জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় অনিয়ম ও ‘হরিলুট’ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। একই সঙ্গে কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কেনাকাটার সব ধরণের বিল পরিশোধ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে “সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে সংসদ সচিবালয়ের ক্রয়কার্য নিয়ে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সচিবালয় জানিয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটির রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত বিতর্কিত ওই কেনাকাটার বিপরীতে কোনো অর্থ বা বিল পরিশোধ করা হবে না।
এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। এই ‘হরিলুটের’ খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় অনিয়ম ও ‘হরিলুট’ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। একই সঙ্গে কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কেনাকাটার সব ধরণের বিল পরিশোধ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে “সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে সংসদ সচিবালয়ের ক্রয়কার্য নিয়ে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সচিবালয় জানিয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটির রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত বিতর্কিত ওই কেনাকাটার বিপরীতে কোনো অর্থ বা বিল পরিশোধ করা হবে না। এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। এই ‘হরিলুটের’ খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এই দিনটিকে 'ক-শ্রেণি' ভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, "মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পূর্বের ন্যায় 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও জানান, "বিগত ১৬ বছর এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং এ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।" ঐতিহাসিক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক অনন্য অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেই চেতনাকে সমুন্নত রাখতেই সরকার এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। দীর্ঘ দেড় যুগ পর বর্তমান সরকার সেই ছুটি ও দিবসের মর্যাদা পুনর্বহাল করলো। মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং প্রতি বছরের ৬ জুলাইকে 'জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
দেশে বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে। এই বিশাল জনবল সংকট মেটাতে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে সরকার একটি মেগা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী তিনি এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী জানান, শূন্যপদগুলো পূরণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি আলাদা আলাদা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ২৮৭৯টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া এক বছরের মধ্যে ৪৪৫৯টি এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন গ্রেডে কত পদ খালি? সরকারি দপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ম থেকে ৯ম গ্রেড অর্থাৎ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ৬৮ হাজার ৮৮৪টি পদ বর্তমানে খালি রয়েছে। এছাড়া ১০ম থেকে ১২তম গ্রেডে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি এবং ১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদ রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সবথেকে বেশি প্রয়োজন হয় এমন ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডেও ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ খালি পড়ে আছে। এমনকি চুক্তিভিত্তিক বা নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত পদেও কয়েক হাজার লোকবল প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও বিভাগীয় নিয়োগের বাইরেও সরকার সারা দেশে মোট ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের একটি বড় লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়াটি যাতে দ্রুত এবং কোনো ধরণের অনিয়ম ছাড়া সম্পন্ন হয়, সেজন্য প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের খালি পদের সর্বশেষ তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি সব দপ্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে এটি একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই খবরটি নিঃসন্দেহে একটি বড় সুযোগের দরজা খুলে দিচ্ছে। তাই এখন থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .