মতামত

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা
জাতীয়
সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা সমূহ

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা এবার বড় পরিসরে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১ জুলাই ২০২৫ থেকে নতুন ভাতা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা এই সুবিধা উপভোগ করছেন। আর এই কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের মাসিক আয় কিছুটা হলেও বেড়েছে।  গত ২৪ জুন ২০২৫ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেখানে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারার আওতায় এই সংশোধনী আনা হয়। প্রজ্ঞাপন নম্বর ০৭.০০.০০০০.১৭৩.৩৪.০৮৩.২৪-১৪৭, যা ৩ জুন ২০২৫ তারিখে জারি করা হয়।  আর এই প্রজ্ঞাপনে নতুনভাবে একজন সরকারি চাকরিজীবীর নির্ধারিত নতুন মহার্ঘ ভাতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য , দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনের নির্দিষ্ট হারে যে অতিরিক্ত অন্তর্বর্তীকালীন আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হয় এটাকে মূলত মহার্ঘ ভাতা বলা হয়।  নতুন প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা কত?  সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ১৫ ধারার আওতায় দেয়া এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভাতা হিসেবে চাকরিজীবীরা বর্তমানে মাসে ১,০০০ টাকা পাচ্ছেন যা আগামী থেকে কমপক্ষে ১,৫০০ টাকা করা হবে। একইভাবে, পেনশনভোগীদের বর্তমান ৫০০ টাকা ভাতাও বৃদ্ধি করে ৭৫০ টাকা করা হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি পেনশনভোগীর মাসিক প্রাপ্য পেনশন ১৭,৩৮৯ টাকা বা তার বেশি হয়, তারা ভাতা হিসেবে ১০% পাবেন। আর ১৭,৩৮৮ টাকা বা তার নিচে পেনশনপ্রাপ্তরা ১৫% হারে ভাতার সুবিধা পাবেন। একই দিনে অর্থ বিভাগ এই প্রজ্ঞাপনের পাশাপাশি জাতীয় বেতন কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী, বিচার বিভাগ ও যৌথ বাহিনীসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির কর্মীদের জন্য আলাদা চিঠি পাঠিয়েছিলো,  চিঠিতে প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিচার বিভাগ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ আর্থিক সুবিধার নতুন নির্দেশনা জারি সহ অর্থ বিভাগের এই আদেশে ২০২৩ সালের আগের নির্দেশনাগুলো বাতিল করে পদমর্যাদা ও গ্রেড অনুযায়ী ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। প্রতিরক্ষা বাহিনীর ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট অফিসার ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং সার্জেন্টসহ নিচের পদের কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ হারে সুবিধা পাবেন। পেনশনভোগীরাও বেসামরিক সরকারি বিধি অনুযায়ী এই সুবিধা পাবেন। বিচার বিভাগে জুডিশিয়াল সার্ভিসের কর্মকর্তারা ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ হারে ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে যারা ৯ম গ্রেড বা তার ওপরে আছেন তারা ১০ শতাংশ এবং ১০ম গ্রেড বা নিচের ধাপে কর্মরতরা ১৫ শতাংশ হারে সুবিধা পাবেন। তবে শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই সুবিধার পরিমাণ সর্বনিম্ন ১৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ | বিকেল ৩:২১
ডাকসু ভিপি-জিএস এর বেতন কত? কি কি সুবিধা পান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু ভিপির বেতন কত? ডাকসু জিএস এর বেতন কত? এই দুই পদ নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল রয়েছে। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০২৫ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে মানুষের ভিতরে এই প্রশ্নের কৌতূহল অনেকটাই আকাশ পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন বিস্তারিত জেনে নিই ডাকসুর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) এবং জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) আসলে কী ধরনের আর্থিক সুবিধা পান এবং এর বাইরেও তারা কি কি সুবিধা ভোগ করে থাকেন।  ডাকসু শুধু একটি ছাত্র সংসদ নয়, এটি বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই ভিপি ও জিএস পদ শুধু প্রশাসনিক নয়, বরং ঐতিহাসিক দায়িত্বও বহন করে। ২০১৯ সালে ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আবারও নির্বাচন হয়, যেখানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে সাদিক কায়েম ভিপি এবং এস এম ফরহাদ জিএস নির্বাচিত হন। ডাকসু ভিপি জিএস এর বেতন ব্যবস্থা অনেকেরই ধারণা, ডাকসু ভিপি প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের বেতন পান। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। ডাকসু ভিপির আলাদা করে কোনো মাসিক বেতন নেই। তবে তাদের জন্য এক বছরের কার্যকালের জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকে। এই বরাদ্দের পরিমাণ হলো ৫ লাখ টাকা।  এই টাকাটা মূলত দেওয়া হয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য। চা-নাস্তার খরচ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিটিং-আলোচনা এবং প্রয়োজনে কোনো শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা করা। এসব কাজেই এই টাকা ব্যবহার হয়। ভিপি চাইলে পুরো টাকা একবারে তুলতে পারেন, আবার প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপেও তুলতে পারেন। ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলেছেন, তার সময়ে বরাদ্দকৃত ৫ লাখ টাকার মধ্যে তিনি মাত্র ২ লাখ টাকা তুলেছিলেন। বাকি ৩ লাখ টাকা পরবর্তী কমিটির জন্য রেখে দিয়েছিলেন। এটা থেকে বোঝা যায়, এই টাকা ব্যক্তিগত খরচের জন্য নয়, বরং সাংগঠনিক কাজের জন্য। আবার অন্যদিকে ডাকসু জিএস এর বেতন ব্যবস্থাও ভিপির মতোই। জিএসও কোনো নিয়মিত মাসিক বেতন পান না। তার জন্যও বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। মানে দুজন মিলে মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে ডাকসুর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য।  বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছাড়াও ভিপি আর জিএস আরও কিছু আর্থিক সুবিধা পান, তবে সেগুলো খুবই সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে তারা বৈঠক ভাতা পান। এছাড়া বিশেষ কোনো দায়িত্ব দেওয়া হলে সেজন্য সম্মানীও মিলতে পারে। কিন্তু এগুলো নিয়মিত বা নিশ্চিত কিছু নয়। বেতনের বাইরে যেসব সুবিধা পান টাকার হিসাব তো হলো। কিন্তু ডাকসুর ভিপি আর জিএস আরও যেসব সুবিধা পান, সেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। প্রথমত, তারা ডাকসুতে নিজস্ব অফিস কক্ষ পান। হলে আবাসনের ব্যবস্থাও তো আছেই শিক্ষার্থী হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের বিশেষ আসন থাকে। কিন্তু আসল কথা হলো প্রশাসনিক ক্ষমতা। ভিপি আর জিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দুটো বডি, সিনেট আর সিন্ডিকেটের স্থায়ী সদস্য হন। এই দুই বডিতে দেশের নামকরা শিক্ষাবিদ, আমলা আর রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে একজন ছাত্রনেতা তাদের সমান ক্ষমতা নিয়ে বসতে পারেন, এটা কম কথা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন হোক, নতুন শিক্ষক নিয়োগ হোক, কিংবা উন্নয়ন পরিকল্পনা হোক, সব জায়গায় তাদের মতামত থাকে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তারা প্রতিবাদ করতে পারেন, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভেটোও দিতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে বৈঠক ডাকার ক্ষমতা আছে তাদের। উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ তো আছেই। এই পদ দুটোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সামাজিক মর্যাদা আর নেটওয়ার্কিং। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করার সুযোগ পান ডাকসুর নেতারা। জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি হয়। ভবিষ্যতে ক্যারিয়ারে এই পরিচিতি অনেক কাজে আসে। বাংলাদেশের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদই ডাকসুর প্রাক্তন নেতা ছিলেন। আসলে ডাকসু মানে শুধু একটা ছাত্র সংগঠন নয়। এটা বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই এই পদে থাকা মানে একটা ঐতিহাসিক দায়িত্ব বহন করা।


এমবিবিএস-বিডিএসের ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু , আবেদনের নিয়ম

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন শুরু হয়ে গেছে। আজ সোমবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর গত রোববার ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। এমবিবিএস-বিডিএসের ফলাফল ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? ভর্তি পরীক্ষার ফল নিয়ে যারা পুনর্নিরীক্ষণ চান, তারা এসএমএসের মাধ্যমে খুব সহজেই আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য ফি ১ হাজার টাকা। শুধুমাত্র টেলিটক সিমের মাধ্যমেই  ফি জমা দিয়েআবেদন করা যাবে।   আবেদনের ধাপসমূহ প্রথম ধাপ: টেলিটকের যেকোনো প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে নিচের ফরম্যাটে এসএমএস পাঠান: DGME<Space>RSC<Space>আপনার রোল নম্বর উদাহরণ: DGME RSC 1116000 এসএমএস পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি মেসেজে একটি পিন নম্বর পাবেন। দ্বিতীয় ধাপ: প্রাপ্ত পিন নম্বর ব্যবহার করে ফি প্রদানের জন্য পুনরায় এসএমএস পাঠান: DGME<Space>RSC<Space>YES<Space>আপনার পিন নম্বর উদাহরণ: DGME RSC YES 12345678 এটিও পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে ফি জমার প্রাপ্তি স্বীকার মেসেজ পাবেন। এমবিবিএস-বিডিএসের পুনর্নিরীক্ষণের ফল কীভাবে জানবেন? পুনর্নিরীক্ষণ শেষে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত নাম্বারে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। মনে রাখবেন,  আবেদন শুরু: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫  আবেদনের শেষ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদন ফি: ১,০০০ টাকা উল্লেখ্য যে চলতি বছরের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৮১ হাজার ৬৪২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৬৬.৫৭ শতাংশ। আর এবারের পরীক্ষায় ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা বেশি পাস করেছেন।


আজ যে দামে বিক্রি হবে সোনা

বিশ্বব্যাপী সোনার দাম বাড়ার ঢেউ এসে লেগেছে দেশের বাজারেও। গত তিন দিনে সোনার দাম প্রতি ভরিতে বেড়েছে পুরো সাড়ে চার হাজার টাকা। এর ফলে আজ ১৫ ডিসেম্বর সোমবার থেকে ২২ ক্যারেটের উন্নতমানের সোনার দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ পনেরো হাজার টাকায়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত শুক্রবার সোনার দাম ভরিতে বাড়ানো হয়েছিল ১ হাজার ৫০ টাকা। আজ রোববার থেকে আরও বাড়ছে ৩ হাজার ৪৫২ টাকা। অর্থাৎ তিন দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে দাঁড়াল সাড়ে চার হাজার টাকা। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম চার হাজার তিনশ ডলার পেরিয়ে গিয়েছিল। আজকের সোনার দাম - ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২ ক্যারেট সোনা: হলমার্ক করা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম আজ থেকে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। গতকাল এর দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা। অর্থাৎ একদিনেই বেড়েছে ৩ হাজার ৪৫২ টাকা। ২১ ক্যারেট সোনা: হলমার্ক করা ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম আজ ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা। গতকাল ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা। এই ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধি ৩ হাজার ৩০১ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনা: ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম আজ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা। গতকাল ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা। বৃদ্ধি ২ হাজার ৮২৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনা: সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার দামও আজ বেড়েছে ২ হাজার ৪১৫ টাকা। বর্তমানে এর দাম ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা, যা গতকাল ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।


যুক্তরাজ্যে নাগরিকত্ব হারাতে পারে বাংলাদেশী সহ ৯০ লাখ মানুষ

যুক্তরাজ্যের প্রায় ৯০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। দেশটির দুটি মানবাধিকার সংস্থা রানিমিড ট্রাস্ট এবং রিপ্রিভ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা আছে যেকোনো নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিল করার। এতে দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক আছে এমন মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায় এই হুমকির মুখে। বর্তমান আইন অনুযায়ী, সরকার মনে করলেই যেকোনো নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিল করতে পারে। যুক্তি হিসেবে বলা হয় সেই ব্যক্তি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব পেতে পারেন। এমনকি তিনি সেই দেশে কখনো না গেলেও বা নিজেকে সেই দেশের নাগরিক মনে না করলেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে সংযোগ আছে এমন মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপদে। যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ মুসলিম এসব দেশের সাথে যুক্ত। রিপ্রিভের মায়া ফোয়া বলেন, আগের সরকার রাজনৈতিক ফায়দার জন্য নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছিল। এখনকার সরকার এই ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে। পরবর্তী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাইলে ৯০ লাখ মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে পারেন। রানিমিড ট্রাস্টের পরিচালক শাবনা বেগম বলেন, নাগরিকত্ব কোনো সুবিধা নয়, এটা মানুষের অধিকার। কিন্তু সরকার এমন নিয়ম করছে যেন কারও আচরণ ভালো না হলে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া যাবে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কালো মানুষদের মধ্যে পাঁচজনে তিনজন নাগরিকত্ব হারাতে পারেন। সাদা মানুষদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২০ জনে মাত্র ১ জন। ভারতীয় বংশের প্রায় ৯ লাখ ৮৪ হাজার, পাকিস্তানি বংশের ৬ লাখ ৭৯ হাজার এবং বাংলাদেশিসহ ৩৩ লাখ এশীয় ব্রিটিশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। আসলে যাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম। সাদা মানুষদের চেয়ে কালো মানুষদের নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকি ১২ গুণ বেশি। সবচেয়ে বিখ্যাত ঘটনা শামিমা বেগমের। যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া এই মেয়ের নাগরিকত্ব বাতিল করে বলা হয় তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলাদেশ সরকার এটা মানেনি। শামিমা কিশোর বয়সে আইএসে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য ছেড়েছিলেন। পরে দেশে ফিরতে চাইলে যুক্তরাজ্য তাকে ফিরতে দেয়নি। এই প্রতিবেদন এমন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে যখন কনজারভেটিভ ও রিফর্ম ইউকে দলের রাজনীতিকেরা আরও কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন এবং এমন পরিকল্পনার কথা বলছেন যাতে যুক্তরাজ্যে আইনিভাবে বসবাসকারী লাখো মানুষকে দেশ ছাড়া করা হতে পারে। তথ্যসূত্রঃ মিডলইস্ট আই


ভারত থেকে আমদানির পরেও কমেনি পেঁয়াজের দাম। অস্বস্তিতে ক্রেতারা

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবর আসার পরেও খুচরা বাজারে দাম কমেনি। পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। অর্থাৎ এখনো আগের দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। ফলে অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। আজ রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো কেজিপ্রতি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে রয়েছে। অথচ পাইকারি বাজারে দাম কমে এসেছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবর পাওয়ার পর ক্রেতারা আশা করেছিলেন দাম কমবে। কিন্তু বাজারে সেই প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানির ফলে পাইকারি বাজারে দাম কেজিপ্রতি ৩০থেকে ৪০ টাকা কমেছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা এখনো আগের দামেই বিক্রি করছেন। এর আসল কারন এখনো ভোক্তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়, এবং ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে আমদানি শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ৫০ আইপি (আমদানি অনুমতি পত্র) ইস্যু করা হচ্ছিল যার প্রতিটি ৩০ টন পর্যন্ত পেয়াজ আমদানির অনুমতি ছিল।  মতিঝিল এলাকার একজন ক্রেতা জানান, গত কয়েক দিন ধরে পেঁয়াজের দাম একই আছে। আমদানির খবর শুনে ভেবেছিলাম দাম কমবে, কিন্তু বাজারে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মিরপুর এলাকার একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজার থেকে তারা এখনো আগের দামেই পেঁয়াজ কিনছেন। তাই খুচরা দামও কমানো সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি শুরু হওয়ার পর পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা নরম হয়েছে। তবে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়তে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি বাড়লে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে খুচরা পর্যায়েও দাম কমবে। তবে সেজন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। এদিকে সাধারণ ক্রেতারা দ্রুত দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন।


নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, আবেদন করা যাবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।  এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।


সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা
সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা সমূহ

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা এবার বড় পরিসরে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১ জুলাই ২০২৫ থেকে নতুন ভাতা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা এই সুবিধা উপভোগ করছেন। আর এই কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের মাসিক আয় কিছুটা হলেও বেড়েছে।  গত ২৪ জুন ২০২৫ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেখানে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারার আওতায় এই সংশোধনী আনা হয়। প্রজ্ঞাপন নম্বর ০৭.০০.০০০০.১৭৩.৩৪.০৮৩.২৪-১৪৭, যা ৩ জুন ২০২৫ তারিখে জারি করা হয়।  আর এই প্রজ্ঞাপনে নতুনভাবে একজন সরকারি চাকরিজীবীর নির্ধারিত নতুন মহার্ঘ ভাতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য , দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনের নির্দিষ্ট হারে যে অতিরিক্ত অন্তর্বর্তীকালীন আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হয় এটাকে মূলত মহার্ঘ ভাতা বলা হয়।  নতুন প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতা কত?  সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ১৫ ধারার আওতায় দেয়া এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভাতা হিসেবে চাকরিজীবীরা বর্তমানে মাসে ১,০০০ টাকা পাচ্ছেন যা আগামী থেকে কমপক্ষে ১,৫০০ টাকা করা হবে। একইভাবে, পেনশনভোগীদের বর্তমান ৫০০ টাকা ভাতাও বৃদ্ধি করে ৭৫০ টাকা করা হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে বলা হয়েছে, যদি কোনো সরকারি পেনশনভোগীর মাসিক প্রাপ্য পেনশন ১৭,৩৮৯ টাকা বা তার বেশি হয়, তারা ভাতা হিসেবে ১০% পাবেন। আর ১৭,৩৮৮ টাকা বা তার নিচে পেনশনপ্রাপ্তরা ১৫% হারে ভাতার সুবিধা পাবেন। একই দিনে অর্থ বিভাগ এই প্রজ্ঞাপনের পাশাপাশি জাতীয় বেতন কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী, বিচার বিভাগ ও যৌথ বাহিনীসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির কর্মীদের জন্য আলাদা চিঠি পাঠিয়েছিলো,  চিঠিতে প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিচার বিভাগ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ আর্থিক সুবিধার নতুন নির্দেশনা জারি সহ অর্থ বিভাগের এই আদেশে ২০২৩ সালের আগের নির্দেশনাগুলো বাতিল করে পদমর্যাদা ও গ্রেড অনুযায়ী ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। প্রতিরক্ষা বাহিনীর ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট অফিসার ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং সার্জেন্টসহ নিচের পদের কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ হারে সুবিধা পাবেন। পেনশনভোগীরাও বেসামরিক সরকারি বিধি অনুযায়ী এই সুবিধা পাবেন। বিচার বিভাগে জুডিশিয়াল সার্ভিসের কর্মকর্তারা ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ হারে ভাতা পাবেন। অন্যদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে যারা ৯ম গ্রেড বা তার ওপরে আছেন তারা ১০ শতাংশ এবং ১০ম গ্রেড বা নিচের ধাপে কর্মরতরা ১৫ শতাংশ হারে সুবিধা পাবেন। তবে শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই সুবিধার পরিমাণ সর্বনিম্ন ১৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

জাতীয়
ঢাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ভারতের বিবৃতি

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে উসকানি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টায় জড়িত। ঢাকার এই অভিযোগের জবাব দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের এই বক্তব্য তারা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। রোববার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত প্রেস নোটে যা বলেছে ভারত তা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করছে। বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে ভারতের অবস্থান ধারাবাহিকভাবে স্পষ্ট করা হয়েছে। ভারত আরও জানিয়েছে, দেশটি কখনোই তার ভূখণ্ডকে বাংলাদেশের বন্ধুসুলভ জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে ব্যবহারের সুযোগ দেয়নি। ভারত আশা করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। এর আগে আজ ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পলাতক শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের উদ্বেগ জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ভারতে থাকা পলাতক আওয়ামী লীগ সদস্যরা বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত। ভারত সরকারকে এসব ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীর অপরাধমূলক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া শরিফ ওসমান হাদির ওপর হত্যাচেষ্টায় জড়িত সন্দেহভাজনদের ভারতে পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দ্রুত প্রত্যর্পণের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়াবে—এটাই প্রত্যাশা বলে উল্লেখ করা হয়।

আন্তর্জাতিক
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

আপনার জন্য






রাজনীতি
বিএনপির প্রার্থী - ১৩ তম সংসদ নির্বাচন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন আসনে বিএনপির প্রার্থী কে, দেখে নিন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ২৩৭ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ৩০০ আসনের মধ্যে বাকিগুলো জোটের শরিকদের জন্য এবং কিছু আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করার জন্য রাখা হয়েছে। সোমবার বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসন (ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩) থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।  এই ঘোষণার আগে, দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এক জরুরি বৈঠকে বসে। লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে পারে এবং নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো–

৩ নভেম্বর, ২০২৫ | রাত ৯:১৮

অর্থনীতি
আজ যে দামে বিক্রি হবে সোনা
আজ যে দামে বিক্রি হবে সোনা

বিশ্বব্যাপী সোনার দাম বাড়ার ঢেউ এসে লেগেছে দেশের বাজারেও। গত তিন দিনে সোনার দাম প্রতি ভরিতে বেড়েছে পুরো সাড়ে চার হাজার টাকা। এর ফলে আজ ১৫ ডিসেম্বর সোমবার থেকে ২২ ক্যারেটের উন্নতমানের সোনার দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ পনেরো হাজার টাকায়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত শুক্রবার সোনার দাম ভরিতে বাড়ানো হয়েছিল ১ হাজার ৫০ টাকা। আজ রোববার থেকে আরও বাড়ছে ৩ হাজার ৪৫২ টাকা। অর্থাৎ তিন দিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে দাঁড়াল সাড়ে চার হাজার টাকা। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম চার হাজার তিনশ ডলার পেরিয়ে গিয়েছিল। আজকের সোনার দাম - ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২ ক্যারেট সোনা: হলমার্ক করা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম আজ থেকে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। গতকাল এর দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা। অর্থাৎ একদিনেই বেড়েছে ৩ হাজার ৪৫২ টাকা। ২১ ক্যারেট সোনা: হলমার্ক করা ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম আজ ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা। গতকাল ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা। এই ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধি ৩ হাজার ৩০১ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনা: ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম আজ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা। গতকাল ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা। বৃদ্ধি ২ হাজার ৮২৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনা: সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার দামও আজ বেড়েছে ২ হাজার ৪১৫ টাকা। বর্তমানে এর দাম ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা, যা গতকাল ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।

শিক্ষা
ডাকসু ভিপির বেতন
ডাকসু ভিপি-জিএস এর বেতন কত? কি কি সুবিধা পান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু ভিপির বেতন কত? ডাকসু জিএস এর বেতন কত? এই দুই পদ নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতূহল রয়েছে। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০২৫ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে মানুষের ভিতরে এই প্রশ্নের কৌতূহল অনেকটাই আকাশ পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন বিস্তারিত জেনে নিই ডাকসুর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) এবং জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) আসলে কী ধরনের আর্থিক সুবিধা পান এবং এর বাইরেও তারা কি কি সুবিধা ভোগ করে থাকেন।  ডাকসু শুধু একটি ছাত্র সংসদ নয়, এটি বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই ভিপি ও জিএস পদ শুধু প্রশাসনিক নয়, বরং ঐতিহাসিক দায়িত্বও বহন করে। ২০১৯ সালে ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আবারও নির্বাচন হয়, যেখানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে সাদিক কায়েম ভিপি এবং এস এম ফরহাদ জিএস নির্বাচিত হন। ডাকসু ভিপি জিএস এর বেতন ব্যবস্থা অনেকেরই ধারণা, ডাকসু ভিপি প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের বেতন পান। কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। ডাকসু ভিপির আলাদা করে কোনো মাসিক বেতন নেই। তবে তাদের জন্য এক বছরের কার্যকালের জন্য একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকে। এই বরাদ্দের পরিমাণ হলো ৫ লাখ টাকা।  এই টাকাটা মূলত দেওয়া হয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য। চা-নাস্তার খরচ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিটিং-আলোচনা এবং প্রয়োজনে কোনো শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা করা। এসব কাজেই এই টাকা ব্যবহার হয়। ভিপি চাইলে পুরো টাকা একবারে তুলতে পারেন, আবার প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপেও তুলতে পারেন। ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলেছেন, তার সময়ে বরাদ্দকৃত ৫ লাখ টাকার মধ্যে তিনি মাত্র ২ লাখ টাকা তুলেছিলেন। বাকি ৩ লাখ টাকা পরবর্তী কমিটির জন্য রেখে দিয়েছিলেন। এটা থেকে বোঝা যায়, এই টাকা ব্যক্তিগত খরচের জন্য নয়, বরং সাংগঠনিক কাজের জন্য। আবার অন্যদিকে ডাকসু জিএস এর বেতন ব্যবস্থাও ভিপির মতোই। জিএসও কোনো নিয়মিত মাসিক বেতন পান না। তার জন্যও বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। মানে দুজন মিলে মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে ডাকসুর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য।  বছরে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ ছাড়াও ভিপি আর জিএস আরও কিছু আর্থিক সুবিধা পান, তবে সেগুলো খুবই সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে তারা বৈঠক ভাতা পান। এছাড়া বিশেষ কোনো দায়িত্ব দেওয়া হলে সেজন্য সম্মানীও মিলতে পারে। কিন্তু এগুলো নিয়মিত বা নিশ্চিত কিছু নয়। বেতনের বাইরে যেসব সুবিধা পান টাকার হিসাব তো হলো। কিন্তু ডাকসুর ভিপি আর জিএস আরও যেসব সুবিধা পান, সেগুলোর মূল্য অনেক বেশি। প্রথমত, তারা ডাকসুতে নিজস্ব অফিস কক্ষ পান। হলে আবাসনের ব্যবস্থাও তো আছেই শিক্ষার্থী হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো অনুষ্ঠানে তাদের বিশেষ আসন থাকে। কিন্তু আসল কথা হলো প্রশাসনিক ক্ষমতা। ভিপি আর জিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দুটো বডি, সিনেট আর সিন্ডিকেটের স্থায়ী সদস্য হন। এই দুই বডিতে দেশের নামকরা শিক্ষাবিদ, আমলা আর রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে একজন ছাত্রনেতা তাদের সমান ক্ষমতা নিয়ে বসতে পারেন, এটা কম কথা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন হোক, নতুন শিক্ষক নিয়োগ হোক, কিংবা উন্নয়ন পরিকল্পনা হোক, সব জায়গায় তাদের মতামত থাকে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তারা প্রতিবাদ করতে পারেন, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভেটোও দিতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে বৈঠক ডাকার ক্ষমতা আছে তাদের। উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ তো আছেই। এই পদ দুটোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সামাজিক মর্যাদা আর নেটওয়ার্কিং। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করার সুযোগ পান ডাকসুর নেতারা। জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি হয়। ভবিষ্যতে ক্যারিয়ারে এই পরিচিতি অনেক কাজে আসে। বাংলাদেশের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদই ডাকসুর প্রাক্তন নেতা ছিলেন। আসলে ডাকসু মানে শুধু একটা ছাত্র সংগঠন নয়। এটা বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ডাকসুর ভূমিকা ছিল অগ্রণী। তাই এই পদে থাকা মানে একটা ঐতিহাসিক দায়িত্ব বহন করা।

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ | দুপুর ১২:২৩

খেলাধুলা
সেরা ফুটবলার - ছবি ফিফা
বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে জেনে নিন

ফুটবল বিশ্ব সব সময়ই তর্কে মেতে থাকে এটা নিয়ে যে, বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে ? পেলে নাকি ম্যারাডোনা? তবে বর্তমান যুগে সেই তর্কের ব্যাটন হাতে নিয়েছেন মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে এবং হালান্ডরা। ফিফা র‍্যাংকিং, ব্যালন ডি'অর এবং বর্তমান ফর্ম বিবেচনা করলে দেখা যায়, কিছু খেলোয়াড় নিজেদের এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফুটবল বিশ্বে প্রতিনিয়তই নানান রকমের নাটকীয়তা দেখতে হয়, নতুন নতুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত,  নতুন স্টাইল এবং খেলার ধরন পরিবর্তন হয়, আর তাই প্রতিনিয়ত বিশ্বের সেরা ফুটবলার পরিবর্তন হয়। আজ আমরা আলোচনা করব বর্তমান সময়ের সেই সেরা ১০ জন ফুটবলারকে নিয়ে, যারা তাদের পরিসংখ্যান এবং জাদুকরী খেলা দিয়ে নিজেদের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১. লিওনেল মেসি লিওনেল মেসি একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল জাদুকর, যাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বর্তমানে আমেরিকার মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করা এই মহাতারকা তার ক্যারিয়ারের সিংহভাগ সময় বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন এবং সেখানে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন।  কেন তিনি সেরা? কারণ, তিনিই একমাত্র ফুটবলার যিনি রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে নিজের ক্যারিয়ার পূর্ণ করেছেন। মেসির ড্রিবলিং, ভিশন এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৮০০ এর বেশি গোল করেছেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট প্রদানকারী। জন্য মেসিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার বলা হয়  ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো  ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগিজ পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। ১৯৮৫ সালে জন্মানো এই মহাতারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং জুভেন্টাসের হয়ে ইউরোপ শাসন করেছেন। বয়সকে হার মানিয়ে এখনো তিনি শীর্ষ পর্যায়ে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তিনি ৫ বার ব্যালন ডি'অর এবং ৫ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। তাঁর অদম্য মানসিকতা এবং ফিটনেস তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে তিনি সবার উপরে , অফিসিয়াল ম্যাচে ৯০০ এর বেশি গোল করার অবিশ্বাস্য মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন। ৩. কাইলিয়ান এমবাপ্পে  কাইলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক ফুটবলের গতি এবং কৌশলের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। তিনি ফরাসি লিগের ক্লাব পিএসজি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) এবং ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এমবাপ্পে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্ষিপ্র গতি এবং ঠান্ডা মাথার ফিনিশিং তাঁকে ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। তিনি সর্বকালের সেরাদের পথে হাঁটছেন কারণ, মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন। পরিসংখ্যান বলে, তিনি ইতিমধ্যেই ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৩০০-এর বেশি গোল করেছেন এবং পিএসজির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪. আর্লিং হালান্ড  নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর 'গোলমেশিন' হিসেবে পরিচিত। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং নরওয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা হালান্ড তাঁর শারীরিক শক্তি, গতি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিখ্যাত। তিনি কেন সেরাদের তালিকায়? কারণ, তিনি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে ট্রেবল (একই মৌসুমে তিনটি প্রধান শিরোপা) জেতাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, তাঁর গোল প্রতি ম্যাচের অনুপাত অবিশ্বাস্য; খুব অল্প বয়সেই তিনি ক্লাব ও দেশের হয়ে ২৫০-এর বেশি গোল করে ফেলেছেন। ৫. কেভিন ডি ব্রুইন  বেলজিয়ামের এই মিডফিল্ডারকে বর্তমান বিশ্বের সেরা 'প্লে-মেকার' বা মাঝমাঠের জাদুকর বলা হয়। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া ডি ব্রুইন তাঁর মাপা পাস এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিখ্যাত। স্ট্রাইকাররা গোল করেন ঠিকই, কিন্তু সেই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ডি ব্রুইন। তিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সবকিছু জিতেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান গোলের চেয়ে অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে বেশি সমৃদ্ধ; তিনি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা অ্যাসিস্ট প্রদানকারী এবং দ্রুততম ১০০ অ্যাসিস্টের রেকর্ডধারী। ৬. ভিনিসিয়াস জুনিয়র ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ছন্দের বর্তমান ধারক ও বাহক হলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণ তারকা তাঁর বিদ্যুৎগতির ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে ওস্তাদ। তিনি বর্তমানে ব্যালন ডি'অর জয়ের অন্যতম দাবিদার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল করে তিনি নিজের জাত চিনিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই বড় ম্যাচগুলোতে 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং নিয়মিত গোল ও অ্যাসিস্ট করছেন। ৭. রড্রি  রড্রিগো হার্নান্দেজ বা রড্রি হলেন স্পেনের একজন রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই খেলোয়াড়কে বর্তমান ফুটবলের 'ইঞ্জিন' বলা হয়। তিনি মাঠে থাকলে তাঁর দল খুব কমই হারে। তিনি দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং খেলা তৈরি করেন। ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জয় এবং স্পেনের ইউরো জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। পরিসংখ্যান হয়তো তাঁর প্রভাব পুরোপুরি বোঝাতে পারবে না, কিন্তু তাঁর পাসের নির্ভুলতা এবং ট্যাকল করার ক্ষমতা বিশ্বসেরা। তিনি সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন। ৮. হ্যারি কেন হ্যারি কেন একজন ইংলিশ পেশাদার ফুটবলার এবং বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা কমপ্লিট স্ট্রাইকার। তিনি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া হ্যারি কেন কেবল গোল করেন না, তিনি নিচে নেমে খেলা তৈরি করতেও দক্ষ। টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে তিনি রেকর্ড গোলদাতা ছিলেন এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখেও গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি প্রিমিয়ার লিগের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৯. মোহামেদ সালাহ  মিশরের এই ফরোয়ার্ডকে বলা হয় 'ইজিপশিয়ান কিং'। তিনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহণ করা সালাহ বর্তমানে বিশ্বের সেরা রাইট-উইংগারদের একজন। তাঁর বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং গতি লিভারপুলকে বহু শিরোপা জিতিয়েছে। তিনি আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা বিজ্ঞাপন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) জিতেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০. জুড বেলিংহাম জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের একজন তরুণ মিডফিল্ডার, যিনি বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদ এর হয়ে খেলছেন। ২০০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই বিস্ময়কর খেলোয়ার খুব অল্প সময়েই বিশ্ব ফুটবলে ঝড় তুলেছেন। মিডফিল্ডার হয়েও তিনি স্ট্রাইকারের মতো গোল করার ক্ষমতা রাখেন। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রথম মৌসুমেই তিনি লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পরিপক্বতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী তাঁকে ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি'অর বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করছে। তাঁর ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এখনো ছোট হলেও, ইমপ্যাক্ট বা প্রভাবের দিক দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই বিশ্বসেরাদের কাতারে। বর্তমান বিশ্বে যত প্রকারের খেলাধুলা রয়েছে তার মধ্যে ফুটবল একটি জনপ্রিয় এবং র‍্যাংকিং এর দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আর  এই খেলাটি সারা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই জনপ্রিয়।  ফুটবল খেলায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকেন এর মধ্যে কিছু কিছু খেলোয়াড় তাদের দূরদর্শিতা ও দক্ষতা ও খেলার ধরনের কারণে বেশ সুনাম কুরিয়েছেন। আর তাই কিছু কিছু খেলোয়াড় এখনো বিশ্বসেরা।  তবে সেরাদের ও সেরা থাকে থাকে।  বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার কে এটা আসলে বলা বাহুল্য, তবে আজ আমাদের পরিচিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী আপনার কাছে কোন খেলোয়াড়টি সবচাইতে বিশ্বের সেরা মনে হয়?  অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার দিয়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন। সোর্সঃ FIFA + ESPN + Ballon d'Or + Opta / Sofascore and Transfermarkt বিশ্লেষণ

স্বাস্থ্য
ভালো ঘুমাতে হলে ৬ টি পরামর্শ - ছবি পেক্সেলস
ঘুম না আসলে করণীয় কি ? ১ মিনিটে ঘুম আসার উপায় নিয়ে ৬ পরামর্শ

আজকাল অনেকেরই রাতে ঘুম আসে না। অনেকে অনেক চেষ্টা করেও ঘুমোতে পারেন না। সমস্যাটি একটি কমন সমস্যা যা এই জেনারেশনকে জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই রাতে ঘুম না আসলে করণীয় কি এবং রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর উপায় সম্পর্কে আজকের এই পরামর্শ -  যা মেনে চললে ১ মিনিটেও আপনার ঘুম আসতে বাধ্য।  আমাদের শরীরে মেলাটোনিন এবং এডিনোসিন এক হরমোন বিদ্যমান থাকে যেটিকে বলা হয় ঘুমের হরমোন।  এডিনোসিন দৈনন্দিন বিভিন্ন কার্যক্রমের কারণে হ্রাস বা বৃদ্ধি পায়। যখন এটি অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পায় তখন শরীরে অধিক পরিমাণে ঘুমের চাপ সৃষ্টি করে। আর ঘুম না আসার প্রধান কারণ হলো শরীর থেকে মেলোটোনিন এবং এডিনোসিন হরমোনের যথেষ্ট অনুপস্থিতি।   এক গবেষণায় দেখা গেছে পৃথিবীতে প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কোন কাজ ছাড়াই রাতে জেগে থাকেন।  এর কারণটা ঠিক অনেকেই বুঝতে পারেন না।  অনেকে নিজেও জানেন না তিনি কেন জেগে থাকেন। তবে  অনেককেই বলতে দেখা যায় রাতে ঘুম আসে না তাদের, এই দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যার মধ্যে অন্যটি হলো রাতে ঘুম না আসার সমস্যা।  এই সমস্যাটি বেশিদিন থাকলে যেমন আপনার মস্তিষ্কে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমে বিঘ্নতা ঘটাবে এমনকি আপনার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটাতেও বাধ্য করবে।  রাতে ঘুম না আসলে করণীয় কি আপনার যদি রাতে ঘুম না আসে , তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর জন্য যে নিয়মগুলো আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে -  ১. বিকেলে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন আজকালকার বেশিরভাগ মানুষদের দেখা যায় তারা রাত জাগে এবং দিনের বেলায় অধিক পরিমাণে ঘুমায়।  আর বিকেল বেলা ঘুমানোর কারণে অনেকেরই রাতের বেলা ঘুম না আসাটাই স্বাভাবিক।  এক্ষেত্রে ঘুমের অভ্যাসটা পরিবর্তন করতে হবে।  যেমন আপনার যদি বিকেল বেলা অধিক পরিমাণে ঘুম আসে তাহলে ঘুমানো যাবেনা। এক্ষেত্রে আপনি চা বা কফি খেয়ে নিজের ঘুমটাকে কন্ট্রোল করতে হবে। এভাবে বিকেলে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করলে রাতের বেলা তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসতে বাধ্য হবে। আপনি পেয়ে গেলেন বিকেলে না ঘুমিয়ে কিভাবে ঘুমাবো প্রশ্নের উত্তর।  ২. শারীরিক পরিশ্রম করুন একটি ভালো ঘুমের জন্য শারীরিকভাবে পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে আপনি ঘুমানোর আগে ব্যায়াম করতে পারেন,  কেননা শারীরিকভাবে পরিশ্রম করলে শরীর এবং মস্তিষ্ক দুটি ক্লান্ত হয়ে পড়ে।  এক্ষেত্রে অনায়াসে অধিক পরিমাণে ঘুম চলে আসে। পরিশ্রম করলে শরীরে এডিনসিন নামক একটি হরমোন এর মাত্রা বৃদ্ধি পায় ।বলা যায় শারীরিক পরিশ্রম আমাদের ১ মিনিটে ঘুম তৈরি করতে সহায়তা করে।  ৩. স্ক্রিনের আলো এড়িয়ে চলুন ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট টাইম সেট করুন যে আপনি কখন ঘুমাবেন। এরপরে ওই নির্দিষ্ট টাইমের ঠিক দুই ঘন্টা আগে আপনি যেকোনো ধরনের ডিভাইস এর ডিসপ্লের আলো থেকে দূরে থাকুন। কারন মোবাইলের কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতিকর ব্লু রশ্নি আমাদের শরীরের মেলাটোনিন উৎপাদন মাত্রা কমিয়ে দেয় যার কারণে আমাদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। ৪. ASMR কনটেন্ট শ্রবণ করা  ইউটিউবে অনেক ধরনের ASMR ভিডিও কন্টেন্ট পাওয়া যায়। ঘুমানোর আগে এগুলো শুনতে এবং দেখতে পারেন। ASMR-এর শব্দগুলো (যেমন ফিসফিস, ট্যাপিং, ব্রাশিং) মস্তিষ্কের রিল্যাক্সেশন সেন্টার সক্রিয় করে। ফলে স্ট্রেস কমে, মন শান্ত হয়। ফলে শরীর আরাম পায়, টেনশন কমে যায় এবং স্বাভাবিকভাবেই ঘুম চলে আসে। আপনি যদি এগুলো না শুনতে চান তাহলে কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পারেন। এক্ষেত্রেও আপনার তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।  ৫. ঘুমানোর আগে ঘরের লাইট বন্ধ করুন আমাদের ঘুমানোর আগ পর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে।  আর আমাদের মস্তিষ্ককে শক্তিও রাখতে আমাদের চোখ অধিক পরিমাণে ভূমিকা পালন করে।  আর যখন চোখের উপরে আলোর প্রতিফলন হয় তখন মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে তাই ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে।  এক্ষেত্রে ঘুমানোর জন্য অবশ্যই একটি নিরিবিলি রুম বেছে নিন এবং অবশ্যই ঘরের সমস্ত জানালা দরজা এবং সমস্ত লাইট বন্ধ করুন।  ৬. রাতের বেলা চা-কফি পানাহার থেকে বিরত থাকুন আমাদের অনেকের রাতের বেলা চা কিংবা কফি না হলে হয় না,  এই অভ্যাসটি ঘুমের জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। চা বা কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্কে ঘুম আনার জন্য দায়ী এডিনোসিন নামের হরমোন কে বাঁধাগ্রস্থ করে, ফলে মস্তিষ্ক “ঘুমানোর সময় হয়নি” এমন সিগনাল পায়। ক্যাফেইন আবার হৃদস্পন্দন একটু বাড়ায়, স্নায়ুকে সতর্ক করে এবং শরীরকে জাগ্রত অবস্থায় রাখে। এই কারণেই চা বা কফি খেলে ঘুম আসতে দেরি হয় বা ঘুম নষ্ট হয়ে যায়।   মানুষের জীবনের এক অতীব প্রয়োজনীয় চাহিদার নাম হলো ঘুম।  এই পৃথিবীতে যত লোভনীয় জিনিস আছে তার মধ্যে অন্যতম বলা যায় ভালো ঘুম অর্থাৎ যাদের অনায়াসে দুচোখের পাতায় ঘুম চলে আসে তারাই হয়তো পৃথিবীর সবথেকে সুখী মানুষ।  ভালো ঘুম যেমন মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে তেমনি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর সুস্থ স্বাভাবিক ঘুম হলে মানুষ তার দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজকর্ম করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। উপরোক্ত নিয়মগুলো অনুসরণ করলে আশা করি আপনার খুব সহজে সুস্থ স্বাভাবিকভাবে ঘুম চলে আসবে এবং আপনি স্বাচ্ছন্দ্যময় একটি জীবন উপভোগ করতে পারবেন।   



বিশ্লেষন
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো এক নজরে

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। ২০১৫ সালের পর দশ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো নতুন বেতন কাঠামো ঘোষিত হয়নি। বিভিন্ন সংগঠনের দাবি ও প্রস্তাবনার আলোকে নবম বা নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? কী কী প্রস্তাব এসেছে, সুযোগ-সুবিধা এবং গ্রেড সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবম পে স্কেলে বেতন বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রস্তাবগুলো হলো: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের প্রস্তাব সর্বনিম্ন বেতন: ৩৫,০০০ টাকা (বর্তমান ৮,২৫০ টাকা) সর্বোচ্চ বেতন: ১,৪০,০০০ টাকা (বর্তমান ৭৮,০০০ টাকা) গ্রেড সংখ্যা: ২০টি থেকে কমিয়ে ১২টি করার সুপারিশ এই প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ৪ গুণ এবং সর্বোচ্চ বেতন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের প্রস্তাব সর্বনিম্ন মূল বেতন: ৩২,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,২৮,০০০ টাকা নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি পে কমিশনের সুপারিশে প্রত্যাশিত বেতন একাধিক সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, পে কমিশন সুপারিশে: সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২৫,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,৫০,০০০ টাকা গ্রেড সংখ্যা কমানো এবং বেতন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ৩০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রস্তাবে: প্রথম গ্রেডের সর্বনিম্ন বেতন: ২,৩৪,০০০ টাকা দ্বিতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮৮,০০০ থেকে ২,৪০,৬৭০ টাকা তৃতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮০,০০০ থেকে ২,২৫,৩৫০ টাকা তবে সচিবরা ৩-৪ গুণ বেতন বৃদ্ধির এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেননি। তারা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রস্তাবিত সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধি নবম পে স্কেলে শুধু মূল বেতন নয়, বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে: বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রস্তাবিত হার: মূল বেতনের ৫% থেকে ৮০% পর্যন্ত (পদভেদে) কর্মচারী সংগঠনগুলো ২০% এর নিচে বাড়ি ভাড়া মানতে রাজি নয় বর্তমানে অনেক গ্রেডে মাত্র ৫-১০% বাড়ি ভাড়া রয়েছে চিকিৎসা ভাতা প্রস্তাবিত: ৩,০০০ টাকা (বর্তমান ১,৫০০ টাকা) বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের দাবি শিক্ষা ভাতা প্রস্তাবিত: ২,০০০ টাকা সন্তানদের শিক্ষা খরচের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সুপারিশ ধোলাই ভাতা প্রস্তাবিত: ১,০০০ টাকা বর্তমান খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ অস্থায়ী মহার্ঘ ভাতা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ৫০% মহার্ঘ ভাতা চালুর দাবি উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই দাবি জোরদার হচ্ছে। গবেষণা অনুদান (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে: অধ্যাপক: ১০ লাখ টাকা বার্ষিক সহযোগী অধ্যাপক: ৫ লাখ টাকা সহকারী অধ্যাপক: ৩ লাখ টাকা প্রভাষক: ২ লাখ টাকা পেনশন সুবিধা নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য ১০০% পেনশন চালুর দাবি পেনশন গ্রাচুইটি হার ১ টাকা = ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব গ্রেড সংস্কার: সুবিধা ও অসুবিধা নবম পে স্কেলে গ্রেড সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব এসেছে। এর সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ: বর্তমান পরিস্থিতি বর্তমান গ্রেড সংখ্যা: ২০টি প্রথম থেকে দশম গ্রেড: কর্মকর্তা পর্যায় একাদশ থেকে বিংশ গ্রেড: কর্মচারী পর্যায় গ্রেড কমানোর সুবিধা ১. বেতন বৈষম্য হ্রাস: গ্রেড কম হলে বেতনের পার্থক্য যৌক্তিক হবে ২. পদোন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি: কম গ্রেডে পদোন্নতি দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা ৩. প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস: কম গ্রেড মানে সহজ বেতন কাঠামো ৪. সমতা প্রতিষ্ঠা: উচ্চ ও নিম্ন গ্রেডের মধ্যে ব্যবধান কমবে গ্রেড কমানোর সম্ভাব্য অসুবিধা ১. পদের স্বল্পতা: কম গ্রেডে একই পদে বেশি কর্মচারী থাকলে পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে ২. পুনর্বিন্যাস জটিলতা: বর্তমান কর্মচারীদের নতুন গ্রেডে স্থাপন জটিল হবে ৩. বিশেষায়িত পদের সমস্যা: কিছু বিশেষায়িত পদের গ্রেড নির্ধারণে জটিলতা প্রস্তাবিত গ্রেড কাঠামো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাব: ১২ গ্রেড: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন ১৬ গ্রেড: কিছু সূত্রে ১৬ গ্রেডের কথা উল্লেখ রয়েছে ১০ গ্রেড: কিছু কর্মচারী সংগঠন মাত্র ১০টি গ্রেডের পক্ষে গ্রেড ভিত্তিক বেতন পার্থক্যের প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ১২ গ্রেড প্রস্তাবে: ১ম থেকে ২য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ২য় থেকে ৩য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৩য় থেকে ৪র্থ গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৪র্থ থেকে ৫ম গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৫ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড: ৫,০০০ টাকা করে কমছে ৯ম থেকে ১০ম গ্রেড পার্থক্য: ১০,০০০ টাকা ১০ম থেকে ১১তম গ্রেড পার্থক্য: ৮,০০০ টাকা ১১তম থেকে ১২তম গ্রেড পার্থক্য: ৭,০০০ টাকা এই কাঠামোতে উচ্চ গ্রেডে বেশি পার্থক্য এবং নিম্ন গ্রেডে কম পার্থক্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান বেতন ব্যবস্থার সমস্যা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করা হয়। পূর্বে: ৪ বছর পূর্তিতে সিলেকশন গ্রেড ৮, ১২, ১৫ বছর পূর্তিতে টাইম স্কেল বর্তমানে উচ্চতর গ্রেড প্রদানের নামে ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি করে মাত্র ১০ টাকা বেতন বৃদ্ধি হয়, যা কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। পদোন্নতি বৈষম্য ১-১০ গ্রেডের কর্মকর্তারা নিয়মিত পদোন্নতি পান ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা ১৫-২০ বছরেও পদোন্নতি পান না ব্লক পোস্টের কারণে অনেকে সারাজীবন একই গ্রেডে থাকেন বেতন বৈষম্যের চিত্র অষ্টম পে স্কেলে: ২০তম থেকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৮টি গ্রেডে বেতন বাড়ে মাত্র ৩,০৫০ টাকা ১-১০ গ্রেডে গ্রেড ভিত্তিক ব্যবধানের হার সর্বনিম্ন ২.২২% ও সর্বোচ্চ ৯.৬০% একই শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে বেতন গ্রেড ও পদ মর্যাদায় বৈষম্য দাবি সংস্কার: সংগঠনগুলোর দাবিনামা সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো নবম পে স্কেলে যেসব সংস্কার চায়: মূল দাবিসমূহ ১. বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো - গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ২. এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন ৩. ৫ বছর পর পর পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড প্রদান ৪. টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল সহ জ্যেষ্ঠতা বজায় ৫. সচিবালয়ে ন্যায় পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন ৬. সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয় ৭. নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশন ও ১০০% পেনশন ৮. কাজের ধরণ অনুযায়ী পদ, নাম ও গ্রেড একীভূতকরণ বেতন বৃদ্ধির হার নিয়ে দাবি কর্মচারী সংগঠনগুলো যুক্তি দিয়েছে: ২০১৫ সালের পর অন্তত দুটি কমিশন হওয়া উচিত ছিল দুইবারের সময়ে একবার পে স্কেল হওয়ায় অন্তত ১৫০% বৃদ্ধি হওয়া উচিত ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালে মূল বেতন প্রায় ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছিল সর্বশেষ আপডেট ও সরকারের অবস্থান পে কমিশনের অগ্রগতি কমিশন গঠন: জুলাই ২০২৫, চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সভা সংখ্যা: ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫টি পূর্ণ কমিশন সভা অনুষ্ঠিত মতামত সংগ্রহ: প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের সাথে আলোচনা সম্পন্ন সময়সীমা: জানুয়ারি ২০২৫-এ সুপারিশ জমা দেওয়ার লক্ষ্য তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ১. প্রথম ধাপ: জানুয়ারিতে কমিশনের সুপারিশ জমা ২. দ্বিতীয় ধাপ: সচিব কমিটিতে পর্যালোচনা ও অনুমোদন ৩. তৃতীয় ধাপ: উপদেষ্টা পরিষদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও গেজেট জারি সরকারের বক্তব্য অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার এলে এটি বাস্তবায়ন করবেন। তবে পে কমিশনের সুপারিশ দ্রুত জমা হওয়ার আশা করা হচ্ছে। কর্মচারীদের আলটিমেটাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের সুপারিশসহ গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে। তবে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০ ডিসেম্বর কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মূল্যস্ফীতি ও বাস্তবতা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০১৫ থেকে ৭ বছরে ৪০% বেতন বৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১০০-১৫০% বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে একজন মানুষ দিনে তিন বেলা ডাল-ভাত-ভর্তা খেলে খরচ প্রায় ১৫০ টাকা ছয় সদস্যের পরিবারের জন্য মাসে অন্তত ২৭ হাজার টাকা খাবার খরচ বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সব খরচে ৫০ হাজার টাকাতেও চলে না জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ১৭-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের বর্তমান বেতনে: বাসা ভাড়া দিতে পারেন না যথাযথ পরিবারের ৬ জন সদস্যের মাসের বাজার সদাই সামাল দিতে হিমশিম ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে কষ্ট মাস শেষ হওয়ার আগেই ঋণ করে সংসার চালাতে হয় প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা কর্মচারীদের প্রত্যাশা ১. যৌক্তিক বেতন বৃদ্ধি - মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ২. বৈষম্য নিরসন - সব গ্রেডে সমান বৃদ্ধির হার ৩. দ্রুত বাস্তবায়ন - আর বিলম্ব না করা ৪. সার্ভিস বেনিফিট - পুরাতন কর্মচারীরাও যেন সুবিধা পান বিশেষজ্ঞদের মতামত মূল বেতন দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা কম তবে মোট বেতন (Gross Salary) এবং ভাতার ওপর জোর দেওয়া হবে নিম্ন গ্রেডের বেতন আনুপাতিক হারে বেশি বাড়ানোর সম্ভাবনা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবসম্মত বৃদ্ধি হবে সম্ভাব্য বাস্তবায়নের সময় সুপারিশ জমা: জানুয়ারি ২০২৫ চূড়ান্ত অনুমোদন: ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৫ কার্যকর হওয়া: ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে সম্ভাবনা সতর্কতা: ভুয়া তথ্য থেকে সাবধান সোশ্যাল মিডিয়াতে পে স্কেল নিয়ে প্রায়ই ভিত্তিহীন খবর বা ভুয়া গেজেট ছড়িয়ে পড়ে। যেমন: "আগামী মাসেই বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে" "১০টি গ্রেড বাতিল হচ্ছে" "পে স্কেল ঘোষণা হয়ে গেছে" মনে রাখবেন: পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একমাত্র অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে। এর আগে যা শোনা যায়, তা মূলত প্রস্তাবনা বা আলোচনা। উপসংহার নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি সবকিছু মিলিয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,২৮,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১২টি করা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো এবং ভাতা বৃদ্ধির দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত একটি সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। জাতীয় বেতন কমিশন জানুয়ারিতে তাদের সুপারিশ জমা দিলে এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশিত হলে দেশের প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হবে। নবম পে স্কেল শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সরকারি সেবার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। সর্বশেষ আপডেট: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিঃদ্রঃ এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবনা এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত। চূড়ান্ত বেতন কাঠামো পে কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলো প্রস্তাবনা হিসেবেই বিবেচিত হবে।


প্রযুক্তি
ফ্রিল্যান্সিং শিখে আয় করা যায়ঃ ছবি- Canva
ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন যেভাবে

বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে এখন সবচাইতে আলোচিত বিষয় হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং - অনেকের কাছে এটি ঘরে বসে হাজার হাজার ডলার আয় করার একটি সহজ প্রক্রিয়া মনে হয় তবে ব্যাপারটি যত সহজ ভাবা হয় ততটা সহজ নয়। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে মূলত আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং এর যে কোন একাধিক বিষয়ে কাজ শিখতে হবে। প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় আপনি এখন খুব সহজেই ফ্রিল্যান্সিং শিখে কাজ করতে পারবেন।চাকরির অনিশ্চয়তার যুগে ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে আপনার আশার আলো বর্তমান প্রজন্মে ফ্রিল্যান্সিং এর উপরে ক্যারিয়ার গঠনের বিষয়ে অধিক মানুষকে আগ্রহী দেখা যায়। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা বিভিন্নভাবে কৌতূহলী পোস্ট করে থাকেন। অনেকের কাছে ফ্রিল্যান্সিং শেখার মত সঠিক গাইডলাইন নেই । যেহেতু বর্তমান যুগে ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় পেশা আর তাই এখানে যে কেউই ক্যারিয়ার করতে পারে যদি সে সঠিকভাবে এবং সঠিক গাইডলাইন মেনে কাজ করতে পারে। যারা জানে না কিভাবে শুরু করতে হয়;  তাদের জন্য আমাদের এই বিস্তারিত প্রতিবেদন - ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব।  দেশের বেকারত্বের হার অনুযায়ী একটা কথা অবশ্যই বলা যায় সেটা হল ফ্রিল্যান্সিং শেখা উচিত, কারণ এটি যেমন আপনার কাজের স্বাধীনতা দিবে তেমনি আপনার নিশ্চিত আয় দিবে । এটি সময় স্থান এবং আয়ের সীমাবদ্ধতা ছাড়াই কাজ করার সুযোগ তৈরি করে দিবে আপনাকে , যেটা অনেকটা পড়ালেখা করেও সম্ভব নয়। তবে আবার অনেকেই পড়ালেখার পাশাপাশি পার্ট টাইম ফ্রিল্যান্সিং করে বাড়তি আয়ের পথ খুলে নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ এটি পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন, আর এটির প্রধান কারণ হলো বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং চাহিদা। ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কি কাজ করবেন? মূল বিষয় হলো ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের ক্ষেত্রেও অনেক বিস্তৃত। এখানে ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্্‌ গ্রাফিক ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ভয়েস ওভার, ডাটা এন্ট্রি, ফটোগ্রাফি, ট্রানসলেশন সহ অসংখ্য ক্যাটাগরিতে কাজ পাওয়া যায় বা কাজ করা যায়। এর মধ্যে আপনি যে কোন একটি বা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হলেই আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।  এখন মূল প্রশ্ন হল " ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব " , এই প্রশ্নের আসল উত্তর হল ফ্রিল্যান্সিং দুইভাবে শেখা যায়, অর্থাৎ আপনি যে কোন একটি স্কিল বেছে নিয়ে ফ্রিতে বিভিন্ন উপায়ে এবং পেইড কোর্স ক্রয় করে কাজ শিখতে পারেন । এরপরে মার্কেটপ্লেসে কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনি যদি ফ্রিতে শিখতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে একটু বেশি কষ্ট করতে হবে আর যদি আপনার সামর্থ্য থাকে তাহলে যে কোন আইটি সেন্টার থেকে বিশেষভাবে ট্রেনিং নিয়ে কাজ শিখতে পারেন। যেহেতু সবাই সবকিছু জানে না তাই শুধু একটিমাত্র বা দক্ষতা অর্জন করায় উত্তম। উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি যে কোন বিষয়ে নিজেকে অধিক দক্ষ মনে করেন তাহলে আপনাকে সেই বিষয়টি নিয়ে কাজ করে যাওয়া উচিত। আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি কোন জিনিসটা ভালো পারেন, যদি আপনি প্রোগ্রামিং ভাল পারেন তাহলে আপনার সেটা করা উচিত, যদি আপনার ভিডিও এডিটিং ভালো লাগে তাহলে আপনার ভিডিও এডিটিং প্রপারলি শেখা উচিত। এভাবে যার যার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অধিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে।  অনেকেই প্রশ্ন করেন যে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব কিনা। আসলে আপনি যদি কোন কিছু পেতে হয় তাহলে কিছু তো দিতে হবে। অর্থাৎ এই কথাটি দ্বারা এটাই বুঝিয়েছি যে ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকা বাধ্যতামূলক। তবে আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিং করে থাকেন সেই ক্ষেত্রে মোবাইল দিয়েও করতে পারবেন। এখন আসি মূল টপিকে, ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য অনেক উৎস আছে। আজকাল ইউটিউবে পাওয়া যায় না এমন কোন বিষয় নেই, আর যে কোন বিষয়ে দরকার আপনি সেটা ইউটিউবে পেয়ে যাবেন শুধু দরকার আপনাকে সঠিকভাবে সার্চ করতে জানা।  এর পাশাপাশি বর্তমানে বিভিন্ন এ আই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্টঃ চ্যাট জিপিটি , জিমিনি) এর সহায়তা নিতে পারেন। পাশাপাশি গুগল এবং বিভিন্ন ব্লগ থেকে আপনার সিলেক্ট করা বিষয়ের উপরে রিসোর্স পেয়ে যাবেন।  এরপরে আসা যাক বিভিন্ন কমিউনিটি, অর্থাৎ দেখা যায় আজকাল বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সাররা ফেসবুকে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। সেই সব গ্রুপ কিংবা পেইজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আপনি শিক্ষা নিতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনার দক্ষতা অর্জন হবে এবং বুঝতে পারবেন কোনটি আপনার করা উচিত এবং কোনটি অনুচিত। তারপর সব থেকে ভালো হয় আপনার যদি কোন পরিচিত কাছের লোক থাকে যে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে তাহলে তার থেকে প্রপার গাইড নিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন, মনে রাখবেন যতটুকু শিখবেন ততটুকু দৈনিক প্র্যাকটিস করবেন। অনেক সময় বিভিন্ন জনপ্রিয় কোর্স প্রোভাইডার -  ইউডেমি, কোরসেরা, স্কিলশেয়ার ফ্রিতে কোর্স প্রদান করে থাকে সেখান থেকেও কোর্সং সগ্রহ করে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন।  সবশেষে বলা যায় ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে বা শিখতে হলে প্রচুর অধ্যবসায় এবং ধৈর্য প্রয়োজন। আপনাকে যে কোন একটি বিষয় দক্ষ হলেই চলবে না, যে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিবেন ওই বিষয়ের পাশাপাশি সম্পৃক্ত একটা একাধিক বিষয় আপনাকে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং কোন জাদু নয় , এটি একটি শেখার প্রক্রিয়া।  আপনি যে বিষয়ে শিখবেন সেই বিষয়ে সাথে সাথে বিশদভাবে নোট করে রাখবেন যাতে পরবর্তীতে ভুলে যাওয়ার কোনো চান্স না থাকে। নিয়মিত চর্চায় সফলতার মূল চাবিকাঠি। সঠিক দিকনির্দেশনা আর নিরলস পরিশ্রম থাকলে অনলাইনে নিজের যোগ্যতায় গ্লোবাল মার্কেটে জায়গা করে নেওয়া একদম খুবই সহজ।   

ক্যারিয়ার
নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, ছবিঃ ক্যানভা
নিয়োগ দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া, আবেদন করা যাবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ব্যাংক এশিয়া পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি  আবারো প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। ব্যাংক এশিয়া চাকরির আবেদন শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর থেকে এবং শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।  এক নজরে ব্যাংক এশিয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ বিষয় বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকের নাম ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC) পদের নাম অডিট অফিসিয়াল (Audit Official) থেকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (First Vice President) মোট পদ সংখ্যা নির্দিষ্ট নয় চাকরির ধরন স্থায়ী/ফুলটাইম চাকরির ক্যাটাগরি ব্যাংক জব, সরকারি ব্যাংক চাকরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (bdjobs.com) কর্মস্থল ঢাকা ব্যাংক এশিয়া অডিট অফিসিয়াল নিয়োগ - শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ্যতার ধরন বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষাগত যোগ্যতা অডিটিং/ব্যাংকিং/ফিন্যান্স/একাউন্টিং বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর কর্ম অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা (আর্টিকেলশিপ সহ) অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, কাস্টমার সার্ভিস, ক্রেডিট অপারেশন, ফরেন ট্রেড, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বয়স সীমা পদ অনুযায়ী ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - অতিরিক্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা অডিটিং, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট অপারেশন বা ফরেন ট্রেড সেক্টরে ন্যূনতম ৩ থেকে ১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন এবং স্ট্রেস টেস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এছাড়া MS Office ব্যবহারে দক্ষতা এবং ইংরেজিতে চমৎকার লিখিত ও মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা আবশ্যক। কর্মস্থল ও চাকরির বিবরণ কর্মস্থল: ঢাকা (ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার, কারওয়ান বাজার) চাকরির ধরন: ফুলটাইম/স্থায়ী কর্ম এলাকা: ব্যাংকের সকল শাখা, বিভাগ ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পদ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে) সুবিধাদি: নির্বাচিত প্রার্থীরা ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন, উৎসব বোনাস (বছরে দুইবার), প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, চিকিৎসা সুবিধা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং কর্মী ঋণ সুবিধাসহ আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আরো দেখুন নিয়োগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক আবেদন শেষ ১১ই জানুয়ারি প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা ব্যাংকিং অডিট বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩-১৫ বছরের অভিজ্ঞতা IFRS-9, BASEL-III, রিস্ক বেসড সুপারভিশন সম্পর্কে জ্ঞান MS Office ও অডিট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা ইংরেজিতে চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত) শক্তিশালী বিশ্লেষণাত্মক ও সমস্যা সমাধান ক্ষমতা 📌 চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কাজের বিবরণ বিস্তারিত দেখুন ব্যাংক এশিয়া চাকরি ২০২৫ - আবেদনের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ব্যাংক এশিয়া একটি সমান সুযোগের নিয়োগদাতা (Equal Opportunity Employer) শুধুমাত্র শর্টলিস্টেড/যোগ্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেকোনো আবেদন গ্রহণ/বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে যোগ্য প্রার্থীদের ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্রদান করা হবে ব্যাংক এশিয়া জব এপ্লাই ২০২৫ - আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা বিডিজবস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সরাসরি আবেদন করতে: এখানে ক্লিক করুন আবেদনের সময়সূচী: বিবরণ তারিখ আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ আবেদনের মাধ্যম অনলাইন (শুধুমাত্র bdjobs.com) সতর্কতা: দেরিতে বা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণ করা হবে না।