মতামত

প্রাথমিক শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে নতুন আদেশ
জাতীয়
প্রাথমিক শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে নতুন আদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন নির্দেশনায় শিক্ষকদের সরকার, সরকারি দপ্তর বা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার কিংবা আপত্তিকর পোস্ট করা থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য, কটূক্তি এবং অপপ্রচারমূলক পোস্ট করছেন বা সেগুলো শেয়ার করছেন, যা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর। অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো সরকারি কর্মচারী রাষ্ট্র, সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, মন্তব্য বা শেয়ার করতে পারবেন না। এ ধরনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে তা সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কটূক্তি, অপপ্রচার বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:১৯






ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করলে কী ক্ষতি হয়? যা অনেকেই জানেন না
ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করলে কী ক্ষতি হয়? যা অনেকেই জানেন না

গরমে ফ্রিজের বরফঠান্ডা পানি খেতে খুব ভালো লাগে। মুখে দিলেই যেন শরীরটা একদম শান্ত হয়ে যায়। তবে চিকিৎসকদের মতে নিয়মিত খুব ঠান্ডা পানি পান করলে শরীরের কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো গলা ব্যথা, টনসিলের সমস্যা বেড়ে যাওয়া, হজমে ধীরগতি এবং অনেকের ক্ষেত্রে দাঁতে সেনসিটিভিটি বেড়ে যাওয়া। বিশেষ করে খাওয়ার ঠিক পরপরই খুব ঠান্ডা পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া কিছুটা ব্যাহত হতে পারে, কারণ খাবারের চর্বি দ্রুত জমাট বাঁধার প্রবণতা তৈরি হয়। এছাড়া গরম শরীর হঠাৎ করে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে এলে শরীরের রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যেতে পারে, যার ফলে মাথা ভারী লাগা বা অস্বস্তি অনুভব করা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তবে আসল বিষয়টা আরও গভীর, যা খুব কম মানুষ জানে অনেকেই ভাবেন ঠান্ডা পানি শুধু গলা বা হজমের সমস্যা তৈরি করে। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ফিজিওলজিক্যাল পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, খুব ঠান্ডা পানি পান করার পর শরীরের ভ্যাগাস নার্ভ সাময়িকভাবে সক্রিয় হয়ে যেতে পারে। এই নার্ভ হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কিছু সংবেদনশীল মানুষের ক্ষেত্রে হঠাৎ বরফঠান্ডা পানি পান করলে “vagal response” নামে একটি প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যেখানে সাময়িকভাবে হার্ট রেট কমে যায় বা মাথা ঘোরা অনুভূত হতে পারে। এটি খুবই বিরল হলেও পুরোপুরি অস্বাভাবিক নয়। আরেকটি কম আলোচিত বিষয় হলো ঠান্ডা পানির কারণে খাদ্যনালীর মাংসপেশি সাময়িকভাবে সংকুচিত হতে পারে, ফলে কারও কারও বুকের মাঝখানে অস্বস্তি বা চাপ অনুভূত হয়, যা অনেক সময় গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ভেবে ভুল করা হয়। আরো পড়ূনঃ দিনে কত টুকু পানি খাওয়া উচিৎ  গরমে কীভাবে পানি খাওয়া সবচেয়ে ভালো চিকিৎসকদের মতে গরমে হালকা ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি সবচেয়ে নিরাপদ। একসাথে অনেক ঠান্ডা পানি না খেয়ে ধীরে ধীরে পান করা ভালো। বিশেষ করে ব্যায়াম বা রোদে বাইরে থেকে এসে সঙ্গে সঙ্গে বরফঠান্ডা পানি না খাওয়াই ভালো। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করা একেবারে নিষিদ্ধ নয়, তবে নিয়মিত অভ্যাস হিসেবে খুব বেশি ঠান্ডা পানি খেলে শরীর কিছুটা স্ট্রেসে পড়তে পারে। তাই ভারসাম্য বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শরীরকে ঠান্ডা রাখতে পানি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেটি যেন অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে ক্ষতির কারণ না হয়, সেটাই খেয়াল রাখা দরকার।

স্বাস্থ্য
থুতনির ওপর ১ ঘণ্টা স্কেটবোর্ড ব্যালেন্স করে বিশ্ব রেকর্ড, অবাক নেটদুনিয়া

স্কেটবোর্ড সাধারণত তরুণদের দ্রুতগতির কসরত আর রোমাঞ্চের প্রতীক হিসেবেই পরিচিত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ডেভিড রাশ সেই পরিচিত ধারণাকেই বদলে দিলেন এক অবিশ্বাস্য কীর্তিতে। পায়ের বদলে তিনি একটি স্কেটবোর্ড নিজের থুতনির ওপর টানা ১ ঘণ্টার বেশি সময় ব্যালেন্স করে গড়েছেন নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। এই কৃতিত্বের মাধ্যমে ডেভিড রাশ নিজের ক্যারিয়ারে ৩৫০টির বেশি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্পর্শ করলেন, যা তাকে বিশ্বজুড়ে রেকর্ডপ্রেমীদের আলোচনায় আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বোইস শহরের ওয়াইএমসিএ জিমনেসিয়ামে একটি পিৎজা বল সেশনের বিরতির সময় এই অদ্ভুত চ্যালেঞ্জে অংশ নেন তিনি। সময় গড়াতে গড়াতে যখন ঘড়ির কাঁটা ১ ঘণ্টা ১ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড অতিক্রম করে, তখন তিনি থুতনি থেকে স্কেটবোর্ডটি নামিয়ে আনেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্প্রতি এই ক্যাটাগরিটি নতুনভাবে চালু করেছে। আর প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সেই তালিকায় নিজের নাম লিখিয়ে নিলেন ডেভিড রাশ। তবে এই রেকর্ড গড়ার পথ মোটেও সহজ ছিল না। ডেভিড জানান, স্কেটবোর্ডের গঠনই ছিল তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জ শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝতে পারি স্কেটবোর্ডের ধারালো প্রান্ত থুতনিতে তীব্র ব্যথা তৈরি করছে। মনে হচ্ছিল থুতনির হাড় ছিদ্র হয়ে যাবে।” একপর্যায়ে ব্যথার কারণে রেকর্ড গড়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়লেও পরে এক বন্ধুর স্কেটবোর্ড সংগ্রহশালা থেকে অপেক্ষাকৃত মসৃণ ও ভোঁতা প্রান্তের একটি বোর্ড খুঁজে পান তিনি। সেটি গিনেসের নির্ধারিত ওজন ও আকারের শর্ত পূরণ করায় আবার নতুন উদ্যমে চ্যালেঞ্জ শুরু করেন। ডেভিড রাশ পেশায় একজন প্রকৌশলী। তবে শুধু শখের বশে নয়, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত শিক্ষায় তরুণদের আগ্রহী করে তুলতেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী রেকর্ড গড়ে আসছেন। বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে এ ধরনের অদ্ভুত ও সৃজনশীল বিশ্ব রেকর্ড তরুণদের মাঝে বিজ্ঞানভিত্তিক চর্চা ও নতুন কিছু করার আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আন্তর্জাতিক
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

আপনার জন্য






জাতীয়
প্রাথমিক শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে নতুন আদেশ
প্রাথমিক শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে নতুন আদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন নির্দেশনায় শিক্ষকদের সরকার, সরকারি দপ্তর বা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার কিংবা আপত্তিকর পোস্ট করা থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য, কটূক্তি এবং অপপ্রচারমূলক পোস্ট করছেন বা সেগুলো শেয়ার করছেন, যা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর। অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো সরকারি কর্মচারী রাষ্ট্র, সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পোস্ট, মন্তব্য বা শেয়ার করতে পারবেন না। এ ধরনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে তা সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কটূক্তি, অপপ্রচার বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:১৯

অর্থনীতি
এবার ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত
এবার ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

দেশে নগদবিহীন লেনদেন বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এবার ব্যাংকে সরাসরি না গিয়েই মোবাইল অ্যাপ, ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা ই-ওয়ালেট ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন গ্রাহকেরা। নতুন এই ‘ই-লোন’ সুবিধা চালুর অনুমতি পেয়েছে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। সোমবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যমে দেওয়া এই ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রাহক নির্বাচন থেকে ঋণ বিতরণ ও আদায় পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ ঋণ নিতে গ্রাহককে ব্যাংকে গিয়ে কাগজে সই করতে হবে না। বায়োমেট্রিক তথ্যের মাধ্যমেই পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই ঋণের সুদের হার বাজারভিত্তিক হবে। তবে কোনো ব্যাংক যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ অর্থায়ন সুবিধার আওতায় ঋণ দেয়, তাহলে সুদের হার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। গ্রাহকের তথ্য নিরাপদ রাখতে ওটিপি, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বা মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের ব্যক্তিগত ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য দেশের অভ্যন্তরে থাকা ডেটা ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণ করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন এ সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে ব্যাংকগুলোকে অন্তত ৬ মাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাতে হবে। পরে সেই কার্যক্রমের সফলতার মূল্যায়ন প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আপাতত রিয়েল-টাইম সিআইবি সুবিধা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত ঋণ অনুমোদনে কিছুটা শিথিলতা থাকবে। তবে ঋণ বিতরণের পর অবশ্যই গ্রাহকের সিআইবি রিপোর্ট সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। এ জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের ফি নেওয়া যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, খেলাপি ঋণগ্রহীতারা কোনোভাবেই এই সুবিধা পাবেন না। কেউ তথ্য গোপন করে ঋণ নিলে পরে সিআইবি রিপোর্টে ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের কারণে দেশে দ্রুত অনলাইন আর্থিক সেবার চাহিদা বাড়ছে। নতুন এই ই-লোন ব্যবস্থা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও সহজে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শিক্ষা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১৬–২৩ দিনের ছুটি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ১৬–২৩ দিনের ছুটি, কবে থেকে শুরু?

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদরাসাগুলোতে একযোগে এই ছুটি কার্যকর হবে। তবে শিক্ষার্থীরা মূলত ২১ মে (বৃহস্পতিবার) শেষ ক্লাস শেষে ছুটিতে যাচ্ছে। কারণ ২২ ও ২৩ মে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ওই দুই দিন থেকেই অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান বন্ধ থাকবে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের মূল ছুটি শুরু হবে ২৪ মে থেকে। এরপর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি চলবে ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। ৫ ও ৬ জুন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ৭ জুন (রোববার) থেকে পুনরায় ক্লাস শুরু হবে। এই হিসাবে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট প্রায় ১৬ দিনের ছুটি উপভোগ করবে। অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী ছুটি আরও দীর্ঘ হবে। আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ছুটি থাকবে ২৪ মে থেকে ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। এরপর ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ জুন (রোববার) থেকে ক্লাস শুরু হবে। ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ প্রায় ২১ থেকে ২৩ দিনের দীর্ঘ ছুটি পাবে।

১৩ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:২৯

রাজনীতি
৯ম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দলটির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশায় সরকারি ও আধা-সরকারি প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিজীবী রয়েছেন। তাদের বেতন স্কেল সর্বশেষ বৃদ্ধি পেয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে, ২০১৫ সালে ৮ম পে স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে। অথচ গত এক দশকে ৫০ শতাংশেরও বেশি মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে এবং জীবনযাপনের নানামুখী ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি বর্তমান জীবনমান ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দ্রুততম সময়ে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন বেতন না বাড়ায় সরকারি খাতের এই বিপুল সংখ্যক চাকরিজীবী ও তাদের পরিবার বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে চরম হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি বেতনের অন্তর্ভুক্ত চাকরিজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে, গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। তারা বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে প্রায় ১৪৮টি সভা ও মতামত গ্রহণের মাধ্যমে গত ২১ জানুয়ারি ৯ম বেতন কমিশনের প্রস্তাব প্রদান করেছে। কিন্তু তা এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ে শুরু থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টি সোচ্চার ছিল উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু থেকেই বিভিন্ন পেশাজীবীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিল। ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের আন্দোলনেও সরকারি বেতনভুক্ত চাকরিজীবীদের আন্দোলন-সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করে জোরালো ভূমিকা রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

ধর্ম
বৃষ্টির সময় যে আমলগুলো করবেন
বৃষ্টির সময় যে আমলগুলো করবেন

বাংলাদেশে বৃষ্টি মানেই অন্যরকম এক শান্তি। টিনের চালের ওপর টুপটাপ শব্দ, মাটির গন্ধ, গ্রামের কাঁচা রাস্তা আর ঠান্ডা বাতাস মানুষের মন নরম করে দেয়। ইসলামে বৃষ্টিকে শুধু প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখা হয় না। এটি আল্লাহর রহমত হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। তাই বৃষ্টির সময় কিছু বিশেষ আমল ও দোয়া করার কথা হাদিসে এসেছে। অনেকেই জানেন না, বৃষ্টির সময় দোয়া কবুলের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ইসলামিক স্কলাররা বলেন, এই সময় বান্দা যদি আন্তরিকভাবে আল্লাহকে ডাকে, তাহলে রহমত নাজিলের সঙ্গে সঙ্গে দোয়ার দরজাও খুলে যায়।  বৃষ্টির সময় কিছু বিশেষ আমল, দোয়া ও জিকির করার কথা সহিহ হাদিসে এসেছে। আলেমগণ বলেন, এ সময় বান্দার দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই একজন মুমিনের উচিত বৃষ্টির মুহূর্তগুলোকে ইবাদত ও আল্লাহর স্মরণে কাজে লাগানো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:  ثِنْتَانِ مَا تُرَدَّانِ: الدُّعَاءُ عِنْدَ النِّدَاءِ، وَتَحْتَ الْمَطَرِ “দুটি দোয়া সাধারণত প্রত্যাখ্যান হয় না। আযানের সময়ের দোয়া এবং বৃষ্টির সময়ের দোয়া।” ( সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৫৪০)  ইমাম আলবানী হাদিসটিকে হাসান বলেছেন এই হাদিস থেকে আলেমরা বলেন, বৃষ্টির সময় বেশি বেশি দোয়া করা মুস্তাহাব। বৃষ্টি শুরু হলে যে দোয়া পড়বেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি দেখলে এই দোয়া পড়তেন: «اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا» উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাইয়িবান নাফিআ অর্থ: “হে আল্লাহ, এটিকে উপকারী বৃষ্টি বানিয়ে দিন।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১০৩২) ইমাম নববী (রহ.) বলেন, এই দোয়া পড়া সুন্নত এবং এতে বৃষ্টির বরকত কামনা করা হয়। বৃষ্টির পানি শরীরে লাগানো আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত: “আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তখন বৃষ্টি শুরু হলো। তিনি তাঁর কাপড়ের কিছু অংশ সরিয়ে দিলেন যাতে বৃষ্টির পানি তাঁর শরীরে লাগে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি এমন করলেন কেন? তিনি বললেন, কারণ এটি সদ্য তার রবের কাছ থেকে এসেছে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৮)  ইমাম নববী (রহ.) বলেন, এ হাদিস থেকে বোঝা যায় বৃষ্টির পানি বরকতময় এবং তা শরীরে লাগানো মুস্তাহাব। বৃষ্টির সময় ইস্তিগফার করা আল্লাহ তাআলা বলেন: فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا ۝ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا উচ্চারণ: ফাকুলতুস্তাগফিরু রব্বাকুম ইন্নাহু কানা গাফ্ফারা। ইউরসিলিস সামা’আ আলাইকুম মিদরারা। অর্থ: “আমি বলেছি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি আকাশ থেকে তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন।” - সূরা নূহ, আয়াত: ১০-১১ এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ইবনে কাসির (রহ.) বলেন, ইস্তিগফার আল্লাহর রহমত, রিজিক ও বৃষ্টির কারণ। বজ্রপাত ও ঝড়ো বাতাসের সময় দোয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঝড়ো বাতাস এলে বলতেন: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا فِيهَا وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ» অর্থ: “হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এ বাতাসের কল্যাণ, এতে যা আছে তার কল্যাণ এবং যা নিয়ে এটি প্রেরিত হয়েছে তার কল্যাণ চাই। আর আমি এর অকল্যাণ, এতে যা আছে তার অকল্যাণ এবং যা নিয়ে এটি প্রেরিত হয়েছে তার অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চাই।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৯) অতিবৃষ্টি হলে যে দোয়া পড়বেন যখন অতিরিক্ত বৃষ্টিতে কষ্ট হতো, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া পড়তেন: «اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا» অর্থ: “হে আল্লাহ, আমাদের আশপাশে বৃষ্টি দিন, আমাদের ওপর নয়।” সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদিস: ১০১৪ , সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৭ বৃষ্টির সময় বেশি বেশি তাওবা ও জিকির ইসলামিক স্কলাররা বলেন, বৃষ্টির সময় তাসবিহ, তাহলিল, তাকবির ও দরুদ শরিফ পড়া উত্তম। পড়তে পারেন: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ অর্থ: “আল্লাহ পবিত্র এবং সমস্ত প্রশংসা তাঁর।” ইবনে হাজর আসকালানী (রহ.) বলেন: “বৃষ্টি আল্লাহর রহমতের নিদর্শন। তাই এ সময় ইবাদত ও দোয়ায় মনোযোগী হওয়া উচিত।” বৃষ্টির সময় দোয়া, ইস্তিগফার, তাওবা ও আল্লাহর স্মরণ করা সুন্নত ও বরকতময় আমল। সহিহ হাদিস ও কুরআনের আলোকে এ সময় ইবাদতে মনোযোগী হওয়া একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রহমতের এই মুহূর্তগুলোতেই অনেক সময় আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করে দেন। গ্রামবাংলায় এখনো অনেক মানুষ বৃষ্টি শুরু হলে “আলহামদুলিল্লাহ” বলেন। কৃষকেরা আকাশের দিকে তাকিয়ে রহমতের বৃষ্টি কামনা করেন। কারণ বৃষ্টি শুধু আবহাওয়া না, এটি ফসল, জীবন আর বেঁচে থাকার সঙ্গেও জড়িত। তাই মুসলমানের জন্য বৃষ্টি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য না, বরং আল্লাহকে স্মরণ করারও একটি বিশেষ সময়।





স্বাস্থ্য
ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করলে কী ক্ষতি হয়? যা অনেকেই জানেন না
ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করলে কী ক্ষতি হয়? যা অনেকেই জানেন না

গরমে ফ্রিজের বরফঠান্ডা পানি খেতে খুব ভালো লাগে। মুখে দিলেই যেন শরীরটা একদম শান্ত হয়ে যায়। তবে চিকিৎসকদের মতে নিয়মিত খুব ঠান্ডা পানি পান করলে শরীরের কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো গলা ব্যথা, টনসিলের সমস্যা বেড়ে যাওয়া, হজমে ধীরগতি এবং অনেকের ক্ষেত্রে দাঁতে সেনসিটিভিটি বেড়ে যাওয়া। বিশেষ করে খাওয়ার ঠিক পরপরই খুব ঠান্ডা পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া কিছুটা ব্যাহত হতে পারে, কারণ খাবারের চর্বি দ্রুত জমাট বাঁধার প্রবণতা তৈরি হয়। এছাড়া গরম শরীর হঠাৎ করে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে এলে শরীরের রক্তনালী সংকুচিত হয়ে যেতে পারে, যার ফলে মাথা ভারী লাগা বা অস্বস্তি অনুভব করা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তবে আসল বিষয়টা আরও গভীর, যা খুব কম মানুষ জানে অনেকেই ভাবেন ঠান্ডা পানি শুধু গলা বা হজমের সমস্যা তৈরি করে। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ফিজিওলজিক্যাল পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, খুব ঠান্ডা পানি পান করার পর শরীরের ভ্যাগাস নার্ভ সাময়িকভাবে সক্রিয় হয়ে যেতে পারে। এই নার্ভ হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কিছু সংবেদনশীল মানুষের ক্ষেত্রে হঠাৎ বরফঠান্ডা পানি পান করলে “vagal response” নামে একটি প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যেখানে সাময়িকভাবে হার্ট রেট কমে যায় বা মাথা ঘোরা অনুভূত হতে পারে। এটি খুবই বিরল হলেও পুরোপুরি অস্বাভাবিক নয়। আরেকটি কম আলোচিত বিষয় হলো ঠান্ডা পানির কারণে খাদ্যনালীর মাংসপেশি সাময়িকভাবে সংকুচিত হতে পারে, ফলে কারও কারও বুকের মাঝখানে অস্বস্তি বা চাপ অনুভূত হয়, যা অনেক সময় গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ভেবে ভুল করা হয়। আরো পড়ূনঃ দিনে কত টুকু পানি খাওয়া উচিৎ  গরমে কীভাবে পানি খাওয়া সবচেয়ে ভালো চিকিৎসকদের মতে গরমে হালকা ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি সবচেয়ে নিরাপদ। একসাথে অনেক ঠান্ডা পানি না খেয়ে ধীরে ধীরে পান করা ভালো। বিশেষ করে ব্যায়াম বা রোদে বাইরে থেকে এসে সঙ্গে সঙ্গে বরফঠান্ডা পানি না খাওয়াই ভালো। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করা একেবারে নিষিদ্ধ নয়, তবে নিয়মিত অভ্যাস হিসেবে খুব বেশি ঠান্ডা পানি খেলে শরীর কিছুটা স্ট্রেসে পড়তে পারে। তাই ভারসাম্য বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শরীরকে ঠান্ডা রাখতে পানি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেটি যেন অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে ক্ষতির কারণ না হয়, সেটাই খেয়াল রাখা দরকার।





বিশ্লেষন
ফোনে পানি ঢুকলে চালের মধ্যে রাখলে কি আসলেই কাজ করে?
ফোনে পানি ঢুকলে চালের মধ্যে রাখলে কি আসলেই কাজ করে?

হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া, পানির গ্লাস উল্টে ফোনের ওপর পড়ে যাওয়া কিংবা বাথরুমে ফোন হাত ফসকে পড়ে যাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অনেক মানুষ এখনো একটি পুরোনো উপায় ব্যবহার করেন। ফোনটি চালের ড্রামের মধ্যে রেখে দেন কয়েক ঘণ্টা বা পুরো রাত। ধারণা হলো, চাল নাকি ফোনের ভেতরের পানি টেনে নেয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই পদ্ধতি কি সত্যিই কাজ করে, নাকি এটি শুধু প্রচলিত একটি ভুল ধারণা? প্রযুক্তিবিদ ও স্মার্টফোন মেরামতকারীদের মতে, চাল কিছুটা আর্দ্রতা শোষণ করতে পারলেও এটি পানিতে ভেজা ফোন ঠিক করার নির্ভরযোগ্য উপায় নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রে এতে ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে। চালের মধ্যে ফোন রাখার ধারণা কোথা থেকে এসেছে বছরের পর বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুখে মুখে এই পরামর্শ ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ চাল স্বাভাবিকভাবেই বাতাসের কিছু আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে। তাই অনেকেই মনে করেন, এটি ফোনের ভেতরের পানিও টেনে নেয়। তবে বাস্তবে স্মার্টফোনের ভেতরে পানি ঢুকে গেলে তা শুধু বাইরের অংশে থাকে না। চার্জিং পোর্ট, স্পিকার, ব্যাটারি ও মাদারবোর্ডের ভেতরেও পানি যেতে পারে। আর সেসব জায়গায় চালের প্রভাব খুব সীমিত। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কী বলছে Apple Support নিজস্ব নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পানিতে ভেজা আইফোন চালের মধ্যে রাখা উচিত না। কারণ চালের ছোট কণা ফোনের ভেতরে ঢুকে আরও সমস্যা তৈরি করতে পারে। Samsung Support একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ফোন ভিজে গেলে দ্রুত শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখতে হবে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, চাল ফোন পুরোপুরি শুকাতে পারে এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুব শক্তিশালী নয়। তাহলে ফোনে পানি ঢুকলে কী করবেন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই ফোন বন্ধ করে ফেলতে হবে। অনেকেই আতঙ্কে ফোন অন করে দেখেন কাজ করছে কি না। এটিই সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি। ফোন বন্ধ করার পর সিম কার্ড ও মেমোরি কার্ড খুলে ফেলতে হবে। এরপর শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে বাইরের পানি মুছে নিতে হবে। সম্ভব হলে ঠান্ডা বাতাসে বা ফ্যানের নিচে কিছু সময় রাখতে পারেন। তবে অতিরিক্ত গরম বাতাস বা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ভেতরের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সিলিকা জেল কি বেশি কার্যকর প্রযুক্তিবিদদের মতে, চালের তুলনায় সিলিকা জেল আর্দ্রতা শোষণে বেশি কার্যকর। নতুন জুতা বা ব্যাগের বাক্সে ছোট ছোট যে সিলিকা জেলের প্যাকেট থাকে, সেগুলো আর্দ্রতা টেনে নিতে সাহায্য করে। তবে ফোনে যদি অনেক পানি ঢুকে যায়, তাহলে শুধু শুকানো যথেষ্ট নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে দ্রুত সার্ভিস সেন্টারে নেওয়াই নিরাপদ। বাংলাদেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা কী বলছে ঢাকার কয়েকজন মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান জানান, অনেক মানুষ চালের মধ্যে ফোন রেখে কয়েকদিন পর তাদের কাছে আসেন। তখন দেখা যায়, ফোনের ভেতরে মরিচা বা শর্ট সার্কিট শুরু হয়ে গেছে। তাদের মতে, চালের ওপর ভরসা করে দেরি না করে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।




অপরাধ
এক ফোনকলেই ব্র্যাক ব্যাংক হিসাব থেকে উধাও ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা
এক ফোনকলেই ব্র্যাক ব্যাংক হিসাব থেকে উধাও ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা

রাজধানীতে আবারও ভয়ংকর সাইবার প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। ব্যাংক কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে দক্ষিণ বনশ্রীর এক বাসিন্দার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। কাগজপত্র হালনাগাদের কথা বলে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের পর মুহূর্তেই ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর নাম সুধন চন্দ্র বর্মন। মঙ্গলবার (১২ মে) তিনি রাজধানীর খিলগাঁও থানায় এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪২ মিনিটের দিকে দক্ষিণ বনশ্রীর বাসায় থাকা অবস্থায় একটি নম্বর থেকে তাঁর মোবাইলে কল আসে। ফোনদাতা নিজেকে ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ব্যাংক হিসাবের কাগজপত্র হালনাগাদের জন্য কিছু তথ্য প্রয়োজন বলে জানান। ফোনদাতার কথায় বিশ্বাস করে সুধন চন্দ্র নিজের ব্যক্তিগত তথ্য ও জন্মতারিখ জানান। এর কিছুক্ষণ পরই তাঁর ব্র্যাক ব্যাংক হিসাব থেকে দুটি নম্বরে ‘অ্যাড মানি’র মাধ্যমে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৯৭ টাকা স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর তিনি ওই নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া কথিত ব্যাংক কর্মকর্তার দেওয়া আরেকটি নম্বরেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জিডিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। ঘটনাটি তদন্ত করছেন খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ছানোয়ার হোসেন। তিনি জানান, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে টাকা উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন ব্যাংকিংকে কেন্দ্র করে এ ধরনের প্রতারণা বেড়ে গেছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যাংক কখনো ফোনে গ্রাহকের গোপন তথ্য, ওটিপি বা জন্মতারিখ জানতে চায় না। তাই এ ধরনের ফোন কল এলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সারাদেশ
৬ লাখ টাকার ‘ক্রিস গেইল’ নিয়ে তোলপাড়, দেখলেই চমকে যাচ্ছেন ক্রেতারা
৬ লাখ টাকার ‘ক্রিস গেইল’ নিয়ে তোলপাড়, দেখলেই চমকে যাচ্ছেন ক্রেতারা

