মতামত

বৃষ্টি
জাতীয়
দেশজুড়ে আগামী পাঁচদিনে ভারি বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

আগামী পাঁচদিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে এই বৃষ্টিপাতের প্রভাব তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। শনিবার (০৯ মে) আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধাপে ধাপে দেশের প্রায় সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (১০ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আটটি বিভাগ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনাও রয়েছে। এদিকে সোমবার (১১ মে) ও প্রায় একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ওইদিনও দেশের সব বিভাগেই কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। ১২ মে’র পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকবে। অন্যদিকে কিছু এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ১৩ মে’র দিকে আবারও বৃষ্টি কিছুটা বিস্তার লাভ করতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটে তুলনামূলক বেশি জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের ফলে কৃষি, বিশেষ করে ধান ও মৌসুমি ফসলের ওপর মিশ্র প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি বজ্রবৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা। ডিপি/এসএস

৯ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:২১






ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত
ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত

হজ যাত্রা শারীরিক ও মানসিকভাবে দীর্ঘ প্রস্তুতির একটি সফর। প্রতিবছর লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় যান হজ পালনে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সফরে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ দীর্ঘ ভ্রমণ, খাবারের সময় পরিবর্তন, অতিরিক্ত হাঁটা, গরম আবহাওয়া এবং ক্লান্তির কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করতে পারে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা হজে যাওয়ার অন্তত এক মাস আগে পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেবেন। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, কিডনি, চোখ ও হৃদরোগের ঝুঁকি আছে কি না, তা যাচাই করা দরকার। চিকিৎসকেরা বলছেন, যাঁরা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাঁরা ইনসুলিন বহনের সঠিক নিয়ম জেনে নেবেন। অতিরিক্ত গরমে ইনসুলিন নষ্ট হতে পারে। তাই ঠান্ডা ব্যাগে সংরক্ষণ করা ভালো,  ঠান্ডা ব্যাগ না থাকলে কিনে নিবেন । সঙ্গে গ্লুকোমিটার, পর্যাপ্ত স্ট্রিপ ও প্রেসক্রিপশন রাখবেন । খাবারের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা যাবে না। শুকনো খাবার, খেজুর, বিস্কুট বা গ্লুকোজ জাতীয় খাবার সঙ্গে রাখা উচিত। হঠাৎ মাথা ঘোরা, কাঁপুনি, অতিরিক্ত ঘাম হলে দ্রুত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করতে হবে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, হজের সময় ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত হাঁটা উপকারী হলেও অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়িয়ে চলা উচিত। শরীরের সংকেত বুঝে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

স্বাস্থ্য
জ্বালানি তেলের দাম
জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরণের অস্থিরতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় তেলের বাজার এখন নিয়ন্ত্রণহীন। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) বিশ্ববাজারে তেলের দাম টানা সপ্তম দিনের মতো বেড়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দামে আগুন আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ লন্ডনের আইসিই এক্সচেঞ্জে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১০৮.৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি ১১০ ডলারের ঘরও স্পর্শ করেছে। একইভাবে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতির আশা করা হয়েছিল, তা ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানির এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়; এই রুটটি কার্যত অচল হয়ে যাওয়ায় তেলের দামে এই উল্লম্ফন। দেশের বাজারেও অস্বস্তি আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার প্রভাব ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের বাজারে পড়তে শুরু করেছে। চলতি এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে (১৮ এপ্রিল) সরকার সব ধরণের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং ডিজেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হচ্ছে, এই মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিতে খুব বড় প্রভাব ফেলবে না, কিন্তু সাধারণ মানুষের পকেট থেকে বাড়তি টাকা খসে যাওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষ করে পরিবহন খরচ ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কায় ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা। সরবরাহ সংকটের শঙ্কা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, আমদানিতে অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক দাম বাড়ার কারণে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও সরকার দাবি করছে পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে দেশে আরেক দফা দাম সমন্বয় বা সংকটের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বরাজনীতির এই টানাপোড়েন যদি দ্রুত প্রশমিত না হয়, তবে তেলের দাম আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এতে কেবল যাতায়াত নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষি খাতের খরচও আকাশছোঁয়া হয়ে পড়ার বড় ঝুঁকি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য






জাতীয়
বৃষ্টি
দেশজুড়ে আগামী পাঁচদিনে ভারি বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

আগামী পাঁচদিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে এই বৃষ্টিপাতের প্রভাব তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। শনিবার (০৯ মে) আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধাপে ধাপে দেশের প্রায় সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (১০ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আটটি বিভাগ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনাও রয়েছে। এদিকে সোমবার (১১ মে) ও প্রায় একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ওইদিনও দেশের সব বিভাগেই কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। ১২ মে’র পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকবে। অন্যদিকে কিছু এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ১৩ মে’র দিকে আবারও বৃষ্টি কিছুটা বিস্তার লাভ করতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটে তুলনামূলক বেশি জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের ফলে কৃষি, বিশেষ করে ধান ও মৌসুমি ফসলের ওপর মিশ্র প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি বজ্রবৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা। ডিপি/এসএস

৯ মে, ২০২৬ | দুপুর ২:২১

অর্থনীতি
ছবিঃ ইন্টারনেট
এক সপ্তাহেই কয়েক দফা পরিবর্তন, আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা।  আজ শনিবার (৯ মে) থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। নতুন দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা। এর আগে গত ৬ মে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় স্বর্ণের বাজারে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৬৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে, আর কমেছে ২৮ বার। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা সোনার মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবেই দেশের বাজারে বারবার দাম পরিবর্তন হচ্ছে।

শিক্ষা
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও

জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত।  এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন। তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে। আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে: অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি। যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ | দুপুর ১:৩

রাজনীতি
৯ম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দলটির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশায় সরকারি ও আধা-সরকারি প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিজীবী রয়েছেন। তাদের বেতন স্কেল সর্বশেষ বৃদ্ধি পেয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে, ২০১৫ সালে ৮ম পে স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে। অথচ গত এক দশকে ৫০ শতাংশেরও বেশি মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে এবং জীবনযাপনের নানামুখী ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি বর্তমান জীবনমান ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দ্রুততম সময়ে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন বেতন না বাড়ায় সরকারি খাতের এই বিপুল সংখ্যক চাকরিজীবী ও তাদের পরিবার বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে চরম হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি বেতনের অন্তর্ভুক্ত চাকরিজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে, গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। তারা বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে প্রায় ১৪৮টি সভা ও মতামত গ্রহণের মাধ্যমে গত ২১ জানুয়ারি ৯ম বেতন কমিশনের প্রস্তাব প্রদান করেছে। কিন্তু তা এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ে শুরু থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টি সোচ্চার ছিল উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু থেকেই বিভিন্ন পেশাজীবীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিল। ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের আন্দোলনেও সরকারি বেতনভুক্ত চাকরিজীবীদের আন্দোলন-সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করে জোরালো ভূমিকা রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

ধর্ম
তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, নিয়ত, দোয়া ও ফজিলত
তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, নিয়ত, দোয়া ও ফজিলত

গ্রামের মানুষজন একটা কথা এখনো বলে, রাতের শেষ ভাগে যে মানুষ আল্লাহকে ডাকে, তার ডাকে বরকত থাকে। দুনিয়ার ঝামেলা, টেনশন, কষ্ট, রিজিকের চিন্তা, সন্তানের ভবিষ্যৎ, রোগব্যাধি সবকিছু নিয়ে মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন কিছু বান্দা উঠে দাঁড়ায় সিজদায়। এ নামাজই হলো তাহাজ্জুদ নামাজ। এটি ফরজ নয়, কিন্তু এত বড় ফজিলতের নামাজ যে আল্লাহর প্রিয় বান্দারা কখনো ছাড়তেন না। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তেন। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়িন, অলী আল্লাহ, ইসলামী স্কলাররা এই নামাজকে হৃদয়ের শক্তি বলতেন। আজ সহজ ভাষায় জানব তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, নিয়ত, দোয়া, সময়, ফজিলত, কুরআন ও হাদিসের দলিল। তাহাজ্জুদ নামাজ কী? ইশার নামাজের পর ঘুমিয়ে আবার রাতে উঠে যে নফল নামাজ পড়া হয়, সেটাই তাহাজ্জুদ। ইমাম নববী (রহ.) বলেন: “ঘুমানোর পর রাতে উঠে যে নফল সালাত আদায় করা হয়, সেটিই তাহাজ্জুদ।” অর্থাৎ শুধু রাতে নফল পড়লেই তাহাজ্জুদ নয়, ঘুমের পর উঠে পড়া উত্তম। তাহাজ্জুদ নামাজের সঠিক সময় ইশার পর থেকে ফজরের আগে পর্যন্ত তাহাজ্জুদের সময়। তবে সবচেয়ে উত্তম সময় হলো রাতের শেষ তৃতীয়াংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ বাংলা অর্থ: “প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব।” সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত? তাহাজ্জুদ নামাজ ২ রাকাত করে পড়া হয়। কমপক্ষে ২ রাকাত , ৪ রাকাত, ৬ রাকাত, ৮ রাকাত পড়া যায়। নবীজি (সা.) অনেক সময় ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ এবং ৩ রাকাত বিতর পড়তেন। হযরত আয়েশা (রা.) বলেন: রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান ও রমজানের বাইরে ১১ রাকাতের বেশি পড়তেন না। সহিহ বুখারি তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত মুখে আরবি নিয়ত বলা জরুরি নয়। মনে ইচ্ছা করলেই নিয়ত হয়ে যায়। তবু অনেকে শিখতে চান, তাই বলা যায়: نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ لِلَّهِ تَعَالَى رَكْعَتَيْنِ صَلَاةَ التَّهَجُّدِ سُنَّةً বাংলা অর্থ: আমি আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যে দুই রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত করলাম। তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম দুই রাকাত সাধারণ নফল নামাজের মতোই পড়তে হবে। প্রথমে ওজু করবেন। কিবলামুখী দাঁড়াবেন। নিয়ত করবেন। সানা পড়বেন। সূরা ফাতিহা পড়বেন। সঙ্গে অন্য সূরা মিলাবেন। রুকু, সিজদা করবেন। দুই রাকাত শেষে সালাম ফেরাবেন। এভাবে ২ রাকাত করে যত ইচ্ছা পড়তে পারবেন। শেষে বিতর নামাজ পড়া উত্তম। তাহাজ্জুদে কোন সূরা পড়বেন? নির্দিষ্ট কোনো সূরা বাধ্যতামূলক নয়। তবে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে পড়া উত্তম। অনেকে পড়েন: সূরা ইখলাস সূরা ফালাক সূরা নাস সূরা মুলক সূরা ইয়াসিন দীর্ঘ কিরাতও পড়া যায় তাহাজ্জুদের নামাজের পর যে দোয়া পড়তে পারেন এই সময় দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। নিজের ভাষায় কান্না করে দোয়া করবেন। একটি সুন্দর দোয়া: اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আমাকে ক্ষমা করুন। আরও পড়তে পারেন: رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي বাংলা অর্থ: হে রব, আমাকে ক্ষমা করুন, দয়া করুন, হেদায়েত দিন, রিজিক দিন। কুরআনে তাহাজ্জুদের কথা আল্লাহ বলেন: وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَكَ বাংলা অর্থ: “রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় করুন, এটি আপনার জন্য অতিরিক্ত ইবাদত।” সূরা বনি ইসরাইল: ৭৯ আরও বলেন: كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ বাংলা অর্থ: “তারা রাতে অল্পই ঘুমাত।” সূরা যারিয়াত: ১৭ অর্থাৎ নেককার বান্দারা রাতে উঠে ইবাদত করতেন। তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত ১. দোয়া কবুল হয় রাতের শেষ ভাগ দোয়া কবুলের সময়। ২. গুনাহ মাফ হয় নবীজি (সা.) বলেছেন, নফল ইবাদত বান্দাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে। ৩. রিজিকে বরকত আসে অনেক আলেম বলেন, রাতের ইবাদত হৃদয় পরিষ্কার করে, এতে কাজে বরকত আসে। ৪. মন শান্ত হয় যারা টেনশন, ডিপ্রেশন, কষ্টে থাকেন, তাহাজ্জুদ তাদের জন্য শক্তি। ৫. আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া যায় নিয়মিত রাতের ইবাদতকারী মানুষ আল্লাহর কাছে সম্মানিত। ইসলামিক স্কলারদের বক্তব্য ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন: “দুনিয়াতে যদি জান্নাতের স্বাদ কিছু থাকে, তা রাতের ইবাদতে।” ইমাম হাসান বসরী (রহ.) বলেন: “আমি এমন কোনো ইবাদত দেখিনি যা মুখমণ্ডল এত সুন্দর করে, যেমন তাহাজ্জুদ।” ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলেন: “রাতের দোয়া তীরের মতো, লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।” তাহাজ্জুদ নামাজ কেন পড়বেন আমাদের দেশে মানুষ অনেক কষ্টে থাকে। চাকরি নাই, সংসার চাপ, ঋণ, রোগ, সন্তানের চিন্তা, মানসিক অশান্তি। এসব সময় মানুষ সব জায়গায় গিয়ে হতাশ হয়, কিন্তু রাতের শেষ ভাগে আল্লাহর দরবারে গেলে অন্তর নরম হয়। গ্রামে এখনো অনেকে বলে, ফজরের আগে উঠলে ঘরেও বরকত নামে, মনে শান্তি নামে। যারা শুরু করতে চান তাদের জন্য সহজ উপায় প্রথম দিন ২ রাকাত পড়ুন, অ্যালার্ম দিন , ঘুমানোর আগে নিয়ত করুন, ছোট সূরা দিয়ে শুরু করুন, দীর্ঘ দোয়া না পারলে নিজের ভাষায় বলুন, ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে। উপসংহার তাহাজ্জুদ নামাজ শুধু নামাজ না, এটা বান্দা আর রবের গোপন সম্পর্ক। যখন সবাই ঘুমায়, তখন আপনি যদি উঠে বলেন “ইয়া আল্লাহ”, সেই ডাক বিফলে যায় না। কষ্ট থাকলে পড়ুন। রিজিক চাইলে পড়ুন। সন্তান চাইলে পড়ুন। মনের শান্তি চাইলে পড়ুন। ক্ষমা চাইলে পড়ুন। রাতের অন্ধকারে যে চোখের পানি পড়ে, আল্লাহ তা কখনো নষ্ট করেন না।





স্বাস্থ্য
ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত
ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত

হজ যাত্রা শারীরিক ও মানসিকভাবে দীর্ঘ প্রস্তুতির একটি সফর। প্রতিবছর লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় যান হজ পালনে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সফরে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ দীর্ঘ ভ্রমণ, খাবারের সময় পরিবর্তন, অতিরিক্ত হাঁটা, গরম আবহাওয়া এবং ক্লান্তির কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করতে পারে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা হজে যাওয়ার অন্তত এক মাস আগে পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেবেন। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, কিডনি, চোখ ও হৃদরোগের ঝুঁকি আছে কি না, তা যাচাই করা দরকার। চিকিৎসকেরা বলছেন, যাঁরা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাঁরা ইনসুলিন বহনের সঠিক নিয়ম জেনে নেবেন। অতিরিক্ত গরমে ইনসুলিন নষ্ট হতে পারে। তাই ঠান্ডা ব্যাগে সংরক্ষণ করা ভালো,  ঠান্ডা ব্যাগ না থাকলে কিনে নিবেন । সঙ্গে গ্লুকোমিটার, পর্যাপ্ত স্ট্রিপ ও প্রেসক্রিপশন রাখবেন । খাবারের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা যাবে না। শুকনো খাবার, খেজুর, বিস্কুট বা গ্লুকোজ জাতীয় খাবার সঙ্গে রাখা উচিত। হঠাৎ মাথা ঘোরা, কাঁপুনি, অতিরিক্ত ঘাম হলে দ্রুত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করতে হবে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, হজের সময় ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত হাঁটা উপকারী হলেও অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়িয়ে চলা উচিত। শরীরের সংকেত বুঝে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।





বিশ্লেষন
পৃথিবীর সবচেয়ে গরম দেশ কোনটি
পৃথিবীর সবচেয়ে গরম দেশ কোনটি

গরমের কথা উঠলেই অনেকের মনে আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পৃথিবীর সবচেয়ে গরম দেশ কোনটি? এর উত্তর শুধু তাপমাত্রা দিয়ে নির্ধারণ করা হয় না। বিজ্ঞানীরা সাধারণত বার্ষিক গড় তাপমাত্রা, দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া এবং মরুভূমির পরিস্থিতি বিবেচনা করেন। বাংলাদেশে যখন গরম পড়ে, তখন অনেকেই বলেন “এবারের মতো গরম জীবনে দেখিনি।” কিন্তু পৃথিবীর এমন কিছু দেশ আছে, যেখানে বছরের বড় একটা সময় ৪৫ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা স্বাভাবিক ঘটনা। ২০২৬ সালের জলবায়ু গবেষণা, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর সবচেয়ে উষ্ণ অঞ্চলগুলো এখন মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় কেন্দ্রীভূত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, মরুভূমির বিস্তার, কম বৃষ্টিপাত এবং দীর্ঘ তাপপ্রবাহের কারণে এসব দেশে গরম আরও বাড়ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে গরম দেশ কোনটি?  সাম্প্রতিক জলবায়ু বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পশ্চিম আফ্রিকার "মালি" কে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ দেশগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। দেশটির বার্ষিক গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। সাহারা মরুভূমির প্রভাবের কারণে এখানে প্রায় সারা বছরই তীব্র গরম অনুভূত হয়। তবে “সবচেয়ে বেশি রেকর্ড তাপমাত্রা”র দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ। কুয়েতের মিত্রিবা এলাকায় অতীতে ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, যা পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ স্বীকৃত তাপমাত্রা। বর্তমানে পৃথিবীতে সবচেয়ে উষ্ণ কয়েকটি দেশের তালিকা কুয়েতঃ গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা প্রায়ই ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। মরুভূমি অঞ্চল হওয়ায় বাতাস অত্যন্ত শুষ্ক। বৃষ্টিপাত খুব কম। মালিঃ বিশ্বের সবচেয়ে গরম দেশগুলোর একটি। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তাপমাত্রা থাকে। সাহারা মরুভূমির প্রভাব এখানে প্রবল। সৌদি আরবঃ বিশেষ করে রিয়াদ ও মরুভূমি অঞ্চলগুলোতে তীব্র গরম পড়ে। হজ মৌসুমে অনেক সময় তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতঃ দুবাই ও আবুধাবিতে আর্দ্র গরমের মাত্রা বেশি। কখনো কখনো “Feels Like” তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রির ওপরে অনুভূত হয়। ইরাকঃ ইরাকের কিছু এলাকায় গ্রীষ্মে ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা দেখা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশটি এখন আরও ঝুঁকিতে। ইরানঃ ইরানের কিছু মরুভূমি অঞ্চলে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ দেখা যায়। দেশটির দক্ষিণাঞ্চল বিশেষভাবে উষ্ণ। কেন এসব দেশে এত গরম? বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং জলবায়ু গবেষকদের মতে, কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে। প্রথমত, এসব দেশের বড় অংশ মরুভূমি এলাকা। ফলে মাটিতে আর্দ্রতা কম এবং সূর্যের তাপ দ্রুত শোষিত হয়। দ্বিতীয়ত, বৃষ্টিপাত খুব কম হওয়ায় পরিবেশ ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ কম থাকে। তৃতীয়ত, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে। এতে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশ কি আরও গরম হয়ে উঠছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে গরম দেশের তালিকায় না থাকলেও গত কয়েক বছরে দেশের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘ তাপপ্রবাহ এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠছে। ২০২৫ সালের বিভিন্ন জলবায়ু প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়াকে “উচ্চ ঝুঁকির অঞ্চল” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কী হতে পারে জাতিসংঘের জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বর্তমান গতিতে চলতে থাকলে আগামী কয়েক দশকে পৃথিবীর কিছু অঞ্চল মানুষের বসবাসের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার যৌথ প্রভাব মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।



সারাদেশ
বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের জন্ম, মৃত্যু হলো হামে
বিয়ের ১১ বছর পর সন্তানের জন্ম, মৃত্যু হলো হামে

ঢাকাঃ বিয়ের ১১ বছর পর ঘরে এসেছিল ছোট্ট ফাইয়াজ হাসান তাজিম। অনেক অপেক্ষা, অনেক কষ্ট আর ঝুঁকির পর আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম হয়েছিল শিশুটির। ছেলেকে ঘিরেই নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন মা ফারজানা ইসলাম ও বাবা হেলাল ভূঁইয়া। সেই সন্তানই মাত্র ৮ মাস ১৮ দিনের মাথায় হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তাজিমের মা নিজের ফেসবুক আইডির নামও রেখেছিলেন ‘তাজিম এর আম্মু’। ছেলেকে নিয়েই ছিল তার পৃথিবী। এখন সেই ফেসবুকজুড়ে শুধু ছেলের স্মৃতি আর মায়ের কান্না। গত ২২ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তাজিম। এর আগে প্রায় দুই মাস ধরে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছোটাছুটি করেছেন মা-বাবা। প্রথমে নিউমোনিয়া, পরে পাতলা পায়খানা, এরপর হাম একটার পর একটা জটিলতায় ভুগছিল শিশুটি। ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘এটা ছিল আমার বাবুর জীবনের শেষ হাসির ছবি।’ মেসেঞ্জারে ছেলের একটি ছবি পাঠিয়ে এভাবেই নিজের কষ্টের কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, শুধু হামের চিকিৎসাতেই ১৭ দিনে চার লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা বিভিন্ন হাসপাতালে ছেলেকে ভর্তি করিয়েছেন। কোথাও বেড পাননি, কোথাও আইসিইউ খালি ছিল না। কখনো অ্যাম্বুলেন্সে, কখনো কোলে করে অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে ছুটেছেন হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে। ১৮ মার্চ প্রথমে নিউমোনিয়ার চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাজিমকে। কিছুটা সুস্থ হয়ে ২৫ মার্চ বাড়ি ফিরলেও চার দিনের মাথায় আবার জ্বর আসে। এরপর শুরু হয় নতুন যুদ্ধ। ৫ এপ্রিল ছেলেকে নিয়ে যান রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে। সেখানে বেড না পেয়ে মিরপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে সেখান থেকে আরও কয়েকটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। কোথাও স্থায়ীভাবে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেননি। ফারজানা বলেন, এক হাসপাতালে ক্যানোলা দেওয়ার পর ছেলের পা ফুলে শক্ত হয়ে গিয়েছিল। আবার কোথাও পিআইসিইউতে মা-বাবার থাকার অনুমতি ছিল না। শেষ পর্যন্ত ১৮ এপ্রিল আবার নারায়ণগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাজিমকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে এখন দিশেহারা এই দম্পতি। হাসপাতালের অনেক কাগজপত্র থাকলেও শেষ ছাড়পত্রের নথিটা হারিয়ে ফেলেছেন তারা। ফারজানা বলেন, ‘ছেলের মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামার সময় কারও আর ওই কাগজটার কথা মনে ছিল না।’ ফেসবুকে এখনো ছেলের ছবি, পায়ের ছবি আর স্মৃতিগুলো পোস্ট করেন তাজিমের মা। তিনি জানান, ১ মে ছিল তাজিমের হামের প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার তারিখ। কিন্তু তার আগেই পৃথিবী ছেড়ে চলে যায় ছোট্ট শিশুটি। ক্ষোভ আর কষ্টে ফারজানা লিখেছেন, ‘দুই মাস ধরে নিষ্পাপ শিশুরা মরে যাচ্ছে, এ নিয়ে সংসদে আলাপ নেই। কারও কোনো দায় নেই। কেউ ব্যর্থতা স্বীকার করছে না। সব দোষ মা ও শিশুর। শিশুরা এই দেশে জন্ম নিল কেন? মা সন্তানের জন্ম দিল কেন?’




ভ্রমন ও গাইড
গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট , ছবিঃ ৫ দেশের পতাকা ,
মাত্র ১ লাখ টাকায় ২ জন মিলে ভিসা ছাড়াই এই ৫টি দেশ ঘুরে আসুন

