হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া, পানির গ্লাস উল্টে ফোনের ওপর পড়ে যাওয়া কিংবা বাথরুমে ফোন হাত ফসকে পড়ে যাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অনেক মানুষ এখনো একটি পুরোনো উপায় ব্যবহার করেন। ফোনটি চালের ড্রামের মধ্যে রেখে দেন কয়েক ঘণ্টা বা পুরো রাত।
ধারণা হলো, চাল নাকি ফোনের ভেতরের পানি টেনে নেয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই পদ্ধতি কি সত্যিই কাজ করে, নাকি এটি শুধু প্রচলিত একটি ভুল ধারণা?
প্রযুক্তিবিদ ও স্মার্টফোন মেরামতকারীদের মতে, চাল কিছুটা আর্দ্রতা শোষণ করতে পারলেও এটি পানিতে ভেজা ফোন ঠিক করার নির্ভরযোগ্য উপায় নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রে এতে ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
বছরের পর বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুখে মুখে এই পরামর্শ ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ চাল স্বাভাবিকভাবেই বাতাসের কিছু আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে। তাই অনেকেই মনে করেন, এটি ফোনের ভেতরের পানিও টেনে নেয়।
তবে বাস্তবে স্মার্টফোনের ভেতরে পানি ঢুকে গেলে তা শুধু বাইরের অংশে থাকে না। চার্জিং পোর্ট, স্পিকার, ব্যাটারি ও মাদারবোর্ডের ভেতরেও পানি যেতে পারে। আর সেসব জায়গায় চালের প্রভাব খুব সীমিত।
Apple Support নিজস্ব নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পানিতে ভেজা আইফোন চালের মধ্যে রাখা উচিত না। কারণ চালের ছোট কণা ফোনের ভেতরে ঢুকে আরও সমস্যা তৈরি করতে পারে।
Samsung Support একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ফোন ভিজে গেলে দ্রুত শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখতে হবে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, চাল ফোন পুরোপুরি শুকাতে পারে এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুব শক্তিশালী নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই ফোন বন্ধ করে ফেলতে হবে। অনেকেই আতঙ্কে ফোন অন করে দেখেন কাজ করছে কি না। এটিই সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি।
ফোন বন্ধ করার পর সিম কার্ড ও মেমোরি কার্ড খুলে ফেলতে হবে। এরপর শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে বাইরের পানি মুছে নিতে হবে।
সম্ভব হলে ঠান্ডা বাতাসে বা ফ্যানের নিচে কিছু সময় রাখতে পারেন। তবে অতিরিক্ত গরম বাতাস বা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ভেতরের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রযুক্তিবিদদের মতে, চালের তুলনায় সিলিকা জেল আর্দ্রতা শোষণে বেশি কার্যকর। নতুন জুতা বা ব্যাগের বাক্সে ছোট ছোট যে সিলিকা জেলের প্যাকেট থাকে, সেগুলো আর্দ্রতা টেনে নিতে সাহায্য করে।
তবে ফোনে যদি অনেক পানি ঢুকে যায়, তাহলে শুধু শুকানো যথেষ্ট নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে দ্রুত সার্ভিস সেন্টারে নেওয়াই নিরাপদ।
ঢাকার কয়েকজন মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান জানান, অনেক মানুষ চালের মধ্যে ফোন রেখে কয়েকদিন পর তাদের কাছে আসেন। তখন দেখা যায়, ফোনের ভেতরে মরিচা বা শর্ট সার্কিট শুরু হয়ে গেছে। তাদের মতে, চালের ওপর ভরসা করে দেরি না করে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া, পানির গ্লাস উল্টে ফোনের ওপর পড়ে যাওয়া কিংবা বাথরুমে ফোন হাত ফসকে পড়ে যাওয়া। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অনেক মানুষ এখনো একটি পুরোনো উপায় ব্যবহার করেন। ফোনটি চালের ড্রামের মধ্যে রেখে দেন কয়েক ঘণ্টা বা পুরো রাত। ধারণা হলো, চাল নাকি ফোনের ভেতরের পানি টেনে নেয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই পদ্ধতি কি সত্যিই কাজ করে, নাকি এটি শুধু প্রচলিত একটি ভুল ধারণা? প্রযুক্তিবিদ ও স্মার্টফোন মেরামতকারীদের মতে, চাল কিছুটা আর্দ্রতা শোষণ করতে পারলেও এটি পানিতে ভেজা ফোন ঠিক করার নির্ভরযোগ্য উপায় নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রে এতে ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে। চালের মধ্যে ফোন রাখার ধারণা কোথা থেকে এসেছে বছরের পর বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুখে মুখে এই পরামর্শ ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ চাল স্বাভাবিকভাবেই বাতাসের কিছু আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে। তাই অনেকেই মনে করেন, এটি ফোনের ভেতরের পানিও টেনে নেয়। তবে বাস্তবে স্মার্টফোনের ভেতরে পানি ঢুকে গেলে তা শুধু বাইরের অংশে থাকে না। চার্জিং পোর্ট, স্পিকার, ব্যাটারি ও মাদারবোর্ডের ভেতরেও পানি যেতে পারে। আর সেসব জায়গায় চালের প্রভাব খুব সীমিত। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কী বলছে Apple Support নিজস্ব নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পানিতে ভেজা আইফোন চালের মধ্যে রাখা উচিত না। কারণ চালের ছোট কণা ফোনের ভেতরে ঢুকে আরও সমস্যা তৈরি করতে পারে। Samsung Support একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ফোন ভিজে গেলে দ্রুত শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখতে হবে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, চাল ফোন পুরোপুরি শুকাতে পারে এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুব শক্তিশালী নয়। তাহলে ফোনে পানি ঢুকলে কী করবেন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই ফোন বন্ধ করে ফেলতে হবে। অনেকেই আতঙ্কে ফোন অন করে দেখেন কাজ করছে কি না। এটিই সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি। ফোন বন্ধ করার পর সিম কার্ড ও মেমোরি কার্ড খুলে ফেলতে হবে। এরপর শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে বাইরের পানি মুছে নিতে হবে। সম্ভব হলে ঠান্ডা বাতাসে বা ফ্যানের নিচে কিছু সময় রাখতে পারেন। তবে অতিরিক্ত গরম বাতাস বা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ভেতরের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সিলিকা জেল কি বেশি কার্যকর প্রযুক্তিবিদদের মতে, চালের তুলনায় সিলিকা জেল আর্দ্রতা শোষণে বেশি কার্যকর। নতুন জুতা বা ব্যাগের বাক্সে ছোট ছোট যে সিলিকা জেলের প্যাকেট থাকে, সেগুলো আর্দ্রতা টেনে নিতে সাহায্য করে। তবে ফোনে যদি অনেক পানি ঢুকে যায়, তাহলে শুধু শুকানো যথেষ্ট নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে দ্রুত সার্ভিস সেন্টারে নেওয়াই নিরাপদ। বাংলাদেশের বাস্তব অভিজ্ঞতা কী বলছে ঢাকার কয়েকজন মোবাইল সার্ভিসিং টেকনিশিয়ান জানান, অনেক মানুষ চালের মধ্যে ফোন রেখে কয়েকদিন পর তাদের কাছে আসেন। তখন দেখা যায়, ফোনের ভেতরে মরিচা বা শর্ট সার্কিট শুরু হয়ে গেছে। তাদের মতে, চালের ওপর ভরসা করে দেরি না করে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
By using this site, you agree to our Cookie Policy .