কোরবানির ঈদ সামনে আসতেই জামালপুরের পশুর খামারগুলোতে বেড়েছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড়। তবে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে এখন একটি গরু নাম তার ‘ক্রিস গেইল’। বিশাল আকৃতির এই গরুকে এক নজর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ। ৮০০ কেজি ওজনের গরুটি ঘিরে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। জামালপুর পৌর শহরের পাথালিয়া এলাকার ময়না এগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, গাঢ় লালচে-বাদামী রঙের বিশালদেহী গরুটি খামারের আলাদা আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। নেপালি ‘গির’ জাতের এই গরুর উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্য ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি। খামারে থাকা ২৬টি গরুর মধ্যে এটিকেই সবচেয়ে বেশি দেখতে আসছেন মানুষ। খামারের মালিক মো. দিয়া মিয়া জানান, তিন বছর আগে মাত্র ৬ মাস বয়সে ৬৫ হাজার টাকায় গরুটি কেনেন তিনি। ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের ভক্ত হওয়ায় নিজের প্রিয় খেলোয়াড়ের নামেই গরুটির নাম রাখেন ‘ক্রিস গেইল’। তিনি বলেন, “তিন বছর ধরে অনেক যত্ন করে গরুটাকে বড় করেছি। কখনো একটা বেত দিয়েও মারিনি। ওকে যখন খামার থেকে নিয়ে যাবে, তখন আমার কেমন লাগবে সেটা শুধু আমিই জানি।” সরেজমিনে দেখা গেছে, গরুটি কিছুটা রাগি স্বভাবের। অপরিচিত কেউ কাছে গেলে তেড়ে আসার চেষ্টা করে। তবে খামারের লোকজনের সঙ্গে বেশ শান্ত আচরণ করে। গরুটির গলায় ছোট ছোট কালো ও বাদামী দাগ রয়েছে, আর শিং দুটি ছোট ও পেছনের দিকে বাঁকানো। খামার সূত্রে জানা গেছে, ‘ক্রিস গেইলকে’ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়। প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে তাকে ১০ কেজি সাইলেজ, ৭ কেজি ঘাস এবং দেড় কেজি গমের ভুসি দেওয়া হয়। নিয়মিত গোসল ও বিশেষ যত্নও নেওয়া হয় তার। গরুটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মচারী ইমরান হোসেন বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই গরুর দেখাশোনা করি। এই গরুগুলোকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসি। ঈদের সময় যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন খুব খারাপ লাগে।” বর্তমানে ‘ক্রিস গেইল’-এর দাম চাওয়া হচ্ছে ৬ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে অনেক ক্রেতা গরুটি দেখতে এলেও প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করেননি মালিক দিয়া মিয়া। তিনি জানিয়েছেন, ভালো দাম পেলে তবেই বিক্রি করবেন, না হলে ঈদের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। গরুটি কিনতে আসা আব্বাস বেপারি বলেন, “গরুটি দেখতে খুব ভালো, মাংসও ভালো হবে। তবে মালিক যে দাম চাচ্ছেন, ওই দামে কিনে লাভ করা কঠিন।” জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ডা. এ.টি.এম হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ক্রিস গেইল’ সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং মেডিকেল টিম খামার পরিদর্শন করেছে। তিনি জানান, জেলায় মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫টি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে, যেখানে চাহিদা প্রায় ৮২ হাজার ১৫টি। অতিরিক্ত পশু দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যতিক্রমধর্মী নামের কারণে বড় আকৃতির গরুগুলো এখন কোরবানির বাজারে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করছে। এতে খামারিরা যেমন বাড়তি পরিচিতি পাচ্ছেন, তেমনি দেশীয় খামার শিল্পও নতুনভাবে উৎসাহিত হচ্ছে।





ভ্রমন ও গাইড
গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট , ছবিঃ ৫ দেশের পতাকা ,
মাত্র ১ লাখ টাকায় ২ জন মিলে ভিসা ছাড়াই এই ৫টি দেশ ঘুরে আসুন

বিদেশের মাটিতে ঘুরতে যাওয়ার স্বপ্ন আমাদের সবারই থাকে। কিন্তু ভিসা পাওয়ার ঝক্কি আর বিশাল বাজেটের কথা ভেবে অনেকেই পিছিয়ে যান। তবে আপনি যদি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে পরিকল্পনা করেন, তবে মাত্র ১ লাখ টাকার বাজেটে অনায়াসেই জীবনসঙ্গী বা বন্ধুকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন চমৎকার সব দেশ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যাওয়ার জন্য কোনো আগাম ভিসার প্রয়োজন হয় না, ফলে খরচ ও ঝামেলা দুটোই বেঁচে যায়। আজ আপনাদের এমন ৫টি দেশের কথা জানাব, যেখানে কম খরচে রাজকীয় ভ্রমণ উপভোগ করা যায়। পাহাড় ও মেঘের রাজ্য নেপাল বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য নেপাল সব সময়ই তালিকার শীর্ষে থাকে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নেপালে প্রথমবার প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ভিসা ফি লাগে না। ১ লাখ টাকার বাজেটে কাঠমান্ডু, পোখরা এবং নাগরকোট। এই তিন শহর দুই জন মিলে খুব চমৎকারভাবে ঘুরে দেখা সম্ভব। হিমালয়ের কোল ঘেঁষে থাকা এই দেশটিতে যেমন কম খরচে থাকা যায়, তেমনি পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখা বা প্যারাগ্লাইডিং করার মতো রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাও পাওয়া যায়। নীল জলরাশির দেশ মালদ্বীপ অনেকেই মনে করেন মালদ্বীপ মানেই লাখ লাখ টাকার খরচ, কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। লাক্সারি রিসোর্ট এড়িয়ে যদি আপনি মাফুশি বা হুলহুমালের মতো লোকাল আইল্যান্ডগুলোতে থাকেন, তবে ১ লাখ টাকায় দুই জন মিলে চার দিন কাটিয়ে আসা সম্ভব। নীল সমুদ্রের ওপর ওয়াটার স্পোর্টস কিংবা ডলফিন দেখার অভিজ্ঞতা কোনো ভিসা ছাড়াই পেয়ে যাবেন অন-অ্যারাইভাল সুবিধার মাধ্যমে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লঙ্কা দ্বীপ শ্রীলঙ্কা পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত বন্ধুসুলভ একটি দেশ। পাহাড়, চা বাগান আর ঐতিহাসিক সব স্থাপনায় ঘেরা এই দেশে বাংলাদেশিদের জন্য রয়েছে অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুবিধা। ক্যান্ডির পাহাড় থেকে শুরু করে নুয়ারা এলিয়ার ঝরনা পর্যন্ত দুই জন মিলে ৫ থেকে ৬ দিনের একটি ট্রিপ ১ লাখ টাকার মধ্যেই বেশ আয়েশ করে শেষ করা যায়। এখানকার আবহাওয়া এবং খাবার দুই-ই বাঙালির খুব পছন্দের। বাজেট ফ্রেন্ডলি ভিয়েতনাম বর্তমান সময়ে বাংলাদেশিদের কাছে ভিয়েতনাম একটি দারুণ আকর্ষণীয় গন্তব্য। যদিও এখানে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সরাসরি নেই, তবে খুব স্বল্প খরচে অনলাইনে ই-ভিসা নিয়ে নেওয়া যায়। ১ লাখ টাকার বাজেটে ভিয়েতনামের বিখ্যাত স্ট্রিট ফুড, হ্যালং বের ক্রুজ ভ্রমণ এবং হো চি মিন সিটির জাঁকজমক অনায়াসেই উপভোগ করা সম্ভব। যারা একটু ভিন্ন ধাঁচের সংস্কৃতি দেখতে চান, তাদের জন্য ভিয়েতনাম সেরা পছন্দ হতে পারে। শপিং ও বিনোদনের থাইল্যান্ড থাইল্যান্ড মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি মওকুফ বা ভিসা ফ্রি সুবিধা দিয়ে থাকে। যখন এই সুযোগ থাকে, তখন ব্যাংকক আর পাতায়াতে দুই জন মিলে ৪-৫ দিনের ভ্রমণ ১ লাখ টাকার বাজেটে খুব সহজেই সম্ভব হয়। স্ট্রিট ফুড আর কেনাকাটার জন্য থাইল্যান্ডের কোনো তুলনা হয় না। তাই আপনার পরবর্তী ট্রিপের পরিকল্পনা শুরু করার আগে এই দেশগুলোর তালিকাটি অবশ্যই মাথায় রাখতে পারেন। সঠিক সময়ে টিকিট বুক করলে এই বাজেটেও আপনি পেতে পারেন রাজকীয় ভ্রমণের স্বাদ।

লাইফস্টাইল
গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো
গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো

বাংলাদেশে পরিবর্তনশীল ঋতুতে গরম পড়লেই ছোট বাচ্চাদের ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ঘামাচি, র‍্যাশ, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি কিংবা শুষ্কতা অনেক পরিবারের জন্য সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যেসব শিশুর বয়স এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে, তাদের ত্বক তুলনামূলক বেশি সংবেদনশীল হওয়ায় গরমে বাড়তি যত্ন প্রয়োজন হয়। শিশু বিশেষজ্ঞ ও ত্বক চিকিৎসকদের মতে, গরমে বাচ্চাদের জন্য লোশন বাছাই করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সেটি যেন মাইল্ড, হালকা এবং কম কেমিক্যালযুক্ত হয়। কারণ অনেক সুগন্ধিযুক্ত বা বেশি কেমিক্যাল থাকা লোশন শিশুর ত্বকে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে। গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, গরমে শিশুদের জন্য ওয়াটার বেসড ও নন স্টিকি লোশন তুলনামূলক ভালো কাজ করে। যেসব লোশনে অ্যালোভেরা, ওটমিল, ক্যামোমাইল বা নারিকেল নির্যাস থাকে, সেগুলো অনেক সময় ত্বক ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। বাংলাদেশে অনেক অভিভাবক বর্তমানে বেবি লোশন কেনার সময় “Hypoallergenic”, “Paraben Free” এবং “Dermatologically Tested” লেখা আছে কি না সেটি দেখেন। কারণ এসব বৈশিষ্ট্য সাধারণত সংবেদনশীল ত্বকের জন্য নিরাপদ হিসেবে ধরা হয়। চিকিৎসকরা কোন ধরনের লোশন ব্যবহারের পরামর্শ দেন ঢাকার কয়েকজন শিশু বিশেষজ্ঞের মতে, গরমের সময় ভারী ক্রিম বা অতিরিক্ত তেলতেলে লোশন ব্যবহার না করাই ভালো। এতে শিশুর ঘাম আরও আটকে যেতে পারে এবং ঘামাচি বাড়তে পারে। তারা বলেন, গোসলের পর হালকা ভেজা ত্বকে অল্প পরিমাণ লোশন ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে। তবে দিনে বারবার লোশন লাগানোর প্রয়োজন হয় না, যদি না শিশুর ত্বক খুব বেশি শুষ্ক হয়। গরমে বাচ্চাদের জন্য জনপ্রিয় কিছু লোশন বাংলাদেশি অভিভাবকদের মধ্যে বর্তমানে কয়েকটি বেবি লোশন বেশি ব্যবহার হতে দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে: Johnson’s Baby এর Milk + Rice Lotion Aveeno Baby Daily Moisture Lotion Cetaphil Baby Daily Lotion Sebamed Baby Lotion Kodomo Baby Lotion তবে চিকিৎসকদের মতে, সব শিশুর ত্বক এক রকম না। তাই একটি লোশন অন্য বাচ্চার জন্য ভালো হলেও আপনার শিশুর ত্বকে সেটি মানাবে এমন নিশ্চয়তা নেই। কোন ভুলগুলো অনেক অভিভাবক করেন অনেকেই গরমে বাচ্চার ত্বক ঠান্ডা রাখতে বড়দের মেনথলযুক্ত লোশন ব্যবহার করেন। চিকিৎসকদের মতে, এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ এসব উপাদান শিশুর ত্বকে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে। আবার অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত লোশনও অনেক শিশুর ত্বকে অ্যালার্জির কারণ হয়। শিশুর ত্বক ভালো রাখতে আরও যা করবেন গরমে শিশুকে ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরানো ভালো। নিয়মিত গোসল করানো এবং ঘাম হলে দ্রুত শরীর মুছে দেওয়া দরকার। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার শিশুর শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও শিশুর ত্বককে ভালো রাখতে তেল এবং ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। শিশুর ত্বকে যদি লালচে দাগ, ফুসকুড়ি বা অতিরিক্ত চুলকানি দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আরো পড়তে পারেনঃ গরমে শিশুদের কোন তেল এবং কোন ক্রিম ব্যবহার করা ভালো মূল কথা হচ্ছে গরমে বাচ্চাদের জন্য কোন লোশন ভালো, তার উত্তর সবার জন্য এক রকম না। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হালকা, কম কেমিক্যালযুক্ত এবং শিশুদের সংবেদনশীল ত্বকের জন্য তৈরি লোশনই সবচেয়ে নিরাপদ। লোশন কেনার আগে শুধু বিজ্ঞাপন না দেখে উপাদান, ত্বকের ধরন এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।





প্রযুক্তি
ইনস্টাগ্রামে আর সিক্রেট চ্যাট নয়! আপনার মেসেজ দেখতে পারবে মেটা
ইনস্টাগ্রামে আর সিক্রেট চ্যাট নয়! আপনার মেসেজ দেখতে পারবে মেটা

ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এবার ইনস্টাগ্রামের ডিএম (ডাইরেক্ট মেসেজ) অপশন থেকে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন সুবিধা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ফলে এখন থেকে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত বার্তা, ছবি, ভিডিও এবং ভয়েস নোটের তথ্য মেটার কাছে উন্মুক্ত থাকবে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেখানে শুধু বার্তা পাঠানো ব্যক্তি এবং গ্রহণকারীই তথ্য দেখতে পারেন। মাঝখানে অন্য কেউ, এমনকি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানও সেই বার্তা পড়তে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে ইনস্টাগ্রামে এই সুবিধাকে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে দেখা হতো। মেটার নতুন এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসার পর প্রযুক্তি ও গোপনীয়তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। গোপনীয়তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, এটি ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। তাদের আশঙ্কা, এর ফলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর হাতে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের সুযোগ আরও বাড়বে। গোপনীয়তা অধিকারবিষয়ক সংগঠন ‘বিগ ব্রাদার ওয়াচ’-এর অ্যাডভোকেসি প্রধান জ্যাক কুলসন বলেন, “এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তি খাতের উদ্বেগজনক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। এতে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়বে।” তবে শিশু সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা কিছু সংগঠন মেটার এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবেও দেখছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিশু সুরক্ষা সংস্থা এনএসপিসিসির নীতিনির্ধারণ বিভাগের সহযোগী প্রধান রানি গোবিন্দর বলেন, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন চালু থাকলে অনেক সময় শিশু নির্যাতন বা ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এলিমেন্টের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথিউ হজসন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ইনস্টাগ্রামে এনক্রিপশন সুবিধা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের কাজেও ব্যবহার করা হতে পারে। যদিও মেটা দাবি করেছে, বর্তমানে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত বার্তা, ভয়েস নোট বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য বিজ্ঞাপন লক্ষ্য নির্ধারণ কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয় না। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে বের করার চাপে রয়েছে। তবে ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে এনক্রিপশন সুবিধা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীদের আস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র দ্যা মেইল





ক্যারিয়ার
সহকারী স্টেশনমাস্টার পরীক্ষার তারিখ ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করল বাংলাদেশ রেলওয়ে
সহকারী স্টেশনমাস্টার পরীক্ষার তারিখ ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করল বাংলাদেশ রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়েতে সহকারী স্টেশনমাস্টার পদে নিয়োগ পরীক্ষার বাছাই পরীক্ষার তারিখ ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৬ মে ঢাকার ৪৭টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রেলওয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ মে ২০২৬ তারিখে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত। এবারের পরীক্ষায় মোট ২ লাখ ৩ হাজার ৬১৮ জন প্রার্থী অংশ নেবেন। বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, প্রার্থীদের জন্য কেন্দ্রভিত্তিক আসনবিন্যাস ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার বিস্তারিত আসনবিন্যাস ও কেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্য রেলওয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার এবং প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণে কোনো অনিয়ম বা অসদুপায় গ্রহণ করলে প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।





খেলাধুলা
ছবিঃ ইন্টারনেট
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা

আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নতুন এক আলোচিত ঘটনা যুক্ত হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ ক্লাব আল নাসেরের নারী দলের অধিনায়ক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্যাথলিন সৌজা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করেছেন। তার জীবনে এটি একটি নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জানা যায়, সৌজা বর্তমানে সৌদি আরবেই বসবাস করছেন এবং আল নাসেরের হয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফুটবলের প্রতি তার পরিশ্রম ও নিষ্ঠা, পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গীকার দুই ক্ষেত্রেই তার আন্তরিকতা তাকে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এনে দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের এই সিদ্ধান্ত তার প্রতি সেই শ্রদ্ধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আল নাসেরের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক বার্তায় সৌজার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ওমরাহ পালনের সময়কার তার ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনি নিজের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনা ও অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা ভেসে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও বিনোদন জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তাদের অনেকেই নতুন বিশ্বাসের মাধ্যমে পাওয়া শান্তি ও তৃপ্তির কথা প্রকাশ্যে শেয়ার করেছেন। সৌজার সিদ্ধান্তও সেই ধারারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। আল নাসর এক বিবৃতিতে সৌজার এই যাত্রাকে সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক পথচলা বলে উল্লেখ করেছে এবং তার ক্রীড়া ও আধ্যাত্মিক জীবনে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের মতে, পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার ও নতুন ধর্মীয় জীবনের মধ্যে যে ভারসাম্য তিনি গড়ে তুলছেন, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। সৌজার ইসলাম গ্রহণ ও ওমরাহ পালন শুধু তার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের বহুমাত্রিকতা ও বিভিন্ন সংস্কৃতি-ধর্মের প্রতি উন্মুক্ততারও প্রতীক হয়ে উঠেছে। ফুটবল মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তার এই আধ্যাত্মিক যাত্রা তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রীড়াবিদদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।