বিদেশের মাটিতে ঘুরতে যাওয়ার স্বপ্ন আমাদের সবারই থাকে। কিন্তু ভিসা পাওয়ার ঝক্কি আর বিশাল বাজেটের কথা ভেবে অনেকেই পিছিয়ে যান। তবে আপনি যদি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে পরিকল্পনা করেন, তবে মাত্র ১ লাখ টাকার বাজেটে অনায়াসেই জীবনসঙ্গী বা বন্ধুকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন চমৎকার সব দেশ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যাওয়ার জন্য কোনো আগাম ভিসার প্রয়োজন হয় না, ফলে খরচ ও ঝামেলা দুটোই বেঁচে যায়। আজ আপনাদের এমন ৫টি দেশের কথা জানাব, যেখানে কম খরচে রাজকীয় ভ্রমণ উপভোগ করা যায়। পাহাড় ও মেঘের রাজ্য নেপাল বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য নেপাল সব সময়ই তালিকার শীর্ষে থাকে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নেপালে প্রথমবার প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ভিসা ফি লাগে না। ১ লাখ টাকার বাজেটে কাঠমান্ডু, পোখরা এবং নাগরকোট। এই তিন শহর দুই জন মিলে খুব চমৎকারভাবে ঘুরে দেখা সম্ভব। হিমালয়ের কোল ঘেঁষে থাকা এই দেশটিতে যেমন কম খরচে থাকা যায়, তেমনি পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখা বা প্যারাগ্লাইডিং করার মতো রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাও পাওয়া যায়। নীল জলরাশির দেশ মালদ্বীপ অনেকেই মনে করেন মালদ্বীপ মানেই লাখ লাখ টাকার খরচ, কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। লাক্সারি রিসোর্ট এড়িয়ে যদি আপনি মাফুশি বা হুলহুমালের মতো লোকাল আইল্যান্ডগুলোতে থাকেন, তবে ১ লাখ টাকায় দুই জন মিলে চার দিন কাটিয়ে আসা সম্ভব। নীল সমুদ্রের ওপর ওয়াটার স্পোর্টস কিংবা ডলফিন দেখার অভিজ্ঞতা কোনো ভিসা ছাড়াই পেয়ে যাবেন অন-অ্যারাইভাল সুবিধার মাধ্যমে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লঙ্কা দ্বীপ শ্রীলঙ্কা পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত বন্ধুসুলভ একটি দেশ। পাহাড়, চা বাগান আর ঐতিহাসিক সব স্থাপনায় ঘেরা এই দেশে বাংলাদেশিদের জন্য রয়েছে অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুবিধা। ক্যান্ডির পাহাড় থেকে শুরু করে নুয়ারা এলিয়ার ঝরনা পর্যন্ত দুই জন মিলে ৫ থেকে ৬ দিনের একটি ট্রিপ ১ লাখ টাকার মধ্যেই বেশ আয়েশ করে শেষ করা যায়। এখানকার আবহাওয়া এবং খাবার দুই-ই বাঙালির খুব পছন্দের। বাজেট ফ্রেন্ডলি ভিয়েতনাম বর্তমান সময়ে বাংলাদেশিদের কাছে ভিয়েতনাম একটি দারুণ আকর্ষণীয় গন্তব্য। যদিও এখানে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সরাসরি নেই, তবে খুব স্বল্প খরচে অনলাইনে ই-ভিসা নিয়ে নেওয়া যায়। ১ লাখ টাকার বাজেটে ভিয়েতনামের বিখ্যাত স্ট্রিট ফুড, হ্যালং বের ক্রুজ ভ্রমণ এবং হো চি মিন সিটির জাঁকজমক অনায়াসেই উপভোগ করা সম্ভব। যারা একটু ভিন্ন ধাঁচের সংস্কৃতি দেখতে চান, তাদের জন্য ভিয়েতনাম সেরা পছন্দ হতে পারে। শপিং ও বিনোদনের থাইল্যান্ড থাইল্যান্ড মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি মওকুফ বা ভিসা ফ্রি সুবিধা দিয়ে থাকে। যখন এই সুযোগ থাকে, তখন ব্যাংকক আর পাতায়াতে দুই জন মিলে ৪-৫ দিনের ভ্রমণ ১ লাখ টাকার বাজেটে খুব সহজেই সম্ভব হয়। স্ট্রিট ফুড আর কেনাকাটার জন্য থাইল্যান্ডের কোনো তুলনা হয় না। তাই আপনার পরবর্তী ট্রিপের পরিকল্পনা শুরু করার আগে এই দেশগুলোর তালিকাটি অবশ্যই মাথায় রাখতে পারেন। সঠিক সময়ে টিকিট বুক করলে এই বাজেটেও আপনি পেতে পারেন রাজকীয় ভ্রমণের স্বাদ।

লাইফস্টাইল
গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়
গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়

গরম পড়লেই অনেকের ত্বকে শুরু হয় নতুন সমস্যা। কারও মুখ অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে যায়, কারও ব্রণ বাড়ে, আবার অনেকে ঘামাচি, র‍্যাশ কিংবা রোদে পোড়া ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। বাংলাদেশের বৈচিত্রময় ঋতুতে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বকের যত্ন না নিলে এসব সমস্যা দ্রুত বাড়তে পারে। নিজেকে পরিপাটি ও সৌন্দর্য বর্ধন করতে অবশ্যই জানুন গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায় সমূহ।  ত্বক নিয়ে যারা গবেষণা করেন কিংবা পড়াশোনা করেন তাদের অভিজ্ঞতার মতে, গরমে ঘাম, ধুলাবালি ও অতিরিক্ত রোদ ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। তবে সবসময় দামি স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহার করতেই হবে এমন না। ঘরেই থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ত্বককে ভালো রাখা সম্ভব। গরমে ত্বকের সমস্যা কেন বাড়ে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ঋতুতে গরমের সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। ফলে শরীরে ঘাম বেশি হয়। ঘাম ও ধুলাবালি মিলে ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে ব্রণ, ফুসকুড়ি, চুলকানি ও তৈলাক্তভাব বাড়ে। চিকিৎসকদের মতে, রোদে অতিরিক্ত থাকা ত্বকের ক্ষতিও বাড়ায়। বিশেষ করে দুপুরের রোদ ত্বকের জন্য বেশি ক্ষতিকর। গরমে ত্বকের যত্ন ঘরোয়া উপায়ে নেওয়ার কার্যকর পদ্ধতি প্রত্যেক ডাক্তারই বলেন ত্বক ভালো রাখার অত্যন্ত সহজ এবং প্রাকৃতিক উপায় হল প্রতিদিন পরিমিত পানি খাওয়া। এক্ষেত্রে অনেকে মনে করেন প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি খাওয়া যথেষ্ট আবার কেউ কেউ উল্টো মনে করেন। তবে বাস্তবতা হলো প্রতিদিন কতটুকু পানি খাবেন সেটি নির্ভর করবে আপনার উপর। এই নিয়ে আমাদের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন দিনে কতটুকু পানি খাওয়া দরকার । শুধুই কি পানি? পানি ছাড়াও যে সমস্ত ঘরোয়া উপায়ে ত্বককে ভালো রাখতে পারবেন তাহলো -  অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন গরমে ত্বক ঠান্ডা রাখতে অ্যালোভেরা খুব জনপ্রিয় একটি উপাদান। এটি ত্বকে আরাম দেয় এবং হালকা জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে বিশেষজ্ঞদের মতে, রোদে পোড়া ত্বকে অ্যালোভেরা অনেক সময় উপকারী অনুভূতি দেয়। ব্যবহারের আগে হাতে অল্প লাগিয়ে দেখে নিন অ্যালার্জি হয় কি না। শসা ত্বক ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে গরমে চোখের নিচে ফোলা ভাব বা মুখে জ্বালাপোড়া কমাতে শসা ব্যবহার করা হয় বহু বছর ধরে। ঠান্ডা শসা কেটে মুখে কিছুক্ষণ রাখলে অনেকেই আরাম অনুভব করেন। গোলাপ জল ব্যবহার করা যেতে পারে পরিষ্কার তুলায় অল্প গোলাপ জল নিয়ে মুখ মুছে নিলে অনেক সময় ফ্রেশ অনুভূতি আসে। তবে অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত বা কেমিক্যাল বেশি থাকা গোলাপ জল ব্যবহার না করাই ভালো। ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন গরমে দিনে দুই থেকে তিনবার মুখ ধোয়া ভালো। এতে ঘাম ও ধুলাবালি কমে যায়। খুব বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। যদি পারেন প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিষ্কার জীবাণুমুক্ত পানি ফ্রিজের মধ্যে রেখে সেটা বরফ করতে, এরপর প্রতিদিন সকালে ওই বরফ দিয়ে ত্বকের উপর হালকা হালকা মালিশ করতে।  টক দই ও মধুর প্যাক অনেকেই গরমে টক দই ও অল্প মধু মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করেন। এতে ত্বকে কিছুটা শীতল অনুভূতি আসতে পারে। তবে সেনসিটিভ স্কিন হলে আগে অল্প ব্যবহার করে পরীক্ষা করা ভালো। গরমে ত্বকের যত্নে কী খাবেন ত্বক শুধু বাইরে থেকে না, ভেতর থেকেও ভালো রাখতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, গরমে বেশি পানি পান করার পাশাপাশি তরমুজ, শসা, ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও ফল খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। তাই এসব খাবার আপনার নিত্য দিনের প্রয়োজনীয়তায় রাখুন।  গরমে ত্বকের যত্নে যেসব ভুল করবেন না অনেকেই গরমে বারবার মুখে সাবান ব্যবহার করেন। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আবার অতিরিক্ত ভারী ক্রিম ব্যবহার করলেও ব্রণ বাড়তে পারে। মুখরোচক কথায় বিক্রি হওয়া ফেসবুক বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কোন ফেসওয়াস বা ফেসপ্যাক কিনে মুখে ব্যবহার করবেন না।  রোদে বের হলে ছাতা বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। সমস্ত ঘরোয়া উপাদান অনেক ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। তবে ত্বকে যদি অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে ভাব, ইনফেকশন বা দীর্ঘদিনের ব্রণ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।





প্রযুক্তি
চ্যাট জিপিটি ও জিমিনিকে টক্কর দিতে মাঠে নামল চীনের ডিপসিক
চ্যাট জিপিটি ও জিমিনিকে টক্কর দিতে মাঠে নামল চীনের ডিপসিক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় আবারও আলোচনায় এসেছে চীনের প্রতিষ্ঠান ডিপসিক। নতুন করে তারা উন্মোচন করেছে দুই এআই চ্যাটবট ডিপসিক ভি৪ প্রো ও ডিপসিক ভি৪ ফ্ল্যাশ। প্রযুক্তি বিশ্বে এখন প্রশ্ন উঠেছে, চ্যাটজিপিটি আর গুগল জেমিনির সামনে কি নতুন বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চলে এলো? শুক্রবার নতুন এই দুই মডেলের প্রিভিউ প্রকাশ করে ডিপসিক। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, শুধু সাধারণ কথোপকথন নয়, জটিল হিসাব, কোড লেখা, বিশ্লেষণ আর যুক্তি প্রয়োগেও নতুন মডেলগুলো বেশ শক্তিশালী। ডিপসিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ভি৪ প্রো গণিত ও কোডিংয়ে অন্য অনেক ওপেন মডেলকে ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বজ্ঞান ও তথ্য বিশ্লেষণেও এটি বেশ ভালো ফল দেখাচ্ছে। এমনকি ওপেনএআইয়ের জিপিটি-৫.৪ ও গুগলের জেমিনি ৩.১ প্রো মডেলের কাছাকাছি পারফরম্যান্স দিচ্ছে বলেও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে ভি৪ ফ্ল্যাশ তৈরি করা হয়েছে দ্রুত কাজের জন্য। এটি দ্রুত উত্তর দিতে পারে, ব্যবহার খরচও তুলনামূলক কম। যারা কম সময়ে বেশি কাজ চান, তাদের জন্য এই সংস্করণকে কার্যকর বলা হচ্ছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, নতুন দুটি মডেলই ওপেন সোর্স। অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো ডেভেলপার চাইলে এই প্রযুক্তির কোড ব্যবহার করতে পারবেন, নিজের মতো পরিবর্তন করতে পারবেন, এমনকি নতুন কিছু তৈরি করতেও পারবেন। গত বছর জানুয়ারিতে ডিপসিক আর১ উন্মোচনের পরও বড় আলোচনা তৈরি হয়েছিল। তখন অনেকে বলেছিলেন, চ্যাটজিপিটি ও জেমিনির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো মডেল তৈরি করেছে ডিপসিক। আরও চমক ছিল খরচের অঙ্কে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছিল, মাত্র ৬ মিলিয়ন ডলারের কম খরচে তারা সেই মডেল তৈরি করেছে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান একই ধরনের এআই মডেলে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে। তবে ডিপসিকের উত্থান সবাই স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। তথ্য নিরাপত্তা ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, ডেনমার্ক ও ইতালিতে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা বা সীমাবদ্ধতা দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন এআই প্রযুক্তি শুধু সফটওয়্যার নয়, এটি বড় শক্তির প্রতিযোগিতাও। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কে এগিয়ে থাকবে, তা নিয়েই চলছে লড়াই। এই অবস্থায় ডিপসিকের নতুন মডেল বাজারে আসায় স্পষ্ট বার্তা মিলেছে, এআই দুনিয়ায় চীন এখন শুধু অংশগ্রহণকারী নয়, বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও উঠে এসেছে।





ক্যারিয়ার
ছবিঃ আকিজ রিসোর্স
নিয়োগ দিচ্ছে আকিজ রিসোর্সেস, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদনের সুযোগ

আপনি কি ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা ইনফরমেশন গভর্নেন্স নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী? দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আকিজ রিসোর্সেস লিমিটেড (Akij Resources Limited) তাদের ডকুমেন্ট কন্ট্রোল বিভাগে 'Assistant Manager' পদে জনবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে । পেশাদার পরিবেশে যারা নিজেদের ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ। এক নজরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সংক্ষিপ্ত তথ্য নিচে ছক আকারে বিজ্ঞপ্তির মূল তথ্যগুলো দেওয়া হলো: বিষয় বিস্তারিত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম আকিজ রিসোর্সেস (Akij Resources) পদের নাম Assistant Manager - Document Control Management শিক্ষাগত যোগ্যতা BBA (Management/MIS) অথবা BA (Library Management) প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ৩ থেকে ৭ বছর বেতন আলোচনা সাপেক্ষে আবেদনের শেষ সময় ২২ এপ্রিল ২০২৬ আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও দক্ষতা এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের কিছু বিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকতে হবে: শিক্ষাগত পটভূমি: প্রার্থীদের ম্যানেজমেন্ট (Management), এমআইএস (MIS) অথবা ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্টে স্নাতক হতে হবে । বিশেষ প্রশিক্ষণ: ISO ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ইন্টারনাল অডিট বা ডকুমেন্ট কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DMS)-এর ওপর প্রশিক্ষণ বা সার্টিফিকেশন থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে । অভিজ্ঞতা: ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা রেকর্ড ম্যানেজমেন্টে ৩ থেকে ৫ বছরের পেশাদার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে । কারিগরি জ্ঞান: গুগল ওয়ার্কস্পেস (Google Workspace), ইআরপি (ERP) এবং এইচআরএমএস (HRMS) পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে । প্রধান দায়িত্বসমূহ একজন এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে আপনার প্রধান কাজ হবে প্রতিষ্ঠানের এন্টারপ্রাইজ-ওয়াইড ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DMS) তদারকি করা । যার মধ্যে থাকবে: নথিপত্রের কোডিং, ফাইলিং স্ট্রাকচার এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা । ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল উভয় সিস্টেমে তথ্যের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা । আইএসও (ISO) বা আইএমএস (IMS) অডিটের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখা । বিভিন্ন বিভাগকে নথিপত্র সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের বিষয়ে সহায়তা প্রদান করা । কিভাবে আবেদন করবেন? আগ্রহী প্রার্থীদের সরাসরি Bdjobs.com-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে । আবেদনের শেষ তারিখ ২২ এপ্রিল ২০২৬ ।




খেলাধুলা
ছবিঃ ইন্টারনেট
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা

আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নতুন এক আলোচিত ঘটনা যুক্ত হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ ক্লাব আল নাসেরের নারী দলের অধিনায়ক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্যাথলিন সৌজা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করেছেন। তার জীবনে এটি একটি নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জানা যায়, সৌজা বর্তমানে সৌদি আরবেই বসবাস করছেন এবং আল নাসেরের হয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফুটবলের প্রতি তার পরিশ্রম ও নিষ্ঠা, পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গীকার দুই ক্ষেত্রেই তার আন্তরিকতা তাকে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এনে দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের এই সিদ্ধান্ত তার প্রতি সেই শ্রদ্ধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আল নাসেরের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক বার্তায় সৌজার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ওমরাহ পালনের সময়কার তার ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনি নিজের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনা ও অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা ভেসে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও বিনোদন জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তাদের অনেকেই নতুন বিশ্বাসের মাধ্যমে পাওয়া শান্তি ও তৃপ্তির কথা প্রকাশ্যে শেয়ার করেছেন। সৌজার সিদ্ধান্তও সেই ধারারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। আল নাসর এক বিবৃতিতে সৌজার এই যাত্রাকে সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক পথচলা বলে উল্লেখ করেছে এবং তার ক্রীড়া ও আধ্যাত্মিক জীবনে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের মতে, পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার ও নতুন ধর্মীয় জীবনের মধ্যে যে ভারসাম্য তিনি গড়ে তুলছেন, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। সৌজার ইসলাম গ্রহণ ও ওমরাহ পালন শুধু তার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের বহুমাত্রিকতা ও বিভিন্ন সংস্কৃতি-ধর্মের প্রতি উন্মুক্ততারও প্রতীক হয়ে উঠেছে। ফুটবল মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তার এই আধ্যাত্মিক যাত্রা তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রীড়াবিদদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।