২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
মতামত
রমজান মাসে অনেকেই রক্তদানের সুযোগ পেলে দ্বিধায় পড়ে যান। মনে প্রশ্ন জাগে, রোজা থাকা অবস্থায় রক্ত দেয়া যাবে কি? বা দিলে কি রোজা ভাঙ্গে ? এই সংশয়ের কারণে অনেকে রক্ত দিতে পারেন না, অথচ ইসলামে বিষয়টা একদম পরিষ্কার। রোজা রেখে রক্ত দেওয়া যাবে কি? সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো, হ্যাঁ যাবে। রক্ত দিলে রোজা ভাঙে না। কারণ রোজা ভাঙার শর্ত হলো শরীরে কিছু প্রবেশ করানো, বের করা নয়। রক্ত দেওয়া হলো শরীর থেকে কিছু বের করা, ভেতরে নেওয়া নয়। তাই ফিকাহর মূলনীতি অনুযায়ী রোজা অক্ষুণ্ণ থাকে। তবে একটা বাস্তব সমস্যা আছে। ঢাকার একটি ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবক জানিয়েছেন, রমজানে রোজা রেখে রক্ত দিতে আসা অনেককেই অর্ধেক পথে অসুস্থ হয়ে পড়তে দেখেছেন তিনি। সারাদিন না খেয়ে থেকে আধা ব্যাগ রক্ত দিলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এই কারণে অনেক আলেম বলেছেন, জরুরি প্রয়োজন না হলে দিনের বেলা রক্ত না দিয়ে ইফতারের পরে দেওয়াটাই ভালো। শরীর সুস্থ রাখাও ইসলামে দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে কেউ মারা যাচ্ছে আর এখনই রক্ত না দিলে তার জীবন বিপদে পড়বে, তখন রোজা অবস্থায় রক্ত দেওয়া শুধু জায়েজ না, বরং অনেক আলেমের মতে সওয়াবের কাজ। একটা মানুষের জীবন বাঁচানো ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, রোজা রেখে রক্ত দিলে রোজা ভাঙবে না। তবে শরীরের অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নিন। পারলে ইফতারের পরে দিন, না পারলে দিনেও দিন, রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
রোজা অবস্থায় ইনজেকশন নেওয়া যাবে কিনা, এই প্রশ্নটা প্রতি রমজানেই লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে ঘোরে। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো রোগে ইনসুলিন বা নিয়মিত ওষুধ নেন, তাদের জন্য এই প্রশ্নটা শুধু ধর্মীয় নয়, স্বাস্থ্যগতভাবেও জরুরি। রমজান মাস এলে অনেক রোগী বিপদে পড়ে যান। ডাক্তার বলছেন ইনজেকশন নিতে হবে, কিন্তু মনে সংশয়, রোজা ভাঙবে কিনা। অনেকে ভয়ে ইনজেকশন বন্ধ করে দেন, শরীরের ক্ষতি করেন। অথচ ইসলামি শরিয়তে এই বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা আছে, শুধু সেটা অনেকে জানেন না। রোজা ভাঙার মূলনীতি কী? আগে বুঝতে হবে রোজা কোন কারণে ভাঙে। ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্র অনুযায়ী রোজা ভাঙার জন্য তিনটি শর্ত একসাথে পূরণ হতে হবে। প্রথমত, কাজটি ইচ্ছাকৃত হতে হবে। দ্বিতীয়ত, পেট বা মস্তিষ্ক পর্যন্ত কিছু পৌঁছাতে হবে। তৃতীয়ত, সেটা স্বাভাবিক পথে অর্থাৎ মুখ, নাক বা এ জাতীয় খোলা পথ দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। এই তিনটি শর্তের আলোকেই ইনজেকশনের বিষয়টা বিচার করতে হবে। ইনজেকশন নিলে কি রোজা ভাঙে? অধিকাংশ আধুনিক ইসলামি স্কলার এবং ফিকাহ একাডেমির সিদ্ধান্ত হলো, সাধারণ ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। কারণ ইনজেকশন মুখ বা পাকস্থলীর স্বাভাবিক পথে প্রবেশ করে না, সরাসরি শিরা বা মাংসপেশিতে দেওয়া হয়। এটা খাওয়া বা পান করার সমতুল্য নয়। রাবেতা আল-আলম আল-ইসলামির ফিকাহ কাউন্সিল এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফিকাহ একাডেমি উভয়ই এই মতামত দিয়েছে যে ইনজেকশন রোজা ভাঙে না, যদি সেটা পুষ্টির উদ্দেশ্যে না হয়। হাদিসের আলোকে বিশ্লেষণ সরাসরি ইনজেকশনের কথা হাদিসে নেই, কারণ সেই যুগে ইনজেকশন ছিল না। কিন্তু রোজা ভাঙার কারণ সম্পর্কিত হাদিসগুলো থেকে আলেমরা ইনজেকশনের বিধান বের করেছেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "রোজা ভাঙে শুধু সেই কারণে যা পেটে প্রবেশ করে।" এই হাদিসটি ইমাম বায়হাকি তাঁর সুনানে বর্ণনা করেছেন। এই হাদিসের ভিত্তিতেই আলেমরা বলেন, যেহেতু ইনজেকশন পেটে প্রবেশ করে না বরং শিরায় বা মাংসে যায়, তাই রোজা ভাঙার প্রশ্ন আসে না। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস আছে, যেখানে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ভুলে গিয়ে খেয়ে বা পান করে ফেলে, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহ তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন।" এই হাদিসটি সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম উভয়তেই বর্ণিত আছে। এটি থেকে বোঝা যায়, ইসলামে নিয়ত এবং স্বাভাবিক পথকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ তাঁর মাজমুউল ফাতাওয়ায় বলেছেন, রোজা ভাঙার কারণ হলো মুখ দিয়ে কিছু খাওয়া বা পান করা। যা এই পথে আসে না, তা রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে বিবেচিত হবে না। কোন ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না সাধারণ ওষুধের ইনজেকশন যেমন অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক, ডায়াবেটিসের ইনসুলিন, রক্তচাপের ওষুধ, ভ্যাকসিন বা টিকা এবং ডায়ালাইসিস রোগীদের রক্ত পরিষ্কারের ইনজেকশনে রোজা ভাঙে না। এগুলো সরাসরি শিরা বা মাংসে যায়, পেটে নয়। কোন ইনজেকশনে রোজা ভেঙে যাবে গ্লুকোজ স্যালাইন বা পুষ্টিকর তরল যদি শিরার মাধ্যমে দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে অধিকাংশ আলেমের মতে রোজা ভেঙে যাবে। কারণ এটা খাবারের বিকল্প হিসেবে কাজ করছে এবং শরীরে পুষ্টি সরবরাহ করছে। এক কথায়, উদ্দেশ্য যদি পুষ্টি গ্রহণ হয়, তাহলে রোজা ভাঙবে। রক্ত পরীক্ষার জন্য সুই ফোটানো শুধু রক্ত পরীক্ষার জন্য সুই দিয়ে রক্ত নিলে রোজা ভাঙবে না। কারণ এখানে শরীরে কিছু প্রবেশ করানো হচ্ছে না, বরং বের করা হচ্ছে। ইসলামিক স্কলাররা এই বিষয়ে একমত। একটা জরুরি কথা মনে রাখতে হবে। ইনজেকশন নিলে রোজা না ভাঙলেও, যদি কেউ এতটাই অসুস্থ থাকেন যে রোজা রাখলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে ইসলামে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, যে অসুস্থ বা সফরে থাকে, সে অন্য দিনে এই সংখ্যা পূরণ করবে। এই আয়াত সূরা আল-বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াত থেকে নেওয়া। সুতরাং ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত যারা নিয়মিত ইনজেকশন নেন, তারা নিশ্চিন্তে রোজা রাখতে পারবেন। তবে শরীরের অবস্থা বিবেচনা করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটা জরুরি, কারণ ধর্ম কখনো স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে রোজা রাখার নির্দেশ দেয় না।
রোজা অবস্থায় বীর্যপাত হলে রোজা ভাঙবে কিনা, এই প্রশ্নটা অনেকের মনে থাকলেও লজ্জায় কাউকে জিজ্ঞেস করা হয় না। অথচ ইসলামিক শরিয়তে এই বিষয়ে একদম স্পষ্ট ব্যাখ্যা আছে। রমজান মাস এলে অনেক প্রশ্নই মাথায় ঘোরে। কোনটায় রোজা ভাঙে, কোনটায় ভাঙে না। কিছু প্রশ্ন সহজে করা যায়, কিছু প্রশ্ন গলায় আটকে থাকে। বীর্যপাতে রোজা ভাঙার বিষয়টা ঠিক এই দ্বিতীয় ধরনের একটা প্রশ্ন। কিন্তু ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্রে এই প্রশ্নের উত্তর লুকানো নেই, বরং সরাসরি আলোচনা করা হয়েছে। মূল বিষয় হলো, সব ধরনের বীর্যপাত এক রকম নয়। কীভাবে বীর্যপাত হলো, সেটার উপর নির্ভর করে রোজা ভাঙবে কিনা। স্বামী-স্ত্রীর সহবাসে রোজা ভাঙে এটা সবচেয়ে স্পষ্ট বিষয়। রোজা অবস্থায় দিনের বেলা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সহবাস হলে রোজা ভেঙে যাবে, এই ব্যাপারে সব মাজহাবের আলেমরা একমত। শুধু রোজা ভাঙাই না, এক্ষেত্রে কাফফারাও দিতে হবে। কাফফারা মানে একটানা ৬০টি রোজা রাখা, অথবা ৬০ জন মিসকিনকে খাওয়ানো। হস্তমৈথুনে রোজা ভাঙে ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটালে রোজা ভেঙে যাবে। হানাফি, শাফেয়ি, মালেকি এবং হাম্বলি সব মাজহাবেই এই মতামত প্রায় একই। তবে এক্ষেত্রে কাফফারা দিতে হবে না, শুধু ওই রোজাটির কাজা অর্থাৎ পরবর্তীতে একটি রোজা রেখে দিতে হবে। স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙে না ঘুমের মধ্যে স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙবে না। এটা ইচ্ছাকৃত কোনো কাজ নয়, তাই শরিয়তে এর জন্য কোনো দায় নেই। তবে গোসল ফরজ হয়ে যাবে। যত দ্রুত সম্ভব ফরজ গোসল করে নামাজ আদায় করতে হবে। গোসল না করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না, কিন্তু নামাজ পড়া যাবে না। মনে মনে চিন্তা করলে বা দেখলে কী হয়? শুধু মনে মনে যৌন চিন্তা করলে বা কিছু দেখে উত্তেজিত হলে রোজা ভাঙে না, যদি বীর্যপাত না হয়। তবে রোজার পবিত্রতা রক্ষার স্বার্থে এ ধরনের চিন্তা ও পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকা উচিত। তরল বের হলে কী হয়? মযি হলো উত্তেজনার সময় বের হওয়া পাতলা তরল, যেটা বীর্য নয়। অধিকাংশ আলেমের মতে শুধু মযি বের হলে রোজা ভাঙে না। তবে ওজু ভেঙে যাবে, তাই নামাজের আগে ওজু করতে হবে। একটা সহজ নিয়ম মনে রাখুন ইসলামি ফিকাহের মূলনীতি অনুযায়ী রোজা ভাঙার ক্ষেত্রে দুটো শর্ত থাকতে হবে। প্রথমত, কাজটি ইচ্ছাকৃত হতে হবে। দ্বিতীয়ত, শরীরের ভেতরে কিছু প্রবেশ করানো বা শরীর থেকে এমন কিছু বের করা যা নিষিদ্ধ। স্বপ্নদোষ ইচ্ছাকৃত নয় বলেই রোজা ভাঙে না। হস্তমৈথুন ইচ্ছাকৃত বলেই রোজা ভেঙে যায়। যেকোনো সন্দেহ থাকলে স্থানীয় বিশ্বস্ত আলেম বা মুফতির কাছ থেকে সরাসরি মাসআলা জেনে নেওয়াটাই সবচেয়ে নিরাপদ। ধর্মীয় বিষয়ে লজ্জা না পেয়ে জেনে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
কোভিড-১৯ মহামারীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর বিশ্বজুড়ে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে বিজ্ঞানীদের মাথায়। পরের মহামারী আসার আগেই কি আমরা সতর্ক হতে পারব? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার মাঠে নামছে ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর। এর ফলে ভবিষ্যতে মহামারীর পূর্বাভাস দেবে এআই। ন্যাশনাল ওয়ান হেলথ মিশনের আওতায় সংস্থাটি চালু করছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোগজীবাণু নজরদারি সরঞ্জাম, যা নিপাহ, জিকা, করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতি থেকে শুরু করে অ্যানথ্রাক্স ও কালাজ্বরের মতো রোগের হুমকিও আগেভাগে শনাক্ত করতে পারবে। বিশেষ বিষয় হলো, এটি কেবল হাসপাতালের রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে না — একসঙ্গে বিশ্লেষণ করবে পশুপালনের স্বাস্থ্য তথ্য, বৃষ্টিপাত, বন্যা ও মশার ঘনত্বের মতো পরিবেশগত সূচকও। কারণ বিশ্বে যত নতুন সংক্রামক রোগ আসে, তার প্রায় ৬০ শতাংশই পশু থেকে মানুষে ছড়ায় কোভিড, নিপাহ, বার্ড ফ্লু সবই তার প্রমাণ। তবে আইসিএমআর একা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্যান্ডেমিক ইন্টেলিজেন্স হাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসিও একই লক্ষ্যে কাজ করছে। ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ইতিমধ্যে এমন একটি অ্যালগরিদম তৈরি করেছেন যা সিডিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দশ সপ্তাহ আগেই ভেরিয়েন্টের আধিপত্য পূর্বাভাস দিতে সক্ষম হয়েছে। আইসিএমআরের এই এআই সরঞ্জামটি মূলত কাজ করে বিচ্ছিন্ন তথ্যগুলোকে একই ছাদের নিচে এনে। হাসপাতালের রোগী ভর্তির তথ্য, ল্যাবরেটরির পরীক্ষার ফলাফল, পশুপালন বিভাগের রিপোর্ট, আবহাওয়ার তথ্য এবং এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া উপসর্গ-সংক্রান্ত পোস্ট এই সব ধরনের তথ্য একসঙ্গে প্রতিনিয়ত বিশ্লেষণ করে সরঞ্জামটি। একটি নির্দিষ্ট এলাকায় হঠাৎ জ্বর-কাশির রোগী বাড়লে, একই সময়ে সেখানকার পোলট্রি ফার্মে অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে এবং আবহাওয়ায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে এই তিনটি সংকেত আলাদাভাবে হয়তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে না, কিন্তু একসঙ্গে বিশ্লেষণ করলে এটি একটি বড় বিপদের আভাস হতে পারে। এআই ঠিক এই কাজটাই করে প্যাটার্ন খোঁজে, অস্বাভাবিকতা ধরে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে। মানব বিশেষজ্ঞের পক্ষে এত বিপুল ও বিচ্ছিন্ন তথ্য একই সময়ে প্রক্রিয়া করা সম্ভব নয়, কিন্তু এআই সেটি করতে পারে রিয়েল-টাইমে । এটাই এই প্রযুক্তির মূল শক্তি। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তথ্যের ঘাটতি। বিভিন্ন দেশ স্বাস্থ্য তথ্য ভাগ করতে অনিচ্ছুক, বিভিন্ন বিভাগের ডেটার ফরম্যাট আলাদা এই প্রতিবন্ধকতা না কাটলে সেরা মডেলও অকেজো। বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক, কারণ প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের ভারতের সঙ্গে যাতায়াত এবং নিপাহ ও ডেঙ্গুর মতো রোগের নিয়মিত প্রকোপ মিলিয়ে দেশটি সবসময়ই ঝুঁকির কাছাকাছি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই-চালিত আঞ্চলিক নজরদারি নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের যোগ দেওয়াটা এখন আর শুধু সুযোগ নয় , এটি এখন অপরিহার্য।
নিত্যপণ্যের মূল্য যাতে আর বৃদ্ধি না পায়, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পাঁচটার দিকে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার বিভিন্ন দপ্তরপ্রধানদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শামা ওবায়েদ বলেন, "দ্রব্যমূল্য যাতে আর না বাড়ে, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট আছে। কমার্স মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আপনারা যারা গ্রাউন্ড লেভেলে আছেন, আপনাদের কোনো বিশেষ পরামর্শ থাকলে অবশ্যই দেবেন।" রমজান মাসকে সামনে রেখে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের মনে শান্তি রাখা, যাতে তারা সুন্দরভাবে রোজা পালন করতে পারে এবং ঈদ পালন করতে পারে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় দপ্তরপ্রধানদের উদ্দেশে বলেন, "আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমি আপনাদের সহকর্মী হিসেবে কাজ করতে চাই। আমি এখানে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বসিনি। আমরা যদি টিমওয়ার্ক করতে পারি, তাহলেই ফরিদপুর জেলাকে সুন্দর রাখতে পারব। আপনারা আমাকে সহকর্মী হিসেবে বিবেচনা করবেন। বেশিরভাগের কাছেই আমার ফোন নম্বর আছে। যেকোনো সমস্যা সরাসরি আমাকে জানাতে পারেন।" শামা ওবায়েদ আরও বলেন, "আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে একটি বিষয় দেখিয়ে দিয়েছেন। এই সরকার অনেক যুদ্ধের পরে, অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এসেছে। জনগণেরও অনেক আশা এই সরকারের ওপর। সুতরাং এটাকে হেলাফেলা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।" মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "বিশেষ করে মাদক নিয়ে ঘরে বসে কথা বললে হবে না। আমাদের কিছু স্ট্র্যাটেজিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যারা মাদক সেবন করে, তারা অনেক ক্ষেত্রে ভিকটিম। কিন্তু যারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। শর্ট টার্মে অ্যাকশন দেখাতে হবে, পাশাপাশি লং টার্মে সামাজিক সচেতনতা চালিয়ে যেতে হবে।" সভায় ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এ.এস.এম. আলী আহসান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক মো. শাহাদুজ্জামান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুজ্জামান খান, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, সদস্যসচিব একে কিবরিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবর আসার পরেও খুচরা বাজারে দাম কমেনি। পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। অর্থাৎ এখনো আগের দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। ফলে অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। আজ রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো কেজিপ্রতি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে রয়েছে। অথচ পাইকারি বাজারে দাম কমে এসেছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবর পাওয়ার পর ক্রেতারা আশা করেছিলেন দাম কমবে। কিন্তু বাজারে সেই প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানির ফলে পাইকারি বাজারে দাম কেজিপ্রতি ৩০থেকে ৪০ টাকা কমেছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা এখনো আগের দামেই বিক্রি করছেন। এর আসল কারন এখনো ভোক্তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়, এবং ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে আমদানি শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ৫০ আইপি (আমদানি অনুমতি পত্র) ইস্যু করা হচ্ছিল যার প্রতিটি ৩০ টন পর্যন্ত পেয়াজ আমদানির অনুমতি ছিল। মতিঝিল এলাকার একজন ক্রেতা জানান, গত কয়েক দিন ধরে পেঁয়াজের দাম একই আছে। আমদানির খবর শুনে ভেবেছিলাম দাম কমবে, কিন্তু বাজারে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মিরপুর এলাকার একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজার থেকে তারা এখনো আগের দামেই পেঁয়াজ কিনছেন। তাই খুচরা দামও কমানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি শুরু হওয়ার পর পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা নরম হয়েছে। তবে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়তে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি বাড়লে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে খুচরা পর্যায়েও দাম কমবে। তবে সেজন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। এদিকে সাধারণ ক্রেতারা দ্রুত দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন।
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে কতটি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে সেটা না জানাটা এখন বড় একটা ঝুঁকি। অনেকেই জানেন না যে তাদের NID ব্যবহার করে অন্য কেউ সিম তুলে রেখেছে। সেই সিম দিয়ে অপরাধমূলক কাজ হলে বিপদে পড়তে পারেন আপনি। আজই চেক করুন NID দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে । রাজশাহীর একজন তরুণ জানিয়েছেন, হঠাৎ একদিন পুলিশের ফোন পেয়ে জানতে পারেন তার NID দিয়ে তোলা একটি সিম থেকে প্রতারণামূলক কল করা হয়েছে। অথচ সেই সিমের কথা তিনি জানতেনই না। পরে BTRC-তে অভিযোগ করে বিষয়টা সমাধান হয়, কিন্তু মাসখানেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে তাকে। NID দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে জানার উপায় এটা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো যেকোনো মোবাইল থেকে সরাসরি *16001# ডায়াল করুন। ডায়াল করার পর NID নম্বর শেষ 4 ডিজিট দিতে বলবে, দিলেই আপনার NID-র বিপরীতে নিবন্ধিত সব সিমের তালিকা সামনে চলে আসবে। কোনো ইন্টারনেট লাগবে না, স্মার্টফোনও লাগবে না, বাটন ফোন থেকেও করা যাবে। আবার অন্যদিকে, মোবাইল অপারেটরের নিজস্ব অ্যাপ ব্যবহার করে এ তথ্যগুলো জানা যায়। গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা MyGP অ্যাপ, রবি ব্যবহারকারীরা MyRobi অ্যাপ, বাংলালিংক ব্যবহারকারীরা MyBL অ্যাপ এবং টেলিটক ব্যবহারকারীরা MyTeletalk অ্যাপে লগইন করে অ্যাপের মেনু থেকে সিম সংক্রান্ত তথ্য দেখতে পাবেন। অ্যাপের মধ্যেও আপনার এনআইডির শেষ 4 ডিজিট দিতে হবে। প্রতিটি অ্যাপেই NID দিয়ে রেজিস্ট্রেশন হওয়া সিমের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। বিটিআরসি এর নির্দেশনা মোতাবেক বর্তমানে একটি NID দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধন করা যায়। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে যত কম সিম থাকে ততই ভালো। তালিকায় অপরিচিত কোনো সিম দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন এবং BTRC-তে অভিযোগ দায়ের করুন। অভিযোগ করতে BTRC-র হেল্পলাইন নম্বর 100 অথবা complaints.btrc.gov.bd ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারবেন। অভিযোগ দেওয়ার সময় NID নম্বর, সন্দেহজনক সিম নম্বর এবং আপনার যোগাযোগের তথ্য দিতে হবে।
