জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ | রাত ৮:২৮
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী
ছবিঃ বাসস

প্রতিহিংসা ও বিভাজন পরিহার করে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে দেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দুর্নীতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মত ও পথের ভিন্নতা থাকলেও আমাদের মধ্যকার বিরোধ যেন কখনোই শত্রুতায় রূপ না নেয়। কারণ জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি এবং বিভাজনই আমাদের দুর্বলতা। দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র এখনো সক্রিয় উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। বিশেষ করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও নারী শিক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুণীজনদের এই অবিস্মরণীয় অবদান আগামীর প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, হীন দলীয় স্বার্থে জাতীয় নেতাদের ভূমিকা খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই; বরং ঐতিহাসিক সত্য মেনে নেওয়াটাই হবে প্রকৃত দেশপ্রেম।

সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি ও দুঃশাসনে বিপর্যস্ত একটি শাসনকাঠামো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং বাস্তবমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই। এছাড়া দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হওয়ায় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

জনগণের কাছে দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, জুলাই সনদ ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে। বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার জ্বালানি খাতে প্রতিদিন শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে বাহুল্যতা বর্জন এবং পারিবারিক পর্যায়েও অমিতব্যয়িতা পরিহার করার জন্য দেশবাসীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে এক অন্যরকম দৃশ্য দেখা যায়, যখন প্রধানমন্ত্রী সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী মিলনায়তনে পৌঁছান। এসময় রাস্তার দুই পাশে দাঁড়ানো সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছার জবাব দেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিরোধী দলীয় নেতা এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্য শেষ করেন।

বাসস / এস এস 

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

জাতীয় থেকে আরো

আরো দেখুন
দেড় যুগ পর ৭ নভেম্বর ফিরছে জাতীয় দিবস হিসেবে, সরকারি ছুটিও বহাল
দেড় যুগ পর ৭ নভেম্বর ফিরছে জাতীয় দিবস হিসেবে, সরকারি ছুটিও বহাল

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এই দিনটিকে 'ক-শ্রেণি' ভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, "মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পূর্বের ন্যায় 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও জানান, "বিগত ১৬ বছর এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং এ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।" ঐতিহাসিক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক অনন্য অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেই চেতনাকে সমুন্নত রাখতেই সরকার এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। দীর্ঘ দেড় যুগ পর বর্তমান সরকার সেই ছুটি ও দিবসের মর্যাদা পুনর্বহাল করলো। মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং প্রতি বছরের ৬ জুলাইকে 'জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ 0
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

ছবিঃ ডেইলি অবজারভার

ঢাকাসহ সব বিভাগে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট

৫ লাখ সরকারি পদের জন্য কবে থেকে শুরু হচ্ছে আবেদন?

ছবিঃ দিগন্ত পোস্ট
সরকারি চাকরিতে বিশাল নিয়োগ: ৫ লাখ শূন্যপদ পূরণে সরকারের মহাপরিকল্পনা

দেশে বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে। এই বিশাল জনবল সংকট মেটাতে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে সরকার একটি মেগা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী তিনি  এ তথ্য জানান।  প্রতিমন্ত্রী জানান, শূন্যপদগুলো পূরণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি আলাদা আলাদা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ২৮৭৯টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া এক বছরের মধ্যে ৪৪৫৯টি এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন গ্রেডে কত পদ খালি? সরকারি দপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ম থেকে ৯ম গ্রেড অর্থাৎ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ৬৮ হাজার ৮৮৪টি পদ বর্তমানে খালি রয়েছে। এছাড়া ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি এবং ১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদ রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সবথেকে বেশি প্রয়োজন হয় এমন ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডেও ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ খালি পড়ে আছে। এমনকি চুক্তিভিত্তিক বা নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত পদেও কয়েক হাজার লোকবল প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও বিভাগীয় নিয়োগের বাইরেও সরকার সারা দেশে মোট ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের একটি বড় লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়াটি যাতে দ্রুত এবং কোনো ধরণের অনিয়ম ছাড়া সম্পন্ন হয়, সেজন্য প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের খালি পদের সর্বশেষ তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি সব দপ্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে এটি একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই খবরটি নিঃসন্দেহে একটি বড় সুযোগের দরজা খুলে দিচ্ছে। তাই এখন থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ কালেক্টেড

সবার জন্য ই-হেলথ কার্ড: বড় ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট

জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন নির্দেশনা দিল সরকার

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরী নির্দেশনা সরকারের

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে সবাইকে। সাধারণ নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনা এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধিতে সরকার এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোসা. তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক নোটিশে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবিশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তবে এই নির্দেশনা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। নোটিশে আরও বলা হয়, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দিনের কোনো দাপ্তরিক কর্মসূচি বা মিটিং প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এই নির্দিষ্ট সময়সীমা যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস চলাকালীন সময়ে শুধুমাত্র প্রয়োজন অনুযায়ী লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সচল রাখতে হবে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে। কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় সব বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ যাবতীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিজ দায়িত্বে বন্ধ করতে হবে। অফিস সময় শেষে সব ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারের বিশেষ নির্দেশনা ব্যতীত চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা পরিহার করতে বলা হয়েছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিটি দপ্তরে একটি করে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে বলা হয়েছে।

ডিপি প্রতিবেদন ৩ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ দিগন্ত পোস্ট

NID দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে? এই উপায়ে জানুন ঘরে বসে!

ছবিঃ ইন্টারনেট

১০ বছর মেয়াদি ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?

ছবিঃ ইন্টারনেট

২০২৬ সালে পাসপোর্ট ফি কত হলো? নতুন তালিকা প্রকাশ!