রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬০ দিনের বিশেষ ‘ছাড়’ দেওয়ার খবরটি নাকচ করে দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই সংক্রান্ত সংবাদকে ‘সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছে সরকার।
আজ শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে স্পষ্টীকরণ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়া থেকে ১০ লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা কিংবা এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ছাড় সংক্রান্ত তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। এমনকি বিভাগের কোনো অনুমোদিত কর্মকর্তা গণমাধ্যমে এ ধরণের কোনো মন্তব্য বা তথ্য প্রদান করেননি।
সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ১১ এপ্রিল থেকে ৯ জুন ২০২৬ পর্যন্ত রাশিয়ার তেলের ওপর বিশেষ ছাড় কার্যকর থাকবে। বিষয়টি নজরে আসার পর মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরণের কোনো প্রস্তাব, সিদ্ধান্ত বা উদ্যোগ সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো দাপ্তরিক বা হালনাগাদ তথ্য নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি তথ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে যে তথ্যগুলো ছড়ানো হচ্ছে, তা অনুমোদিত নয়। এ ধরণের অপপ্রচার জাতীয় জ্বালানি নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। জাতীয় স্পর্শকাতর এই বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার এবং সরকারি তথ্যের সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬০ দিনের বিশেষ ‘ছাড়’ দেওয়ার খবরটি নাকচ করে দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই সংক্রান্ত সংবাদকে ‘সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছে সরকার। আজ শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে স্পষ্টীকরণ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়া থেকে ১০ লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা কিংবা এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ছাড় সংক্রান্ত তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। এমনকি বিভাগের কোনো অনুমোদিত কর্মকর্তা গণমাধ্যমে এ ধরণের কোনো মন্তব্য বা তথ্য প্রদান করেননি। সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ১১ এপ্রিল থেকে ৯ জুন ২০২৬ পর্যন্ত রাশিয়ার তেলের ওপর বিশেষ ছাড় কার্যকর থাকবে। বিষয়টি নজরে আসার পর মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরণের কোনো প্রস্তাব, সিদ্ধান্ত বা উদ্যোগ সম্পর্কে তাদের কাছে কোনো দাপ্তরিক বা হালনাগাদ তথ্য নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি তথ্য। বিজ্ঞপ্তিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে যে তথ্যগুলো ছড়ানো হচ্ছে, তা অনুমোদিত নয়। এ ধরণের অপপ্রচার জাতীয় জ্বালানি নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। জাতীয় স্পর্শকাতর এই বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার এবং সরকারি তথ্যের সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আজ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (৩ বৈশাখ ১৪৩৩), রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগেই ঝড়-বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে দুপুরের পর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। গতকাল বুধবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হলেও, আজ বৃষ্টির প্রভাবে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। আজ সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা রয়েছে এবং দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই আশঙ্কায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং এর আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টির সাথে বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকায় জনসাধারণের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঝড়ের সময় পাকা দালানের নিচে বা নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমাতে এক কঠোর ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সভা, কর্মশালা কিংবা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হলে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সশরীরে উপস্থিত না হয়ে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে হবে। যানবাহন চলাচলে জ্বালানি খরচ কমানোর লক্ষ্যেই মূলত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব সিনিয়র সচিব, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের কাছে পাঠানো এই চিঠিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি মাথায় রেখে দেশে জ্বালানি তেলের সাশ্রয় করা এখন সময়ের দাবি। একই সাথে সরকারি কার্যক্রম যেন কোনোভাবে ব্যাহত না হয় এবং তা নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। নতুন এই নিয়মের ফলে এখন থেকে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ থেকে আয়োজিত যেকোনো প্রোগ্রামে মাঠ পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের সশরীরে আসার প্রয়োজন পড়বে না। চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিভাগীয় পর্যায়ের কোনো প্রোগ্রামে জেলা পর্যায় থেকে এবং জেলা পর্যায়ের কোনো প্রোগ্রামে উপজেলা পর্যায় থেকে অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনের মাধ্যমেই যুক্ত হবেন। অর্থাৎ, বড় কোনো প্রয়োজন ছাড়া সশরীরে সভা আয়োজন পুরোপুরি পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি যানবাহনের পেছনে জ্বালানি খরচ অনেকটা কমিয়ে আনা যায়। সরকারের এই উদ্যোগটি মূলত আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার একটি বড় ধাপ। এখন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং বা জুম-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেই অফিশিয়াল কাজগুলো সেরে নিতে হবে। তবে যদি কোনো সভা বা প্রশিক্ষণ সশরীরে আয়োজন করা একান্তই জরুরি হয়ে পড়ে, তবেই কেবল বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে তা করা যাবে। অন্যথায়, সাধারণ সব কার্যক্রম অনলাইনেই সম্পন্ন করতে হবে যাতে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই নিয়মটি কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে অনুরোধ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে একদিকে যেমন জ্বালানি আমদানির ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে কর্মকর্তাদের সময়ও বাঁচবে এবং সরকারি কাজে আরও গতিশীলতা আসবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এটি একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .