ঈদুল আযহা উপলক্ষে পুলিশের জরুরি নির্দেশনা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ মে, ২০২৬ | সন্ধ্যা ৭:৫৯

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ যেন কোনোভাবেই দুর্ঘটনা বা প্রতারণার কারণে বিষাদে রূপ না নেয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সাধারণ মানুষের জন্য একগুচ্ছ জরুরি পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। আজ বুধবার (২০ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঈদযাত্রা, পশুর হাট এবং আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সবাইকে এই বিশেষ সতর্কতাগুলো মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, যারা ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাবেন, তারা যেন শেষ মুহূর্তের মারাত্মক ভিড় এড়াতে হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে বের হন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস, ট্রেন বা লঞ্চের ছাদে এবং পণ্যবাহী ট্রাকে ওঠা থেকে সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে চালকদের দ্রুত বা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাতে তাগিদ না দেওয়া এবং নৌপথে যাত্রার ক্ষেত্রে আবহাওয়া খারাপ থাকলে লঞ্চ বা ফেরিতে না ওঠার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞান পার্টি বা মলম পার্টির খপ্পর থেকে বাঁচতে যাত্রাপথে অপরিচিত কারো দেওয়া কোনো খাবার বা পানীয় গ্রহণ করতেও কঠোরভাবে নিষেধ করেছে পুলিশ।

আমাদের পোর্টালের নিজস্ব বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতি বছরই ঈদের সময় অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে বাড়ি ফিরতে গিয়ে এবং পশুর হাটে দালাল বা প্রতারক চক্রের পাল্লায় পড়ে অসংখ্য মানুষ সর্বস্বান্ত হন, এমনকি প্রাণও হারান। পুলিশের এই আগাম সতর্কবার্তাগুলো যদি সাধারণ মানুষ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা যথাযথভাবে মেনে চলেন, তবে দুর্ঘটনা এবং ছিনতাইয়ের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

বিশেষ করে পশুর হাটের হাসিল ও বড় অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশের সহায়তার বিষয়টি সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত অর্থের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

কোরবানির পশু কেনাবেচা এবং পরিবহনের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু কড়া নির্দেশনা। মহাসড়ক বা রেললাইনের পাশে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না। ট্রাকে বা ট্রলারে অতিরিক্ত পশু বোঝাই না করার পাশাপাশি পশুবাহী গাড়ির সামনে গন্তব্যের নাম লেখা ব্যানার টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন কেউ পথে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি বা হয়রানি করতে না পারে।

কেউ অতিরিক্ত হাসিল বা চাঁদা দাবি করলে সাথে সাথে পুলিশের সাহায্য নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া বড় অঙ্কের টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে নগদ টাকার বদলে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ, আর নগদ টাকা বহন করতে হলে পুলিশের ‘কারেন্সি এস্কর্ট’ বা নিরাপত্তা সহায়তা নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শপিংমলগুলোর নিরাপত্তা বাড়াতে মালিকপক্ষকে সিসিটিভি ও মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহারের পাশাপাশি যেকোনো বিপদে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে অথবা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কন্ট্রোল রুম (০১৩২০০০১৩০০), হাইওয়ে পুলিশ (০১৩২০১৮২৫৯৮), রেলওয়ে পুলিশ (০১৩২০১৭৭৫৯৮), নৌ পুলিশ (০১৩২০১৬৯৫৯৮) এবং র‍্যাবের (০১৭৭৭৭২০০২৯) নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

জাতীয় থেকে আরো

আরো দেখুন
নবম পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত বৈঠক বৃহস্পতিবার, কোন গ্রেডে কত বাড়বে বেতন?

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখন শেষ ধাপে। আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপ কার্যকর হতে পারে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, নতুন অর্থবছরের শুরু থেকেই পে-স্কেল কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন পুনর্গঠিত কমিটি আবার বৈঠকে বসছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বৈঠক থেকেই নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণ হতে পারে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল একবারে পুরোপুরি কার্যকর করা হবে না। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে সরকার। প্রথম দুই অর্থবছরে মূল বেতন সমন্বয় করা হবে। এরপর তৃতীয় বছরে বিভিন্ন ভাতা, বাড়তি আর্থিক সুবিধা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ যুক্ত হবে। এতে সরকারের ওপর একসঙ্গে বড় আর্থিক চাপ পড়বে না। জানা গেছে, আগামী জুলাই থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন নির্ধারিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা পাবেন। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে। এরপর ২০২৮-২০২৯ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ সুবিধাসহ নতুন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। আসন্ন জাতীয় বাজেটে নতুন পে-স্কেলের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যদিও পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতো। তবে বর্তমানে দেওয়া ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করায় অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ কমে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরির বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এবার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বড় চাপ এই শ্রেণির কর্মীদের ওপর পড়ছে। তাই নিচের দিকের গ্রেডগুলোতে তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বাড়ানোর আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য কিছুটা কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। নতুন পে-স্কেলের আওতায় প্রশাসন ক্যাডার, শিক্ষক, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠ প্রশাসন ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীসহ সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকবেন। পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রেও আলাদা নির্দেশনা আসতে পারে। এদিকে পেনশনভোগীদের জন্যও বড় সুখবর আসতে পারে। সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন পেনশন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, যাঁদের মাসিক পেনশন ২০ হাজার টাকার নিচে, তাঁদের পেনশন প্রায় দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রায় ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন পে-স্কেল শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের আয় বাড়াবে না, বাজারে অর্থ প্রবাহও বাড়াবে। তবে একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির ওপর এর প্রভাব নিয়েও সরকারের ভেতরে আলোচনা চলছে। তাই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ২০ মে, ২০২৬ 0

পদ্মার পর এবার তিস্তা ব্যারেজ, পানিসংকট মোকাবিলায় নতুন পরিকল্পনা সরকারের

ঈদুল আযহা উপলক্ষে পুলিশের জরুরি নির্দেশনা জারি

সারা দেশে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা-২০২৬

পে স্কেল
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বিভক্তি

আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বা নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বিশাল বেতন কাঠামো তিন ধাপে বাস্তবায়নের সম্মতি দেওয়ায়, চাকরিজীবীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সুস্পষ্ট বিভক্তি দেখা দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোতে আগের মতো ২০টি গ্রেডই বহাল থাকছে। তবে সাধারণ চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর হলো সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে সার্বিকভাবে বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। সবকিছু ঠিক থাকলে প্রথম ধাপে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ, দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে অন্যান্য সব আনুষঙ্গিক ভাতা যুক্ত করা হবে। আমাদের পোর্টালের নিজস্ব অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারের এই ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি মূলত একটি সতর্ক কৌশল। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন কমিশনের প্রস্তাব পুরোপুরি একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একসঙ্গে এত বিশাল অর্থের জোগান দেওয়া সরকারের জন্য যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে সাধারণ মানুষের ওপর। একসঙ্গে ১৫ লাখের বেশি সরকারি কর্মচারীর হাতে বাড়তি টাকা এলে বাজারে হঠাৎ করে ক্রয়ক্ষমতা বেড়ে যাবে, যা মূল্যস্ফীতি বা নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে। ধাপে ধাপে অর্থ ছাড় করলে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর এই দ্রব্যমূল্যের চাপ অনেকটাই সামলানো সম্ভব হবে। তবে সরকারের এই যুক্তির সাথে একমত নন অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির নেতা আব্দুল মালেক ও সংযুক্ত পরিষদের মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদ মনে করেন, তিন বছর ধরে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করলে বাজারে বারবার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং ব্যবসায়ীরা বারবার জিনিসের দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবেন। তাদের জোরালো দাবি, পুরো পে-স্কেল এক ধাপেই বাস্তবায়ন করে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা হোক। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী সিকান্দার আলীও মনে করেন, এক ধাপে বেতন না বাড়লে সুবিধাভোগীরা উল্টো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। অন্যদিকে, চাকরিজীবীদের আরেকটি বড় অংশ মনে করে, দেশের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে সরকারকে এই মুহূর্তে চাপ দেওয়া বা কোনো ধরনের আন্দোলনে যাওয়া একেবারেই ঠিক হবে না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের মতো অনেকেই বলছেন, সরকার যেহেতু নির্বাচিত, তাদের সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই তারা দেশের সামর্থ্য বুঝে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে। তাই নিয়ম মেনেই কাজ করে যাওয়া উচিত। নবম পে কমিশনের এই প্রস্তাবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের জন্য বেশ কিছু চমৎকার সুবিধার কথা বলা হয়েছে। যেমন, বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা এবং যাতায়াত ভাতা দশম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত চালু করার প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া বাড়িভাড়ার ক্ষেত্রে নিচের দিকের গ্রেডগুলোতে বেশি সুবিধা দেওয়া এবং ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, এমন বয়স্কদের ভাতা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। চিকিৎসা ভাতাও ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে। পে কমিশনের সদস্য ও বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক জানিয়েছেন, কোনো সরকারি কর্মচারী যেন দারিদ্র্যসীমার নিচে না থাকেন, সেই চিন্তা থেকেই সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন সবচেয়ে বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন দেশের প্রায় ২৪ লাখ চাকরিজীবী ও ৯ লাখ পেনশনভোগী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন আগামী বাজেটের জন্য। কারণ সেখানেই অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত রূপরেখা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ মে, ২০২৬ 0

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না: সিইসি

বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নিবে দুবাই, খরচ পড়বে ১ লাখ টাকার নিচে

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মিসরের নতুন ভিসা ফি ঘোষণা, কোন ভিসায় কত খরচ

ঈদ
দেশে কোরবানির ঈদ কবে? চূড়ান্ত তারিখ জানা যাবে আগামীকাল সন্ধ্যায়

এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ  দেশে কবে উদ্‌যাপিত হবে, তা জানা যাবে আগামীকাল সোমবার সন্ধ্যায়। ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে কাল সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে (বাদ মাগরিব) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এই সভা বসবে। আজ রোববার (১৭ মে) ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চাঁদ দেখা কমিটির এই সভার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের আকাশসীমায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা করে এই কমিটি ঈদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন বর্তমান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, জিলহজ মাসের ১০ তারিখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হয়। মূলত হজ সম্পন্ন হওয়ার পর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই সামর্থ্যবান মুসলমানরা এই দিনে পশু কোরবানি করে থাকেন। সমাজ ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চাঁদ দেখা কমিটির এই ঘোষণার ওপর সাধারণ মানুষের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা নির্ভর করে। বিশেষ করে চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটির হিসাব মেলানো, আগেভাগে ট্রেনের বা বাসের টিকিট কাটা এবং কোরবানির পশু কেনার সঠিক সময় নির্ধারণের জন্য সারা দেশের মানুষ এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় থাকেন। বিশ্বের কয়েকটি দেশে ইতোমধ্যে বৈজ্ঞানিক হিসাবের ওপর ভিত্তি করে ঈদের তারিখ ঘোষণা করা হলেও, বাংলাদেশে ঐতিহ্যবাহী রীতি মেনে খালি চোখে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই আগামীকাল সন্ধ্যার পরই দেশজুড়ে কোরবানির ঈদের মূল আমেজ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৭ মে, ২০২৬ 0

১৪ জেলায় ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

ঈদুল আযহায় ছুটি পাচ্ছেন না যারা

প্রবাসী কার্ড

২ মাসের মধ্যেই দেয়া হবে প্রবাসী কার্ড: সুখবর দিয়ে যা বললেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী