিতীয় বৈঠক।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, গণপরিবহন ব্যবস্থার সমন্বয়, ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার যানজট এখন শুধু ভোগান্তির বিষয় নয়, এটি অর্থনীতি, কর্মঘণ্টা ও জনস্বাস্থ্যের ওপরও বড় প্রভাব ফেলছে। প্রতিদিন লাখো মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকায় উৎপাদনশীলতা কমছে এবং বাড়ছে মানসিক চাপ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নতুন রাস্তা নির্মাণ নয়, কার্যকর গণপরিবহন, স্মার্ট ট্রাফিক সিগন্যাল এবং সমন্বিত নগর পরিকল্পনাই দীর্ঘমেয়াদে যানজট কমানোর মূল উপায় হতে পারে।

উল্লেখ্য , ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে যানজটপূর্ণ শহরগুলোর একটি হিসেবে বহুবার আলোচনায় এসেছে। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং সমন্বয়হীন পরিবহন ব্যবস্থার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

এমন অবস্থায় সরকারের উচ্চপর্যায়ের ধারাবাহিক বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। তাদের মতে, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা গেলে রাজধানীবাসীর দৈনন্দিন ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমতে পারে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

জাতীয় থেকে আরো

আরো দেখুন
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে
পে স্কেল বাস্তবায়নে সুখবর এলো

দীর্ঘদিন ধরেই নতুন পে স্কেলের অপেক্ষায় ছিলেন দেশের লাখো সরকারি চাকরিজীবী। বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয় বাড়তে থাকায় নতুন বেতন কাঠামোর দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে। অবশেষে সেই অপেক্ষার মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং আগামী বাজেটকে সামনে রেখে বড় ধরনের আর্থিক প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক পর্যায়ে এ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি পর্যায়ের আলোচনায় উঠে এসেছে, নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে আগামী জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, শুধু মূল বেতন না, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতাতেও পরিবর্তন আনার চিন্তা রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় এনে কিছু বাস্তবসম্মত সমন্বয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, গত কয়েক বছরে দেশে মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের প্রকৃত আয় অনেকটাই কমে গেছে। বেতন বাড়লেও বাজারদরের সঙ্গে সেটির সামঞ্জস্য থাকছে না। বিশেষ করে রাজধানী ও বড় শহরগুলোতে বাসাভাড়া এবং দৈনন্দিন খরচ যেভাবে বেড়েছে, তাতে পুরোনো বেতন কাঠামো দিয়ে অনেক পরিবারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ কারণেই নতুন পে স্কেলকে এখন শুধু চাকরিজীবীদের দাবি নয়, বরং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বাস্তবায়ন কবে হতে পারে এখন পর্যন্ত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করলেও সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, বাজেট ঘোষণার পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হতে পারে। তবে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, একসঙ্গে বড় অঙ্কের ব্যয় বাড়ালে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। আর অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা কিছুটা বাড়বে। এর প্রভাব বাজারেও পড়তে পারে। তবে একইসঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব আয় বাড়ানোর চ্যালেঞ্জও সামনে আসবে। আবার দেশের অর্থনীতিবিদদের একাংশ বলছেন, শুধু বেতন বাড়ালেই হবে না, বাজার ব্যবস্থাপনাও শক্তিশালী করতে হবে। না হলে বাড়তি বেতনের সুফল সাধারণ কর্মচারীরা পুরোপুরি পাবেন না।

ডেস্ক রিপোর্ট ১৪ মে, ২০২৬ 0

সাগরপথে আর বিদেশ নয়, বন্ধ হবে অবৈধ পদ্ধতি: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, আলোচনায় স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম

নির্বাচন কমিশন

ভোটার তালিকায় বড় হালনাগাদ, বেড়েছে ভোটারের সংখ্যা

কালবৈশাখী
দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ ঝড়ের আভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি, বজ্রসহ দমকা হাওয়া এবং কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।  বুধবার (১৪ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  আবহাওয়া অফিস বলছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।  একই সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে দিনের ও রাতের তাপমাত্রায় খুব বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।  ঢাকায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে ঝড়ের সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।  গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বদলগাছীতে। এছাড়া রাজারহাটে ১১৭ মিলিমিটার এবং ডিমলায় ৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।  এদিকে দেশের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা এখনও বেশি রয়েছে। সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে।  সিস / ডিপি 

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৪ মে, ২০২৬ 0
বাড়লো কোরবানির পশুর চামড়ার দাম, যা জানা গেলো নতুন দর নিয়ে

বাড়লো কোরবানির পশুর চামড়ার দাম, যা জানা গেলো নতুন দর নিয়ে

৯ম জাতীয় পে স্কেল: কোন গ্রেডে কত বেতন হতে পারে প্রকাশিত হলো

৯ম জাতীয় পে স্কেল: কোন গ্রেডে কত বেতন হতে পারে প্রকাশিত হলো

টিসিবির চাল গোপনে বিক্রি, স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়লো ডিলার

প্রাথমিক শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে নতুন আদেশ
প্রাথমিক শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে নতুন আদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন নির্দেশনায় শিক্ষকদের সরকার, সরকারি দপ্তর বা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার কিংবা আপত্তিকর পোস্ট করা থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য, কটূক্তি এবং অপপ্রচারমূলক পোস্ট করছেন বা সেগুলো শেয়ার করছেন, যা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর। অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো সরকারি কর্মচারী রাষ্ট্র, সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, মন্তব্য বা শেয়ার করতে পারবেন না। এ ধরনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে তা সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কটূক্তি, অপপ্রচার বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক ১৩ মে, ২০২৬ 0
এবার বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা জানা গেলো বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠকে

এবার বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা জানা গেলো বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠকে

ঈদে রাত ১০টা পর্যন্ত চালু থাকবে শপিং মল ও বাজার, বড় ঘোষণা

পেনশন স্কিমের নতুন তথ্য, জমা পড়েছে ২৫৫ কোটি টাকা

পেনশন স্কিমের নতুন তথ্য, জমা পড়েছে ২৫৫ কোটি টাকা