মতামত

সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, বেড়ে ৬
আন্তর্জাতিক
সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, বেড়ে ৬

পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি মৌসুমে দেশটির মাটিতে বাংলাদেশি হজযাত্রীর মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে।  ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, মারা যাওয়া দুজন হলেন জামালপুরের মাদারগঞ্জের মোহাম্মদ আবদুল হাই (৬১) এবং শেরপুরের শ্রীবরদীর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন (৫৮)। আবদুল হাই মদিনায় এবং আল মামুন মক্কায় মারা যান।  সরকারি তথ্যে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত মৃত ছয়জনই পুরুষ এবং তাদের মৃত্যুর কারণ স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মক্কায় ও পাঁচজন মদিনায় মারা গেছেন।  এদিকে চলতি হজ মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৯২টি ফ্লাইটে ৩৬ হাজার ৯৯৬ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৩ হাজার ২৮৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৩ হাজার ৭১২ জন।  হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিতে বাংলাদেশ হজ মিশন সার্বক্ষণিক কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ | দুপুর ১২:৩১






ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত
ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত

হজ যাত্রা শারীরিক ও মানসিকভাবে দীর্ঘ প্রস্তুতির একটি সফর। প্রতিবছর লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় যান হজ পালনে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সফরে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ দীর্ঘ ভ্রমণ, খাবারের সময় পরিবর্তন, অতিরিক্ত হাঁটা, গরম আবহাওয়া এবং ক্লান্তির কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করতে পারে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা হজে যাওয়ার অন্তত এক মাস আগে পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেবেন। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, কিডনি, চোখ ও হৃদরোগের ঝুঁকি আছে কি না, তা যাচাই করা দরকার। চিকিৎসকেরা বলছেন, যাঁরা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাঁরা ইনসুলিন বহনের সঠিক নিয়ম জেনে নেবেন। অতিরিক্ত গরমে ইনসুলিন নষ্ট হতে পারে। তাই ঠান্ডা ব্যাগে সংরক্ষণ করা ভালো,  ঠান্ডা ব্যাগ না থাকলে কিনে নিবেন । সঙ্গে গ্লুকোমিটার, পর্যাপ্ত স্ট্রিপ ও প্রেসক্রিপশন রাখবেন । খাবারের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা যাবে না। শুকনো খাবার, খেজুর, বিস্কুট বা গ্লুকোজ জাতীয় খাবার সঙ্গে রাখা উচিত। হঠাৎ মাথা ঘোরা, কাঁপুনি, অতিরিক্ত ঘাম হলে দ্রুত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করতে হবে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, হজের সময় ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত হাঁটা উপকারী হলেও অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়িয়ে চলা উচিত। শরীরের সংকেত বুঝে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

স্বাস্থ্য
জ্বালানি তেলের দাম
জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরণের অস্থিরতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় তেলের বাজার এখন নিয়ন্ত্রণহীন। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) বিশ্ববাজারে তেলের দাম টানা সপ্তম দিনের মতো বেড়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বড় দুঃসংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দামে আগুন আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ লন্ডনের আইসিই এক্সচেঞ্জে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১০৮.৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি ১১০ ডলারের ঘরও স্পর্শ করেছে। একইভাবে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতির আশা করা হয়েছিল, তা ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানির এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়; এই রুটটি কার্যত অচল হয়ে যাওয়ায় তেলের দামে এই উল্লম্ফন। দেশের বাজারেও অস্বস্তি আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার প্রভাব ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের বাজারে পড়তে শুরু করেছে। চলতি এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে (১৮ এপ্রিল) সরকার সব ধরণের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং ডিজেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হচ্ছে, এই মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিতে খুব বড় প্রভাব ফেলবে না, কিন্তু সাধারণ মানুষের পকেট থেকে বাড়তি টাকা খসে যাওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষ করে পরিবহন খরচ ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কায় ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা। সরবরাহ সংকটের শঙ্কা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, আমদানিতে অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক দাম বাড়ার কারণে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও সরকার দাবি করছে পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে দেশে আরেক দফা দাম সমন্বয় বা সংকটের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বরাজনীতির এই টানাপোড়েন যদি দ্রুত প্রশমিত না হয়, তবে তেলের দাম আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এতে কেবল যাতায়াত নয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষি খাতের খরচও আকাশছোঁয়া হয়ে পড়ার বড় ঝুঁকি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

আপনার জন্য






জাতীয়
১৬ বছর পর সম্প্রচারে ফিরলো চ্যানেল ওয়ান
১৬ বছর পর সম্প্রচারে ফিরলো চ্যানেল ওয়ান

দীর্ঘ ১৬ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও সম্প্রচারে ফিরেছে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ান। আজ সোমবার ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা ৫৭ মিনিট থেকে পুনরায় বাণিজ্যিক সম্প্রচার শুরু করেছে জনপ্রিয় এই টিভি চ্যানেল। চ্যানেল ওয়ান ফের চালু হওয়ায় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকা চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচারে আর কোনো বাধা নেই বলে রায় দেন আদালত। এ বিষয়ে করা আপিল আবেদনের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল তৎকালীন সরকার চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। সে সময় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) চ্যানেলটির ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ স্থগিত করে। পরে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অনুমতি ছাড়া সম্প্রচার যন্ত্রপাতি বিক্রির অভিযোগে চ্যানেলটি বন্ধ করা হয়েছে। চ্যানেল ওয়ানের মালিক ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দীর্ঘ কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান। মুক্তির পর হাইকোর্টের আগের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। পরে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি শেষে চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচারের পথ আবার খুলে যায়। একসময় দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল চ্যানেল ওয়ান। সংবাদ, বিনোদন ও নানা অনুষ্ঠান দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। ১৬ বছর পর আবার সম্প্রচার শুরু হওয়ায় পুরোনো দর্শকদের মধ্যেও নস্টালজিয়া কাজ করছে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ | রাত ১০:৬

অর্থনীতি
ছবিঃ আন্সপ্লাশ
আবার কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমল ২,২১৬ টাকা