প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পুনরায় ভিসা কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য ভিসা প্রদান করা হচ্ছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন দিনের মাথায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক পুনর্নির্মাণের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে এ অগ্রগতি ঘটেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছিলেন, তারা শিগগিরই বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম চালু করবে। তার ঘোষণার পরের দিনই দিল্লিতে ভিসা ও কনস্যুলার সেবায় ফিরেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন। গত ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর ঢাকায় দুটি পত্রিকা অফিস এবং ছায়ানট ভবনে হামলার ঘটনা ঘটে। একই রাতে চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ হয় এবং মিশনে ঢিল ছোড়া হয়। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ২১ ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কার্যক্রম পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। তবে ব্যবসা ও কর্মসংস্থান ভিসা সে সময় নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছিল। পরের দিন পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে দিল্লি ও আগরতলা মিশন থেকে ভিসা ও কনস্যুলার সেবা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ। তবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফল আসার আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে তারেক রহমানকে এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপর পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণার পর বিকালে তারেকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন তিনি। ওই ফোনালাপে তাকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তার কাজে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মোদী। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ঢাকা। তবে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের কারণে তিনি শপথ অনুষ্ঠানে আসতে পারবেন না বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়। পরিবর্তে শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। বর্তমানে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ২৩৭ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩০০ আসনের মধ্যে বাকিগুলো জোটের শরিকদের জন্য এবং কিছু আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করার জন্য রাখা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন (ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩) থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই ঘোষণার আগে, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক জরুরি বৈঠকে বসে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে পারে এবং নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো–
৩ নভেম্বর, ২০২৫ | রাত ৯:১৮
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল কবে বাস্তবায়ন হবে, সেই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, পে স্কেল নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, "পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের আগে দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় এটি কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, সেটি আমরা যাচাই করব।" তার এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। এদিকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু জানান, দেশের ট্যাক্স রেভিনিউ এবং ট্যাক্স জিডিপি অনুপাত এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পে স্কেল কতটুকু বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের অর্থনীতি সব মানুষের জন্য হতে হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিককে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে পারলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব। আমাদের লক্ষ্য হলো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং সবার জন্য সুযোগ তৈরি করা।" আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, "৫ আগস্টের পর জনগণের মানসিকতায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হতে হবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নয়ন করতে হবে। প্রফেশনালিজম, স্বচ্ছতা এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।" পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এর জন্য ডিরেগুলেশন, লিবারলাইজেশন এবং ম্যানুফ্যাকচারিং নির্ভর অর্থনীতির বাইরে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করা প্রয়োজন। সরকারি কর্মচারীরা এখন অপেক্ষায় রয়েছেন তাদের পে স্কেলের বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু ভিপির বেতন কত? ডাকসু জিএস এর বেতন কত? এই দুই পদ নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল রয়েছে। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০২৫ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে মানুষের ভিতরে এই প্রশ্নের কৌতূহল অনেকটাই আকাশ পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন বিস্তারিত জেনে নিই ডাকসুর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) এবং জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) আসলে কী ধরনের আর্থিক সুবিধা পান এবং এর বাইরেও তারা কি কি সুবিধা ভোগ করে থাকেন। ডাকসু শুধু একটি ছাত্র সংসদ নয়, এটি বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই ভিপি ও জিএস পদ শুধু প্রশাসনিক নয়, বরং ঐতিহাসিক দায়িত্বও বহন করে। ২০১৯ সালে ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আবারও নির্বাচন হয়, যেখানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে সাদিক কায়েম ভিপি এবং এস এম ফরহাদ জিএস নির্বাচিত হন। ডাকসু ভিপি জিএস এর বেতন ব্যবস্থা অনেকেরই ধারণা, ডাকসু ভিপি প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের বেতন পান। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। ডাকসু ভিপির আলাদা করে কোনো মাসিক বেতন নেই। তবে তাদের জন্য এক বছরের কার্যকালের জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকে। এই বরাদ্দের পরিমাণ হলো ৫ লাখ টাকা। এই টাকাটা মূলত দেওয়া হয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য। চা-নাস্তার খরচ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিটিং-আলোচনা এবং প্রয়োজনে কোনো শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা করা। এসব কাজেই এই টাকা ব্যবহার হয়। ভিপি চাইলে পুরো টাকা একবারে তুলতে পারেন, আবার প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপেও তুলতে পারেন। ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলেছেন, তার সময়ে বরাদ্দকৃত ৫ লাখ টাকার মধ্যে তিনি মাত্র ২ লাখ টাকা তুলেছিলেন। বাকি ৩ লাখ টাকা পরবর্তী কমিটির জন্য রেখে দিয়েছিলেন। এটা থেকে বোঝা যায়, এই টাকা ব্যক্তিগত খরচের জন্য নয়, বরং সাংগঠনিক কাজের জন্য। আবার অন্যদিকে ডাকসু জিএস এর বেতন ব্যবস্থাও ভিপির মতোই। জিএসও কোনো নিয়মিত মাসিক বেতন পান না। তার জন্যও বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। মানে দুজন মিলে মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে ডাকসুর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য। বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছাড়াও ভিপি আর জিএস আরও কিছু আর্থিক সুবিধা পান, তবে সেগুলো খুবই সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে তারা বৈঠক ভাতা পান। এছাড়া বিশেষ কোনো দায়িত্ব দেওয়া হলে সেজন্য সম্মানীও মিলতে পারে। কিন্তু এগুলো নিয়মিত বা নিশ্চিত কিছু নয়। বেতনের বাইরে যেসব সুবিধা পান টাকার হিসাব তো হলো। কিন্তু ডাকসুর ভিপি আর জিএস আরও যেসব সুবিধা পান, সেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। প্রথমত, তারা ডাকসুতে নিজস্ব অফিস কক্ষ পান। হলে আবাসনের ব্যবস্থাও তো আছেই শিক্ষার্থী হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের বিশেষ আসন থাকে। কিন্তু আসল কথা হলো প্রশাসনিক ক্ষমতা। ভিপি আর জিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দুটো বডি, সিনেট আর সিন্ডিকেটের স্থায়ী সদস্য হন। এই দুই বডিতে দেশের নামকরা শিক্ষাবিদ, আমলা আর রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে একজন ছাত্রনেতা তাদের সমান ক্ষমতা নিয়ে বসতে পারেন, এটা কম কথা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন হোক, নতুন শিক্ষক নিয়োগ হোক, কিংবা উন্নয়ন পরিকল্পনা হোক, সব জায়গায় তাদের মতামত থাকে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তারা প্রতিবাদ করতে পারেন, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভেটোও দিতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে বৈঠক ডাকার ক্ষমতা আছে তাদের। উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ তো আছেই। এই পদ দুটোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সামাজিক মর্যাদা আর নেটওয়ার্কিং। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করার সুযোগ পান ডাকসুর নেতারা। জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি হয়। ভবিষ্যতে ক্যারিয়ারে এই পরিচিতি অনেক কাজে আসে। বাংলাদেশের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদই ডাকসুর প্রাক্তন নেতা ছিলেন। আসলে ডাকসু মানে শুধু একটা ছাত্র সংগঠন নয়। এটা বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই এই পদে থাকা মানে একটা ঐতিহাসিক দায়িত্ব বহন করা।
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ | দুপুর ১২:২৩
আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নতুন এক আলোচিত ঘটনা যুক্ত হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ ক্লাব আল নাসেরের নারী দলের অধিনায়ক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্যাথলিন সৌজা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করেছেন। তার জীবনে এটি একটি নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জানা যায়, সৌজা বর্তমানে সৌদি আরবেই বসবাস করছেন এবং আল নাসেরের হয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফুটবলের প্রতি তার পরিশ্রম ও নিষ্ঠা, পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গীকার দুই ক্ষেত্রেই তার আন্তরিকতা তাকে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এনে দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের এই সিদ্ধান্ত তার প্রতি সেই শ্রদ্ধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আল নাসেরের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক বার্তায় সৌজার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ওমরাহ পালনের সময়কার তার ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনি নিজের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনা ও অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা ভেসে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও বিনোদন জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তাদের অনেকেই নতুন বিশ্বাসের মাধ্যমে পাওয়া শান্তি ও তৃপ্তির কথা প্রকাশ্যে শেয়ার করেছেন। সৌজার সিদ্ধান্তও সেই ধারারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। আল নাসর এক বিবৃতিতে সৌজার এই যাত্রাকে সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক পথচলা বলে উল্লেখ করেছে এবং তার ক্রীড়া ও আধ্যাত্মিক জীবনে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের মতে, পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার ও নতুন ধর্মীয় জীবনের মধ্যে যে ভারসাম্য তিনি গড়ে তুলছেন, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। সৌজার ইসলাম গ্রহণ ও ওমরাহ পালন শুধু তার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের বহুমাত্রিকতা ও বিভিন্ন সংস্কৃতি-ধর্মের প্রতি উন্মুক্ততারও প্রতীক হয়ে উঠেছে। ফুটবল মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তার এই আধ্যাত্মিক যাত্রা তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রীড়াবিদদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।
রমজান মাসে অনেকেই রক্তদানের সুযোগ পেলে দ্বিধায় পড়ে যান। মনে প্রশ্ন জাগে, রোজা থাকা অবস্থায় রক্ত দেয়া যাবে কি? বা দিলে কি রোজা ভাঙ্গে ? এই সংশয়ের কারণে অনেকে রক্ত দিতে পারেন না, অথচ ইসলামে বিষয়টা একদম পরিষ্কার। রোজা রেখে রক্ত দেওয়া যাবে কি? সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো, হ্যাঁ যাবে। রক্ত দিলে রোজা ভাঙে না। কারণ রোজা ভাঙার শর্ত হলো শরীরে কিছু প্রবেশ করানো, বের করা নয়। রক্ত দেওয়া হলো শরীর থেকে কিছু বের করা, ভেতরে নেওয়া নয়। তাই ফিকাহর মূলনীতি অনুযায়ী রোজা অক্ষুণ্ণ থাকে। তবে একটা বাস্তব সমস্যা আছে। ঢাকার একটি ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবক জানিয়েছেন, রমজানে রোজা রেখে রক্ত দিতে আসা অনেককেই অর্ধেক পথে অসুস্থ হয়ে পড়তে দেখেছেন তিনি। সারাদিন না খেয়ে থেকে আধা ব্যাগ রক্ত দিলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এই কারণে অনেক আলেম বলেছেন, জরুরি প্রয়োজন না হলে দিনের বেলা রক্ত না দিয়ে ইফতারের পরে দেওয়াটাই ভালো। শরীর সুস্থ রাখাও ইসলামে দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে কেউ মারা যাচ্ছে আর এখনই রক্ত না দিলে তার জীবন বিপদে পড়বে, তখন রোজা অবস্থায় রক্ত দেওয়া শুধু জায়েজ না, বরং অনেক আলেমের মতে সওয়াবের কাজ। একটা মানুষের জীবন বাঁচানো ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, রোজা রেখে রক্ত দিলে রোজা ভাঙবে না। তবে শরীরের অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নিন। পারলে ইফতারের পরে দিন, না পারলে দিনেও দিন, রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
রমজান মাসে গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ইফতারে কী খাবেন সেটা ঠিক করা। ভুল খাবার খেলে সারারাত পেটে জ্বালাপোড়া, বুকে ব্যথা, বমি বমি ভাব। আর সঠিক খাবার বেছে নিলে রোজাটা বরং গ্যাস্ট্রিকের জন্য উপকারীও হতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা রোজায় কী খাবেন কী খাবেন না? ময়মনসিংহের একজন গৃহিণী প্রতি বছর রমজানে ভোগেন একই সমস্যায়। ইফতারে বেগুনি, পেঁয়াজু, হালিম আর তেলেভাজা খেয়ে রাত্রে পেট জ্বালায় ঘুম হয় না। গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টের কাছে গিয়ে জানলেন, সমস্যা রোজায় নয়, সমস্যা খাবারের ধরনে। গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের জন্য ইফতারে প্রথমেই তেলেভাজা খাবার এড়িয়ে যাওয়াটা জরুরি। বেগুনি, পেঁয়াজু, সমুচা, জিলাপি এগুলো পেটের অ্যাসিড বাড়িয়ে দেয় দ্রুত। খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা সুন্নত এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও উপকারী, কারণ এটা পাকস্থলীকে নরমভাবে সক্রিয় করে। সাথে পানি আর হালকা কিছু খেয়ে একটু বিরতি নিন, তারপর মূল খাবার খান। সেহরিতে ভাত, রুটি, ডাল, সবজি এই ধরনের সহজপাচ্য খাবার বেছে নেওয়া ভালো। অনেকে সেহরিতে ভারী মশলাদার খাবার খান ভেবে যে সারাদিন পেট ভরা থাকবে, কিন্তু গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের জন্য এটা উলটো ফল দেয়। মশলা বেশি হলে সারাদিন পেটে অ্যাসিড তৈরি হতে থাকে। চা আর কফি থেকে দূরে থাকুন। ইফতারে চা খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে, কিন্তু খালি পেটে চা পাকস্থলীর দেয়ালে সরাসরি অ্যাসিড তৈরি করে। কোল্ড ড্রিংকস তো একদমই না, এটা গ্যাস্ট্রিক রোগীদের জন্য রমজানেও রমজানের বাইরেও বিপজ্জনক। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত যতটা সম্ভব পানি পান করুন। পানি কম খেলে অ্যাসিড ঘন হয়ে পেটে জ্বালাপোড়া বাড়ে। রাতে ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করুন। খেয়েই শুয়ে পড়লে অ্যাসিড গলায় উঠে আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োজনে অ্যান্টাসিড বা প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর ওষুধ সেহরির আগে খেয়ে নিতে পারেন। এটা সারাদিন পেটকে সুরক্ষিত রাখে। তবে নিজে নিজে ওষুধ না বেড়ে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। রোজা গ্যাস্ট্রিক রোগীদের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং নিয়মিত খাওয়ার বিরতি পেটকে কিছুটা বিশ্রাম দেয়। শুধু দরকার সঠিক খাবারের বাছাই। ডা. তন্ময় সাহা এমবিবিএস (গ্যাস্ট্রোলজি ) , ল্যাব এইড হাসপাতাল মালিবাগ
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। ২০১৫ সালের পর দশ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো নতুন বেতন কাঠামো ঘোষিত হয়নি। বিভিন্ন সংগঠনের দাবি ও প্রস্তাবনার আলোকে নবম বা নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? কী কী প্রস্তাব এসেছে, সুযোগ-সুবিধা এবং গ্রেড সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবম পে স্কেলে বেতন বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রস্তাবগুলো হলো: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের প্রস্তাব সর্বনিম্ন বেতন: ৩৫,০০০ টাকা (বর্তমান ৮,২৫০ টাকা) সর্বোচ্চ বেতন: ১,৪০,০০০ টাকা (বর্তমান ৭৮,০০০ টাকা) গ্রেড সংখ্যা: ২০টি থেকে কমিয়ে ১২টি করার সুপারিশ এই প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ৪ গুণ এবং সর্বোচ্চ বেতন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের প্রস্তাব সর্বনিম্ন মূল বেতন: ৩২,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,২৮,০০০ টাকা নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি পে কমিশনের সুপারিশে প্রত্যাশিত বেতন একাধিক সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, পে কমিশন সুপারিশে: সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২৫,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,৫০,০০০ টাকা গ্রেড সংখ্যা কমানো এবং বেতন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ৩০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রস্তাবে: প্রথম গ্রেডের সর্বনিম্ন বেতন: ২,৩৪,০০০ টাকা দ্বিতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮৮,০০০ থেকে ২,৪০,৬৭০ টাকা তৃতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮০,০০০ থেকে ২,২৫,৩৫০ টাকা তবে সচিবরা ৩-৪ গুণ বেতন বৃদ্ধির এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেননি। তারা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রস্তাবিত সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধি নবম পে স্কেলে শুধু মূল বেতন নয়, বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে: বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রস্তাবিত হার: মূল বেতনের ৫% থেকে ৮০% পর্যন্ত (পদভেদে) কর্মচারী সংগঠনগুলো ২০% এর নিচে বাড়ি ভাড়া মানতে রাজি নয় বর্তমানে অনেক গ্রেডে মাত্র ৫-১০% বাড়ি ভাড়া রয়েছে চিকিৎসা ভাতা প্রস্তাবিত: ৩,০০০ টাকা (বর্তমান ১,৫০০ টাকা) বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের দাবি শিক্ষা ভাতা প্রস্তাবিত: ২,০০০ টাকা সন্তানদের শিক্ষা খরচের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সুপারিশ ধোলাই ভাতা প্রস্তাবিত: ১,০০০ টাকা বর্তমান খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ অস্থায়ী মহার্ঘ ভাতা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ৫০% মহার্ঘ ভাতা চালুর দাবি উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই দাবি জোরদার হচ্ছে। গবেষণা অনুদান (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে: অধ্যাপক: ১০ লাখ টাকা বার্ষিক সহযোগী অধ্যাপক: ৫ লাখ টাকা সহকারী অধ্যাপক: ৩ লাখ টাকা প্রভাষক: ২ লাখ টাকা পেনশন সুবিধা নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য ১০০% পেনশন চালুর দাবি পেনশন গ্রাচুইটি হার ১ টাকা = ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব গ্রেড সংস্কার: সুবিধা ও অসুবিধা নবম পে স্কেলে গ্রেড সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব এসেছে। এর সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ: বর্তমান পরিস্থিতি বর্তমান গ্রেড সংখ্যা: ২০টি প্রথম থেকে দশম গ্রেড: কর্মকর্তা পর্যায় একাদশ থেকে বিংশ গ্রেড: কর্মচারী পর্যায় গ্রেড কমানোর সুবিধা ১. বেতন বৈষম্য হ্রাস: গ্রেড কম হলে বেতনের পার্থক্য যৌক্তিক হবে ২. পদোন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি: কম গ্রেডে পদোন্নতি দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা ৩. প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস: কম গ্রেড মানে সহজ বেতন কাঠামো ৪. সমতা প্রতিষ্ঠা: উচ্চ ও নিম্ন গ্রেডের মধ্যে ব্যবধান কমবে গ্রেড কমানোর সম্ভাব্য অসুবিধা ১. পদের স্বল্পতা: কম গ্রেডে একই পদে বেশি কর্মচারী থাকলে পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে ২. পুনর্বিন্যাস জটিলতা: বর্তমান কর্মচারীদের নতুন গ্রেডে স্থাপন জটিল হবে ৩. বিশেষায়িত পদের সমস্যা: কিছু বিশেষায়িত পদের গ্রেড নির্ধারণে জটিলতা প্রস্তাবিত গ্রেড কাঠামো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাব: ১২ গ্রেড: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন ১৬ গ্রেড: কিছু সূত্রে ১৬ গ্রেডের কথা উল্লেখ রয়েছে ১০ গ্রেড: কিছু কর্মচারী সংগঠন মাত্র ১০টি গ্রেডের পক্ষে গ্রেড ভিত্তিক বেতন পার্থক্যের প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ১২ গ্রেড প্রস্তাবে: ১ম থেকে ২য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ২য় থেকে ৩য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৩য় থেকে ৪র্থ গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৪র্থ থেকে ৫ম গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৫ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড: ৫,০০০ টাকা করে কমছে ৯ম থেকে ১০ম গ্রেড পার্থক্য: ১০,০০০ টাকা ১০ম থেকে ১১তম গ্রেড পার্থক্য: ৮,০০০ টাকা ১১তম থেকে ১২তম গ্রেড পার্থক্য: ৭,০০০ টাকা এই কাঠামোতে উচ্চ গ্রেডে বেশি পার্থক্য এবং নিম্ন গ্রেডে কম পার্থক্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান বেতন ব্যবস্থার সমস্যা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করা হয়। পূর্বে: ৪ বছর পূর্তিতে সিলেকশন গ্রেড ৮, ১২, ১৫ বছর পূর্তিতে টাইম স্কেল বর্তমানে উচ্চতর গ্রেড প্রদানের নামে ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি করে মাত্র ১০ টাকা বেতন বৃদ্ধি হয়, যা কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। পদোন্নতি বৈষম্য ১-১০ গ্রেডের কর্মকর্তারা নিয়মিত পদোন্নতি পান ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা ১৫-২০ বছরেও পদোন্নতি পান না ব্লক পোস্টের কারণে অনেকে সারাজীবন একই গ্রেডে থাকেন বেতন বৈষম্যের চিত্র অষ্টম পে স্কেলে: ২০তম থেকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৮টি গ্রেডে বেতন বাড়ে মাত্র ৩,০৫০ টাকা ১-১০ গ্রেডে গ্রেড ভিত্তিক ব্যবধানের হার সর্বনিম্ন ২.২২% ও সর্বোচ্চ ৯.৬০% একই শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে বেতন গ্রেড ও পদ মর্যাদায় বৈষম্য দাবি সংস্কার: সংগঠনগুলোর দাবিনামা সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো নবম পে স্কেলে যেসব সংস্কার চায়: মূল দাবিসমূহ ১. বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো - গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ২. এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন ৩. ৫ বছর পর পর পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড প্রদান ৪. টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল সহ জ্যেষ্ঠতা বজায় ৫. সচিবালয়ে ন্যায় পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন ৬. সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয় ৭. নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশন ও ১০০% পেনশন ৮. কাজের ধরণ অনুযায়ী পদ, নাম ও গ্রেড একীভূতকরণ বেতন বৃদ্ধির হার নিয়ে দাবি কর্মচারী সংগঠনগুলো যুক্তি দিয়েছে: ২০১৫ সালের পর অন্তত দুটি কমিশন হওয়া উচিত ছিল দুইবারের সময়ে একবার পে স্কেল হওয়ায় অন্তত ১৫০% বৃদ্ধি হওয়া উচিত ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালে মূল বেতন প্রায় ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছিল সর্বশেষ আপডেট ও সরকারের অবস্থান পে কমিশনের অগ্রগতি কমিশন গঠন: জুলাই ২০২৫, চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সভা সংখ্যা: ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫টি পূর্ণ কমিশন সভা অনুষ্ঠিত মতামত সংগ্রহ: প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের সাথে আলোচনা সম্পন্ন সময়সীমা: জানুয়ারি ২০২৫-এ সুপারিশ জমা দেওয়ার লক্ষ্য তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ১. প্রথম ধাপ: জানুয়ারিতে কমিশনের সুপারিশ জমা ২. দ্বিতীয় ধাপ: সচিব কমিটিতে পর্যালোচনা ও অনুমোদন ৩. তৃতীয় ধাপ: উপদেষ্টা পরিষদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও গেজেট জারি সরকারের বক্তব্য অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার এলে এটি বাস্তবায়ন করবেন। তবে পে কমিশনের সুপারিশ দ্রুত জমা হওয়ার আশা করা হচ্ছে। কর্মচারীদের আলটিমেটাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের সুপারিশসহ গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে। তবে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০ ডিসেম্বর কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মূল্যস্ফীতি ও বাস্তবতা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০১৫ থেকে ৭ বছরে ৪০% বেতন বৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১০০-১৫০% বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে একজন মানুষ দিনে তিন বেলা ডাল-ভাত-ভর্তা খেলে খরচ প্রায় ১৫০ টাকা ছয় সদস্যের পরিবারের জন্য মাসে অন্তত ২৭ হাজার টাকা খাবার খরচ বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সব খরচে ৫০ হাজার টাকাতেও চলে না জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ১৭-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের বর্তমান বেতনে: বাসা ভাড়া দিতে পারেন না যথাযথ পরিবারের ৬ জন সদস্যের মাসের বাজার সদাই সামাল দিতে হিমশিম ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে কষ্ট মাস শেষ হওয়ার আগেই ঋণ করে সংসার চালাতে হয় প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা কর্মচারীদের প্রত্যাশা ১. যৌক্তিক বেতন বৃদ্ধি - মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ২. বৈষম্য নিরসন - সব গ্রেডে সমান বৃদ্ধির হার ৩. দ্রুত বাস্তবায়ন - আর বিলম্ব না করা ৪. সার্ভিস বেনিফিট - পুরাতন কর্মচারীরাও যেন সুবিধা পান বিশেষজ্ঞদের মতামত মূল বেতন দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা কম তবে মোট বেতন (Gross Salary) এবং ভাতার ওপর জোর দেওয়া হবে নিম্ন গ্রেডের বেতন আনুপাতিক হারে বেশি বাড়ানোর সম্ভাবনা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবসম্মত বৃদ্ধি হবে সম্ভাব্য বাস্তবায়নের সময় সুপারিশ জমা: জানুয়ারি ২০২৫ চূড়ান্ত অনুমোদন: ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৫ কার্যকর হওয়া: ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে সম্ভাবনা সতর্কতা: ভুয়া তথ্য থেকে সাবধান সোশ্যাল মিডিয়াতে পে স্কেল নিয়ে প্রায়ই ভিত্তিহীন খবর বা ভুয়া গেজেট ছড়িয়ে পড়ে। যেমন: "আগামী মাসেই বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে" "১০টি গ্রেড বাতিল হচ্ছে" "পে স্কেল ঘোষণা হয়ে গেছে" মনে রাখবেন: পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একমাত্র অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে। এর আগে যা শোনা যায়, তা মূলত প্রস্তাবনা বা আলোচনা। উপসংহার নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি সবকিছু মিলিয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,২৮,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১২টি করা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো এবং ভাতা বৃদ্ধির দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত একটি সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। জাতীয় বেতন কমিশন জানুয়ারিতে তাদের সুপারিশ জমা দিলে এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশিত হলে দেশের প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হবে। নবম পে স্কেল শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সরকারি সেবার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। সর্বশেষ আপডেট: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিঃদ্রঃ এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবনা এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত। চূড়ান্ত বেতন কাঠামো পে কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলো প্রস্তাবনা হিসেবেই বিবেচিত হবে।
নতুন ফোন কিনেছেন, বা বাসায় মেহমান এসেছেন, আর ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড মনে নেই? রাউটার রিসেট করার দরকার নেই। এই কয়টা উপায় জানলে এক মিনিটেই কাজ হবে। জানুন ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বের করার উপায়। ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বেশিরভাগ মানুষ প্রথমেই রাউটার রিসেট দেওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু এই একটা ভুল সিদ্ধান্তে পুরো নেটওয়ার্ক সেটআপ নতুন করে করতে হয়, সময় নষ্ট হয়, মাথা গরম হয়। অথচ ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে সেটা বের করার উপায় একটা না, একাধিক। আর প্রতিটা উপায়ই এত সহজ যে যেকেউ পাঁচ মিনিটেই করতে পারবেন। মাসের পর মাস একই ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন, পাসওয়ার্ড একবার দিয়েছিলেন, ফোন মুখস্থ করে নিয়েছে। তারপর হঠাৎ একদিন নতুন কেউ এলো বাসায়, জিজ্ঞেস করলো "ভাই, ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড কী?" আর আপনি পুরো থ। যে ডিভাইসে আগে থেকে কানেক্টেড আছেন সেটা দিয়েই বের করুন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আপনার নিজের ডিভাইস থেকেই পাসওয়ার্ড দেখে নেওয়া। যে ফোন বা কম্পিউটারে ওয়াই-ফাই আগে থেকে সেভ করা আছে, সেটাতেই লুকিয়ে আছে পাসওয়ার্ড। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে সেটিংসে যান, তারপর Wi-Fi অপশনে ঢুকুন। যে নেটওয়ার্কে কানেক্টেড আছেন সেটার উপর ট্যাপ করুন। নিচে একটা QR কোড দেখাবে। সেই QR কোড স্ক্যান করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি বেরিয়ে আসবে। কিছু অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে Share বাটনে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি টেক্সট আকারেও দেখা যায়। আইফোনের ক্ষেত্রে iOS 16 বা তার পরের ভার্সনে কাজটা আরও সহজ। Settings থেকে Wi-Fi তে যান, কানেক্টেড নেটওয়ার্কের পাশের "i" আইকনে ট্যাপ করুন। Password অপশনে ট্যাপ করলে Face ID বা পাসকোড দিতে বলবে, সেটা দিলেই পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। উইন্ডোজ কম্পিউটার থেকে বের করুন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ওয়াই-ফাই কানেক্টেড থাকলে পাসওয়ার্ড বের করা আরও সরল। Windows 10 বা 11 হলে Control Panel খুলুন। Network and Internet এ যান, তারপর Network and Sharing Center। বাঁদিকে "Change adapter settings" এ ক্লিক করুন। Wi-Fi আইকনে ডাবল ক্লিক করুন, Wireless Properties তে যান, তারপর Security ট্যাব থেকে "Show characters" বক্সে টিক দিন। পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। এছাড়া Command Prompt দিয়েও হয়। Start মেনু থেকে CMD খুলে এই কমান্ড লিখুন: netsh wlan show profile name="আপনার ওয়াই-ফাই নাম" key=clear Key Content এর পাশেই লেখা থাকবে আপনার পাসওয়ার্ড। ম্যাক কম্পিউটার থেকে বের করুন Mac ব্যবহারকারীরা Spotlight দিয়ে "Keychain Access" খুলুন। সেখানে সার্চ বারে আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নাম লিখুন। নেটওয়ার্কটা সিলেক্ট করে "Show Password" এ ক্লিক করুন। Mac পাসওয়ার্ড চাইবে, দিলেই ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। রাউটারের পেছনেও লেখা থাকে অনেকেই এই সহজ কথাটা ভুলে যান। বাসার রাউটারের পেছনে বা নিচে একটা স্টিকার লাগানো থাকে। সেখানে SSID মানে নেটওয়ার্কের নাম এবং Default Password লেখা থাকে। যদি কখনো পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে থাকেন, তাহলে এটাই আসল পাসওয়ার্ড। রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেল থেকেও দেখা যায় যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে 192.168.0.1 অথবা 192.168.1.1 লিখে Enter দিন। রাউটারের লগইন পেজ আসবে। সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দুটোই "admin" হয়। ভেতরে ঢুকলে Wireless Settings বা Wi-Fi Setup অপশনে পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। কিছু জরুরি কথা এই পদ্ধতিগুলো শুধু নিজের নেটওয়ার্কের জন্য। অন্যের ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করা বেআইনি এবং অনৈতিক। বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর ভবিষ্যতে এই ঝামেলায় না পড়তে চাইলে পাসওয়ার্ড একটা নোটবুকে লিখে রাখুন বা ফোনের নোট অ্যাপে সেভ করুন। সাধারণ কিন্তু কার্যকর বুদ্ধি। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়াটা অপরাধ না, এটা মানবিক স্বভাব। কিন্তু এখন থেকে ভুললেও আর চিন্তা নেই।
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .