জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর

জুলাই থেকে 'বাংলা কিউআর' ছাড়া ডিজিটাল লেনদেন বন্ধ

ডিপি প্রতিবেদন
ডিপি প্রতিবেদন
প্রকাশ: ৪ এপ্রিল, ২০২৬ | সকাল ১০:৫৪
আপডেট: ৪ এপ্রিল, ২০২৬ | সকাল ১১:৪

দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে দেশের সব মার্চেন্ট পয়েন্টে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনে কেবল 'বাংলা কিউআর' ব্যবহার করতে হবে, অন্য কোনো কিউআর কোড দিয়ে লেনদেন করা যাবে না। এই নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দেশের সব ব্যাংক, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান এবং লেনদেন অপারেটরকে বাধ্যতামূলকভাবে নিজস্ব কিউআর কোড বাদ দিয়ে বাংলা কিউআরে পুরোপুরি রূপান্তরিত হতে হবে। পাশাপাশি কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনে প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান এবং আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনের সুবিধা নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যে প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ অমান্য করবে, তাদের কিউআর কোড বাতিল করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এর আগে জানিয়েছিলেন, নগদ লেনদেন কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো এবং পুরো পেমেন্ট ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় কিছু মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ১০ লাখেরও বেশি মার্চেন্ট পয়েন্টে নিজস্ব আলাদা কিউআর কোড ব্যবহার করছে। এই বিশাল সংখ্যক পয়েন্টকে বাংলা কিউআরে রূপান্তর করার বিষয়টি সময়সাপেক্ষ এবং বেশ ব্যয়বহুলও বটে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলা কিউআর পুরোপুরি চালু হলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে লেনদেনের অংশ ভাগ করে নিতে হবে, ফলে আলাদা প্ল্যাটফর্মে যে একচেটিয়া সুবিধা পাওয়া যেত তা আর থাকবে না। এই কারণেই কিছু প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি আগ্রহী নয়।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি উপযুক্ত আর্থিক প্রণোদনা দেয়, তাহলে এই বাধা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে তারা মনে করছেন। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক পরীক্ষামূলকভাবে মাত্র ১ হাজার ২০০ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে বাংলা কিউআরের আওতায় এনেছিল।

সেই চেষ্টা প্রত্যাশামতো ফল না দেওয়ায় এবার সরাসরি বাধ্যতামূলক করার পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এবার কঠোর অবস্থান নেওয়ায় সমন্বিত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পাওয়ার সম্ভাবনা আগের চেয়ে অনেক বেশি।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

অর্থনীতি থেকে আরো

আরো দেখুন
দেশের রিজার্ভ দাড়ালো ৩৫.০৪ বিলিয়ন ডলারে
দেশের রিজার্ভ দাড়ালো ৩৫.০৪ বিলিয়ন ডলারে

আবারো বেড়েছে দেশের রিজার্ভ।  বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরেছে। ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।  তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব করলে এই চিত্র কিছুটা ভিন্ন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ-এর নির্ধারিত ‘বিপিএম-৬’ পদ্ধতি অনুসরণ করে বর্তমানে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০.৩৭ বিলিয়ন ডলারে। সাধারণত আমদানিসহ বিভিন্ন দায় মেটানোর সক্ষমতা যাচাইয়ে আইএমএফ-এর এই নিট রিজার্ভের হিসাবটিকেই বিশ্বব্যাপী বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ 0
অর্থ মন্ত্রনালয়

ভ্যাট থেকেই ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা আয়ের বিশাল লক্ষ্য সরকারের

ছবিঃ আন্সপ্লাশ

১৬ এপ্রিল: আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

বাড়লো অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়

সোনার আংটি - ছবি পিক্সাবেই
রকেটের গতিতে বাড়লো স্বর্ণের দাম

ঢাকা ১৫ এপ্রিলঃ  দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম যেন রকেটের গতিতে বাড়ছে আবার হুটহাট কমে যাচ্ছে । সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া এই মূল্যবান ধাতুর দাম আবারও এক দফা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ ১৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই আকাশচুম্বী দাম কার্যকর করা হয়েছে। আপনি যদি এখন গয়না কেনার কথা ভাবেন, তবে পকেটের দিকে তাকিয়ে আরেকবার হিসেব কষে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন আড়াই লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আগে যেখানে ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ২,৪৭,৯৭৭ টাকা, এখন সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৫০,১৯৩ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি ভরিতেই দাম বেড়েছে ২ হাজার টাকার বেশি। এই মানের স্বর্ণ মূলত সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতার গহনা তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়।  পিছিয়ে নেই অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও। প্রচলিত গহনা তৈরির জন্য জনপ্রিয় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২,৩৬,৭২১ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২,৩৮,৮২০ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট বা মিশ্র সোনার গহনার দাম ভরিপ্রতি ২,০২,৮৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০৪,৭০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এমনকি পুরনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির বা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও ১,৬৫,২৭৯ টাকা থেকে বেড়ে ১,৬৬,৭৩৭ টাকায় ঠেকেছে। স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতার জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতিকে দায়ী করছে বাজুস। বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকট এবং ডলারের দামের ওঠানামার কারণে স্থানীয় জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা এই নতুন দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছেন। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এখন স্বর্ণ কেনা একটি দুঃসাধ্য কাজে পরিণত হয়েছে। আপনারা যারা এই সময়ে স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন, তারা দোকানে যাওয়ার আগে বর্তমান রেটটি অবশ্যই ভালোভাবে জেনে নেবেন। বাজারের অবস্থা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই গয়না কেনার আগে অবশ্যই হলমার্ক করা স্বর্ণ কিনছেন কি না, সেটি যাচাই করে নিতে ভুলবেন না।

ডিপি প্রতিবেদন ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ 0
ছবিঃ ইন্টারনেট

কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমলো কত?

ছবিঃ ইন্টারনেট

আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

তেলের সংকট এখনো নেই, তবে মূল্যে সিদ্ধান্ত আসছে শিগগিরই

মার্চে রেমিট্যান্সে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড

দেশের অর্থনীতিতে একটি উজ্জ্বল খবর এসেছে। সদ্য বিদায়ী মার্চ মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার। এটি দেশের ইতিহাসে এক মাসে আসা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এর মূল্য ৪৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত বছরের মার্চে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩৩০ কোটি ডলার। সেই তুলনায় এবার বৃদ্ধির হার ১৪ শতাংশ। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে প্রবাসীরা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন। এই কারণেই এই বিশাল রেকর্ড। তার আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ৩০২ কোটি ডলার, সেই তুলনায়ও মার্চের প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬২১ কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে এই সময়ে এসেছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি ডলার। রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী ধারার সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও। বিভিন্ন আমদানি দায় পরিশোধের পরও ১ এপ্রিল শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.২৫ বিলিয়ন ডলারে।

ডিপি প্রতিবেদন ৪ এপ্রিল, ২০২৬ 0

রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৪.৪৩ বিলিয়ন ডলার

জুলাই থেকে 'বাংলা কিউআর' ছাড়া ডিজিটাল লেনদেন বন্ধ

তেলের দামে নতুন সিদ্ধান্ত আসছে শিগগিরই, জানালেন অর্থমন্ত্রী