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে গত ২৩ এপ্রিলও স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও দর কমল। আজকের স্বর্ণের নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট - ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, ২১ ক্যারেট  - ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট - ২ লাখ ২০০ টাকা ১৩ টাকা ,, সনাতন পদ্ধতি -  ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। রুপার নতুন দাম (প্রতি ভরি) ২২ ক্যারেট -  ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট - ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট  - ৪ হাজার ৪৯১ টাকা , সনাতন পদ্ধতি - ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা বছরে কতবার বদলাল দাম চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩২ বার বেড়েছে, আর ২৫ বার কমেছে। গত বছর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ৬৪ বার দাম বাড়ে এবং ২৯ বার কমে। দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর আগামী দিনের দর নির্ভর করবে।

শিক্ষা
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও
জাপানে উচ্চশিক্ষার দারুণ সুযোগ, মাসে ৭০ হাজার ইয়েন বৃত্তি পাবে বাংলাদেশিরাও

জাপানে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন? আর্থিক সংকটের কারণে পিছিয়ে আছেন? তাহলে আপনার জন্য এসেছে দারুণ এক সুযোগ। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬ এর আবেদন শুরু হয়েছে। এই বৃত্তির মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। আবেদন করা যাবে ৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত।  এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে মাসিক ভাতা। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৭০ হাজার ইয়েন, অর্থাৎ বছরে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়েন পাবেন। আর স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৬০ হাজার ইয়েন, বছরে ৭ লাখ ২০ হাজার ইয়েন পাবেন। তবে কেউ যদি বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি অন্য কোনো স্কলারশিপ পান, তাহলে এই বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। স্কলারশিপ সাধারণত দুই বছরের জন্য দেওয়া হয়। তবে পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধা ও অগ্রগতির ভিত্তিতে চার বছর বা তারও বেশি সময় বাড়ানো হতে পারে। আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে: অনলাইন আবেদনপত্র, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, আবাসিক সনদ, জিপিএ সনদ (যদি প্রয়োজন হয়), ভর্তি সনদ, ব্যক্তিগত বিবৃতি, চিকিৎসা সনদ এবং হালনাগাদ সিভি। যারা আবেদন করতে চান, তাদের অবশ্যই স্কলারশিপ চলাকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীদের তৃতীয় বর্ষ বা তার ওপরে পড়তে হবে। আর স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। জাপানে পড়াশোনার সুযোগ খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য এটি হতে পারে বড় সুযোগ। সময় কম, তাই আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ | দুপুর ১:৩

রাজনীতি
৯ম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এনসিপির

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দলটির শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশায় সরকারি ও আধা-সরকারি প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিজীবী রয়েছেন। তাদের বেতন স্কেল সর্বশেষ বৃদ্ধি পেয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে, ২০১৫ সালে ৮ম পে স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে। অথচ গত এক দশকে ৫০ শতাংশেরও বেশি মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে এবং জীবনযাপনের নানামুখী ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি বর্তমান জীবনমান ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে দ্রুততম সময়ে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন বেতন না বাড়ায় সরকারি খাতের এই বিপুল সংখ্যক চাকরিজীবী ও তাদের পরিবার বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে চরম হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি বেতনের অন্তর্ভুক্ত চাকরিজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে, গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। তারা বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে প্রায় ১৪৮টি সভা ও মতামত গ্রহণের মাধ্যমে গত ২১ জানুয়ারি ৯ম বেতন কমিশনের প্রস্তাব প্রদান করেছে। কিন্তু তা এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই ন্যায্য অধিকার আদায়ে শুরু থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টি সোচ্চার ছিল উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু থেকেই বিভিন্ন পেশাজীবীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিল। ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের আন্দোলনেও সরকারি বেতনভুক্ত চাকরিজীবীদের আন্দোলন-সংগ্রামে সরাসরি অংশগ্রহণ করে জোরালো ভূমিকা রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

ধর্ম
তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, নিয়ত, দোয়া ও ফজিলত
তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, নিয়ত, দোয়া ও ফজিলত

গ্রামের মানুষজন একটা কথা এখনো বলে, রাতের শেষ ভাগে যে মানুষ আল্লাহকে ডাকে, তার ডাকে বরকত থাকে। দুনিয়ার ঝামেলা, টেনশন, কষ্ট, রিজিকের চিন্তা, সন্তানের ভবিষ্যৎ, রোগব্যাধি সবকিছু নিয়ে মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন কিছু বান্দা উঠে দাঁড়ায় সিজদায়। এ নামাজই হলো তাহাজ্জুদ নামাজ। এটি ফরজ নয়, কিন্তু এত বড় ফজিলতের নামাজ যে আল্লাহর প্রিয় বান্দারা কখনো ছাড়তেন না। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তেন। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়িন, অলী আল্লাহ, ইসলামী স্কলাররা এই নামাজকে হৃদয়ের শক্তি বলতেন। আজ সহজ ভাষায় জানব তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম, নিয়ত, দোয়া, সময়, ফজিলত, কুরআন ও হাদিসের দলিল। তাহাজ্জুদ নামাজ কী? ইশার নামাজের পর ঘুমিয়ে আবার রাতে উঠে যে নফল নামাজ পড়া হয়, সেটাই তাহাজ্জুদ। ইমাম নববী (রহ.) বলেন: “ঘুমানোর পর রাতে উঠে যে নফল সালাত আদায় করা হয়, সেটিই তাহাজ্জুদ।” অর্থাৎ শুধু রাতে নফল পড়লেই তাহাজ্জুদ নয়, ঘুমের পর উঠে পড়া উত্তম। তাহাজ্জুদ নামাজের সঠিক সময় ইশার পর থেকে ফজরের আগে পর্যন্ত তাহাজ্জুদের সময়। তবে সবচেয়ে উত্তম সময় হলো রাতের শেষ তৃতীয়াংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ বাংলা অর্থ: “প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব।” সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত? তাহাজ্জুদ নামাজ ২ রাকাত করে পড়া হয়। কমপক্ষে ২ রাকাত , ৪ রাকাত, ৬ রাকাত, ৮ রাকাত পড়া যায়। নবীজি (সা.) অনেক সময় ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ এবং ৩ রাকাত বিতর পড়তেন। হযরত আয়েশা (রা.) বলেন: রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান ও রমজানের বাইরে ১১ রাকাতের বেশি পড়তেন না। সহিহ বুখারি তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত মুখে আরবি নিয়ত বলা জরুরি নয়। মনে ইচ্ছা করলেই নিয়ত হয়ে যায়। তবু অনেকে শিখতে চান, তাই বলা যায়: نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ لِلَّهِ تَعَالَى رَكْعَتَيْنِ صَلَاةَ التَّهَجُّدِ سُنَّةً বাংলা অর্থ: আমি আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যে দুই রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত করলাম। তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম দুই রাকাত সাধারণ নফল নামাজের মতোই পড়তে হবে। প্রথমে ওজু করবেন। কিবলামুখী দাঁড়াবেন। নিয়ত করবেন। সানা পড়বেন। সূরা ফাতিহা পড়বেন। সঙ্গে অন্য সূরা মিলাবেন। রুকু, সিজদা করবেন। দুই রাকাত শেষে সালাম ফেরাবেন। এভাবে ২ রাকাত করে যত ইচ্ছা পড়তে পারবেন। শেষে বিতর নামাজ পড়া উত্তম। তাহাজ্জুদে কোন সূরা পড়বেন? নির্দিষ্ট কোনো সূরা বাধ্যতামূলক নয়। তবে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে পড়া উত্তম। অনেকে পড়েন: সূরা ইখলাস সূরা ফালাক সূরা নাস সূরা মুলক সূরা ইয়াসিন দীর্ঘ কিরাতও পড়া যায় তাহাজ্জুদের নামাজের পর যে দোয়া পড়তে পারেন এই সময় দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। নিজের ভাষায় কান্না করে দোয়া করবেন। একটি সুন্দর দোয়া: اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আমাকে ক্ষমা করুন। আরও পড়তে পারেন: رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي বাংলা অর্থ: হে রব, আমাকে ক্ষমা করুন, দয়া করুন, হেদায়েত দিন, রিজিক দিন। কুরআনে তাহাজ্জুদের কথা আল্লাহ বলেন: وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَكَ বাংলা অর্থ: “রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় করুন, এটি আপনার জন্য অতিরিক্ত ইবাদত।” সূরা বনি ইসরাইল: ৭৯ আরও বলেন: كَانُوا قَلِيلًا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ বাংলা অর্থ: “তারা রাতে অল্পই ঘুমাত।” সূরা যারিয়াত: ১৭ অর্থাৎ নেককার বান্দারা রাতে উঠে ইবাদত করতেন। তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত ১. দোয়া কবুল হয় রাতের শেষ ভাগ দোয়া কবুলের সময়। ২. গুনাহ মাফ হয় নবীজি (সা.) বলেছেন, নফল ইবাদত বান্দাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে। ৩. রিজিকে বরকত আসে অনেক আলেম বলেন, রাতের ইবাদত হৃদয় পরিষ্কার করে, এতে কাজে বরকত আসে। ৪. মন শান্ত হয় যারা টেনশন, ডিপ্রেশন, কষ্টে থাকেন, তাহাজ্জুদ তাদের জন্য শক্তি। ৫. আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া যায় নিয়মিত রাতের ইবাদতকারী মানুষ আল্লাহর কাছে সম্মানিত। ইসলামিক স্কলারদের বক্তব্য ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন: “দুনিয়াতে যদি জান্নাতের স্বাদ কিছু থাকে, তা রাতের ইবাদতে।” ইমাম হাসান বসরী (রহ.) বলেন: “আমি এমন কোনো ইবাদত দেখিনি যা মুখমণ্ডল এত সুন্দর করে, যেমন তাহাজ্জুদ।” ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলেন: “রাতের দোয়া তীরের মতো, লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।” তাহাজ্জুদ নামাজ কেন পড়বেন আমাদের দেশে মানুষ অনেক কষ্টে থাকে। চাকরি নাই, সংসার চাপ, ঋণ, রোগ, সন্তানের চিন্তা, মানসিক অশান্তি। এসব সময় মানুষ সব জায়গায় গিয়ে হতাশ হয়, কিন্তু রাতের শেষ ভাগে আল্লাহর দরবারে গেলে অন্তর নরম হয়। গ্রামে এখনো অনেকে বলে, ফজরের আগে উঠলে ঘরেও বরকত নামে, মনে শান্তি নামে। যারা শুরু করতে চান তাদের জন্য সহজ উপায় প্রথম দিন ২ রাকাত পড়ুন, অ্যালার্ম দিন , ঘুমানোর আগে নিয়ত করুন, ছোট সূরা দিয়ে শুরু করুন, দীর্ঘ দোয়া না পারলে নিজের ভাষায় বলুন, ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে। উপসংহার তাহাজ্জুদ নামাজ শুধু নামাজ না, এটা বান্দা আর রবের গোপন সম্পর্ক। যখন সবাই ঘুমায়, তখন আপনি যদি উঠে বলেন “ইয়া আল্লাহ”, সেই ডাক বিফলে যায় না। কষ্ট থাকলে পড়ুন। রিজিক চাইলে পড়ুন। সন্তান চাইলে পড়ুন। মনের শান্তি চাইলে পড়ুন। ক্ষমা চাইলে পড়ুন। রাতের অন্ধকারে যে চোখের পানি পড়ে, আল্লাহ তা কখনো নষ্ট করেন না।





স্বাস্থ্য
ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত
ডায়াবেটিসের রোগীদের হজের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত

হজ যাত্রা শারীরিক ও মানসিকভাবে দীর্ঘ প্রস্তুতির একটি সফর। প্রতিবছর লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় যান হজ পালনে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সফরে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ দীর্ঘ ভ্রমণ, খাবারের সময় পরিবর্তন, অতিরিক্ত হাঁটা, গরম আবহাওয়া এবং ক্লান্তির কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করতে পারে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা হজে যাওয়ার অন্তত এক মাস আগে পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেবেন। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, কিডনি, চোখ ও হৃদরোগের ঝুঁকি আছে কি না, তা যাচাই করা দরকার। চিকিৎসকেরা বলছেন, যাঁরা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাঁরা ইনসুলিন বহনের সঠিক নিয়ম জেনে নেবেন। অতিরিক্ত গরমে ইনসুলিন নষ্ট হতে পারে। তাই ঠান্ডা ব্যাগে সংরক্ষণ করা ভালো,  ঠান্ডা ব্যাগ না থাকলে কিনে নিবেন । সঙ্গে গ্লুকোমিটার, পর্যাপ্ত স্ট্রিপ ও প্রেসক্রিপশন রাখবেন । খাবারের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা যাবে না। শুকনো খাবার, খেজুর, বিস্কুট বা গ্লুকোজ জাতীয় খাবার সঙ্গে রাখা উচিত। হঠাৎ মাথা ঘোরা, কাঁপুনি, অতিরিক্ত ঘাম হলে দ্রুত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করতে হবে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, হজের সময় ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত হাঁটা উপকারী হলেও অতিরিক্ত ক্লান্তি এড়িয়ে চলা উচিত। শরীরের সংকেত বুঝে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।





বিশ্লেষন
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে
নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো এক নজরে

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। ২০১৫ সালের পর দশ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো নতুন বেতন কাঠামো ঘোষিত হয়নি। বিভিন্ন সংগঠনের দাবি ও প্রস্তাবনার আলোকে নবম বা নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে? কী কী প্রস্তাব এসেছে, সুযোগ-সুবিধা এবং গ্রেড সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। নতুন পে স্কেলে বেতন কত হতে পারে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবম পে স্কেলে বেতন বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। প্রধান প্রস্তাবগুলো হলো: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের প্রস্তাব সর্বনিম্ন বেতন: ৩৫,০০০ টাকা (বর্তমান ৮,২৫০ টাকা) সর্বোচ্চ বেতন: ১,৪০,০০০ টাকা (বর্তমান ৭৮,০০০ টাকা) গ্রেড সংখ্যা: ২০টি থেকে কমিয়ে ১২টি করার সুপারিশ এই প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ৪ গুণ এবং সর্বোচ্চ বেতন প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের প্রস্তাব সর্বনিম্ন মূল বেতন: ৩২,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,২৮,০০০ টাকা নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি পে কমিশনের সুপারিশে প্রত্যাশিত বেতন একাধিক সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, পে কমিশন সুপারিশে: সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২৫,০০০ টাকা সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১,৫০,০০০ টাকা গ্রেড সংখ্যা কমানো এবং বেতন কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ৩০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রস্তাবে: প্রথম গ্রেডের সর্বনিম্ন বেতন: ২,৩৪,০০০ টাকা দ্বিতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮৮,০০০ থেকে ২,৪০,৬৭০ টাকা তৃতীয় গ্রেডের বেতন: ১,৮০,০০০ থেকে ২,২৫,৩৫০ টাকা তবে সচিবরা ৩-৪ গুণ বেতন বৃদ্ধির এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেননি। তারা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রস্তাবিত সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা বৃদ্ধি নবম পে স্কেলে শুধু মূল বেতন নয়, বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে: বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রস্তাবিত হার: মূল বেতনের ৫% থেকে ৮০% পর্যন্ত (পদভেদে) কর্মচারী সংগঠনগুলো ২০% এর নিচে বাড়ি ভাড়া মানতে রাজি নয় বর্তমানে অনেক গ্রেডে মাত্র ৫-১০% বাড়ি ভাড়া রয়েছে চিকিৎসা ভাতা প্রস্তাবিত: ৩,০০০ টাকা (বর্তমান ১,৫০০ টাকা) বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের দাবি শিক্ষা ভাতা প্রস্তাবিত: ২,০০০ টাকা সন্তানদের শিক্ষা খরচের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সুপারিশ ধোলাই ভাতা প্রস্তাবিত: ১,০০০ টাকা বর্তমান খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ অস্থায়ী মহার্ঘ ভাতা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের আগে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ৫০% মহার্ঘ ভাতা চালুর দাবি উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই দাবি জোরদার হচ্ছে। গবেষণা অনুদান (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে: অধ্যাপক: ১০ লাখ টাকা বার্ষিক সহযোগী অধ্যাপক: ৫ লাখ টাকা সহকারী অধ্যাপক: ৩ লাখ টাকা প্রভাষক: ২ লাখ টাকা পেনশন সুবিধা নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য ১০০% পেনশন চালুর দাবি পেনশন গ্রাচুইটি হার ১ টাকা = ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব গ্রেড সংস্কার: সুবিধা ও অসুবিধা নবম পে স্কেলে গ্রেড সংখ্যা কমানোর প্রস্তাব এসেছে। এর সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ: বর্তমান পরিস্থিতি বর্তমান গ্রেড সংখ্যা: ২০টি প্রথম থেকে দশম গ্রেড: কর্মকর্তা পর্যায় একাদশ থেকে বিংশ গ্রেড: কর্মচারী পর্যায় গ্রেড কমানোর সুবিধা ১. বেতন বৈষম্য হ্রাস: গ্রেড কম হলে বেতনের পার্থক্য যৌক্তিক হবে ২. পদোন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি: কম গ্রেডে পদোন্নতি দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা ৩. প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস: কম গ্রেড মানে সহজ বেতন কাঠামো ৪. সমতা প্রতিষ্ঠা: উচ্চ ও নিম্ন গ্রেডের মধ্যে ব্যবধান কমবে গ্রেড কমানোর সম্ভাব্য অসুবিধা ১. পদের স্বল্পতা: কম গ্রেডে একই পদে বেশি কর্মচারী থাকলে পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে ২. পুনর্বিন্যাস জটিলতা: বর্তমান কর্মচারীদের নতুন গ্রেডে স্থাপন জটিল হবে ৩. বিশেষায়িত পদের সমস্যা: কিছু বিশেষায়িত পদের গ্রেড নির্ধারণে জটিলতা প্রস্তাবিত গ্রেড কাঠামো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাব: ১২ গ্রেড: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন ১৬ গ্রেড: কিছু সূত্রে ১৬ গ্রেডের কথা উল্লেখ রয়েছে ১০ গ্রেড: কিছু কর্মচারী সংগঠন মাত্র ১০টি গ্রেডের পক্ষে গ্রেড ভিত্তিক বেতন পার্থক্যের প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ১২ গ্রেড প্রস্তাবে: ১ম থেকে ২য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ২য় থেকে ৩য় গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৩য় থেকে ৪র্থ গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৪র্থ থেকে ৫ম গ্রেড পার্থক্য: ১৫,০০০ টাকা ৫ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড: ৫,০০০ টাকা করে কমছে ৯ম থেকে ১০ম গ্রেড পার্থক্য: ১০,০০০ টাকা ১০ম থেকে ১১তম গ্রেড পার্থক্য: ৮,০০০ টাকা ১১তম থেকে ১২তম গ্রেড পার্থক্য: ৭,০০০ টাকা এই কাঠামোতে উচ্চ গ্রেডে বেশি পার্থক্য এবং নিম্ন গ্রেডে কম পার্থক্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান বেতন ব্যবস্থার সমস্যা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করা হয়। পূর্বে: ৪ বছর পূর্তিতে সিলেকশন গ্রেড ৮, ১২, ১৫ বছর পূর্তিতে টাইম স্কেল বর্তমানে উচ্চতর গ্রেড প্রদানের নামে ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি করে মাত্র ১০ টাকা বেতন বৃদ্ধি হয়, যা কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। পদোন্নতি বৈষম্য ১-১০ গ্রেডের কর্মকর্তারা নিয়মিত পদোন্নতি পান ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা ১৫-২০ বছরেও পদোন্নতি পান না ব্লক পোস্টের কারণে অনেকে সারাজীবন একই গ্রেডে থাকেন বেতন বৈষম্যের চিত্র অষ্টম পে স্কেলে: ২০তম থেকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত মোট ৮টি গ্রেডে বেতন বাড়ে মাত্র ৩,০৫০ টাকা ১-১০ গ্রেডে গ্রেড ভিত্তিক ব্যবধানের হার সর্বনিম্ন ২.২২% ও সর্বোচ্চ ৯.৬০% একই শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে বেতন গ্রেড ও পদ মর্যাদায় বৈষম্য দাবি সংস্কার: সংগঠনগুলোর দাবিনামা সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো নবম পে স্কেলে যেসব সংস্কার চায়: মূল দাবিসমূহ ১. বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো - গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ২. এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন ৩. ৫ বছর পর পর পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড প্রদান ৪. টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল সহ জ্যেষ্ঠতা বজায় ৫. সচিবালয়ে ন্যায় পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন ৬. সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয় ৭. নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশন ও ১০০% পেনশন ৮. কাজের ধরণ অনুযায়ী পদ, নাম ও গ্রেড একীভূতকরণ বেতন বৃদ্ধির হার নিয়ে দাবি কর্মচারী সংগঠনগুলো যুক্তি দিয়েছে: ২০১৫ সালের পর অন্তত দুটি কমিশন হওয়া উচিত ছিল দুইবারের সময়ে একবার পে স্কেল হওয়ায় অন্তত ১৫০% বৃদ্ধি হওয়া উচিত ২০০৯ থেকে ২০১৫ সালে মূল বেতন প্রায় ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছিল সর্বশেষ আপডেট ও সরকারের অবস্থান পে কমিশনের অগ্রগতি কমিশন গঠন: জুলাই ২০২৫, চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সভা সংখ্যা: ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫টি পূর্ণ কমিশন সভা অনুষ্ঠিত মতামত সংগ্রহ: প্রায় আড়াই শতাধিক সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের সাথে আলোচনা সম্পন্ন সময়সীমা: জানুয়ারি ২০২৫-এ সুপারিশ জমা দেওয়ার লক্ষ্য তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ১. প্রথম ধাপ: জানুয়ারিতে কমিশনের সুপারিশ জমা ২. দ্বিতীয় ধাপ: সচিব কমিটিতে পর্যালোচনা ও অনুমোদন ৩. তৃতীয় ধাপ: উপদেষ্টা পরিষদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও গেজেট জারি সরকারের বক্তব্য অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার এলে এটি বাস্তবায়ন করবেন। তবে পে কমিশনের সুপারিশ দ্রুত জমা হওয়ার আশা করা হচ্ছে। কর্মচারীদের আলটিমেটাম বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের সুপারিশসহ গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে। তবে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০ ডিসেম্বর কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মূল্যস্ফীতি ও বাস্তবতা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০১৫ থেকে ৭ বছরে ৪০% বেতন বৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১০০-১৫০% বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘরে একজন মানুষ দিনে তিন বেলা ডাল-ভাত-ভর্তা খেলে খরচ প্রায় ১৫০ টাকা ছয় সদস্যের পরিবারের জন্য মাসে অন্তত ২৭ হাজার টাকা খাবার খরচ বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সব খরচে ৫০ হাজার টাকাতেও চলে না জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ১৭-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের বর্তমান বেতনে: বাসা ভাড়া দিতে পারেন না যথাযথ পরিবারের ৬ জন সদস্যের মাসের বাজার সদাই সামাল দিতে হিমশিম ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে কষ্ট মাস শেষ হওয়ার আগেই ঋণ করে সংসার চালাতে হয় প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা কর্মচারীদের প্রত্যাশা ১. যৌক্তিক বেতন বৃদ্ধি - মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ২. বৈষম্য নিরসন - সব গ্রেডে সমান বৃদ্ধির হার ৩. দ্রুত বাস্তবায়ন - আর বিলম্ব না করা ৪. সার্ভিস বেনিফিট - পুরাতন কর্মচারীরাও যেন সুবিধা পান বিশেষজ্ঞদের মতামত মূল বেতন দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা কম তবে মোট বেতন (Gross Salary) এবং ভাতার ওপর জোর দেওয়া হবে নিম্ন গ্রেডের বেতন আনুপাতিক হারে বেশি বাড়ানোর সম্ভাবনা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবসম্মত বৃদ্ধি হবে সম্ভাব্য বাস্তবায়নের সময় সুপারিশ জমা: জানুয়ারি ২০২৫ চূড়ান্ত অনুমোদন: ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৫ কার্যকর হওয়া: ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে সম্ভাবনা সতর্কতা: ভুয়া তথ্য থেকে সাবধান সোশ্যাল মিডিয়াতে পে স্কেল নিয়ে প্রায়ই ভিত্তিহীন খবর বা ভুয়া গেজেট ছড়িয়ে পড়ে। যেমন: "আগামী মাসেই বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে" "১০টি গ্রেড বাতিল হচ্ছে" "পে স্কেল ঘোষণা হয়ে গেছে" মনে রাখবেন: পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একমাত্র অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে। এর আগে যা শোনা যায়, তা মূলত প্রস্তাবনা বা আলোচনা। উপসংহার নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষা, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি সবকিছু মিলিয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,২৮,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১২টি করা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বৈষম্যমুক্ত বেতন কাঠামো এবং ভাতা বৃদ্ধির দাবিগুলো যৌক্তিক। তবে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত একটি সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। জাতীয় বেতন কমিশন জানুয়ারিতে তাদের সুপারিশ জমা দিলে এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশিত হলে দেশের প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হবে। নবম পে স্কেল শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সরকারি সেবার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। সর্বশেষ আপডেট: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিঃদ্রঃ এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবনা এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত। চূড়ান্ত বেতন কাঠামো পে কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলো প্রস্তাবনা হিসেবেই বিবেচিত হবে।


সারাদেশ
দাওয়াত না পেয়ে স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে হট্টগোল
দাওয়াত না পেয়ে স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে হট্টগোল করলেন বিএনপির সাবেক নেতা

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মাইক কেড়ে নেওয়া ও প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির এক সাবেক নেতার বিরুদ্ধে। গতকাল ১৯ এপ্রিল রোববার দুপুরে উপজেলার বাঁশবাড়ি উচ্চবিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার পর সংক্ষিপ্তভাবে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার উদ্দিন বলেন, অনুষ্ঠানের মধ্যে সারোয়ার আওয়াল নামে এক ব্যক্তি ও তাঁর লোকজন এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা মাইক নিয়ে নেন এবং তাঁর কক্ষে তালা দেন। তবে সারোয়ার আওয়াল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি গালাগাল করেননি। অভিভাবকদের অনুরোধে সেখানে গিয়েছিলেন এবং তালা দেওয়ার বিষয়েও কিছু জানেন না। এ ঘটনায় বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপি নেতারা।


ভ্রমন ও গাইড
গ্রাফিকঃ দিগন্ত পোস্ট , ছবিঃ ৫ দেশের পতাকা ,
মাত্র ১ লাখ টাকায় ২ জন মিলে ভিসা ছাড়াই এই ৫টি দেশ ঘুরে আসুন

বিদেশের মাটিতে ঘুরতে যাওয়ার স্বপ্ন আমাদের সবারই থাকে। কিন্তু ভিসা পাওয়ার ঝক্কি আর বিশাল বাজেটের কথা ভেবে অনেকেই পিছিয়ে যান। তবে আপনি যদি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে পরিকল্পনা করেন, তবে মাত্র ১ লাখ টাকার বাজেটে অনায়াসেই জীবনসঙ্গী বা বন্ধুকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন চমৎকার সব দেশ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যাওয়ার জন্য কোনো আগাম ভিসার প্রয়োজন হয় না, ফলে খরচ ও ঝামেলা দুটোই বেঁচে যায়। আজ আপনাদের এমন ৫টি দেশের কথা জানাব, যেখানে কম খরচে রাজকীয় ভ্রমণ উপভোগ করা যায়। পাহাড় ও মেঘের রাজ্য নেপাল বাজেট ট্রাভেলারদের জন্য নেপাল সব সময়ই তালিকার শীর্ষে থাকে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নেপালে প্রথমবার প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ভিসা ফি লাগে না। ১ লাখ টাকার বাজেটে কাঠমান্ডু, পোখরা এবং নাগরকোট। এই তিন শহর দুই জন মিলে খুব চমৎকারভাবে ঘুরে দেখা সম্ভব। হিমালয়ের কোল ঘেঁষে থাকা এই দেশটিতে যেমন কম খরচে থাকা যায়, তেমনি পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখা বা প্যারাগ্লাইডিং করার মতো রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাও পাওয়া যায়। নীল জলরাশির দেশ মালদ্বীপ অনেকেই মনে করেন মালদ্বীপ মানেই লাখ লাখ টাকার খরচ, কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। লাক্সারি রিসোর্ট এড়িয়ে যদি আপনি মাফুশি বা হুলহুমালের মতো লোকাল আইল্যান্ডগুলোতে থাকেন, তবে ১ লাখ টাকায় দুই জন মিলে চার দিন কাটিয়ে আসা সম্ভব। নীল সমুদ্রের ওপর ওয়াটার স্পোর্টস কিংবা ডলফিন দেখার অভিজ্ঞতা কোনো ভিসা ছাড়াই পেয়ে যাবেন অন-অ্যারাইভাল সুবিধার মাধ্যমে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লঙ্কা দ্বীপ শ্রীলঙ্কা পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত বন্ধুসুলভ একটি দেশ। পাহাড়, চা বাগান আর ঐতিহাসিক সব স্থাপনায় ঘেরা এই দেশে বাংলাদেশিদের জন্য রয়েছে অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুবিধা। ক্যান্ডির পাহাড় থেকে শুরু করে নুয়ারা এলিয়ার ঝরনা পর্যন্ত দুই জন মিলে ৫ থেকে ৬ দিনের একটি ট্রিপ ১ লাখ টাকার মধ্যেই বেশ আয়েশ করে শেষ করা যায়। এখানকার আবহাওয়া এবং খাবার দুই-ই বাঙালির খুব পছন্দের। বাজেট ফ্রেন্ডলি ভিয়েতনাম বর্তমান সময়ে বাংলাদেশিদের কাছে ভিয়েতনাম একটি দারুণ আকর্ষণীয় গন্তব্য। যদিও এখানে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সরাসরি নেই, তবে খুব স্বল্প খরচে অনলাইনে ই-ভিসা নিয়ে নেওয়া যায়। ১ লাখ টাকার বাজেটে ভিয়েতনামের বিখ্যাত স্ট্রিট ফুড, হ্যালং বের ক্রুজ ভ্রমণ এবং হো চি মিন সিটির জাঁকজমক অনায়াসেই উপভোগ করা সম্ভব। যারা একটু ভিন্ন ধাঁচের সংস্কৃতি দেখতে চান, তাদের জন্য ভিয়েতনাম সেরা পছন্দ হতে পারে। শপিং ও বিনোদনের থাইল্যান্ড থাইল্যান্ড মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি মওকুফ বা ভিসা ফ্রি সুবিধা দিয়ে থাকে। যখন এই সুযোগ থাকে, তখন ব্যাংকক আর পাতায়াতে দুই জন মিলে ৪-৫ দিনের ভ্রমণ ১ লাখ টাকার বাজেটে খুব সহজেই সম্ভব হয়। স্ট্রিট ফুড আর কেনাকাটার জন্য থাইল্যান্ডের কোনো তুলনা হয় না। তাই আপনার পরবর্তী ট্রিপের পরিকল্পনা শুরু করার আগে এই দেশগুলোর তালিকাটি অবশ্যই মাথায় রাখতে পারেন। সঠিক সময়ে টিকিট বুক করলে এই বাজেটেও আপনি পেতে পারেন রাজকীয় ভ্রমণের স্বাদ।

লাইফস্টাইল
ফ্যান পরিষ্কার করলে কি আসলেই বাতাস বাড়ে?
ফ্যান পরিষ্কার করলে কি আসলেই বাতাস বাড়ে?

গরমের সময় অনেক বাসায় একটি সাধারণ অভিযোগ শোনা যায়। ফ্যান চলছে, কিন্তু আগের মতো বাতাস পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই তখন মনে করেন ফ্যানের মোটর নষ্ট হয়ে গেছে বা নতুন ফ্যান কেনার সময় হয়েছে। তবে বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হয় জমে থাকা ধুলাবালি। গৃহস্থালি ইলেকট্রিক যন্ত্র মেরামতের সঙ্গে যুক্ত টেকনিশিয়ানদের মতে, সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান কিংবা স্ট্যান্ড ফ্যান নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ব্লেডের ওপর ধুলার স্তর জমে যায়। এতে ব্লেডের ডিজাইন অনুযায়ী বাতাস ঠেলার ক্ষমতা কমে যায়। ফল হিসেবে ফ্যান ঘুরলেও বাতাস দুর্বল লাগে। বাস্তব ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, ৪ থেকে ৬ মাস পরিষ্কার না করা ফ্যান পরিষ্কার করার পর অনেক সময় ঘরের বাতাসের পার্থক্য সহজেই বোঝা যায়। বিশেষ করে যেসব ঘরে জানালা খোলা থাকে বা রাস্তার ধুলা বেশি ঢোকে, সেখানে ফ্যান দ্রুত নোংরা হয়। প্রযুক্তিগতভাবে বিষয়টি সহজ। ফ্যানের ব্লেড নির্দিষ্ট কোণে তৈরি হয় যাতে ঘোরার সময় বাতাস নিচের দিকে ঠেলে দিতে পারে। যখন ব্লেডে ধুলা জমে, তখন তার মসৃণতা নষ্ট হয়। এতে বায়ুপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। কিছু ক্ষেত্রে ব্লেড ভারসাম্যও হারায়, ফলে শব্দ বাড়ে এবং কম্পন তৈরি হয়। তবে সব সময় শুধু পরিষ্কার করলেই সমাধান হবে, এমন নয়। যদি ক্যাপাসিটর দুর্বল হয়ে যায়, মোটরের কয়েল গরম হয়ে যায় বা বেয়ারিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে বাতাস কমতেই পারে। সে ক্ষেত্রে একজন দক্ষ মিস্ত্রির মাধ্যমে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। ইলেকট্রিক সার্ভিস সেন্টারের কর্মীদের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, অনেক গ্রাহক নতুন ফ্যান কিনতে চান, কিন্তু পরিষ্কার ও ছোটখাটো সার্ভিস করার পর পুরোনো ফ্যানই আবার ভালো পারফরম্যান্স দেয়।  বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, অন্তত দুই থেকে তিন মাস পরপর ফ্যান পরিষ্কার করা উচিত। এতে বাতাস ভালো পাওয়া যায়, শব্দ কম হয় এবং মোটরের ওপর চাপও কম পড়ে। সব দিক বিবেচনায় বলা যায়, ফ্যান পরিষ্কার করলে সত্যিই বাতাস বাড়ার অনুভূতি পাওয়া যায়। কারণ এতে ফ্যান তার স্বাভাবিক দক্ষতায় ফিরে আসে। তাই বাতাস কম মনে হলে নতুন ফ্যান কেনার আগে পরিষ্কার করাই হতে পারে সবচেয়ে সাশ্রয়ী সমাধান।





প্রযুক্তি
চ্যাট জিপিটি ও জিমিনিকে টক্কর দিতে মাঠে নামল চীনের ডিপসিক
চ্যাট জিপিটি ও জিমিনিকে টক্কর দিতে মাঠে নামল চীনের ডিপসিক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দুনিয়ায় আবারও আলোচনায় এসেছে চীনের প্রতিষ্ঠান ডিপসিক। নতুন করে তারা উন্মোচন করেছে দুই এআই চ্যাটবট ডিপসিক ভি৪ প্রো ও ডিপসিক ভি৪ ফ্ল্যাশ। প্রযুক্তি বিশ্বে এখন প্রশ্ন উঠেছে, চ্যাটজিপিটি আর গুগল জেমিনির সামনে কি নতুন বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চলে এলো? শুক্রবার নতুন এই দুই মডেলের প্রিভিউ প্রকাশ করে ডিপসিক। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, শুধু সাধারণ কথোপকথন নয়, জটিল হিসাব, কোড লেখা, বিশ্লেষণ আর যুক্তি প্রয়োগেও নতুন মডেলগুলো বেশ শক্তিশালী। ডিপসিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ভি৪ প্রো গণিত ও কোডিংয়ে অন্য অনেক ওপেন মডেলকে ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বজ্ঞান ও তথ্য বিশ্লেষণেও এটি বেশ ভালো ফল দেখাচ্ছে। এমনকি ওপেনএআইয়ের জিপিটি-৫.৪ ও গুগলের জেমিনি ৩.১ প্রো মডেলের কাছাকাছি পারফরম্যান্স দিচ্ছে বলেও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে ভি৪ ফ্ল্যাশ তৈরি করা হয়েছে দ্রুত কাজের জন্য। এটি দ্রুত উত্তর দিতে পারে, ব্যবহার খরচও তুলনামূলক কম। যারা কম সময়ে বেশি কাজ চান, তাদের জন্য এই সংস্করণকে কার্যকর বলা হচ্ছে। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, নতুন দুটি মডেলই ওপেন সোর্স। অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো ডেভেলপার চাইলে এই প্রযুক্তির কোড ব্যবহার করতে পারবেন, নিজের মতো পরিবর্তন করতে পারবেন, এমনকি নতুন কিছু তৈরি করতেও পারবেন। গত বছর জানুয়ারিতে ডিপসিক আর১ উন্মোচনের পরও বড় আলোচনা তৈরি হয়েছিল। তখন অনেকে বলেছিলেন, চ্যাটজিপিটি ও জেমিনির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো মডেল তৈরি করেছে ডিপসিক। আরও চমক ছিল খরচের অঙ্কে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছিল, মাত্র ৬ মিলিয়ন ডলারের কম খরচে তারা সেই মডেল তৈরি করেছে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান একই ধরনের এআই মডেলে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে। তবে ডিপসিকের উত্থান সবাই স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। তথ্য নিরাপত্তা ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, ডেনমার্ক ও ইতালিতে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা বা সীমাবদ্ধতা দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন এআই প্রযুক্তি শুধু সফটওয়্যার নয়, এটি বড় শক্তির প্রতিযোগিতাও। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কে এগিয়ে থাকবে, তা নিয়েই চলছে লড়াই। এই অবস্থায় ডিপসিকের নতুন মডেল বাজারে আসায় স্পষ্ট বার্তা মিলেছে, এআই দুনিয়ায় চীন এখন শুধু অংশগ্রহণকারী নয়, বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও উঠে এসেছে।





ক্যারিয়ার
ছবিঃ আকিজ রিসোর্স
নিয়োগ দিচ্ছে আকিজ রিসোর্সেস, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদনের সুযোগ

আপনি কি ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা ইনফরমেশন গভর্নেন্স নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী? দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আকিজ রিসোর্সেস লিমিটেড (Akij Resources Limited) তাদের ডকুমেন্ট কন্ট্রোল বিভাগে 'Assistant Manager' পদে জনবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে । পেশাদার পরিবেশে যারা নিজেদের ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ। এক নজরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সংক্ষিপ্ত তথ্য নিচে ছক আকারে বিজ্ঞপ্তির মূল তথ্যগুলো দেওয়া হলো: বিষয় বিস্তারিত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম আকিজ রিসোর্সেস (Akij Resources) পদের নাম Assistant Manager - Document Control Management শিক্ষাগত যোগ্যতা BBA (Management/MIS) অথবা BA (Library Management) প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ৩ থেকে ৭ বছর বেতন আলোচনা সাপেক্ষে আবেদনের শেষ সময় ২২ এপ্রিল ২০২৬ আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও দক্ষতা এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের কিছু বিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকতে হবে: শিক্ষাগত পটভূমি: প্রার্থীদের ম্যানেজমেন্ট (Management), এমআইএস (MIS) অথবা ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্টে স্নাতক হতে হবে । বিশেষ প্রশিক্ষণ: ISO ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ইন্টারনাল অডিট বা ডকুমেন্ট কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DMS)-এর ওপর প্রশিক্ষণ বা সার্টিফিকেশন থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে । অভিজ্ঞতা: ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা রেকর্ড ম্যানেজমেন্টে ৩ থেকে ৫ বছরের পেশাদার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে । কারিগরি জ্ঞান: গুগল ওয়ার্কস্পেস (Google Workspace), ইআরপি (ERP) এবং এইচআরএমএস (HRMS) পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে । প্রধান দায়িত্বসমূহ একজন এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে আপনার প্রধান কাজ হবে প্রতিষ্ঠানের এন্টারপ্রাইজ-ওয়াইড ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DMS) তদারকি করা । যার মধ্যে থাকবে: নথিপত্রের কোডিং, ফাইলিং স্ট্রাকচার এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা । ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল উভয় সিস্টেমে তথ্যের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা । আইএসও (ISO) বা আইএমএস (IMS) অডিটের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখা । বিভিন্ন বিভাগকে নথিপত্র সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের বিষয়ে সহায়তা প্রদান করা । কিভাবে আবেদন করবেন? আগ্রহী প্রার্থীদের সরাসরি Bdjobs.com-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে । আবেদনের শেষ তারিখ ২২ এপ্রিল ২০২৬ ।




খেলাধুলা
ছবিঃ ইন্টারনেট
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা

আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নতুন এক আলোচিত ঘটনা যুক্ত হয়েছে। সৌদি আরবের শীর্ষ ক্লাব আল নাসেরের নারী দলের অধিনায়ক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্যাথলিন সৌজা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করেছেন। তার জীবনে এটি একটি নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জানা যায়, সৌজা বর্তমানে সৌদি আরবেই বসবাস করছেন এবং আল নাসেরের হয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফুটবলের প্রতি তার পরিশ্রম ও নিষ্ঠা, পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গীকার দুই ক্ষেত্রেই তার আন্তরিকতা তাকে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা এনে দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের এই সিদ্ধান্ত তার প্রতি সেই শ্রদ্ধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আল নাসেরের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক বার্তায় সৌজার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ওমরাহ পালনের সময়কার তার ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে তিনি নিজের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনা ও অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা ভেসে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও বিনোদন জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তাদের অনেকেই নতুন বিশ্বাসের মাধ্যমে পাওয়া শান্তি ও তৃপ্তির কথা প্রকাশ্যে শেয়ার করেছেন। সৌজার সিদ্ধান্তও সেই ধারারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। আল নাসর এক বিবৃতিতে সৌজার এই যাত্রাকে সুন্দর ও অনুপ্রেরণামূলক পথচলা বলে উল্লেখ করেছে এবং তার ক্রীড়া ও আধ্যাত্মিক জীবনে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অনেক ক্রীড়াপ্রেমী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের মতে, পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার ও নতুন ধর্মীয় জীবনের মধ্যে যে ভারসাম্য তিনি গড়ে তুলছেন, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। সৌজার ইসলাম গ্রহণ ও ওমরাহ পালন শুধু তার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের বহুমাত্রিকতা ও বিভিন্ন সংস্কৃতি-ধর্মের প্রতি উন্মুক্ততারও প্রতীক হয়ে উঠেছে। ফুটবল মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তার এই আধ্যাত্মিক যাত্রা তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রীড়াবিদদের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।