মতামত

রাজনীতি
৯ম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দলটির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশায় সরকারি ও আধা-সরকারি প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিজীবী রয়েছেন। তাদের বেতন স্কেল সর্বশেষ বৃদ্ধি পেয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে, ২০১৫ সালে ৮ম পে স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে। অথচ গত এক দশকে ৫০ শতাংশেরও বেশি মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে এবং জীবনযাপনের নানামুখী ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি বর্তমান জীবনমান ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দ্রুততম সময়ে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন বেতন না বাড়ায় সরকারি খাতের এই বিপুল সংখ্যক চাকরিজীবী ও তাদের পরিবার বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে চরম হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি বেতনের অন্তর্ভুক্ত চাকরিজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে, গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। তারা বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে প্রায় ১৪৮টি সভা ও মতামত গ্রহণের মাধ্যমে গত ২১ জানুয়ারি ৯ম বেতন কমিশনের প্রস্তাব প্রদান করেছে। কিন্তু তা এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ে শুরু থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টি সোচ্চার ছিল উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু থেকেই বিভিন্ন পেশাজীবীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিল। ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের আন্দোলনেও সরকারি বেতনভুক্ত চাকরিজীবীদের আন্দোলন-সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করে জোরালো ভূমিকা রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

৪ এপ্রিল, ২০২৬ | দুপুর ১:৩১
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে। এছাড়াও বিভিন্ন খাতে ব্যয় সংকোচনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে। সভা ও সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ, সেমিনার ও কনফারেন্স ব্যয় ২০ শতাংশ এবং ভ্রমণ ব্যয় ৩০ শতাংশ হ্রাস করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তারা অর্থাৎ উপসচিব ও এর ওপরের কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনতে পারেন। প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০ অনুযায়ী এ সুবিধা দেওয়া হয়। নীতিমালা অনুসারে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শুধু ঋণ সুবিধাই নয়, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ভাতা পান। এছাড়া গাড়ির জন্য প্রতি বছর ১০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধাও প্রযোজ্য রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত সরকারের আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।


রোববার থেকে সারাদেশে হামের টিকাদান শুরু, অগ্রাধিকার পাবে যারা

দেশজুড়ে হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। গত বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মন্ত্রী জানান, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ (GAVI) থেকে ২১.৯ মিলিয়ন ডোজ হামের টিকা ধার নেওয়া হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে শিশুদের দেওয়া হবে। এতদিন নিয়মিত কর্মসূচিতে ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুরা টিকার আওতায় থাকত। কিন্তু এবারের আপৎকালীন কর্মসূচিতে বয়সসীমা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে  ৬ মাস থেকে শুরু করে ১০ বছর পর্যন্ত সব শিশু-কিশোর টিকা নিতে পারবে। যেসব এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি, সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান শুরু হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় বাতাসে ভেসে বেড়ানো ড্রপলেটের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ভাইরাস বাতাসে বা কোনো বস্তুর উপরিভাগে প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। রোগটি শনাক্ত করতে চিকিৎসকরা সাধারণত '৩C' সূত্র অনুসরণ করেন কফ, কোরাইজা অর্থাৎ তীব্র সর্দি এবং কনজাংকটিভাইটিস বা চোখ লাল হয়ে যাওয়া। এর পাশাপাশি থাকে তীব্র জ্বর, মুখের ভেতরে কপ্লিক স্পট এবং কয়েকদিনের মধ্যে মুখ থেকে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া র‍্যাশ। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এই রোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক আকার নিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, কানে সংক্রমণ এবং এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো গুরুতর জটিলতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। হাম প্রতিরোধে টিকাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়। সাধারণত এমআর (মিসেলস-রুবেলা) বা এমএমআর (মিসেলস-মাম্পস-রুবেলা) টিকা ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুটি ডোজে দেওয়া হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা নিশ্চিত করে। আক্রান্ত শিশুর সেবায় মন্ত্রণালয় কয়েকটি বিষয়ে জোর দিয়েছে পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং অন্যদের থেকে আলাদা রাখা। শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি বা মাত্রাতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, কোনো এলাকায় রোগের বিস্তার ঠেকাতে হলে সেখানকার অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে হবে। তাই নিজের সন্তানের পাশাপাশি আশপাশের সব শিশুর টিকা নিশ্চিত করার বিষয়েও সচেতন থাকতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরী নির্দেশনা সরকারের

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে সবাইকে। সাধারণ নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনা এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধিতে সরকার এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোসা. তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক নোটিশে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবিশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তবে এই নির্দেশনা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। নোটিশে আরও বলা হয়, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দিনের কোনো দাপ্তরিক কর্মসূচি বা মিটিং প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এই নির্দিষ্ট সময়সীমা যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস চলাকালীন সময়ে শুধুমাত্র প্রয়োজন অনুযায়ী লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সচল রাখতে হবে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে। কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় সব বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ যাবতীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিজ দায়িত্বে বন্ধ করতে হবে। অফিস সময় শেষে সব ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারের বিশেষ নির্দেশনা ব্যতীত চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা পরিহার করতে বলা হয়েছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিটি দপ্তরে একটি করে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে বলা হয়েছে।


প্রবাসীরা বিদেশ থেকে পাসপোর্টের আবেদন করবেন যেভাবে

পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু দেশে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই সমস্যায় বিদেশে থাকা লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি প্রতিবছর পড়েন। অথচ এখন আর দেশে না গিয়েও বিদেশ থেকেই পাসপোর্টের আবেদন করা যায়।  প্রবাসীরা বিদেশ থেকে পাসপোর্টের আবেদন করবেন যেভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের মতোই প্রবাসী বাংলাদেশিরাও অনলাইনে পাসপোর্ট নবায়ন এবং নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদনের জন্য একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারবেন। আলাদা কোনো জটিল নিয়ম নেই। মালয়েশিয়া প্রবাসী এক বাংলাদেশি শ্রমিক জানিয়েছেন, আগে পাসপোর্ট করাতে কুয়ালালামপুর দূতাবাসে লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে হতো। এখন অনলাইনে আবেদন করে শুধু বায়োমেট্রিকের জন্য একবার দূতাবাসে যেতে হচ্ছে, বাকি সব ঘরে বসেই। প্রথমে যেতে হবে www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে। সেখানে "ডিরেক্টলি টু অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন" অপশনে ক্লিক করলে শুরুতেই জিজ্ঞেস করা হবে আবেদন বাংলাদেশ থেকে করা হচ্ছে কিনা। "না" উত্তর দিলে দেশ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের নাম বাছাই করার অপশন আসবে। সেখান থেকে নিজের অবস্থানের দেশ ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বেছে নিয়ে নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র (মূল কপি ও ফটোকপি)  অনলাইনে ভেরিফাইড জন্ম নিবন্ধন সনদ পুরনো পাসপোর্ট এর মূল কপি ও ফটোকপি নির্ধারিত ফি জমার রসিদ অনলাইনে পূরণ করা আবেদন ফর্মের প্রিন্ট কপি বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন থেকে আবেদনের ক্ষেত্রে ২০ বছরের উপরে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যক। তবে NID না থাকলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ গ্রহণযোগ্য, সেক্ষেত্রে পিতামাতার NID ও অনলাইন ভেরিফাইড কপি দাখিল করতে হবে। প্রবাসীরা ৫ বছর বা ১০ বছর মেয়াদি ৪৮ বা ৬৪ পাতার পাসপোর্ট করতে পারবেন এবং রেগুলার বা জরুরি ভিত্তিতে ডেলিভারি নিতে পারবেন। ফি দেশ ভেদে ভিন্ন হয়, কারণ স্থানীয় মুদ্রায় রূপান্তর এবং কনস্যুলার সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়। অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন হলে দূতাবাস থেকে নির্ধারিত তারিখে বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য ডাক পাঠানো হবে। সেদিন ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ এবং চোখের আইরিশ স্ক্যান করা হবে, আলাদা কোনো ছবি আনতে হবে না। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগেই নবায়নের আবেদন করা ভালো। বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে যা করবেন বিদেশে পাসপোর্ট হারানো মানে শুধু একটা কাগজ হারানো নয়, এটা পুরো পরিচয় হারানোর মতো। বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের কাছে ধরা খেলে সরাসরি জেল, জরিমানা হওয়ার পর দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। সৌদি আরব প্রবাসী একজন কর্মী জানিয়েছেন, একবার পাসপোর্ট চুরি হওয়ার পর তিনি ভয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছিলেন। দূতাবাসে যোগাযোগ করার পর পুরো প্রক্রিয়াটা যতটা জটিল ভেবেছিলেন ততটা না, তবে জিডি না করার কারণে কিছুটা সময় বেশি লেগেছিল। বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে প্রথমেই নিকটস্থ যেকোনো থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করতে হবে। এরপর সেই দেশে থাকা বাংলাদেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করে সমস্যার কথা জানাতে হবে। তারাই ট্রাভেল পাস বা পাসপোর্ট রি-ইস্যু করে দেশে ফিরতে সহযোগিতা করবে। দূতাবাসে যাওয়ার সময় সাথে নিতে হবে জিডির কপি, হারানো পাসপোর্টের ফটোকপি যদি থাকে, কয়েক কপি ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের কপি। সব কাগজের সাথে পাসপোর্ট হারিয়ে গেছে জানিয়ে একটি ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করার জন্য আবেদন লিখতে হবে মিনিস্টার কাউন্সিলর বরাবর। সাধারণত সমস্ত আবেদন সম্পন্ন করার কোনো সমস্যা না থাকলে সেদিনই ট্রাভেল পারমিট প্রদান করা হয়। এই ট্রাভেল পারমিট দিয়ে সাময়িকভাবে চলাফেরা করা এবং দেশে ফেরা সম্ভব হবে। একটা জরুরি পরামর্শ হলো, পাসপোর্টের একটা ফটোকপি এবং স্ক্যান কপি সবসময় ফোনে বা ইমেইলে সংরক্ষণ করে রাখুন। পাসপোর্ট হারালে এই কপিটাই দূতাবাসে সবচেয়ে বড় কাজে আসে।


ভারত থেকে আমদানির পরেও কমেনি পেঁয়াজের দাম। অস্বস্তিতে ক্রেতারা

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবর আসার পরেও খুচরা বাজারে দাম কমেনি। পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। অর্থাৎ এখনো আগের দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। ফলে অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। আজ রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো কেজিপ্রতি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে রয়েছে। অথচ পাইকারি বাজারে দাম কমে এসেছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবর পাওয়ার পর ক্রেতারা আশা করেছিলেন দাম কমবে। কিন্তু বাজারে সেই প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানির ফলে পাইকারি বাজারে দাম কেজিপ্রতি ৩০থেকে ৪০ টাকা কমেছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা এখনো আগের দামেই বিক্রি করছেন। এর আসল কারন এখনো ভোক্তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়, এবং ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে আমদানি শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ৫০ আইপি (আমদানি অনুমতি পত্র) ইস্যু করা হচ্ছিল যার প্রতিটি ৩০ টন পর্যন্ত পেয়াজ আমদানির অনুমতি ছিল।  মতিঝিল এলাকার একজন ক্রেতা জানান, গত কয়েক দিন ধরে পেঁয়াজের দাম একই আছে। আমদানির খবর শুনে ভেবেছিলাম দাম কমবে, কিন্তু বাজারে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মিরপুর এলাকার একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজার থেকে তারা এখনো আগের দামেই পেঁয়াজ কিনছেন। তাই খুচরা দামও কমানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি শুরু হওয়ার পর পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা নরম হয়েছে। তবে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়তে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি বাড়লে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে খুচরা পর্যায়েও দাম কমবে। তবে সেজন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। এদিকে সাধারণ ক্রেতারা দ্রুত দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন।


নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, আবেদন করা যাবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।  এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।


সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে। এছাড়াও বিভিন্ন খাতে ব্যয় সংকোচনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে। সভা ও সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ, সেমিনার ও কনফারেন্স ব্যয় ২০ শতাংশ এবং ভ্রমণ ব্যয় ৩০ শতাংশ হ্রাস করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তারা অর্থাৎ উপসচিব ও এর ওপরের কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনতে পারেন। প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০ অনুযায়ী এ সুবিধা দেওয়া হয়। নীতিমালা অনুসারে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শুধু ঋণ সুবিধাই নয়, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ভাতা পান। এছাড়া গাড়ির জন্য প্রতি বছর ১০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধাও প্রযোজ্য রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত সরকারের আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

জাতীয়
ট্রাম্পের হুমকিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আট শতাংশ বাড়ল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় আবারও হামলার হুমকি দেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার বিশ্ববাজারের মানদণ্ড অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই মূল্যবৃদ্ধি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্বের প্রায় সব দেশের জ্বালানি বাজেটে। উন্নত-উন্নয়নশীল নির্বিশেষে বিভিন্ন দেশের সরকার এখন জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন নতুন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়, সরকার ইতিমধ্যেই মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের জ্বালানি ব্যবহারে রেশনিং আরোপ করেছে এবং তেলের মূল্য পুনর্নির্ধারণের ইঙ্গিত দিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে জ্বালানি বাজারে আরও বড় ধরনের অস্থিরতা অপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতির ধাক্কা শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক অর্থনীতির গতিতেও লাগবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য






রাজনীতি
৯ম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দলটির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশায় সরকারি ও আধা-সরকারি প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিজীবী রয়েছেন। তাদের বেতন স্কেল সর্বশেষ বৃদ্ধি পেয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে, ২০১৫ সালে ৮ম পে স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে। অথচ গত এক দশকে ৫০ শতাংশেরও বেশি মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে এবং জীবনযাপনের নানামুখী ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি বর্তমান জীবনমান ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দ্রুততম সময়ে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন বেতন না বাড়ায় সরকারি খাতের এই বিপুল সংখ্যক চাকরিজীবী ও তাদের পরিবার বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে চরম হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি বেতনের অন্তর্ভুক্ত চাকরিজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে, গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। তারা বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে প্রায় ১৪৮টি সভা ও মতামত গ্রহণের মাধ্যমে গত ২১ জানুয়ারি ৯ম বেতন কমিশনের প্রস্তাব প্রদান করেছে। কিন্তু তা এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ে শুরু থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টি সোচ্চার ছিল উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু থেকেই বিভিন্ন পেশাজীবীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিল। ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের আন্দোলনেও সরকারি বেতনভুক্ত চাকরিজীবীদের আন্দোলন-সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করে জোরালো ভূমিকা রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

৪ এপ্রিল, ২০২৬ | দুপুর ১:৩১

অর্থনীতি
ছবিঃ ইন্টারনেট
আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের বাজারে পুনরায় স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই নির্ধারিত দামে আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হবে। বাজুস জানিয়েছে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি বেড়ে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৯শ টাকা অতিক্রম করেছে। নতুন দাম অনুযায়ী সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা। সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি অর্থাৎ পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম বাড়াতে হয়েছে। তবে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির বিপরীতে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা রয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা রয়েছে। স্বর্ণের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শিক্ষা
ছবি গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট
এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত হতে পারে?

বর্তমানে সারাদেশে শিক্ষকতা পেশায় আলোচনার তুঙ্গে হল জাতীয় পে স্কেল ২০২৫ বাস্তবায়ন। আর এই আদেশ অনুযায়ী এবং বর্তমান প্রচলিত স্কেল অনুযায়ী বেতন ভাতা কেমন অনেকেই জানে না। অনেকেই চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে এই প্রশ্নটা ঠিকমতো জেনে নেন না, পরে হতাশ হন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বেতনকাঠামো আসলে নির্দিষ্ট, শুধু পদ বুঝে হিসাবটা মেলাতে হবে। চলুন দেখে আসি এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত।  এমপিও মানে হলো Monthly Payment Order। বেসরকারি কলেজের শিক্ষকরা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ মোতাবেক বেতন পান। প্রতি মাসে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি অংশ পরিশোধ করা হয়। এমপিওভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের বেতন কত? বর্তমানে একজন নতুন প্রভাষকের মূল বেতন শুরু হয় ২২ হাজার টাকা থেকে, যা নবম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। সহকারী অধ্যাপকেরা ষষ্ঠ গ্রেডে পান ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা। আর অধ্যক্ষদের বেতন প্রায় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। মূল বেতনের সাথে যোগ হয় বাড়িভাড়া ভাতা ১,০০০ টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা। উৎসব ভাতা হিসেবে এখন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে দুই ঈদে দুটি ভাতা পেয়ে থাকেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা, এছাড়া বৈশাখী ভাতাও আছে। ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি কলেজের এক প্রভাষক জানিয়েছেন, চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ভেবেছিলেন বেতন আরও বেশি হবে। পরে বুঝেছেন, মূল বেতনের বাইরে বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে মাস শেষে হাতে যা আসে সেটা দিয়ে ঢাকায় সংসার চালানো বেশ কষ্টকর। এবার আসা যাক সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ে। নবম পে স্কেল ২০২৫ নিয়ে শিক্ষক মহলে এখন তুমুল আলোচনা চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনায় জানা গেছে, নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন শতভাগ বাড়বে। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোট গত অক্টোবরে পে কমিশনের সাথে মতবিনিময়ে তাদের প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৩০ হাজার এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করতে হবে। প্রস্তাবিত গ্রেড অনুযায়ী একজন প্রভাষকের জন্য গ্রেড-৯-এ ৫৫ হাজার, সহকারী অধ্যাপকের গ্রেড-৬-এ ৮০ হাজার এবং অধ্যক্ষের জন্য গ্রেড-৩-এ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল বেতনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের প্রস্তাবিত ১০ দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাড়িভাড়া মূল বেতনের ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ হারে দেওয়া, উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের সমপরিমাণ করা এবং অবসর ফান্ডের টাকা অবসরের ৬ মাসের মধ্যে পরিশোধ করা। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নতুন পে স্কেলেও বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় বৈষম্যের শিকার হবেন বলে আশঙ্কা আছে। সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ভাতা নতুন পে স্কেলে ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে, যেখানে এমপিও শিক্ষকরা এখনো মাত্র ৫০০ টাকা পাচ্ছেন। পে কমিশনের গেজেট প্রকাশের পরই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নির্ভর করবে বলে জানা গেছে। শিক্ষকরা অপেক্ষায় আছেন, এবার অন্তত একটা সম্মানজনক বেতন কাঠামো মিলবে কিনা।

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | দুপুর ১২:৬

খেলাধুলা
ছবিঃ ইন্টারনেট
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা

আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নতুন এক আলোচিত ঘটনা যুক্ত হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ ক্লাব আল নাসেরের নারী দলের অধিনায়ক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্যাথলিন সৌজা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করেছেন। তার জীবনে এটি একটি নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জানা যায়, সৌজা বর্তমানে সৌদি আরবেই বসবাস করছেন এবং আল নাসেরের হয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফুটবলের প্রতি তার পরিশ্রম ও নিষ্ঠা, পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গীকার দুই ক্ষেত্রেই তার আন্তরিকতা তাকে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এনে দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের এই সিদ্ধান্ত তার প্রতি সেই শ্রদ্ধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আল নাসেরের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক বার্তায় সৌজার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ওমরাহ পালনের সময়কার তার ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনি নিজের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনা ও অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা ভেসে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও বিনোদন জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তাদের অনেকেই নতুন বিশ্বাসের মাধ্যমে পাওয়া শান্তি ও তৃপ্তির কথা প্রকাশ্যে শেয়ার করেছেন। সৌজার সিদ্ধান্তও সেই ধারারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। আল নাসর এক বিবৃতিতে সৌজার এই যাত্রাকে সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক পথচলা বলে উল্লেখ করেছে এবং তার ক্রীড়া ও আধ্যাত্মিক জীবনে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের মতে, পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার ও নতুন ধর্মীয় জীবনের মধ্যে যে ভারসাম্য তিনি গড়ে তুলছেন, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। সৌজার ইসলাম গ্রহণ ও ওমরাহ পালন শুধু তার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের বহুমাত্রিকতা ও বিভিন্ন সংস্কৃতি-ধর্মের প্রতি উন্মুক্ততারও প্রতীক হয়ে উঠেছে। ফুটবল মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তার এই আধ্যাত্মিক যাত্রা তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রীড়াবিদদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

ধর্ম
ছবিঃ পিক্সাবেই
রোজা রেখে রক্ত দেওয়া যাবে কি?

রমজান মাসে অনেকেই রক্তদানের সুযোগ পেলে দ্বিধায় পড়ে যান। মনে প্রশ্ন জাগে, রোজা থাকা অবস্থায় রক্ত দেয়া যাবে কি? বা দিলে কি রোজা ভাঙ্গে ? এই সংশয়ের কারণে অনেকে রক্ত দিতে পারেন না, অথচ ইসলামে বিষয়টা একদম পরিষ্কার।  রোজা রেখে রক্ত দেওয়া যাবে কি? সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো, হ্যাঁ যাবে। রক্ত দিলে রোজা ভাঙে না। কারণ রোজা ভাঙার শর্ত হলো শরীরে কিছু প্রবেশ করানো, বের করা নয়। রক্ত দেওয়া হলো শরীর থেকে কিছু বের করা, ভেতরে নেওয়া নয়। তাই ফিকাহর মূলনীতি অনুযায়ী রোজা অক্ষুণ্ণ থাকে। তবে একটা বাস্তব সমস্যা আছে। ঢাকার একটি ব্লাড ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবক জানিয়েছেন, রমজানে রোজা রেখে রক্ত দিতে আসা অনেককেই অর্ধেক পথে অসুস্থ হয়ে পড়তে দেখেছেন তিনি। সারাদিন না খেয়ে থেকে আধা ব্যাগ রক্ত দিলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এই কারণে অনেক আলেম বলেছেন, জরুরি প্রয়োজন না হলে দিনের বেলা রক্ত না দিয়ে ইফতারের পরে দেওয়াটাই ভালো। শরীর সুস্থ রাখাও ইসলামে দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে কেউ মারা যাচ্ছে আর এখনই রক্ত না দিলে তার জীবন বিপদে পড়বে, তখন রোজা অবস্থায় রক্ত দেওয়া শুধু জায়েজ না, বরং অনেক আলেমের মতে সওয়াবের কাজ। একটা মানুষের জীবন বাঁচানো ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  সহজ কথায়, রোজা রেখে রক্ত দিলে রোজা ভাঙবে না। তবে শরীরের অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নিন। পারলে ইফতারের পরে দিন, না পারলে দিনেও দিন, রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।



স্বাস্থ্য
হামে মৃত্যু ৯৪, হাসপাতালে ৫ হাজারের বেশি শিশু

দেশে হামের পরিস্থিতি প্রতিদিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায়ই প্রাণ হারিয়েছেন আরও তিনজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শুক্রবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে সারাদেশে ৫ হাজার ৭৯২ জন শিশুকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ৭৭১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায়ই নতুন করে ৯৪৭ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। বিভাগওয়ারি চিত্রে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ঢাকা বিভাগ। এখানে এক দিনেই ৩১৫ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং নতুন শনাক্তের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮ জনই ঢাকার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। খুলনা ও সিলেটে ৫ জন করে, চট্টগ্রামে ৪ জন এবং বরিশাল ও রংপুরে ১ জন করে নতুন আক্রান্ত পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ বিভাগে এই ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে রংপুরের হাসপাতালগুলোতে সবচেয়ে কম ৪২ জন ভর্তি রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোববার থেকে শুরু হওয়া বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।





বিশ্লেষন
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো এক নজরে

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। ২০১৫ সালের পর দশ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো নতুন বেতন কাঠামো ঘোষিত হয়নি। বিভিন্ন সংগঠনের দাবি ও প্রস্তাবনার আলোকে নবম বা নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? কী কী প্রস্তাব এসেছে, সুযোগ-সুবিধা এবং গ্রেড সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবম পে স্কেলে বেতন বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রস্তাবগুলো হলো: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের প্রস্তাব সর্বনিম্ন বেতন: ৩৫,০০০ টাকা (বর্তমান ৮,২৫০ টাকা) সর্বোচ্চ বেতন: ১,৪০,০০০ টাকা (বর্তমান ৭৮,০০০ টাকা) গ্রেড সংখ্যা: ২০টি থেকে কমিয়ে ১২টি করার সুপারিশ এই প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ৪ গুণ এবং সর্বোচ্চ বেতন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের প্রস্তাব সর্বনিম্ন মূল বেতন: ৩২,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,২৮,০০০ টাকা নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি পে কমিশনের সুপারিশে প্রত্যাশিত বেতন একাধিক সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, পে কমিশন সুপারিশে: সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২৫,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,৫০,০০০ টাকা গ্রেড সংখ্যা কমানো এবং বেতন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ৩০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রস্তাবে: প্রথম গ্রেডের সর্বনিম্ন বেতন: ২,৩৪,০০০ টাকা দ্বিতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮৮,০০০ থেকে ২,৪০,৬৭০ টাকা তৃতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮০,০০০ থেকে ২,২৫,৩৫০ টাকা তবে সচিবরা ৩-৪ গুণ বেতন বৃদ্ধির এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেননি। তারা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রস্তাবিত সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধি নবম পে স্কেলে শুধু মূল বেতন নয়, বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে: বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রস্তাবিত হার: মূল বেতনের ৫% থেকে ৮০% পর্যন্ত (পদভেদে) কর্মচারী সংগঠনগুলো ২০% এর নিচে বাড়ি ভাড়া মানতে রাজি নয় বর্তমানে অনেক গ্রেডে মাত্র ৫-১০% বাড়ি ভাড়া রয়েছে চিকিৎসা ভাতা প্রস্তাবিত: ৩,০০০ টাকা (বর্তমান ১,৫০০ টাকা) বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের দাবি শিক্ষা ভাতা প্রস্তাবিত: ২,০০০ টাকা সন্তানদের শিক্ষা খরচের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সুপারিশ ধোলাই ভাতা প্রস্তাবিত: ১,০০০ টাকা বর্তমান খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ অস্থায়ী মহার্ঘ ভাতা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ৫০% মহার্ঘ ভাতা চালুর দাবি উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই দাবি জোরদার হচ্ছে। গবেষণা অনুদান (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে: অধ্যাপক: ১০ লাখ টাকা বার্ষিক সহযোগী অধ্যাপক: ৫ লাখ টাকা সহকারী অধ্যাপক: ৩ লাখ টাকা প্রভাষক: ২ লাখ টাকা পেনশন সুবিধা নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য ১০০% পেনশন চালুর দাবি পেনশন গ্রাচুইটি হার ১ টাকা = ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব গ্রেড সংস্কার: সুবিধা ও অসুবিধা নবম পে স্কেলে গ্রেড সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব এসেছে। এর সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ: বর্তমান পরিস্থিতি বর্তমান গ্রেড সংখ্যা: ২০টি প্রথম থেকে দশম গ্রেড: কর্মকর্তা পর্যায় একাদশ থেকে বিংশ গ্রেড: কর্মচারী পর্যায় গ্রেড কমানোর সুবিধা ১. বেতন বৈষম্য হ্রাস: গ্রেড কম হলে বেতনের পার্থক্য যৌক্তিক হবে ২. পদোন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি: কম গ্রেডে পদোন্নতি দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা ৩. প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস: কম গ্রেড মানে সহজ বেতন কাঠামো ৪. সমতা প্রতিষ্ঠা: উচ্চ ও নিম্ন গ্রেডের মধ্যে ব্যবধান কমবে গ্রেড কমানোর সম্ভাব্য অসুবিধা ১. পদের স্বল্পতা: কম গ্রেডে একই পদে বেশি কর্মচারী থাকলে পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে ২. পুনর্বিন্যাস জটিলতা: বর্তমান কর্মচারীদের নতুন গ্রেডে স্থাপন জটিল হবে ৩. বিশেষায়িত পদের সমস্যা: কিছু বিশেষায়িত পদের গ্রেড নির্ধারণে জটিলতা প্রস্তাবিত গ্রেড কাঠামো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাব: ১২ গ্রেড: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন ১৬ গ্রেড: কিছু সূত্রে ১৬ গ্রেডের কথা উল্লেখ রয়েছে ১০ গ্রেড: কিছু কর্মচারী সংগঠন মাত্র ১০টি গ্রেডের পক্ষে গ্রেড ভিত্তিক বেতন পার্থক্যের প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ১২ গ্রেড প্রস্তাবে: ১ম থেকে ২য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ২য় থেকে ৩য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৩য় থেকে ৪র্থ গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৪র্থ থেকে ৫ম গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৫ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড: ৫,০০০ টাকা করে কমছে ৯ম থেকে ১০ম গ্রেড পার্থক্য: ১০,০০০ টাকা ১০ম থেকে ১১তম গ্রেড পার্থক্য: ৮,০০০ টাকা ১১তম থেকে ১২তম গ্রেড পার্থক্য: ৭,০০০ টাকা এই কাঠামোতে উচ্চ গ্রেডে বেশি পার্থক্য এবং নিম্ন গ্রেডে কম পার্থক্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান বেতন ব্যবস্থার সমস্যা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করা হয়। পূর্বে: ৪ বছর পূর্তিতে সিলেকশন গ্রেড ৮, ১২, ১৫ বছর পূর্তিতে টাইম স্কেল বর্তমানে উচ্চতর গ্রেড প্রদানের নামে ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি করে মাত্র ১০ টাকা বেতন বৃদ্ধি হয়, যা কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। পদোন্নতি বৈষম্য ১-১০ গ্রেডের কর্মকর্তারা নিয়মিত পদোন্নতি পান ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা ১৫-২০ বছরেও পদোন্নতি পান না ব্লক পোস্টের কারণে অনেকে সারাজীবন একই গ্রেডে থাকেন বেতন বৈষম্যের চিত্র অষ্টম পে স্কেলে: ২০তম থেকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৮টি গ্রেডে বেতন বাড়ে মাত্র ৩,০৫০ টাকা ১-১০ গ্রেডে গ্রেড ভিত্তিক ব্যবধানের হার সর্বনিম্ন ২.২২% ও সর্বোচ্চ ৯.৬০% একই শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে বেতন গ্রেড ও পদ মর্যাদায় বৈষম্য দাবি সংস্কার: সংগঠনগুলোর দাবিনামা সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো নবম পে স্কেলে যেসব সংস্কার চায়: মূল দাবিসমূহ ১. বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো - গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ২. এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন ৩. ৫ বছর পর পর পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড প্রদান ৪. টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল সহ জ্যেষ্ঠতা বজায় ৫. সচিবালয়ে ন্যায় পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন ৬. সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয় ৭. নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশন ও ১০০% পেনশন ৮. কাজের ধরণ অনুযায়ী পদ, নাম ও গ্রেড একীভূতকরণ বেতন বৃদ্ধির হার নিয়ে দাবি কর্মচারী সংগঠনগুলো যুক্তি দিয়েছে: ২০১৫ সালের পর অন্তত দুটি কমিশন হওয়া উচিত ছিল দুইবারের সময়ে একবার পে স্কেল হওয়ায় অন্তত ১৫০% বৃদ্ধি হওয়া উচিত ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালে মূল বেতন প্রায় ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছিল সর্বশেষ আপডেট ও সরকারের অবস্থান পে কমিশনের অগ্রগতি কমিশন গঠন: জুলাই ২০২৫, চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সভা সংখ্যা: ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫টি পূর্ণ কমিশন সভা অনুষ্ঠিত মতামত সংগ্রহ: প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের সাথে আলোচনা সম্পন্ন সময়সীমা: জানুয়ারি ২০২৫-এ সুপারিশ জমা দেওয়ার লক্ষ্য তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ১. প্রথম ধাপ: জানুয়ারিতে কমিশনের সুপারিশ জমা ২. দ্বিতীয় ধাপ: সচিব কমিটিতে পর্যালোচনা ও অনুমোদন ৩. তৃতীয় ধাপ: উপদেষ্টা পরিষদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও গেজেট জারি সরকারের বক্তব্য অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার এলে এটি বাস্তবায়ন করবেন। তবে পে কমিশনের সুপারিশ দ্রুত জমা হওয়ার আশা করা হচ্ছে। কর্মচারীদের আলটিমেটাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের সুপারিশসহ গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে। তবে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০ ডিসেম্বর কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মূল্যস্ফীতি ও বাস্তবতা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০১৫ থেকে ৭ বছরে ৪০% বেতন বৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১০০-১৫০% বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে একজন মানুষ দিনে তিন বেলা ডাল-ভাত-ভর্তা খেলে খরচ প্রায় ১৫০ টাকা ছয় সদস্যের পরিবারের জন্য মাসে অন্তত ২৭ হাজার টাকা খাবার খরচ বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সব খরচে ৫০ হাজার টাকাতেও চলে না জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ১৭-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের বর্তমান বেতনে: বাসা ভাড়া দিতে পারেন না যথাযথ পরিবারের ৬ জন সদস্যের মাসের বাজার সদাই সামাল দিতে হিমশিম ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে কষ্ট মাস শেষ হওয়ার আগেই ঋণ করে সংসার চালাতে হয় প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা কর্মচারীদের প্রত্যাশা ১. যৌক্তিক বেতন বৃদ্ধি - মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ২. বৈষম্য নিরসন - সব গ্রেডে সমান বৃদ্ধির হার ৩. দ্রুত বাস্তবায়ন - আর বিলম্ব না করা ৪. সার্ভিস বেনিফিট - পুরাতন কর্মচারীরাও যেন সুবিধা পান বিশেষজ্ঞদের মতামত মূল বেতন দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা কম তবে মোট বেতন (Gross Salary) এবং ভাতার ওপর জোর দেওয়া হবে নিম্ন গ্রেডের বেতন আনুপাতিক হারে বেশি বাড়ানোর সম্ভাবনা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবসম্মত বৃদ্ধি হবে সম্ভাব্য বাস্তবায়নের সময় সুপারিশ জমা: জানুয়ারি ২০২৫ চূড়ান্ত অনুমোদন: ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৫ কার্যকর হওয়া: ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে সম্ভাবনা সতর্কতা: ভুয়া তথ্য থেকে সাবধান সোশ্যাল মিডিয়াতে পে স্কেল নিয়ে প্রায়ই ভিত্তিহীন খবর বা ভুয়া গেজেট ছড়িয়ে পড়ে। যেমন: "আগামী মাসেই বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে" "১০টি গ্রেড বাতিল হচ্ছে" "পে স্কেল ঘোষণা হয়ে গেছে" মনে রাখবেন: পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একমাত্র অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে। এর আগে যা শোনা যায়, তা মূলত প্রস্তাবনা বা আলোচনা। উপসংহার নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি সবকিছু মিলিয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,২৮,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১২টি করা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো এবং ভাতা বৃদ্ধির দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত একটি সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। জাতীয় বেতন কমিশন জানুয়ারিতে তাদের সুপারিশ জমা দিলে এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশিত হলে দেশের প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হবে। নবম পে স্কেল শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সরকারি সেবার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। সর্বশেষ আপডেট: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিঃদ্রঃ এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবনা এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত। চূড়ান্ত বেতন কাঠামো পে কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলো প্রস্তাবনা হিসেবেই বিবেচিত হবে।


লাইফস্টাইল
ছবিঃ ইন্টারনেট
গরমে বিদ্যুৎ বিল কমাবেন যেভাবে

তীব্র গরমে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে এয়ার কন্ডিশনার ও ফ্যানের ব্যবহার বেড়ে যায়, যার ফলে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যায় আশঙ্কাজনক হারে। তবে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কিছু সহজ অভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে বিল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নিই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কিছু কার্যকর উপায়। এসি ব্যবহারে বুদ্ধিমত্তা এসি ব্যবহারের সময় তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে না রেখে ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করুন। প্রতি ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়ালে প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। এছাড়া এসি চালানোর সময় হালকা গতিতে ফ্যান চালালে ঘর দ্রুত ঠাণ্ডা হয় এবং এসির ওপর চাপ কম পড়ে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখলে বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই কমে আসে। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ঘর ঠাণ্ডা রাখুন দিনের বেলা, বিশেষ করে দুপুর ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জানালার পর্দা টেনে রাখুন। গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করলে রোদের তাপ ঘরে কম প্রবেশ করে। সন্ধ্যার পর জানালা খুলে দিলে বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে আসবে, ফলে রাতে এসির প্রয়োজন কমবে। এছাড়া ঘরের বাতি বন্ধ রেখে জানালার পর্দা সরিয়ে দিনের প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। ফ্রিজ ব্যবহারে সচেতনতা ফ্রিজ দেয়াল থেকে অন্তত ছয় ইঞ্চি দূরে রাখুন যাতে গরম বাতাস সহজে বের হতে পারে। বারবার ফ্রিজ খোলা থেকে বিরত থাকুন এবং গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে না রেখে ঠাণ্ডা হওয়ার পর রাখুন। গরমকালে ফ্রিজের সেটিংস সামার মোড-এ রাখলে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্লাগ খুলে রাখার অভ্যাস করুন টিভি, ল্যাপটপ চার্জার বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহারের পর শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ করলেও এগুলো সামান্য বিদ্যুৎ খরচ করতে থাকে। তাই কাজ শেষ হওয়া মাত্রই সকেট থেকে প্লাগ খুলে রাখার অভ্যাস করুন। এলইডি বাতি ব্যবহার করুন সাধারণ ফিলামেন্ট বাল্ব বা টিউবলাইটের তুলনায় এলইডি বাতি অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং বেশি আলো দেয়। পুরনো বাতি বদলে এলইডি ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমে আসবে। এই সহজ পদ্ধতিগুলো মেনে চললে গরমকালে বিদ্যুৎ বিলের চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব। ঘরের রং নির্বাচন হালকা রঙের দেয়াল ও ছাদ সূর্যের তাপ কম শোষণ করে। সাদা বা হালকা রঙের পেইন্ট ব্যবহার করলে ঘর তুলনামূলকভাবে ঠাণ্ডা থাকে এবং এসির প্রয়োজন কমে। ছাদে বাগান বা সবুজায়ন ছাদে টবে গাছ লাগালে বা ছাদ বাগান করলে ঘরের তাপমাত্রা কমে আসে। গাছপালা সূর্যের তাপ শোষণ করে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। পুরনো যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন পুরাতন এসি, ফ্রিজ বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। আধুনিক এনার্জি সেভিং মডেল কিনলে দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমে। গিজার ও ওয়াটার হিটার ব্যবহার কমান গরমকালে গরম পানির প্রয়োজন কম থাকে। গিজার বন্ধ রাখুন এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন। রান্নাঘরে সাবধানতা চুলা বা ওভেন ব্যবহারের পর রান্নাঘরের দরজা-জানালা খুলে রাখুন যাতে তাপ বের হয়ে যায়। মাইক্রোওয়েভ বা প্রেশার কুকার ব্যবহার করলে কম সময় ও কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। কাপড় শুকানোর পদ্ধতি ড্রায়ার মেশিন ব্যবহার না করে প্রাকৃতিকভাবে রোদে কাপড় শুকান। গরমে কাপড় দ্রুত শুকায়। স্মার্ট মিটার ও টাইমার ব্যবহার স্মার্ট মিটার ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়। এসিতে টাইমার সেট করে নির্দিষ্ট সময় পর অটো বন্ধ হওয়ার ব্যবস্থা রাখুন। ঘরের ভেন্টিলেশন উন্নত করুন ক্রস ভেন্টিলেশনের জন্য জানালা এমনভাবে খুলুন যাতে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে। এক্সহস্ট ফ্যান ব্যবহার করে গরম বাতাস বের করে দিন। অফ-পিক আওয়ারে কাজ করুন ইস্ত্রি, ওয়াশিং মেশিন বা ডিশ ওয়াশারের মতো ভারী যন্ত্র রাতে বা সকালে ব্যবহার করুন যখন লোডশেডিং কম থাকে। এই উপায়গুলো অনুসরণ করলে গরমকালে বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

প্রযুক্তি
ছবিঃ পিক্সাবেই
ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বের করবেন যেভাবে

নতুন ফোন কিনেছেন, বা বাসায় মেহমান এসেছেন, আর ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড মনে নেই? রাউটার রিসেট করার দরকার নেই। এই কয়টা উপায় জানলে এক মিনিটেই কাজ হবে। জানুন ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বের করার উপায়।  ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বেশিরভাগ মানুষ প্রথমেই রাউটার রিসেট দেওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু এই একটা ভুল সিদ্ধান্তে পুরো নেটওয়ার্ক সেটআপ নতুন করে করতে হয়, সময় নষ্ট হয়, মাথা গরম হয়। অথচ ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে সেটা বের করার উপায় একটা না, একাধিক। আর প্রতিটা উপায়ই এত সহজ যে যেকেউ পাঁচ মিনিটেই করতে পারবেন। মাসের পর মাস একই ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন, পাসওয়ার্ড একবার দিয়েছিলেন, ফোন মুখস্থ করে নিয়েছে। তারপর হঠাৎ একদিন নতুন কেউ এলো বাসায়, জিজ্ঞেস করলো "ভাই, ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড কী?" আর আপনি পুরো থ। যে ডিভাইসে আগে থেকে কানেক্টেড আছেন সেটা দিয়েই বের করুন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আপনার নিজের ডিভাইস থেকেই পাসওয়ার্ড দেখে নেওয়া। যে ফোন বা কম্পিউটারে ওয়াই-ফাই আগে থেকে সেভ করা আছে, সেটাতেই লুকিয়ে আছে পাসওয়ার্ড। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে সেটিংসে যান, তারপর Wi-Fi অপশনে ঢুকুন। যে নেটওয়ার্কে কানেক্টেড আছেন সেটার উপর ট্যাপ করুন। নিচে একটা QR কোড দেখাবে। সেই QR কোড স্ক্যান করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি বেরিয়ে আসবে। কিছু অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনে Share বাটনে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড সরাসরি টেক্সট আকারেও দেখা যায়। আইফোনের ক্ষেত্রে iOS 16 বা তার পরের ভার্সনে কাজটা আরও সহজ। Settings থেকে Wi-Fi তে যান, কানেক্টেড নেটওয়ার্কের পাশের "i" আইকনে ট্যাপ করুন। Password অপশনে ট্যাপ করলে Face ID বা পাসকোড দিতে বলবে, সেটা দিলেই পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। উইন্ডোজ কম্পিউটার থেকে বের করুন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ওয়াই-ফাই কানেক্টেড থাকলে পাসওয়ার্ড বের করা আরও সরল। Windows 10 বা 11 হলে Control Panel খুলুন। Network and Internet এ যান, তারপর Network and Sharing Center। বাঁদিকে "Change adapter settings" এ ক্লিক করুন। Wi-Fi আইকনে ডাবল ক্লিক করুন, Wireless Properties তে যান, তারপর Security ট্যাব থেকে "Show characters" বক্সে টিক দিন। পাসওয়ার্ড সামনে চলে আসবে। এছাড়া Command Prompt দিয়েও হয়। Start মেনু থেকে CMD খুলে এই কমান্ড লিখুন: netsh wlan show profile name="আপনার ওয়াই-ফাই নাম" key=clear Key Content এর পাশেই লেখা থাকবে আপনার পাসওয়ার্ড। ম্যাক কম্পিউটার থেকে বের করুন Mac ব্যবহারকারীরা Spotlight দিয়ে "Keychain Access" খুলুন। সেখানে সার্চ বারে আপনার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নাম লিখুন। নেটওয়ার্কটা সিলেক্ট করে "Show Password" এ ক্লিক করুন। Mac পাসওয়ার্ড চাইবে, দিলেই ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। রাউটারের পেছনেও লেখা থাকে অনেকেই এই সহজ কথাটা ভুলে যান। বাসার রাউটারের পেছনে বা নিচে একটা স্টিকার লাগানো থাকে। সেখানে SSID মানে নেটওয়ার্কের নাম এবং Default Password লেখা থাকে। যদি কখনো পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে থাকেন, তাহলে এটাই আসল পাসওয়ার্ড। রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেল থেকেও দেখা যায় যেকোনো ব্রাউজারে গিয়ে 192.168.0.1 অথবা 192.168.1.1 লিখে Enter দিন। রাউটারের লগইন পেজ আসবে। সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দুটোই "admin" হয়। ভেতরে ঢুকলে Wireless Settings বা Wi-Fi Setup অপশনে পাসওয়ার্ড দেখা যাবে। কিছু জরুরি কথা এই পদ্ধতিগুলো শুধু নিজের নেটওয়ার্কের জন্য। অন্যের ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করা বেআইনি এবং অনৈতিক। বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর ভবিষ্যতে এই ঝামেলায় না পড়তে চাইলে পাসওয়ার্ড একটা নোটবুকে লিখে রাখুন বা ফোনের নোট অ্যাপে সেভ করুন। সাধারণ কিন্তু কার্যকর বুদ্ধি। পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়াটা অপরাধ না, এটা মানবিক স্বভাব। কিন্তু এখন থেকে ভুললেও আর চিন্তা নেই।



ক্যারিয়ার
নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, ছবিঃ ক্যানভা
নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, আবেদন করা যাবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।  এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।