টানা তিন দফা দাম কমানোর পর আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ দামের ঘোষণা দেয়। সংগঠনটি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুসের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা। এর আগে সর্বশেষ গত ২০ মে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। তখন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা। মাত্র একদিনের ব্যবধানে আবার সেই দাম বাড়ানো হলো। এদিকে আজ স্বর্ণের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও ডলারের দামের ওঠানামার প্রভাব দেশের স্বর্ণবাজারেও পড়ছে। ফলে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দাম বাড়া-কমার ঘটনা এখন প্রায় নিয়মিত হয়ে উঠেছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুমে অনেকেই স্বর্ণ কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপে পড়ছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের আকস্মিক উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে বেশ স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর একটি স্বস্তির ইঙ্গিত। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এখন নতুন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এর সরাসরি প্রভাব হিসেবে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৬০ ডলার ৩৯ সেন্টে নেমে এসেছে। তবে স্পট গোল্ডের দাম কমলেও জুন ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম সামান্য (শূন্য দশমিক ১ শতাংশ) বেড়ে ৪ হাজার ৫৬৩ ডলার ৫০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় ঘোষণার পরই বিশ্ববাজারে এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ তৈরি করতে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের পরিকল্পিত হামলা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। জানা গেছে, ইরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনে একটি নতুন শান্তি প্রস্তাব পাঠানোর পরই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে আসার এই সিদ্ধান্ত নেয়। এই খবরের জেরে বিশ্ববাজারে শুধু স্বর্ণ নয়, জ্বালানি তেলের দামও ২ শতাংশের বেশি কমে গেছে। আমাদের পোর্টালের নিজস্ব অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও তেলের এই দরপতন বিশ্ব অর্থনীতি এবং আমাদের দেশের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর। সাধারণত যুদ্ধ বা সংকটের সময় মানুষ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ কিনে জমিয়ে রাখে, ফলে দাম হু হু করে বাড়ে। এখন যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কারণে স্বর্ণের দাম কমে আসছে। পাশাপাশি তেলের দাম কমায় আমদানি ব্যয় কমবে, যা সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতেও সাহায্য করবে। দেখুনঃ আমাদের দেশের সোনা রুপার সর্বশেষ দাম তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সোনার বাজারের ভবিষ্যৎ গতিবিধি বুঝতে বিনিয়োগকারীদের এখন মূল নজর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের এপ্রিল মাসের বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে। আগামীকাল বুধবার ওই গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যেখান থেকে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে ভবিষ্যৎ নীতির পরিষ্কার ইঙ্গিত মিলতে পারে। এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও আজ বিশ্ববাজারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৬ দশমিক ৬৩ ডলারে নেমে এসেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৬৯ ডলার ৮৪ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪০১ ডলার ৭৪ সেন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।
দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের ধস নামার পর বর্তমানে বেশ স্বস্তির দামেই সোনা কিনতে পারছেন সাধারণ ক্রেতারা। গত শনিবার (১৬ মে) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের পর আজ দেশের বাজারে সেই কমানো দরেই গহনা বেচাকেনা চলছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) গত শনিবার এক ধাক্কায় ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয়। এর আগের দিন শুক্রবারও সোনার দাম কমানো হয়েছিল। ফলে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে সোনার দাম ভরিতে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ টাকা কমে যায়, যা ক্রেতাদের জন্য দীর্ঘদিনের মধ্যে সবচেয়ে বড় একটি সুখবর। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে ধারাবাহিক দরপতন এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা সোনার সরবরাহ ও দাম কমে যাওয়ার কারণেই বাজুসকে টানা দুই দিন এই মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছিল। বিশ্ববাজারে ডলারের মূল্য ও সুদহারের ওঠানামার প্রভাব সরাসরি দেশের বাজারে পড়ায় দাম এই পর্যায়ে নেমেছে। তাই যারা বিয়ের কেনাকাটা বা বিনিয়োগের জন্য সোনা কেনার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য বর্তমান বাজারদর বেশ অনুকূলে রয়েছে। বাজুসের নির্ধারিত সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী আজ দেশের বাজারে সোনার দাম নিচে দেওয়া হলো: সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা আজ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায়। একটু কম ক্যারেটের মধ্যে ১৮ ক্যারেটের সোনা আজ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকায়। পাশাপাশি পুরোনো বা সনাতন পদ্ধতির সোনা আজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সোনার এই কমে যাওয়া দাম গহনার বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশ কিছুটা বাড়িয়ে দেবে, যা জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের জন্যও ইতিবাচক। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিবেচনা করে আগামী দিনে দাম আরও কমবে নাকি আবার বাড়বে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা বেশ কঠিন।
দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। গতকালের পর আজ শনিবার (১৬ মে ২০২৬) আবারও এক ধাক্কায় ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরি প্রতি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে দুই দিনের ব্যবধানে সোনার দাম ভরি প্রতি প্রায় ৬ হাজার ৬শ টাকা কমে এখন ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায় নেমে এসেছে। গতকাল শুক্রবারও সোনার দাম কমে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা হয়েছিল, যা আজ আরও কমে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ধারাবাহিক দরপতন এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার সরবরাহ ও দাম কমে যাওয়ার কারণেই টানা দ্বিতীয় দিনের মতো এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে কার্যকর হওয়া বাজুসের নতুন তালিকা অনুযায়ী: ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা (গতকাল ছিল ২,৪২,৪৯৫ টাকা)। ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা (গতকাল ছিল ২,৩১,৪৭২ টাকা)। ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা (গতকাল ছিল ১,৯৮,৪০৫ টাকা)। সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা (গতকাল ছিল ১,৬১,৬০৫ টাকা)। এদিকে গতকাল রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকলেও আজ রুপার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপার ভরি কমে দাঁড়িয়েছে ৫,৬৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫,৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪,৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৩,৪৪১ টাকায়। বিশ্ববাজারে ইরান-ইসরায়েল সংকট কিছুটা থিতিয়ে আসা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৬০০ ডলারে নেমে যাওয়ার কারণেই দেশের বাজারে এই টানা ধস। সোনার সাথে সাথে রুপার দামও ভরি প্রতি প্রায় একশ থেকে দুশো টাকা কমে যাওয়ায় খুচরা বাজারে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ভিড় এক লাফে অনেক বেড়ে যাবে। যদি আন্তর্জাতিক বাজারে এই পড়তি ধারা আরও কয়েকদিন বজায় থাকে, তবে দেশের বাজারে সোনার দাম দীর্ঘদিন পর ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার ঘরে নেমে আসতে পারে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় পতন হওয়ায় দেশের বাজারেও এর সুফল পাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের খরচ হবে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল পর্যন্ত এই মানের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে 'তেজাবি' বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ার কারণেই দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাজুসের নতুন বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, আজ থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেট সোনা কেনা যাচ্ছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি নেমে এসেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকায়। তবে সোনার দাম ক্রেতাদের স্বস্তি দিলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের দামেই ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ত্রিমুখী উত্তেজনার জেরে বেশ কিছুদিন ধরেই বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছিল লাগামছাড়া। তবে আন্তর্জাতিক নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম 'গোল্ডপ্রাইস'-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে এখন প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬০০ ডলারে নেমে এসেছে। বিশ্ববাজারের এই শীতল হওয়ার প্রভাবই সরাসরি পড়েছে দেশের বাজারে। অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, বিয়ের এই ভরা মৌসুমে সোনার দাম কমার খবরটি সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য দারুণ স্বস্তির। দীর্ঘদিন ধরে সোনা আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি থাকায় অনেকেই গয়না কেনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন বা বাজেট কাটছাঁট করছিলেন। ভরিপ্রতি দুই হাজার টাকার বেশি এই দরপতন খুচরা বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়াবে। বিশ্ববাজারের এই পড়তি ধারা যদি অব্যাহত থাকে, তবে সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের গয়না কেনার স্বপ্ন আরও কিছুটা সহজ হতে পারে।
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। আজ শনিবার (৯ মে) থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। নতুন দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা। এর আগে গত ৬ মে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় স্বর্ণের বাজারে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৬৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে, আর কমেছে ২৮ বার। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা সোনার মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবেই দেশের বাজারে বারবার দাম পরিবর্তন হচ্ছে।
দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গতকাল ২৮ এপ্রিল এক দফা দাম কমানোর পর আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) আবারও নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম আরও কমেছে, যা স্বর্ণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আজ থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকায়। এর আগে গতকাল ২৮ এপ্রিলও বাজুস এক দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। একদিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমায় বাজারে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। আরো দেখুনঃ স্বর্ণের দাম সর্বশেষ আপডেট স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও আংশিক পরিবর্তন এসেছে। বাজুস জানিয়েছে, শুধু ২২ ক্যারেট রুপার দাম কমানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। তবে ২১ ক্যারেট রুপা আগের মতোই ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বিক্রি হবে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের কারণে নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। টানা দুই দফা দাম কমায় সামনে বিয়ে ও উৎসব মৌসুমে স্বর্ণ কেনায় আগ্রহ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে গত ২৩ এপ্রিলও স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও দর কমল। আজকের স্বর্ণের নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট - ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, ২১ ক্যারেট - ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ২ লাখ ২০০ টাকা ১৩ টাকা ,, সনাতন পদ্ধতি - ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। রুপার নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট - ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট - ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ৪ হাজার ৪৯১ টাকা , সনাতন পদ্ধতি - ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা বছরে কতবার বদলাল দাম চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩২ বার বেড়েছে, আর ২৫ বার কমেছে। গত বছর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ে এবং ২৯ বার কমে। দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর আগামী দিনের দর নির্ভর করবে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিশ্ববাজার ও স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম কমায় প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা হ্রাস করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর আজ সোমবার ২৭ এপ্রিলও অপরিবর্তিত রয়েছে। আজকের স্বর্ণের দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট — ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা ২১ ক্যারেট — ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা ১৮ ক্যারেট — ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা সনাতন — ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা আজকের রুপার দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট — ৫ হাজার ৭১৫ টাকা ২১ ক্যারেট — ৫ হাজার ৪২৪ টাকা ১৮ ক্যারেট — ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা সনাতন — ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা বাজুস জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ বার বেড়েছে এবং ২৪ বার কমেছে। একই সময়ে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ৩৫ বার। গত ১৫ এপ্রিল দাম বাড়ানোর পর আবার কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বাড়ার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে কমেছে স্বর্ণের দাম। হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ হওয়ার খবরের পর সোমবার বিশ্ববাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি টিকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে ঝুঁকি হিসাব করছেন। এর প্রভাব পড়েছে জ্বালানি ও মূল্যবান ধাতুর বাজারে। সোমবার স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৯৪ দশমিক ২১ ডলারে নেমে আসে। দিনের শুরুতে দাম ১৩ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের জুন ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচারও ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮১৩ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়ায়। এদিকে দেশের বাজারে সোনার দাম এখনো স্থির দেখা গেছে। সবশেষ ১৫ এপ্রিল বাজুস এই দাম হালনাগাদ করেন। তবে যেহেতু বিশ্ববাজারে দামের পতন হয়েছে তাই আশা করা যায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়বে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু নতুন করে উত্তেজনা বাড়ায় সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান টেস্টিলাইভের কর্মকর্তা ইলিয়া স্পিভাক বলেন, বাজারে আবারও যুদ্ধকেন্দ্রিক লেনদেনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে। এতে মার্কিন ডলার ও সরকারি বন্ডের সুদহারও বেড়েছে। ডলারের মান বাড়লে অন্য দেশের ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। এতে সাধারণত স্বর্ণের চাহিদা কমে যায়। এক কথায় ডলার এর মান শক্তিশালি হওয়ায় স্বর্ণের দামের এমন পতন হয়েছে। এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার কারণে জাহাজ চলাচলও কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি ইরানি কার্গো জাহাজ তারা জব্দ করেছে। জবাবে পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। এ অবস্থায় দুই দেশের যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন আলোচনায় তারা অংশ নেবে না। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে স্বর্ণের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। কারণ, তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ে। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদহার বেশি সময় উঁচু রাখতে পারে। এতে স্বর্ণে বিনিয়োগের আগ্রহ কমে। অন্যদিকে ভারতের একটি বড় উৎসবকে সামনে রেখে স্বর্ণের বাজারে চাহিদা বাড়ার কথা থাকলেও রেকর্ড দামের কারণে গয়না কেনা কম হয়েছে। অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। প্লাটিনাম কমেছে দশমিক ৮ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম কমেছে দশমিক ৪ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নতুন করে কোনো পরিবর্তন আসেনি। গত ১৫ এপ্রিল নির্ধারিত দামেই আজও (২০ এপ্রিল ২০২৬) দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। এর ফলে টানা পাঁচ দিন ধরে একই দামে স্থিতিশীল রয়েছে মূল্যবান এই ধাতু। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ গত বুধবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, সবথেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম গত সপ্তাহের নির্ধারিত হারেই কার্যকর রয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম স্থিতিশীল থাকায় নতুন করে মূল্যবৃদ্ধি বা কমানোর প্রয়োজন মনে করছে না বাজুস। আরো দেখুনঃ সোনার দাম সর্বশেষ আপডেট দেশের বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এছাড়া প্রচলিত গহনা তৈরির জন্য জনপ্রিয় ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকায়। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হচ্ছে ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা। এবং পুরনো ঐতিহ্যবাহী বা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায়।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা থামছেই না। আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল), সারাদেশে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এর ১৫ এপ্রিলের নির্ধারিত নতুন দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। আপনি যদি বিয়ের গয়না কেনা বা এই খাতে বিনিয়োগের কথা ভাবেন, তবে আজকের সর্বশেষ রেটটি আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি। সর্বশেষ বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করেছিল। আজকের স্বর্ণের দাম: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ নিচে আজকের বাজারের সর্বশেষ দরের তালিকা দেওয়া হলো: ২২ ক্যারেট: ২,৫০,১৯৩ টাকা (প্রতি ভরি) ২১ ক্যারেট: ২,৩৮,৮২০ টাকা (প্রতি ভরি) ১৮ ক্যারেট : ২,০৪,৭০৩ টাকা (প্রতি ভরি) সনাতন পদ্ধতি : ১,৬৬,৭৩৭ টাকা (প্রতি ভরি) দেখুনঃ সোনার দামের সর্বশেষ আপডেট স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কিছুটা বাড়তি। আজ ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬০৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫,৭৭৪টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪,৯৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (বিশুদ্ধ সোনা) সংকট দেখা দেওয়ায় বাজুস গত ১৫ এপ্রিল এই নতুন দাম ঘোষণা করে, যা আজ ১৭ এপ্রিলও কার্যকর রয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতার প্রভাব সরাসরি পড়ছে আমাদের দেশের বাজারে। আপনারা যারা আজ স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন, তারা দোকানে গিয়ে দামের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেবেন। কারণ গয়না কেনার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং নূন্যতম ৬% মজুরি যুক্ত করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারিত হয়। নির্ভরযোগ্য এবং হলমার্ক করা দোকান থেকে স্বর্ণ কেনাই আপনার জন্য নিরাপদ হবে।
গতকাল ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশ জুয়েলারি এসোসিয়েশন - বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করেছেন। স্থানীয় বাজারে ১৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই দাম সারা দেশে কার্যকর হয়েছে। যা আজ ১৬ এপ্রিল চলমান রয়েছে। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন মানের স্বর্ণের দাম নিচে দেওয়া হলো: সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২,৫০,১৯৩ টাকা, যা মূলত সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতার গহনা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রচলিত গহনা তৈরির জন্য ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৩৮,৮২০ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেট বা মিশ্র সোনার গহনার দাম এখন ২,০৪,৭০৩ টাকা। আর যারা পুরনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি বা সনাতন পদ্ধতির সোনা কিনতে চান, তাদের প্রতি ভরিতে গুনতে হবে ১,৬৬,৭৩৭ টাকা। দেখুনঃ সোনার দাম সর্বশেষ আপডেট এর আগে গত ০৯ এপ্রিল সকালে বাজুস স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। তখন ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ঢাকা ১৫ এপ্রিলঃ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম যেন রকেটের গতিতে বাড়ছে আবার হুটহাট কমে যাচ্ছে । সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া এই মূল্যবান ধাতুর দাম আবারও এক দফা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ ১৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই আকাশচুম্বী দাম কার্যকর করা হয়েছে। আপনি যদি এখন গয়না কেনার কথা ভাবেন, তবে পকেটের দিকে তাকিয়ে আরেকবার হিসেব কষে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন আড়াই লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আগে যেখানে ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ২,৪৭,৯৭৭ টাকা, এখন সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৫০,১৯৩ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি ভরিতেই দাম বেড়েছে ২ হাজার টাকার বেশি। এই মানের স্বর্ণ মূলত সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতার গহনা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়। পিছিয়ে নেই অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও। প্রচলিত গহনা তৈরির জন্য জনপ্রিয় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২,৩৬,৭২১ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২,৩৮,৮২০ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট বা মিশ্র সোনার গহনার দাম ভরিপ্রতি ২,০২,৮৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০৪,৭০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এমনকি পুরনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির বা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও ১,৬৫,২৭৯ টাকা থেকে বেড়ে ১,৬৬,৭৩৭ টাকায় ঠেকেছে। স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতার জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতিকে দায়ী করছে বাজুস। বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকট এবং ডলারের দামের ওঠানামার কারণে স্থানীয় জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা এই নতুন দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছেন। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এখন স্বর্ণ কেনা একটি দুঃসাধ্য কাজে পরিণত হয়েছে। আপনারা যারা এই সময়ে স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন, তারা দোকানে যাওয়ার আগে বর্তমান রেটটি অবশ্যই ভালোভাবে জেনে নেবেন। বাজারের অবস্থা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই গয়না কেনার আগে অবশ্যই হলমার্ক করা স্বর্ণ কিনছেন কি না, সেটি যাচাই করে নিতে ভুলবেন না।
ঢাকা, সোমবার: দেশের স্বর্ণবাজারে আজ স্বস্তির খবর এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নির্ধারিত নতুন দামে সব ধরনের সোনার দাম কমানো হয়েছে, ফলে ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ ১১ এপ্রিলের ঘোষণায়, ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২,৪৭,৯৭৭ টাকায়। এর আগে এই মানের সোনার দাম ছিল ২,৫২,৪০৯ টাকা। নতুন দামে প্রতি ভরিতে ৪,৪৩২ টাকা কমানো হয়েছে। একইভাবে ২১ ক্যারেট সোনার দাম আগের ২,৪০,৯২০ টাকা থেকে কমে ২,৩৬,৭২১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রতি ভরিতে ৪,১৯৯ টাকা কমেছে। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ২,০৬,৫১১ টাকা থেকে কমে এখন ২,০২,৮৯৫ টাকায় নেমেছে, যেখানে কমেছে ৩,৬১৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার ক্ষেত্রেও দাম কমেছে। আগের ১,৬৮,১৯৫ টাকা থেকে কমে এখন প্রতি ভরি ১,৬৫,২৮৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ২,৯০৬ টাকা কম। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে সামান্য পতন এবং ডলারের বিনিময় হার কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় দেশের বাজারে এই প্রভাব পড়েছে। এর ফলে দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ দামের কারণে অপেক্ষায় ছিলেন, তারা এখন কেনার দিকে ঝুঁকছেন। তবে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে আবারও দামের সমন্বয় হতে পারে।
বিশ্বব্যাপী সোনার দাম বাড়ার ঢেউ এসে লেগেছে দেশের বাজারেও। গত তিন দিনে সোনার দাম প্রতি ভরিতে বেড়েছে পুরো সাড়ে চার হাজার টাকা। এর ফলে আজ ১৫ ডিসেম্বর সোমবার থেকে ২২ ক্যারেটের উন্নতমানের সোনার দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ পনেরো হাজার টাকায়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত শুক্রবার সোনার দাম ভরিতে বাড়ানো হয়েছিল ১ হাজার ৫০ টাকা। আজ রোববার থেকে আরও বাড়ছে ৩ হাজার ৪৫২ টাকা। অর্থাৎ তিন দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে দাঁড়াল সাড়ে চার হাজার টাকা। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম চার হাজার তিনশ ডলার পেরিয়ে গিয়েছিল। আজকের সোনার দাম - ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২ ক্যারেট সোনা: হলমার্ক করা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম আজ থেকে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। গতকাল এর দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা। অর্থাৎ একদিনেই বেড়েছে ৩ হাজার ৪৫২ টাকা। ২১ ক্যারেট সোনা: হলমার্ক করা ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম আজ ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা। গতকাল ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা। এই ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধি ৩ হাজার ৩০১ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনা: ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম আজ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা। গতকাল ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা। বৃদ্ধি ২ হাজার ৮২৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনা: সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার দামও আজ বেড়েছে ২ হাজার ৪১৫ টাকা। বর্তমানে এর দাম ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা, যা গতকাল ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গত কয়েকদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে একটি মজার ডায়লগ ‘রাগ করলা, কথাটা ঠিক না বেঠিক?’। তবে যে ভিডিওটি ঘিরে চারদিকে এত আলোচনা, তার মূল চরিত্র কিন্তু বাস্তবের কোনো কবিরাজ বা গণক নন, বরং তিনি একজন পেশাদার অভিনেতা। সম্প্রতি ফেসবুক, টিকটক বা ইউটিউবে ঢুকলেই একটি ভিডিও সবার চোখের সামনে আসছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রাস্তার পাশে বসে এক যুবকের ভাগ্য গণনা করে দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। আর কথোপকথনের প্রায় প্রতিটি বাক্যের শেষেই তিনি বিশেষ এক ভঙ্গিতে বলে উঠছেন ‘রাগ করলা?’। তার এই বলার ধরন, চোখের ইশারা ও সাবলীল অভিনয় এতই নিখুঁত ছিল যে, মুহূর্তের মধ্যেই তা নেটিজেনদের নজর কেড়ে নেয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জনপ্রিয় সব কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তারকারাও এখন এই সংলাপ ব্যবহার করে মিম, ট্রল ও মজার মজার রিলস তৈরি করছেন। নেটিজেনদের অনেকেই ভেবেছিলেন, ভাইরাল হওয়া এই ব্যক্তি হয়তো বাস্তবেই কোনো রাস্তার জ্যোতিষী বা কবিরাজ। তবে আমাদের নিজস্ব অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই ব্যক্তির আসল নাম ঈমান আলী। প্রায় ২৫ বছর আগে ভাগ্য বদলের আশায় সপরিবারে লালমনিরহাট থেকে গাজীপুরে আসেন তিনি। এরপর থেকে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার তীব্র ঝোঁক ছিল, যা বর্তমানে তার মূল পেশায় পরিণত হয়েছে। এখন তিনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও নাট্যদলের সাথে নিয়মিত অভিনয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মূলত একটি ইউটিউব কনটেন্টের জন্যই কবিরাজের এই চরিত্রটি এত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন ঈমান আলী। ডিজিটাল মাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান যুগে সহজে অনুকরণযোগ্য এবং হাস্যরসাত্মক ছোট ছোট সংলাপগুলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের স্ট্রেস কাটাতে সাহায্য করে, তাই এগুলো খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনাটি আমাদের একটি বড় বাস্তবতার মুখোমুখিও দাঁড় করায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা যা দেখি, তার সবকিছু বাস্তব নয়; নিখুঁত অভিনয়ের মাধ্যমে কীভাবে খুব সহজেই মানুষকে বিনোদিত করা যায় বা কখনো কখনো বাস্তব বলে বিভ্রমে ফেলা যায়, ঈমান আলীর এই ভাইরাল ভিডিওটি তারই একটি বড় প্রমাণ। নিজের এই হঠাৎ জনপ্রিয়তা নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ঈমান আলী। তিনি পরিষ্কার করেই জানান, তিনি মোটেও কোনো পেশাদার কবিরাজ নন। তিনি বলেন, “অভিনয়ের মাধ্যমে আমি চরিত্রটাকে শুধু ফুটিয়ে তুলেছি মাত্র। হয়তো অনেকেই সত্যি সত্যি আমাকে কবিরাজ ভেবে ভুল করছেন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি পুরোটাই ছিল অভিনয়, যা শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছিল। তবে উদ্দেশ্য যাই হোক, নিছক বিনোদনের এই ছোট সংলাপটিই এখন ইন্টারনেট দুনিয়ায় লাখো মানুষের মুখে মুখে ফিরছে এবং সবার মাঝে ক্ষণিকের জন্য হলেও হাসির খোরাক জোগাচ্ছে।
আজকাল আইডি কার্ড ছাড়া কোনো কাজই চলে না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি কাজ—সবখানেই এনআইডি লাগে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখন, যখন হঠাৎ এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয় অথচ কার্ডটি সাথে থাকে না। এই বিপদে পড়লে আপনি কিন্তু চাইলে নিজের ফোন দিয়েই মাত্র ২-৩ মিনিটে মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারেন। মোবাইলে আইডি কার্ড ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম শুরুতেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি পোর্টালে (services.nidw.gov.bd) যেতে হবে। সেখানে 'রেজিস্ট্রেশন' অপশনে ক্লিক করে আপনার ভোটার স্লিপের নম্বর বা এনআইডি নম্বরটি দিতে হবে। এরপর আপনার জন্ম তারিখটা সঠিকভাবে বসিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া তথ্যগুলো যেন আপনার ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্যের সাথে একদম মিলে যায়। পরের ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করতে হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা বাছাই করার পর আপনার মোবাইলে একটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনার নিজের সচল মোবাইল নম্বরটি এখানে ব্যবহার করাই ভালো। মোবাইলে আসা কোডটি পোর্টালে বসিয়ে দিলেই আপনি অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পরের ধাপে যেতে পারবেন। এই পর্যায়ে এসে আপনাকে 'ফেস ভেরিফিকেশন' বা মুখ যাচাই করতে হবে। এর জন্য আপনার ফোনে আগে থেকে 'NID Wallet' নামের অ্যাপটি নামিয়ে রাখতে হবে। ব্রাউজারের কিউআর কোডটি ওই অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করলেই আপনার ক্যামেরা চালু হবে। এরপর ক্যামেরার সামনে আপনার মুখটা একবার সোজা, একবার ডানে এবং একবার বামে ঘুরালে ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাবে। ভেরিফিকেশন হয়ে গেলেই আপনি আপনার প্রোফাইলে ঢুকে পড়বেন। সেখানে আপনার ছবি ও নাম দেখা যাবে। প্রোফাইলের নিচের দিকে একটা 'ডাউনলোড' লেখা অপশন পাবেন। এই ডাউনলোডে ক্লিক করলেই আপনার এনআইডি কার্ডের আসল কপিটি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এরপরে এটি আপনি যেকোনো দোকান থেকে প্রিন্ট করে সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। এখন আর এনআইডির কপি পাওয়ার জন্য মেম্বার বা নির্বাচন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করার কোনো ঝামেলাই নেই। ফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করেই আপনি যখন-তখন আপনার পরিচয়পত্র বের করে নিতে পারছেন।
ফুটবল বিশ্ব সব সময়ই তর্কে মেতে থাকে এটা নিয়ে যে, বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ? পেলে নাকি ম্যারাডোনা? তবে বর্তমান যুগে সেই তর্কের ব্যাটন হাতে নিয়েছেন মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং হালান্ডরা। ফিফা র্যাংকিং, ব্যালন ডি'অর এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনা করলে দেখা যায়, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ফুটবল বিশ্বে প্রতিনিয়তই নানান রকমের নাটকীয়তা দেখতে হয়, নতুন নতুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত, নতুন স্টাইল এবং খেলার ধরন পরিবর্তন হয়, আর তাই প্রতিনিয়ত বিশ্বের সেরা ফুটবলার পরিবর্তন হয়। আজ আমরা আলোচনা করব বর্তমান সময়ের সেই সেরা ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে, যারা তাদের পরিসংখ্যান এবং জাদুকরী খেলা দিয়ে নিজেদের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১. লিওনেল মেসি লিওনেল মেসি একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল জাদুকর, যাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে আমেরিকার মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই মহাতারকা তার ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময় বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন। কেন তিনি সেরা? কারণ, তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজের ক্যারিয়ার পূর্ণ করেছেন। মেসির ড্রিবলিং, ভিশন এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৮০০ এর বেশি গোল করেছেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রদানকারী। জন্য মেসিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার বলা হয় ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজ পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। ১৯৮৫ সালে জন্মানো এই মহাতারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের হয়ে ইউরোপ শাসন করেছেন। বয়সকে হার মানিয়ে এখনো তিনি শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি ৫ বার ব্যালন ডি'অর এবং ৫ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তাঁর অদম্য মানসিকতা এবং ফিটনেস তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে তিনি সবার উপরে , অফিসিয়াল ম্যাচে ৯০০ এর বেশি গোল করার অবিশ্বাস্য মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন। ৩. কাইলিয়ান এমবাপ্পে কাইলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক ফুটবলের গতি এবং কৌশলের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। তিনি ফরাসি লিগের ক্লাব পিএসজি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) এবং ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এমবাপ্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষিপ্র গতি এবং ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং তাঁকে ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। তিনি সর্বকালের সেরাদের পথে হাঁটছেন কারণ, মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান বলে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৩০০-এর বেশি গোল করেছেন এবং পিএসজির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪. আর্লিং হালান্ড নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর 'গোলমেশিন' হিসেবে পরিচিত। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা হালান্ড তাঁর শারীরিক শক্তি, গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনি কেন সেরাদের তালিকায়? কারণ, তিনি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ট্রেবল (একই মৌসুমে তিনটি প্রধান শিরোপা) জেতাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, তাঁর গোল প্রতি ম্যাচের অনুপাত অবিশ্বাস্য; খুব অল্প বয়সেই তিনি ক্লাব ও দেশের হয়ে ২৫০-এর বেশি গোল করে ফেলেছেন। ৫. কেভিন ডি ব্রুইন বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে বর্তমান বিশ্বের সেরা 'প্লে-মেকার' বা মাঝমাঠের জাদুকর বলা হয়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ডি ব্রুইন তাঁর মাপা পাস এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিখ্যাত। স্ট্রাইকাররা গোল করেন ঠিকই, কিন্তু সেই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ডি ব্রুইন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সবকিছু জিতেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান গোলের চেয়ে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে বেশি সমৃদ্ধ; তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট প্রদানকারী এবং দ্রুততম ১০০ অ্যাসিস্টের রেকর্ডধারী। ৬. ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের বর্তমান ধারক ও বাহক হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণ তারকা তাঁর বিদ্যুৎগতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে ওস্তাদ। তিনি বর্তমানে ব্যালন ডি'অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করে তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই বড় ম্যাচগুলোতে 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্ট করছেন। ৭. রড্রি রড্রিগো হার্নান্দেজ বা রড্রি হলেন স্পেনের একজন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড়কে বর্তমান ফুটবলের 'ইঞ্জিন' বলা হয়। তিনি মাঠে থাকলে তাঁর দল খুব কমই হারে। তিনি দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং খেলা তৈরি করেন। ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জয় এবং স্পেনের ইউরো জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। পরিসংখ্যান হয়তো তাঁর প্রভাব পুরোপুরি বোঝাতে পারবে না, কিন্তু তাঁর পাসের নির্ভুলতা এবং ট্যাকল করার ক্ষমতা বিশ্বসেরা। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। ৮. হ্যারি কেন হ্যারি কেন একজন ইংলিশ পেশাদার ফুটবলার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা কমপ্লিট স্ট্রাইকার। তিনি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া হ্যারি কেন কেবল গোল করেন না, তিনি নিচে নেমে খেলা তৈরি করতেও দক্ষ। টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে তিনি রেকর্ড গোলদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখেও গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি প্রিমিয়ার লিগের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৯. মোহামেদ সালাহ মিশরের এই ফরোয়ার্ডকে বলা হয় 'ইজিপশিয়ান কিং'। তিনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করা সালাহ বর্তমানে বিশ্বের সেরা রাইট-উইংগারদের একজন। তাঁর বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং গতি লিভারপুলকে বহু শিরোপা জিতিয়েছে। তিনি আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) জিতেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০. জুড বেলিংহাম জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের একজন তরুণ মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ এর হয়ে খেলছেন। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই বিস্ময়কর খেলোয়ার খুব অল্প সময়েই বিশ্ব ফুটবলে ঝড় তুলেছেন। মিডফিল্ডার হয়েও তিনি স্ট্রাইকারের মতো গোল করার ক্ষমতা রাখেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রথম মৌসুমেই তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পরিপক্বতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁকে ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি'অর বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করছে। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এখনো ছোট হলেও, ইমপ্যাক্ট বা প্রভাবের দিক দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে। বর্তমান বিশ্বে যত প্রকারের খেলাধুলা রয়েছে তার মধ্যে ফুটবল একটি জনপ্রিয় এবং র্যাংকিং এর দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর এই খেলাটি সারা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয়। ফুটবল খেলায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকেন এর মধ্যে কিছু কিছু খেলোয়াড় তাদের দূরদর্শিতা ও দক্ষতা ও খেলার ধরনের কারণে বেশ সুনাম কুরিয়েছেন। আর তাই কিছু কিছু খেলোয়াড় এখনো বিশ্বসেরা। তবে সেরাদের ও সেরা থাকে থাকে। বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে এটা আসলে বলা বাহুল্য, তবে আজ আমাদের পরিচিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী আপনার কাছে কোন খেলোয়াড়টি সবচাইতে বিশ্বের সেরা মনে হয়? অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার দিয়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন। সোর্সঃ FIFA + ESPN + Ballon d'Or + Opta / Sofascore and Transfermarkt বিশ্লেষণ
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বশেষ আজকের পেঁয়াজের দাম কত জানুন। শহর কিংবা গ্রামে পেঁয়াজের দামের কেমন পার্থক্য সেটা জানুন। বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের অবাধ যোগান রয়েছে তাই পেঁয়াজের দাম অনেকটা স্বস্তিতে বা হাতের নাগালে। আজকের পেঁয়াজের দাম সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০২৬ এ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজের প্রতি কেজি মূল্য ৩০ থেকে ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে ঢাকার স্থানীয় মোহাম্মাদপুর বাজারে, এছাড়াও অঞ্চল ভেদে এই দাম কম বা বেশি হতে পারে। দিগন্ত পোষ্টের স্থানীয় প্রতিনিধিরা ঢাকার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ঘুরে পেঁয়াজের এই সর্বশেষ দামের তথ্য খুঁজে পেয়েছেন। আর অন্যদিকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা দরে। বিশেষ করে ভারতীয় পেঁয়াজ, দেশি পেঁয়াজের চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না কমবে এ বিষয়টি নির্ভর করে পেঁয়াজের সরবরাহের উপর, অর্থাৎ কি পরিমান পেয়াজ বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের গুদামে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করছে পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করার জন্য পেঁয়াজ মজুদ করছেন এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। আর তাছাড়াও বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের দাম নির্ভর করে আমদানিকৃত পেঁয়াজের পরিমাণের উপর। পেঁয়াজের আমদানি বেশি হলে দেশি পেয়াজের দাম কমবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে। সর্বশেষ হালনাগাদঃ ৮ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের সংখ্যা চার লাখের সমান। বর্তমানে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা "জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫" অনুযায়ী বেতন পান। জানার বিষয় হলো একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি কি পরিমান টাকা বেতন হিসেবে পান। তবে বাস্তবতা হলো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত নানান বৈষম্য নিয়ে প্রতিনিয়ত বর্তমানে সরকারের নিকট আন্দোলন চলমান। জানা যাক এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত। অর্থাৎ একজন এমপিওভুক্ত স্কুল বা কলেজের শিক্ষকের বেতন কত টাকা এবং বেতনের পাশাপাশি অন্যান্য কি সুযোগ-সুবিধা পান। এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কারা? এমপিও (MPO) হলো Monthly Pay Order। এটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (যেমন: স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মাসিক ভিত্তিতে বেতন-ভাতা প্রদানের একটি প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকার থেকে মূল বেতনের শতভাগ এবং কিছু নির্দিষ্ট ভাতা পেয়ে থাকেন। যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকার ঘোষিত অর্থাৎ সরকারি তালিকাভুক্ত সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হয়, এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি শিক্ষক নিয়োজিত থাকেন । তবে মনে রাখা ভালো সব শিক্ষকই এমপিও ভুক্ত নন। অর্থাৎ একজন শিক্ষককে এমপিও ভুক্ত হতে হলে NTRCA নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। কিন্তু একটা জিনিস অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে , এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং একজন একজন সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষক এক নন। সম্পূর্ণ সরকারি শিক্ষকরা সরকারি কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতা পান এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে সরকারি। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হলেও সরকারের কাছ থেকে আংশিক আর্থিক সহায়তা পান। আর এই বৈষম্যের কারণেই সর্বশেষ এমপিও ভুক্ত শিক্ষকরা বেতন ভাতা নিয়ে বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়েছেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন- শিক্ষাস্তর অনুযায়ী পদের নাম ও বেতন গ্রেড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো তাদের পদের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় বেতন স্কেলের বিভিন্ন গ্রেডে নির্ধারিত হয়। ১. এমপিওভুক্ত স্কুল ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) সহকারী শিক্ষক (বি.এড) গ্রেড ১১ ১২,৫০০ - ৩০,২৩০ সহকারী শিক্ষক (বি.এড ছাড়া) গ্রেড ১২ ১১,৩০০ - ২৭,৩০০ সিনিয়র শিক্ষক (১০ বছর পূর্তিতে) গ্রেড ১০ ১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ সহকারী প্রধান শিক্ষক / সহকারী সুপার গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ প্রধান শিক্ষক / সুপার গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ দ্রষ্টব্য: উচ্চতর গ্রেড (সাধারণত ৬ষ্ঠ গ্রেড) পাওয়ার সুযোগও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে রয়েছে। ২. এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত? পদের নাম গ্রেড মূল বেতন স্কেল (টাকায়) প্রভাষক গ্রেড ৯ ২২,০০০ - ৫৩,০৬০ সহকারী অধ্যাপক (পদোন্নতিতে) গ্রেড ৭ ২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ সহযোগী অধ্যাপক গ্রেড ৬ ৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০ অধ্যক্ষ গ্রেড ৫ / ৪ ৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ / ৫০,০০০ - ৭১,২০০ মূল বেতনের বাইরে যা পান (ভাতা) এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ভাতা পান, যা সরকারি চাকরিজীবীদের থেকে ভিন্ন: বাড়ি ভাড়া ভাতা মাসিক ১,০০০ টাকা (স্থির)। চিকিৎসা ভাতা মাসিক ৫০০ টাকা (স্থির)। উৎসব ভাতা: শিক্ষক: মূল বেতনের ২৫% (বছরে দুবার)। কর্মচারী: মূল বেতনের ৫০% (বছরে দুবার)। বৈশাখী ভাতা: মূল বেতনের ২০% (বছরে একবার)। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট: মূল বেতনের ৫% (বছরে একবার)। বেতন থেকে যা কর্তন করা হয় প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন থেকে মোট ১০% অর্থ কর্তন করা হয়, যা তাদের অবসরকালীন সুবিধার জন্য জমা থাকে। অবসর সুবিধা বোর্ড মূল বেতনের ৬%। কল্যাণ ট্রাস্ট: মূল বেতনের ৪%। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের সাথে মূল পার্থক্য যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত, তবে তাদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের বেতন এবং ভাতার ক্ষেত্রে বেশ পার্থক্য রয়েছে। এটি দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকদের মাঝে আলোচনার বিষয়। সরকারি শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া হিসেবে পান মূল বেতনের ওপর নির্দিষ্ট হারে (শহর বা গ্রাম ভেদে ৪০-৬০%), যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ১,০০০ টাকা। চিকিৎসা ভাতা হিসেবে পান ফিক্সড ১,৫০০ টাকা, যেখানে এমপিওভুক্তরা পান ফিক্সড ৫০০ টাকা। অন্যদিকে উৎসব ভাতা পান মূল বেতনের ১০০%, যেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পান মাত্র ২৫%। এই পার্থক্যগুলো নিরসনের দাবিতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকরা বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছেন। সর্বশেষে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে মতবিনিময় করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংগঠন- এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের প্রতিনিধিদল। তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ বেতন এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা করাসহ ১০ দাবি প্রস্তাব দিয়েছেন।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .